আন্তর্জাতিক

বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বিক্ষোভে জনসমুদ্র

By Daily Satkhira

January 24, 2020

বিদেশের খবর: ইরাকের রাজধানী বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। সে বিক্ষোভ পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে। প্রভাবশালী শিয়া নেতা মুক্তাদা আস-সাদরের ডাকা ‘মিলিয়ন-ম্যান মার্চ’ নামে এই বিক্ষোভে এখন কাঁপছে গোটা বাগদাদ। কয়েক দশকের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী এত বড় বিক্ষোভ আর দেখা যায়নি।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরের আগ থেকেই বাগদাদের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিক্ষোভে যোগ দিতে থাকেন ইরাকিরা। রাজধানীর বাইরের বিভিন্ন প্রদেশ থেকেও এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে থাকেন শিয়া, সুন্নি, কুর্দি ও আরব- নির্বিশেষে সব গোত্র-সম্প্রদায়ের ইরাকিরা। দুপুর নাগাদ বাগদাদে জড়ো হয় লাখ লাখ মানুষ।

জনসমুদ্রে পরিণত বিক্ষোভে শ্লোগান ওঠে- ‘আমেরিকা নিপাত যাক, ইসরায়েল নিপাত যাক’, ‘ইরাক থেকে বের হওয়া আমেরিকান সেনারা’। এসব শ্লোগানে যেন কাঁপাতে থাকে বাগদাদের রাজপথকে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এ শান্তিপূর্ণ মহাবিক্ষোভকে ১৯২০ সালে অনুষ্ঠিত ইরাকের ইসলামী বিপ্লব বা গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে তুলনা করছে। সে সময় ইরাক ও ইরানের প্রখ্যাত শিয়া ও সুন্নি আলেমদের আহ্বানে ব্রিটিশ দখলদারির বিরুদ্ধে ইরাকের সর্বত্র গণপ্রতিরোধ শুরু হয়।

মুক্তাদা আস-সাদর এই বিক্ষোভ ডেকেছেন সম্প্রতি ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের অবৈধ সামরিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে। গত ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বাগদাদে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে চোরাগোপ্তা কায়দায় হত্যা করে। ওই হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। ইরাককে দু’পক্ষের যুদ্ধক্ষেত্র বানানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ইরাকিরা।িবিদেশের খবর: ইরাকের রাজধানী বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। সে বিক্ষোভ পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে। প্রভাবশালী শিয়া নেতা মুক্তাদা আস-সাদরের ডাকা ‘মিলিয়ন-ম্যান মার্চ’ নামে এই বিক্ষোভে এখন কাঁপছে গোটা বাগদাদ। কয়েক দশকের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী এত বড় বিক্ষোভ আর দেখা যায়নি।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরের আগ থেকেই বাগদাদের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিক্ষোভে যোগ দিতে থাকেন ইরাকিরা। রাজধানীর বাইরের বিভিন্ন প্রদেশ থেকেও এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে থাকেন শিয়া, সুন্নি, কুর্দি ও আরব- নির্বিশেষে সব গোত্র-সম্প্রদায়ের ইরাকিরা। দুপুর নাগাদ বাগদাদে জড়ো হয় লাখ লাখ মানুষ।

জনসমুদ্রে পরিণত বিক্ষোভে শ্লোগান ওঠে- ‘আমেরিকা নিপাত যাক, ইসরায়েল নিপাত যাক’, ‘ইরাক থেকে বের হওয়া আমেরিকান সেনারা’। এসব শ্লোগানে যেন কাঁপাতে থাকে বাগদাদের রাজপথকে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এ শান্তিপূর্ণ মহাবিক্ষোভকে ১৯২০ সালে অনুষ্ঠিত ইরাকের ইসলামী বিপ্লব বা গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে তুলনা করছে। সে সময় ইরাক ও ইরানের প্রখ্যাত শিয়া ও সুন্নি আলেমদের আহ্বানে ব্রিটিশ দখলদারির বিরুদ্ধে ইরাকের সর্বত্র গণপ্রতিরোধ শুরু হয়।

মুক্তাদা আস-সাদর এই বিক্ষোভ ডেকেছেন সম্প্রতি ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের অবৈধ সামরিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে। গত ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বাগদাদে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে চোরাগোপ্তা কায়দায় হত্যা করে। ওই হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। ইরাককে দু’পক্ষের যুদ্ধক্ষেত্র বানানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ইরাকিরা।