সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরায় প্রতিবেশীর অত্যাচার নির্যাতন থেকে নিষ্কৃতি পেতে সংবাদ সম্মেলন

By daily satkhira

August 06, 2021

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থান থেকে মায়ের কবর সরিয়ে নিতে প্রতিবেশী নুরুল হক মল্লিক তার পুলিশ পুত্রকে দিয়ে আমিরুল ইসলাম মল্লিককে মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতাপনগর গ্রামের আলহাজ্ব জব্বার মল্লিকের ছেলে আমিরুল ইসলাম মল্লিক এই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রতাপনগর গ্রামে পৈত্রিক জমিতে আমাদের পারিবারিক কবরস্থান রয়েছে। গত ১৮জুলাই (২০২১) আমার ‘মা’ মৃত্যুবরণ করলে আমাদের পারিবারিক কবরস্থানেই মায়ের মরদেহ দাফন করা হয়। আমাদেও পারিবারিক কবরস্থানের পাশে পাঞ্জেগানা মসজিদ ও হাফিজি মাদ্রাসা আছে। আমার পিতা আলহাজ্ব জব্বার মল্লিক সুদীর্ঘকাল জীবনের শেষলগ্ন পর্যন্ত গ্রামের জামে মসজিদে বিনা ভাতায় সুনামের সাথে মোয়াজ্জীনের দায়িত্ব পালন করেছেন। আমার পিতার অছিয়াত মোতাবেক উক্ত মসজিদ ও মাদ্রাসা সংলগ্ন আমাদের পৈত্রিক কবরস্থানে আমার মাতার মরদেহ কবরস্থ করি। কিন্তু আমাদের প্রতিবেশী মৃত মোফাজ্জেল মল্লিকের ছেলে নুরুল ইসলাম মল্লিক পারিবারিক কবরস্থান থেকে আমার মায়ের কবর উঠিয়ে অন্যত্রে কবরস্থ করার জন্য আমাকে নানাভাবে চাপ দিচ্ছেন।

আমিরুল ইসলাম মল্লিক াভিযোগ করে বলেন, প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম মল্লিক ঝগড়া কলহ প্রিয়, প্রতিবেশী নির্যাতনকারি ও শান্তি শৃঙ্খলার অবনতি সৃষ্টিকারি একজন পর সম্পদ লোভী ব্যক্তি। তিনি প্রভাবশালী ও ছেলে পুলিশে চাকুরি করার দাপটে আমার উপর অত্যাচার নির্যাতন অব্যহত রেখেছেন। পারিবারিক কবরস্থান থেকে মায়ের কবর তুলে নেয়ার জন্য অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করার পাশাপাশি নানাভাবে আমাকে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। গত ৫ আগষ্ট বেলা ২টার দিকে উক্ত নুরুল ইসলাম আমার বাড়ির পাশে রাস্তায় এসে আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং তার পুলিশে চাকুরি করা ছেলেকে দিয়ে আমাকে মিথ্যে মামলায় ফাসিয়ে হয়রানি করার হুমকি দেয়। বর্তমানে সে ও তার পরিবারের সদস্যরা আমাকে হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রর্দশন অব্যহত রখেছে। তাদেও এহেন অত্যাচার ও নির্যাতনে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

তিনি এহেন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম মল্লিকের অত্যাচার ও নির্যাতন থেকে নিষ্কৃতি পেতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।