সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনীসাতক্ষীরায় টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ : ব্যবসায়ীর মৃত্যুডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নিজস্ব প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা শহরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে যুবদল। মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে জেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্লিচিং পাউডার ছিটানো ও মশকবিরোধী ওষুধ প্রয়োগের ও লিফলেট বিতরনের মাধ্যমে এই কার্যক্রম চালানো হয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের খুলনা রোড মোড়, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল এলাকা, এসপি বাংলো মোড় ও পলাশপোল এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক প্রধান সমন্বয়ক আইনাল ইসলাম নান্টার নেতৃত্বে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ-সমন্বয়ক ফরিদ উদ্দিন, সহ-সমন্বয়ক আলিমুজ্জামান আলিম, সদর যুবদলের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক উজ্জ্বল সাধু এবং যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেনসহ জেলা ও স্থানীয় বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।

কর্মসূচি চলাকালে নেতারা শহরের সার্বিক পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ডেঙ্গু বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভা

জি.এম আবুল হোসাইন :
নির্যাতন ও শোষণের শিকার শিশুদের সুরক্ষা এবং তাদের অধিকার নিশ্চিতকরণে উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের ভূমিকা নিয়ে সাতক্ষীরায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সভাটি সদর উপজেলা সমাজসেবার আয়োজনে ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র কারিগরি সহায়তায় সমন্বয় সভাটি বাস্তবায়িত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত।

সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সমাজসেবা অধিদপ্তর খুলনার ও সহকারি পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাজমুন নাহার, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শরিফুল ইসলাম,
সনাক নাগরিক কমিটির সভাপতি তৈয়ব হাসান বাবু প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় সেশন পরিচালনা করেন,
ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. শরিফুল ইসলাম। এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র মো. আব্দুল মান্নান, আফরোজা সুলতানা, মো. মনির হোসেন, শুবেন্দু বর ও মো. মেহেদি হাসান।

সভায় শিশু নির্যাতন, শোষণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা, তাদের শিক্ষা ও সুস্থ্য বিকাশ নিশ্চিতকরণ এবং শিশু সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বক্তারা বলেন, শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সমাজ ও প্রশাসনকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে নির্যাতন ও শোষণের শিকার শিশুদের দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সুরক্ষা প্রদান জরুরি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতা

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে আহসান হাবীব টুটুলকে দেখতে চান দলের ত্যাগী ও বঞ্চিত নেতাকর্মীদের একটি অংশ। তাকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও তৎপরতা শুরু হয়েছে।

ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত আহসান হাবীব টুটুল ১৯৮৭-১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি, ১৯৯৩-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং পরবর্তীতে জেলা বিএনপির মৎস্য চাষ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।

রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের দাবি, ১/১১-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নির্যাতনের কারণে তাকে দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকতে হয়। প্রায় ১৫ বছর পর দেশে ফিরে ২০২৪ সালের জুলাই-পরবর্তী সময়ে তিনি আবারও বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া সাবেক ছাত্রনেতাদের নিয়ে ‘৯০ দশক সাবেক ছাত্র নেতৃবৃন্দ ফোরাম’ গঠনেও ভূমিকা রাখেন তিনি।

বর্তমানে জেলার বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় রয়েছেন টুটুল। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা বিবেচনায় নিয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীদের একটি অংশ।

আহসান হাবীব টুটুল বলেন, “শুরু থেকেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে রাজনীতি করছি। দীর্ঘ পথচলায় দলকে সুসংগঠিত করা ও নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামীতেও দল ও দেশের স্বার্থে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনী

নিজস্ব প্রতিনিধি : পরিবেশগত মানবাধিকার লংঘনের ফলে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও জীব বৈচিত্রের উপর এর প্রভাব, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা এবং পরিবেশগত মানবাধিকার সুরক্ষায় স্থানীয় সাংবাদিকদের ভূমিকা জোরদার করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় দুই দিনব্যাপী পরিবেশবাদী সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ও নেটজ বাংলাদেশের সহায়তায় এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বারসিক এর উদ্যোগে সোমবার সকালে শহরের ম্যানগ্রোভ সভা ঘরে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধনী সেশনে প্রশিক্ষণের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যসুচি তুলে ধরেন প্রোজেক্ট কোঅর্ডিনেটর কুমারেশ চন্দ্র বাউলিয়া। পরিবেশগত ক্ষতি এবং উন্নয়ন মূলক কর্মকা-ের ফলে উদ্ভূত পরিবেশগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো দায়িত্বশীল ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে গণমাধ্যমে তুলে ধরাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

দিনব্যাপী বিভিন্ন সেশনে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নর্থ বেঙ্গল বিশ^বিদ্যালয় রাজশাহীর গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবুজার, নেটস প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোঃ মনিরুজ্জান, বরসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শাহিন ইসলাম, টেনিক্যাল অফিসার সুপর্ণা মিত্র, এরিয়া অফিসার রোকসানা পারভিন, ফিল্ড ফ্যসিলিটেট রাসেদুল হাসান প্রমুখ। এসময় সেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক আশেক-ই-এলাহি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল আযম মনির, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আকাশ হোসেনসহ অন্যান্যরা।

কর্মশালার প্রথমদিনে আশাশুনি থেকে ৫ জন, শ্যামনগর থেকে ৫ জন এবং সাতক্ষীরা সদরের ১৪ জনসহ মোট ২৪ জন স্থানীয় সাংবাদিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় পরিবেশগত মানবাধিকারের ধারণা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, এবং জলবায়ুপরিবর্তন ও অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে স্থানীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও জীববৈচিত্রের ওপর সৃষ্ট প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে সাংবাদিকরা স্থানীয় প্রেক্ষাপটে পরিবেশগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণ সমূহ চিহ্নিত করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নিজস্ব মতামত ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় দিনে বাস্তব ভিত্তিক বিষয় নির্বাচন, প্রতিবেদন প্রস্তুত করণের কৌশল, ডিজিটাল নৈতিকতা এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগত কর্মপরিকল্পনা তৈরির মাধ্যমে দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ : ব্যবসায়ীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দলে টেপা (পটকা) মাছ খেয়ে একই পরিবারের পাঁচজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে মুদি ব্যবসায়ী মো. আজহারুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আজহারুল ইসলাম বড়দল গ্রামের মৃত মজিদ গাজীর ছেলে। তিনি বড়দল বাজারের মুদি ব্যবসায়ী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টিপা মাছ খাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আজহারুল ইসলামকে সাতক্ষীরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

বর্তমানে তাঁর স্ত্রী, মা, ছেলে ও মেয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় রেফার করা হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী শরিফুজ্জামান শরীফ জানান, স্থানীয় একটি বাজার থেকে পটকা মাছ কিনে আনা হয়ে। পরে রান্না করে খাওয়ার পরই পরিবারের সদস্যদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এতে একজনের মৃত্যু হয়ে। বাকিদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে আজহারুল ইসলামের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
ডা. নীতিশ চন্দ্র গোলদার বলেন, পটকা মাছ খেলে বিষক্রিয়া ঘটে। সেজন্য আমরা এ ধরনের মাছ খাওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য আমরা নিরুৎসাহিত করি। তবে বড়দলের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি আসলে কি কারণে হয়েছে তা খোঁজ নিয়ে দেখবো।

আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। আমরা বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিনিধি : ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে ও বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সোমবার সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সামনে এ কর্মসুচি পালিত হয়।

সংগঠনের সভাপতি সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান রাসেল এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুস সালাম।
প্রধান অতিথি এসময় বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার বিকল্প নেই। ডেঙ্গ প্রতিরোধের প্রধান উপায় হল এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং নিজেকে এডিস মশা থেকে রক্ষা করা। এডিস মশার প্রজনন রোধে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করাসহ সপ্তাহে অন্তত একদিন বাড়ি ও এর আশপাশ ভালো করে পরিষ্কার করা, খোলা পাত্র ঢেকে রাখতে হবে। যেমন ফুলের টব, ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্র বা বালতিতে যেন পানি জমে না থাকে। স্কুল, কলেজ, বা আশপাশের হাটবাজারে আবর্জনা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট স্থান ব্যবহার করা, মশার কামড় থেকে সুরক্ষার থাকতে মশারি ব্যবহার করা, দিন বা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। শরীর ঢেকে থাকে এমন পোশাক বা লম্বা হাতা শার্ট ও লম্বা প্যান্ট পরা। ত্বকে মশা নিরোধক ক্রিম বা স্প্রে ব্যবহার করতে হবে। জ্বর, গায়ে ব্যথা বা র‌্যাশ হলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে।

বক্তারা বলেন, দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় সাতক্ষীরা জেলায় ডেঙ্গুর প্রকোপ তুলনামূলকভাবে অনেক কম। জেলার মানুষকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট ও বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। জেলার সকলকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় ও সুরক্ষার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আরএমও ডাঃ মোঃ আবদুর রহমান, সিভিল সার্জন অফিসের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার, বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ-সভাপতি আ ম আখতারুজ্জামান মুকুল ও সিএম নাজমুল ইসলাম প্রমূখ।
আলোচনা সভা শেষে সদর হাসপাতাল সংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী, বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ক্লিনিকের প্রতিনিধি ও সদর হাসপাতালের নার্সরা উপস্থিত ছিলেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : পরিবেশগত মানবাধিকার লংঘনের ফলে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও জীব বৈচিত্রের উপর এর প্রভাব, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা এবং পরিবেশগত মানবাধিকার সুরক্ষায় স্থানীয় সাংবাদিকদের ভূমিকা জোরদার করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় দুই দিনব্যাপী পরিবেশবাদী সাংবাদিক প্রশিণের উদ্বোধন করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ও নেটজ বাংলাদেশের সহায়তায় এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বারসিক এর উদ্যোগে সোমবার সকালে শহরের ম্যানগ্রোভ সভা ঘরে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্বোধনী সেশনে প্রশিক্ষণের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যসুচি তুলে ধরেন প্রোজেক্ট কোঅর্ডিনেটর কুমারেশ চন্দ্র বাউলিয়া। পরিবেশগত ক্ষতি এবং উন্নয়ন মূলক কর্মকা-ের ফলে উদ্ভূত পরিবেশগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো দায়িত্বশীল ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে গণমাধ্যমে তুলে ধরাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

দিনব্যাপী বিভিন্ন সেশনে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শাহিন ইসলাম, টেনিক্যাল অফিসার সুপর্ণা মিত্র, নেটস প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোঃ মনিরুজ্জান, এরিয়া অফিসার রোকসানা পারভিন, ফিল্ড ফ্যসিলিটেট রাসেদুল হাসান প্রমুখ। এসময় সেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক আশেক-ই-এলাহি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্নসাধারন সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম শাহীন গোলদারসহ অন্যান্যরা।
কর্মশালার প্রথমদিনে আশাশুনি থেকে ৫ জন, শ্যামনগর থেকে ৫ জন এবং সাতক্ষীরা সদরের ১৪ জনসহ মোট ২৪ জন স্থানীয় সাংবাদিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় পরিবেশগত মানবাধিকারের ধারণা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, এবং জলবায়ুপরিবর্তন ও অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে স্থানীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও জীববৈচিত্রের ওপর সৃষ্ট প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে সাংবাদিকরা স্থানীয় প্রেক্ষাপটে পরিবেশগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণ সমূহ চিহ্নিত করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নিজস্ব মতামত ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।
আয়োজক সংস্থার প্রতিনিধিরা জানান, প্রশিক্ষণ শেষে সাংবাদিকরা তাঁদের অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু সংকট, স্থানীয় পরিবেশীয় সমস্যা, সিএসও ও স্টুডেন্ট ফোরামের ইতিবাচক পরিবেশীয় উদ্যোগ এবং অভিযোজন কৌশল নিয়ে গভীর ও প্রভাব বিস্তারকারী সংবাদ প্রকাশে সমর্থ হবেন, যা নীতি নির্ধারকদের নীতি নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

আগামীকাল প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় দিনে বাস্তব ভিত্তিক বিষয় নির্বাচন, প্রতিবেদন প্রস্তুত করণের কৌশল, ডিজিটাল নৈতিকতা এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগত কর্মপরিকল্পনা তৈরির মাধ্যমে দুই দিনব্যাপী এই আয়োজন শেষ হবে।###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা শহরের বাটকেখালী গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে ইমা (৬) ও লাবিব (৮) নামে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাটকেখালী গ্রামের গফুর সাহেবের পুকুর থেকে শিশু দুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিশুরা হলো—বাটকেখালী গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে ও সাতক্ষীরা মিশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী হাবিবা খাতুন লিমা (৯) এবং একই গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের ছেলে ও একই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র মীর লাবিব হোসেন (১০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৯টার দিকে শিশু দুটি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। দীর্ঘ সময় পার হলেও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা চারপাশে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় এক ব্যক্তি ওই পুকুরে গোসল করতে নেমে ঘাটে দুই জোড়া জুতা দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি পানিতে নেমে একটি শিশুর মরদেহ দেখতে পান। পরবর্তীতে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে পুকুর থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেন।

মরদেহ উদ্ধারের পর দ্রুত তাদের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রত্যয় সাহা উভয়কেই মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান জানান, শিশু দুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছেন। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest