সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার নাম বাতিলে ডিসিসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগসাতক্ষীরায় কথিত জনকল্যাণ সমবায় সমিতির নামে কোটি টাকা আত্মসাৎসাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ভলিবল প্রতিযোগিতাঅস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলার সাক্ষী দিলেন কলারোয়া উপজেলা আ’লীগের সভাপতি স্বপনসাতক্ষীরায় সৌদী ফেরত বৃদ্ধাকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগকলারোয়ায় পরকীয়া প্রেমিকার সাথে দেখা করতে গেয়ে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীরশোভনালীতে বালির পরিবর্তে মাটি এবং নিন্ম মানের ইট দিয়ে সোলিং নির্মাণস্পিডগান ও সিসি ক্যামেরা বসানোর পর পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলবেবেগম খালেদা জিয়া এবং সাতক্ষীরা ছাত্রদলের সভাপতি’র মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভসাতক্ষীরা পৌর ওয়াস সদস্য ও খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহকারীদের সাথে লিংকেজ সভা

দেবহাটায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার নাম বাতিলে ডিসিসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ
 দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে এক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা নাম বাতিল করতে জেলা প্রশাসক ও ইউএনওসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
দেবহাটা উপজেলার গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর ঢালী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবুর আলীসহ এলাকাবাসী লিখিতভাবে মন্ত্রনালয়ের সচিব, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর এই অভিযোগটি দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগ মতে জানা গেছে, উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের মৃত শহর আলী গাজীর ছেলে আনছার আলী একজন ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা। দেবহাটা উপজেলার জনৈক আব্দুল মান্নানের জন্মস্থান ভারতে। মান্নান ঢাকায় চাকরী করার সুবাদে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সাথে তার যোগাযোগ ছিল। বিবাদী আনছার আলী উক্ত মান্নানের ঢাকার বাসায় কেয়ার টেকার হিসেবে কাজ করত। যার কারনে মান্নান অবৈধ যোগাযোগের মাধ্যমে উক্ত আনছার আলীকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম অর্ন্তভূক্ত করায়। সেসময় থেকে আনছার মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারের সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করে আসছে।
পরে যাচাই বাছাই শুরু হলে আনছার আলী তার পক্ষে স্বাক্ষর দেয়ার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর ঢালী, আব্দুল করিমসহ বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে অনুনয় বিনয় করে। কিন্তু সে (আনছার) ভূয়া হওয়ার কারনে তারা তার পক্ষে স্বাক্ষর বা স্বাক্ষীতে নাম দেয়নি।
পরে আনছার আলী কালীগজ্ঞ উপজেলার খানজিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তারকে সমাজসেবা অফিসে তার একটি স্বাক্ষর বাকি আছে বলে ডেকে এনে সমাজসেবা অফিসের পিয়ন সাব্বির হোসেনের সহযোগীতায় আনছারের পক্ষে স্বাক্ষর দিয়ে নেয়। আব্দুস সাত্তার লেখাপড়া না জানার কারনে উক্ত কাগজে সই দিয়ে দেয়।
কিন্তু আনছার আলী প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে এবং তার ছেলেমেয়েরাও মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিভিন্ন সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে চাকরী করছে। সঠিকভাবে যাচাই বাছাই করলে উক্ত আনছার আলীর মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে না তালিকাভুক্তকরনের বিষয়টি প্রমানিত হবে। তাই অভিযোগকারীরা উক্ত আনছার আলীর বিরুদ্ধে অবিলম্বে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিকট আবেদন জানিয়েছেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কথিত জনকল্যাণ সমবায় সমিতির নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় জনকল্যাণ বহুমূখী সমবায় সমিতির নামে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সমিতির সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় জমাকৃত সমূদয় টাকা ফেরত পেতে অভিযোগ করেছে ভূক্তভোগি গ্রাহকরা।

বাঁকাল বারুই পাড়ার কার্তিক মজুমদারের ছেলে দিলীপ মজুমদারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিবাদী মুনজিতপুর এলাকার ভাড়াটিয়া জনকল্যাণ বহুমূখী সমবায় সমিতির সভাপতি ও শহরের খান মার্কেটের মাতৃ জুয়েলার্স এর ভাগ্না কার্তিক, ক্যাশিয়ার মো. বিল্লাল হোসেন, গোপাল, উজ্জলসহ প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টরা কথিত জনকল্যাণ বহুমূখী সমবায় সমিতি বাঁকাল- সাতক্ষীরা, রেজিঃ ১৩/সাত
সঞ্চয় ও ঋণ পাশ বই নামে ২০০৭ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে এবং ডিপিএস. এফ.ডি.পিএস এর নামে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে ৫ বছর, ৬ বছর ও ১০ বছরসহ বিভিন্ন মেয়াদী মাসিক ১০০০,২০০০,৪০০০ ও ৫০০০ টাকা হারে সঞ্চয় সংগ্রহ শুরু  করে।

বাঁকাল এলাকার গ্রাহক ছাড়াও অধিকাংশ গ্রাহক শহরের খান মার্কেট ও আশ পাশের স্বর্ণকার এবং স্বর্ণ শ্রমিকদের ২০১৯ সালে অনেকের সঞ্চয়ের মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ হওয়ার পরও টাকা পরিশোধ না করে তালবাহানা শুরু করে।

এমতাবস্থায় গত ০৩/০৬/২০২২ তারিখে ভূক্তভোগি গ্রহকরা বাঁকাল অফিসে গিয়ে সঞ্চয়ের টাকা ফেরত চাহিলে গ্রাহকরা টাকা পাবেনা বলে দেয় এবং হুমকি-ধামকি প্রদর্শণ করে জনকল্যাণ বহুমূখী সমবায় সমিতির কর্মকর্তরা। যে কারণে ভূক্তভোগিরা সমূদয় টাকা ফেরত পেতে সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করে।

বুধবার (২৯ জুন) শহরের খান মার্কেটে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় শতাধিক স্বর্ণ শ্রমিক তাদের সঞ্চয়ের বই নিয়ে সমূদয় টাকা ফেরত পেতে বিক্ষোভ করছে।

এসময় গ্রাহক দিলীপ মজুমদার বলেন, আমার ৫টা সঞ্চয় বই আছে আমি মোট ১৮ লক্ষ টাকা পাবো, গ্রাহক বিল্লাল হোসেন সে পাবে ১১ লক্ষ টাকা, বিশ্বজিৎ ৬৩ হাজার টাকা, সুশান্ত কুমার চৌধুরী ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা, অমল সরকার ৬৫ হাজার টাকা, মুকুন্দ ঢালী ২ লক্ষ টাকা, দেবাশীষ ১ লক্ষ টাকা, বিশ্বনাথ ১ লক্ষ টাকা, বাতেন মোল্যা ২ লক্ষ টাকা, উজ্জল ১ লক্ষ টাকা ও বিশ^দেব ভারতী ১৩ হাজার
টাকাসহ অসংখ্য গ্রাহক কথিত জনকল্যাণ বহুমূখী সমবায় সমিতির কাছে প্রায় ১ কোটির মত টাকা পাবে গ্রাহকরা। এব্যাপারে জেলা সমবায় অফিসার খন্দকার মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা এখনও কোন অভিযোগ পায়নি।

অভিযোগ পেলে কথিত জনকল্যাণ বহুমূখী সমবায় সমিতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। এব্যাপারে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, এব্যাপারে আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি এসআই ইসমাইল হোসেনকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এব্যাপারে কথিত জনকল্যাণ বহুমূখী সমবায় সমিতির সভাপতি কার্তিক বলেন, আমরা পর্যায়ক্রমে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেব বলে জানান।

ভূক্তভোগি গ্রাহকরা যে কোন মূহুর্তে কথিত জনকল্যাণ বহুমূখী সমবায় সমিতির সভাপতি মাতৃ জুয়েলার্স এর কারখানায় কর্মরত কার্তিকসহ কর্মকর্তাদের উপর চড়াও হয়ে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সৌপর্দ করতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ভলিবল প্রতিযোগিতা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ঘোজাডাঙ্গায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে মৈত্রী ভলিবল প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে ঘোজাডাঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন ফুটবল মাঠে এ প্রতিযোগীতা হয়।

এসময় বিজিবি ও বিএসএফের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আল মাহমুদ বুধবার দুপুরে প্রেসব্রিফিংয়ে জানান,বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত মৈত্রী ভলিবল প্রতিযোগীতায় বিজিবি দল বিএসএফ দলকে ২-০ সেটে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

কর্মকর্তা,সাংবাদিকসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ ভলিবল খেলা দেখেন। এ ধরনের বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা দুদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিজিবি অধিনায়ক।
বিজিবি অধিনায়ক আরও বলেন,

যশোর রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওমর সাদী,খুলনা সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল মামুনূর রশীদ, ভারতের সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের আইজি ড. অতুল ফুলজুরি.চীফ নোডাল অফিসার শ্রী এসএস গুলিরিয়াসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলার সাক্ষী দিলেন কলারোয়া উপজেলা আ’লীগের সভাপতি স্বপন

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট সাতক্ষীরায় কলারোয়ায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলার সাক্ষী দিলেন কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন।

বুধবার সাতক্ষীরার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল -৩ এর বিচারক বিশ্বনাথ মণ্ডল কাঠগোড়ায় উপস্থিত ৪০ জন আসামীর উপস্থিতিতে এ সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। ১৪ জুলাই পরবর্তী সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা আদালত সূত্রে জানা যায়, অস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলায় কারাগারে থাকা ৪০ জন আসামীকে বুধবার সকাল সোয়া ১০টায় জেলা কারাগার থেকে স্পেশাল টাইব্যুনাল-৩ এর কাঠগোড়ায় হাজির করা হয়।

এ মামলায় নয় জন আসামী পলাতক রয়েছে। ১০টা ৩২ মিনিটে মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলার কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামকে সাক্ষী হিসেবে হাজির করানো হয়। তবে ফিরোজ আহম্মেদ স্বপনের সাক্ষী গ্রহণের পর রাষ্ট্রপক্ষ পরবর্তী সাক্ষীর জন্য সময়ের আবেদন করলে বিচারক আগামি ১৪ জুলাই সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করেন।
আসামীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাড. আব্দুল মজিদ(২), অ্যাড. মিজানুর রহমানর পিন্টু, অ্যাড. শাহানারা পারভিন বকুল ।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত এটর্ণি জেনারেল অ্যাড.এসএম মুনীর, সহকারি এটর্ণি জেনারেল অ্যাড. মোঃ শাহীন মৃধা, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ,

জিপি অ্যাড. শম্ভুনাথ সিংহ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার এ্যসোসিয়েশনের সহসভাপতি অ্যাড. মোহম্মদ হোসেন প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট সকাল ১০টায় তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে যশোরে ফিরে যাওয়ার পথে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা কলারোয়ায় দলীয় অফিসের সামনে একটি যাত্রীবাহি বাস (সাতক্ষীরা-জ-০৪-০০২৯) রাস্তার উপরে আড় করে দিয়ে তার গাড়ি বহরে হামলা চালায়। হামলায় আওয়ামী লীগের ১ ডজন নেতা-কর্মী আহত হন।

এঘটনায় করা হামলা মামলায় ২০২১ সালের ৪ ফেব্র“য়ারি তালা-কলারোয়ার বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জন নেতা-কর্মী চার থেকে ১০ বছর মেয়াদে সাজা প্রদান করেন সাতক্ষীরার চিপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবির। এর আগে গত ১৪ জুন অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের অপর দুটি মামলায় চার্জ গঠন করা হয়।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত এটর্ণি জেনারেল অ্যাড. এসএম মনীর বলেন, ২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট কলারোয়ায় তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার একটি অংশে গত ৪ ফেব্র“য়ারি সাবেক বিএনপি সাংসদ হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জনের চার থেকে ১০ বছরে মেয়াদে সাজা হয়।

এ মামলার অপর দুইটি অংশে অস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলায় বুধবার ফিেেরাজ আহম্মেদ স্বপন সাক্ষী দিয়েছেন। পরবর্তী সাক্ষীর জন্য আগামি ১৪ জুলাই দিন ধার্য করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালত চাইলে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ি তিন মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সৌদী ফেরত বৃদ্ধাকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
চাঁদা না দেওয়ায় সৌদী ফেরত বৃদ্ধাকে রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৮ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার শাল্যে গ্রামে এঘটনা ঘটে।
আহত বৃদ্ধা ওয়াজেদ আলী(৬০) গ্রামের সামছুদ্দিন গাজীর পুত্র।

এঘটনায় ওয়াজেদ আলীর স্ত্রী রুবিয়া সুলতানা সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

আহতের স্ত্রী রুবিয়া সুলতানা জানান, তার স্বামী দীর্ঘদিন সৌদীতে প্রবাসী ছিলেন গত ৩দিন আগে তিনি বাড়িতে ফিরেছেন। বাড়ি ফেরার পরই একই এলাকার মৃত শের আলী গাজীর পুত্র আবুল কালাম ১লক্ষ চাঁদা দাবি করে আসছিল।

তার স্বামী চাঁদা না দেওয়ায় ২৮ জুন রাতে ঈশার নামায শেষে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা আবুল কালাম, আবুল হোসেন ডাবলু, আব্দুল ওয়াহিদসহ কয়েকজন ওয়াজেদ আলীর উপর হামলা করে। এ সময় তাদের কাছে থাকা হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে ওয়াজেদ আলীর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। সে সময় ওয়াজেদ আলীর ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাদের উদ্ধার সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওয়াজেদ আলী গাজীর শারিরীক অবস্থার কোন উন্নতি হয়নি বলে স্ত্রী রুবিয়া সুলতানা জানান।
সৌদী ফেরত স্বামীকে এমন নির্মমভাবে মারপিটের ঘটনায় দোষী গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় পরকীয়া প্রেমিকার সাথে দেখা করতে গেয়ে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পরকীয়া প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করে তাড়া খেয়ে পালাতে গিয়ে প্রেমিকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুন) রাত ২ টার দিকে উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নের কাজিরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ৪ জনকে আটক করেছে।
মৃত্যু হওয়া ব্যক্তির নাম নিজাম উদ্দীন (৪৫)। তিনি কুশোডাঙ্গা উনিয়নের
গোয়ালচাতার গ্রামের মৃত ফকির আহম্মেদের ছেলে। তিনি কাজিরহাট বাজারের বিকাশের এজেন্ট ও মুদি ব্যবসায়ী।
আটককৃতরা হলেন- দুবাই প্রবাসী আব্দুস সামাদের স্ত্রী পরকিয়া প্রেমিকা তহমিনা বেগম (৩৮), তার পুত্র সুমন (২১), তাদের প্রতিবেশী প্রবাসীর চাচাতো ভাই আব্দুল মাজেদ (৫০) ও মাজেদের ছেলে মোমিনুল ইসলাম (২০)।
মৃত নিজাম উদ্দীনের ছেলে গোলাম রসুল দাবি করে বলেন, রাতে দোকান থেকে তার বাবা বাড়ি ফিরছিলেন। তার কাছে টাকা ছিল। টাকাগুলো কেড়ে নেয়ার জন্য বাবাকে মারপিট করে হত্যা করা হয়েছে।

তবে স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ দিন ধরে বিকাশের এজেন্ট নিজাম উদ্দীন ও দুবাই প্রবাসী আব্দুস সামাদের স্ত্রী তহমিনার মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক চলছিল। রাতে পরকিয়া প্রেমিক ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দীন তার বাড়িতে আটকের পর চড় থাপ্পড় দিলে সে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। দৌঁড়াতে
গিয়ে রাস্তায় পড়ে সে মারা যায়।
আটক মাজেদের কন্যা সাবিনা খাতুন জানান, রাতে বাড়ির পাশের পুকুর পাড়ে এক ব্যক্তিকে দেখতে পেয়ে চোর চোর বলে চিৎকার করলে ওই ব্যক্তি দৌড়ে পুকুরের পানিতে পড়ে যান। বাবা-ভাইয়েরা তাকে (নিজাম উদ্দীন) পানি থেকে তুললে দেখেন তিনি মৃত।

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দীন মৃধা জানান, কাজিরহাট এলাকায় আব্দুস সামাদ একজন দুবাই প্রবাসী। তিনি বিভিন্ন সময় বিকাশের মাধ্যমে তার স্ত্রী তহমিনা বেগমের কাছে টাকা পাঠাতেন। এক
পর্যায়ের বিকাশের এজেন্ট নিজাম উদ্দীনের সঙ্গে তহমিনা বেগম পরকীয় প্রেমে জড়িয়ে পড়েন।
তিনি আরো জানান, আগে থেকে ফোনে আলাপ করে মঙ্গলবার রাতে পরকীয়া প্রেমিকার বাড়িতে যান নিজাম উদ্দীন। এ সময় তহমিনা বেগমের ছেলে সুমন তাকে দেখে ফেলে। এরপর সে চোর চোর বলে চিৎকার দিলে নিজাম উদ্দীন দৌড়ে পালিয়ে যান। দৌঁড়ে পালাতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যেতে পারেন তিনি।
ওসি বলেন, মরদেহ সকালে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা
সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর জানা যাবে তিনি কীভাবে মারা গেছেন। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শোভনালীতে বালির পরিবর্তে মাটি এবং নিন্ম মানের ইট দিয়ে সোলিং নির্মাণ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
আশাশুনির শোভনালীতে বালির পরিবর্তে মাটি এবং নিন্ম মানের ইট দিয়ে ইটের সোলিং নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিন ঘুরে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাগেছে, শোভনালী ইউনিয়নের শোভনালী ব্রীজের সন্নিকটে কার্পেটিং রাস্তা থেকে শোভনালী শহীদ মসজিদ পর্যন্ত ইউনিয়ন উন্নয়ন সংস্থা প্রকল্পের ৩৩৮ ফিট রাস্তার ইটের সোলিং এর কাজে বেডে বালুর পরিবর্তে মাটি ব্যবহার করা হয়েছে।

সোলিং নির্মানে ব্যবহার করা হয়েছে নিন্ম মানের ইট। জানাগেছে, এ প্রকল্পের সভাপতি ইউপি সদস্য আজিজুল ইসলাম (নেটু)। রাস্তা নির্মানে উপজেলা এলজিইডি কর্তৃক স্টিমেট অনুযায়ী বরাদ্দ দেয়া আছে ১লক্ষ্য ২০ হাজার টাকা। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ি সোলিং নির্মানে খরজকরা হয়েছে আনুমানিক ৭০হাজার টাকা।

এবিষয়ে জানতে চাইলে শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক জানান, কাজ শেষ হলেই বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত সাইনবোর্ড দিয়ে দেয়া হবে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আজিজুল ইসলাম (নেটু) বিষয় ভিত্তিক কোন কথার সদুত্তর দিতে পারেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্পিডগান ও সিসি ক্যামেরা বসানোর পর পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলবে

অনলাইন ডেস্ক: পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে স্পিডগান মেশিন ও সিসি ক্যামেরা বসানোর পর। এ তথ্য জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) সচিবালয়ে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) ও শুদ্ধাচার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত সাময়িক। স্পিডগান মেশিন ও সিসি ক্যামেরা বসানোর পর সেতুতে কবে থেকে মোটরসাইকেল চলবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সেই সিদ্ধান্ত জানাবে।

শিমুলিয়ার মাঝিকান্দি রুটে ফেরি চলাচল বন্ধের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানান নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, যানবাহনের চাহিদা যদি থাকে ফেরি চলাচল অব্যাহত থাকবে। শিমুলিয়া ঘাটে এখন ছয়টি ফেরি আছে। যদি চাহিদা না থাকে কোনো ফেরি থাকবে না। পদ্মা সেতু চালুর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের লঞ্চগুলোর ভবিষ্যৎ কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, লঞ্চ চলাচলে কোনো সমস্যা হবে না। বরং লঞ্চ চলাচল আরও বেশি উপভোগ্য হবে। পদ্মা সেতু হলেও দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে লঞ্চ চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না। লঞ্চমালিকেরা আরও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে লঞ্চ চালাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest