ফিচার

সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলনের সভা : খাসজমি বরাদ্দসহ বিভিন্ন দাবি

By daily satkhira

November 08, 2026

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন, সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গতকাল বিকালে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মোঃ আশরাফুল ইসলাম গাজী । সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার এবং কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃ অ্যাডভোকেট খগেন্দ্রনাথ ঘোষ। সভায় উপদেষ্টামণ্ডলীর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আহম্মদ আলী।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন ও অংশ নেন সাতক্ষীরা পৌর শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন (খোকন), সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লাভলু, দপ্তর সম্পাদক মোঃ লাভলু, এবং সংগঠনটির জেলা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ আব্দুল জব্বার, মনিরুজ্জামান মনি, মোঃ রাজু হোসেন, মোঃ রেজাউল ইসলাম ও মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ বাহার সহ জেলা-উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এসময় তিনি বলেন, সারা দেশে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলোর জন্য সরকারি খাসজমি বরাদ্দ ও ব্যারাক নির্মাণ প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও প্রকৃতপক্ষে অনেক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ৫ বিঘার বেশি খাসজমি যাদের নামে ডিসিআর দেওয়া আছে, অবিলম্বে সেসব ডিসিআর বাতিল করে তা প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে বণ্টনের জন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ ও জোর দাবি জানান।

তিনি আরও বলেন, সরকারের বেদখল হয়ে থাকা খাসজমি উদ্ধার করে প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রকৃত ভূমিহীনদের ব্যবহারের সুযোগ দিলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের আবাসন নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে সরকারি রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাবে। যাদের কোনো জমি ও ভিটেমাটি নেই, সরকারি খাসজমি বণ্টনের কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশে আর কোনো মানুষ ভূমিহীন থাকবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভায় তিনি খুলনা থেকে সাতক্ষীরা মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজ সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনা ও সিডিউল অনুযায়ী দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান। পাশাপাশি উক্ত সড়কের দুই পাশে বসবাসকারী ভূমিহীন ও সাধারণ জনবসতিকে যথাযথভাবে পুনর্বাসন করা, উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প বাজারের স্থান তৈরির জোর দাবি জানানো হয়।