সর্বশেষ সংবাদ-
করোনা সন্দেহে চিকিৎসা না পেয়ে মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু!করোনার প্রভাবে উল্টে গেল বিশ্ব, মানুষ ঘরে, পশুপাখি রাস্তায়করোনায় আক্রান্ত স্পেনের রাজকন্যার মৃত্যুকরোনার সংক্রমণে ইউরোপে একমাত্র ব্যতিক্রম সুইডেনসাতক্ষীরায় যুবলীগের উদ্দ্যোগে নিম্ন-আয়ের মানুষের মাঝে খাবার বিতরন করোনা ভাইরাস কে কেন্দ্র করে কলারোয়ায় কৃষকদের মুখে  হতাশার ছাপদেবহাটা সখিপুরে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ দেবহাটার আস্কারপুর কেন্দ্রীয়  আলীমিয়া কল্যাণ সংস্থার  খাদ্য সামগ্রী বিতরণ  করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সদর উপজেলা পরিষদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ বিতরণকাশিমাড়ীতে সাবান ও সচেতনতা লিফলেট পৌছে দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান রউফ

করোনা সন্দেহে চিকিৎসা না পেয়ে মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু!

দেশের খবর: ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি বাসাবো মাঠে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিকট অস্ত্র সমর্পণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলমাছ উদ্দিন বিনা চিকিৎসায় চিরবিদায় নিলেন স্বাধীনতার মাসে। ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হলেও করোনা সন্দেহে বিনা চিকিৎসায় তিনি মারা গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বজনরা।

রবিবার সকালে রাজধানীর মুগদা হাসপাতালে তিনি মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন তার দুই ছেলে আরিফ হাসান ও আশফাক আহমেদ। করোনা সন্দেহে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বারডেম হাসপাতাল, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, পপুলার হাসপাতালে ও কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল ভর্তি করেনি বলে জানান মরহুমের বড় ছেলে।
গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১২টায় মুগদা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, সেখানেই আজ রবিবার সকালে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর পরে ডেথ সার্টিফিকেট দেয়া হলো ব্রেইন স্ট্রোক। আজ বাদ জোহর বাসাবো মাঠে নামাজে জানাজার পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মাদারটেক কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে।

মৃত্যুকালে তিনি সহধর্মিণী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। মরহুমের তিন সন্তানই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। মেয়েটি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভোগের সহকারী অধ্যাপক।

এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক যুগ্মমহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু গণমাধ্যমকে বলেন, শুধু মুক্তিযোদ্ধা কেন, কোনো রোগীর ক্ষেত্রেই এমনটা হওয়া উচিত নয়। বৈশ্বিক এই মহামারি মোকাবিলার পাশাপাশি অন্যান্য রোগীদের চিকিৎসার বিষয়টিও দেখতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনার প্রভাবে উল্টে গেল বিশ্ব, মানুষ ঘরে, পশুপাখি রাস্তায়

ভিন্নরকম খবর: করোনাবাইরাসের প্রাদুর্ভাবে উল্টে গেছে পুরো বিশ্বের চিত্র। প্রাণঘাতী ভাইরাস আতঙ্কে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে মানবজাতি। রাস্তাঘাটগুলো খাঁখাঁ করছে। আর সেখানে এখন দেখা মিলছে প্রাণীদের। বিপন্ন অনেক প্রাণীও রাস্তায় মুক্ত পরিবেশে চলে আসছে।

নাগরিক দৃশ্যপট থেকে যে পশুপাখি বহুদিন আগে হারিয়ে গিয়েছিল সেই পশুপাখি যেন আবার নিজেদের জায়গা ‘ফিরে পেতে’ হাজির হয়েছে। মানুষের মৃত্যু বিষাদের মধ্যে প্রকৃতিতে ফিরেছে প্রাণ।

পরিবেশে কমেছে দূষণের মাত্রা। সমুদ্রসৈকতে জলকেলি খেলছে ডলপিনের দল। সৈকতে নিশ্চিন্তে ডিম পাড়ছে লাখ লাখ অলিভ রিডলে কচ্ছপ। জনমানবশূন্য রাস্তায় দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে বুনো হরিণ, নীলগাই ও বিরল প্রজাতির সিভেট।

দ্য গার্ডিয়ান বলছে, করোনাভাইরাসে বিধ্বস্ত ইতালির ভেনিসের সমুদ্রতীরে বিশাল ক্রুজ শিপগুলো এখন আর এসে ভিড়ছে না। ফলে ভেনিসের ক্যানালগুলোতে আবার ডলফিন এসে খেলে বেড়াচ্ছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতও বন্ধ থাকায় সেখানে ডলপিন ঝাঁকে ঝাঁকে লাফালাফি করছে। জাপানের নারা শহরের জনশূন্য রাস্তায় বিরল শিখা হরিণের দেখা মিলেছে।

পানামার সান পেলিপে শহরের সমুদ্রসৈকতের তীরে দেখা গেছে মাংসাশী প্রাণী রিকনের একটি দলকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের ওকল্যান্ডের একটি স্কুলের মাঠে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে টার্কি মুরগির ঝাঁক। থাইল্যান্ডের লোপবুরি শহরে পর্যটকদের আনাগোনা নেই।

এই সুযোগে সাবওয়েগুলো দখলে নিয়েছে বানরের দল। ভারতের রাস্তায় গাড়িঘোড়া নেই, মানুষের চলাচল নেই, দোকানপাট বন্ধ। ফলে পশুপাখি বহু দিন পর আবার স্বমহিমায় ফিরে এসেছে। ভারতীয় ফরেস্ট সার্ভিসের এক তরুণ কর্মকর্তা সুশান্ত নন্দা

গত কয়েকদিন ধরে তার টুইটার থেকে অবিরত পোস্ট করে চলেছেন এমনই অসাধারণ সব ছবি, যা রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছে গোটা বিশ্বে। অনুপ্রাণিত হয়ে গৃহবন্দি অনেক ভারতীয়ও তাদের ফ্ল্যাটের ব্যালকনি থেকে দুষ্প্রাপ্য প্রাণীদের আনাগোনার ছবি পোস্ট করতে শুরু করেছেন।

সুশান্ত নন্দা জানাচ্ছেন, লকডাউনের কারণে উড়িষ্যার উপকূলে অলিভ রিডলে কচ্ছপগুলো মানুষের নজর এড়িয়ে অনেক শান্তিতে ডিম পাড়তে পারছে। গহিরমাথা আর ঋষিকুল্যা সৈকতজুড়ে এবার প্রায় আট লাখ কচ্ছপ এসেছে, যার অর্থ ভারতের সমুদ্রতটে প্রায় ছয় কোটি অলিভ রিডলের ডিম।

কেরালার ওয়েস্টার্ন ঘাট পর্বত এক বিশেষ ধরনের ভামের বাসভূমি, যাদের নাম মালাবার লার্জ স্পটেড সিভেট। প্রায় ৩০ বছর আগে ১৯৯০ সালে এ অতিবিপন্ন প্রজাতির প্রাণীটিকে শেষবার দেখা গিয়েছিল। ধারণা করা হয়, মাত্র আড়াইশ’র মতো পূর্ণবয়স্ক সিভেট এই মুহূর্তে জীবিত আছে।

২৬ মার্চ কেরালার কালিকটের বন্ধ বাজারের মধ্যে একটি সিভেটকে রাস্তার মাঝখানে দেখা গেছে। উত্তরাখন্ড রাজ্যের দুই ব্যস্ত শহর হরিদ্বার আর দেরাদুনের বেশ কাছেই রাজাজি ন্যাশনাল পার্ক।

লকাডাউনে সবকিছু যখন সুনসান, হাইওয়েগুলো স্তব্ধ তখন সেই অভয়ারণ্য থেকে হাঁটতে হাঁটতে একপাল বড় শিংওয়ালা হরিণ চলে এসেছিল হরিদ্বার শহরে।

দেরাদুনে বাচ্চাদের ক্রিকেট খেলার মাঝে ঢুকে পড়ে তারা। চন্ডিগড়েও এক হরিণ দলকে শহরের রাস্তা পেরোতে দেখা গেছে। দক্ষিণ ভারতের বিখ্যাত তিরুপতি মন্দিরে যাওয়ার পাহাড়ি রাস্তায় এখন অবাধে বিচরণ করছে স্পটেড ডিয়ার বা চিতল হরিণের পাল।

দিল্লির সীমানাঘেঁষা শহর নয়ডার ব্যস্ততম এলাকা জিআইপি মল ও তার সংলগ্ন রাস্তা। বৃহস্পতিবার ফাঁকা সেই রাস্তায় ভরদুপুরে দাপিয়ে বেড়াল একটা বিশালদেহী নীলগাই (অ্যান্টিলোপ)।
আসাম ও অরুণাচল সীমান্তে পাসিঘাট ফরেস্ট এলাকায় নিশ্চিন্তে ও দুলকি চালে রেললাইন পেরোতে দেখা গেছে দাঁতাল হাতির বিশাল এক পালকেও। সূত্র: যুগান্তর

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনায় আক্রান্ত স্পেনের রাজকন্যার মৃত্যু

বিদেশের খবর: করোনা ভাইরাস ছোবল দিলো স্পেনের রাজপরিবারে। প্রাণঘাতী ভাইরাস কেড়ে নিলো স্পেনের রাজকন্যা মারিয়া টেরেসার জীবন।

বিশ্বে তিনিই প্রথম কোনো রাজপরিবারের সদস্য, করোনায় আক্রান্ত হয়ে যার মৃত্যু হলো।

শুক্রবার তার মৃত্যু হয় বলে ভাই প্রিন্স সিক্সতো এনরিকে ডি বারবন, ডিউক অব আরানজুয়েজ নিজের ফেসবুকে জানান।
তিনি বলেন, মারিয়া টেরেসার শরীরে কোভিড ১৯ ভাইরাস ধরে পড়েছিলো। এই অবস্থায় শুক্রবার তার মৃত্যু হয়। মাদ্রিদে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।

মৃত্যুকালে মারিয়া টেরেসার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি ছিলেন বারবন-পার্মা রাজপরিবারের সদস্য। তার জন্ম ১৯৩৩ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে। জীবনের বেশিরভাগ সমই তিনি মাদ্রিদে কাটিয়েছেন। স্পেনের রাজনৈতিক আন্দোলন বিষয়ে এক সময় অনেক লেখালেখি করেছেন তিনি।

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস স্পেনে মারাত্মক আঘাত হানছে। স্পেনের অবস্থা এই মুহূর্তে ভয়াবহ। দেশটিতে ইতোমধ্যে করোনার বলি হয়েছেন ৬ হাজার ৫২৮ জন। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৭৮ হাজার।

করোনার আঘাতে ভেঙে পড়েছে স্পেনের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, সুরক্ষা ও সতর্কতা সত্ত্বেও করোনা ঢুকে পড়ে রাজবাড়ির অন্দরে।

স্পেনের পাশাপাশি ব্রিটিশ রাজপরিবারেও করোনা থাবা দিয়েছে। মরণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন প্রিন্স চার্লসও। তিনি বর্তমানে সেলফ আইসোলেশেন আছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনার সংক্রমণে ইউরোপে একমাত্র ব্যতিক্রম সুইডেন

বিদেশের খবর: পুরো ইউরোপ করোনাভাইরাসের আতঙ্কে ঘরের ভেতর গুটিয়ে গেছে। অথচ এই অঞ্চলেরই একটি দেশ একেবারেই ব্যতিক্রম। দেশটি হচ্ছে সুইডেন। কোথাও কোনো লকডাউন নেই। জীবনযাত্রা চলছে স্বাভাবিকভাবেই।

এখনও আগের মতোই অফিসে যাচ্ছেন সুইডিশরা। বাজারে যাচ্ছেন মাল-সামান কিনতে। দলবেঁধে মজা করে খাচ্ছেন রেস্তোরাঁয়। দীর্ঘ শীতের পর আবহাওয়া কিছুটা উষ্ণ হতে শুরু করেছে।

ঘরের বাইরে বসে সময় কাটানোর মতো উষ্ণতা এসেছে চারপাশে। করোনার আতঙ্ক ভুলে খোশ মেজাজে মিঠে রোদ গাঁয়ে মাখছে সুইডেনের জনগণ।

পরিবারের সবাইকে নিয়ে রাজধানী স্টকহোমের মারিয়াটরগেট স্কয়ারে আইসক্রিম খেতে জড়ো হচ্ছেন অনেকে। শহরের অন্যান্য অংশে খোলা রয়েছে নাইটক্লাবগুলো। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

প্রতিবেশী দেশগুলো

র তুলনায় এ পদক্ষেপ কিছুটা শিথিল। ডেনমার্কে ১০ জনের বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অন্যদিকে ব্রিটেনে নিজের বাড়ি ছাড়া বাইরে কারো সঙ্গে দেখা করাই নিষিদ্ধ। লকডাউনে না থাকলেও সুইডেনের করোনার আতঙ্ক স্পষ্ট হয়ে উঠতে শুরু করেছে। বিবিসির এক প্রতিবেদন অনুসারে, দেশটির রাস্তাগুলো আগের চেয়ে নীরব হয়ে উঠেছে। স্টকহোমের গণপরিবহন প্রতিষ্ঠান এসএল জানিয়েছে, সাবওয়ে ও কমিউটার ট্রেনে যাত্রী সংখ্যা অর্ধেকের মতো কমে গেছে। জরিপ অনুসারে, শহরটির অর্ধেক বাসিন্দা বাড়ি থেকে কাজ করছেন।

রাষ্ট্রীয় তহবিলে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান স্টকহোম বিজনেস রেজিওন, স্টকহোমের বৈশ্বিক ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে সমর্থন দিয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠানটির অনুমান, রাজধানীর অন্তত ৯০ শতাংশ বড় সংস্থাগুলো এ পরিস্থিতির মধ্যেও উন্নতি করবে। প্রতিষ্ঠানটির সিইও স্টাফান ইনগাভারসন বলেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই এমনটা করার সুযোগ রয়েছে। তারা এটা করছে। এটা কার্যকরী।

ইনগাভারসনের মন্তব্যে সুইডিশ সরকারের করোনা মোকাবেলার কৌশল ফুটে উঠে- নিজ থেকে দায়িত্ব নেয়া। রাজনীতিক ও জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এখনও প্রত্যাশা করছেন, কঠোর পদক্ষেপ আরোপ না করেও তারা ভাইরাসটির সংক্রমণ রুখতে পারবেন। কঠোর বিধিনিষেধের জায়গায় সরকার নির্দেশিকা ঘোষণা করেছে। যেমন, বয়স্ক বা অসুস্থ হলে ঘরে থাকা, নিজের হাত ধোয়া, অপ্রয়োজনীয় কারণে বাইরে না যাওয়া, ঘরে থেকে কাজ করা।

এখন পর্যন্ত সুইডেনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন হাজার। মারা গেছেন ১০৫ জন।

সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী স্টেফান লভিন গত সপ্তাহে বলেন, আমরা যারা বয়স্ক তাদের বয়স্কদের মতোই কাজ করতে হবে। আতঙ্ক বা গুজব ছড়াবেন না। এই সংকট কারো একার নয়। প্রত্যেক মানুষেরই বড় দায়িত্ব রয়েছে। সুইডেনে জনগণের মধ্যে কর্তৃপক্ষের প্রতি উচ্চ পর্যায়ের আস্থা রয়েছে। অনেকের বিশ্বাস, এজন্য মানুষ সরকারের নির্দেশনা নিজ থেকেই মেনে চলছে।

সুইডিশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি দ্য কারোলিনস্কা ইন্সটিটিউটের মহামারী বিশেষজ্ঞ ডা. এমা ফ্রানস আমি মনে করে, মানুষ পরামর্শ শুনতে অভ্যস্ত। কিন্তু এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে এসব পরামর্শ পর্যাপ্ত নয়। এজন্য আরও স্পষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

দেশটির জনসংখ্যাও একটা বড় প্রাসঙ্গিক নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে। দেশটির অর্ধেকের বেশি বাড়িতেই একজন করে মানুষ বাস করেন। এতে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা অনেক কমে এসেছে। অন্যদিকে সুইডিশরা বাইরে ঘুরতে পছন্দ করে।
কর্মকর্তারা বলছেন, নাগরিকদের শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে চান তারা। এজন্য জনগণকে ঘরে বন্দি করে রাখার মতো নিয়ম আরোপ করতে চান না। কিন্তু ইউরোপে করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি প্রতিদিন আগের চেয়ে খারাপের দিকে গড়াচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সুইডিশ সরকারের অভিনব প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় যুবলীগের উদ্দ্যোগে নিম্ন-আয়ের মানুষের মাঝে খাবার বিতরন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা ও সদর উপজেলা যুবলীগের যৌথ উদ্যোগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিম্ন-আয়ের ১’শ পরিবারের মাঝে চাল ,ডাল ,আলু ও পেঁয়াজ বিতরণ করা হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদকের নির্দেশনা মোতাবেক শহরের ৪ নং ওয়ার্ড সুলতানপুর ক্লাব মোড় সংলগ্ন বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিম্ন-আয়ের মানুষদের মাঝে চাউল ও শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়। চাউল ও শুকনা খাবার বিতরণ করেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম। এসময় জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক জহিরুল ইসলাম নান্টু, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, সাধারন সম্পাদক প্রভাষক মইনুল ইসলাম, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতা ওহেদ পারভেজ, মামুন প্রমুখ। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। পরবর্তীতে এ কার্যক্রম সদরের ১৪টি ইউনিয়নের নিম্ন-আয়ের মানুষের মাঝে পৌছে দেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
 করোনা ভাইরাস কে কেন্দ্র করে কলারোয়ায় কৃষকদের মুখে  হতাশার ছাপ
জাহাঙ্গীর আলম লিটন কলারোয়া    ঃ কলারোয়া উপজেলায় ইরি-বোর চাষাবাদে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকেরা। সরেজমিনে  ঘুরে দেখা যায় মাঠে ময়দানে চোখ ধাঁধানো সবুজের সমরোহ। এরই মাঝে মহামারী করোনা ভাইরাস কে কেন্দ্র করে শ্রমিক সংকটে পড়েছে চাষিরা। হয়তো বা শ্রমিক সংকটের কারণে কৃষকরা সময়মতো তাদের স্বপ্নের ধানগুলো ঘরে তুলতে পারবেন কি না বর্তমানে এই ভয়ই এলাকার কৃষকদের মনে। তারপরও যে সব স্থানীয় শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে গুনতে হচ্ছে দ্বিগুন শ্রমিক মূল্য। স্থানীয় কৃষক মোঃ আজগর আলী জানান আমাদের সঞ্চয় কৃত অর্থ ও বিভিন্ন এনজিও নিকট থেকে ঋণ নিয়ে ইরি-বোরো চাষ বাদে খরচ করেছি হাতে টাকা নেই সামনে কালবৈশাখী। যদি এভাবে চলতে থাকে তাহলে আমাদের পথে বসে যেতে হবে। এ ফসলের খরচ সবচেয়ে ব্যায়বহুল। তারপরও গুরুত্বের সাথে বোরো ধানের চাষবাদ করে আসছি।
তবুও সবকিছু উপেক্ষা করে জীবিকার তাগিদে  মাঠে কাজ করছে পুরুষ, কিশোর শ্রমিকরা। এছাড়াও দেখাযায়, পরিবারের পুরুষ সদস্যদের সহযোগিতা করতে নিরব নেই নারীরাও।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানাযায়, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলায় ১২ হাজার ১ শ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মহাসিন আলী জানান, বিগত দিনে এই উপজেলায় বোরো,আউশ ও আমন ধানে বাম্পার ফলন হয়েছে। এবারও ইরি ধানের বাস্পার ফলন হবে এমন লক্ষ্য নিয়ে আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছি। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে সকলের সম্মেলিত প্রচেষ্টায় এবারও ধানের বাম্পার ফলন হবে। তিনি আরও বলেন, কৃষকদের সার-কীটনাশকের চাহিদা পুরণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সার-কীটনাশকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যার কারণে সার-কীটনাশকের সঙ্কটের কোন সম্ভাবনা নেই এই উপজেলায়। কিন্তু মহামারী করোনা ভাইরাস এর  কারণে  কৃষকদের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।
কৃষকদের সাথে কথা বললে তারা জানায়, বিগত বছরের ন্যায় এবারও ইরি-বোরোর ভরা মৌসুমে সার ও সেচ কাজের জন্য সঠিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলে ইরি-বোরোতে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম , মোঃ জনাব আলী, হযরত আলী, এখন পর্যন্ত আাবহাওয়া ভালো আছে। কিন্তু মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে চাষিরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সামনের দিকে যদি আবহাওয়া ভালো থাকে তাহলে আশানানুরূপ ফলন উৎপাদন করা সম্ভব।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা সখিপুরে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ 
দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা সখিপুরে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরন ও জীবানু নাশক ঔষধ স্প্রে করা হয়েছে। রবিবার সকাল ১০ টা থেকে সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক উপজেলার সখিপুর ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য,মাঘরী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ টিমের টিম লিডার ও উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক নির্মল কুমার মন্ডলের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ওয়ার্ডের প্রতিটি বাড়িতে জীবানু নাশক ঔষধ স্প্রে করা হয়। এ ছাড়া ওয়ার্ডের প্রায় ৬০০ জনের মাঝে মাস্ক বিতরন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাজী মহল্লা জামে মসজিদের সভাপতি সৈয়দ হাসান জাহির,চক মোহাম্মদ আলীপুর বায়তুন নুর জামে মসজিদের সভাপতি সৈয়দ রিয়াসাৎ আলী,চকমোহাম্মদ আলীপুর জামে মসজিদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম জামাত আলী, কামটা জামে মসজিদের সভাপতি শাহিন হোসেন, সহ-সভাপতি রাজাউল্লা,সখিপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সদস্য অজয় চক্রবর্তী নুরুজ্জামান (ভনু) প্রমুখ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার আস্কারপুর কেন্দ্রীয়  আলীমিয়া কল্যাণ সংস্থার  খাদ্য সামগ্রী বিতরণ  
 দেবহাটা প্রতিনিধি:  সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলাধীন আস্কারপুর কেন্দ্রীয় আলীমিয়া কল্যাণ সংস্থার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ২৯ মার্চ রবিবার সকাল ১০ টায় আস্কারপুর কেন্দ্রীয় আলীমিয়া কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা, আধ্যাতিœক সাধক, আস্কারপুরের রূপকার হযরত শাহ্সুফি আলহাজ্ব আলীম বকস শাহ্ ওয়ার্ছী’র ওফাত শরীফ শুভ আগমন ও বর্তমান বিশ্বের করোনা মহামারীর জন্য প্রায় দুই শতাধিক দরিদ্র অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী (৫ কেজি চাল,৫ কেজি আলু,২ কেজি ডাল) বিতরণ করা হয়েছে। উক্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন আস্কারপুর কেন্দ্রীয় আলীমিয়া কল্যাণ সংস্থার সভাপতি আলহাজ্জ আকদাছ হোসেন (মন্টু)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, কোষাধ্যক্ষ প্রভাষক এস এম মহসীন আলী,কার্যনির্বাহী সদস্য আবু রায়হান ওয়ার্ছী, আব্দুল হালিম,আবু জাফর সরদার এবং বিভিন্ন শাখা সংস্থার নেতৃবৃন্দ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest