সর্বশেষ সংবাদ-
কিসের হাসিনা? কোথায় বক্তব্য দিয়েছে? তার চেহারা কি দেখা গেছে?ভয়াবহ লোডশেডিং, বিদ্যুত – গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, ভূতুড়ে বিল আদায়ের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচিকালিগঞ্জে পোল্ট্রি বহনকারী গাড়ির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুমারিজুয়ানা ফুল থেকে তৈরি বিশেষ মাদক কুশ জব্দ,আটক-১মারিজুয়ানা ফুল থেকে তৈরি বিশেষ মাদক কুশ জব্দ,আটক-১জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষে সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ম্যারাথন র‌্যালিসাতক্ষীরায় জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানি দেয়ার সময় রাজনৈতিক নেতাদের মঞ্চে না ডাকায় নেতাদের ক্ষোভসাতক্ষীরায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে জামায়াতের বিক্ষোভধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে সংঘবদ্ধ ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠী: শ্যামনগরে ড. মনিরুজ্জামানজুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শ্যামনগরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ

কিসের হাসিনা? কোথায় বক্তব্য দিয়েছে? তার চেহারা কি দেখা গেছে?

অনলাইন ডেস্ক :  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “কিসের হাসিনা? কোথায় বক্তব্য দিয়েছে? তার চেহারা কি দেখা গেছে? মাঝেমধ্যে শুধু আওয়াজ-টাওয়াজ শোনা যায়। তারা চেষ্টা করছে, বাংলাদেশে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি করা যায় কি না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ কখনোই তাদের এসব রাজনীতি গ্রহণ করবে না।”

শুক্রবার ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, যারা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী, তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। তারা বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমাও চায়নি। তাই এ দেশে তাদের কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ বাংলাদেশের মানুষ কখনো দেবে না। বাংলাদেশের জনগণ তাদের রাজনীতি করার অনুমতি কোনোদিনই দেবে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষায়, তারা বিদেশ থেকে মাঝেমধ্যে উঁকিঝুঁকি দিতে পারে, চিৎকার-চেঁচামেচি করতে পারে। তবে আমরা এসবকে আর গুরুত্ব দিচ্ছি না।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) ফ্ল্যাট উন্নয়ন প্রকল্প-০১ উদ্বোধন করেন।

ওই সময় তিনি কেবল ইট-পাথরের ইমারত ও অবকাঠামো নির্মাণের দিকে মনোযোগ না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করে পর্যটনের উন্নয়নে সব ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। শুধু উঁচু ইমারত নির্মাণই পর্যটন হতে পারে না। তিনি মনে করেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের পুরো একশ কিলোমিটার জুড়েই পর্যটনবান্ধব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হওয়া উচিত। বিশ্বব্যাপী কক্সবাজারের সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিয়ে ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইতিপূর্বে ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে ইচ্ছামতো বিভিন্ন এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করা হয়েছে। জরিপকাজ পরিচালনার মাধ্যমে ট্যুরিজম বিকাশের জন্য তা পুনর্বিবেচনা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে চলা অপহরণের মতো অপরাধ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপহরণের মতো অপরাধ দমনে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় স্থানে ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে জিওসি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন। আমরা তাকে এ বিষয়ে অনুরোধ করেছি এবং সরকারি পর্যায় থেকেও সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় এলাকায় ক্যাম্প স্থাপনের অনুরোধ জানানো হবে। এতে অপহরণের মতো ঘৃণ্য অপরাধগুলো কার্যকরভাবে দমন করা বা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এসব কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি ও কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান, পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এবং কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মুজিবুল হক প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভয়াবহ লোডশেডিং, বিদ্যুত – গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, ভূতুড়ে বিল আদায়ের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সারাদেশে তীব্র গ্যাস সংকট, ভয়াবহ লোডশেডিং, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, ভূতুড়ে বিল আদায়, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচি, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে ১১ দলীয় ঐক্য।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী বরাবর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

জেলা প্রশাসক অনুপস্থিত থাকায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈনের কাছে স্মারকলিপিটি তুলে দেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, এনসিপির সাতক্ষীরা জেলা আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বুলু, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি প্রভাষক ওমর ফারুক, সাতক্ষীরা শহর শিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সুবহান মকুল, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী খোরশেদ আলম, সহকারী সেক্রেটারী এড আবু তালেব, পৌর শিবিরের সেক্রেটারি নুরুন নবী, ৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আব্দুল গফুর, ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আজহারুল ইসলাম এবং ২ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

এর আগে অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, জ্বালানি তেল ও গ্যাস সংকটের কারণে শিল্প-কারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিং, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভূতুড়ে বিল আদায়ের অভিযোগে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। একই সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাপন দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। তারা অবিলম্বে গ্যাস ও জ্বালানি সংকট নিরসন, বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম বন্ধ, ভূতুড়ে বিল প্রত্যাহার, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে পোল্ট্রি বহনকারী গাড়ির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পোল্ট্রি বহনকারী গাড়ির ধাক্কায় ৬ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মায়ের সাথে একটি শোকাহত পরিবারের স্বজনদের সান্ত্বনা দিয়ে বাড়ি পথে দ্রুতগতির একটি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারায় শিশু মোস্তাকিম। একই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার মা মুসলিমা খাতুন। মোস্তাকিম কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের শহীদুল ইসলামের পুত্র।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাস্তা পারাপারের সময় পোল্ট্রি বহনকারী একটি গাড়ির ধাক্কায় শিশুটি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। ময়না তদন্ত শেষে শিশুটির লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মারিজুয়ানা ফুল থেকে তৈরি বিশেষ মাদক কুশ জব্দ,আটক-১

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় বিজিবির বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ নতুন মাদক ‘কুশ’সহ এক যুবককে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সীমান্ত সংলগ্ন মাধবকাঠি বাজার এলাকা থেকে ১২ কেজি কুশ, একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোনসহ তাকে গ্রেফতার করে সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ কোটি টাকা।

আটককৃত মোঃ তারিকুজ্জামান (২৪) কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি গ্রামের মোঃ ওহিদুজ্জামানের ছেলে।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় বিজিবি হেড কোয়াটারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান জানান বিজিবি খবর পায় ভারত থেকে নতুন আসা ‘কুশ’ নামের একটি মাদকের চালন মোটরসাইকেলযোগে সাতক্ষীরা শহর হয়ে ঝাউডাংগা বাজারের দিকে যাচ্ছে। এমন সংবাদ পেয়ে বিজিবি সদস্যরা পশ্চিম মাধবকাঠি বাজার এলাকায় কৌশলে অবস্থান নেয়। দুপুর সাড়ে ১২টায় সন্দেহভাজন মোটরসাইকেল আরোহী তারিকুজ্জামানকে থামিয়ে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ১২ কেজি নতুন প্রকৃতির মাদক ‘কুশ’ উদ্ধার করা হয়।

জব্দকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি টাকা। এছাড়া ২ লাখ টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল এবং ১ লাখ ৫২ হাজার টাকা মূল্যের দুটি মোবাইল ফোনসহ সর্বমোট ৬ কোটি ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকার মালামাল আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ‘কুশ’ মূলত প্রাকৃতিক মারিজুয়ানা গাছের ফুল বা কুঁড়ি থেকে প্রক্রিয়াজাতকৃত এক ধরনের নতুন ও অত্যন্ত বিপজ্জনক মাদক। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর সাথে অতিরিক্ত ‘টেট্রাহাইড্রো ক্যানাবিনল’ (THC) রাসায়নিক মিশিয়ে তরল, পাউডার বা ট্যাবলেট আকারে সিনথেটিক মাদক হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মারিজুয়ানা ফুল থেকে তৈরি বিশেষ মাদক কুশ জব্দ,আটক-১

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় বিজিবির বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ নতুন মাদক ‘কুশ’সহ এক যুবককে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সীমান্ত সংলগ্ন মাধবকাঠি বাজার এলাকা থেকে ১২ কেজি কুশ, একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোনসহ তাকে গ্রেফতার করে সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ কোটি টাকা।

আটককৃত মোঃ তারিকুজ্জামান (২৪) কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি গ্রামের মোঃ ওহিদুজ্জামানের ছেলে।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় বিজিবি হেড কোয়াটারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান জানান বিজিবি খবর পায় ভারত থেকে নতুন আসা ‘কুশ’ নামের একটি মাদকের চালন মোটরসাইকেলযোগে সাতক্ষীরা শহর হয়ে ঝাউডাংগা বাজারের দিকে যাচ্ছে। এমন সংবাদ পেয়ে বিজিবি সদস্যরা পশ্চিম মাধবকাঠি বাজার এলাকায় কৌশলে অবস্থান নেয়। দুপুর সাড়ে ১২টায় সন্দেহভাজন মোটরসাইকেল আরোহী তারিকুজ্জামানকে থামিয়ে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ১২ কেজি নতুন প্রকৃতির মাদক ‘কুশ’ উদ্ধার করা হয়।

জব্দকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি টাকা। এছাড়া ২ লাখ টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল এবং ১ লাখ ৫২ হাজার টাকা মূল্যের দুটি মোবাইল ফোনসহ সর্বমোট ৬ কোটি ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকার মালামাল আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ‘কুশ’ মূলত প্রাকৃতিক মারিজুয়ানা গাছের ফুল বা কুঁড়ি থেকে প্রক্রিয়াজাতকৃত এক ধরনের নতুন ও অত্যন্ত বিপজ্জনক মাদক। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর সাথে অতিরিক্ত ‘টেট্রাহাইড্রো ক্যানাবিনল’ (THC) রাসায়নিক মিশিয়ে তরল, পাউডার বা ট্যাবলেট আকারে সিনথেটিক মাদক হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষে সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ম্যারাথন র‌্যালি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার উদ্যোগে বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টায় ম্যারাথন র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শহরের বাঙ্গালের মোড় সংলগ্ন আল কোরান একাডেমি চত্ত্বর থেকে র‌্যালিটি শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে খুলনা রোড মোড়ে অবস্থিত শহীদ আসিফ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

ম্যারাথন র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান এবং সেক্রেটারি নুরুন নবী। এতে শহর শাখার নেতাকর্মী, সমর্থক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

সমাবেশে শিবির নেতারা বলেন, “সারাদেশে আমরা যে চিত্র দেখেছি, তা অবশ্যই পরিকল্পিত। যাতে মানুষের মন থেকে জুলাইয়ের স্মৃতি মুছে যায়। আমরা বিশ্বাস করি, এই অপকর্মগুলো তারাই করেছে, যারা এ দেশের ৭০ ভাগ মানুষের গণভোটের রায় মেনে নিতে পারছে না।”

বক্তারা আরও দাবি করেন, “বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ‘মেধা না কোটা’ নীতির যথাযথ প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। যে জাতি মেধার যথাযথ কদর ও মূল্যায়ন করবে না, সে জাতি কখনো উন্নতি লাভ করতে পারবে না।”

ম্যারাথন র‌্যালি শেষে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানি দেয়ার সময় রাজনৈতিক নেতাদের মঞ্চে না ডাকায় নেতাদের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহীদ পরিবার ও আহতদের সম্মানি দেয়ার সময় রাজনৈতিক নেতাদের মঞ্চে না ডাকায় জেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠানে নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে অনুষ্ঠান শেষ না করেই দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে সভাস্থল ত্যাগ করেছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতারা। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা থেকে শহীদ পরিবার ও আহতদের মাঝে সম্মানী দেয়ার সময় তারা এ ক্ষোভ প্রকাশ করে সভাস্থল ত্যাগ করেন। যদিও জেলা প্রশাসক তা অস্বীকার করে জানিয়েছেন, কেউ অনুষ্ঠান ত্যাগ করেননি, সবাই শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন।

সভা থেকে এসময় ৪ জন শহিদ পরিবারের মাঝে মাথাপিছু ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং আহতদের মাঝে মাথাপিছু ৫০০ টাকার প্রাইজবন্ড প্রদান করা হয়। ৪ জন শহীদ পরিবারসহ সর্বমোট ১০১ জনের মাঝে এ সম্মানী প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা বিএনপির আহবায়ক রাহমাতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা জামায়াতের আমীর শহীদুল ইসলাম মুকুল ও সেক্রেটারি মাওঃ আজিজুর রহমানসহ বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আলোচনা সভার শেষ পর্যায়ে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ৪ জন শহিদ পরিবার ও আহত ৯৭ জন জুলাই যোদ্ধাকে সম্মানি প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ বক্তব্য শেষ করার পর পুলিশ সুপার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলমকে মঞ্চে ডেকে নেয়া হয়। সম্মানি বিতরণের সময় জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার দুইজন মঞ্চে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের উক্ত সম্মানী উপহার বিতরণ করেন। তবে সেখানে উপস্থিত রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের কাউকেই এ সময় মঞ্চে ডাকা হয়নি। আমন্ত্রিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে এভাবে উপেক্ষা করায় তাৎক্ষণিকভাবে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও অসস্তোষ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপি ও জামায়াত নেতারা তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে সভাস্থল ত্যাগ করেন।

এ ব্যাপারে জেলা জামায়াতের আমীর শহীদুল ইসলাম মুকুল বলেন, মঞ্চে না ডাকার ঘটনা সঠিক। যেকারনে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সকলেই চলে এসেছিলেন।
জেলা বিএনপির আহবায়ক রাহমাতুল্লাহ পলাশ বলেন, এঘটনার পর জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব সাহেবের নেতৃত্বে আমরা সকলেই অনুষ্ঠান থেকে চলে এসেছি।

তবে, নেতাদের ক্ষোভ ও অনুষ্ঠান ত্যাগের বিষয়টি অস্বীকার করে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ জানান, রাজনৈতিক নেতারা কেউ অনুষ্ঠান ত্যাগ করে যাননি, সবাই শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ৪ জন শহীদ পরিবারের কাছে আমি এবং পুলিশ সুপার মহোদয় সম্মানি তুলে দিয়েছিলাম। আর আহতদের মাঝে জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা সম্মানী তুলে দিয়েছেন।
এদিকে, জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন এই আয়োজনে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে যথাযথ সম্মান না দেয়া এবং একতরফাভাবে অনুষ্ঠান পরিচালনার ঘটনায় সাতক্ষীরার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা পৌর ও সদর শাখার উদ্যোগে বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে সাতক্ষীরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শহরের শহীদ আসিফ চত্বর (খুলনা রোড মোড়) এলাকায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ-পূর্ব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা জামায়াতের আমির ও সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা মশাররফ হোসেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন জামায়াতের জেলা সহকারি সেক্রেটারী প্রভাষক ওসর ফারুক, জেলা অফিস সেক্রেটারী রুহুল আমিন, শিবিব সভাপতি মেহেদি হোসেন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও পৌরজামায়াতের সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, সদর সেক্রেটারী মাওলানা হাবিবুর রহমান, পৌরসহকারী সেক্রেটারী এড আবু তালেব, ছাত্র নেতা আব্দুর রহিম, মাওরানা মনিরুল ইসলাম ফারুকি প্রমুখ।

বক্তারা জুলাই সনদ দ্রুত বাস্তবায়ন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার দাবি করেন। একই সঙ্গে তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণ করেন এবং তাদের আত্মত্যাগের চেতনায় দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহীদ আসিফ চত্বর থেকে বের হয়ে সাতক্ষীরা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পাক এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest