সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ধর্ষন চেষ্টা মামলায় ১ আসামী আটকদেবহাটায় সাদা ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছভূমিকম্পনে কাপল সাতক্ষীরাজীবন-জীবিকা খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় জলাভূমি সুরক্ষার অঙ্গীকারসাতক্ষীরায় জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের কর্মবিরতিসাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়নে কাজ করা হবে- হাবিবুল ইসলাম হাবিবসাতক্ষীরা জেলা নাগরিক ঐক্যের সভাপতির নেতৃত্বে ২১৭ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদানচ্যানেল -নাইন এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী মাহমুদ হাসানসাতক্ষীরায় চাকুরী মেলায় চাকুরী পেলেন ৮ জনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের বিজয় নিশ্চিত করতে গণসংযোগ ব্যস্ত সময় পারছেন দলীয় নেতাকর্মীরা

দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ধর্ষন চেষ্টা মামলায় ১ আসামী আটক

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে ধর্ষনের চেষ্টা মামলার এজাহারনামীয় ১ জন আসামী গ্রেফতার হয়েছে।

মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারী দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ এক অভিযান পরিচালনা করে উক্ত আসামীকে গ্রেফতার করে। আটককৃত উক্ত আসামীর নাম আফজাল গাজী (৩৬)। সে উপজেলার চকমোহাম্মাদালীপুর গ্রামের আদর আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, বিপিএম এর দিকনির্দেশনায় দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাকির হোসেনের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) আদনান বীন আজাদ ও এসআই (নিঃ) লেলিন বিশ্বাস সংগীয় ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবহাটা থানার মোহাম্মাদালীপুর গ্রাম এলাকা থেকে ধর্ষনের চেষ্টা মামলার এজাহারনামীয় উক্ত আসামীকে আটক করেন। আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

দেবহাটা থানার ওসি মোহাম্মদ জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উক্ত এলাকার এক মহিলা বাদী হয়ে আটককৃত ব্যক্তিকে আসামী করে দেবহাটা থানায় ধর্ষনের চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেন। যার মামলা নং- ০২, তাং- ০৩-০২-২৬ ইং। উক্ত মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় সাদা ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছ

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটায় সাদা সাদা ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছ। ডালের গোড়া থেকে মাথা পর্যন্ত ফুল আর ফুল। এ সময় সজিনা গাছের পাতা ঝরে পড়ে। তাই পাতা শুন্য ডালে থোকা থোকা সাদা ফুলের শোভা দেখে সকলে মোহিত হচ্ছে।

উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন প্রতি বাড়ীতে কমপক্ষে ৫/৬ টি গাছ রয়েছে। এসব গাছ বাড়ীর পাশে ও ক্ষেতের আইলে লাগানো। যত্ন ছাড়াই এসব গাছ বেড়ে উঠেছে। গাছ ফলনও বেশী হয়। প্রতি বছর সজিনার শাখা বা ডাল রোপন করা হয় রোপনকৃত ডালের প্রায় ৩০ শতাংশ মারা যায়।

দেশে ২টি জাত আছে, একটি সজিনা ও আর একটি নজিনা। সজিনার ফুল আসে জানুয়ারীতে আর নজিনা ফুল আসে মার্চ মাস থেকে। তবে সব ফুল থেকে ফল হয় না। একটি থোকায় সর্বাধিক ১৫০টি মত ফুল ধরে। ফুল ৪০ সেঃ মিঃ থেকে ৮০ সেঃ মিঃ পর্যন্ত লম্বা হয়। ফুল ফুটার ২ মাস পর ফল তোলা যায়। একটি বড় গাছে ৪’শ থেকে ৫’শ ফল ধরে। প্রতিটি ফলে ৩০-৪০ টি বীজ হয়। দেশে সাধারণ ডাল কেটে ডাল রোপন করে সজিনা গাছ লাগানো হয়। ভারত থেকে হাইব্রিড সজিনার জাত এদেশে এসেছে। এ জাতের বীজ বপন করে লাগাতে হয়। হাইব্রিড জাতের সজিনা গাছে দু’বার ফুল আসে। ফেব্রুয়ারি -মার্চ ও জুন-জুলাই মাস।

সজিনা চাষিরা উচ্চ মূল্য পাওয়ায় সজিনার ডাল রোপন করতে উৎসাহিত হচ্ছে। বসতবাড়ীর আশে পাশে রাস্তার ধারে ক্ষেতের আইলে লাগানো সজিনা গাছ যত্ন ছাড়াই অবহেলার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে। সজিনা পুষ্টি ও ভেজষ গুনে ভরা সবজি হিসাবে খুব দামী। সজিনার ব্যাপক চাহিদা ও উচ্চ মুল্যে বিক্রি হওয়ায় উপজেলার কৃষকরা এখন পতিত জমিতে পরিকল্পিতভাবে সজিনা গাছ লাগিয়ে লাভবান হচ্ছে।

সজিনা বিশ্বের অন্যতম প্রয়োজনীয় একটি বৃক্ষ। অলৌকিক গাছ হিসাবে সজিনা পরিচিত। ইংরেজিতে

সজিনার নাম “ড্রামস্ট্রিক” যার অর্থ ঢোলের লাঠি। নামটি অদ্ভুত হলেও এটি এমটি অতিপ্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী উদ্ভিদ। এ গাছের পাতা, ফুল, ফল, ব্যাকল ও শিকড় সবই মানুষের উপকারে আসে। সজিনার পুষ্টি গুন অনেক বেশী। এ গাছের অনেক গুন থাকায়, এ গাছকে যাদুর গাছ বলা হয়। কাঁচা সবুজ পাতা রান্না করে, ভত্তা করে ও বড়া ভেজে খাওয়া যায়। ফল সবজির মত রান্না করে খাওয়া যায়, ফল পাকলে সে সব ফলের বীজ বাদামের মতো ভেজে খাওয়া যায়।

সজিনার পাতা, ফল, ফুল, বীজ, ছাল, মুলের ভেজষ গুনও আছে। তাই সজিনা গাছের বিভিন্ন অংশ ভেজষ চিকিৎসায় কাজে লাগে। সজিনার পাতার পুষ্টিগুন বেশী, যেভাবে খাওয়া হোক না কেন তা শরীরে পুষ্টি যোগাবে, আর ঔষধীগুন তো আছেই। সজিনার পাতায় যে পরিমাণ পুষ্টি রয়েছে তা অনেক পুষ্টিকর খাবারেও নেই। যেমন, ডিমের চেয়ে বেশী আমিষ, দুধের চেয়ে বেশী ক্যালশিয়াম, কমলার চেয়ে বেশী ভিটামিন সি, কলার চেয়ে বেশী ক্যালশিয়াম, গাজরের চেয়ে বেশী ভিটামিন এ আছে। তাছাড়া সজিনার পাতা গুড়ো করে খাওয়ায় অন্তত ১৬টি উপকারী কথা জানা গেছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, চোখ ও মস্তিস্কের পুষ্টি যোগায় প্রভৃতি। সজিনা সবজি যেমন উপদেয় এর ভেজষ গুনও অসাধারণ।

মৌসুমী নানা রোগব্যাধী নিরাময় ও শরীরের রোগ প্রতিরোধ বৃদ্ধি করতে অত্যন্ত কার্যকর। বিশেষ করে জন্ডিস, বসন্ত, মূত্র সংক্রান্ত সমস্যা প্রাচীনকাল থেকে সজনে নানা ব্যবহার করে আসছে ইউনিয়ানী ও আয়ূর্বেদ চিকিৎসকরা। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শওকত ওসমান জানান, ঠান্ডা-গরম, লবণ, খরা সহিষ্ণু এ গাছ বাংলাদেশের সর্বত্রই জন্ম নেয়। এ উপজেলার লবণাক্ত মাটিতে সজিনা আবাদ ভাল হচ্ছে। উপজেলার প্রতি বাড়ীতে কমবেশি ৫/৬টি করে সজিনা গাছ আছে। এ বছর সজিনা গাছে ব্যাপক ফুল ধরেছে। বড় ধরণের দূর্যোগ না হলে সজিনার বাম্পার ফলন আশা করা যায়। সজিনা পুষ্টিকর সবজি হিসাবে ব্যাপক চাহিদা থাকায় কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে সজিনা ক্ষেত গড়ে তোলার জন্য উদ্ভুদ্ধ করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভূমিকম্পনে কাপল সাতক্ষীরা

অনলাইন ডেস্ক : দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সাতক্ষীরার কলারোয়া মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৩৬ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে ৪.১ মাত্রার এই ভূকম্পনটি ঘটে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ভূমিকম্পের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪.১, যা হালকা ভূমিকম্প হিসেবে শ্রেণিভুক্ত।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ঢাকায় অবস্থিত ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র থেকে উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউরোপিয়ান মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজি সেন্টার (ইএমএসসি) জানায়, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল সাতক্ষীরা জেলা শহর থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে।

ভোরের দিকে ভূমিকম্প হওয়ায় অনেক মানুষ ঘুমন্ত অবস্থায় থাকলেও কিছু এলাকায় হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে ভূমিকম্পটি স্বল্প সময় স্থায়ী হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বড় ধরনের আতঙ্ক দেখা যায়নি।

বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের মধ্যে অবস্থান করায় এ ধরনের হালকা ভূমিকম্প মাঝেমধ্যেই অনুভূত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

গত কয়েক মাসে দেশে একাধিক হালকা ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও খুলনা অঞ্চলে বিভিন্ন সময় ভূকম্পন টের পাওয়া গেছে। এসব ভূমিকম্পের অধিকাংশের উৎপত্তিস্থল ছিল দেশের ভেতরে অথবা পার্শ্ববর্তী ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায়।

এর মধ্যে গত ২১ নভেম্বর নরসিংদীর মাধবদীতে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ঢাকাসহ আশেপাশের জেলাগুলো। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে ঢাকাসহ সারা দেশে দুই শিশুসহ ১১ জন প্রাণ হারান। আহত হন কয়েকশ মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জীবন-জীবিকা খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় জলাভূমি সুরক্ষার অঙ্গীকার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জলাভূমি সুরক্ষার অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পালিত হয়েছে বিশ্ব জলাভূমি দিবস-২০২৬।

এ উপলক্ষে রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার মুন্সিগঞ্জের চুনকুড়ি নদীর পাড়ে ‘জলাভূমি ও প্রথাগত জ্ঞান: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য উদ্যাপন’ প্রতিপাদ্যে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক, গ্রীন কোয়ালিশন ও সুন্দরবন ইয়ুথ সলিডারিটি টিম ‘জলাভূমি সুরক্ষায় উপকূলবাসীর অঙ্গীকার’ শীর্ষক এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

র‌্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা জলাভূমি, নদী, খাল-বিল ও প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষার দাবিতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।

পরে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মুন্সিগঞ্জ গ্রীন কোয়ালিশনের সভাপতি ডা. যোগেশ মন্ডল।

সভায় বারসিকের ক্যাম্পেইন অ্যান্ড নেটওয়ার্ক ফ্যাসিলিটেটর স.ম ওসমান গনীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ঈশ্বরীপুর গ্রীন কোয়ালিশনের সভাপতি এম. জিল্লুর রহমান, সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান তালেব, মথুরাপুর কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যা শিখন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক সরমা রানী, কৃষক নিমাই মন্ডল এবং সুন্দরবন ইয়ুথ সলিডারিটি টিম বুড়িগোয়ালিনী ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক সবুজ বিল্লাহ, বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের জীবন-জীবিকা, খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় জলাভূমি অপরিহার্য। প্রথাগত জ্ঞান ও স্থানীয় মানুষের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জলাভূমি সংরক্ষণে সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে।

গ্রাম ডা. যোগেশ মন্ডল বলেন, নদী, খাল-বিল ও জলাভূমি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। এগুলো ধ্বংস হলে শুধু পরিবেশ নয়, উপকূলবাসীর অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়বে। তাই স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করেই জলাভূমি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

রামকৃষ্ণ জোয়ারদার বলেন, উপকূলীয় জলাভূমি প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। প্রথাগত জ্ঞান ও কৃষকের অভিজ্ঞতা জলাভূমি ব্যবস্থাপনায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, যা আমাদের নতুন করে মূল্যায়ন করা জরুরি।

বিশ্বজিৎ মন্ডল বলেন, নদী ও প্রাকৃতিক জলাশয় দখল ও দূষণের ফলে জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এখনই সম্মিলিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরাপদ পরিবেশ পাবে না।

এম. জিল্লুর রহমান বলেন, খাল-বিল ও জলাভূমি রক্ষা মানেই কৃষি, মৎস্য ও জীবিকার সুরক্ষা। স্থানীয় জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে জলাভূমি রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে।

মাহফুজুর রহমান তালেব বলেন, সুন্দরবন ও উপকূলীয় নদীগুলো আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক। গণমাধ্যমের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সচেতন অংশগ্রহণ ছাড়া এসব প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা সম্ভব নয়।

সরমা রানী বলেন, প্রাকৃতিক জলাশয়ের সঙ্গে কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। জলাভূমি টিকিয়ে রাখলে পরিবেশবান্ধব কৃষি ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।

নিমাই মন্ডল বলেন, আমরা কৃষকরা জানি কোন মৌসুমে পানি ধরে রাখতে হয়, কখন ছাড়তে হয়। আমাদের এই প্রথাগত জ্ঞানকে গুরুত্ব দিলে জলাভূমি রক্ষা করা সহজ হবে।

সবুজ বিল্লাহ বলেন, যুব সমাজ এগিয়ে এলে জলাভূমি সুরক্ষা আন্দোলন আরও শক্তিশালী হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নদী ও জলাশয় রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের কর্মবিরতি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবীতে সাতক্ষীরায় কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ই ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০ টা হতে বেলা ১১ টা পর্যন্ত বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে জেলা কালেক্টরেট চত্বর ও দায়রা জজ কার্যালয়ের সামনে এ কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মবিরতিতে সংগঠনের সভাপতি মো. ইদ্রিস আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতিও সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল আলিম মোল্যা, মো: মহিদুল ইসলাম, আরিফুর রহমান, হিরেন কুমার বালা, আবু হাসান, কামরুল ইসলাম, আব্দুল হালিম, মো. সানাউল্লাহ, নয়ন কুমার কুন্ডু, তানভীর আহমেদ, আব্দুল গফুর, মনিরুল ইসলাম, স্বপন দাস, তানভীর ইসলাম,আব্দুল গফুর, জাহির হাসান, নাসরিন সুলতানা, ইয়াসমিন সুলতানা, গোলাম আজম, হাছিয়া খাতুন প্রমুখ। এসময় সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালত, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সকল পর্যায়ের কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

কর্মবিরতিতে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে প্রস্তাবিত পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে। বিচার বিভাগের কর্মচারীরা যে বেতন পায় তা দিয়ে আমাদের সন্তানদের মুখে দুমুটো ভাত দিতে পারি না। যে বেতন পেয়ে থাকি সেই বেতন দিয়ে পরিবারের পাশে দাড়াতে পারি না। সরকার যদি জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন না করে তাহলে এত টাকা কেন খরচ করলো । অতি দ্রুত জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা না হইলে আরো দূর্বার গণ আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি দেন বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়নে কাজ করা হবে- হাবিবুল ইসলাম হাবিব

তালা প্রতিনিধি :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তালা উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তালা উপজেলা ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে ধানের শীষের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও তালা-কলারোয়া আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, ধানের শীষের প্রার্থী হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়নে কাজ করা হবে। তালা প্রেস ক্লাবের ভবন নির্মাণ, তালা উপজেলাকে পৌরসভায় রূপান্তরের উদ্যোগ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি আশ্বাস দেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম শফি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মির্জা আতিয়ার রহমান এবং যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক সাইদুর রহমান সাইদ।

মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন তালা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ হাকিম, সাংবাদিক গাজী সুলতান আহম্মেদ, এস এম লিয়াকত হোসেন, জলিল আহম্মেদ, এস এম জাহাঙ্গীর হাসান, এম এ ফয়সাল, সেলিম হায়দার, তালা উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আকবর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জর্দার ফারুক হোসেন, আমার দেশ-এর তালা প্রতিনিধি জয়দেব চক্রবর্তী, পাটকেলঘাটা প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি নাজমুল হক, তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের যুগ্ম আহ্বায়ক বাবলুর রহমান এবং সাংবাদিক আজমাল হোসেন জুয়েলসহ অন্যান্যরা।

সভায় সাংবাদিকরা বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাব তুলে ধরেন। এ সময় শতাধিক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক ঐক্যের সভাপতির নেতৃত্বে ২১৭ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

নিজস্ব প্রতিনিধি : নাগরিক ঐক্য সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি ও সাতক্ষীরা ল কলেজের অধ্যক্ষ ডক্টর রবিউল ইসলাম খান এর নেতৃত্বে নাগরিক ঐক্য সাতক্ষীরা জেলার ৭টি উপজেলা, পৌরসভা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন শাখার ২১৭ জন নেতাকর্মী জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে যোগদান করেছেন।

রবিবার  বিকাল ৫টায়  শহরের কাটিয়া নিরিবিলি কমিউনিটি সেন্টারে জেলা বিএনপির আহবায়ক এইচ এম রহমাতুল্লাহ পলাশ ও সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলুর হাতে ফুলেল তোড়া দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন।

এসময় জেলা বিএনপির আহবায়ক বলেন, “সাতক্ষীরায় জেলা বিএনপি একটি শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। আজকের এই বিশাল যোগদানের ফলে দল আরও গতিশীল হবে এবং এর সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব নির্বাচনের ভোটের মাঠে প্রতিফলিত হবে। আমি বিশ্বাস করি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে তৃণমূলের এই গণজোয়ার দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবে।”

যোগদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান হাদী, সাতক্ষীরা জেলা মহিলা দলের সভাপতি ফরিদা আক্তার বিউটি প্রমুখ।

সমাবেশের আলোচনা সভা শেষে নাগরিক ঐক্য থেকে বিএনপিতে যোগদানকারীদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক এইচ এম রহমাতুল্লাহ পলাশ। এ সময় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও নাগরিক ঐক্য থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদানকারী ২১৭ জন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি শেষ পর্যন্ত এক বিশাল জনসমাবেশে রূপ নেয়, যেখানে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ নতুন সাথীদের নিয়ে আগামী দিনের আন্দোলন ও নির্বাচনী প্রচারণার শপথ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চ্যানেল -নাইন এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
দেশের জনপ্রিয় স্যালাইট চ্যানেল -নাইন এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান। পহেলা জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রতিষ্ঠানটির মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান মো: আনিছুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একপত্রে সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে তাকে নিয়োগ প্রদান করা হয়।

তিনি সংবাদ সংক্রান্ত বিষয়ে সাতক্ষীরার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন। ১৯৯৭ সালে দৈনিকপত্রদূত পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতায় নাম লেখান তিনি। পরবর্তীতে ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক স্বাধীন মত, দৈনিক স্বাধীন বাংলাসহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখির পাশাপাশি কৃষি নির্ভর কনটেন্ট তৈরি করে সুনাম অর্জন করেছেন।

এদিকে তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামানসহ সকল নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest