মানহানি মামলা থেকে শমী কায়সারকে অব্যাহতি

অনলাইন ডেস্ক : সাংবাদিকদের ‘চোর’ বলে সম্বোধন করার অভিযোগে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা থেকে অভিনেত্রী শমী কায়সারকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলার দায় থেকে তাকে অব্যাহতি দেন।

রোববার (৭ মার্চ) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত থেকে এ তথ্য জানা যায়।

আদালতের তথ্য মতে, ৪ মার্চ মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। বিচারক চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলার দায় থেকে শমী কায়সারকে অব্যাহতি দেন।

এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারের আদালতে শমী কায়সারকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন পিবিআইয়ের পরিদর্শক লুৎফর রহমান। সাক্ষী খুঁজে না পাওয়ায় শমী কায়সারকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতির আবেদন করে এ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

পিবিআইয়ের পরিদর্শক লুৎফর রহমান বলেন, ‘মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে কোনো সাক্ষী খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফলে শমী কায়সারকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছি।’

এর আগে ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর বাদী স্টুডেন্টস জার্নাল বিডির সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাচান পুলিশের দেয়া প্রতিবেদনের ওপর নারাজি দেন। নারাজি শুনানি শেষে আদালত মামলাটি পুনরায় তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

২৪ অক্টোবর মামলার সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমানের আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান।

প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, শমী কায়সারের বক্তব্যে কোনো মানহানিকর ঘটনা ঘটেনি। মামলার বাদী এ বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ হাজির করতে পারেননি।

৩০ এপ্রিল ঢাকা মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে মামলা করেন স্টুডেন্টস জার্নাল বিডির সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাচান। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে শাহবাগ থানার পরিদর্শককে (ওসি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

গত ২৪ এপ্রিল জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ই-কমার্সভিত্তিক পর্যটনবিষয়ক সাইট ‘বিন্দু ৩৬৫’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে শমী কায়সারের দুটি মোবাইল চুরি হয়। ওই অনুষ্ঠানে অর্ধশত ক্যামেরাম্যান ছাড়াও শতাধিক মানুষ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

শমী কায়সার সে সময় অভিযোগ করেন, সাংবাদিকরা মোবাইল চুরি করেছেন। তিনি তার নিরাপত্তাকর্মীদের দিয়ে সংবাদকর্মীদের দেহ তল্লাশিও করান। কেউ ঘটনাস্থল থেকে বের হতে চাইলে তাদের ‘চোর’ বলে ওঠেন শমী কায়সারের নিরাপত্তাকর্মীরা। এতে সংবাদকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হন। অনুষ্ঠানস্থলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

পরে সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অনুষ্ঠানে কেক নিয়ে আসা লাইটিংয়ের এক কর্মী স্মার্টফোন দুটি নিয়ে গেছেন। ভিডিও ফুটেজ দেখার পর সাংবাদিকদের কাছে ‘দুঃখ প্রকাশ’ করেন শমী কায়সার।

এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় ওঠে। এমন বক্তব্যের জন্য তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। ওই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিবৃতিও দেয় সাংবাদিকদের একাধিক সংগঠন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

অনলাইন ডেস্ক : আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। বাঙালি জাতির দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।

এ দিন লাখ লাখ মুক্তিকামী মানুষের উপস্থিতিতে এই মহান নেতা বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একাত্তরের ৭ মার্চ দেয়া ঐতিহাসিক ভাষণ পরবর্তীতে স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র হয়ে পড়ে। একইভাবে এ ভাষণ শুধু রাজনৈতিক দলিলই নয়, জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় বিধানের একটি সম্ভাবনাও তৈরি করে। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।

একাত্তরের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর এই উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পেয়ে যায় স্বাধীনতার দিকনির্দেশনা। এরপরই দেশের মুক্তিকামী মানুষ ঘরে ঘরে চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর এই বজ্রনিনাদে আসন্ন মহামুক্তির আনন্দে বাঙালি জাতি উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। যুগ যুগ ধরে শোষিত-বঞ্চিত বাঙালি ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তা নিয়ে এগিয়ে যায় কাঙ্ক্ষিত মুক্তির লক্ষ্যে।

ধর্মীয় চিন্তা, সাম্প্রদায়িকতার মানসিকতা ও দ্বি-জাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে গঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ২৩ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্যদিয়ে বাঙালি জাতিসত্তা, জাতীয়তাবোধ ও জাতিরাষ্ট্র গঠনের যে ভিত রচিত হয় তারই চূড়ান্ত পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পর ছাত্র-কৃষক-শ্রমিকসহ সর্বস্তরের বাঙালি স্বাধীনতা অর্জনের জন্য মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় ছিনিয়ে আনে বাঙালি জাতি। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণে গর্জে ওঠে উত্তাল জনসমুদ্র। লাখ লাখ মানুষের গগনবিদারী স্লোগানের উদ্দামতায় বসন্তের মাতাল হাওয়ায় সেদিন পতপত করে ওড়ে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত লাল-সবুজের পতাকা। শপথের লক্ষ বজ্রমুষ্টি উত্থিত হয় আকাশে। সেদিন বঙ্গবন্ধু মঞ্চে আরোহণ করেন বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে। ফাগুনের সূর্য তখনো মাথার ওপর। মঞ্চে আসার পর তিনি জনতার উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন।

তখন পুরো সোহরাওয়ার্দী উদ্যান লাখ লাখ বাঙালির ‘তোমার দেশ আমার দেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ, তোমার নেতা আমার নেতা শেখ মুজিব, শেখ মুজিব’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। তিনি দরাজ গলায় তার ভাষণ শুরু করেন, ‘ভাইয়েরা আমার, আজ দুঃখ-ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি…।’

এরপর জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বাংলা ও বাঙালির স্বাধীনতার মহাকাব্যের কবি ঘোষণা করেন- ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম…, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা।’

মাত্র ১৮-১৯ মিনিটের ভাষণ। এই স্বল্প সময়ে তিনি ইতিহাসের পুরো ক্যানভাসই তুলে ধরেন। তিনি তার ভাষণে সামরিক আইন প্রত্যাহার, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর, গোলাগুলি ও হত্যা বন্ধ করে সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া এবং বিভিন্ন স্থানের হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠনের দাবি জানান।

বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘ভাইয়েরা আমার, আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না, আমি বাংলা মানুষের অধিকার চাই। প্রধানমন্ত্রিত্বের লোভ দেখিয়ে আমাকে নিতে পারেনি। ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে দিতে পারেনি। আপনারা রক্ত দিয়ে আমাকে ষড়যন্ত্র-মামলা থেকে মুক্ত করে এনেছিলেন। সেদিন এই রেসকোর্সে আমি বলেছিলাম, রক্তের ঋণ আমি রক্ত দিয়ে শোধ করব। আজও আমি রক্ত দিয়েই রক্তের ঋণ শোধ করতে প্রস্তুত।’

তিনি বলেন, ‘আমি বলে দিতে চাই-আজ থেকে কোর্ট-কাচারি, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট, অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সবকিছু অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। কোনো কর্মচারী অফিসে যাবেন না। এ আমার নির্দেশ।’

বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সর্বশেষ দুটি বাক্য, যা পরবর্তীতে বাঙালির স্বাধীনতার চূড়ান্ত লড়াইয়ের দিকনির্দেশনা ও প্রেরণার হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয়বাংলা’।

রাজনীতি বিশেষজ্ঞদের মতে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুধু বাঙালি জাতিকে মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান নয়। এটি সব জাতির মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার দিকনির্দেশনা।

দিবসটি উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি বৈকারী ইউনিয়ন শাখার সম্মেলন

বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৩নং বৈকারী ইউনিয়ন শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১২টায় বৈকারী বাজারস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন, গ্রাম ডা: শাহিদুল্লাহ।
উপস্থিত ছিলেন, গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এম এ হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক অনির্বাণ সরকার, দপ্তর সম্পাদক রিপন ঢালী, আনোয়ার হোসেন, বৈকারী ইউনিয়ন শাখার রায়হান কবির, আনোয়ারুল ইসলাম, কবির হোসেন, মো: ওবায়দুল্লাহ, সোহাগ হোসেন, ইদ্রিস আলী, ঈশারুল ইসলাম, আব্দুস সালাম, আল মামুন, তৌহিদুজ্জামান, আমিনুর রহমান, মোসলেম আলী, দিনেশ কুমার, নজরুল ইসলাম, ফারুক হোসেন প্রমুখ। সম্মেলনে সর্বসম্মতক্রমে রায়হান কবিরকে সভাপতি, আনোয়ারুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক ও কবির হোসেন কে সাংগঠনিক করে ১৬ সদস্য বিশিষ্ট বৈকারী ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হত্যা মামলার আসামি কারাগার থেকে উধাও!

অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রাম কারাগারে ফরহাদ হোসেন রুবেল নামে এক হাজতি বন্দির হদিস মিলছে না।

শনিবার সকালে নিয়মিত বন্দি গণনাকালে ওই বন্দির (হাজতি নম্বর: ২৫৪৭/২১) অনুপস্থিতির বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এ ঘটনার পর বিকালে নিখোঁজ বন্দির সন্ধানে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বাজানো হয় ‘পাগলা ঘণ্টা’। এছাড়া কারাগারে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কারাগারে চালানো হচ্ছে তল্লাশি। এ ঘটনায় নগরীর কোতোয়ালী থানায় জিডি করা হয়েছে।

কারাগার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সদরঘাট থানার একটি হত্যা মামলার আসামি রুবেল। গত ৯ ফেব্রুয়ারি সদরঘাট থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদি জেলার রায়পুরা উপজেলায়। কারাগারে পাঠানোর পর এই বন্দিকে রাখা হয় কেন্দ্রীয় কারাগারের ১৫ নম্বর কর্ণফুলী ভবনের ‘পানিশমেন্ট ওয়ার্ড’ হিসেবে বিবেচিত একটি ওয়ার্ডে।

শনিবার সকালে নিয়মিত বন্দি গণনাকালে কর্ণফুলী ভবনের বন্দি রুবেলের অনুপস্থিতির বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর থেকে দিনভর কারাগারের বিভিন্ন ওয়ার্ডে খোঁজ করেও ওই বন্দির হদিস মেলেনি। বন্দি রুবেল কি কারাগার থেকে পালিয়ে গেছে নাকি কারা অভ্যন্তরে কোথাওয় অন্য বন্দিদের সঙ্গে মিশে আছে সে বিষয়টিও নিশ্চিত করে বলতে পারছিল না কারা কর্তৃপক্ষ। বন্দিকে খুঁজতে বিকেলে কারাগারে পাগলা ঘন্টা বাজানো হয়। এ সময় কারাভ্যন্তরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে জানার জন্য জেলার মো. রফিকুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মেহেদী হাসান বলেন, ‘চট্টগ্রাম কারগারের বন্দি মিসিংয়ের বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে ওসি কোতোয়ালী নেজাম উদ্দিনকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। সন্ধ্যায় ৭টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওসি কোতোয়ালী কারাগারে ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুকুরে মাটি খুড়তেই পাওয়া গেল ৪০০ বছরের পুরোনো মূর্তি

এস এম বাচ্চু, তালা : মোল্লা ব্রিকসের জন্য পুকুরে মাটি কাটার সময় ৪০০ বছরের পুরোনো একটি স্বর্ণসৃদশ মূর্তি পাওয়া গেছে। শনিবার (০৬ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কুমিরা এলাকার বাবুর পুকুরে মাটি কাটার সময় মূর্তিটি পাওয়া যায়।
স্থানীয়রা জানান, সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় স্থানীয় মোল্লা ব্রিকসের লোকজন বাবুর পুকুরে মাটি কাটছিলেন। মাটি কাটার সময় মূর্তিতে কোদালের কোপ লাগলে ঝনঝন করে উঠে। একই সঙ্গে স্বর্ণের মূর্তি পাওয়া গেছে বলে এলাকায় খবর ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মূর্তিটি হেফাজতে নেয়।
স্বর্ণকার জানান, এটি স্বর্ণের নয়,পিতলের মূর্তি। মূর্তির ওজন এক কেজি ৪০০ গ্রাম।স্বর্ণসদৃশ এই মূর্তি প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো হতে পারে।
পাটকেলঘাটার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মুর্শেদ বলেন, ইটভাটার মাটি কাটার সময় মূর্তিটি পাওয়া যায়। সেটি এখন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ঐতিহাসিক নির্বাচনে সভাপতি বাপী, সম্পাদক সুজন

এম বেলাল হোসাইন : দীর্ঘদিনের বিরোধ, হামলার মামলার পর আদালত পর্যন্ত গড়িয়ে অবশেষে বিজ্ঞ আদালতের এক যুগান্তকারী নির্দেশে সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবে সকল প্রকার বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে ঐতিহাসিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই ভোটের মমতাজ আহমেদ বাপী-মোহাম্মদ আলী সুজনের নেতৃত্বাধীন প্যানেল ১৩টি পদের মধ্যে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ১২ টি পদে জয় পেয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ১০৪ জন ভোটারের মধ্যে ১০৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

নির্বাচনে ৫৪ জন ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মমতাজ আহমেদ বাপী, তার নিকটতম প্রতিন্দ্বন্দ্বি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী ৪৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। ৫২ ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছে হাবিবুর রহমান, তার নিকটতম প্রতিন্দ্বন্দ্বি আব্দুল ওয়াজেদ কচি ৫১ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে ৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ আলী সুজন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আবুল কাসেম পেয়েছেন ৪৩ ভোট। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৫২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল জলিল, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ইয়ারব হোসেন পেয়েছেন ৫১ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি রবিউল ইসলাম পেয়েছেন ৪১ ভোট। অর্থ সম্পাদক পদে শেখ মাসুদ হোসেন ৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোশাররফ হোসেন পেয়েছেন ৪৬ ভোট। সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে শহিদুল ইসলাম ৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি কৃষ্ণমোহন ব্যানার্জি পেয়েছেন ৪৩ ভোট।
দপ্তর সম্পাদক পদে শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না ৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ইব্রাহিম খলিল পেয়েছেন ৪৭ ভোট।
কার্যনির্বাহী সদস্য পদে আব্দুল গফুর ৫৭ ভোট, মকসুমুল হাকিম ৬০ ভোট, মাসুদুর জামান সুমন ৫৫ ভোট, এম শাহীন গোলদার ৫৭ ভোট এবং ৫৪ ভোট পেয়ে সেলিম রেজা মুকুল ৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের নিকটতম প্রতিন্দ্বন্দ্বি আব্দুস সামাদ পেয়েছেন ৪৬ ভোট, এ্যাড. খায়রুল বদিউজ্জামান পেয়েছেন ৪৪ ভোট, গোলাম সরোয়ার পেয়েছেন ৪৬ ভোট এবং ফারুক রহমান পেয়েছেন ৪৪ ভোট।
উল্লেখ্য: সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নিয়ে সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ বিরাজ করছিল। এ নিয়ে হামলা, মামলার পর আদালত পর্যন্ত যাওয়ার আদালতের নির্দেশেই ভোটার তালিকা প্রণয়নপূর্বক শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচিত অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানে পার্লামেন্টের আস্থা ভোটে জয়ী ইমরান

বিদেশের খবর : সিনেট নির্বাচনে একটি বড় ধাক্কার পর পার্লামেন্টের আস্থা ভোটে জয়ী হয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বিরোধীদের বর্জন ও প্রতিবাদের মধ্যেই শনিবার এই ভোটের আয়োজন করা হয়েছে।

স্পিকার তার ঘোষণায় বলেন, আস্থা ভোটে জয়ী হতে ১৭২ ভোট দরকার পড়লেও ইমরান খান পেয়েছেন ১৭৮টি।

চলতি সপ্তাহে সিনেট নির্বাচনে আলোচিত একটি আসনে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানির কাছে অর্থমন্ত্রী হাফিজ শেখ হেরে যাওয়ার পর ইমরান খান নিজেই জাতীয় পরিষদে এই আস্থা ভোটের ডাক দেন।

স্পিকার বলেন, আট বছর আগে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে ১৭৬টি ভোট পেলেও এবার তিনি আরও দুটি বেশি পেয়েছেন।

ফল ঘোষণার পরেই স্পিকার ফ্লোর দেন আমির লিয়াকত নামের এক আইনপ্রণেতাকে। তিনি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের তারিফ করে একটি কবিতা আবৃত্তি করেন।

আরেক আইনপ্রণেতা মাকবুল সিদ্দিকী বলেন, আস্থা ভোটে আপনি জয়ী হয়েছেন। এবার দেশবাসীর মধ্যে আস্থা ফেরানোর সময় এসেছে।

ভোট চলাকালে পার্লামেন্টের বাইরে পিটিআই সমর্থকদের ইমরান খানের সমর্থনে স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শহীদ খাকান আব্বাসি, আহসান ইকবাল, মুসাদ্দিক মালিক ও খুররাম দস্তগিরসহ পিএমএল-নওয়াজের নেতৃবৃন্দ এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর সমালোচনা করেন।

আব্বাসি বলেন, সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটের আহ্বান জানাতে পারেন না। এই ক্ষমতা একমাত্র প্রেসিডেন্টের, যদি তিনি মনে করেন প্রধানমন্ত্রী আইনপ্রণেতাদের আস্থা হারিয়েছেন, তবে তিনি ভোটের আয়োজন করতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘প্রশাসনিক কর্মকর্তারাই বাছাই করছেন কাকে ধরবেন, কাকে ধরবেন না’

অনলাইন ডেস্ক : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক বলেছেন, দোষ আইনের নয়, বরং প্রয়োগের। প্রশাসনিক কর্মকর্তারাই বাছাই করছেন কাকে ধরবেন, কাকে ধরবেন না। সেজন্যই এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে।

মুশতাক, কাজল, কিশোরকে জামিন না দিয়ে কেন দিনের পর দিন জেলে আটকে রাখা হলো, সরকারের কাছে তার কৈফিয়ত চান জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। এসব ক্ষেত্রে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ যথাযথ হয়নি বলেও মনে করেন তিনি।

মুশতাক, কাজল, কিশোরকে জামিন না দিয়ে কেন দিনের পর দিন জেলে আটকে রাখা হলো, সরকারের কাছে তার কৈফিয়ত চান জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। এসব ক্ষেত্রে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ যথাযথ হয়নি বলেও মনে করেন তিনি।

সাবেক তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই আইনেই আছে ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট দিতে হবে। না পারলে আরো ১৫ দিন। অর্থাৎ, মোট ৭৫ দিন। তাহলে কেন কাজলকে ২১০ দিন কারাগারে রাখলেন আমি কৈফিয়ত তলব করছি সরকারের কাছে। কীজন্যে কিশোরকে ২১০ দিন কারাগারে রাখলেন? কেন মুশতাককে ৭৫ দিনের বেশি রাখলেন? এবং আদালত কেন এখানে চোখ বন্ধ করে থাকলেন? আমি তো অবাক হয়ে যাচ্ছি। আদালত এখানে ৪০ ধারা দেখে বলবে যে, ৭৫ দিন হয়ে গেছে- জামিন। আরেকটা ব্যাপার হলো, লেখক, সাংবাদিক ও গবেষকদের বিরুদ্ধে আইন করা হচ্ছে, তখন তারা তো দেশ থেকে পালিয়ে যাচ্ছে না। সুতরাং, তাদের জামিন দিন, বিচার করুন, কোনো অসুবিধা তো নেই। তাদেরকে হয়রানি করার জন্য প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কাছে কৈফিয়ত তলব করা উচিত।’ ডয়চে ভেলের ইউটিউব টকশো ‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়’-এ যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় দশমাস বন্দী থাকার পর কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন লেখক মুশতাক আহমেদ। তার সঙ্গে আটক হওয়া কার্টুনিস্ট কিশোর বৃহস্পতিবার জামিনে মুক্ত হয়েছেন। আটকের পর তার উপর চালানো নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন তিনি বাংলাদেশের দুইটি সংবাদ মাধ্যমে। বিষয়টি নিয়ে সংসদে আলোচনা করবেন কিনা জানতে চাইলে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘এটা নিয়ে কথা হবে। এটা নিয়ে আমরা সংসদে (কথা) তুলবো, কেন টর্চার করা হলো। সেটা নিষিদ্ধ। এজন্য অনেক পুলিশ বরখাস্ত হয়েছেন। সুতরাং শারীরিক নির্যাতন যদি কিশোরকে করে থাকে, তাহলে এর জন্য ঐ কর্মকর্তাকে কৈফিয়ত দিতেই হবে। এটা সংসদে তোলার মতো কথা।’

আলোচনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুলও ছিলেন। তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও এর প্রয়োগে সরকারের সমালোচনা করেন। বলেন, ‘(ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে) সরকারবিরোধী যে কোনো বক্তব্যকে রাষ্ট্রবিরোধী বলে তাকে জেলে দিনের পর দিন রাখতে পারেন এবং এভাবে নির্যাতন করতে পারেন। যে দেশে সেনাবাহিনীর ভাইরা দণ্ডিত খুনি ও পলাতক অবস্থায় ক্ষমা করে দেয়া হয়, আর অসুস্থ মানুষ যিনি (মুশতাক আহমেদ) সামান্য কোভিড পরবর্তী দুর্নীতি নিয়ে লিখেছেন, তাকে ছয় ছয়বার আদালত জামিন নামঞ্জুর করেছেন।’

আসিফ নজরুলের মতে, বিদ্যমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কোনো প্রয়োজন বাংলাদেশে নেই, তথ্য প্রযুক্তি আইনের পরিবর্তন ও সংযোজন করেই কাজ চালানো সম্ভব। এই আইনটি বাতিলের তিনটি কারণ তুলে ধরেন তিনি। ‘প্রথমত, এখানে সংজ্ঞার অস্পষ্টতা রয়েছে। রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি, উসকানি, এগুলো বলে যে কোনো ব্যক্তিকে ভিক্টিমাইজ করা সম্ভব। দ্বিতীয়ত, এখানে পুলিশকে অবারিত ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। তৃতীয়ত, এই আইনের চরম অপপ্রয়োগ হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, এই আইন করা হয়েছে ভিন্নমতাবলম্বীদের মুখ বন্ধ করার জন্য। সরকার এই আইনের অপপ্রয়োগের মাধ্যমে অন্যদের সাবধান করে দেয়ার চেষ্টা করছে, এটা আমার বিশ্বাস,’ বলেন ড. নজরুল।

তবে এই বিষযে তার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তার মতে, দোষ আইনের নয়, বরং প্রয়োগের। প্রশাসনিক কর্মকর্তারাই বাছাই করছেন কাকে ধরবেন, কাকে ধরবেন না। সেজন্যই এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি মনে করেন, আসিফ নজরুল যে তিনটি বিষয় উত্থাপন করেছেন তার প্রতিটিই সংশোধনযোগ্য। বলেন, ‘যে আইন আছে, সেটি সংশোধন করা সম্ভব বলে আমি মনে করি। কাজেই আইন বাতিল হতে পারে না৷ ডিজিটাল জগত মোকাবিলায় এই আইন দরকার৷’ সূত্র: ডয়েচে ভেলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest