দেবহাটা

দেবহাটায় ঈদকে ঘিরে ব্যস্ততা বেড়েছে দর্জিপাড়ায়

By daily satkhira

March 24, 2025

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : দেবহাটা উপজেলায় ঈদকে ঘিরে ব্যস্ততা বেড়েছে দর্জিপাড়ায়। বাড়তি চাহিদা থাকায় পাড়া-মহল্লার দর্জি দোকানের পাশপাশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ঈদের পোশাক তৈরীতে দর্জিরা ব্যস্ত সময় পার করছে।

দেবহাটা উপজেলা টেইলার্স কারিগররা ঈদ-উল-ফিতরের আগে পোশাক ডেলিভারি দিতে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করছে। মেশিনের ঘটর ঘটর শব্দ চলেছে বিরমহীন। একটানা কাজ করে চলেছে দর্জিরা। এতটুকু যেন দম ফেলার ফুসরত নেই। ঈদ বলে কথা। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করতে হবে। তাইতো মেশিনের সঙ্গে সমান তালে চলেছে হাত-পা। মেশিনের ঘটর ঘটর শব্দের তালে তৈরী হচ্ছে নানা ডিজাইনের পোশাক পাঞ্জাবী, জামা, শার্ট, সেলোয়ার কামিজ, ফতুয়া, প্যাণ্ট, সুট্যসহ নানা ধরণের পোশাক।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার পারুলিয়া বাজার, কুলিয়া বাজার, ঈদগাহ বাজার, দেবহাটা বাজার, গাজিরহাট, শ্রীপুর সহ বিভিন্ন বাজার ও পাড়ায় টেইলাসের দোকান রয়েছে। ঈদগাহ বাজারে ১০/১২টি টেইলার্সের দোকান আছে। এরমধ্যে হাজী মার্কেট ছাহাবিয়া টেইলার্স৷ স্বত্তাধিকারী আবুল বাশার, চেয়ারম্যান মার্কেটে সৌদিয়া টেইলার্স, মুক্তার মার্কেটে লাবিয়া টেইলার্স। আবুল বাশার দর্জি কারিগরা জানান, তারা সকান ৭টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একটানা কাজ করে যাচ্ছে। সৌদিয়া টেইলর্সের স্বত্তাধিকারী আনোয়ার হোসেন জানান, ঈদ বলে কাজের চাপ অনেক বেশি।

প্রতিদিন নতুন নতুন পোশাকের অর্ডার নিতে হচ্ছে। জানা গেছে, দর্জির দোকানে ডিজাইন অনুযায়ী প্রতি পিস প্যান্ট সেলাই হচ্ছে ৩শত থেকে ৪শত টাকা, শার্ট ২শত থেকে ২৫০ টাকা, মেয়েদের থ্রি পিস প্রকারভেদ অনুযায়ী ২০০টাকা থেকে ৩শত টাকা, ব্লাউজ পেটিকোট ২শত থেকে ৩শত টাকা, বাচ্চাদের পোশাক ডিজাইনের ওপর নির্ভর করে মজুরি নেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পোশাক ডেলিভারী দেওয়ার জন্য কারিগররা দিন-রাত কাজ করছে। আবুল বাশার জানান, প্যান্ট ও শার্টের নতুন অর্ডার নিচ্ছে না তারা, আগের অর্ডার নেওয়া পোশাক সময়মত ডেলিভারী দেওয়ার জন্য দিন-রাত কাজ করছে। আনোয়ার হোসেন বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার অর্ডার ভালো। প্রতিদিন অনেক কাপড়ের অর্ডার পাচ্ছি। কাজের চাপে নতুন অর্ডার নেওয়া বন্ধ করেছি। আবুল বাশার জানান মহিলা ও বাচ্চাদের পোশাক তৈরীর চাপ বেড়ে গেছে। নিখুতভাবে পোশাক তৈরী করার জন্য সময় একটু বেশী লাগে। এজন্য কারিগররা র্নিঘুম কাজ করে চলেছে। ঈদের আগেই পোশাক ডেলিভারী দেওয়ার জন্য দর্জিপাড়ার কারিগররা পোশাক তৈরীতে দিন-রাত কাজ করে চলেছে।