সর্বশেষ সংবাদ-
সব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরসাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডেএবিপার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার মাসিক মতবিনিময় সভাআশাশুনিতে সুদ কারবারির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান ৭ আসামি গ্রেপ্তারদেবহাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী-স্বজনদের ডেঙ্গু বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষাসাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়াচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার : ৬টি মোবাইল জব্দদেবহাটায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভাসাতক্ষীরা সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনবিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবি 

সব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক : দেশে ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে সব ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণের নিদের্শনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার বিকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ইউনিয়নভিত্তিক খেলার মাঠ স্থাপন ও ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণ সংক্রান্ত সভায় প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন তার উপ প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা।

তিনি বলেন, “সারাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তুলে শিশু-কিশোর ও তরুণদের জন্য সুস্থ, সুন্দর ও ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর অংশ হিসেবে আগামী দুই মাসের মধ্যে সারাদেশে কমপক্ষে ১ হাজার খেলার মাঠ এবং ঢাকা মহানগরীতে অর্থাৎ উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় ২ থেকে ৩টি ওয়ার্ডে অন্তত একটি করে খেলার মাঠ স্থাপন নিশ্চিত করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

“ঢাকা মহানগরীতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪০টি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৯০টি মাঠ খেলাধুলার উপযোগী করে সেখানে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম চালুর বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে সভায়।”

উপ প্রেস সচিবের তথ্য অনুযায়ী সভায় বলা হয়, দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে খেলার মাঠ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ২৭টি জেলায় খেলার মাঠের জন্য ৪০৩টি খাসজমি চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি মাঠের আয়তন সর্বনিম্ন তিন থেকে সর্বোচ্চ আট বিঘা নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে। মাঠগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রতিটি উপজেলায় একজন করে ক্রীড়া কর্মকর্তা নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সুজাউদ্দৌলা বলেন, “ইউনিয়ন পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল ও ব্যাডমিন্টনসহ ১০টি ক্রীড়া ইভেন্ট চালু করা হবে। এতে প্রায় ১৪ লাখ কিশোর-কিশোরীকে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

“আগামী ৫ নভেম্বর খুলনা থেকে একযোগে ৫০৩টি উপজেলায় এই ক্রীড়া ইভেন্টের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় উপজেলা স্টেডিয়ামগুলো সচল ও খেলাধুলার উপযোগী করা, দখল হয়ে যাওয়া খেলার মাঠ উদ্ধার এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে নিয়মিত খেলাধুলা ও ক্রীড়া ক্লাব কার্যক্রম চালুর বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’’

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী দেশের সব খেলার মাঠ সংরক্ষণ, সারা বছর খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি সুস্থ, সুন্দর ও ক্রীড়াবান্ধব প্রজন্ম গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।”

সভায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমীন উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডে

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খাঁনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ হাসান ও অমিত হাসান শিপনকে পাঁচ দিন করে রিমাণ্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সাতক্ষীরার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম বিলাস মণ্ডল বৃহস্পতিবার এ রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন।

নাহিদ হাসান সাতক্ষীরা শহরতলীর ইটাগাছার গিয়াসউদ্দিনের ছেলে ও অমিত হাসান শিপন একই এলাকার হুমায়ুন কবীরের ছেলে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাতক্ষীরা ও সদর থানার এসআই আলমগীর হোসেন জানান. কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খাঁনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার ঘটনায় পুলিশ মঙ্গলবার কালিগঞ্জ উপজেলার শুইলপুর গ্রাম থেকে নাহিদ ও শিপনকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিনের রিমাণ্ড আবেদন জানানো হয়।

বৃহষ্পতিবার উভয়পক্ষের শুনানী শেষে বিচারক প্রত্যেককে পাঁচ দিন করে রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন।

প্রসঙ্গত, গত ২ অক্টোবর শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার অফিসের প্রধান ফটকের পাশে চায়ের দোকানের মালিক রবিউল ইসলামের ভাইপো বাপ্পি হাসানের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে নাহিদসহ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের। বাপ্পী হাসানকে বাঁচাতে যেয়ে নাহিদের ছুরিকাঘাতের শিকার হন কলেজ ছাত্র জাকারিয়া। পরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই শাহারিয়ার খাঁন বাদি হয়ে ০৩ অক্টোবর রাতে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা সাত জনকে আসামী করে সাতক্ষীরা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। এঘটনায় মামলার প্রধান আসামী নাহিদসহ ৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবিপার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার মাসিক মতবিনিময় সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবিপার্টি) সাতক্ষীরা জেলা শাখার মাসিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে পার্টির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পার্টির সভাপতি ডা: সালাউদ্দিন শাকিল।

সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক শাহীন আলমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক জি এম আবু সাঈদ, মো: শহিদুল ইসলাম, মো: আব্দুস সাত্তার, সুবর্ণা মন্ডল, তালা উপজেলার আহবায়ক দিপক দাশ, আশাশুনি উপজেলার আহবায়ক আজগর আলী, পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক মোছা: শিরিনা সুলতানা, কলারোয়া উপজেলার মো: মিজানুর রহমান, কালিগঞ্জ উপজেলার মো: জাকির হোসেনসহ অন্যরা।
সভায় স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া, সংগঠনকে গতিশীল করা এবং ১১ দলীয় জোটের ৩১ অক্টোবর খুলনা বিভাগীয় লং মার্চ সফল করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি গ্রহণসহ সার্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে সুদ কারবারির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনিতে মো. মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জমি দখল, জাল কাগজপত্র তৈরি করে ব্যাংক ঋণ গ্রহণ, হুমকি ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. আব্দুল হাই (৫২) নামে এক ব্যবসায়ী।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ৩টায় আশাশুনি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন উপজেলার বুধহাটা গ্রামের মৃত মনিরুদ্দীন সরদারের ছেলে আব্দুল হাই।
লিখিত বক্তব্যে আব্দুল হাই বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বুধহাটা ইউনিয়নে সুনামের সঙ্গে অটো রাইস মিল ও চাতাল ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। পাশাপাশি গত ১০-১৫ বছর ধরে সরকারি কর পরিশোধের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের আশাশুনি শাখার খাদ্যগুদামে চাল সরবরাহ করে আসছেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সহযোগিতা এবং দরিদ্র মানুষের পাশে থাকার দাবিও করেন।
আব্দুল হাই অভিযোগ করেন, তার সুনাম ক্ষুণ্ন করতে নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত এমান আলী গাজীর ছেলে মো. মিজানুর রহমান গত ৭ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন’ সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
তিনি বলেন, বুধহাটা গ্রামের মৃত তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে মো. মোতাহার হোসেনের কাছ থেকে ৪০৬৮ নম্বর কবলা দলিলের মাধ্যমে তিনি জমি ক্রয় করেন। সংশ্লিষ্ট খারিজ খতিয়ান ২৩০৫ নম্বরের ২৭০৫, ২৭০৬ ও ২৭১০ দাগে জমির উল্লেখ রয়েছে। তার দাবি, ক্রয়কৃত জমির মধ্যে ৫.২৯ শতক জমি মিজানুর রহমান জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন।
আব্দুল হাই আরও অভিযোগ করেন, জমির দখল বুঝে নিতে চাইলে মিজানুর রহমান বিভিন্নভাবে তালবাহানা ও ষড়যন্ত্র করতে থাকেন। পরে দখল উদ্ধারের জন্য তিনি আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে পুলিশ নোটিশ জারি করে এবং ওই জমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় বলেও তিনি দাবি করেন।
তার অভিযোগ, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিজানুর রহমান রাতের আঁধারে লোকজন নিয়ে পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু করেন। এছাড়া জমির কাগজপত্র জাল করে ভুয়া নামজারি ও খাজনা দাখিলা তৈরি করে সোনালী ব্যাংকের বুধহাটা শাখা থেকে ৩০ লাখ টাকা ঋণ নেওয়ার অভিযোগও করেন আব্দুল হাই।
তিনি বলেন, তার ক্রয়কৃত জমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণে বাধা দিলে তাকে চাঁদাবাজির মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ১৪৫ ধারার আদেশ অমান্যের অভিযোগে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায় মামলা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন তিনি।
এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মো. ইউনুচ আলীর বসতভিটা ভাঙচুরের ঘটনায়ও মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল হাই তার বিরুদ্ধে করা অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে ক্রয়কৃত জমির দখল বুঝে পেতে এবং অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান ৭ আসামি গ্রেপ্তার
আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিজ্ঞ আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (৮ অক্টোবর) আশাশুনি থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—আশাশুনি উপজেলার শীতলপুর গ্রামের মো. ইয়াছিন গাজীর ছেলে ইমন হোসেন (২২), একই গ্রামের জালাল গাজীর ছেলে মেহেদী হাসান (২০), কলিমাখালী গ্রামের আব্দুর হাকিম সানার ছেলে সোহরাব হোসেন, একই গ্রামের মোতালেব সরদারের ছেলে ফারুক হোসেন বিল্টু, নাকতাড়া গ্রামের আব্দুল সানার ছেলে আজিজুল ইসলাম, বুধহাটা গ্রামের শিবানন্দ দে’র ছেলে আব্দুল্লাহ ওরফে জয়দেব (৩০) এবং কাটাখালী গ্রামের মৃত আব্দুর রউফ সানার ছেলে ইয়াকুব আলী সানা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ইমন হোসেনের বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানার সিআর-৩৬৬/২৬ এবং মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে সিআর-৩৬৩/২৬ মামলা রয়েছে। সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে সিআর-১৪৩/২২, ফারুক হোসেন বিল্টুর বিরুদ্ধে পারিবারিক জারি ০৫/২০, আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে আশাশুনি থানার সিআর-৩৫০/২৫, আব্দুল্লাহ ওরফে জয়দেবের বিরুদ্ধে টিআর-১৮০/২১ ও জিআর-৬২/১৯ এবং ইয়াকুব আলী সানার বিরুদ্ধে আশাশুনি থানার সিআর-১৫৭৪/২৫ মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে।
আশাশুনি থানার ওসি শাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃত ৭ আসামিকে পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ওসি শাহিদুর রহমান বলেন, আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে আশাশুনি থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী-স্বজনদের ডেঙ্গু বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা

দেবহাটা প্রতিনিধি : ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও ডেঙ্গু বিষয়ে সঠিক ধারণা দেওয়ার লক্ষ্যে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য শিক্ষা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রুটিন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি রোগী ও তাঁদের স্বজনদের মাঝে ডেঙ্গু বিষয়ক স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদান করা হয়।

এ সময় ডেঙ্গুর কারণ, লক্ষণ, প্রতিরোধের উপায় এবং আক্রান্ত হলে করণীয় বিষয়ে রোগী ও স্বজনদের সচেতন করা হয়। বিশেষ করে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করা, পানি জমতে পারে এমন পাত্র নিয়মিত পরিষ্কার রাখা এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য শিক্ষা কার্যক্রমে ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার বিষয়ে রোগী ও স্বজনদের পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিকভাবে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো: সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এ স্বাস্থ্য শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে তাঁরা মনে করেন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়াচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার : ৬টি মোবাইল জব্দ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলায় অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-র বিশেষ অভিযানে ৩ জন অনলাইন জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ডিবি পুলিশের ইনচার্জ মাহমুদুর রহমান জানান, গত ৭ অক্টোবর আশাশুনি থানাধীন প্রতাপনগর বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, আশাশুনি থানার দীঘলারআইট গ্রামস্থ রুহুল আমিন শেখ এর বসতবাড়ির উঠানে অনলাইনে বিভিন্ন অ্যাপস ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অবৈধ জুয়া খেলা চলছে। এমন সংবােদর ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের টিমটি ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।

আশাশুনির চাকলা গ্রােমর আল আমিন শেখের পুত্র ইয়াসিন হোসেন, সোনাতনকাটি গ্রামের আজিজুল সানার পুত্র মো: শরিফুল ইসলাম এবং শ্যামনগর উপজেলার চাউলখোলা গ্রামের নুর মোহাম্মাদ সানার পুত্র নূরে আলম হোসেন।

গ্রেপ্তারের সময় আসামিদের হেফাজত থেকে অনলাইন জুয়ায় ব্যবহৃত ৬টি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনগুলো পরীক্ষা করে আন্তর্জাতিক অনলাইন জুয়ার সাইট অনএক্সবেড, মিলবিট এবং মবক্যাশ এর ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ডের সন্ধান পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় এসআই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় এজাহার দায়ের করলে আশাশুনি থানার মামলা নম্বর-০৯ (তারিখ: ০৭/১০/২০২৬ ইং, ধারা- জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর ১৬/১৭/২৭) রুজু হয়। আটককৃত আসামিদের বিধি মোতাবেক পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রশাসনের উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা।
সভায় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা থানার এসআই বিলায়েত হোসেন, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক বাবু, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, দেবহাটা পল্লী বিদ্যুতের এজিএম মাছুম বিল্লাহ, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেনসহ বিভিন্ন দপ্তর, রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পূজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধিরা।

এছাড়া উপজেলা দুর্নীতি দমন কমিটির সভাপতি চন্দ্র কান্ত মল্লিক, টাউনশ্রীপুর বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার ফরিদ হোসেন, দেবহাটা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নুরুল ইসলাম, দেবহাটা আনসার-ভিডিপির সহকারী কোম্পানি কমান্ডার নুর হোসেন, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক অজয় কুমার, গাজীরহাট মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক অলোক কুমার, দেবহাটা বাজার পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ঝন্টু দে, দেবহাটা ফুটবল মাঠ মন্দির কমিটির সভাপতি দিপঙ্কর ঘোষ এবং দক্ষিণ পারুলিয়া মন্দির কমিটির সভাপতি ও ইউপি সদস্য অসীম কুমারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে মন্দিরগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রতিটি মন্দিরে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন, সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক প্রতিমা দর্শনের ব্যবস্থা রাখার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এছাড়া উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসনের পৃথক ভিজিল্যান্স টিম দায়িত্ব পালন করবে এবং আনসার ও পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথা জানানো হয়।

সভায় উপজেলার ২১টি দুর্গাপূজা মন্দিরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest