সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নাশকতার চেষ্টা, মামলা ও গ্রেপ্তার ৫

সাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল সাতক্ষীরা জেলা শাখার পাঁচ সদস্যের আংশিক নতুন কমিটি ঘোষণা করায় আনন্দ মিছিল করেছেন যুবদলের নেতা-কর্মীরা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শহরের মাওয়া চায়নিজ রেস্টুরেন্টের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর জাতীয় ও দলীয় পতাকা এবং ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চায়না-বাংলা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমাতুল্লাহ পলাশ, সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, নবগঠিত জেলা যুবদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান মুকুল ,সহসভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান প্রিন্স, সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল আলম বাবু, মাসুম রানা সবুজসহ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, যেখানে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মিছিল হবে, সেই এলাকার জাতীয়তাবাদী দলের কমিটি বাতিল করা হবে।

এর আগে হাফিজুর রহমান মুকুলকে সভাপতি, শেখ মনিরুজ্জামান প্রিন্সকে সহসভাপতি, মো. শফিকুল আলম বাবুকে সাধারণ সম্পাদক, মমতাজুল ইসলাম চন্দনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মাসুম রানা সবুজকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের পাঁচ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
 নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ৯ বছরের শিশু ফারজানা খানমকে নৃশংসভাবে হত্যার পর অভিযুক্ত নারী গণপিটুনিতে নিহতের ঘটনায় মিথ্যা মামলা ও নিরপরাধ মানুষের হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নিহত শিশু ফারজানার পরিবার ও স্থানীয় নিরাপরাধ লোকজনকে হত্যা মামলায় জড়ানোর তীব্র প্রতিবাদ এবং ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে নিহত শিশু ফারজানার মা নাজমা খাতুন বলেন, তাঁর স্বামী এনামুল হক পেশায় একজন শ্রমিক। তাঁদের সন্তানের মধ্যে ফারজানা খানম স্থানীয় কাজলা কাশিবাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত। গত ২০ জুলাই সকালে প্রতিদিনের মতো স্কুলে যায় ফারজানা। দুপুরে টিফিনের বিরতির পর ফারজানা বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন স্কুলে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করে দেখেন শ্রেণিকক্ষের টেবিলে তার বই ও ব্যাগ পড়ে রয়েছে, কিন্তু শিশুটি অনুপস্থিত। দীর্ঘ সময় স্কুলে ফারজানা না থাকলেও শিক্ষকরা বিষয়টি পরিবারকে জানাননি বা কোনো খোঁজখবর নেননি। এ ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবহেলাকে কোনোভাবেই এড়ানো যায় না বলে নাজমা খাতুন উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ফারজানার মা আরও জানান, পরে সহপাঠীদের সূত্রে তাঁরা জানতে পারেন যে ফারজানা পাশ্ববর্তী সুমাইয়া নামের এক নারীর দোকানে ঝালমুড়ি কিনতে গিয়েছিল। এর পর থেকে তাকে আর পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফারজানার স্বজনরা সুমাইয়ার কাছে জানতে চাইলে সে অসংলগ্ন আচরণ শুরু করে। এতে উপস্থিত জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সুমাইয়ার ঘর তল্লাশি করে ড্রয়ারের ভেতর থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিশু ফারজানার মরদেহ উদ্ধার করে।

কানের স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নিতে ফারজানাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারনা করা হয় এবং মরদেহ উদ্ধারের পর উপস্থিত শত শত উৎসুক ও উত্তেজিত জনতা ফারজানাকের হত্যর অভিযোগে সুমাইয়াকে গণপিটুনি দেয়। সে সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা না রেখে ‘নীরব দর্শকের’ ভূমিকা পালন করে বলে অভিযোগ করেন শিশুটির মা। ফলে গণপিটুনিতে আহত হয়ে সুমাইয়া মারা যান।

একদিকে সন্তানকে হারানোর ভয়াবহ শোক, অন্যদিকে অসুস্থ হয়ে পড়া স্বামীকে সামলাতে গিয়ে সে সময় পরিবারের কারোরই উত্তেজিত জনতাকে ঠেকানোর মতো পরিস্থিতি ছিল না।

এ ঘটনায় নিহত ফারজানার বাবা এনামুল হক বাদী হয়ে সুমাইয়ার ভাই আবদুল্লাহ আল মামুনসহ অজ্ঞাতদের আসামি করে কালিগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় আবদুল্লাহ আল মামুন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
তবে ঘটনার পর নিহত সুমাইয়ার স্বামী আমিরুল ইসলাম ও তার বাবা আবদুল লতিফ বাদী হয়ে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেন। এর মধ্যে আবদুল লতিফের মামলায় ফারজানার পরিবারের দুই সদস্যসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে। নাজমা খাতুনের অভিযোগ, সন্তানহারা পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ‘মামলা বাণিজ্য’ করার উদ্দেশ্যে ঘটনার দিন এলাকায় উপস্থিত না থাকা এবং ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানে না—এমন নিরপরাধ মানুষকে অজ্ঞাত আসামি দেখিয়ে আটক করাচ্ছে। এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পুলিশের দায়িত্বজ্ঞানহীন ভূমিকা ও অসৎ সম্পৃক্ততার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে কাঁদতে কাঁদতে নাজমা খাতুন বলেন, “আমার নিষ্পাপ সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। এখন আবার আমার স্বামীসহ স্বজনদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। সন্তান হারানোর শোক সামলাব নাকি মিথ্যা মামলার আসামি হয়ে পালিয়ে বেড়াব? এটা কেমন বিচার?”

সংবাদ সম্মেলন থেকে শিশু ফারজানা হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং কোনো নিরপরাধ মানুষ বা সন্তানহারা পরিবার যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সে জন্য সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল সাতক্ষীরা জেলা শাখার নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন (এমপি) এই কমিটির অনুমোদন দেন। নবগঠিত এই আংশিক কমিটিতে হাফিজুর রহমান মুকুলকে সভাপতি এবং শফিকুল আলম বাবুকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন— সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান প্রিন্স, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম রানা সবুজ। কেন্দ্রীয় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, অনুমোদনপ্রাপ্ত নতুন এই নেতৃত্বকে আগামী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি : সামাজিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘বিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেয়েছেন সাতক্ষীরার তরুণ সমাজকর্মী সুদীপ্ত দেবনাথ। ইয়ুথ লিডার ক্যাটাগরিতে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

শনিবার রাজধানীর বিজয়নগরের ইআরএফ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস কমিউনিকেশন ফোরাম (আইবিসিএফ) ও স্টার বাংলাদেশ মিডিয়ার যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সুদীপ্ত দেবনাথ ২০২২ সাল থেকে শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, শিশু নির্যাতন রোধসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে কাজ করে আসছেন। এসব কর্মকাণ্ডে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এবার ‘ইয়ুথ লিডার’ ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার পেলেন। এর আগে সুদীপ্ত আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার ২০২৫-এর জন্যও মনোনীত হয়েছিলেন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবারের আয়োজনে দেশের ৩০ জনকে ‘বিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সমাজ পুনর্গঠন ও উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকার জন্য দুজনকে ‘বিজনেস লিডারশিপ লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ দেওয়া হয়।

শোবিজ, সংস্কৃতি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মিডিয়া ও সাংবাদিকতা, রিয়েল এস্টেট, ম্যানুফ্যাকচারিং, রপ্তানি ব্যবস্থাপনা, আইন ও মানবাধিকার, শিক্ষা, চিকিৎসা, ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সংবাদমাধ্যম ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্টার বাংলাদেশ মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) খন্দকার আরিফুর রহমান এবং কো-অর্ডিনেটর সাথী আক্তার হীরা উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কার বিতরণের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে সফলতার গল্প ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. মোঃ আনিছুর রহমানের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।
২০২১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
ডা. মোঃ আনিছুর রহমান কলারোয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, সাহাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সরুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, হঠাৎগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক, কাকডাঙ্গা সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও দেশবরেণ্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেন।
রাজনৈতিক জীবনে প্রথমে আওয়ামী মুসলিম লীগ ও পরে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত হন।
ডা. মোঃ আনিছুর রহমান কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের ৩ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬

আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনিতে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জাহাঙ্গীর আরিপের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিজ্ঞ আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত ৬ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা জেল হযরত প্রেরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে আশাশুনি থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—আশাশুনি উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মোঃ আব্দুর খালেক শেখের ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম (সিসি-২৫৭/২৫), মোঃ ইসাহাক সরদারের ছেলে মোঃ রুহুল কুদ্দুস (সিসি-৬১১/২৫), মোঃ ফজোর আলী মোড়লের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম (সিসি-২৫৩/২৫), মোঃ মুনছুর গাজীর ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান (সিসি-৬০৯/২৫), মোঃ রহমাত কারিকরের ছেলে মোঃ আসাদুল কারিকর (সিসি-৬১৩/২৫) এবং সুরমান সরদারের ছেলে মোঃ লিয়াকত আলী সরদার (সিসি-৬১২/২৫)।

পুলিশ জানায়, আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে থানার পুলিশ সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত এসব আসামিকে গ্রেফতার করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং আদালতের ওয়ারেন্ট বাস্তবায়নে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে সিআর পরোয়ানাভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে দেবহাটা থানাধীন কোড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আসামি মো. হাবিবুর রহমান (পিতা—মো. হান্নান আলী)। তিনি দেবহাটা উপজেলার কোড়া গ্রামের বাসিন্দা।

দেবহাটা থানা সূত্রে জানা যায়, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম শাহিন হোসেনের নেতৃত্বে এএসআই (নিঃ) মো. ইব্রাহিম খলিল ও এএসআই (নিঃ) রহমত আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর তাকে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি :  ৭ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা দলিল লেখক সমিতির আহবায়ক শেখ মাহাবুব ‍উল্লাহ।

প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম।
জেলার সদস্য সচিব নাছির উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সাতক্ষীরা সদর, কলারোয়া, তালা, আশাশুনি, কালিগঞ্জ, দেবহাটা ও শ্যামনগর উপজেলার দলিল লেখক সহ সমিতির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং ৭ দফা দাবি আদায় সংগ্রাম কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দলিল লেখকদের ন্যায়সংগত নানা অধিকার ও দাবি উপেক্ষিত হয়ে আসছে। দাবি আদায়ের জন্য তাদের এ সমাবেশ। “৭দফা দাবি”র মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত করা যাবে না।
দলিল প্রতি ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা প্রদান করতে হবে।
লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ব্যতিরেকে অন্য কোনো ব্যক্তি দলিল লেখা বা মুসাবিদা করতে পারবে না বা দলিল রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করতে পারবে না মর্মে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সুপারিশ ছাড়া নতুন কোন লাইসেন্স প্রদান না করা।
সরকারি খরচে রেজিস্ট্রি অফিস কম্পাউন্ডে দলিল লেখকদের বসার ও নামাজের স্থান নির্মাণ করতে হবে।
দলিল লেখা বা মুসাবিদা করার কারণে দলিল লেখকদের আসামি করে কোন মামলা করা যাবে না। দলিল লেখক কাউন্সিল গঠনের অনুমতি প্রদান করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest