সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির ৩২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনজলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল পুনরুদ্ধারের দাবি : সাতক্ষীরায় নাগরিক পরামর্শ সভা

সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন পদধারী নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার ভোর রাতে সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন , পুরাতন সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসা পাড়া এলাকার মহিত গাজীর ছেলে ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদ ওরফে আপন (২২), সুলতানপুর এলাকার খোকন মোল্যার ছেলে ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন আলম (২৭), এবং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো. শামিম হোসেন (২৩)।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা নিয়মিত মামলার পলাতক আসামি ছিলেন। তাদের গ্রেপ্তারের পর আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষ

জুলফিকার আলি :  সাতক্ষীরায় কলেজ শিক্ষক প্রভাষক পদ থেকে সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতিতে সাতক্ষীরা জেলায় প্রতিনিধি হিসাবে মনোনয়ন পেয়েছেন সাতক্ষীরা সদরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ খলিলুর রহমান।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপি ও নীতিমালা ২০২৫ এর ১১.৪ এবং ১১.৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বেসরকারি কলেজে কর্মরত প্রভাষক পদ থেকে সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রদানের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটিতে মহাপরিচালক মহোদয়ের সাতক্ষীরা জেলার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে গত ২৯ শে জুলাই   ৩৭.০২৪৭০০.০০০.০০১.১২.০১৬১.২৬.১৬১ নং স্মারকের প্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ খলিলুর রহমানকে এ মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা, খুলনা অঞ্চলের শিক্ষক পদোন্নতিতে সাতক্ষীরা জেলার প্রতিনিধি হিসেবে অধ্যক্ষ খলিল  এ দায়িত্ব পাওয়ায় অধ্যক্ষ মহোদয় কে অভিনন্দন জানিয়েছেন, কলেজটির শিক্ষক- শিক্ষিকা, মন্ডলী, কর্মচারী ও পরিচালনা কমিটির সহ সচেতনমহল।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় সাতক্ষীরা শহরের সঙ্গীতা মোড়ে অবস্থিত হোটেল টাইগার প্লাজার কমিউনিটি সেন্টারে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এস কে এম আবু রায়হান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জে এম দুদায়েভ মাসুদ খান অর্ঘ।

স্মরণসভায় বক্তারা জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁদের আত্মত্যাগ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। এ সময় বক্তারা গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ছাত্রসমাজের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশ, গণতন্ত্র ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসিফ মাহমুদ রিপন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন, সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মানিক, শহর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমদাদুল হক বাবু ও আব্দুল্লাহ আল আমিন, সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর হোসেন অভি, শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম আবু, সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক গেলাম মোস্তফা, বেলাল, মিল্টন, দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফিরোজ হোসেন, তালা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব এস কে ফারুক হোসেন, কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব পারভেজ ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিউল আলম মিলন, কলারোয়া পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিন্স, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মাসুদুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মোহাম্মদ শাহজুদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি রাব্বি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনারুল, সহ-সভাপতি আকবর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইভান, সাতক্ষীরা সিটি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক নাজমুল হোসেন সোহেল, সাবেক সদস্য সচিব আজমাউল হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাইমুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, তালা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রিপন ও বর্তমান সভাপতি সোহাগ, কেবিএ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রন্টি ও বর্তমান সভাপতি ইমরান, দেবহাটা কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি টিপু, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজান, মহাসিন কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ইয়াছিন আরাফাতসহ উজ্জ্বল, মাসুদ রানা, হাফিজ, মিনহাজ, মোর্তজা, তৌহিদ, জাকির, পলাশ, নাছিম, সাইদ, রিন্টু, জাহিদ, নাহিদ, জীবন এবং জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

শেষে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের দত্তবাগ এলাকায় আজিজুলের চায়ের দোকানকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবী ও সন্দেহভাজন মাদক কারবারীদের আড্ডা বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এই চা দোকানের আড্ডাকে ঘিরে এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধ উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। বিশেষ করে মাদকসেবীদের চুরিতে অতীষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, দত্তবাগ গ্রামের আজিজুলের চায়ের দোকানে প্রতিদিন বিকেল থেকে গভীর রাত, কখনো কখনো রাত ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত মাদকসেবীদের আনাগোনা থাকে। দত্তবাগ ছাড়াও আখড়াখোলা, ছাতিয়ানতলা, দেবনগর, রাজনগর, বল্লীসহ আশপাশের আরও কয়েকটি গ্রামের যুবকেরা সেখানে নিয়মিত জড়ো হয়ে মাদক সেবন ও বিক্রি করে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিকেলের পর থেকেই দোকানটিতে কয়েকজন ব্যক্তি অবস্থান নেয়। এরপর ধীরে ধীরে আরও অনেকে সেখানে এসে মাদক সেবন ও কেনাবেচায় অংশ নেয়। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম চললেও গ্রামের ভেতরে প্রশাসনের নজরদারি তুলনামূলক কম থাকায় বিষয়টি প্রকাশ্যে আসেনি।

জানা গেছে- দত্তবাগ গ্রামের চা দোকানদার আজিজুল, ইসমাইলের ছেলে সাদ্দাম, ধ্রুপোর ছেলে প্রদীপ বাইরে থেকে গাঁজা, ইয়াবা কিনে এনে ওই দোকানে গভীর রাত পর্যন্ত অবস্থান করে কারবারী চালায়।

এলাকাবাসী জানায় মাদকের অর্থ জোগাতে একশ্রেণির যুবক চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। সম্প্রতি রনির দোকান থেকে মালামাল চুরি, মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লির সাইকেল চুরি, এম এ হান্নানের এতিমখানার বাউন্ডারির ভেতর থেকে মোটর চুরি, মসজিদের ব্যাটারি চুরি, শফি মেম্বারের সাইকেল চুরি, মনো’র ভ্যান চুরি, বিধান শীলের তামার তার চুরি, আশু কালার নাতির ভ্যানের ব্যাটারি চুরি এবং সিরাজের দোকান থেকে মালামাল চুরির মতো একাধিক ঘটনার কথা উল্লেখ করছেন স্থানীয়রা।

এরই মধ্যে শনিবার (১ আগস্ট) গভীর রাতে বাস টার্মিনাল এলাকার হিরা খাতুন নামে এক নারীর গলায় থাকা সোনার চেইন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে এক মাদক কারবারীর দ্বারা। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ফিরে যান। তবে ঘটনার তদন্তে কী অগ্রগতি হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।

স্থানীয়দের বলেন, সাতক্ষীরা জেলায় মাদকবিরোধী সপ্তাহ পালন করা হলেও গ্রামের ভেতরে চিহ্নিত বলে দাবি করা মাদকের আড্ডাগুলোতে কার্যকর অভিযান দেখা যাচ্ছে না। এ কারণে মাদকবিরোধী অভিযানের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

গ্রামের একাধিক বাসিন্দা বলেন, মাদকের আড্ডা বন্ধ না হলে চুরি-ছিনতাইও বন্ধ হবে না। প্রশাসন যদি প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়, তাহলে এলাকার মানুষ স্বস্তি ফিরে পাবে।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহা. মাসুদুর রহমান বলেন, আমার টিম খুব শীঘ্রই ওখানে পৌঁছে যাবে। আশা করছি ভালো ফলাফল আসবে।

এলাকাবাসীর দাবি, দত্তবাগ ও আশপাশের এলাকায় দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান এবং সাম্প্রতিক চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক। তবেই এলাকায় স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ফিরে আসবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারা

অনলাইন ডেস্ক :  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে দেওয়া হতে পারে রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও নাছির উদ্দীন নাছির নেতৃত্বাধীন বিদ্যমান কেন্দ্রীয় কমিটি। গত বছরের মার্চে দুই বছরের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে সংগঠনের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগামী সোমবার (৩ আগস্ট) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ছাত্র সমাবেশের আয়োজন করেছে ছাত্রদল। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই কর্মসূচির পরপরই বিএনপির হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হতে পারে। বিদায়ী কর্মসূচি হিসেবেই এই ছাত্র সমাবেশকে দেখছেন বর্তমান কমিটির নেতারা। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।

বিএনপির একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আগস্টের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই ছাত্রদলের নতুন কমিটি আলো দেখতে পারে। কমিটি পুনর্গঠনের গুঞ্জন জোরদার হওয়ায় পদপ্রত্যাশী নেতাদের দৌড়ঝাঁপ ও তৎপরতা দৃশ্যমানভাবে বেড়েছে। একাধিক ছাত্রনেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, রাকিব-নাছির কমিটির বিরুদ্ধে দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়ন, নিষ্ক্রিয়তা, স্বজনপ্রীতি (‘মাই ম্যান’) এবং অছাত্র ও অন্য সংগঠনের নেতাদের পদে বসানোর মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া শীর্ষ নেতৃত্বের বড় অংশই ইতোমধ্যেই ছাত্রত্ব হারিয়েছেন। ফলে ‘জেন-জি’ বা নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে দলের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে পারছেন না তারা। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মাঠে সক্রিয় ও যোগ্য নেতাদের নতুন নেতৃত্বে আনার বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপির হাইকমান্ড।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যকার আধিপত্য বিস্তার, অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং কমিটি বাণিজ্যের অভিযোগে ক্ষুব্ধ বিএনপির নীতি নির্ধারকেরা। শীর্ষ নেতৃত্ব চূড়ান্ত করতে দলের উচ্চপর্যায়ে নিবিড় আলোচনা চলছে। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়, ত্যাগী, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ এবং বিতর্কমুক্ত নিয়মিত শিক্ষার্থীদের প্রাধান্য দেওয়া হতে পারে। তবে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে অভিজ্ঞতার ঘাটতি থাকলে ব্যতিক্রম হিসেবে অপেক্ষাকৃত জ্যেষ্ঠদেরও বিবেচনায় রাখা হতে পারে।

জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকার গঠন করলেও গত ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত থাকা অনেক ত্যাগী নেতা ছাত্রদলের কমিটিতে ঠাঁই পাননি। এতে সংগঠনটিতে হতাশা ও স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ফলে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যেই পরিবর্তনের তাগিদ তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে পদপ্রত্যাশী নেতারা শীর্ষ নেতাদের দ্বারে দ্বারে ধর্না দিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিগত সরকারের আমলে নিজেদের ত্যাগ, কারাবরণ, নির্যাতন ও অতীতের সাংগঠনিক ভূমিকার কথা তুলে ধরছেন তারা। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারের ঘোষিত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ও নিজস্ব ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে আলোচনায় থাকার চেষ্টা করছেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ধারিত হবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও নীতি নির্ধারকদের বিচারে।

নতুন কমিটিতে সভাপতি পদ ঘিরে একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে খোরশেদ আলম সোহেল, মঞ্জুরুল আলম রিয়াদ, মোস্তাফিজুর রহমান (ভিপি), এইচ এম আবু জাফর, মমিনুল ইসলাম জিসান, এজাজুল কবির রুয়েল, ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত এবং শরীফ প্রধান শুভ উল্লেখযোগ্য। এদের মধ্যে জোরালো আলোচনায় আছেন মো. আমানউল্লাহ আমান। ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের হামলায় তার ডান হাত ভেঙে যায়, যা এখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেনি। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের নয়াপল্টন সমাবেশের পর পুলিশ সদস্য হত্যা মামলায় ১৯ দিনের রিমান্ডে তার ওপর নির্যাতনের ঘটনা সেসময় দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে বেশ আলোচিত হয়েছিল।

সাধারণ সম্পাদক পদের দৌড়ে আলোচনায় রয়েছেন রাজু আহম্মেদ, মাসুম বিল্লাহ, গাজী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স,  গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক, তরিকুল ইসলাম তারিক, নাহিদুজ্জামান শিপন, নাছির উদ্দীন শাওন, মোহাম্মদ আব্দুর রহিম রনি, তারেক হাসান মামুন, জাহিদ শাকিল, মাহমুদ ইসলাম কাজল এবং দ্বীন ইসলাম খান।

পদপ্রত্যাশী নেতাদের বক্তব্য, আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিতদের মূল্যায়ন করা হলে সংগঠন আরো শক্তিশালী হবে। নেতৃত্ব নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই সবাই মেনে নেবেন।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমান বলেন, “দায়িত্ব পেলে প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করব। ক্যাম্পাসগুলোতে মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণে একটি জবাবদিহিমূলক ছাত্ররাজনীতি গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ।”

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাজু আহামেদ বলেন, “নতুন নেতৃত্ব এবং নব উদ্যামে এগিয়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ় প্রত্যয়ে সারা বাংলাদেশের ছাত্রদল অপেক্ষা করছে। আমরা আশা করছি, আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান অচিরেই আমাদের নতুন কমিটি উপহার দেবেন।”

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ বলেন, “আমাদের বিদ্যমান ছাত্রদলের কমিটি তার নির্ধারিত মেয়াদ সফলতার সাথে পূর্ণ করেছে।আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক,বিএনপি চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান উপযুক্ত সময়েই ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করবেন। ছাত্রদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা বিশ্বাস করে বিগত সময়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে পরীক্ষিত এবং সামনের সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আস্হায় নিয়ে যারা কাজ করতে পারবে আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক তাদের হাতেই ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব অর্পণ করবেন।”

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী মো: সাদ্দাম হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত ই চূড়ান্ত। লড়াই সংগ্রামে পরীক্ষিত এবং সংগঠনকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সকলকে সাথে নিয়ে চলার মতো মানসিকতা সম্পন্ন নেতৃত্ব আসবে বলে প্রত্যাশা করি।

সহ-সভাপতি এজাজুল কবির রুয়েল জানান, নতুন কমিটি ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে। বর্তমান কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর যেকোনো সময় নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা আসতে পারে। ‘সুপার টু’ কিংবা ‘সুপার ফাইভ’ যে রূপরেখাই হোক, সেটি সম্পূর্ণভাবে হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান (ভিপি) বলেন, “আমি দায়িত্ব পেলে ছাত্রদল হবে ভিন্নমাত্রার সংগঠন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় ও মেধাভিত্তিক রাজনীতির মাধ্যমে সংগঠনকে একটি আধুনিক ও গতিশীল প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর করব।”

সার্বিকভাবে ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। সূত্রমতে, দক্ষ ও তৃণমূলের গ্রহণযোগ্য নেতাদের সমন্বয়ে নতুন নেতৃত্ব গঠিত হলে সংগঠনের গতিশীলতা বাড়বে, যা আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির সাংগঠনিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে। তবে শেষ মুহূর্তের সমীকরণে সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ মার্চ মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি এবং নাছির উদ্দীন নাছিরকে সাধারণ সম্পাদক করে সাত সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে একই বছরের ১৫ জুন ২৬০ সদস্যের আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, “যেকোনো সময় ছাত্রদলের নতুন কমিটি আসতে পারে, এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। বর্তমান কমিটি ইতোমধ্যেই নির্ধারিত মেয়াদ শেষ করেছে। আমাদের দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী (ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক) দক্ষতা, ত্যাগ ও আনুগত্য রয়েছে এমন গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বকে দায়িত্ব দেবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩

অনলাইন ডেস্ক : পেরুর বিখ্যাত ‘নাজকা লাইন’ দেখার সময় একটি ছোট পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে বিমানে থাকা ১১ জন যাত্রী ও ২ জন পাইলটসহ মোট ১৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

রোববার দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানায়, নিহত বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে সাতজন ইতালি, দু’জন জার্মানি এবং দু’জন স্পেনের নাগরিক।

জানা গেছে, স্থানীয় সময় শনিবার ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ‘নাজকা লাইন’ দেখতে আকাশপথে রওনা হন ওই বিদেশি পর্যটকেরা। কিন্তু ‘সেসনা ক্যারাভান সি-২০৮’ মডেলের বিমানটি পিসকো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুয়েবলো ভিয়েহো এলাকায় আছড়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে সেটিতে আগুন ধরে যায়। তবে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত ভয়াবহ ছিল। ঘটনাস্থল থেকে কাউকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এখন পর্যন্ত চারজনের লাশ উদ্ধার করা গেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপ থেকে কালো ধোঁয়া উঠছে এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভাতে পানি ছিটাচ্ছেন।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে নাসকা প্রাদেশিক পৌর কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে তারা নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে।

উলেখ্য, দক্ষিণ পেরুর মরুভূমিতে অবস্থিত ‘নাজকা লাইন’ বিশ্বজুড়ে একটি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। মরুভূমির বিশাল ক্যানভাসে আঁকা রহস্যময় প্রাণীর নকশাগুলো মাটি থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় না। তাই এই দৃশ্য দেখার জন্য পর্যটকেরা সাধারণত ছোট বিমানে চড়ে আকাশপথে ঘুরতে পছন্দ করেন।

তবে এই এলাকায় বিমান দুর্ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০২২ সালে একই এলাকায় একটি পর্যটকবাহী ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছিল। এ ছাড়া ২০১০ সালেও অনুরূপ এক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ছয়জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, নির্বাহী সদস্য কাজী জামাল উদ্দিন মামুন, সরদার আসাদুজ্জামানসহ অন্যারা।
সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সম্প্রতি এনডিসির কাছে ভ্রাম্যমান আদালতে অভিযানের তথ্য চাইনে গিয়ে অসাদাচরনের শিকার হন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), বাংলাভিশন ও টাইম অব বাংলাদেশের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান। সভায় উপস্থিত সকলেই এঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে অবাধ তথ্য প্রবাহের যুগে জেলা প্রশাসনের একজন কর্মকর্তার কাছে এধরনের আচরণ প্রত্যাশিত নয়। শুধু তাই নয় তার অফিসে আসাদুজ্জামান কে স্বশীরে হাজির হয়ে তার সাথে দেখা করার মত উদ্ধত আচরণ ও করেন এনডিসি তাজুল ইসলাম । একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরনের তীব্র নিন্দা জানান বক্তারা।
উল্লেখ্য: গত ২৯ জুলাই শহরের ক্লিনিকে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে এনডিসি উপস্থিত থাকায় তার কাছে তথ্যের জন্য যোগাযোগ করেন সাংবাদিক আসাদুজ্জামান। সে সময় এনডিসি তথ্য না দিয়ে উদ্ধতপূর্ণ আচরণ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় কেক কাটা, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল ৩টায় সাতক্ষীরা শহরের মা-ওয়া চাইনিজ রেস্টুরেন্টের মিলনায়তনে জেলা সাইবার দলের সভাপতি আবু রায়হান রিপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সহ-সভাপতি এস. আই. আশার সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু জাহিদ ডাবলু বলেন “বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর যুগে সামাজিক ও গণতান্ত্রিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সাইবার কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রচারের মাধ্যমে অপপ্রচার ও গুজবের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

বক্তারা প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।আলোচনা সভা শেষে সংগঠনের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অতিথিদের নিয়ে কেক কাটা হয়। পরবর্তীতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে গাছের চারা রোপণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের জেলা ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest