নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের লাইসেন্স পাইয়ে দিতে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে পরিষদের উচ্চমান সহকারী রাকেশ মল্লিকের বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে এ অভিযোগের তদন্তও সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আছাদুজ্জামান তদন্ত সম্পন্ন করেন। অভিযোগে জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউর রহমান জেলা পরিষদের ঠিকাদারী লাইসেন্স করার জন্য ২০২৫ সালে আবেদন করেন।
ওই সালের মার্চ মাসের মাসিক সভায় সেটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপিত হয় এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের তদন্ত শেষে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে রিপোর্ট প্রদান করেন। এরপর তিনি জেলা পরিষদে লাইসেন্সের জন্য খোজ খবর নিলে উচ্চমান সহকারী রাকেশ মল্লিক তার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করে বলেন টাকা দিয়ে যান লাইসেন্স দিয়ে দিব তাড়াতাড়ি। সে সময় তিনি অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। তারপর থেকে রাকেশ মল্লিক লাইসেন্স না দিয়ে তালবাহানা শুরু করে।
এক পর্যায়ে তারা জমাকৃত কাগজপত্র উধাও করে দিয়ে তাকে লাইসেন্স পাওয়া থেকে বঞ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী জিয়াউর রহমান তৎকালিন প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ৭ জুন ২০২৬ তারিখে তদন্তের জন্য পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। নির্দেশনা পেয়ে তদন্ত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১৬ জুন ২০২৬ সাতক্ষীরা পৌরসভায় উভয়পক্ষ কে ডেকে বক্তব্য শোনেন।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী রাকেশ মল্লিকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, দু পক্ষের শুনানি হয়েছে। আর এ বিস্তারিত মোবাইলে বলা যাবে না। সরাসরি দেখা করুন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, তদন্তের অংশ হিসেবে দু পক্ষের বক্তব্য শুনেছি। বিস্তারিত তদন্তে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।