সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধনদেবহাটায় চোর সন্দেহে ধাওয়া : মালামাল ফেলে পালালেন কয়েকজনকালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কারসাতক্ষীরায় পৌরসভার বিল্ডিং কোড অমান্য করে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণের অভিযোগবাড়িতেই মজুত ছিল নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশ : র‌্যাবের অভিযানে ধরাসাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনী

আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪
আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার এজাহারনামীয় ও ওয়ারেন্টভুক্ত চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশি পাহারায় সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা হলেন—রাজাপুর গ্রামের মৃত মহিউদ্দিন সানার ছেলে মুকুল সানা (৪০)। তিনি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এজাহারনামীয় আসামি। এছাড়া শ্রীউলা গ্রামের মো. জব্বার গাজীর ছেলে মো. শওকত গাজী ও তার স্ত্রী মোছা. মাছুরা খাতুন সিআর ৪০/২৬ নম্বর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
অপরদিকে নাকতাড়া গ্রামের মাজেদ আলী কারিকরের ছেলে ফারুক হোসেন সিসি ৩৮৯/২৫ নম্বর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
আশাশুনি থানার ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের ধারাবাহিক বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে ১৭ সেপ্টেম্বর মিয়াওয়াকি বনায়নের শুভ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল হাসেম। অনুষ্ঠানে উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. নাসরিন আক্তারসহ কলেজের ১৬টি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, উত্তরণ ও প্র্যাকটিক্যাল এ্যাকশন এর কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশনের সহযোগিতায় উত্তরণ কর্তৃক বাস্তবায়িত জুরিখ ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম এর আওতায় কলেজ প্রাঙ্গণে এই মিয়াওয়াকি বন গড়ে তোলা হচ্ছে। কলেজের ৬৮ শতাংশ জমিতে বৃক্ষ, ভেষজ, গুল্ম, লতা এবং ঝোপ জাতীয় ১০০ প্রজাতির প্রায় ৮,০০০টি দেশীয় চারা রোপণের মাধ্যমে গড়ে উঠবে এই বন।

কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের তত্ত্বাবধানে এবং ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স ক্লাবের সদস্যদের অংশগ্রহণে পরিচালিত হবে এই উদ্যোগ। শিক্ষার্থীদের সক্রিয় সম্পৃক্ততার মাধ্যমে বনটির পরিচর্যা, সংরক্ষণ ও পরিবেশবিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

প্রকৃতি ভিত্তিক সমাধানের এই উদ্যোগ সাতক্ষীরা শহরে সবুজায়ন বৃদ্ধি, নগর তাপদাহের প্রভাব কমানো, পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখা এবং স্থানীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অবদান রাখবে।

একইসঙ্গে, এটি শিক্ষার্থীদের জন্য উদ্ভিদ পরিচিতি, পরিবেশ শিক্ষা, ব্যবহারিক জ্ঞান ও গবেষণার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক এমন উদ্যোগ জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তোলার পাশাপাশি তরুণদের পরিবেশ সংরক্ষণে আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে উৎসাহিত করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় চোর সন্দেহে ধাওয়া : মালামাল ফেলে পালালেন কয়েকজন
দেবহাটা  প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের তিলকুড়া গ্রামে চোর সন্দেহে স্থানীয়দের ধাওয়ার মুখে রড, চাল, কীটনাশকসহ বিভিন্ন মালামাল ফেলে পালিয়েছে একদল লোক। এ সময় তারা দেশীয় অস্ত্র ও কাঠের তৈরি একটি বন্দুক প্রদর্শন করে এবং দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের কয়েকজন জানান, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি ইঞ্জিনচালিত একটি ভ্যানে করে রড, চাল, কীটনাশকসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে তিলকুড়া সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা চিৎকার শুরু করেন। পরে তিলকুড়া ও আশপাশের এলাকার লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে তাদের ধাওয়া করেন।
স্থানীয় চিকিৎসক ডা. মিজানুর রহমান বলেন, গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে ওই ব্যক্তিরা ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করেন। একপর্যায়ে কাঠের তৈরি বন্দুক দিয়ে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়া হয় বলে তিনি দাবি করেন। তবে এতে গ্রামবাসী পিছু না হটে ধাওয়া অব্যাহত রাখেন বলেও জানান তিনি।
ইউপি সদস্য শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, স্থানীয়দের জোরালো ধাওয়ার মুখে একপর্যায়ে ওই ব্যক্তিরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যান। স্থানীয়দের দাবি, এসব মালামাল চুরি করে নেওয়া হচ্ছিল। পরে উদ্ধার হওয়া মালামালের বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে জানানো হয়।
সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং ফেলে যাওয়া মালামাল জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহিন বলেন, ফেলে যাওয়া মালামাল জব্দ করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় এবং মালামালগুলোর প্রকৃত উৎস তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ত্রাস মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হেমায়েত আলী ওরফে ‘ছোট বাবু’কে দলীয় পদসহ বিএনপির সব পর্যায়ের দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ বহিষ্কার আদেশ দেন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ্ পলাশ ও সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর নির্দেশক্রমে এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সৈয়দ হেমায়েত আলীকে মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদসহ দলীয় সব পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কার আদেশে তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক নীতিমালা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা, আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টায় সহযোগিতা, আওয়ামী লীগের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা, নারী ধর্ষ%ণের চেষ্টা, বাড়িঘর ভাঙচুর, দখলবাজি ও চাঁদা৳বাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, এসব অভিযোগ দলীয়ভাবে পর্যালোচনা ও বিবেচনার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের নির্দেশক্রমে এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বহিষ্কার আদেশ অনুযায়ী, এখন থেকে সৈয়দ হেমায়েত আলী বিএনপির কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশ নিতে বা দলীয় প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। তাঁর কোনো ধরনের অংশগ্রহণ বা প্রতিনিধিত্ব বিএনপির অনুমোদিত বলে গণ্য হবে না বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

দলীয় শৃঙ্খলা, আদর্শ, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ও দলের বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে বহিষ্কার আদেশের অনুলিপি কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ, মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং দলীয় সংরক্ষিত নথিতে পাঠানো হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পৌরসভার বিল্ডিং কোড অমান্য করে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কামালনগর এলাকায় পৌরসভার বিল্ডিং কোড ও নির্মাণ বিধিমালা অমান্য করে প্রতিবেশীর রের্কডীয় সম্পত্তির সীমানা দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আরিফা খাতুন নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। বিধি বহির্ভূত এই অবৈধ নির্মাণ কাজ বন্ধ ও সুষ্ঠু প্রতিকার চেয়ে পৌর প্রশাসকের কাছে যৌথ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ৫ নারী।

এলাকাবাসী এর প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের খুন জখম এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকিসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করেন ‍ওই নারী এবং স্বামী আমজিয়ার রহমান, ইকবাল হোসেন এবং গালিব হোসেন। এঘটনায় সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে। যার নং-৭৮৮, তা- ১২/০৯/২০২৬

অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, কামালনগর গ্রামের পলাশপোল মৌজার (জে.এল নং- ৯৪, খতিয়ান নং- ৬২৩, দাগ নং- ১৭৫৭৫, ১৭৬১৩ ও ১৭৬৯১) তফসিলভুক্ত জমিতে আরিফা খাতুন (স্বামী- আমজিয়ার রহমান) নতুন ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেন। তিনি পৌরসভার ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী ন্যূনতম কোনো খালি জায়গা না রেখে সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে কাজ চালাচ্ছেন। এমনকি ভবনের নিচের তলার বিম প্রতিবেশীদের সীমানায় এবং প্রথম তলার ছাদের কার্নিশ ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত চলাচলের রাস্তার ওপর প্রায় ৫ ফুট বাড়িয়ে নির্মাণ করেছেন।

ভুক্তভোগী মাহমুদা খাতুন, কামরুল নাহার, নিলুফা ইয়াসমীন, খালেদা বেগম ও সাহিদা বেগম জানান, প্রতিবেশীর এই অবৈধ নির্মাণের ফলে তাদের চলাচলের পথ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে নিজস্ব জমিতে ভবন নির্মাণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। স্থানীয়ভাবে নিয়ম মেনে কাজ করতে বলা হলেও অভিযুক্ত আরিফা খাতুন তা তোয়াক্কা না করে গায়ের জোরে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “পৌরসভার ন্যূনতম নিয়মকানুন তো মানাই হয়নি, উল্টো আমাদের নিজস্ব সীমানা দখল করে ছাদ ও বিম বাড়ানো হয়েছে। বাধা দিলে তিনি কোনো কথা শুনছেন না।”

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পক্ষ থেকে গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরা পৌর প্রশাসকের কাছে তদন্তপূর্বক অবৈধ নির্মাণ কাজ বন্ধের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও দৃশ্যমান হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাড়িতেই মজুত ছিল নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশ : র‌্যাবের অভিযানে ধরা

নিজস্ব প্রতিনিধি :  বাড়িতেই মজুত ছিল নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক। র‌্যাবের অভিযানে প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যের এসব পণ্য জব্দের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতে মশিয়ার রহমান নামে এক ব্যবসায়ীকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা পণ্য ধ্বংসেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে তালা উপজেলার লাউতাড়া গ্রামে মশিয়ার রহমানের বাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানে নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক মজুতের বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক মজুতের পাশাপাশি এসব পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত মশিয়ার রহমানকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে জব্দ করা পণ্য ধ্বংসের নির্দেশ দেওয়া হয়।

মশিয়ার রহমান লাউতাড়া গ্রামের ইমান আলী মোড়লের ছেলে। তিনি বিসিআইসি সার সাব-ডিলার হিসেবে ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি সার ও কীটনাশকের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।

ইউএনও জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বলেন, নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক কৃষি উৎপাদন ও কৃষকদের জন্য ক্ষতিকর। অভিযানে মশিয়ার রহমানের বাড়ি থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যের নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক জব্দ করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নিজস্ব প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা শহরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে যুবদল। মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে জেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্লিচিং পাউডার ছিটানো ও মশকবিরোধী ওষুধ প্রয়োগের ও লিফলেট বিতরনের মাধ্যমে এই কার্যক্রম চালানো হয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের খুলনা রোড মোড়, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল এলাকা, এসপি বাংলো মোড় ও পলাশপোল এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক প্রধান সমন্বয়ক আইনাল ইসলাম নান্টার নেতৃত্বে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ-সমন্বয়ক ফরিদ উদ্দিন, সহ-সমন্বয়ক আলিমুজ্জামান আলিম, সদর যুবদলের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক উজ্জ্বল সাধু এবং যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেনসহ জেলা ও স্থানীয় বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।

কর্মসূচি চলাকালে নেতারা শহরের সার্বিক পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ডেঙ্গু বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভা

জি.এম আবুল হোসাইন :
নির্যাতন ও শোষণের শিকার শিশুদের সুরক্ষা এবং তাদের অধিকার নিশ্চিতকরণে উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের ভূমিকা নিয়ে সাতক্ষীরায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সভাটি সদর উপজেলা সমাজসেবার আয়োজনে ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র কারিগরি সহায়তায় সমন্বয় সভাটি বাস্তবায়িত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত।

সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সমাজসেবা অধিদপ্তর খুলনার ও সহকারি পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাজমুন নাহার, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শরিফুল ইসলাম,
সনাক নাগরিক কমিটির সভাপতি তৈয়ব হাসান বাবু প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় সেশন পরিচালনা করেন,
ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. শরিফুল ইসলাম। এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র মো. আব্দুল মান্নান, আফরোজা সুলতানা, মো. মনির হোসেন, শুবেন্দু বর ও মো. মেহেদি হাসান।

সভায় শিশু নির্যাতন, শোষণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা, তাদের শিক্ষা ও সুস্থ্য বিকাশ নিশ্চিতকরণ এবং শিশু সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বক্তারা বলেন, শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সমাজ ও প্রশাসনকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে নির্যাতন ও শোষণের শিকার শিশুদের দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সুরক্ষা প্রদান জরুরি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest