সাতক্ষীরায় জীবন বীমা কর্পোরেশনের শোক দিবস পালন

জি.এম আবুল হোসাইন : সাতক্ষীরায় জীবন বীমা কর্পোরেশনের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শুরু হয়ে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সাতক্ষীরা কর্পোরেট সেবা দপ্তরের ম্যানেজার ইনচার্জ শেখ রেফাজুর রহমানের নেতৃত্বে কালো পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা বলেন, শোকাবহ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কিত দিন। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী। ১৯৭৫-এর কালিমালিপ্ত রক্তঝরা এ দিনেই বাঙালী জাতি হারিয়েছে তার গর্ব, ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে সেদিন ধানমণ্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তার পরিবার-পরিজনকেও ঘৃণ্যতম পৈশাচিকতায় হত্যা করা হয়।
কিছু বিশ্বাসঘাতক রাজনীতিকের চক্রান্ত ও সেনাবাহিনীর এক দল বিপথগামী উচ্চাভিলাষী সদস্যের নির্মম বুলেটের আঘাতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সেদিন শাহাদাত বরণ করেন তার প্রিয় সহধর্মিণী বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন ছেলে মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল, সেনা কর্মকর্তা শেখ জামাল ও ১০ বছরের শিশুপুত্র শেখ রাসেল এবং নবপরিণীতা দুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল। প্রবাসে থাকায় সেদিন প্রাণে রক্ষা পান বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম এ হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেদিন ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বাঙালির হাজার বছরের প্রত্যাশার অর্জন স্বাধীনতা এবং সব মহতী আকাঙ্ক্ষাকেও হত্যা করতে চেয়েছিল। মুছে ফেলার অপপ্রয়াস চালিয়েছিল বাঙালির বীরত্বগাথার ইতিহাসকেও। অবশ্য খুনিদের সেই ষড়যন্ত্র টেকেনি। বাঙালি ও বিশ্ববাসীর মানসপটে বঙ্গবন্ধু আজও স্বমহিমায় উজ্জ্বল, চিরভাস্বর।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জীবন বীমা কর্পোরেশন সাতক্ষীরা কর্পোরেট সেবা দপ্তরের সিনিয়র অফিসার মো. হাসানুজ্জামান, সেল্স অফিসের সিনিয়র অফিসার বাবু সুব্রত কুমার সানা, ৯৩৭ শাখার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান, ৯৩১ শাখার ইনচার্জ অজয় কুমার রায়, ৯৬৮ শাখার ইনচার্জ মো. দবির উদ্দীন, সিনিয়র উচ্চমান সহকারি মো. মাহবুবুর রহমান, মো. ইউসুফ আলী প্রমুখ।

Related posts