সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারী

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের একটি সিমেন্টের খুঁটি আকস্মিকভাবে ভেঙে পড়ে একটি ইজিবাইকের ওপর। এতে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি থেকে রক্ষা পেয়েছেন পথচারী, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও হোটেলে অবস্থানরত লোকজন। তবে খুঁটির নিচে চাপা পড়ে ইজিবাইকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ ঘটনায় আশাশুনি বাজার ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকার ডিস ও ওয়াইফাই লাইনসহ বিভিন্ন সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে আশাশুনি সদরের জনতা ব্যাংক মোড়ে আজহারুলের হোটেলের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ বিকট শব্দে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটিটি ভেঙে রাস্তার ওপর পড়ে যায়। এ সময় খুঁটির সঙ্গে থাকা বিপুলসংখ্যক বৈদ্যুতিক, ডিস ও ইন্টারনেটের তার ছড়িয়ে পড়ে পুরো সড়কে। খুঁটিটি ধান্যহাটি গ্রামের গণেশ মণ্ডলের ছেলে ঝন্টু মণ্ডলের একটি ইজিবাইকের ওপর পড়লেও সৌভাগ্যক্রমে ওই সময় ইজিবাইকে কোনো যাত্রী বা চালক ছিলেন না। ফলে অল্পের জন্য বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়। পাশের হোটেল ও সড়কে থাকা লোকজনও দৌড়ে নিরাপদে সরে গিয়ে রক্ষা পান।

স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার পর সড়কের ওপর অসংখ্য বৈদ্যুতিক ও ইন্টারনেটের তার ছড়িয়ে পড়ায় জনসাধারণের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে আশাশুনি বাজার ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় ডিস ও ওয়াইফাই সেবা বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে আশাশুনি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিদ্যুৎ সংযোগ ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ভেঙে পড়া খুঁটি অপসারণ এবং সংস্কারের কাজ শুরু করেন।
আশাশুনি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, “লবণাক্ততার কারণে সিমেন্টের পোলটিতে লোনা ধরে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছিল। এরই মধ্যে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে পোলটি ভেঙে পড়ে। দ্রুত সংস্কারের কাজ চলছে।”

স্থানীয়দের দাবি, জনবহুল আশাশুনি বাজার এলাকায় দীর্ঘদিনের পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং তারগুলো দ্রুত পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শরিফুল ইসলাম।

সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সভার রঞ্জন শিকদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, হেড এর নির্বাহী পরিচালক লুইস রানা গাইন, ডিবিসি নিউজের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি এম. বেলাল হোসাইন, ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স এর এইচ আর অ্যান্ড এডমিন অফিসার ক্লেমেন্ট সেতু মন্ডল।

অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সম্প্রীতি এইড এর সহকারী পরিচালক মলি শিকদার, সম্প্রীতি বাক শ্রবণ প্রতিবন্ধী কল্যাণ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আছাদুল ইসলাম।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও বা ব্যক্তিরা সমাজের বোঝা নন, সম্পদ। যথাযথ যত্ন নিতে পারলে তারা বিশ্ব জয় করতে পারবে। সুতরাং তাদেরকে অবহেলা করা যাবে না, তাদের বেশি বেশি গুরুত্ব দিতে হবে, সময় দিতে হবে। তাহলেই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিরা এগিয়ে যাবে। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিং

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা’র শ্যামনগর উপজেলায় সোমবার সকাল ১০ টায় ডিজএ্যাবল্ড রিহ্যাবিলিটেশন এন্ড রিসার্চ এসোসিয়েশন (ডিআরআরএ)এর পিএসিই প্রকল্পের আয়োজনে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও ক্রিশ্চিয়ান এইড এর সহযোগিতায়
প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের জন্য সরকারি সেবার প্রাপ্যতা, সহজপ্রাপ্যতা মান ও জবাবদিহি আরও শক্তিশালী করার লক্ষে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে পাবলিক হেয়ারিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জনাব এস এম দেলোয়ার হোসেন ,সভাপতিত্ব করেন আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব আবু সালেহ বাবু,
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক,বিশেষ অতিথি হিসাবে আরো ছিলেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা কার্তিক চন্দ্র মন্ডল সহ ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারগন ওপিডি লিডার গন সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিগন
ডিআরআর থেকে ছিলেন মি: দেবেশ দাস, পিএসিই প্রকল্পের ফিল্ড অর্গানাইজার লিপিকা মন্ডল প্রমুখ।

পাবলিক হেয়ারিং এ কমিউনিটি স্কোর কার্ডের ফলাফল ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন মি দেবেশ দাস টেকনিক্যাল কোঅডিনেটর,উম্নক্ত আলোচনায় প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিরা বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। সেগুলো নিয়ে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বিশদ ভাবে আলোচনা করেন। পাবলিক হেয়ারিং এ বক্তারা প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি সেবাগুলোকে আরো সহজপ্রাপ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক,বৈষম্যহীন ও জবাবদিহি মূলক করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ডিআরআরএ এর প্রকল্প সমন্বয়কারী জি এম নূরুন্নবী হাসান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি :  প্রায় এক দশক আগে পরিবারের সঙ্গে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নের চৌদ্দরশি গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় চলে গিয়েছিলেন মরিয়ম খাতুন। জীবনের শেষ যাত্রায় আবারও সেই গ্রামের মাটিতেই ফিরলেন তিনি। তবে জীবিত নয়, নিথর মরদেহ হয়ে।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে গাবুরা ইউনিয়নের সরদারপাড়ায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। দাফনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিউল আলম পাটোয়ারী।

এর আগে রাত প্রায় ১১টার দিকে কপোতাক্ষ নদ পেরিয়ে ট্রলারে করে মরিয়মের মরদেহ গাবুরার সরদারপাড়ায় পৌঁছায়। ঢাকায় ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ সাতক্ষীরায় আনা হয়। পরে সড়কপথে ও নদীপথ পেরিয়ে মরদেহ পৌঁছায় তার জন্মভূমিতে। সঙ্গে ছিলেন মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ, মা, দাদি, নানি, ফুপা, ফুপি ও ছোট চাচা মোতাসিম বিল্লাহসহ স্বজনরা।

মরদেহ পৌঁছানোর পর গাবুরা পশ্চিমপাড়া সরদারবাড়ি জামে মসজিদের পাশে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা নুরুল হুদা জানাজায় ইমামতি করেন। এতে স্বজনদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা, ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা এবং শ্যামনগর থানার এসআই অনিরুদ্ধ রায় ও বদিউজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে রাত ১টার দিকে পারিবারিক কবরস্থানে মরিয়মকে দাফন করা হয়।

জানাজায় ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা মরিয়মের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করতে উপস্থিতদের প্রতি আহ্বান জানান।

মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম ও ওবায়দুল্লাহকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকসুদা বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে।

এর আগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মরিয়মের পরিবারের অভিযোগ, তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় আইলায় বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ পরিবার নিয়ে চৌদ্দরশি গ্রাম ছেড়ে প্রথমে শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুর এলাকায় এবং পরে যশোরের নওয়াপাড়ায় বসবাস করেন। প্রায় ৮ থেকে ১০ বছর আগে পরিবারটি ঢাকায় চলে যায়। এরপর মগবাজার ও পল্লবী-কালশী এলাকায় বসবাস করছিল তারা।

দীর্ঘদিন পর সেই চৌদ্দরশির মাটিতেই শেষ ঠিকানা হলো মরিয়মের। জীবনের শেষ যাত্রায় নিজের শেকড়ের কাছে ফিরলেন তিনি—নিথর মরদেহ হয়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগর
ডেস্ক রিপোর্ট:  সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্ম*হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে পুরো সংসদীয় এলাকা। অবিলম্বে তাঁর সংসদ সদস্যপদ বাতিল ও ফাঁ*সির দাবিতে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলার সচেতন নাগরিক কমিটির ব্যানারে শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন সাতক্ষীরা-মুন্সিগঞ্জ মহাসড়কে এ প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি বক্তব্য রাখেন নওয়াবেকী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান মিঠু, নূরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আবু ইউসুফ এবং বিএনপি নেতা আবুল কালামসহ অনেকে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, এমপি গাজী নজরুলের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাই অবিলম্বে তাঁকে ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জোরালো দাবি জানান তাঁরা। একই সঙ্গে তাঁরা বর্তমান সংসদ সদস্যের পদ বাতিল করে এ আসনে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানান।

প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ এমপি গাজী নজরুলের কুশপত্তলিকা দাহ করে ঘটনার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এর আগে গত ২০ জুলাই ঢাকার একটি আবাসিক হোটেলে তরুনী মরিয়মের সাথে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে গাজী নজরুল সমর্থকরা এটিকে এআই দাবি করলেও ২২ জুলাই মরিয়ম তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করেন। এবং গত ১৭ ‍জুন তাকে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ করেন মর্মে দাবি করেন। এঘটনায় তার সদস্য পদ বাতিলসহ শাস্তির দাবিতে ফুঁসে ‍উঠে শ্যামনগরের মানুষ। পরে নৈতিক স্খলনের দায়ে দল থেকে বহিস্কার করে জামায়াত ইসলামী। পরে ওই তরুনী মরিয়মও নিজেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বক্তব্য দেন।
এদিকে মরিয়মের মামা গাজী নজরুল ইসলামের সাবেক গাড়ী চালকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওবায়দুর রহমান। উক্ত গত ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকা হাইকোর্টে হাজির হয়ে আগামী জামিন গ্রহণ করেন। ওই দিন সন্ধ্যার পর ন্যাম ভবন থেকে মরিয়মের মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর আবারো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শ্যামনগর।#
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল সাতক্ষীরা জেলা শাখার পাঁচ সদস্যের আংশিক নতুন কমিটি ঘোষণা করায় আনন্দ মিছিল করেছেন যুবদলের নেতা-কর্মীরা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শহরের মাওয়া চায়নিজ রেস্টুরেন্টের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর জাতীয় ও দলীয় পতাকা এবং ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চায়না-বাংলা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমাতুল্লাহ পলাশ, সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, নবগঠিত জেলা যুবদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান মুকুল ,সহসভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান প্রিন্স, সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল আলম বাবু, মাসুম রানা সবুজসহ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, যেখানে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মিছিল হবে, সেই এলাকার জাতীয়তাবাদী দলের কমিটি বাতিল করা হবে।

এর আগে হাফিজুর রহমান মুকুলকে সভাপতি, শেখ মনিরুজ্জামান প্রিন্সকে সহসভাপতি, মো. শফিকুল আলম বাবুকে সাধারণ সম্পাদক, মমতাজুল ইসলাম চন্দনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মাসুম রানা সবুজকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের পাঁচ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
 নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ৯ বছরের শিশু ফারজানা খানমকে নৃশংসভাবে হত্যার পর অভিযুক্ত নারী গণপিটুনিতে নিহতের ঘটনায় মিথ্যা মামলা ও নিরপরাধ মানুষের হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নিহত শিশু ফারজানার পরিবার ও স্থানীয় নিরাপরাধ লোকজনকে হত্যা মামলায় জড়ানোর তীব্র প্রতিবাদ এবং ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে নিহত শিশু ফারজানার মা নাজমা খাতুন বলেন, তাঁর স্বামী এনামুল হক পেশায় একজন শ্রমিক। তাঁদের সন্তানের মধ্যে ফারজানা খানম স্থানীয় কাজলা কাশিবাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত। গত ২০ জুলাই সকালে প্রতিদিনের মতো স্কুলে যায় ফারজানা। দুপুরে টিফিনের বিরতির পর ফারজানা বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন স্কুলে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করে দেখেন শ্রেণিকক্ষের টেবিলে তার বই ও ব্যাগ পড়ে রয়েছে, কিন্তু শিশুটি অনুপস্থিত। দীর্ঘ সময় স্কুলে ফারজানা না থাকলেও শিক্ষকরা বিষয়টি পরিবারকে জানাননি বা কোনো খোঁজখবর নেননি। এ ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবহেলাকে কোনোভাবেই এড়ানো যায় না বলে নাজমা খাতুন উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ফারজানার মা আরও জানান, পরে সহপাঠীদের সূত্রে তাঁরা জানতে পারেন যে ফারজানা পাশ্ববর্তী সুমাইয়া নামের এক নারীর দোকানে ঝালমুড়ি কিনতে গিয়েছিল। এর পর থেকে তাকে আর পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফারজানার স্বজনরা সুমাইয়ার কাছে জানতে চাইলে সে অসংলগ্ন আচরণ শুরু করে। এতে উপস্থিত জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সুমাইয়ার ঘর তল্লাশি করে ড্রয়ারের ভেতর থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিশু ফারজানার মরদেহ উদ্ধার করে।

কানের স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নিতে ফারজানাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারনা করা হয় এবং মরদেহ উদ্ধারের পর উপস্থিত শত শত উৎসুক ও উত্তেজিত জনতা ফারজানাকের হত্যর অভিযোগে সুমাইয়াকে গণপিটুনি দেয়। সে সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা না রেখে ‘নীরব দর্শকের’ ভূমিকা পালন করে বলে অভিযোগ করেন শিশুটির মা। ফলে গণপিটুনিতে আহত হয়ে সুমাইয়া মারা যান।

একদিকে সন্তানকে হারানোর ভয়াবহ শোক, অন্যদিকে অসুস্থ হয়ে পড়া স্বামীকে সামলাতে গিয়ে সে সময় পরিবারের কারোরই উত্তেজিত জনতাকে ঠেকানোর মতো পরিস্থিতি ছিল না।

এ ঘটনায় নিহত ফারজানার বাবা এনামুল হক বাদী হয়ে সুমাইয়ার ভাই আবদুল্লাহ আল মামুনসহ অজ্ঞাতদের আসামি করে কালিগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় আবদুল্লাহ আল মামুন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
তবে ঘটনার পর নিহত সুমাইয়ার স্বামী আমিরুল ইসলাম ও তার বাবা আবদুল লতিফ বাদী হয়ে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেন। এর মধ্যে আবদুল লতিফের মামলায় ফারজানার পরিবারের দুই সদস্যসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে। নাজমা খাতুনের অভিযোগ, সন্তানহারা পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ‘মামলা বাণিজ্য’ করার উদ্দেশ্যে ঘটনার দিন এলাকায় উপস্থিত না থাকা এবং ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানে না—এমন নিরপরাধ মানুষকে অজ্ঞাত আসামি দেখিয়ে আটক করাচ্ছে। এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পুলিশের দায়িত্বজ্ঞানহীন ভূমিকা ও অসৎ সম্পৃক্ততার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে কাঁদতে কাঁদতে নাজমা খাতুন বলেন, “আমার নিষ্পাপ সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। এখন আবার আমার স্বামীসহ স্বজনদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। সন্তান হারানোর শোক সামলাব নাকি মিথ্যা মামলার আসামি হয়ে পালিয়ে বেড়াব? এটা কেমন বিচার?”

সংবাদ সম্মেলন থেকে শিশু ফারজানা হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং কোনো নিরপরাধ মানুষ বা সন্তানহারা পরিবার যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সে জন্য সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল সাতক্ষীরা জেলা শাখার নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন (এমপি) এই কমিটির অনুমোদন দেন। নবগঠিত এই আংশিক কমিটিতে হাফিজুর রহমান মুকুলকে সভাপতি এবং শফিকুল আলম বাবুকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন— সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান প্রিন্স, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম রানা সবুজ। কেন্দ্রীয় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, অনুমোদনপ্রাপ্ত নতুন এই নেতৃত্বকে আগামী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest