সাতক্ষীরার দেবহাটা ও কালিগঞ্জের ১৭ ইউপিতে নৌকা পেলেন যারা

ডেস্ক রিপোর্ট : আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এবার খুলনা ও বরিশাল বিভাগের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। চলমান ইউপি নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় এই প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তাঁরা দলীয় প্রতীক ‘নৌকা’ নিয়ে নির্বাচনে লড়াই করবেন।

সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার ১২ টি এবং দেবহাটা উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা হলেন, শ্যামলী অধিকারী (কৃষ্ণনগর), শেখ রিয়াজ উদ্দীন (বিষ্ণুপুর), মোজাম্মেল হক (চাম্পাফুল), গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল (দক্ষিণশ্রীপুর), শেখ আবুল কাশেম মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (কুশুলিয়া), আবুল হোসেন পাড় (নলতা), এনামুল হোসেন ছোট (তারালী), আবুল হোসেন (ভাড়াশিমলা), ফিরোজ আহমেদ (মথুরেশপুর), গাজী শওকাত হোসেন (ধলবাড়িয়া), এম আলীম আল রাজী (রতনপুর) ও মো: রুহুল আমিন (মৌতলা)।

দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নে মো. আসাদুল ইসলাম, পারুলিয়ায় মো. সাইফুল ইসলাম, সখিপুরে শেখ ফারুক হোসেন, নওয়াপাড়ায় মো. আলমগীর হোসেন, দেবহাটায় আলী মোর্তজা মো. আনোয়ারুল হক।

শুক্রবার বিকেল ৪ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের মূলতবি সভায় এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃ “গতি সীমা মেনে চলি, সড়ক দূর্ঘটনা রোধ করি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে শুক্রবার সকাল ১০টায় নিরাপদ সড়ক চাই সাতক্ষীরা জেলা কমিটির উদ্দ্যোগে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২১ পালিত হয়েছে।

নিরাপদ সড়ক চাই সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি মুহাম্মাদ দিদারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম মহিদার রহমানের সঞ্চালনায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন নিরাপদ সড়ক চাই সাতক্ষীরা জেলা শাখার পৃষ্ঠপোষক দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক জি এম নূর ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সুজন, নিরাপদ সড়ক চাই সাতক্ষীরা জেলা শাখার উপদেষ্টা বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সাতক্ষীরা পুলিশিং কমিটির সভাপতি আলহাজ¦

ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, বি. আর. টি. এ সহকারি পরিচালক এ এস এম ওয়াজেদ হোসেন, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আবু হাসান, সাপ্তাহিক মুক্ত স্বাধীন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আবুল কালাম, প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নিরাপদ সড়ক চাই সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ সভাপতি মোঃ ঈদুজ্জামান ইদ্রিস,

প্রেসক্লাবের কার্যকরী সদস্য ও নিরাপদ সড়ক চাই সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ-সভাপতি মোঃ সেলিম রেজা মুকুল, নিরাপদ সড়ক চাই সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ-সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ, আশাশুনি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবর রহমান। আরো উপস্থিত ছিলেন শেখ আহসানুর রাজিব, এ্যাড এ বি এম সেলিম, মোঃ রফিকুল ইসলাম শাওন, খন্দকার আনিসুর রহমান, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ হাফিজুর রহমান, জি এম সোহরাব হোসেন,

মোঃ আমিনুর রশিদ সুজন, মোঃ মনিরুজ্জামান মনি, প্রভাষক নাজমুল হক, দৃষ্টিপাত পত্রিকার ষ্টাফ রিপোটার মাসুদুর জামান সুমন, মোঃ কামরুল ইসলাম, ডাঃ অহিদুজ্জামান, আব্দুল মাতিন, মোতাহার নেওয়াজ মিনাল, মোঃ ফিরোজ হোসেন, এ এস এম শাহনেওয়াজ মাহমুদ রনি, শেখ হাসান গফুর, মোঃ কামাল হোসেন, প্রমূখ। অনুষ্ঠানে কুরআন তিলাওয়াত করেন হাফেজ মাওলানা মোঃ আবুল হোসেন। সভাশেষে বর্ণাট্য র‌্যালি সাতক্ষীরা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলিতে নিহত ৭

দেশের খবর : কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরো সাতজন। এ ঘটনায় অস্ত্রসহ মুজিবুর রহমান নামে একজনকে আটক করেছেন ৮ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) ভোরে উখিয়ার ১৮ নং ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- উখিয়ার বালুখালী-২ এর ইদ্রিস (৩২), বালুখালী-১ এর ইব্রাহীম হোসেন (২২), ১৮ নম্বর ক্যাম্পের এইচ ব্লকের বাসুন্দা নুরুল ইসলামের ছেলে আজিজুল হক (২৬) ও আবুল হোসেনের ছেলে মো. আমীন (৩২), এফ/২২ ক্যাম্প-১৮ এর বাসিন্দা হাফেজ নুর হালিম (৪৫), মৌলভী হামিদুল্লাহ (৫০) ও নূর কায়সার (১৫)।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক পুলিশ সুপার শিহাব কায়সার বলেন, শুক্রবার ভোরে উখিয়া বালুখালী ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রথমে চারজন নিহত হন। আরো সাত জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় এমএসএফ হসপিটালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনজনের মৃত্যু হয়।

কী কারণে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। ঘটনার পরপরই এপিবিএন এবং জেলা পুলিশ বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে নিহতদের লাশ উদ্ধার এবং অস্ত্রধারীদের আটকে অভিযান শুরু করেছে। পুলিশ এ পর্যন্ত একজনকে আটক করেছে বলে জানিয়েছেন শিহাব কায়সার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধ হচ্ছে না

প্রযুক্তির খবর : মানুষের ভোগান্তির কথা ভেবে অনিবন্ধিত বা অবৈধভাবে আমদানি করা মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার কথা জানিয়েছে সরকার। এখন থেকে বৈধভাবে আমদানি হোক অথবা অন্য কোনোভাবে আসুক, তা গ্রাহক ব্যবহার শুরু করলে আর বন্ধ হবে না।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, আমরা আগে যে ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন (ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার-এনইআইআর) প্রক্রিয়াটি চালু করেছিলাম তাতে মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। সে কারণে আমরা স্থানীয় সিম ব্যবহার করা যেকোনো মোবাইল ডিভাইস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

এর অর্থ হলো মুঠোফোন বৈধভাবে আমদানি হোক অথবা অন্য কোনোভাবে আসুক, তা গ্রাহক ব্যবহার শুরু করলে আর বন্ধ হবে না। এত দিন বলা হয়েছিল, অবৈধভাবে আমদানি করা মুঠোফোন নেটওয়ার্ক সচল হওয়ার পর তা শনাক্ত করে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

দেশে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের বড় একটি অংশ চীনের প্রযুক্তি কোম্পানি শাওমির ফোন ব্যবহার করেন। এই ফোন অবৈধভাবে এনে মার্কেটে বিক্রির অভিযোগ ছিল বিস্তর। দেশে আজ শাওমির ফোন উৎপাদন কারখানার উদ্বোধন করা হয়েছে। কারখানা স্থাপনের ফলে অবৈধভাবে এই ব্রান্ডের ফোন আসা কমবে। এছাড়াও এখন থেকে গ্রাহকরা আগের চেয়ে কম দামে শাওমির বিভিন্ন ফোন কিনতে পারবেন বলে ব্যবসায়ীরা জানান। এরই মাঝে সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানা গেল।

দেশে গত ১ জুলাই পরীক্ষামূলকভাবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার ব্যবস্থা চালু হয়। ১ অক্টোবর থেকে ব্যবস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করে বিটিআরসি।

ব্যবস্থাটি চালুর পর অবৈধভাবে আনা মুঠোফোন শনাক্ত করা হচ্ছিল। সেসব মুঠোফোন প্রমাণ দিয়ে নিবন্ধনের জন্যও বলা হচ্ছিল। তবে সাধারণ মানুষেরা বিদেশ থেকে নিয়ে আসা ও উপহার হিসেবে পাওয়া মুঠোফোন নিবন্ধনে ভোগান্তির কথা বলছিলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, এখনো বাজারে বিক্রি হওয়া মোট ফোনের ৭০ শতাংশ ফিচার ফোন। সেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না। তাদের জন্য নিবন্ধন একটি ভোগান্তির কাজ। বেশির ভাগ সাধারণ মানুষ জানে না কীভাবে মুঠোফোনের আইএমইআই নম্বর (শনাক্তকরণ নম্বর) দিয়ে বৈধ-অবৈধ যাচাই করতে হবে।’

মন্ত্রী জানান, এসব বিষয় নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে আলাপ করেছেন। তিনি (উপদেষ্টা) মানুষ যাতে ভোগান্তিতে না পড়ে, তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। সে অনুযায়ী বিটিআরসিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের বিকাশের জন্য মুঠোফোনের ব্যবহার আরও বাড়ানো দরকার। সেখানে যদি দেখা যায় মুঠোফোনের নিবন্ধন নিয়ে ভোগান্তির কারণে ডিজিটাল বাংলাদেশের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, সেটা আরও বড় ক্ষতি।

এনইআইআর ব্যবস্থার মাধ্যমে মুঠোফোনের একটি তথ্যভান্ডার তৈরি হয়েছে। রাজস্ব ফাঁকি রোধ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চাইলে বৈধ-অবৈধ ফোন সম্পর্কে বিটিআরসি তথ্য দিতে পারবে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

নকল বা একই আইএমইআই নম্বরে থাকা একাধিক সেটের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সে বিষয়ে পরে জনভোগান্তি এড়িয়ে কী করা যায়, সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

একজন বৈধ আমদানিকারকের কাছ থেকে সরকার আমদানি শুল্ক হিসেবে প্রতিটি মোবাইল ফোনের বিপরীতে ৩ হাজার টাকা পায়। কিন্তু অবৈধভাবে কোনো মোবাইল হ্যান্ডসেট বিক্রি বা কেনা হলে সরকার রাজস্ব হারায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইকবাল সন্দেহে কক্সবাজারে যুবক গ্রেপ্তার

দেশের খবর : কুমিল্লা শহরের নানুয়ার দিঘীর পাড়ের পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখা সন্দেহভাজন ইকবাল হোসেনকে শনাক্ত করার কথা জানিয়েছিল পুলিশ। বৃহস্পতিবার ইকবাল হোসেন সন্দেহে এক যুবককে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাত ১১টার দিকে কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) ফারুক আহমেদ বলেন, ‘ইকবাল হোসেন সন্দেহে এক যুবককে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি এখনও যাচাই-বাছাই করছি। আমাদের একটি টিম তাকে নিয়ে কুমিল্লার পথে রওনা হয়েছে। কুমিল্লায় পৌঁছানোর পরই আমরা বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারব।’

এর আগে গতকাল রাতে পুলিশ সুপার জানিয়েছিলেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ইকবাল হোসনকে শনাক্ত করা হয়েছে।

কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তা মনির আহাম্মদ বুধবার রাতে জানিয়েছিলেন, ইকবাল হোসেন শহরের সুজানগর এলাকার নূর আহাম্মদ আলমের ছেলে। একাধিক তদন্ত সংস্থা এই তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে বুধবার পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মোহাম্মদ শাহ জালাল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৭টায় কুমিল্লার সদর থানাধীন নানুয়া দীঘির উত্তর পাড়ে দর্পণ সংঘের অস্থায়ী পূজামণ্ডপে মূর্তির পায়ের ওপর কে বা কারা পবিত্র কোরআন শরিফ রেখে চলে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় স্বার্থান্বেষী দুষ্কৃতকারী উসকানিমূলক ও বিকৃত প্রচারণা চালায় এবং পরবর্তীতে আরও উচ্ছৃঙ্খল দুষ্কৃতকারী সংঘবদ্ধ হয়ে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের চেষ্টা ও পূজামণ্ডপে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ছাড়া, দুষ্কৃতকারীরা শহরের কাপড়িয়া পট্টি কলোনির চানমনি পূজামণ্ডপ, শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দির, কালিতলাসহ আরও কয়েকটি পূজামণ্ডপে হামলা চালায় এবং প্রতিমায় অগ্নিসংযোগ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কুমিল্লার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে সেজন্য সারা দেশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে। এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ সতর্কতা এবং প্রচেষ্টা সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন স্থানে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, কুমিল্লার ঘটনার জের ধরে গত ১৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টায় চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার শ্রী ত্রিনয়নী সংঘ রাজা লক্ষ্মী নারায়ণ জিউর আখড়া, মোকিমাবাদ পূজামণ্ডপে ৫০০ থেকে ৬০০ দুষ্কৃতকারী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। পুলিশ তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে তারা পুলিশের ওপর হামলা করে এবং পাঁচ থেকে ছয়টি পূজামণ্ডপ ভাঙচুর করে। দুষ্কৃতকারীদের ইট-পাটকেলের আঘাতে ১৫ জন পুলিশ সদস্য মারাত্মক আহত হয়। জনগণের জানমাল রক্ষায় এবং আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে। এ ঘটনায় পাঁচজন প্রাণ হারায়।

কুমিল্লার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় গত ১৪ অক্টোবর বেলা ১১টা ২০ মিনিটে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের সর্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গা পূজা মন্দিরের কাছে ৮০০ থেকে এক হাজার উচ্ছৃঙ্খল লোক জড়ো হয়ে উসকানিমূলক স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে তারা অসংখ্য ইট, লাঠিসোঁটা নিয়ে মন্দিরের সামনে দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও বিজিবির টহল দলের ওপর হামলা চালায়, মন্দিরের মূর্তি ভাঙচুর করে এবং মন্দিরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ঘটনায় একজন প্রাণ হারায় এবং পরবর্তীতে পুকুর থেকে আরেকজনের লাশ উদ্ধার করা হয় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৭ অক্টোবর রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড় করিমপুর মাঝিপাড়া গ্রামের পরিতোষ (১৯) তার ফেসবুক আইডিতে পবিত্র কাবা শরিফের অবমাননাকর ছবি আপলোড করে। পরবর্তীতে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এরপর রাত প্রায় ৮টার সময় এলাকার কতিপয় দুষ্কৃতকারী ওই গ্রামের একটি মন্দিরসহ ১৮টি পরিবারের ঘরবাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়।

এ ছাড়া, কক্সবাজারের পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলা, সিলেটের জকিগঞ্জ, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া ও কমলগঞ্জ, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ এবং গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুরসহ দেশের আরও কয়েকটি স্থানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সব ঘটনায় সারাদেশে সাতজন প্রাণ হারায়। তার মধ্যে দুজন হিন্দু সম্প্রদায়ের এবং পাঁচজন মুসলিম সম্প্রদায়ের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দায়িত্ব পালনকালে ৫০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংঘটিত এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সারাদেশে মঙ্গলবার পর্যন্ত ৭২টি মামলা করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৪৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া, আরও মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। ঘটনা/অপরাধের রহস্য উদঘাটনের জন্য থানা পুলিশের পাশাপাশি পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। দ্রুততার সঙ্গে ঘটনা/অপরাধের রহস্য উদঘাটনে প্রযুক্তি নির্ভর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও উসকানি রোধকল্পে সাইবার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি রোধকল্পে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং সরকারের সব গোয়েন্দা সংস্থা সার্বক্ষণিকভাবে কড়া নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেকোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য অথবা গুজব কিংবা উসকানিতে বিভ্রান্ত বা উত্তেজিত না হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা এবং পরিস্থিতির উন্নয়নে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য দেশের সব সম্মানিত নাগরিকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আছিয়া বেগম স্মৃতি পাঠাগারের কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : আছিয়া বেগম স্মৃতি পাঠাগার আলিপুর সাতক্ষীরার কার্যনিবাহী পরিষদ গঠন করা হয়েছে। নতুন কার্যনিবাহী পরিষদে মনোনয়ন প্রাপ্তরা হলেন,সভাপতি – মোঃ শাহজাহান আলী সহ-সভাপতি-মোস্তাফিজুর রহমান চান্দু, সাধারণ সম্পাদক -মোঃ আলমগীর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক -মোঃ মোসলেম উদ্দিন,   অর্থ সম্পাদক -মোছাঃ বিউটি আক্তার ,

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক -মোঃ অহিদুল ইসলাম , সমাজ কল্যাণ সম্পাদক -মোঃ বেলাল হোসেন, ক্রীয়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক -মোঃ নাজমুল হোসেন লাবলু , আইন ও পরামর্শ সম্পাদক – মোঃ জিয়াউর রহমান ,

তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি সম্পাদক – মোঃ শামিম হোসেন, এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্যগণ হলেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ কবির হোসেন স্বপন, মোঃ অলিউল্লাহ বাহার, মোঃ আব্দুর রহমান ও ডাঃ গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস ।

উক্ত কমিটি অক্টোবর ২০২১ হতে সেপ্টেম্বর ২০২৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ্য ২o অক্টোবর ২০২১ বিকাল ৫ টায় আছিয়া বেগম স্মৃতি পাঠাগার আলিপুর সাতক্ষীরার সাধারন পরিষদের সভা সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান চান্দুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে কার্যনিবাহী পরিষদ মনোনয়ন দেয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক শামীম পারভেজ এর সুস্থ্যতা কামনায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের বিবৃতি

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য ও বৈশাখী টেলিভিশনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি শামীম পারভেজ হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে সাতক্ষীরা শহরের সিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

তার আশু সুস্থ্যতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, অর্থসম্পাদক শেখ মাসুদ হোসেন,

দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, নির্বাহী সদস্য মকসুমুল হাকিম,

সেলিম রেজা মুকুল, আব্দুল গফুর সরদার, মাছুদুর জামান সুমন, এম শাহীন গোলদারসহ প্রেসক্লাবের সকল
সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছেলের হাতে মার খেয়ে আবারো হাসপাতালে সাতক্ষীরার মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক বজলুর

আসাদুজ্জামান : আবারও ছেলের হাতে মার খেয়ে নিজ বাড়ি থেকে বিতাড়িত হলেন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাবেক শ্রমিকনেতা সাতক্ষীরার বৃদ্ধ বজলুর রহমান (৭২)। আহত অবস্থায় তিনি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গত মঙ্গলবার সকালে বজলুর রহমানকে তার ছোট ছেলে আব্দুস সালাম বাবু সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামে মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলস্ এর সাবেক এই শ্রমিকনেতা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক লাবসা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। চাকুরি শেষে তিনি মাগুরা দোতলা মসজিদের পাশে ৬ কাঠা জমি কিনে একটি দোতলা বাড়ি তৈরী করেন। সেখানে তিনি বসবাস করছিলেন। তার দুই ছেলের মধ্যে আবুল কালাম সাবেক সেনাসদস্য। তিনি থাকেন ভিন্ন বাড়িতে। ছোট ছেলে আব্দুস সালাম বাবুকে নিয়ে বজলুর রহমান থাকতেন নিজের বাড়িতে।

জানা গেছে, ছোট ছেলের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি তার নামে জমি ও বাড়ি লিখে দেন। এসময় কথা ছিল বজলুর রহমান ও তার স্ত্রী সুফিয়া খাতুনের আজীবন ভরনপোষন দেবেন আব্দুস সালাম। অভিযোগে প্রকাশ, কয়েকমাস আগে আব্দুস সালাম তাকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে নামিয়ে দেন। অসহায় অবস্থায় তিনি একটি বাড়িতে ভাড়া থেকে ভিক্ষা করছিলেন।

এ ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ায় সমাজকল্যান প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক বজলুর রহমানকে তার বাড়িতে তুলে দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন।

জেলা প্রশাসক মোঃ হুমায়ুন কবির গত ৫ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা এবং সদর থানার ওসি দেলোয়ার হুসেনের মাধ্যমে বৃদ্ধ বজলুর রহমানকে তার বাড়িতে তুলে দিয়ে আসেন। এসময় অভিযুক্ত ছোট ছেলে আব্দুস সালাম তার কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়ে বাবাকে নিজের কাছে আজীবন রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

এদিকে, বৃদ্ধ বজলুর রহমান ছোট ছেলের নামে দেওয়া তার জমি ও বাড়ি ফিরে পাওয়ার জন্য আদালতে একটি মামলা করেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নিজ বাড়িতে তিনি একটি নোটিশ ঝুলিয়ে দেন।

এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন ছোট ছেলে আব্দুস সালাম বাবু। তিনি নোটিশটি ছিড়ে ফেলে দেন এবং তাকে মারধর করে আহত করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এসময় তার মোবাইল ফোন, ওষুধপত্র এবং ব্যবহার্য্য সবকিছুই বাড়িতে আটকে রাখেন। এর পরেই বজলুর রহমান স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নানের সহায়তায় হাসপাতালে ভর্তি হন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুস সালাম বাবু সাংবাদিকদের বলেন,

একই বাড়িতে বাদী ও বিবাদী থাকা সম্ভব নয়। কারো কোন অঘটন ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে এই প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, এ কারনেই আমি তাকে বলেছি আপনি বাড়ি থেকে চলে যান। তবে মারধর করিনি। তার মোবাইল ও ওষুধপত্র আমার ঘরেই আছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest