সর্বশেষ সংবাদ-
বার্ষিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জরিপ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক কর্মশালাআকস্মিক পরিদর্শনে সাতক্ষীরায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী : দুই চিকিৎসকসহ বরখাস্ত তিনবুধহাটায় জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পরিষ্কার করলেন জামায়াত কর্মীরা ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মুখে হাস ‘তেলাপোকারা জিতেছে, গণতন্ত্র জিতেছে’ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতি: চুপ্পুর বিরুদ্ধে দুদককে তদন্তের নির্দেশ আদালতেরটিআরএম বিলের ক্ষতিপূরণের বকেয়া ৪৮ কোটি টাকা পরিশোধ ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে অবাঞ্চিত ঘোষনাসাতক্ষীরায় জামায়াত এমপির ভিডিও ভাইরাল:  ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ সাতক্ষীরা জেলার জলাবদ্ধতা ও পরিবেশগত সংকট নিরসনে করনীয় শীর্ষক গণতান্ত্রিক সংলাপ

বার্ষিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জরিপ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)-এর উদ্যোগে বার্ষিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জরিপ-২০২৬ উপলক্ষে সঠিক, নির্ভরযোগ্য ও হালনাগাদ তথ্য প্রদান বিষয়ক প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা এবং সার্ভে এওয়ারনেস বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে সাতক্ষীরায়। রবিবার সকালে সদর উপজেলার তালতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)-এর পরিচালক (পরিসংখ্যান) প্রফেসর মোঃ গোলাম ফিরোজ।
জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আলমগীর কবীরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কালিগঞ্জ সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আজিজুর রহমান, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মনিরুজ্জামান, তালতলা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রেজাউল করিম প্রমুখ।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সঠিক পরিকল্পনা, নীতি প্রণয়নন ও উন্নয়নের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্ভুল ও হালনাগাদ তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বার্ষিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জরিপ সফলভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক ও তথ্য সংগ্রহকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

এ সময় জরিপে তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি, অনলাইন তথ্য হালনাগাদ, তথ্যের যথার্থতা নিশ্চিতকরণ এবং সময়মতো তথ্য এন্ট্রি দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার প্রধানগণ, শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আকস্মিক পরিদর্শনে সাতক্ষীরায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী : দুই চিকিৎসকসহ বরখাস্ত তিন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ কয়েকটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শক করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রবিবার সকালে আকস্মিক তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান। এসময় ছুটি না দিয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতাল অনুপস্থিত থাকায় ডা: তন্নি নামের একজন চিকিৎসক কে এবং চুরির ঘটনায় নাইট গার্ডকে বরখাস্ত করা হয়। পরে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরির্শন করেন। সেখানে রান্না ঘর ওয়াশরুশ এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিদর্শন করেন এবং রোগীদের সাথে কথা বলেন। একমাস ছুটি ছাড়া দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকায় ডা: সোহানা সেলিম নামের এক চিকিৎসককে বরখাস্ত করা হয়। পরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এসময় সাতক্ষীরা-২ আসনের এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, ০১- আসনের এমপি ইজ্জত উল্লাহ, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কায়সার আজিজ, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা: কাজী আরিফ আহমেদ, কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা: খুদরত ই খুদা, সিভিল সার্জন ডা: আব্দুস সালাম, জেলা বিএনপির আহবায়ক রাহমাতুল্লাহ পলাশ সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবু রাইহান, সাধারণ সম্পাদক মির্জা অর্ঘ্য সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমান বাংলাদেশে রোগীর তুলনায় চিকিৎসক কম। গত ১৭ বছরে স্বৈরশাসন চিকিৎসক নিয়োগ দেয়নি। কোন দিকে খেয়াল করেনি। যে কারনে সমস্যা হয়েছে। সাতক্ষীরার চিকিৎসা নিয়ে মোটামুটি ভালো হলেও মেডিকেল কলেজের একজন চিকিৎসক এবং তালার একজন চিকিৎসক ও নাইট গার্ডকে বরখাস্ত করা হয়েছে। চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ৫০ শয্যা হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করতে যাচ্ছি।। প্রতিটি জেলা হাসপাতাল এবং মেডিকেল হাসপাতালে ৫০টি করে ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১০১ শয্যা ফিজিও থেরাপি, মডার্ণ প্যাথলিজ করা হচ্ছে প্রতিটি উপজেলায় এগুলোতে পরবর্তীতে ওই গুলোতেও ১০ শয্যা হাসপাতালে ডায়ালাইসিস দেবো। ইউনিয়ন হেলথ কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন ফ্যামিলি প্লানিং সেন্টার পিপি করবো। খুব তাড়াতাড়ি ই হেলথ কার্ড দেওয়া শুরু করবো। এটা প্রধানমন্ত্রী দেখছেন। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুধহাটায় জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পরিষ্কার করলেন জামায়াত কর্মীরা 
আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে খাল পরিষ্কার কার্যক্রমে স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নিয়েছেন বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী এড. শহীদুল ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামী বুধহাটা শাখার সদস্যরা। শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর ৬ টা হতে দুপুর ১২.৫০ টা পর্যন্ত বুধহাটা পশ্চিমপাড়া ও হাবাসপুর এলাকা থেকে শুরু করে বুধহাটা পূর্বপাড়ার স্লুইস গেট পর্যন্ত পরিস্কার করা হয়।
উপজেলার বুধহাটা বাজারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বেতনা নদী সংযুক্ত খালের দীর্ঘদিনের জমে থাকা বর্জ্য ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণের উদ্যোগ নেন বুধহাটা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী এড. শহিদুল ইসলাম। সরেজমিনে দেখা যায়, এড. শহিদুল ইসলাম নিজে শ্রমিক ও স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে খালের ময়লা- আবর্জনা অপসারণে অংশ নেন। দীর্ঘদিন ধরে বাজারের বিভিন্ন বর্জ্য ও আবর্জনা ফেলার কারণে খালটি প্রায় ভরাট হয়ে পড়েছিল। এতে পানি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে বুধহাটা, কুল্যা, হাবাসপুর, কুলতিয়া, চাঁদপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে থাকে। ফলে বর্ষা মৌসুমে ঘরবাড়ি, উঠান ও সড়কে পানি জমে জনজীবন চরম দুর্ভোগে বিপর্যস্থ হয়ে পড়ে। অনেক সময় মানুষের বসতঘরেও পানি ঢুকে পড়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে থাকে। স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এড. শহিদুল ইসলাম নিজস্ব অর্থায়নে খাল পরিষ্কারের উদ্যোগ নেন। এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে চলমান এ কার্যক্রমে ইতোমধ্যে খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এসময় কচুরিপানা, ঘাস ও লতাপাতায় ভরা খাল পরিষ্কার করে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়। বুধহাটা অনতাকুড় বিলের পানি ও হাবাসপুর বিলের পানি নিস্কাশনে দক্ষিণ বিল, কামারকুড় বিলের পানি (আংশিক) ও কুল্যার মোড়ের পাশের বিলের পানি নিস্কাশনে স্লুইস গেট ও খাল নিজস্ব অর্থায়নে পরিষ্কার করেন সাতক্ষীরা জজকোর্টের এপিপি ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী এড শহিদুল ইসলাম। এ সময় ওয়ার্ড জামাতের সভাপতি আবুল কালাম, যুব বিভাগের সেক্রেটারি আজাহারুল ইসলাম, বুধহাটা ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি শওকাত, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম, মোবারক হোসেন, মাজেদ, রবিউল ইসলাম, ইউনুস, নজু, ইসলাম, মিলন, আহসান, রিজাউল ইসলাম প্রমূখ তার সাথে ছিলেন।
এড. শহিদুল ইসলাম বলেন, “জনগণের কষ্ট দেখে আমি চুপ করে থাকতে পারিনি। এই খালটি পরিষ্কার হলে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে যাবে। মানুষের স্বার্থে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ রক্ষা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে সবাইকে সচেতন হয়ে খালে বর্জ্য না ফেলার আহ্বান জানাচ্ছি।”
এ উদ্যোগকে স্থানীয় সাধারণ মানুষ স্বাগত জানিয়েছেন। অনেকেই জনস্বার্থে এ ধরনের স্বেচ্ছাশ্রম মূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মুখে হাস 
কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা প্রতিনিধি : মানবিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় শিক্ষা প্রসার এবং সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সখীপুর ইউনিয়নের চকমাহমুদালীপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় পবিত্র কুরআন শরীফ ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা-সামগ্রী বিতরণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশন।
শনিবার (২৫ জুলাই) আয়োজিত এ মানবিক কর্মসূচিতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের হাতে পবিত্র কুরআন শরীফ, খাতা, কলমসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা-উপকরণ তুলে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান সংগঠনের সদস্যরা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চকমাহমুদালীপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও সখীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মঈন উদ্দিন (ময়না)। তিনি ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ধারাবাহিক মানবিক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো একটি মহৎ উদ্যোগ। এ ধরনের কার্যক্রম সমাজে মানবিকতা, শিক্ষা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ সময় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় শিক্ষা, মানবসেবা, সামাজিক উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর পরিসরে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়। আলহাজ্ব মঈনুদ্দিন ময়না সংগঠনের এ মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও সর্বাত্মক সহযোগিতা ও পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।
ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ জানান, সমাজের অবহেলিত, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে সংগঠনটি নিয়মিতভাবে শিক্ষা সহায়তা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা, খাদ্য ও শিক্ষা-সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ আরও বিস্তৃত পরিসরে অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের সকল মানবিক উদ্যোগের সফলতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে সংগঠনের সকল নেক প্রচেষ্টা কবুল হওয়ার জন্য প্রার্থনা করা হয়।
মানবিক দায়িত্ববোধ ও সামাজিক কল্যাণে নিবেদিত ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। উপস্থিত অভিভাবক ও এলাকাবাসী এ ধরনের মহতী উদ্যোগকে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘তেলাপোকারা জিতেছে, গণতন্ত্র জিতেছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  ভারতে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ব্যবস্থায় কথিত অনিয়ম, বিশেষ করে নিট-ইউজি মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিতর্ককে কেন্দ্র করে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) নেতৃত্বে চলা ধারাবাহিক প্রতিবাদ আন্দোলনের জেরে পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান দেশটির নিজেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার পদত্যাগপত্র পাঠানোর কথা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট দেন।

তার পদত্যাগের ঘোষণা আসার পর পরই প্রথম প্রতিক্রিয়ায় ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) এক্সে লিখে, ‘‘তেলাপোকারা জিতেছে, গণতন্ত্র জিতেছে।’’

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘‘আমরা এটি করতে পেরেছি। ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন।’’

এ সময় দেশটির প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে ধন্যবাদ জানান দিপকে। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্য থেকে এই আন্দোলনের জন্ম হয়েছে।

সমর্থকদের উদ্দেশে দিপকে বলেন, “আমি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি যদি আমাদের ‘তেলাপোকা’ না বলতেন, তাহলে আমি ভারতে আসতাম না। এই আন্দোলনও শুরু হতো না।”

অভিজিৎ দীপকের মা অনিতা দীপকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি বিষয়। গত আড়াই মাস ধরে শিক্ষার্থীরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিল। অভিজিৎ এত অল্প বয়সে অনেক কিছু অর্জন করেছে। তাকে চড় মারা হয়েছে, অপমানিত করা হয়েছে। আজ অবশেষে জয় অর্জিত হয়েছে।’’

উল্লেখ্য, ভারতের আলোচিত নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দেশজুড়ে কয়েক সপ্তাহের তীব্র বিক্ষোভ ও ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

আন্দোলনকারীদের তিনটি প্রধান দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া এবং নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারগুলোকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

এদিকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘোষণা আসার পর সরাকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তৃতীয় দফা বৈঠক শেষে চলমান আন্দোলন প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

সংগঠনের মুখপাত্ররা জানান, তাদের মূল দাবি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এরই মধে পূরণ হয়েছে। এর পাশাপাশি বাকি দাবিগুলো মেনে নেওয়ার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া আশ্বাস দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তারা আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানান।

একই সঙ্গে দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ব্যঙ্গাত্মক এই রাজনৈতিক সংগঠনটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতি: চুপ্পুর বিরুদ্ধে দুদককে তদন্তের নির্দেশ আদালতের

অনলাইন ডেস্ক :  ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতিতে জড়িত ছিলেন সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স। জেএমসি বিল্ডার বিতির্কিত ব্যবসায়ী ও হাসিনা আমলের অর্থ পাচারের অলিগার্ক এস আলমের মালিকানাধীন কোম্পানি হলেও শেয়ারের অধিকারী ছিলেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।

এ বিষয়ে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাংলাদেশ ফাইন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ অনুসন্ধান ও তদন্তের নির্দেশনা দিয়েছেন। শনিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট সূত্র আমার দেশকে এ তথ্য জানিয়েছে।

জেএমসি বিল্ডার্স কোম্পানিরই অন্যতম মালিক ও প্রতিনিধি হিসেবে জালিয়াতির মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেনায় জড়িত ছিলেন তিনি। সেই শেয়ার কেনার অর্থও লুট করা হয় এস আলমের দখলকৃত ইসলামি ধারার আরেক ব্যাংক ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে। এ ভুয়া কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি হিসেবেই সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক ও পরে ভাইস চেয়ারম্যানসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময় ব্যাংকটি থেকে লুটপাট করা হয় বিপুল অর্থ। বিএফআইইউ’র তদন্তে এসব তথ্য ওঠে আসে এবং সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ কোম্পানির অন্যদেরও অভিযুক্ত করা হয়। এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পুরো বিষয়টি তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্ট দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে ইসলামী ব্যাংক শেয়ার জালিয়াতির মাধ্যমে বিতর্কিত ব্যবসায়ী চুপ্পুর বিরুদ্ধে ২০২৫ সালে করা মামলা দুদককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টিআরএম বিলের ক্ষতিপূরণের বকেয়া ৪৮ কোটি টাকা পরিশোধ ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন

তালা প্রতিনিধি:  সাতক্ষীরার তালায় পাখিমারা টিআরএম বিলের ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের ফসলের ক্ষতিপূরণের বকেয়া ৪৮ কোটি টাকা পরিশোধ এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে তালা উপজেলার পাখিমারা টিআরএম বালিয়া বটতলায় পাখিমারা টিআরএম বিল অধিবাসী ও বিল কমিটির উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বিল কমিটির সভাপতি আব্দুল আলিম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিল কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ সানা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন খেশরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এস. এম. লিয়াকত হোসেন, তালা উপজেলা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান, আছাদুর ইসলাম, আবু সাইদ লাভলু, মনোরঞ্জন দাস, ইউনুচ সরদার, রইজুল সানা, খোকন সানা, ছবেদ সরদারসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

বক্তারা বলেন, কপোতাক্ষ নদ থেকে বালিয়া বেইলি ব্রিজ পর্যন্ত পেরিফেরিয়াল বাঁধের বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় নদীর পানি অনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রবেশ করছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে বিস্তীর্ণ এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে রয়েছে। দ্রুত বাঁধ সংস্কার করা না হলে জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে এবং কৃষি উৎপাদন ও জনজীবনে মারাত্মক প্রভাব পড়বে।

তারা আরও বলেন, পাখিমারা বিলে টানা ছয় বছর টিআরএম কার্যক্রম চালু থাকলেও ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের মাত্র দুই বছরের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। বাকি চার বছরের ক্ষতিপূরণ এখনো পরিশোধ করা হয়নি। অনুমোদিত বরাদ্দ অনুযায়ী সরকারের কাছে ক্ষতিগ্রস্তদের পাওনা প্রায় ৪৮ কোটি টাকা। অবিলম্বে এ অর্থ পরিশোধের দাবি জানান তারা।

মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে বকেয়া ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধ, পেরিফেরিয়াল বাঁধের সংস্কার এবং স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

জানা গেছে, কপোতাক্ষ অববাহিকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ২০১১-১২ অর্থবছরে পাখিমারা বিলে টিআরএম কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। এ সময় পেরিফেরিয়াল বাঁধ নির্মাণ এবং সংযোগ খাল খনন করা হয়। পরে ২০১৫ সাল থেকে দুই বছরের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হলেও ২০২১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ছয় বছর ১ হাজার ৫৬২ একর জমিতে জোয়ার-ভাটা চালু ছিল। ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সরকারি প্রতিশ্রুতি থাকলেও এখন পর্যন্ত মাত্র দুই বছরের অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি চার বছরের প্রায় ৪৮ কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে অবাঞ্চিত ঘোষনা

নিজস্ব প্রতিনিধি : তরুনীসহ আটকের ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জামায়াত নেতা গাজী নজরুলের বহিস্কারসহ শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টায় শ্যামনগরের সচেতন নাগরিক সমাজের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সোলায়মান কবির, জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাড. আশেক এলাহী মুন্না, মহিলা দলের সভানেত্রী নুর জাহান পারভীন ঝর্ণা, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম, চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, যুবদলের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম দুলুসহ অন্যারা।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, বিএনপি নেতা গাজী শাহ আলম।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মুখে ইসলামের কথা বলে মানুষের ভোট নিয়ে মানুষের সেবা না করে ধর্ষনের মত ঘৃন্য কাজ করেছে গাজী নজরুল। অথচ ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষের কাছ ভোট আদায় করেছে ওই লম্পট। মানুষের সেবার পরিবর্তে ঢাকার আবাসিক হোটেলে তরনীর সাথে রঙ্গলিলা করে এমন জনপ্রতিনিধি শ্যামনগরের মানুষ দেখতে চায় না। আমরা ওই গাজী নজরুল ইসলামকে শ্যামনগর উপজেলা থেকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করলাম। সাথে সাথে জামায়াত ইসলামীর কাছে অনুরোধ এমন নেতাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে বহিস্কার করতে হবে এবং অবিলম্বে তার এমপি পদ বাতিলের জন্য স্পিকারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

এসময় গাজী নজরুলের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে, “নেতা থেকে সমর্থক সব শালা ধর্ষক” এমন শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে শ্যামনগরের রাজপথ। পরে শ্যামনগর প্রেসক্লাবের সামনে গাজী নজরুল ইসলামের কুশপত্তলিকা দাহ করেন সাধারণ মানুষ।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest