সর্বশেষ সংবাদ-
অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানাতালায় জেলে-কৃষকের জীবন-জীবিকার কথা শুনলেন ড. হোসেন জিল্লুরদেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণবৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ : ধীরগতির কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীসাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসিরবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্তদেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তআশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণপারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টাদেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরায় নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে মুক্তাদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি খুলনা জেলার পাইকগাছা এলাকার বাসিন্দা।

শুক্রবার বিকেলে শ্যামনগরের নীলডুমুর বিজিবি ক্যাম্পে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত হোসাইন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাতে গাবুরার লেবুবুনিয়া এলাকার নদী থেকে একদল দুর্বৃত্ত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে ১৭ বিজিবিকে খবর দেন। সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত বালগেট (বালু উত্তোলনের মেশিন) জব্দ করে ক্যাম্পে নিয়ে যান।

১৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আবু সহল আব্দুল্লাহ বলেন, “স্থানীয়দের সংবাদের ওপর ভিত্তি করেই বিজিবি সদস্যরা বালগেটটি আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা অনাদায়ী সম্পন্ন করেন।”

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিফাত হোসাইন জানান, শ্যামনগর উপজেলায় কোনো অনুমোদিত বালুমহাল নেই। অবৈধভাবে নদী থেকে বালু তুলে পরিবেশ ও নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ নষ্ট করার অপরাধে অভিযুক্ত মুক্তাদুল ইসলামকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় জেলে-কৃষকের জীবন-জীবিকার কথা শুনলেন ড. হোসেন জিল্লুর

তালা প্রতিনিধি: জলদস্যুদের হামলা ও হুমকি, খাসজমি বন্দোবস্ত, পানি সংকট এবং নদী-খালের নাব্যতাসহ নানা সমস্যার কথা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমানের কাছে তুলে ধরেছেন সাতক্ষীরার তালার জেলে, কৃষক, ভূমিহীন, আমচাষি ও মৎস্যচাষিরা।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার গোনালী নলতা, হরিচন্দ্রকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হলরুমে এসব মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ‘পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার’ (পিপিআরসি)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ও ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান মতবিনিময়ে স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা ও সমস্যার কথা শোনেন। জেলে ও মৎস্যজীবীরা নদী ও জলাশয়ের ওপর নির্ভরশীলতা, মাছ ধরতে গিয়ে নিরাপত্তাহীনতা এবং জলদস্যুদের হামলা ও হুমকির কথা তুলে ধরেন।

কৃষক ও আমচাষিরা পানি সংকটসহ কৃষির বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা জানান। ভূমিহীনরা খাসজমি বন্দোবস্তের সমস্যা তুলে ধরেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার উন্নয়ন ও জীবন-জীবিকার বিভিন্ন বিষয়েও মতামত দেন।
ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জবাবদিহিতা। আর জবাবদিহিতা কার্যকর করতে হলে মাঠপর্যায়ের মানুষের কথা শুনে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তথ্যনির্ভর পরামর্শ তৈরি করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘জেলে পরিবার, ভূমিহীন, কৃষক, মৎস্যচাষি ও আমচাষিদের দুঃখ-দুর্দশার কথা ধারাবাহিকভাবে শুনেছি। এখানকার বড় সমস্যাগুলোর মধ্যে জলদস্যুদের আক্রমণ ও হুমকির বিষয়টি উঠে এসেছে। খাসজমি বন্দোবস্ত নিয়েও সমস্যার কথা শুনেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে না এলে স্থানীয় মানুষের বাস্তব সমস্যাগুলো এতটা কাছ থেকে বোঝা সম্ভব হতো না।’
মতবিনিময় সভা পরিচালনা করেন খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু।
এ সময় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ এম. হাশেমী, পিপিআরসির সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট নমিরা শামীম, জেন্ডার স্পেশালিস্ট মাহবুবা হক ও কমিউনিকেশন ম্যানেজার জয়ন্ত কুমার পাল উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ
দেবহাটা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার দেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং এমএম মেডিকেল সেন্টারের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার ঈদগাহ বাজারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ ইমরানুল হক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, সখিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মঈনউদ্দীন ময়না, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর কে বাপ্পা, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল,
সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম রেজাউল করিম, সমাজসেবক আনারুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ, মুফতি মুশাররফ হুসাইন, সহকারী অধ্যাপক ফিরোজ শাহ আলম, সাবেক শিক্ষক আলহাজ্ব এরশাদ আলী মাস্টার, ডাঃ মোঃ রবিউল ইসলাম, ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহম্মেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদেরসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অলিউল ইসলাম ও ফারিহা তৃষা।
এসময় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ৬২টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে তাদের মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদেরও সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা মানবিক ও সামাজিক কাজে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও অসহায় মানুষের পাশে থেকে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
দিনব্যাপী আয়োজনের শেষপর্বে সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ : ধীরগতির কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা :  সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া থেকে গাজীরহাট পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উন্নয়নকাজ চলমান থাকলেও ধীরগতির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হচ্ছে ছোট-বড় খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতা। এতে সড়কটি অনেকটা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কুলিয়া থেকে গাজীরহাট পর্যন্ত এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। বর্তমানে সড়কের উন্নয়নকাজ চললেও কাজের গতি খুবই ধীর। ফলে নির্মাণাধীন সড়কে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

বৃষ্টির সময় সড়কের বিভিন্ন অংশে পানি জমে গর্ত ও খানাখন্দ ঢেকে যায়। এতে পথচারী ও যানবাহন চালকদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াতে চরম অসুবিধা হচ্ছে। সড়কের বেহাল ও পিচ্ছিল অবস্থার কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনাও ঘটছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী বলছেন, সড়কের উন্নয়নকাজ শুরু হওয়ায় তারা আশায় বুক বেঁধেছিলেন—দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ এবার বুঝি শেষ হবে। কিন্তু কাজের ধীরগতির কারণে সেই আশাও এখন অনেকটা হতাশায় পরিণত হয়েছে। কবে নাগাদ কাজ শেষ হবে এবং কবে তারা স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রাস্তার কাজ হচ্ছে—এটা ভালো কথা। কিন্তু এত ধীরগতিতে কাজ হলে সাধারণ মানুষকে আর কতদিন দুর্ভোগ পোহাতে হবে?” দ্রুতগতিতে কাজ শেষ করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানান তারা।

স্থানীয়দের মতে, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কটি এলাকার মানুষের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। প্রতিদিন শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে রোগী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। তাই কাজের ধীরগতি অব্যাহত থাকলে দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাদের দাবি, নির্মাণকাজের মান ঠিক রেখে দ্রুতগতিতে কাজ সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি বৃষ্টির পানি যাতে সড়কে জমে না থাকে, সে জন্য কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা জরুরি।

দেবহাটাবাসীর এখন একটাই প্রশ্ন—কুলিয়া থেকে গাজীরহাট সড়কের এই ভোগান্তি থেকে তারা কবে মুক্তি পাবেন?
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে কাজের গতি বাড়িয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সড়কের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করবেন, যাতে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটে এবং নিরাপদে চলাচল করতে পারেন সাধারণ মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসির

নিজস্ব প্রতিনিধি:
দুর্যোগের আগেই সাইক্লোন সেন্টারগুলো প্রস্তুত করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ।

মঙ্গলবার (০৩ সেপ্টেম্বর ) জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি, সাতক্ষীরা আয়োজনে ‘বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাসভিত্তিক আগাম সাড়াদান কর্মসূচি ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে দুর্যোগ প্রতিক্রিয়াশীলকরণ এবং জলবায়ু ঝুঁকি বীমা কর্মসূচি’ বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত কর্মশালায় জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ বলেন, ঘূর্ণিঝড় বা কোনো বড় ধরনের দুর্যোগ আঘাত হানার আগেই সাইক্লোন সেন্টারগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় মেরামত ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। দুর্যোগের সময় ক্ষয়ক্ষতি শুরু হওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিরাপদে সাইক্লোন সেন্টারে নেওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি সাইক্লোন সেন্টারের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট সব কমিটি, সদস্যদের দায়িত্ব ও করণীয়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত হালনাগাদ করে উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।

কর্মশালায় প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। এতে দুর্যোগের পূর্বাভাস পাওয়ার পর আগাম সাড়াদান, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে দুর্যোগ প্রতিক্রিয়াশীল করা এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বীমা কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এবং জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা।

এ ছাড়া দাতা সংস্থার প্রতিনিধি, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ডাবলুএফপি খুলনা ফিল্ড অফিসের প্রধান আল মামুন আজাদ, বাস্তবায়নকারী সংস্থা সুশীলনের
উপ-পরিচালক জিএম মনিরুজ্জামান সমন্বয়কারী মো. ইমরান হোসেন, মিল কো-অর্ডিনেটর মো: খালিদ মাহমুদ উপজেলা সমন্বয়কারী নিখিল রঞ্জন ও মো: আয়ুব আলী উপস্থিত ছিলেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্ত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের উদ্যোগে সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের পৌর দীঘিতে এ মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। জেলা মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কমো. মাহমুদুল হকের ব্যবস্থাপনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমাতুল্লাহ পলাশ ও সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা মৎস্যজীবী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বাবলু,মৎস্যজীবীদলনেতা আরাফাত হোসেন, জিকু,সেলিম, জেলা তাঁতিদলের নেতা বুলবুল, জেলা তারেক মঞ্চের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন, বিএনপিনেতা রনজিত ঢালী প্রমুখ। এসময় বিএনপি ও মৎস্যজীবী দলের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন । মাছের পোনা অবমুক্ত করার পরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন নেতারা।

মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তাঁরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পুকুর ও জলাশয়ে প্রায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে এ মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের গৃহীত কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের পুকুর ও জলাশয়ে এসব মাছের পোনা বিতরণ ও অবমুক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার মণ্ডল, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে. বাপ্পাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, মাছের পোনা অবমুক্তকরণের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব। অবমুক্ত করা পোনাগুলোর সঠিক পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। সরকার যে উদ্দেশ্যে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিনামূল্যে মাছের পোনা বিতরণ করছে, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর দেবহাটা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা বিতরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ
আশাশুনি প্রতিনিধি:
গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিত্যপণ্য ন্যায্য মূল্যে আশাশুনির কাদাকাটিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলার দরগাপুর ইউনিয়নে খরিয়াটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এসব পন্য সামগ্রি বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
প্রাণের আলো ফাউন্ডেশন ও ডেইলী সেবা বাংলাদেশ এর আয়োজনে প্রাণের আলো ফাউন্ডেশনের ডিলার রিলেশন অফিসার রাসালে আহমেদ, দরগাপুর ইউনিয়ন বিএনপি সেক্রেটারি মোহাম্মাদ হাফিজুল ইসলাম, খরিয়াটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক চিত্তরঞ্জন, সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী শিক্ষক বিশ্বজিৎ, সাবেক ইউপি সদস্য মাহামুদ আলী, মুনসুর আলী, মিজানুর রহমান, রাহাত হোসাইন, সাগর আহমেদ সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এসময় ৭৫৫ ব্যক্তিকে সোয়াবিন তেল ২ লিঃ, ডাল ১ কেজি, আটা ১ কেজি, লবণ ১ কেজি, সরিষার তেল ২০০ এমএল, ডিটার্জেন্ট পাওডার অর্ধ কিঃ, গায়ে মাখা সাবান ১০০ গ্রাম, ডিশ ওয়াশ ৫০০ গ্রাম একটি করে প্যাকেজ বিতরণ করা হয়। প্রতি প্যাকেজের মূল্য ৬৩০ টাকা। বিতরণকারী সংস্থা ২২ ধরনের প্যাকেজে মালামাল বিতরণ করে থাকে। বর্তমান সময়ে ১১ নং প্যাকেজের মালামাল বিতরণ করা হচ্ছে। প্রত্যেক ইউনিয়নে মাসে ৩ দিন করে ৩ স্থানে মালামাল বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে জেলার সকল উপজেলার সব কয়টি ইউনিয়নে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য বিতরণ করা হবে। স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পেয়ে এলাকার নিম্নআয়ের মানুষ আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest