সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা কর্মশালাকয়রায় ক্রয়কৃত জমির ধান নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে উপকারভোগীর মাঝে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার চেক বিতরণনেপাল-তিব্বতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯১৯সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবলের ফাইনাল: টাইব্রেকারে চ্যাম্পিয়ন আশাশুনি উপজেলা দলকোন মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না – ওসি জাহাঙ্গীর আরিফপ্রাণ সায়র খাল ধারে সাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরামের বৃক্ষ রোপন কর্মসূচিকলারোয়ায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ: বিয়ের দাবিতে তরুণীর অনশনদেবহাটার খলিশাখালীর চরে সুপেয় পানির সংকট : ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনের দাবিসি.আর দত্ত এর ষষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী এবং রঞ্জন কর্মকারের মৃত্যুতে স্মরণসভা

সাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা ও অগ্রগতি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা পোষ্ট অফিস মোড়স্থ সাতক্ষীরা জেলা গ্রীন কোয়ালিশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

গ্রীন কোয়ালিশনের জেলা সভাপতি ও সাংস্কৃতিক কর্মী আবু আফফান রোজ বাবু’র সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক)-এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. শাহীন ইসলাম।

কর্মশালায় গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন অগ্রগতি, অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, উপকূলীয় প্রতিবেশ রক্ষা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে পরিবেশ আন্দোলনকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাতক্ষীরাসহ উপকূলীয় অঞ্চলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নানা ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এসব সংকট মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, পরিবেশবাদী সংগঠন, নাগরিক সমাজ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে তরুণদের পরিবেশ আন্দোলনে সম্পৃক্ত করে স্থানীয় পর্যায়ে সবুজ উদ্যোগ আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় গ্রীন কোয়ালিশনের উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, পরিবেশকর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, নাগরিক নেতা অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাস, বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া গ্রীন কোয়ালিশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে এম. বেলাল হোসাইন ও অ্যাডভোকেট বিপ্লব হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন আলী, কার্যকরী সদস্য মো. রিজাউল করিম, হাবিবুর রহমান সোহাগ, জান্নাতুল ফেরদৌস, বারসিকের গাজী মাহিদা মিজানসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় আগামী ছয় মাসের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সদস্য সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার, পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি, বৃক্ষরোপণ ও সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু সহনশীলতা তৈরিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কয়রায় ক্রয়কৃত জমির ধান নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

খুলনা প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নের ভান্ডারপোল গ্রামে ক্রয়কৃত জমিতে প্রবেশ করে রোপণ করা ধান তুলে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের গোলজার শেখের বিরুদ্ধে। তিনি স্থানীয় সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধান নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন জমির ক্রেতা আব্দুর রব। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে গোলজার শেখ দাবি করেছেন, জমিটি নিয়ে তাদের পরিবারের সঙ্গে পূর্ব থেকেই বিরোধ রয়েছে এবং আব্দুর রব তাদের না জানিয়ে জমি কিনেছেন।

আব্দুর রবের অভিযোগ, গত ১৩ জুলাই ভান্ডারপোল গ্রামের অহিদুজ্জামান, তৌহিদুজ্জামান, রাকিবুজ্জামানসহ চার ভাইয়ের কাছ থেকে তিনি ১০ কাঠা জমি ক্রয় করেন। পরে ওই জমিতে ধান রোপণ করেন তিনি।

তিনি বলেন, জমিতে ধান রোপণের পর গোলজার শেখের সঙ্গে তাঁর বিরোধ শুরু হয়। একপর্যায়ে গোলজার শেখ কয়েকজন লোক নিয়ে তাঁর ক্রয়কৃত জমিতে প্রবেশ করে রোপণ করা ধান তুলে ফেলেন। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আব্দুল কাদেরকে বিষয়টি জানান। পরে এসআই কাদের গোলজার শেখের লোকজনকে ফোন করে জমি থেকে সরে যেতে বললে তাঁরা সেখান থেকে চলে যান বলে দাবি করেন আব্দুর রব।

এরপর তিনি পুনরায় ওই জমিতে ধান রোপণ করেন। তাঁর অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে গোলজার শেখ জমির অন্তত তিনটি স্থান থেকে রোপণ করা ধান তুলে নষ্ট করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকটি স্থানে ধানগাছ উপড়ে ফেলা অবস্থায় দেখতে পান তিনি। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানান।
আব্দুর রব আরও অভিযোগ করেন, গত ২২ আগস্ট রাত ৮টার দিকে ভান্ডারপোল আব্বাসের মোড়ে গোলজার শেখের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। এ সময় জমি দখল করতে গেলে তাঁকে ‘জীবন শেষ করে দেওয়ার’ হুমকি দেওয়া হয়। এতে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বলে জানান।

এ ঘটনায় গত ২৮ আগস্ট কয়রা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন আব্দুর রব। সাধারণ ডায়েরিতে তিনি, জমি নিয়ে বিরোধ, জমিতে প্রবেশে বাধা এবং প্রাণনাশের হুমকির কথা উল্লেখ করেন।

অভিযোগের বিষয় গোলজার শেখ বলেন, ‘‘জমি বন্ধক বাবদ জলিল মোল্লার কাছে আমাদের ৮০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। ওই টাকা ফেরত দিয়ে আব্দুর রব জমি বুঝে নিলে আমাদের আপত্তি নেই। তবে আমাদের জমিতে এসে চাষাবাদ বা খুঁটি পুঁতলে আমরা তা মেনে নেব না।’’

প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগও অস্বীকার করে তিনি বলেন, আব্দুর রব তাঁর ভাগ্নের সম্পর্কের। জমি কেনার বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হলেও তাঁকে কোনো হুমকি দেননি।
তবে গোলজার শেখের দাবির বিষয়ে আব্দুর রব বলেন, তাঁরা যদি কোনো বায়না করে থাকেন, সেটি জলিল মোল্লার সঙ্গে করেছেন এবং ওই জমি অন্য দাগে। তিনি যে ১০ কাঠা জমি কিনেছেন, সেটি জলিল মোল্লার চার ছেলের নামে ছিল এবং চার ভাই তাঁকে দলিল করে দিয়েছেন। এই জমির বিষয়ে চার ভাই কোনো বায়নাপত্র করেননি এবং তাঁর কাছ থেকে কোনো টাকা নেননি বলেও দাবি করেন আব্দুর রব।
এ বিষয়ে এসআই আব্দুল কাদের বলেন, আব্দুর রব গোলজার শেখের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করার জন্য আবেদন করেছেন। আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগটি তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে উপকারভোগীর মাঝে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার চেক বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত নানাবিধ কার্যক্রমের বিপরীতে জেলার ১০৪ জন উপকারভোগীর মাঝে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার চেক বিতরন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে জেলা পরিষদ হলরুমে এ চেক বিতরণ করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে চেক বিতরন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার অলী।
এসময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, সাংবাদিক মাহমুদ হাসানসহ জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও জেলার বিভিন্ন স্থানের উপকারভোগীরা।

প্রধান অতিথি জেলা পরিষদ প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে বলেন, সরকারি বরাদ্দের প্রতিটি টাকা যেন জনগণের কল্যাণে এবং যথাযথ স্বচ্ছতার সাথে ব্যয় হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। জেলা পরিষদ সবসময় সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে পাশে থাকবে।

চেক গ্রহণ শেষে উপকারভোগী ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা জেলা পরিষদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেপাল-তিব্বতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯১৯

নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ। নিখোঁজদের মধ্যে শত শত মানুষ বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম তথ্যমতে, তিব্বতে নিহত হয়েছেন ১৬ জন এবং ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। জীবিতদের খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা ।

এদিকে, ভোটেকোশি নদীর পানি বাড়তে থাকায় নেপালে নতুন করে বন্যার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিকও রয়েছেন। রোববার চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, তিব্বতে নিখোঁজ ২৬১ জন বিদেশির মধ্যে শতাধিক নেপালি রয়েছেন। এসব নিখোঁজ ব্যক্তির মধ্যে এক ডজনের বেশি দেশের কয়েকশ মানুষ রয়েছেন। তারা কেউ সেখানে কাজ করতে, কেউ পাহাড়ে ভ্রমণ করতে এবং কেউ তীর্থযাত্রার জন্য গিয়েছিলেন।

সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবলের ফাইনাল: টাইব্রেকারে চ্যাম্পিয়ন আশাশুনি উপজেলা দল

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরায় সমাপ্ত হলো ঐতিহ্যবাহী ‘জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’। রোববার বিকেলে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর ফাইনাল খেলায় কালিগঞ্জ উপজেলা দলকে টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে আশাশুনি উপজেলা দল।

খেলা শেষে স্টেডিয়াম মাঠে আড়ম্বরপূর্ণ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ কায়সার আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মইনুল ইসলাম মঈন, জেলা বিএনপির আহবায়ক এএইচএম রহতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আবুল হাসান হাদী, যুগ্ন আহবায়ক তাজকিন আহমেদ চিশতি, বিএনপি নেতা আব্দুর রউফসহ স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে, ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র্র করে দুপুর থেকেই স্টেডিয়াম এলাকায় ফুটবলপ্রেমী মানুষের ঢল নামে। খেলা শুরুর আগেই গ্যালারি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার ক্রীড়ামোদী দর্শক পুরো ম্যাচ জুড়ে দুই দলকেই করতালি ও উন্মাদনায় উৎসাহিত করেন।

মাঠের লড়াইয়ে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় দু’দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে মেতে ওঠে। চমৎকার ফুটবল শৈলী প্রদর্শন করে নির্ধারিত সময়ে ম্যাচটি ১-১ গোলে সমতায় শেষ হয়। পরবর্তীতে খেলার ফলাফল নির্ধারণে টাইব্রেকারের আশ্রয় নেওয়া হয়। টাইব্রেকারে আশাশুনি উপজেলা দল ৫-৩ গোলে কালিগঞ্জ উপজেলা দলকে পরাজিত করে ট্রফি ছিনিয়ে নেয়।

খেলায় বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রেখে সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের টুর্নামেন্ট নিয়মিত আয়োজন করা প্রয়োজন। সম্প্রতিক সময়ের কোন খেলায় এত দর্শকের উপস্থিতি চোখে পড়েনি। হাজার হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ম্যাচটি সম্পন্ন হওয়ায় আয়োজক কমিটি ও দর্শক সমাজকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোন মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না – ওসি জাহাঙ্গীর আরিফ

আশাশুনি প্রতিনিধি:
যারা মাদক ব্যবসায়ী ও সেবন করে তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসায়ীদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্কুল টাইমে কোন বকাটিয়াদের স্কুলের সামনে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না।

পুলিশের পক্ষ থেকে মোবাইল টিম মোটরসাইকেল যোগে টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দোষী ব্যক্তিদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সেই সাথে মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীদের প্রশ্রয়দাতাকেও ছাড় দেয়া হবে না বললেন ওসি জাহাঙ্গীর আরিফ। শনিবার সকালে আশাশুনি প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

তিনি মাদক বিক্রেতাদের কড়া হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আশাশুনি থানা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। জিরো টলারেন্সে কাজ করছি আমরা। এ ব্যাপারে কোন ছাড় নাই। মাদকসহ কাউকে পেলে এসিল্যান্ড সাহেবকে সঙ্গে নিয়ে জাগায় জেল-জরিমানার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যে কোন প্রয়োজনে বা যে কোনো তথ্য সরাসরি আমাকে জানালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরো বলেন, আশাশুনি থানায় কোন মামলা, জিডি এবং কোন অভিযোগ করতে এক টাকাও লাগবেনা।

কেউ কোন মিথ্যা মামলায় পড়বে না তদন্ত করব তারপরে মামলা রুজু করা হবে বলে তিনি জানান। তিনি মাদককে নির্মূল করতে প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, আমি যতদিন আছি আশাশুনি প্রেসক্লাবের কোন সাংবাদিকরা আমার কাছ থেকে কোন মিথ্যা মামলা ও লাঞ্চিতর শিখার হবেন না।

মতবিনিময়কালে ইন্সপেক্টর তদন্ত সঞ্জয় কুমার দাস, প্রেসক্লাবের সভাপতি এসকে হাসান, সাধারণ সম্পাদক আকাশ হোসেন সহ প্রেসক্লাবের ৪৯ জন সদস্যের মধ্যে অধিকাংশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রাণ সায়র খাল ধারে সাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরামের বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

সাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরামের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণ সায়র খাল ধারে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুভ উদ্বোধন করা।

বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন ল স্টুডেন্টস ফোরামের সভাপতি মো:দেলোয়ার হোসেন,সহ সভাপতি ইমরান হুসাইন সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল হাসান , দপ্তর সম্পাদ মোঃ শরিফুল ইসলাম, আইন বিষয়ক সম্পাদক প্রদীপ কুমার , সদস্য আবু রাহানসহ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ: বিয়ের দাবিতে তরুণীর অনশন

কলারোয়া প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘ দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্কের নামে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভপাতের পর প্রতারক প্রেমিকের বিদেশ পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও বিয়ের দাবিতে ওই তরুণী অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নিলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

​অভিযুক্ত প্রতারক মনিরুল ইসলাম কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি গ্রামের আশা গাজীর ছেলে। ভুক্তভোগী নারী রেক্সোনা আক্তার স্মৃতি (২০) একই উপজেলার ৪ নম্বর লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের আনারুল ইসলামের কন্যা।

​ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুই বছর ধরে রেক্সোনা আক্তার স্মৃতির সাথে মনিরুল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সুবাদে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মনিরুল তার নিজ বাড়িসহ সাতক্ষীরার বিভিন্ন পার্কে ও গোপন স্থানে নিয়ে স্মৃতির ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে স্মৃতি গর্ভবতী হয়ে পড়লে গত ২০২৫ সালের ২৪ মে সাতক্ষীরার স্বপ্না ক্লিনিক অ্যান্ড আকসা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করিয়ে গর্ভাবস্থার সত্যতা (পজিটিভ রিপোর্ট) নিশ্চিত করা হয়।

​স্থানীয়রা জানান, গর্ভাবস্থার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর কাজী ডেকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই তরুণীকে সাতক্ষীরার একটি ক্লিনিকে নিয়ে কৌশলে গর্ভপাত (অ্যাবশন) করানো হয়। পরবর্তীতে সমস্ত প্রতিশ্রুতি ও সম্পর্ক অস্বীকার করে প্রতারক মনিরুল গোপনে বিদেশ চলে যান।

​পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, বিদেশ চলে যাওয়ার পর অসহায় ওই নারী কোনো উপায় না পেয়ে বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকেন। স্থানীয়দের পরামর্শে শুক্রবার (২০২৬ সালের ২৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ভুক্তভোগী নারী তার অধিকার ও স্বীকৃতি আদায়ের জন্য কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি গ্রামে মনিরুল ইসলামের বাড়িতে যান। সেখানে তিনি জানান, তাকে বিয়ে ও পারিবারিক মর্যাদা না দিলে তিনি ওই বাড়িতেই বিষপান করে বা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করবেন।

​পরিস্থিতি বেগতিক দেখে মনিরুলের পরিবার ওই ওয়ার্ডের সাবেক এক ইউপি সদস্যকে ডেকে আনেন। পরবর্তীতে স্থানীয় মেম্বার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের আশ্বাসে যে, মনিরুল দেশে ফিরলে স্থানীয়ভাবে এই ঘটনার সঠিক বিচার করা হবে। পরে ওই নারী এমন আশ্বাসে বাড়ি ত্যাগ করেন।

​এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অসহায় রেক্সোনা আক্তার স্মৃতি এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রতারক মনিরুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest