সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান গণি আর নেইসিনহা হত্যা মামলায় প্রদীপ-লিয়াকত-নন্দদুলাল রিমান্ডেআশাশুনিতে ভ্রামমান আদালতে পুশকৃত বাগদা চিংড়ি বিনষ্টআদর্শ ছাত্রবন্ধু ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখার কমিটি অনুমোদনসাতক্ষীরায় ভূমিহীন জব্বারের আকুতি মৃত্যু’র পর তার লাশ যেন নদীতে ভাসানো না হয়দেবহাটায় প্রশাসনের জাতীয় শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি সভাদেবহাটায় মিথ্যা হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনমেজর সিনহা হত্যা: ওসি প্রদীপসহ ৯ আসামি কারাগারেকরোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেলে আরও এক গৃহবধুর মৃত্যুসাতক্ষীরায় নতুন করে ৩ পুলিশ ও ২ স্বাস্থ্যকর্মীসহ ১২ জনের করোনা শনাক্ত

দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান গণি আর নেই

ডেস্ক রিপোর্ট : দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল গণি মৃত্যুবরণ করেছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২:৩০ টার দিকে ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে আব্দুল গণির ঘনিষ্ঠজনদের ফেসবুক স্ট্যাটাস ও টেলিফোনের সূত্রে জানা গেছে।

আব্দুল গণি দেবহাটা উপজেলা পরিষদের পর পর দুই মেয়াদে নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এর আগে তিনি দেবহাটার নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচিত কমান্ডার ছিলেন। গত ৪ আগস্ট গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি লাইফ সাপোর্টে থাকাবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিনহা হত্যা মামলায় প্রদীপ-লিয়াকত-নন্দদুলাল রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক:
পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় তিন আসামিকে আজ বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এ ছাড়া মামলার বাকি চার আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
হত্যা মামলার প্রধান আসামি টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ ও উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিতকে সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের আদালত।

এ ছাড়া সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, পুলিশ কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুল আলম টিপু রিমান্ড শুনানি শেষে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরো বলেন, ‘র‍্যাবের পক্ষ থেকে মামলার সাত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক তিনজনকে সাতদিন করে রিমান্ড দেন। বাকিদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে আজ বিকেলে একই আদালতে আসামিদের হাজির করা হয়। এরপর আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। তখন কোনো রিমান্ডের আবেদন করা হয়নি। অপরদিকে আসামিদের পক্ষ থেকে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়ে কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন।

এরপর সন্ধ্যায় র‍্যাব সাত আসামিকে ১০ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।

এই হত্যা মামলায় মোট নয়জন আসামি হলেও আজ সাতজন আত্মসমর্পণ করেন।
পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সাত আসামিকে  বৃহস্পতিবার বিকেলে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।

আসামি এসআই টুটুল ও কনস্টেবল মো. মোস্তফা আত্মসমর্পণ করেননি বলে নিশ্চিত করেছেন আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ফরিদুল আলম। তিনি আরো বলেন, ‘মামলার নয় আসামির সাত আসামি আত্মসমর্পণ করেন। এসআই টুটুল ও কনস্টেবল মোস্তফা আত্মসমর্পণ করেননি।

‘আসামিরা আত্মসমর্পণ করেছেন এবং তারা জামিনের আবেদন করেছেন’, যোগ করেন পিপি।

টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে আজ চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে বিকেল ৫টার দিকে কক্সবাজারে নেওয়া হয়। আর লিয়াকতসহ অপর ছয় আসামিকে সোয়া ৪টার দিকে আদালতের হাজতখানায় এনে রাখা হয়। বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে সব আসামিকে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এজলাসে তোলা হয়।

গত ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে প্রধান করে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। তদন্তের স্বার্থে গত রোববার টেকনাফের বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত আলীসহ সবাইকে প্রত্যাহার করা হয়। আর হত্যা মামলা হওয়ার পর গতকাল বুধবার ওসি প্রদীপকে প্রত্যাহার করা হয়।

গতকাল দুপুরেই মেজর (অব.) সিনহা হত্যার বিচার চেয়ে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। মামলাটির শুনানিতে সন্তুষ্ট হয়ে তা ‘ট্রিট ফর এফআইআর ’ হিসেবে আমলে নিতে টেকনাফ থানাকে আদেশ দেন আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ। একইভাবে মামলাটি কক্সবাজার র্যা ব-১৫-কে তদন্তের দায়িত্ব দিয়ে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মামলা অগ্রগতির প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর রাত সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফ থানায় মামলাটি (নম্বর সিআর : ৯৪/২০২০ইং/টেকনাফ) তালিকাভুক্ত করা হয়। দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলাটি তালিকাভুক্ত করা হয়।
পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সাত আসামিকে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তা নেওয়া হয়।

প্রদীপ কুমার দাশ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরীর দামপাড়ায় পুলিশ লাইন হাসপাতালে যান। সেখান থেকে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেন পুলিশ সদস্যরা। এরপর কড়া পাহাড়া দিয়ে তাঁকে নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন পুলিশ সদস্যরা।

এদিকে হত্যা মামলা দায়েরের আগেই ওসি প্রদীপ স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে গত ৪ আগস্ট ছুটির আবেদন করেন। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) এ বি এম মাসুদ হোসেন তাঁর ছুটির আবেদন গ্রহণ করেন বলে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। কিন্তু এ ব্যাপারে কোনো কথা বলতে চাননি এসপি। মেডিকেল ছুটি নিয়েই ওসি প্রদীপ কক্সবাজার ছেড়েছেন। তাঁকেসহ মামলার আসামি নয় পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে কি না, জেলা পুলিশ নিশ্চিত করতে পারেনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত মঙ্গলবার সকালে সিনহা রাশেদের মা নাসিমা আক্তারকে ফোন করে সমবেদনা ও সান্ত্বনা জানিয়েছেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তেরও আশ্বাস দিয়েছেন।

গতকাল দুপুরে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ কক্সবাজারে যান। তাঁরা কক্সবাজার সৈকতে অবস্থিত সেনাবাহিনীর রেস্টহাউস জলতরঙ্গতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। পরে সেখানে তাঁরা যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন। তাঁরা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদের নিহত হওয়াকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেন। তাঁরা বলেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশের মধ্যে দূরত্ব নেই। আর এ ঘটনায় দুই বাহিনীর মধ্যে চিড় ধরবে না।

সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘সিনহার মৃত্যু নিয়ে বাংলাদেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর মধ্যে কোনো ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ যে ঘটনাটি ঘটেছে, তাতে কোনো প্রতিষ্ঠান দায়ী হতে পারে না। তদন্ত কমিটি যাদের দোষী সাব্যস্ত করবে, অবশ্যই তাদের প্রায়শ্চিত্ত পেতে হবে। এ জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান তাদের সহযোগিতা করবে না।’

অন্যদিকে সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘টেকনাফে যে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটির কারণে দুই বাহিনীর মধ্যে সম্পর্কের কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না। বরং আমাদের লক্ষ্য হবে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গঠিত যৌথ তদন্ত কমিটি হয়েছে, তারা প্রভাবমুক্ত পরিবেশে তদন্ত করবে। তারা তদন্ত করে যে প্রতিবেদন দেবে, সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনি কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং সেটাই গ্রহণ করা হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে ভ্রামমান আদালতে পুশকৃত বাগদা চিংড়ি বিনষ্ট

বি এম আলাউদ্দীন আশাশুনি প্রতিনিধি:  আশাশুনিতে ভ্রাম্যমান আদালতে অবৈধভাবে বাগদা চিংড়ি পুশ করার অপরাধে বাগদা চিংড়ি বিনষ্টসহ ১৭হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন সুলতানা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা বাজারের ডিপো মালিক গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের বসুদেব মজুমদারের পুত্র শংকর মজুমদার এর মাছের ডিপোর ভিতরে অবৈধভাবে বাগদা চিংড়িতে পুশ করার অপরাধে পুশকৃত মাছ জব্দ করে বিনষ্ট করাসহ ৭হাজার টাকা, কাদাকাটি ইউনিয়নের কাটাকাটি বাজারের ভাই ভাই ফিসের মালিক মোঃ আব্দুস সামাদকে অবৈধভাবে মাছ পুশ করার অপরাধে মাছ জব্দসহ ১০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে তিনি সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, পুশ না করার জন্য সকলই সচেতন হবেন। এ সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, অফিস সহকারি মোস্তাফিজুর রহমান, পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আদর্শ ছাত্রবন্ধু ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখার কমিটি অনুমোদন

আদর্শ ছাত্রবন্ধু ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখার কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবির নেওয়াজ রাজ স্বাক্ষরিত একপত্রে শেখ ফারুফ হোসেন কে সভাপতি, কাজী জিল্লুর রহমান কে সিনিয়র সহ-সভাপতি, মোখলেছুর রহমান মুকুলকে সাধারণ সম্পাদক ও এস এম নাসির উদ্দীনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ভূমিহীন জব্বারের আকুতি মৃত্যু’র পর তার লাশ যেন নদীতে ভাসানো না হয়

আসাদুজ্জামান ঃ “মৃত্যুর আগে আর হয়তো বা নিজের কোন জায়গায় স্থায়ী ভাবে ঘর নির্মাণ করতে পারবো না, পাবো না হয়তো সরকারি কোন সুবিধা। নিজের বলতে যেহেতু আমার কোন জায়গা জমি কিছুই নেই, সেহেতু আমার মৃত্যুর পর আমাকে যেন নদীতে ফেলে দেওয়া না হয়, অবশ্যই যেন মাটিতে দাফন করা হয়। সেটা সরকারি কবরস্থানে হলেও চলবে”। এমনভাবে কাঁদতে কাঁদতে হৃদয় বিদারক এ কথা গুলো বললেন, সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুল্যা গ্রামের ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ আব্দুল জব্বার। পেশায় তিনি একজন শ্রমিক। তিনি কুল্যা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসীন্দা। দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর যাবত ওই গ্রামের বিভিন্ন মানুষের বাড়ীর আঙ্গিনায় কুড়ে ঘর বেঁধে তিনি বসবাস করে আসছেন। তার নিজের বলতে কিছুই নাই। তিনি একজন প্রকৃত অসহায় ভূমিহীন হলেও তার নামে নেই কোন বয়স্ক ভাতার কার্ড, নেই ভিজিডি কার্ড, নেই ভূমিহীন তালিকায় নাম, এমনকি কয়েক যুগ ধরে মানুষের বাগানে বনবাসী হয়ে অস্থায়ী ভাবে বসবাস করলেও ভাগ্যে মেলেনি এক টুকরো সরকারি জমি বা একটি সরকারি ঘর। তিনি সরকারি সকল সুবিধা বঞ্চিত হয়েও কায়িক পরিশ্রম করে জীবন যাপন করে চলেছেন। তিনি গ্রামের বিভিন্ন স্থানে মাটি কাটা থেকে শুরু করে দো-চালা ঘর নির্মানের কাজ করে থাকেন। অথচ আজ পর্যন্ত কোন সরকারী-বেসরকারী পর্যায়ের কোন সংস্থা বা ব্যক্তি উদ্যোগে তিনি পাননি কোন সাহায্য। তাই জীবন সায়াহ্নে এসে তার একটাই আকুতি তার মৃত্যুর পর তার মরদেহ যেন নদীতে না ফেলে এক টুকরো জমিতে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় প্রশাসনের জাতীয় শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালনের এক প্রস্তুতি সভা বৃহষ্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুম ক্লাউডের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত উক্ত প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া আফরীন। জুম ক্লাউড মিটিং’র মাধ্যামে সংযুক্ত হয়ে সভায় উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ন মতামত ব্যক্ত করেন দেবহাটার নব যোগদানকৃত সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জহুরুল ইসলাম, দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল লতিফ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, উপজেলা কৃষি অফিসার শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হাই রকেট, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিউল বশার, উপজেলার একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান, দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর গাজী, কুলিয়া ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আসাাদুল ইসলাম, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুর রব লিটু, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক আর.কে.বাপ্পা, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আকরাম হোসেন, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। সভায় জাতীয় শোক দিবস পালনে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথভাবে পালনে গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় মিথ্যা হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় মিথ্যা ও নাটক সাজিয়ে হয়রানির কারনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সকাল ১১ টায় দেবহাটা প্রেসক্লাবে উক্ত সাংবাদিক সম্মেলন করেন উপজেলার সখিপুর গ্রামের মৃত বাবর আলী সরদারের ছেলে ব্যবসায়ী আকবর আলী। তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, তিনি ও তার ছোট ভাই আজগার ভাই দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে বর্তমানে ২ ভাই সখিপুরস্থ পৈত্রিক ভিটায় পরিবার পরিজন নিয়ে শান্তিপূর্নভাবে বসবাস করছেন। কিন্তু পাশ্ববর্তী নুর ইসলামের ছেলে কবির হোসেন জমি কিনে বসবাস করার পর থেকে তারা বিদেশে থাকাকালীন সময় থেকে তাদের পরিবার পরিজনের সাথে নানা কারনে অন্যায়ভাবে ঝগড়া বিবাদ বাধাতে থাকে। এ নিয়ে স্থানীয়রা অনেকবার শালিস মিমাংসা করে দিয়েছে। সম্প্রতি তারা বাড়ি আসার পর থেকে কবির হোসেন ও তার স্ত্রী শামিমা ইয়াসমিন সাথী বিভিন্ন অজুহাতে তাদেরকে পৈত্রিক ভিটা থেকে উ”্ছদে করার জন্য নানাভাবে ঝগড়া করে। তারা এ বিষয়ে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদেরকে অবহিত করে রেখেছেন বলে তিনি জানান। গত ইং ০৫-০৮-২০২০ তারিখে সকাল ১০ টার দিকে তারা ২ ভাই কর্মের প্রয়োজনে বাইরে গেলে কবির হোসেনের বাড়িতে আসা ডেকোরেটরের মালামাল ভুলক্রমে তার বাড়িতে নিতে আসলে তখন তার স্ত্রী সালমা খাতুন ঐ ডেকোরেটরের মালামাল নিয়ে টমটম ভ্যানের চালককে কবির হোসেনের বাড়ি দেখিয়ে দিয়ে তাদেরকে সেখানে যেতে বলে। এসময় কবির হোসেনের স্ত্রী শামিমা ইয়াসমিন সাথী অন্যায়ভাবে গায়ে পড়ে তাদের বাড়িতে এসে তার স্ত্রীর সাথে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হয়। এসময় তার স্ত্রী এর প্রতিবাদ করলে সাথী তার স্ত্রীকে মারার জন্য চড়াও হয়। তখন তার স্ত্রী ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ফারহানা আক্তার গায়ে পড়ে ঝগড়া না করার জন্য কবিরের স্ত্রী সাথীকে নিষেধ করে। পরে সাথী তার বাড়িতে গিয়ে তাকে মারধর করছে বলে চিৎকার করে মিথ্যা কথা বলে প্রচার দেয়। কিন্তু সাথীর সাথে কোন ধরনের মারামারির ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি ঐ ডেকোরেটরের মালিক আকবর, কবির হোসেনের মা আছিয়া খাতুন ও প্রতিবেশী মোনাজাতের ছেলে শাওন হোসেন ঘটনার সময় প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে ছিল। কিন্তু এই তুচ্ছ ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে কবির হোসেন ও তার স্ত্রী সাথী অসৎ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য তাদের বিরুদ্ধে কয়েকটি পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করিয়ে তাদের সম্মান হানীর অশুভ তৎপরতা চালাচ্ছে, এমনকি থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে আকবর আলী সম্মেলনে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কবির হোসেন এলাকায় একজন বখাটে ও খারাপ প্রকৃতির ছেলে এবং তার স্ত্রী সাথীর আগে একটি বিয়ে ছিল। সাথী তার পূর্বের স্বামীকে ফেলে কবির হোসেনকে বিয়ে করে এখানে এসে বসবাস করে এলাকার পরিবেশটা নষ্ট করছে। এছাড়া কবির হোসেন তার অপকর্মের জন্য ইতিপূর্বে কয়েকবার জেলহাজতে ছিল। কবির হোসেন ও তার স্ত্রী তাদের সাথে ছাড়াও গ্রামের অনেকের সাথে ঝগড়াঝাটি ও বিবাদে লিপ্ত থাকে। এমনকি কবির হোসেন তার আপন পিতামাতার সাথেও একাধিকবার গন্ডগোল বিবাদ করে। প্রশাসনের কাছে তিনি ঘটনার সুষ্টু তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা এবং সাথে সাথে কবির হোসেন ও তার স্ত্রী এধরনের কাজ করে এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছে তার সুবিচার প্রার্থনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেজর সিনহা হত্যা: ওসি প্রদীপসহ ৯ আসামি কারাগারে

দেশের খবর : সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার ঘটনায় টেকনাফ থানা থেকে প্রত্যাহার ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ আসামির জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট টেকনাফ আদালতের বিচারক মো. হেলাল উদ্দীন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় দীর্ঘ শুনানির পর তিনি এই আদেশ দেন। আদালত সূত্রে প্রাথমিকভাবে এসব তথ্য জানা গেছে।

এর আগে, বিকাল ৫টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে পুলিশ হেফাজতে ওসি প্রদীপকে কক্সবাজারে আনা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওসি প্রদীপ আদালতে আসার আধাঘণ্টা আগে হত্যা মামলার প্রধান আসামি লিয়াকতসহ আট জনকে কড়া প্রহরায় একই আদালতে আনা হয়েছে। এর আগে আট আসামি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে বলে জানা গেছে। আদালতে আনার পর তাদের হাজতখানায় রাখা হয়। এরপর তাদের আদালতে তোলা হয়।

মামলায় ওসি প্রদীপ ছাড়াও বাকি আসামিরা হলেন- বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী, এসআই নন্দলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এসআই টুটুল, কনস্টেবল মোস্তফা।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর সিনহা রাশেদ খান। এই ঘটনায় চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে প্রধান করে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন ও নিরাপত্তা বিভাগ। একইভাবে তদন্তের স্বার্থে টেকনাফের বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত আলিসহ ১৬ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এই ঘটনায় বুধবার দুপুরে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন মেজর সিনহার বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। মামলাটির শুনানিতে সন্তুষ্ট হয়ে তা ‘ট্রিট ফর এফআইআর’ হিসেবে আমলে নিতে টেকনাফ থানাকে আদেশ দেন আদালতের বিচারক। আদালতের নির্দেশে টেকনাফ থানায় বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মামলাটি রুজু হয়। দণ্ডবিধি ৩০২, ২০১ ও ৩৪ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। মামলা নম্বর সিআর: ৯৪/২০২০ইং/টেকনাফ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest