বিনোদন

নিজের বিয়ের কথা প্রকাশ করল ‘সেলফি বিব্রত’ তানহা

By Daily Satkhira

May 23, 2017

বনানীতে দুই তরুণী ধর্ষণের ঘটনা এখন টক অব দ্য কান্ট্রি। বিষয়টি নিয়ে বেশ সোচ্চার শোবিজ অঙ্গন তারকারাও। নবাগতা চিত্রনায়িকা তানহা মৌমাছি ও ধর্ষক নাঈম আশরাফকে নিয়ে আলোচনা আর সমালোচনা যখন মিডিয়া জুড়ে, ঠিক তখনই নিজের বিয়ের কথা প্রকাশ করলেন নায়িকা নিজেই। নাঈম আশরাফের সাথে নিজের ‘অজ্ঞাতে’ সেলফি তুলে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন তানহা। আর তাতেই ‘বাধ্য’ হলেন নিজের বিবাহিত জীবনের কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়ে আসতে।

সাম্প্রতি নায়িকা তানহা তার ফেসবুকে লিখেছেন, “কেউ আমায় নিয়ে আর কখনো খারাপ মন্তব্য করতে পারবে না। আজকে সবাইকে জানাচ্ছি, আমি বিয়ে করেছি তিন বছর আগে। ৭ বছরের সম্পর্কের পর এই বিয়ে। আমার স্বামীর নাম মুক্ত। বিয়ে, জন্ম, মৃত্যু আল্লাহ নিজের হাতে লিখে রাখেন। আমি আমারে স্বামীকে অনেক ভালোবাসি, সবাই দোয়া করবেন। মানুষ আমায় খারাপ বলুক এটা চাই না। আমি জামাই নিয়ে সারাজীবন ভালো থাকতে চাই।”

তানহা সম্প্রতিকালে দেশের প্রথম শ্রেনীর দৈনিন পত্রিকাকে বলেছেন, “আসলে নাঈম আশরাফের সাথে ছবি তোলার পর মানুষজন নানা কথা বলছিল। অথচ আমার স্বামী একজন ব্যাবসায়ী আমি তার টাকা দিয়েই সিনেমা করেছি। আমার স্বামী মুক্ত সিনেমায় প্রযোজনা করেছেন। তাই ভাবলাম মানুষের কটূ কথা বলার আগেই আমি বিষয়টি ভক্তদের জানিয়ে দেই।”

তিনি বলেন, “আসলে আমি বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গেছি এই সেলফির জন্য। তাই আমার বিবাহিত জীবনের কথা ভক্তদের সামনে নিয়ে এলাম। নাঈম আশরাফের সাথে সেলফির কারণে মানুষ আমাকে নানাকিছু ভাবতে পারে। একটা বিয়ের অনুষ্ঠানে সেলফিটা তোলা। আমি তাকে ভালো করে চিনিও না। যেহেতু সেলফিটা নিয়ে কথা হচ্ছে, এজন্য আমি নিজেই আমার স্বামীর ছবিসহ আমার প্রেম ও বিয়ের কথা বিস্তারিত জানিয়েছি।”

উল্লেখ্য, দুই তরুণীকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও ধারণের কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে সাফাত আহমেদের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন (২৭)। বিল্লালকে গ্রেফতারের পর সোমবার রাতে র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর কারওয়ান বাজারে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

রাতভর ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি দুই ধর্ষক সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু নাঈম আশরাফ (প্রকৃত নাম আবদুল হালিম)। ধর্ষণের পর গর্ভধারণ রোধে দুই তরুণীকে সেদিন জোর করে জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি খাওয়ায় তারা।

ধর্ষিত দুই তরুণীর এক চিকিৎসক বন্ধু সেই বড়ি খাওয়ার জন্য নিষেধ করে। এ কারণে সেই বন্ধুকে মারধর করে ইয়াবা খেতে বলে। পরে সেই ইয়াবা খাওয়ার ভিডিও ধারণ করে সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল। তারপর সাফাত ও নাঈম বলে, ‘এই ঘটনা যদি কাউকে বলিস, তবে ইয়াবার মামলা দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেব। তোদের ইয়াবাখোর বানিয়ে দেব।’

জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি খাওয়ানোর পরও দুই তরুণীকে আবারও ধর্ষণ করা হয়। যে দুটি কক্ষে দুই তরুণীকে সাফাত ও নাঈম ধর্ষণ করে তার মাঝখানে একটি ফলস পার্টিশন ছিল। সেখানে দাঁড়িয়ে থেকে বিল্লাল ধর্ষণের ভিডিওচিত্র ধারণ করে।