সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে ঘের লুটপাটের অভিযোগ : ১০ লাখ টাকার ক্ষতিশ্যামনগরে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ : কার্যক্রম স্থগিতের আবেদনসাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশাবাকশিস সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাচন: সভাপতি খলিলুর -সম্পাদক নূর মোহাম্মদসাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভাদেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক : দুইজনের বিরুদ্ধে মামলাসাতক্ষীরায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যুবদল নেতা সুমনের: অপসাংবাদিকতার চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডি

সাতক্ষীরায় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে ঘের লুটপাটের অভিযোগ : ১০ লাখ টাকার ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিনিধি : সরকারি নির্দেশ অমান্য করে সাতক্ষীরায় ওয়াপদার বেড়িবাঁধ কেটে পিভিসি পাইপ স্থাপন, মৎস্য ঘেরে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঘেরের আইলে থাকা বিপুল পরিমাণ ফলজ গাছও কেটে সাবাড় করে দেয় দুর্বৃত্তরা। রোববার রাতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিক বাগডাঙ্গি গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের ছেলে জয়নাল আবেদীন জানান, পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৮ বিঘা জমিতে দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি মাছ চাষ করে আসছেন। সম্প্রতি ওই ঘেরটির ওপর নজর পড়ে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুস সবুরের। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঘেরটি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন।

জয়নাল আবেদীন বলেন, “আমাদের এলাকায় কোনো জলাবদ্ধতা নেই। তা সত্ত্বেও জলাবদ্ধতার অজুহাত তুলে জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর এবং তাঁর ভাইপো রুহুল আমিন, মোস্তাফিজুর রহমান, রুহুল কুদ্দুস, আব্দুর রাজ্জাক ও আবুল হোসেনের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী রাতের আঁধারে আমার ঘেরে হামলা ও লুটপাট চালায়। শুধু তা-ই নয়, তারা ঘেরে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং আইলে থাকা আম ও পেঁপেসহ নানা প্রজাতির ফলজ গাছ কেটে তছনছ করে। এতে আমার প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমরা বাধা দিতে গেলে তারা আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।”

জানা গেছে, উক্ত স্থানে কোনো ব্যক্তি বা সাধারণ মানুষের যেন ক্ষতি না হয়, সে লক্ষ্যে কালভার্ট কিংবা পিভিসি পাইপ নির্মাণ না করার জন্য গত ৪ অক্টোবর নির্দেশ দিয়েছিলেন সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া। কিন্তু জামায়াত নেতা সবুর ও তাঁর লোকেরা সেই সরকারি নির্দেশ অমান্য করে এস্কেভেটর (ভেকু) মেশিন দিয়ে ওয়াপদার বেড়িবাঁধ কেটে অবৈধভাবে পিভিসি পাইপ বসিয়ে মাটি দিয়ে ঢেকে দেয়।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ওমর ফারুখ আবেগপ্লুত হয়ে বলেন, “রাতের আঁধারে এমন তাণ্ডব ও লুটপাট আমরা কখনো দেখিনি। আমার ভাই ঘেরের মাছগুলো রক্ষা করতে চেয়েছিল, কিন্তু সন্ত্রাসীরা সেই সুযোগ দেয়নি। এক রাতেই তাঁর সারা জীবনের সম্বল শেষ করে দেওয়া হয়েছে। আমার ভাই এখন নিঃস্ব। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আমাদের আকুল দাবি—যারা এই ন্যাক্কারজনক লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ ঘটিয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম, তবে কারা লুটপাট বা ভাঙচুর করেছে তা আমার জানা নেই। আমি সেখান থেকে চলে আসার পর পেছনে কী ঘটেছে, তা বলতে পারব না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ : কার্যক্রম স্থগিতের আবেদন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ৯৪নং দক্ষিণ শ্রীফলকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একতরফা পক্ষপাতিত্ব ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে সৃষ্টি হওয়া বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কমিটি গঠনের যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত রাখার দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন বিদ্যালয়ের ভূমিদাতার পক্ষের প্রতিনিধিরা।

গত ৪ অক্টোবর সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর দায়ের করা ওই লিখিত অভিযোগে ভূমিদাতা মৃত ইদ্রিস আলী মোল্যার পক্ষে তাঁর ছেলে মোঃ আবদুল্লাহ আল-মামুন জানান, বিদ্যালয়টির ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে অভিভাবক ও ভূমিদাতা সদস্যদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিয়াজুল হক পরিপত্রের নিয়ম উপেক্ষা করে একতরফাভাবে কমিটি গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছেন। সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হতে হলে সর্বনিম্ন ডিগ্রি (স্নাতক) পাস হওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক তার তোয়াক্কা না করে এসএসসি পাস এক ব্যক্তিকে সভাপতি করার জন্য পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া, সভাপতি পদের জন্য ৩ জন প্রার্থীর তথ্যাদি জমা দেওয়ার বিধান থাকলেও প্রধান শিক্ষক অন্য প্রার্থীদের তথ্য গোপন করে এককভাবে একজনের নাম উপজেলা নির্বাহী অফিস (ইউএনও) বরাবর প্রেরণ করেছেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।

আবেদনকারীরা জানান, এর আগে কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনা ঘটেছে এবং বর্তমানে মব সৃষ্টির মাধ্যমে এলাকায় চরম শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এবিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসে লিখিতভাবে জানানো হলেও তারা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। এমতাবস্থায়, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা অবক্ষয় এড়াতে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের ঝামেলার সুষ্ঠু নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিয়াজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এলাকায় ডিগ্রি পাশ অভিভাবক পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে ডিগ্রি পাশ ঘরে ঘরে এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান শিক্ষক বলেন, এটিও স্যার এবং টিও স্যার যেটা করবে সেটায় হবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইনামুল হক বলেন, বর্তমানে ডিগ্রি পাশ ছাড়া কোন ভাবেই ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার সুযোগ নেই। যদিও এসএসসি পাশ বা ডিগ্রি পাশের নিচে কাউকে মনোনীত করে পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে তা ফেরত আসবে। ডিগ্রি পাশ ছাড়া অনুমোদন হওয়ার সুযোগ নেই। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও এসএ টিভি এবং আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এম শাহীন গোলদারের মা নূরজাহান বেগম (৮০) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হার্ট ফাউন্ডেশনে রোববার বিকেলে ইন্তেকাল করেছেন।

মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, সাহিত্য,সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম,

দপ্তর সম্পাদক মাসুদুজ্জামান সুমন, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ, আসাদুজ্জামান সরদার। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশা

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা : ইছামতী নদী, সবুজ প্রকৃতি, কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও সীমান্তঘেঁষা অবস্থান—সব মিলিয়ে সাতক্ষীরার দেবহাটা একটি সম্ভাবনাময় জনপদ। উপজেলার কুলিয়া, পারুলিয়া, সখিপুর, নওয়াপাড়া ও দেবহাটা—এই পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের জীবন-জীবিকা যেমন কৃষি ও মৎস্যনির্ভর, তেমনি ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে অসংখ্য মানুষ।
তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ।

যোগাযোগব্যবস্থা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, মাদক, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ—এসব ক্ষেত্রে আরও কার্যকর উদ্যোগের প্রত্যাশা রয়েছে স্থানীয়দের। তাদের মতে, বিদ্যমান সম্ভাবনাকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগানো গেলে দেবহাটার অর্থনীতি ও মানুষের জীবনমান আরও উন্নত করা সম্ভব।
কুলিয়ায় কৃষি-মৎস্য ও কর্মসংস্থানে গুরুত্ব কুলিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ওমর ফারুক মুকুল বলেন, “আমাদের এলাকায় কৃষি ও মৎস্যের ওপর অনেক মানুষ নির্ভরশীল। ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো গেলে মানুষের জীবনযাত্রার আরও উন্নতি হবে।”

পারুলিয়ায় শিক্ষা, যোগাযোগ ও তরুণদের সুযোগ পারুলিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ইমরান হোসেন গাজী বলেন, “পারুলিয়া গুরুত্বপূর্ণ একটি জনপদ। এখানে শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন দরকার। বিশেষ করে তরুণদের জন্য খেলাধুলা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।”
সখিপুরে রাস্তা-ঘাট ও জনসেবায় প্রত্যাশা সখিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, “সখিপুরে কৃষি ও ব্যবসার পাশাপাশি মানুষের বসবাসও অনেক। রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষা খাতে আরও কার্যকর উদ্যোগ চাই। উন্নয়ন হলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে।”

নওয়াপাড়ায় কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য ও মাদকমুক্ত সমাজের দাবি নওয়াপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা দেব কুমার কর্মকার বলেন, “আমাদের এলাকার কৃষক ও সাধারণ মানুষের প্রধান প্রত্যাশা হলো ভালো যোগাযোগ ও উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানো দরকার।”

দেবহাটায় পর্যটনের সম্ভাবনা দেবহাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা ও দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সৈয়দ রেজাউল করিম বাপ্পা বলেন, “ইছামতী নদী ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে ঘিরে দেবহাটায় পর্যটনের বড় সম্ভাবনা রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা গেলে মানুষের বিনোদনের পাশাপাশি স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হতে পারে।”

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা বলেন, স্থানীয় মানুষের চাহিদা ও বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনসেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক, বাল্যবিবাহসহ সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ঐতিহ্য ও ইতিহাসে সমৃদ্ধ দেবহাটার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি নিরাপদ, শিক্ষাবান্ধব, পরিবেশসম্মত ও উন্নত জনপদ গড়ে তুলতে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে।
দেবহাটার বর্তমান সম্ভাবনার পাশাপাশি রয়েছে সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক ঐতিহ্য। খুলনা বিভাগীয় শহর হওয়ারও আগে ব্রিটিশ আমলে ১৮৬৭ সালে দেবহাটাকে পৌরসভা ঘোষণা করা হয়েছিল। এর কার্যালয় ছিল ঐতিহাসিক টাউনশ্রীপুর গ্রামে। পরবর্তীতে ১৯৫০-৫১ সালের দিকে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার পৌরসভাটি বিলুপ্ত করে।

স্থানীয় ইতিহাস ও প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, একসময় দেবহাটার টাউনশ্রীপুর ও সুশীলগাঁতী গ্রামে একসঙ্গে ১৮ জন জমিদারের বসবাস ছিল। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধান চন্দ্র রায়ের পূর্বপুরুষ এবং ভারতের সাবেক সেনাপ্রধান শঙ্কর রায় চৌধুরীর আদি ভিটাও দেবহাটায় ছিল বলে স্থানীয় ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে।
ইছামতী নদীর ওপারেই ভারতের হাসনাবাদ রেলস্টেশন থাকায় ব্রিটিশ আমলে দেবহাটার মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতের সঙ্গে কলকাতার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। ফলে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে একসময় দেবহাটা স্থানীয় ও আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।

পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের প্রত্যাশায় ভিন্নতা থাকলেও কয়েকটি বিষয়ে রয়েছে অভিন্ন মত—উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য, নিরাপদ পরিবেশ এবং মাদকমুক্ত সমাজ।

ইছামতীর তীরের এই জনপদে কৃষি, মৎস্য, প্রকৃতি, ইতিহাস ও পর্যটনের রয়েছে নানা সম্ভাবনা। এসব সম্ভাবনাকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগানোর পাশাপাশি স্থানীয় সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে দেবহাটার আর্থসামাজিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে—এমন প্রত্যাশাই স্থানীয়দের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাকশিস সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাচন: সভাপতি খলিলুর -সম্পাদক নূর মোহাম্মদ

অনলাইন ডেস্ক :
বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (বাকশিস) সাতক্ষীরা জেলা শাখার ১০ম ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬-এর ফলাফল চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. খলিলুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নূর মোহাম্মদ পাড় বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে বিজয়ী মো. খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৩৩৪ ভোট (১০টি ভোট বাতিল হয়েছে)। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আশফাকুর রহমান পেয়েছেন ১৯৬ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে নূর মোহাম্মদ পাড় ৩৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন; তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এস.এম সফিউল ইসলাম পেয়েছেন ১৯৫ ভোট।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: বিজয়ী মো. শাহাদাৎ হোসেন পেয়েছেন ৩৪৫ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আব্দুর রউফ পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।

সহ-সম্পাদক: বিজয়ী মো. রফিকুল ইসলাম ৩৪৫ ভোট এবং মো. সাইফুল ইসলাম ৩৪১ ভোট পেয়েছেন। অপর প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে শেখ আবু নঈম ১৮৫ ভোট এবং মো. রুহুল আমীন ১৯২ ভোট পেয়েছেন।

কোষাধ্যক্ষ: বিজয়ী মো. আবদুল জব্বার পেয়েছেন ৩৫১ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বখতিয়ার উদ্দিন পেয়েছেন ১৮৫ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক: বিজয়ী জি.এম আবদুল ওহাব পেয়েছেন ৩৬৪ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আকবর হোসেন পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।

দপ্তর সম্পাদক: বিজয়ী মো. আরিফ হোসেন পেয়েছেন ৩৪৮ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. টিপু সুলতান বিশ্বাস পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।

সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: বিজয়ী মো. ইদ্রিস আলী পেয়েছেন ৩৪৪ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মুহা. ইবাদুল ইসলাম পেয়েছেন ১৮৯ ভোট।

প্রকাশনা ও প্রচার সম্পাদক: বিজয়ী মো. নাজমুল হক পেয়েছেন ৩৫৯ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী নূর হোসাইন পেয়েছেন ১৮৪ ভোট।

গণসংযোগ সম্পাদক: বিজয়ী শেখ রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৪০ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।

সমাজ কল্যাণ সম্পাদক: বিজয়ী আসিফ বায়েজীদ পেয়েছেন ৩৫১ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. হুমায়ুন কবীর পেয়েছেন ১৮০ ভোট।

ক্রীড়া সম্পাদক: বিজয়ী মো. আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ২৭৪ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী মো. তৌহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ১৯১ ভোট।

মহিলা সম্পাদক: বিজয়ী নাসরিন আক্তার বানু পেয়েছেন ৩৩০ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মোমেনা খানম পেয়েছেন ২০৪ ভোট।

সহ-মহিলা সম্পাদক: বিজয়ী চম্পা রানী হাজরা পেয়েছেন ৩৪৭ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মাহহুরা খাতুন পেয়েছেন ১৮৩ ভোট।

বিজয়ী কার্যকরী সদস্যবৃন্দ হলেনÑ মো. রেজাউল করিম, মো. বাবলুর রহমান, মো. নওরশাদ আলম, মো. তৌহিদুল রহমান -১, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মো. সাইদুল হোসেন, মো. আমজাদ হোসেন, বাসুদেব কুমার সিংহ, মো. আবদুল মান্নান, মো. কামরুজ্জামান, এস.এম শফিকুল আজম, শঙ্কর কুমার সরকার, আবু সাঈদ তৌহিদ উদ্দীন আহমেদ, মো. ইয়াসিন আলী, রবীন্দ্রনাথ কর্মকার, অমরেন্দ্র নাথ মৃধা, পরেশ কুমার পাল, স.ম আবদুল মান্নান, হারুন-অর-রশিদ, আবুল হাসান মো. ফিরোজ কবীর, এস.এম কামরুজ্জামান, শেখ মঞ্জুরুল ইসলাম, পরমেশ চন্দ্র হারামী, মো. আনারুল ইসলাম, মো. আহসান হাবিব, মো. আশফাকুর রহমান, বি. এম আশরাফ উদ্দীন, সরদার নুরুল ইসলাম, মো. শফিউল আলম, মধুসূদন মন্ডল, সন্দীপ দাস, নাজমুল হাসান, পবিত্র কুমার মন্ডল প্রমুখ

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের নব-নির্বাচিত কমিটির-এ ২০২৬ এর পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরা শহর কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ রওশন আলীর সভাপতিত্বে পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নাছিম ফারুক খান মিঠু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ত্রিবার্ষিক নির্বাচনের নির্বাচন কমিশনার সাংবাদিক রুহুল কুদ্দুস ও সাতক্ষীরা মুদি ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মুকুল প্রমূখ।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সুলতানপুর বড়বাজার মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, মিহির সাহা, কদমতলা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মোঃ আইয়ুব আলী, সুলতানপুর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ অলিউর রহমান প্রমুখ।

সাতক্ষীরার কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি মোঃ রওশন আলী, সহ সভাপতি মোঃ ফজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রজব আলী খাঁ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবিরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রচার সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জামান, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আক্তারুজ্জামান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবু সাঈদ, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আনারুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য মোঃ রায়হান গাজী, মোঃ শহিদুল ইসলাম ও মোঃ খাইরুল ইসলাম প্রমূখ। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা শহর কাঁচা ও পাকামাল ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ ফজলুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক : দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটায় অভিযান চালিয়ে ৬৯৬ বোতল ভারতীয় উইনকেরেক্স মাদক উদ্ধার করেছে এসআরবি-৬। এ সময় ফাতেমা খাতুন (৪৮) নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজনকে আসামি করে দেবহাটা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৬-এর একটি অভিযানিক দল উপজেলার দক্ষিণ কুলিয়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ফাতেমা খাতুনের ঘরের পাশ থেকে ৬৯৬ বোতল ভারতীয় উইনকেরেক্স উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে দক্ষিণ কুলিয়া গ্রামের রবিউল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা খাতুনকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় এসআরবি-৬-এর পুলিশ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ৩ অক্টোবর দেবহাটা থানায় মামলা করেন। মামলায় ফাতেমা খাতুন এবং একই গ্রামের জামাত আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৩)কে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১৪(গ)/৪১ ধারায় করা হয়েছে। মামলার নম্বর-০১, তারিখ-৩/১০/২০২৬।
দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহীন জানান, এসআরবি-৬-এর পক্ষ থেকে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক ফাতেমা খাতুনকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড কনফারেন্স রুমে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৩০ সেপ্টেম্বর বিকালে নাগরিক সংগঠনের অংশগ্রহণে জনপরিসর সম্প্রসারণ ও সুশাসন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ” প্রকল্পের অধীন “ডিজ্যাবিলিটি ইনক্লুশন স্ট্রেন্থেনিং অ্যাক্সেসিবিলিটি দিশার উদ্যোগে  বিশেষ সভায় সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলা‍ম।

সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. জাকারিয়া হোসেন, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিনুর রহমান চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু এবং জিপি অসীম কুমার মন্ডল।

উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি শেখ আলমগীর আশরাফ, জেলা তথ্য অফিসার মো. জাহারুল ইসলাম, প্যানেল আইনজীবী খায়রুল বদিউজ্জামান, অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান, এনজিও প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান, সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি শ্যামসন বিশ্বাস প্রমুখ।

আলোচনা সভায় উপস্থিত বক্তারা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আইনি সুরক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিক সমাজের অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest