সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরের গোপালপুরে ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রার শুভ উদ্বোধন করলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলীজাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদকে সাতক্ষীরা সিলভার জুবলির অভূতপূর্ব সাফল্য: দেশসেরা চিত্রশিল্পী জারিন সুবাহ্সাতক্ষীরায় জলবায়ু সংকটে স্থানান্তরিত বস্তিবাসীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধনশ্যামনগরে দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল দলের সমর্থন ছেড়ে আর্জেন্টিনায় সমর্থনশহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মোজাফফর আটকসাতক্ষীরায় পরিত্যাক্ত ভাবন থেকে দুই দিন ধরে নিখোজ এক নারীর মরদেহ উদ্ধারউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ কর্মসূচির ঘোষণাশ্যামনগরে তিন বেকারীতে অভিযান: ২৫ হাজার টাকা জরিমানাপ্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালিগঞ্জে সরকারি পুকুর সংলগ্ন ড্রেন সংস্কার কাজের উদ্বোধন

শ্যামনগরের গোপালপুরে ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রার শুভ উদ্বোধন করলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার গোপালপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উৎসব উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৪টায় গোপালপুর রাধা-গোবিন্দ মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী।
এ সময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।”

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা ও সহমর্মিতা বজায় থাকলে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দেশ উন্নয়নের পথে আরও এগিয়ে যাবে। তিনি ধর্মীয় উৎসবগুলো শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপনের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ, সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীদলের সভাপতি হাসান শাহরিয়ার রিপন, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ডাঃ শফিকুল ইসলাম, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জি এম আব্দুল ওয়াহাব,সাতক্ষীরা পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আলী হাসান খান (হাবলু),শ্যামনগর উপজেলা তাঁতীদল এর আহবায়ক আব্দুল হালিম, কালীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রভাষক সায়ফুল ইসলাম, কালিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক কাজী সোহেল, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতা আনিসুর রহমান আনিস, আক্তার ফারুক, সাংবাদিক আলমগীর সিদ্দিকীসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, সনাতন ধর্মাবলম্বী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন শেষে গোপালপুর রাধা-গোবিন্দ মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য রথযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি গোপালপুরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে হরিতলা এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এ সময় হাজার হাজার ভক্ত-অনুরাগী রথের রশি টেনে ধর্মীয় উৎসবে অংশ নেন। ঢাক-ঢোল, শঙ্খধ্বনি, কীর্তন ও ভক্তিমূলক সংগীতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আমেজে সম্পন্ন হওয়া এ রথযাত্রা স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদকে সাতক্ষীরা সিলভার জুবলির অভূতপূর্ব সাফল্য: দেশসেরা চিত্রশিল্পী জারিন সুবাহ্

নিজস্ব প্রতিনিধি :
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এ অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী সিলভার জুবলি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জারিন সুবাহ্ চিত্রাংকণ প্রতিযোগিতায়(বালিকা) সে সারা দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেছে।

গত ১৫ জুলাই রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশসেরা ক্ষুদে চিত্রশিল্পী জারিন সুবাহ্-এর হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।

জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় শুধু জারিন সুবাহ্-ই নয়, সিলভার জুবলি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আরও দুই শিক্ষার্থী অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। তারা হলো: অন্তরা লাবিবা: ৫ম শ্রেণির এই শিক্ষার্থী ‘বাংলা কুইজ’ প্রতিযোগিতায় সারা দেশের মধ্যে ২য় স্থান অধিকার করেছে। প্রাঞ্জাল সরকার: ৩য় শ্রেণির এই শিক্ষার্থী লোকগীতি’ প্রতিযোগিতায় সারা দেশের মধ্যে ২য় স্থান অর্জন করেছে।

উল্লেখ্য, সারা দেশের তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে মোট ২১টি ইভেন্টে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এত বড় আসরে একই বিদ্যালয় থেকে তিনজন শিক্ষার্থীর এই অর্জন সত্যিই বিরল।

এক যৌথ অভিনন্দন বার্তায় শিক্ষার্থীদের এই অসামান্য অর্জনে সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের সভাপতি বেলাল হোসাইন এবং প্রধান শিক্ষক চায়না ব্যানার্জি। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জলবায়ু সংকটে স্থানান্তরিত বস্তিবাসীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: জলবায়ু সংকটে স্থানান্তরিত ও ক্ষতিগ্রস্ত সাতক্ষীরা বস্তিবাসীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে সাতক্ষীরার শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের মূল ফটকের সামনে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের আয়োজনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে মানবধিকার কর্মী মাধব দত্তের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন গ্রীন কোয়ালিশনের সভাপতি আবু আফফান রোজ বাবু, নাগরিক নেতা সিদ্দিকুর রহমান, ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ, সাংবাদিক বেলাল হোসেন, বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার গাজী মাহিদা মিজান, শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সভাপতি ইমতি জামিল, ইটাগাছা বস্তির বাসিন্দা জাহানারা খাতুন, রাজার বাগান ঋষিপাড়ার কুমারেশ সরদার, কামালনগরের সুমি আক্তার প্রমুখ।

মানববন্ধন বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হানছে।ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পাশাপাশি শহরের জলাবদ্ধতা দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে। উপকূলের মানুষ ভিটেমাটি ছেড়ে শহরের বস্তিতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। সেখানে এসেও তারা খাদ্য ও কর্মসংস্থান সংকট, বাসস্থানের অভাব, বেকারত্ব, স্বাস্থ্য ঝুঁকিসহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। জলাবদ্ধতায় তাদের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।

বক্তারা উপকূলীয় এলাকার জানমালের নিরাপত্তায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সুপেয় পানির সংকট দূরীকরণের পাশাপাশি নগরের জন্য সবুজ জলবায়ু তহবিল গঠন, নগরে নিরাপদ ও টেকসই ভোগ ও উৎপাদন নিশ্চিত করা, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও বস্তিতে আশ্রয় নেওয়া জলবায়ু উপদ্রুত মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানান। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল দলের সমর্থন ছেড়ে আর্জেন্টিনায় সমর্থন

শ্যামনগর প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ মোটরসাইকেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মইনুল ইসলাম দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল দলের সমর্থন থেকে অব্যাহতি নিয়ে আর্জেন্টিনার দলে সমর্থন যোগ দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় মুন্সিগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনার জার্সি পরিধান করে এই ঘোষণা দেন। এ সময় আর্জেন্টিনা দলের শতাধিক সমার্থক উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় দল ত্যাগ করা মইনুল ইসলাম জানান, আমি যে সময় থেকে বুঝতে শিখেছি সেখান থেকে ব্রাজিলের সমর্থন করে আসছিলাম। বর্তমান সময়ে ব্রাজিলের খেলা অবনতি হওয়ায় দলত্যাগ করেছি। এবং আর্জেন্টিনার ধারাবাহিক জয় এবং তাদের পরিচ্ছন্ন ক্রীড়া প্রদর্শনী দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে আর্জেন্টিনা সমর্থন দলে যোগদান করেছি। ব্রাজিল দলের সমর্থকরাদের উশৃংখল বক্তব্যের কারণে দল ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছি।

আর্জেন্টিনা দলের সমর্থক ফারুক হোসেন বলেন, ছোটবেলা থেকে আর্জেন্টিনা দলের সমর্থন করে আসছি। ব্রাজিল দলের কঠোর পন্থী সমার্থক মইনুল ইসলামকে আর্জেন্টিনা দলের সমর্থক হিসেবে যোগদান করাতে পারায় সার্থকতা বোধ করছি। এবং আর্জেন্টিনা দলে যোগদান করার জন্য তাকে অভিনন্দন জানাই।

জামাল হোসেন জানান, ব্রাজিল দল ত্যাগ করে বড় ভাই মইনুল ইসলাম আর্জেন্টিনার সমর্থন দলের যোগদান করেছে আমরা তাকে অভিনন্দন জানাই পাশাপাশি যারা ব্রাজিল সমর্থন ছেড়ে আর্জেন্টিনায় যোগ দেবে তাদেরকে অভিনন্দন জানাবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মোজাফফর আটক

অনলাইন ডেস্ক :

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ও দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা আসামি মেজর মোজাফফর হোসেন (অব.) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে করে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কোর্ট মার্শাল সম্পন্ন করার জন্য তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা হামলা চালিয়ে তৎকালীন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। এই হত্যাযজ্ঞে সরাসরি অংশ নেওয়া সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে মেজর মোজাফফর হোসেন ও ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন ছিলেন অন্যতম। বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও মামলাসংক্রান্ত বিবরণ অনুযায়ী মেজর মোজাফফর হোসেনই প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করেন এবং তাকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালান। হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত করার পর তিনিই চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরকে টেলিফোন করে জানান, “The President has been killed.”

হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তীতে মঞ্জুর নিহত হন। ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। তখন মেজর মোজাফফর হোসেন ও মেজর এস এম খালেদ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় মেজর মোজাফফর হোসেন দীর্ঘ সময় ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ছদ্মনাম ব্যবহার করে সীমান্ত অতিক্রম করে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতেন।

অবশেষে ৪৫ বছর আত্মগোপনে থাকার পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। তার গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দেশের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের একটি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত অধ্যায়ে নতুন অগ্রগতি এলো। সেনাবাহিনীর নিজস্ব বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এখন তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পরিত্যাক্ত ভাবন থেকে দুই দিন ধরে নিখোজ এক নারীর মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় পরিত্যাক্ত ভাবন থেকে দুই দিন ধরে নিখোজ এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার রাতে সদর উপজেলার বাইপাশ সড়কের পাশ থেকে নিহতের মারদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত নারী আমিরুননেছা (৬৫) কলারোয়া উপজেলার লোহাকুড়া গ্রামের আফতার আলীর মেয়ে।

নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, তিনি শারিরীকভাবে অসুস্থ ছিলেন। চিকিৎসার জন্য গত দিন আগে বাড়ি শহরের আসেন। কিন্তু দিন অতিবাহিত হলেও বাড়ি না ফেরায় চিন্তিত হয়ে পড়ে পরিবার। পরে কলারোয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে পরিবার।
সদর থানার উপ-পরিদর্শক মনিরুজ্জামান জানান, বাইপাস সড়কের একটি পরিত্যাক্ত ভবনের মধ্য থেকে মরদেহটি উদ্দার করা হয়। ধারনা করা হয়ে বৃস্টিতে আটকা পড়ে হয়ত সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তবে কি কারনে তার মৃত্যু হয়েছে সেটি নিশ্চিত করতে পারেনি।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, বাইপাস সড়কের ধারে একটি নারীর মরদেহ পড়ে আছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ওই মরদেহটি উদ্ধার করে। কলারোয়া থানার জিডি অনুযায়ী মরদেহটি কলারোয়া থানার মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ কর্মসূচির ঘোষণা

শ্যামনগর প্রতিনিধি :  “আজকের একটি বীজ, আগামী দিনের সবুজ উপকূল”- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে ‘১ মিলিয়ন সিডস প্ল্যান্টেশন ফর কোস্টাল রেস্টোরেশন (১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগ)’ বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠিত জনসংগঠন, শ্যামনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী এসোসিয়েশন, শ্যামনগর গ্রীণ কোয়ালিশন এবং বারসিক যৌথভাবে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে শ্যামনগর পৌরসভা গ্রীণ কোয়ালিশনের সভাপতি ও নকীপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রাক্তণ প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণানন্দ মুখার্জীর সভাপতিত্বে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের পানখালী এগ্রোইকোলজি লার্ণিং সেন্টারের তত্বাবধায়ক কনিকা রানী, তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল বর্তমানে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততার বিস্তার, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন ও জীববৈচিত্র্যর ক্ষয়সহ নানা সংকটের মুখোমুখি। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান এখন সময়ের দাবি,এ বাস্তবতায় এবং বাংলাদেশ সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ১০ লক্ষ দেশীয় বৃক্ষের বীজ সংগ্রহ ও রোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কর্মসূচির আওতায় উপকূলীয় অঞ্চলের দেশীয় ফলজ ও বনজ প্রজাতির বীজ সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং উপযুক্ত স্থানে রোপণের মাধ্যমে পরিবেশ পুনরুদ্ধারে সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে, একটি বীজ থেকে জন্ম নেওয়া একটি বৃক্ষ শুধু সবুজায়নই নয়, বরং কার্বন শোষণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মাটি ও নদীতীর রক্ষা, বন্যপ্রাণীর আবাস সৃষ্টি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইতোমধ্যে প্রায় ৪ লক্ষ বীজ সংগ্রহ করা হয়েছে|

এখন সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে বাকি বীজ সংগ্রহের কার্যক্রম চলবে। যে কেউ বাবলা, পরশ পেপুল, আম, জাম, কাঁঠাল, নিম, তেঁতুল, তাল, খেজুর, কুল, চটকা, আশফল, বট, কাঠবাদাম, অর্জুনসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির বীজ সংগ্রহ করে এ উদ্যোগে দান করতে পারবেন। সংগঠনের সেচ্ছাসেবকেরা এসব বীজ সংগ্রহ করবেন এবং দাতাদের অবদান নথিভুক্ত করে সমাপনী অনুষ্ঠানে স্বীকৃতি প্রদান করা হবে। উপকূলীয় অঞ্চলের সকল নারী, শিক্ষার্থী, তরুণ, কৃষক, জেলে, বনজীবী, আদিবাসী জনগোষ্ঠী, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি, সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমকর্মীদের দেশীয় বীজ সংগ্রহ এবং এই উদ্যোগে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান, পরিবেশবন্ধু ও বৃক্ষপ্রেমিক রবীন্দ্রনাথ মন্ডল।

অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা গ্রীণ কোয়ালিশনের উপদেষ্টা ও প্রথম আলো’র নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ডিবিসি নিউজের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি এম. বেলাল হোসাইন, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল মনির, প্রেসক্লাব সদস্য এসএম মিজানুর রহমান আনিসুজ্জামান সুমন, প্রমূখ।

আয়োজকরা বলেন, এটি কেবল একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নয়; বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সহনশীল ও জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ উপকূল গড়ে তোলার সামাজিক আন্দোলন। সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই উদ্যোগ উপকূলীয় পরিবেশ পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে তিন বেকারীতে অভিযান: ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে তিনটি বেকারীতে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুটি বেকারিতে পাওয়া মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী জব্দ করে তাৎক্ষণিকভাবে বিনষ্ট করা হয়।

বুধবার (১৫জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামছুজ্জাহান কনক।

অভিযানে শ্যামনগর বাজারের নিউ সুন্দরবন বেকারীর স্বত্বাধিকারী বিজয় কৃষ্ণ সাহা (পিতা- বলরাম সাহা)-কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই ধারায় শ্যামনগর বাজারের রয়েল ফুডস বেকারীর স্বত্বাধিকারী মাকসুদুর রহমান (পিতা- মরহুম শেখ আব্দুল মান্নান)-কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং নুরনগর বাজারের সোনার বাংলা বেকারীর স্বত্বাধিকারী নিশিকান্ত (পিতা- বিন্দাবন অধিকারী)-কে একই আইনের ৫২ ধারায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও অভিযান চলাকালে রয়েল ফুডস বেকারী ও সোনার বাংলা বেকারীতে সংরক্ষিত মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী জব্দ করে জনস্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে বিনষ্ট করা হয়।

অভিযানের বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুজ্জাহান কনক জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest