শ্যামনগর

শ্যামনগরে ভুয়া কাজী নুরুল আমিনকে আদালতে প্রেরণ

By daily satkhira

September 01, 2020

শ্যামনগর অফিস : শ্যামনগরের কৈখালীর এক ভূয়া কাজী নুরুল আমিনকে পুলিশে আটক করে আদালতে প্রেরণ করেছে। আটককৃত কাজী হলো জয়াখালী গ্রামের সোহরাব আলী গাজীর পুত্র জি,এম নুরুল আমিন (৩৬)। গত ২৮ শে আগস্ট তাকে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আদালতে বিচারের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। এদিকে ২৭ শে আগস্ট দুপুর ২ টার দিকে শ্যামনগর থানার এস,আই রবিউল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে আটক করে। কৈখালী ইউনিয়নের সরকার অনুমোদিত নিকাহ রেজিষ্টার এম,মিজানুর রহমান (৫০) তার বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় প্রতারণা মূলক মামলা করে। মামলা নং-৩৭, মামলা সূত্রে প্রকাশ, নুরুল আমিন ভুয়া নিকাহ রেজিষ্টার সেজে কৈখালী, ভেটখালী, রমজাননগর সহ বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষদের ভুল বুঝিায়ে ভূয়া রেজিষ্টার কাবিন নামা, তালাক ও বিবাহ সম্পন্ন করে। যার ফলে সরকারী রাজস্ব অর্থ ফাঁকি/ বিঘিœত হয়। সে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কাবিনে মোহরানা কম বেশি করে বর ও কণে পক্ষদের ক্ষতিগ্রস্থ করে। নুরুল আমিন বিভিন্ন সময়ে বিবাহ বিচ্ছেদের অবৈধ তালাক রেজিঃ করে এবং সাতক্ষীরা পৌরসভার ৭ও ৮ নং ওয়ার্ডের বিবাহ রেজিষ্টার শেখ সাইদুজ্জামানের নামীয় সীল ও সহি ব্যবহার করে। বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে প্রাক্তন নিকাহ রেজিষ্টার মরহুম মুজিবুর রহমানের নামীয় সীল ও সহি ব্যবহার করে নুরুল আমিন। নুরুল আমিন ভূয়া রেজিষ্টার সেজে অবৈধ পন্থায় তারানিপুর গ্রামের হামিদ গাজীর পুত্র মহিউদ্দীন গাজীর সাথে বৈশখালী গ্রামের আব্দুল করিমের কন্যা রুমা পারভীনের বিবাহের তালাকের কাজ করায় এলাকায় ক্ষোভের জন্ম দেয়। এতে মিজানুর রহমানের অনেক আর্থিক ক্ষতি হয়। নুরুল আমিন একদিকে সরকারী কর ফাঁকি দিয়ে প্রতারণা করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করে। তার এহেন অনৈতিক কার্য্যে বাধা দেওয়ায় মিজানুর রহমানকে ভয় ভীতি ও নানা বিধ হুমকী দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় প্রতারণা করা, প্রতারনা করার উদ্দেশ্যে বিবাহ সংক্রান্ত দলীল জাল করণ, বিবাহ সংক্রান্ত জাল দলিল খাঁটি হিসাবে ব্যবহার এবং ভয় ভীতি প্রদর্শনের অপরাধে মামলায় ভূয়া কাজী নুরুল আমিনকে আটক করা হয়। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হুদা জানান, মামলার প্রেক্ষিতে নুরুল আমিনকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে বিচারের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে ।