সর্বশেষ সংবাদ-
নেপালে পাহাড়ি ঢলে বিপর্যয়, নিহত বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ ৪০০সাংবাদিক মারুফকে প্রাণনাশের হুমকি : থানায় অভিযোগসাতক্ষীরার শিকারি ব্র্যান্ড বিডির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনদেবহাটা সরকারি বি বি এম পি ইনস্টিটিউশনে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালিতসাতক্ষীরায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা রাজ্যেশ্বর দাশ গ্রেপ্তারভিডিএফের সাতক্ষীরা জেলা কমিটি নির্বাচন: সভাপতি হোসেন-সম্পাদক ইব্রাহিমকারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের নিয়োগ ও এমপিও নিয়ে অভিযোগ : তদন্তে শিক্ষা কর্মকর্তাবুশরা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি ঠেকাতে ডিসির কাছে আমানতকারীদের আবেদনমির্জা ফখরুল ও রিজভীকে অভিনন্দন জানিয়ে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিলদেবহাটায় স্থানীয় পর্যায়ে যুব ও শিশু ফোরামের বার্ষিক সমাবেশ  

নেপালে পাহাড়ি ঢলে বিপর্যয়, নিহত বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ ৪০০

অনলাইন ডেস্ক :  নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল থেকে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ১৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। নিরাপত্তাকর্মী, বিদেশি পর্যটকসহ নিখোঁজ রয়েছে প্রায় ৪০০ মানুষ। ভেসে গেছে ঘরবাড়ি, যানবাহন, সড়ক, সেতু ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চীন সীমান্তসংলগ্ন তিব্বত এলাকায় তুষারধসের কারণে লহেন্দে নদীর প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়ে একটি হ্রদের মতো জলাধার তৈরি হয়। পরে সেই বাধা ভেঙে বিপুল পরিমাণ পানি ও ধ্বংসাবশেষ আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে। বন্যার আগে এলাকায় কোনো বৃষ্টিপাত না থাকায় স্থানীয়রা কোনো সতর্কবার্তাও পায়নি।

প্রথমে রাসুয়ার তিমুরে আঘাত হানা বন্যায় কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই বাজার এলাকা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। কাস্টমস চেকপোস্টে অপেক্ষমাণ তিন শতাধিক ট্রাক ও যানবাহনও ভেসে যায়। এরপর বন্যার পানি ভাটির বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে ৩৯১ জন বিদেশি নাগরিক এবং ৪৪ জন নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন। ৯টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ও ৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া ১৯টি মোটরযান চলাচলযোগ্য সেতু এবং প্রায় ৪০ কিলোমিটার মহাসড়ক বন্যায় ভেসে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিখোঁজের সংখ্যা বিবেচনায় এ বন্যা নেপালের আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ দুর্যোগে পরিণত হতে পারে। ১৯৯৩ সালে সর্লাহি, রাউতাহাট ও মাকওয়ানপুরে বন্যায় প্রায় ১ হজার ৪০০ মানুষের মৃত্যুর পর এটিই দেশটির সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্যোগ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানান, বন্যার খবর স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৫৬ মিনিটে পাওয়া যায় এবং চার মিনিটের মধ্যে ভাটির এলাকাগুলোতে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। তবে ততক্ষণে রাসুয়ার বড় অংশ প্লাবিত হয়ে গেছে। উজানে স্থাপিত স্বয়ংক্রিয় পানি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলোও প্রবল স্রোতে ভেসে যাওয়ায় আগাম সতর্কতা দিতে পারেনি।

কর্মকর্তারা বলছেন, সীমান্তের ওপারে দুর্যোগের উৎপত্তি হওয়ায় নেপালের নিজস্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। এ জন্য চীন-নেপাল সীমান্তে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান, উন্নত সেন্সর ও ক্যামেরাভিত্তিক নজরদারিব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।

বন্যার পর নেপাল ও চীনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বৈঠকে চীন সম্মত হয়েছে—তার ভূখণ্ডে নদীর পানি বাড়তে শুরু করলে দ্রুত নেপালকে জানানো হবে। তবে বুধবারের বিপর্যয় দুই দেশের মধ্যে ২০১৯ সালে স্বাক্ষরিত দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জরুরি সহযোগিতা চুক্তির বাস্তব প্রয়োগে বড় ধরনের ঘাটতি প্রকাশ করেছে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক মারুফকে প্রাণনাশের হুমকি : থানায় অভিযোগ

শ্যামনগর প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাংবাদিক মেহেদী হাসান মারুফকে হত্যার চেষ্টা, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি এবং তার ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির আশঙ্কার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে শ্যামনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।

সাংবাদিক মেহেদী হাসান মারুফ ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সকালবেলা ও সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দক্ষিণের মশাল পত্রিকায় প্রতিনিধি এবং শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক।
গত ২৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান মারুফ। আবেদনে নকিপুর এলাকার মোছা. শরিফা খাতুন, ভূমিহীন নেতা জবরদখল কারী মো. মোকছেদ আলী, পিতা: সকিমুদ্দী মোছা. আসমা খাতুন স্বামী: আতাউর রহমান ও মোছা. আকলিমা খাতুনসহ কয়েকজনকে বিবাদী করা হয়েছে।
জিডির আবেদনে মেহেদী হাসান মারুফ উল্লেখ করেন, বিবাদীদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জেরে বিবাদীরা তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি, হুমকি ও হয়রানি করে আসছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। জমি দখলের প্রতিবাদ করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন সময় মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত ২৫ আগস্ট সকালে তিনি তার ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে নিজ কর্মস্থলে চলে যান। পরে স্কুলে অবস্থানরত অবস্থায় বিবাদীপক্ষের লোকজন তাকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন ধরনের গালিগালাজ ও হুমকি দেয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মেহেদী হাসান মারুফের দাবি, বিবাদীরা তার জমি জোরপূর্বক দখলের পাশাপাশি তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করার সুযোগ খুঁজছেন। এছাড়া ভবিষ্যতে তার ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, বাড়িঘর ভাঙচুর এবং এলাকা থেকে বিতাড়িত করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এ অবস্থায় নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত সাংবাদিক মেহেদী হাসান মারুফ। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের কাছে আবেদন করেছেন তিনি।
আবেদনে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষী হিসেবে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার শিকারি ব্র্যান্ড বিডির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
মফস্বল শহর থেকে যাত্রা শুরু করে আধুনিক ফটোগ্রাফি, সিনেমাটোগ্রাফি ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টে নিজেদের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছে ‘শিকারি ব্র্যান্ড বিডি’। দীর্ঘ ১১ বছরের সফল পথচলা শেষে প্রতিষ্ঠানটি ১২ বছরে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ির পাশে অবস্থিত শিকারি ব্র্যান্ড বিডির প্রধান কার্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশ ও মিলনমেলার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন করা হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের টিম সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন। কেক কাটা, ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়, ফটোসেশন এবং স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।

২০১৫ সালের ২৮ মার্চ সাতক্ষীরা শহর থেকে ছোট পরিসরে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু করেন প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মাহফুজ আহমেদ এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইমরুল কায়েস পিয়াস। মফস্বল শহরের গণ্ডি পেরিয়ে আধুনিক ওয়েডিং ফটোগ্রাফি ও সিনেমাটোগ্রাফিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই ১৫-২০ জন তরুণকে নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল শিকারি ব্র্যান্ডের।

দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময়ের পথচলায় সেই ছোট পরিসরের উদ্যোগ এখন পরিণত হয়েছে একটি বড় প্রতিষ্ঠানে। বর্তমানে দেশের ৩০টিরও বেশি জেলায় প্রায় ৩ হাজার ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন করেছে শিকারি ব্র্যান্ড বিডি। ঢাকায় শাখা কার্যালয়সহ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যুক্ত রয়েছেন বহু তরুণ।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজের সুনাম অর্জনের পাশাপাশি শিকারি ব্র্যান্ডের কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও। প্রতিষ্ঠানটির আলোকচিত্রীদের তোলা ছবি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে এবং পুরস্কৃতও হয়েছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শিকারি ব্র্যান্ড বিডির সিইও মাহফুজ আহমেদ বলেন, ‘আমার কাছে শিকারি ব্র্যান্ড বিডি শুধু কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি ভালোবাসার পরিবার। ২০১৫ সালে যাত্রা শুরুর সময় ভাবিনি প্রতিষ্ঠানটি একদিন আন্তর্জাতিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাবে। ১১ বছরের এই পথচলায় যারা পাশে ছিলেন, তাদের সবার প্রতি আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আগামীতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম আরও উজ্জ্বল করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা সরকারি বি বি এম পি ইনস্টিটিউশনে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালিত
দেবহাটা প্রতিনিধি : যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদার মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরার দেবহাটা সরকারি বি বি এম পি ইনস্টিটিউশনে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মদনমোহন পাল সভাপতিত্ব করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সাবেক মৌলভী শিক্ষক মোঃ সিরাজ উদ্দিন। তিনি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ, শান্তি, সম্প্রীতি ও ন্যায়-ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অসামান্য অবদান নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক গুণাবলি অর্জনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক ছিদ্দিক আহম্মেদ, মোঃ আব্দুল্লাহ, আশরাফুজ্জামান, তাছলিমা পারভীন, রোজী সুলতানা, ফজলুল হক, বৈদ্যনাথ মন্ডল, চিরঞ্জিব ঘোষ, আলমগীর রহমান, জাকির হোসেনসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।
আলোচনা শেষে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা রাজ্যেশ্বর দাশ গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি : কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাতক্ষীরা জেলা কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রাজ্যেশ্বর দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে আশাশুনি উপজেলার সরাফপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আওয়ামী লীগ নেতা রাজ্যেশ্বর দাশ (৬৫) আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের সরাফপুর গ্রামের মৃত কাত্তিক চন্দ্র দাসের ছেলে।

আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জাহাঙ্গীর আরিফ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রাজ্যেশ্বর দাশকে আশাশুনি থানায় দায়ের করা একটি নিয়মিত মামলার পলাতক আসামি ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ মঙ্গলবার রাতে সরাফপুর গ্রামের নিজের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

আজ বুধবার গ্রেপ্তারকৃত রাজ্যেশ্বর দাশকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে বলে আরো জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিডিএফের সাতক্ষীরা জেলা কমিটি নির্বাচন: সভাপতি হোসেন-সম্পাদক ইব্রাহিম

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ভলান্টিয়ার্স স্পার্ক আদারস (ভিএসও) বাংলাদেশের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ভলান্টিয়ার ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (ভিডিএফ) সাতক্ষীরা জেলা নির্বাহী কমিটি নির্বাচন-২০২৬-এর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। নির্বাচনে জেলা নির্বাহী কমিটির সভাপতি পদে মো. হোসেন আলী এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. ইব্রাহিম খলিল নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে জেলা নির্বাহী কমিটি নির্বাচন-২০২৬-এর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ড. আবুল হোসেনের আদেশক্রমে নির্বাচন কমিশনার নাজিয়া তারান্নুম স্বাক্ষরিত পত্রে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) সারাদেশে একযোগে ভিডিএফের জেলা নির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোট দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে ভোট গ্রহণ করা হয়। এতে ভিডিএফ সাতক্ষীরা জেলা কমিটির ৫৭ জন সদস্য ভোট প্রদান করেন। ভোটগ্রহণ শেষে পরদিন মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঘোষিত ফলাফলে জেলা নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি-১ (কৌশল ও পরিকল্পনা) পদে মিলন কুমার বিশ্বাস, সহসভাপতি-২ (কার্যক্রম ও পরিচালনা) পদে মো. ইলিয়াস হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে উম্মে ফুয়ারা, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অর্পণ বসু এবং কোষাধ্যক্ষ পদে এস এম সাজেদুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।

ফলাফল প্রকাশের পর এক প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত সভাপতি মো. হোসেন আলী ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খলিল বলেন, সাতক্ষীরার যেকোনো স্থানীয় সংকট ও সমস্যা সমাধানে এই কমিটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। একই সাথে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন এবং তরুণ ভলান্টিয়ারদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। যেকোনো মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সফলতা অর্জন করতে তারা স্থানীয় প্রশাসন, সুশীল সমাজ এবং সকল ভলান্টিয়ারের সক্রিয় সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন তারা।

উল্লেখ্য, ভলান্টিয়ার ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (ভিডিএফ) ভিএসও বাংলাদেশের সরাসরি সহযোগিতায় পরিচালিত বাংলাদেশব্যাপী তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের একটি জাতীয় নেটওয়ার্ক। দেশের ৬৪টি জেলায় কার্যক্রম পরিচালনা করা এ সংগঠনটি যুব নেতৃত্বের বিকাশ, জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তৃণমূল পর্যায়ে টেকসই সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের নিয়োগ ও এমপিও নিয়ে অভিযোগ : তদন্তে শিক্ষা কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (সমাজবিজ্ঞান) মো. আব্দুল মালেকের নিয়োগ ও এমপিওভুক্তি নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করেছেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেন।

এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের পক্ষ থেকে গত ১৮ আগস্ট সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসার, সদর উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা
কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ওই শিক্ষকের নিয়োগকালীন শিক্ষাগত যোগ্যতা, এক বিষয়ে নিয়োগ পাওয়ার পর অন্য বিষয়ে এমপিওভুক্তি, প্রথম টাইম স্কেল পাওয়ার ১৯ বছর পর বিএড স্কেল গ্রহণ এবং এমপিও সিটে অন্য বিষয়ে অন্তর্ভুক্ত হয়ে সরকারি অর্থ উত্তোলনসহ বিভিন্ন বিষয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

লিখিত অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠার সময় মো. আব্দুল মালেককে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, নিয়োগের সময় তাঁর প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা (বিএ পাস) ছিল না। পরবর্তী সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন তদন্ত এবং গৃহীত অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে চিঠি দেওয়া হলেও বিষয়টির সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানটির প্যাটার্নের বাইরে নিয়োগ পাওয়ার পর ওই শিক্ষককে ইসলাম ধর্ম বিষয়ে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত দেখানো হয়। তবে এ বিষয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ডের কোনো অনুমোদন পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, এমপিও কপিতে তাঁকে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা নিয়মবহির্ভূত।

এ ছাড়া বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রথম টাইম স্কেল পাওয়ার পর পরবর্তীতে বিএড স্কেল গ্রহণের সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন, বিভিন্ন দপ্তরে তদবির ও জালিয়াতির মাধ্যমে ওই শিক্ষক বিএড স্কেল গ্রহণ করে সরকারি অর্থ উত্তোলন করেছেন।

লিখিত অভিযোগে মো. আব্দুল মালেকের শিক্ষা জীবনে একাধিক তৃতীয় বিভাগ থাকা এবং সার্টিফিকেট জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনৈতিক সুবিধা ভোগের অভিযোগ তুলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অবৈধভাবে উত্তোলন করা সরকারি অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানানো হয়।

অভিযোগের বিষয়ে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তদন্ত করেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেন। এ সময় সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া হয় এবং অভিযোগের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হয়। তদন্তের সময় অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে অভিযোগসংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হলেও তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে জানা গেছে।

তদন্ত কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেন বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তদন্ত করে যা পাওয়া যাবে, তার ভিত্তিতেই প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আব্দুল মালেক বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। তদন্ত হোক, পরে বোঝা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুশরা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি ঠেকাতে ডিসির কাছে আমানতকারীদের আবেদন

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বুশরা গ্রুপের প্রায় ১০ হাজার আমানতকারীদের পাওনা অর্থ ফেরত দিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রতিষ্ঠানটির কালিগঞ্জ শাখা অফিস সিলগালা করে সম্পত্তি বিক্রি বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী আমানতকারীরা।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা মাধ্যমে এ আবেদন করা হয়। আবেদনে বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলাম এবং নির্বাহী পরিচালক ইকবাল কবির পলাশকে বিবাদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, বুশরা গ্রুপের বুশরা কেন্দ্রীয় সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড এবং বুশরা ইসলামী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের অধীনে আমানতকারীরা দীর্ঘদিন ধরে অর্থ জমা রেখে আসছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রচলিত নিয়ম ও শর্তের প্রতি আস্থা রেখে তারা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ আমানত হিসেবে রাখেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রয়োজনের সময় আমানত উত্তোলনের প্রতিশ্রুতি থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে অনেক আমানতকারী তাদের জমাকৃত অর্থ ফেরত পাচ্ছেন না। কেউ এক বছর, কেউ দুই বছর কিংবা তারও বেশি সময় আগে মূল আমানতের টাকা উত্তোলনের জন্য আবেদন করলেও টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আমানতকারীদের মধ্যে মোঃ হাসানুজ্জামান, মোঃ আব্দুল মান্নান, এস এম রেদওয়ানুল ফেরদাউস রনি, মমতাজ বেগম সহ কয়েক শত গ্রাহকের অভিযোগ, টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করতে গেলে তাদের বিভিন্ন ধরনের হয়রানি ও দীর্ঘসূত্রতার শিকার হতে হচ্ছে। এতে অনেক আমানতকারী ও তাদের পরিবার চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়েছেন বলে আবেদনে দাবি করা হয়।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বুশরা গ্রুপের কালিগঞ্জ শাখা অফিসের সম্পত্তি বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। আমানতকারীদের আশঙ্কা, সম্পত্তি বিক্রি হয়ে গেলে ভবিষ্যতে তাদের পাওনা অর্থ আদায় আরও জটিল ও অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।

এ কারণে আমানতকারীরা জেলা প্রশাসকের কাছে বিষয়টি দ্রুত প্রশাসনিক নজরদারির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বুশরা গ্রুপের আমানতকারীদের পাওনা অর্থ ফেরত প্রদানের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিষয়টির তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কালিগঞ্জ শাখা অফিসের সম্পত্তি বিক্রি, হস্তান্তর বা অন্য কোনোভাবে যাতে সম্পত্তি নিয়ে লেনদেন করা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

আবেদনের সঙ্গে কালিগঞ্জ শাখা অফিসের সম্পত্তির বিবরণও সংযুক্ত করা হয়েছে। সেখানে দলিল নম্বর ১৯৯৬/২০২০, মৌজা বাজারগ্রাম, সি.এস খতিয়ান ০৫, এস.এ খতিয়ান ১১ এবং দাগ নম্বর ৩৪০/৩৪২ উল্লেখ করা হয়েছে। জমির পরিমাণ প্রায় ০.২৯৭২ একর বলে আবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

আবেদনের অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কালিগঞ্জ; সহকারী কমিশনার (ভূমি), কালিগঞ্জ; সাব-রেজিস্ট্রার, রেজিস্ট্রি অফিস, কালিগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের কাছেও দেওয়া হয়েছে।
ডিসি সাতক্ষীরাকে স্বারক লিপি দেওয়ার সময় ৩ আসনের এম পি হাফেজ মুহাম্মদ রবিউল বাশারের কাছে বুশরা গ্রুপের আমানতকারীরা অভিযোগ করেন। এসময় তিনি বলেন বিষয়টি আমি দেখবো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

আবেদনকারীদের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আমানতকারীদের স্বার্থ ও জনস্বার্থ বিবেচনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির বিক্রয় বা হস্তান্তর বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলাম ও নির্বাহী পরিচালক ইকবাল কবির পলাশ বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের বক্তব্য পরবর্তীতে পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest