সর্বশেষ সংবাদ-
দেশের প্রতিটি সংগ্রামের সূতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় : প্রধানমন্ত্রীএসএসসি পরীক্ষা জুনে, ২৫% কমিয়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসআইনজীবী এবং বিচার সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতিবন্ধী বান্ধব মনোভাব থাকতে হবে- সাতক্ষীরা সিনিয়র জেলা জজ শেখ মফিজুর রহমাননুরনগর-শ্যামনগর প্রধান কার্পেটিং সড়কের বেহাল দশাতালায় যুবক-যুবতীদের ৭দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ সম্পন্নসাতক্ষীরায় ১১ কোটি টাকা ফেরত ও প্রতারকদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদুদকের মামলায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ষাটলিপিকার কারাগারেকন্যাসহ পিকে হালদারের আইনজীবী গ্রেফতারপম্পেওসহ ট্রাম্প প্রশাসনের ২৮ কর্মকর্তার ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞানিয়োগ বাণিজ্য তদন্তে দুদক : সাতক্ষীরা সিটি কলেজের ১০ শিক্ষককে ঢাকায় তলব

দেশের প্রতিটি সংগ্রামের সূতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় : প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘দেশের প্রতিটি সংগ্রামের সূতিকাগার’ আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটি এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যা বাঙালি হিসেবে আমাদের অর্জনের ও গৌরবের। আমাদের রাজনৈতিক অধিকার, সামাজিক অধিকার, সাংস্কৃতিক অধিকার, মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার এবং আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের প্রতিটি সংগ্রামের সূতিকাগার হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। যে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রী হতে পেরে আমি সত্যিই খুব গর্বিত।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে ‘সেলেব্রেটিং হানড্রেড ইয়ার্স অব দ্য ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা : রিফ্লেকশনস ফ্রম দ্য অ্যালামনাই-ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড ন্যাশনাল’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গণভবন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন নিরস্ত্র বাঙালির ওপর হামলা চালায় তখন তারা রাজারবাগ পুলিশ ফাঁড়ি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা এবং ৩২ নম্বরের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি বেছে নিয়েছিল। সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষককে হত্যা করেছিল। পরবর্তীতে যখন আমাদের বিজয় সন্নিকটে সে সময় আমাদের শিক্ষকদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। বিশেষ করে আমার বিভাগের তো অনেককেই আর আমি সারাজীবনেও দেখতে পারিনি। আমি আজ সবাইকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ ২০২১ আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। বাংলাদেশ এই সময়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছে। এই স্বাধীনতা সংগ্রামে আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী দিনে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে আমাদের যে দক্ষ মানবশক্তি দরকার। এই দক্ষ মানবশক্তি গড়তে পারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এখান থেকে যাত্রাটা শুরু হতে পারে। যা অনুসরণ করে দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় সেভাবে কাজ করতে পারবে। আমাদের যে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আসবে বা বিশ্ব যখন এগিয়ে যাবে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা যাতে চলতে পারি। সেভাবেই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার দিশা দিতে পারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হবে তার কেন্দ্রবিন্দু। আমরা সেটাই চাই।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় অতীতের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষে আমরা চাই এটি তার পুরোনো গৌরব ফিরে পাক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ সম্মানজনক একটি বিশ্ববিদ্যালয়। কাজেই এর পুরোনো গৌরব আবার ফিরে আসবে, এখানে জ্ঞানের চর্চা হবে, গবেষণা হবে, শিক্ষার প্রসার ঘটবে। আমাদের সকল অর্জনের বাতিঘর যেটা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সে আলো ছড়িয়ে পড়বে সারা বাংলাদেশে।’

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি দৃষ্টিপাত করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠা করা, পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাকে যেমন গুরুত্ব দিয়েছি সেইসঙ্গে প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি। বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় আমরা তৈরি করে দিচ্ছি। যেটা আমি প্রথম শুরু করেছিলাম ৯৬ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান শিক্ষার দিকে অনীহা ছিল। সেই অনীহা দূর করার জন্য এভাবে নামকরণ করে যাত্রা শুরু করি। এখন তো আমরা বহুমুখী বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছি। আমি চাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।’

সম্মেলনের শুরুতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ স্বাগত বক্তব্য দেন। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান। সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মমতাজ উদ্দিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট-সিন্ডিকেট সদস্যসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রভোস্ট ও বিভাগের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এসএসসি পরীক্ষা জুনে, ২৫% কমিয়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস

অনলাইন ডেস্ক : আগামী জুন মাসে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পরীক্ষার জন্য একটি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। নবম-দশম শ্রেণির প্রতিটি বিষয় থেকে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কমিয়ে এ সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন দেয়া হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেটি শিক্ষাবোর্ডগুলো থেকে প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির কারণে ১০ মাস ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। ২০২০ সালের পঞ্চম, অষ্টম ও এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করে অটোপাস দেয়া হয়েছে। চলতি শিক্ষাবর্ষের এক মাস পার হতে চললেও এখনো বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কয়েক দফায় আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত এ ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এসএসসি সমমান ও এইচএসসি সমমান পরীক্ষার্থীদের সিলেবাস শেষ করতে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিগগিরই এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সরকার সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে চলতি বছরের এসএসসি সমমান পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে নবম-দশম শ্রেণির সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করতে প্রতিটি বিষয়ের জন্য দুজন সিনিয়র শিক্ষক, এনসিটিবির একজন বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ মিলে একটি দল গঠন করা হয়। এভাবে প্রতিটি বিষয়ের জন্য তিন সদস্যের একটি করে দল গঠন করে সিলেবাস সংক্ষিপ্তকরণের কাজ করা হয়েছে। এনসিটিবির আরেকটি বিশেষজ্ঞ দল ওই দলগুলোকে পরামর্শ প্রদান, দিকনির্দেশনা ও মনিটরিং করেছে।

কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে মোট ১২ কর্মদিবসে চারটি কর্মশালা করে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে। নবম-দশম শ্রেণির মোট ৩৬টি পাঠ্যবইয়ের জন্য নতুন সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। তার মধ্যে নবম শ্রেণিতে পড়ানো হয়েছে এমন বিষয়ের মধ্যে যেগুলোর সঙ্গে দশম শ্রেণির বিষয়ের মিল রয়েছে, সেসব বাদ দেয়া হয়েছে। এ স্তরের সঙ্গে একাদশ শ্রেণির সঙ্গে মিল রয়েছে সেগুলোরও কিছু বাদ পড়েছে।

তবে পরের স্তরের সঙ্গে যে বিষয়গুলো যুক্ত রয়েছে এবং নবম-দশম স্তরে যে বিষয়গুলো শেখা ও জানা প্রয়োজন, সেগুলোর আলোকে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি বইয়ের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বিষয়বস্তু সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে কমানো হয়েছে।

জানতে চাইলে এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষক্রম) অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান বুধবার বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে চলতি বছরের এসএসসি সমমান পরীক্ষার্থীদের জন্য আমরা একটি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করেছি। সেটি গত রোববার (১৭ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেটি অনুমোদন দেয়া হলে শিক্ষাবোর্ডগুলো থেকে তা প্রকাশ করা হবে। তার আলোকে এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।’

মশিউজ্জামান বলেন, ‘সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে প্রতিটি বই থেকে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বিষয়বস্তু কমানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ক্লাসে গিয়ে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেটি মাথায় রেখে সিলেবাস কমানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আগের ক্লাসে যা পড়ানো হয়েছে বা পরবর্তী ক্লাসে পাবে সেসব বিষয় বাদ দিয়ে যেগুলো না পড়লে একাদশে গিয়ে বুঝতে সমস্যা হবে সেসব বিষয় রাখা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তত্ত্বীয় বিষয়গুলো থেকে বিভিন্ন বিষয় বাদ দেয়া হলেও ব্যবহারিক বিষয় থেকে তেমন কিছু বাদ দেয়া হয়নি।’ তবে তত্ত্বীয় যে বিষয়গুলো বাদ দেয়া হয়েছে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবহারিকও বাদ পড়বে বলে জানান তিনি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, এনসিটিবির তৈরি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পড়ানো শুরু করতে আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। শিগগিরই এ সংক্রান্ত ঘোষণা আসতে পারে। ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পড়িয়ে একটি নির্বাচনী বা টেস্ট পরীক্ষা নেয়া হবে। জুন থেকে এসএসসি-সমমান পরীক্ষা শুরু করার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে।

জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহাবুব হোসেন বলেন, ‘এসএসসি সমমান পরীক্ষার জন্য এনসিটিবি থেকে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পেয়েছি। সেটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সেটি প্রকাশ করা হবে। সেটি ক্লাসে পড়িয়ে আগামী জুন থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু করা হতে পারে। এ জন্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইনজীবী এবং বিচার সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতিবন্ধী বান্ধব মনোভাব থাকতে হবে- সাতক্ষীরা সিনিয়র জেলা জজ শেখ মফিজুর রহমান

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান বলেছেন, বিচারক, আইনজীবী এবং বিচার সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে প্রতিবন্ধী সুলভ মনোভাব নয় বরং প্রতিবন্ধী বান্ধব মনোভাব থাকতে হবে।”
বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে বিচার বিভাগ, সাতক্ষীরা ও উইমেন উইথ ডিজএ্যাবিলিটিজ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ডব্লিউডিডিএফ) এর যৌথ উদ্যোগে “প্রতিবন্ধী নারীর এ্যকসেস টু জাস্টিস” শীর্ষক কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন,”প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার আদায়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে, এক্ষেত্রে নিজেদেরকে তাদের অবস্থানে কল্পনা করে সমানুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে।” অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিবন্ধী নারীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা উল্লেখ করে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডব্লিউডিডিএফ এর চেয়ারপার্সন শিরিন আক্তার।
কর্মশালার প্রধান প্রতিপাদ্য “প্রতিবন্ধী নারীদের বিচারে অভিগম্যতা” বিষয়ে পেপার প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন ডব্লিউডিডিএফ এর নির্বাহী পরিচালক আশরাফুন নাহার মিষ্টি।
বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এস এম নুরুল ইসলাম, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হুমায়ূন কবীর, সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. এম শাহ আলম। অনুষ্ঠানের সভাপতি সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান এর সঞ্চালনায় উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণ করেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোঃ ফারুক ইকবাল, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিয়ারুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সেক্রেটারি তোজাম্মেল হোসেন তোজাম, প্রবেশন অফিসার সুমনা শারমিন, পদ্মপুকুর প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ। কর্মশালা সঞ্চালনা করেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসমিন নাহার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নুরনগর-শ্যামনগর প্রধান কার্পেটিং সড়কের বেহাল দশা

পলাশ দেবনাথ নুরনগর : শ্যামনগর উপজেলার নুরনগর-শ্যামনগরের গোডাউন মোড় পর্যন্ত ৭কিঃ মিঃ কার্পেটিং রাস্তা পরিনত হয়েছে মরন ফাঁদে। গত কয়েক মাস আগে এই রাস্তাটি সংস্কার হওয়ার পর অত্র রাস্তায় চলাচল কারী মানুষ কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল। উক্ত রাস্তায় খুব বেশি ভারি যানবহন চলাচল না করলেও, নুরনগর টু শ্যামনগরের গোডাউন মোড় সড়কের রামজীবনপুর মোড় সংলগ্ন দুটি ইট ভাটা তৈরী করা হয়েছে যার একটি মোস্তফা ব্রিকস ও অন্যটি আরব আলী ব্রিকস। দুটি ইট ভাটার মাটি বহন কারী হাইড্রলিক বিহিন ড্যাম্পার ট্রাকটর শ্যামনগরের প্রধান সড়ক সহ নুরনগর টু পরানপুর সড়কে চলাচল করার করনে অল্প দিনেই রাস্তা নষ্ট হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সাধারন পথচারীরা। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় এই রাস্তাটির যে সকল স্থান গুলোতে ওভার লোডিং হাইড্রলিক বিহিন ড্যাম্পার ট্রাকটর চলাচল করেছে সেই স্থান গুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। পথচারী দূর্ঘটনার শিকার এমন অনেকের সাথে কথা বললে তারা জানান ভাটার মাটি বহন কারী গাড়ী রাস্তা নষ্ট সহ বড় বড় খানাখন্দ তৈরী করছে আবার তারাই নষ্ট কার্পেটিং রাস্তার আমা ইটদিয়ে খানাখন্দ ভরাট করে নিজেদের চলার পথ সুগম করছে। রাস্তাটির বেশির ভাগ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় মটর সাইকেল সহ বিভিন্ন যানবাহন দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এছাড়া ওভার লোডিং হাইড্রলিক বিহিন ড্যাম্পার ট্রাকটরে ভাটার কাদা মাটি বহন কালে কার্পেটিং রাস্তার উপর কাদা মাটি পড়ে থাকায় হঠাৎ একটু বৃষ্টির পানি পেয়ে কার্পেটিং রাস্তা কাদা মাটিতে ভরে যাচ্ছে এতে মটর সাইকেল চালকদের চরম বিপাকে পরতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই। ইট ভাটার মাটি বহন কালে সমস্ত কার্পেটিং রাস্তার উপর অতিরিক্ত মাটি পড়ে মানুষ ও যানবাহন চলাচলে ঝুকিপূর্ন হয়ে দাড়িয়েছে। উক্ত রাস্তা সংলগ্ন কয়েকটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকায় কোমলমতি শিশুরাও কাদা মাটি মাখা অবস্থায় বিদ্যালয়ে যেতে দেখা যায় এমনটা জানিয়েছে এলাকাবাসি। তারা আরও জানান যানবাহনের চাকায় কাদা মাটি লেগে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে অনেকেই দূর্ঘটনা কবলিত হয়েছে। এই বেহাল দশা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় যুবক-যুবতীদের ৭দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

তালা প্রতিনিধি: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কতৃক বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আলোকের উদ্যোগে ২৫ জন বেকার যুবক ও যুবতীদের গরু মোটাতাজা করনের ৭ দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ শেষে সার্টিফিকেট বিতরন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নাংলা নতুন বাজার আলোকের কার্যালয়ে সংস্থার পরিচালক রাশিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সার্টিফিকেট বিতারন করা হয়। সার্টিফিকেট বিতারণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলোক সংস্থার উপদেষ্টা উপদেষ্টা মোঃ হামিদুর রহমান,শেখ আবুল কাশেম,সাংবাদিক এসএম হাসান আলী বাচ্চু, তুলি রানী দাশ,মীর শাহিন,নির্বাহী সদস্য ছাকিলা বেগম,গীতা রানী ভদ্র,সদস্য ইমরান খান,বিলকিস নাহার, মোঃ আবু রায়হান প্রমুখ।আলোচনা সভা ও সার্টিফিকেট বিতারন অনুষ্ঠানের আগে সংস্থার পরিচালক রাশিদুল ইসলাম করোনা ভাইরাসের কারনে সকলকে মাস্ক বিতরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ১১ কোটি টাকা ফেরত ও প্রতারকদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা শহরের আবুল কাশেম সড়কস্থ জেড প্লাজায় অবস্থিত মার্চেন্ট কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ নামের সরকার অনুমোদিত একটি অর্থ লগ্নীকারি প্রতিষ্ঠান জেলার ৭শ’ গ্রাহকের প্রায় ১১ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির পক্ষে মোঃ আব্দুল খালেক এই অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, মার্চেন্ট কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ সরকার অনুমোদিত একটি অর্থ লগ্নীকারি প্রতিষ্ঠান। যার রেজিঃ নং-৪৫/৩। সমিতির সদস্য সংখ্যা ৭শ’ জন। সমিতির ৬ সদস্যের পরিচালনা কমিটির সভাপতি শেখ আহসানুর রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ মামুনুর রশিদ বার্ষিক সাধারণ সভা না করেই তাদের ইচ্ছা মত কার্যক্রম চালাচ্ছেন। তারা অধিক মুনাফা দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মোট ১১ কোটি টাকা জামানাত নেন। গঠনতন্ত্রের ১৪ থেকে ২১ ধারা অমান্য করে কৌশলে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পরিবারের সদস্য এবং আত্মীয় ও বন্ধুদের নামে মিথ্যে লোন দেখিয়ে শেখ আহসানুর রশিদ ১ কোটি ২৫ লাখ, শেখ মামুনুর রশিদ ২ কোটি ৩০ লাখমেহেুবার ৭০ লাখ, তানিয়া ৫০ লাখ, হোসনে আরা ৫ লাখ, বাহারুল ১৯ লাখ, তৌফিক ১৯ লাখ, মনিরুজ্জামান ১৬ লাখ, সহিদুল ১১ লাখ, এহেসান ৭০ হাজার, শামীম ৫ লাখ, জান্নাতুল ২ লাখ, সোফিয়া ১০ লাখ, ইসমাইল পরিবারের নামে ২ কোটি ৪৯ লাখ, ব্যাংক থেকে নেয়া ১ কোটি টাকা, বেতনভাতা ২কোটি ১০ লাখ এবং মালামাল বাবদ ১কোটি অতিরিক্ত ভাউচার দেখিয়ে মোট ১১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।
আব্দুল খালেক বলেন, সদস্যরা ২০২০ সালের জুন মাসে জামানতের এবং মুনফার টাকা দাবি করলে সভাপতি বার বার ওয়াদা করে তালবাহনা শুরু করেন। অবশেষে ২০ সালের ২৯ অক্টোবর পাওনা টাকার জন্য সদস্যরা সমিতির কার্যালয়ে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করলে পৌর সভার ৯ ওযার্ডের কাউন্সিলর সাগরের মধ্যস্থতায় স্টাম্পে লিখিত সিদ্ধান্ত হয় যে, সভাপতি ৩ মাসের মধ্যে সমিতির তহবিলে ৫ কোটি টাকা জমা দিবেন এবং গ্যারান্টিস্বরুপ ৫ কোটি টাকার একটি চেক প্রদান করেন।
তিনি আরো বলেন, সমিতির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের প্রতারনার বিষয় জানতে পেরে ২০২০ সালের ৮ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, দুদক চেয়ারম্যান, ডিআইজি, ডিসি, এসপি ও সমবায় কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়। এরপ্রেক্ষিতে ডিআইজি নির্দেশনা মোতাবেক সাতক্ষীরা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাঃ ও অপরাধ) নির্দেশ দেন যে, শেখ আহসানুর রশিদ ও শেখ মামুনুর রশিদ প্রতি রবিবার ডিসি অফিসে হাজিরা দিবে। সাতক্ষীরা থানার বাইরে যাবে না। প্রতি সপ্তাহে জমা টাকার রির্পোট দিবে। শেখ আহসানুর রশিদ তার গুন্ডা বাহিনী দিয়ে পাওনা দারদের উপর হামলা চালাচ্ছে ও জীবন নাশের হুমকি দিচ্ছে।
তিনি মার্চেন্ট কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের গ্রাহকদের জামানতের ১১ কোটি টাকা ফেরত দাবি করে প্রতারক শেখ আহসানুর রশিদ ও শেখ মামুনুর রশিদ এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে প্রতরনার শিকার অর্ধশতাধিক গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুদকের মামলায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ষাটলিপিকার কারাগারে

নিজস্ব প্রতিনিধি : স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ভূয়া অনুমোদন পত্র তৈরি করে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে বিভিন্ন প্রকল্প দেখিয়ে নিজ প্রতিষ্ঠানের মোটা অংকের টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ষাট লিপিকার একেএম শহীদুজ্জামান ওরফে টুটুলকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বৃহষ্পতিবার তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে আবেদন করলে সাতক্ষীরার বিশেষ আদালতের বিচারক শেখ মফিজুর রহমান তার জামিন না’মঞ্জুর করেন।
আসামী একেএম শহীদুজ্জামান সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানাধীন পারকুমিরা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সোহরাবউদ্দিনের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে অনিয়ম ও দূর্ণীতির মাধ্যমে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনপত্র তৈরি করে তা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে উপস্থাপন করে তা অনুমোদন করান সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ষাটলিপিকার একেএম শহীদুজ্জামান। পরবর্তীতে ওইসব প্রকল্প থেকে তিনি জেলা পরিষদের মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ করেন বলে দূর্ণীতি দমন কমিশনের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক তরুন কান্তি ঘোষ তদন্তে প্রমাণ পান। এ ঘটনায় তিনি গত বছেরর ৩ নভেম্বর খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে একেএম শহীদুজ্জামানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৬৭,৪৬৮ ও ৪৭১ ধারা তৎসহ ১৯৪৭ সালের দূর্ণীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করেন।
একেএম শহীদুজ্জামান সাতক্ষীরা সদরের দেবনগরের বেগম রোকেয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে উন্নয়ন প্রকল্পে তিন লাখ টাকা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তার কাছ থেকে এক লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় ২০১৮ সালের ১২ জুন তার অফিসে দুদক কর্মকর্তাদের হাতে আটক হওয়ার পর জেল হাজতে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
জানতে চাইলে একেএম শহীদুজ্জামান বলেন , তিনি পরিস্থিতির শিকার। সাতক্ষীরা বিশেষ আদালতে দুদকের মামলা পরিচালনাকারি অ্যাড. আসাদুজ্জামান প্রতারণা ও দূর্ণীতির মামলায় জেলা পরিষদের ষাটলিপিকার একেএম শহীদুজ্জামন জেল হাজতে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কন্যাসহ পিকে হালদারের আইনজীবী গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক : এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিকে হালদারের ‘অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের’ মামলায় তার ব্যক্তিগত আইনজীবী সুকুমার মৃধা ও তার মেয়ে অনিন্দিতা মৃধাকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকার সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা কমিশনের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন তাদের গ্রেফতার দেখান।

কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এ তথ্য জানিয়ে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ায় পিকে হালদারের এ দুই সহযোগীকে দুপুরে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

গ্রেফতারের পর দুপুর সোয়া ২টার দিকে তাদের নিয়ে আদালতের উদ্দেশে রওনা হন অনুসন্ধান কর্মকর্তা সালাউদ্দিন।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি পিকে হালদারের আরেক সহযোগী অবন্তিকা বড়ালকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয় দুদক।

মামলার তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় গত ৪ জানুয়ারি গ্রেফতার করা হয় পিকে হালদারের আরেক সহযোগী শংখ বেপারিকে।

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পিকে হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নানা কৌশলে নামে-বেনামে অসংখ্য কোম্পানি খুলে শেয়ারবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কেনেন এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে নিজের আত্মীয়, বন্ধু ও সাবেক সহকর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে পর্ষদে বসিয়ে অন্তত চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেন।

এই চার কোম্পানি হলো- ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (আইএলএফএসএল), পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি)।

দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, পিকে হালদার তার নিজের, আত্মীয়দের, বন্ধু ও কর্মচারীদের নাম ব্যবহার করে আটটি কোম্পানিতে ৬৭ কোটি ৩৫ লাখ ৪৪ হাজার ১৯৯ টাকা বিনিয়োগ করেছেন, যার ‘বৈধ কোনো উৎস’ অনুসন্ধানে মেলেনি।

পিকে হালদারকে গ্রেফতারে ইতিমধ্যে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest