প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে হেমায়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে কর্মজীবী নারীকে ধর্ষনচেষ্টাসহ বিস্তর অভিযোগ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে হেমায়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে কর্মজীবী নারীকে ধর্ষনচেষ্টাসহ বিস্তর অভিযোগে জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নারী। অত্যাচারের শিকার ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের উদ্যোগে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় শহরের শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কস্থ শহিদ মিনারের সামনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কালিগঞ্জ উপজেলার দুদলী গ্রামের মৃত শেখ আজিজুর রহমানের কন্যা নাজমিন সুলতানা। এসময় উপস্থিত ছিলেন নাজমিন সুলতানার মেজো বোন শারমিন সুলতানা লাকী ও বোন জামাই জাহাঙ্গীর আলম। লিখিত বক্তব্যে নাজমিন সুলতানা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে হেমায়েত এলাকায় একটি বাহিনী গড়ে তুলে এলাকার সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার-নিরযাতন চালাচ্ছেন। অন্যের জমি ও মাছের ঘের দখল এবং চাঁদাবাজী করা তার নিত্যদিনের অভ্যাস। তিনি বলেন, হেমায়েত আলী অতীতে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও সরকারি সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগে এলাকায় সমালোচিত ছিলেন। গতবছর ৮ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে তার মদদে শেখ ফয়েজ আলী ও শেখ মজিদসহ কয়েকজন ব্যক্তি তাদের বাড়ির সামনে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা অবরুদ্ধ করে। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে কালিগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সাময়িকভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেয়। পরবর্তীতে কালিগঞ্জ থানায় জিডি করা হয়। যার নং-১২৬৫।
সম্প্রতি সাবেক সেনা সদস্য নাসির উদ্দীনের পরিবারের ওপর হামলা, বাড়ি ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে কালিগঞ্জ থানায় হেমায়েত আলী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নং-২৫, তারিখ ২৫/০৪/২০২৬ । ছোট বোনকে ধর্ষণচেষ্টা করা হয়েছে দাবি করে নাজমিন সুলতানা বলেন,‘‘ ছোট বোন পরিবার কল্যাণ সহকারী তানিয়া সুলতানা চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারি অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে হেমায়েত আলী ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা তাকে টেনে নিয়ে নির্জনস্থানে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এতে ব্যর্থ হয়ে তারা ছোট বোনকে ব্যাপক মারধর করে। এঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।
যার নং ১৫, তারিখ ২০/০৫/২০২৬ সংবাদ সম্মেলনে হেমায়েত আলী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, সুষ্টু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জহির রায়হানকে প্রত্যাহার করে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ প্রদান,সন্ত্রাসী হেমায়েত বাহিনীর হাত থেকে এলাকার সাধারণ মানুষের জানমাল ও চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ ৬ দফা দাবি পেশ করা হয়। তবে এ বিষয়ে হেমায়েত আলী বলেন, চলাচলের পথ নিয়ে বিরোধের জের ধরে আমাকে দোষারোপ করা হচ্ছে। আমাকে হয়রানি করতে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে,যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।