সর্বশেষ সংবাদ-
এবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদ

এবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদন

আমার বাংলাদেশ পার্টি(এবিপার্টি) সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শাখার ২৯ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

২৭ অক্টোবর ২৬ তারিখে কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ব্যারিস্ট্রার আযম খান, প্রফেসর ড. অহাব মিনার(অব:মেজর) এবং দপ্তর সম্পাদক এড. আল মামুন রানা স্বাক্ষরিত এক পত্রে উক্ত কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটির নেতৃবৃন্দ হলেন, আহবায়ক মো: ওয়ালীউল্লাহ, যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জি মো: আবিদ হোসেন, সদস্য সচিব মো: ইমরুল হাসান, যুগ্ম সম্পাদক চন্দ্র শেখর রাহা রতন এবং খাদিজা খাতুন কে যুগ্ম সদস্য সচিব করে। এছাড়া বাকীদের সদস্য করে উক্ত কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরা জেলায় সম্প্রতি একাধিক ধর্ষণ ও শিশু ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে এবং ভুক্তভোগীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় শহরের মিলবাজার এলাকায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সাতক্ষীরা জেলা মানবাধিকার সুরক্ষা দল’-এর উদ্যোগে এবং রিসার্চ ইনিশিয়েটিভস বাংলাদেশের (রিইব) ‘হোপ’ প্রকল্পের বাস্তবায়নে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা নেটজ বাংলাদেশ ও জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রণালয় (বিএমজেড) সহযোগিতা প্রদান করে।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন জেলা মানবাধিকার সুরক্ষা দলের সদস্য জুলফিকার রায়হান এবং সঞ্চালনা করেন শাহাজাহান সিরাজ।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাজিয়া খাতুন, শিক্ষক অরুণ কান্তি সানা, সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী আকলিমা খাতুন ও নবম শ্রেণির ছাত্রী খুশি আক্তার।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নারী ও শিশুদের ওপর এ ধরনের যৌন সহিংসতা প্রতিরোধে প্রশাসনকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। শুধু তা-ই নয়, অপরাধের নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারকে সব ধরনের হুমকি-ধমকি থেকে সুরক্ষা দিতে হবে। এছাড়া গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুক্তভোগীদের ছবি, ভিডিও বা পরিচয় প্রকাশ করে তাঁদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার প্রবণতা অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানান বক্তারা।

অনুষ্ঠানে রিইব হোপ প্রকল্পের সমন্বয়কারী খালিদ হাসান আয়োজকদের পক্ষে চার দফা দাবি উপস্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো:
ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা। ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া এবং মামলা প্রত্যাহারে হুমকি বা চাপ সৃষ্টি বন্ধ করা।
ভুক্তভোগীদের পরিচয়, ছবি ও ভিডিও প্রকাশ রোধ করে তাঁদের গোপনীয়তা ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষা করা। নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

মানববন্ধনে সুশীল সমাজের (সিএসও) প্রতিনিধি লাভলু, মোস্তাকিম, রাবেয়া খাতুন, জান্নাতুল, শাহাদাৎ ও শাকিবসহ মানবাধিকার সুরক্ষা দলের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এসব দাবি বাস্তবায়নে জোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামের

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিপন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ এনে তাকে অপসারণের দাবিতে আগামী ২৮ অক্টোবর মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির লাইব্রেরি হলরুমে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে, তার সাথে কোন প্রকার খারাপ আচরন করা হয়নি বলে দাবি করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন বিশ^াস বলেছেন, ভিপি “ল” ইয়ার অ্যাড. নুরুল আমিন কর্তৃক সরকারের স্বার্থ পরিপন্থী কাজ করায় আইনমন্ত্রালয়ে তার বিষয়ে পত্র প্রেরন করায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়েছেন।
সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক অ্যাড. মোঃ আকবর আলীর সভাপতিত্বে আইনজীবী সমিতির লাইব্রেরি হলরুমে অনুষ্ঠিত সভা সঞ্চালনা করেন, সংগঠনের সদস্য সচিব অ্যাড. আলহাজ্ব মোঃ নুরুল আমিন।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, অ্যাড. এবিএম সেলিম, অ্যাড. শহীদ হাসান, অ্যাড. আবু সাঈদ রাজা, অ্যাড. শাহরিয়ার হাসিব, অ্যাড. জি এম ফিরোজ আহমেদ, অ্যাড. মিজানুর রহমান বাপ্পি, অ্যাড. ওলিউল্লাহ, অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম (৫), অ্যাড.সোহরাব হোসেন বাবলু ও অ্যাডভোকেট সরদার সাইফসহ সংগঠনের নেতারা।

সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ১৯ অক্টোবর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলার আদেশকে কেন্দ্র করে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাড. মো. আকরাম আলী এবং আইনজীবী সমিতির সদস্য সচিব অ্যাড. আলহাজ্ব মোঃ নুরুল আমিনের সঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিপন বিশ্বাস অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এ ঘটনায় আইনজীবীদের পেশাগত মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।
বক্তারা বলেন, আইনজীবীদের সঙ্গে কোনো বিষয়ে মতপার্থক্য দেখা দিলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। কিন্তু পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে তাঁরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অপসারণের দাবি জানান।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ২৮ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে মানববন্ধন করা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে, এ ব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিপন বিশ্বাস জানান, তিনি ভিপি “ল” ইয়ার হওয়ার পরও সরকারের স্বার্থ পরিপন্থী কাজ করায় আইন মন্ত্রালয়ে তার বিষয়ে পত্র প্রেরন করায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়েছেন। তার সাথে কোন প্রকার খারাপ আচরন করা হয়নি। তিনি আরো জানান, তার সাথে যা আলাপ আলোচনা হয়েছে তার ভিডিও সংরক্ষিত রয়েছে। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

অনলাইন ডেস্ক : সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র, নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অর্থায়ন এবং ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগে সাতক্ষীরার “প্রেরণা” এনজিওর পরিচালক শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।

পুলিশের গোয়েন্দা শাখার তদন্তের বরাত দিয়ে এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে সরকার বিরোধী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং এনজিওর মাধ্যমে অর্থ সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে শম্পা গোস্বামীর অনলাইনে যোগাযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ভারতে তার বাড়ি, জমি ও ব্যাংক হিসাব থাকার কথা উঠে এসেছে এবং এ বিষয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

প্রেরণা এনজিওর কার্যালয় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ এলাকায়। অভিযোগ রয়েছে, কালিগঞ্জে কার্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও ওই ঠিকানা ব্যবহার করে নারী উদ্যোক্তা সংগঠনের জন্য বরাদ্দের অনুদান তোলা হয়েছে। মহিলা অধিদপ্তরের তালিকায় কালিগঞ্জের ঠিকানায় কয়েক দফায় ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান উত্তোলনের তথ্য রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সে সময়ে কালিগঞ্জের দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অর্ণা চক্রবর্তী।

এ ঘটনায় মহিলা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক নাজমুন নাহার জানান, শম্পা গোস্বামীর পরিচালিত এনজিও প্রেরণা’র বিষয়ে আমার উপর তদন্ত ভার দেয়া হযেছে। ঢাকা থেকে আমার কাছে প্রেরণা এনজিওর গত ১০ বছরের অনুদানের তালিকা চেযেছে, যার তদন্ত চলছে।

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু জানিয়েছেন, প্রেরণা এনজিওর মাধ্যমে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন ও অর্থায়নের চেষ্টা চলছে। তিনি আরো জানান- গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তিনি তাকে গ্রেপ্তারেরও দাবি জানান।

বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে এনজিওর মাধ্যমে ভারতে অর্থপাচার ও দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ করেন। তিনি প্রেরণা এনজিওর লাইসেন্স বাতিলের দাবি জানান।সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ জানিয়েছেন, সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পুলিশ তাকে খুঁজছে। গ্রেপ্তারে পুলিশের বিভিন্ন দলকে সতর্ক করা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে অধিকতর তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিনিধি :  যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন ও পারিবারিক বিরোধের জেরে মা ও শিশুকন্যাকে হত্যার দায়ে আব্দুর রউফ সরদারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন জোনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শেখ আলমগীর আশরাফ।

দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রউফ সরদার সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঘোনা গ্রামের আব্দুল্লাহ সরদারের ছেলে। মামলার বাদী জাহানারা খাতুন (৫৬)। তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার তারালি সরদার পাড়ার বাসিন্দা বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী জাহানারা খাতুনের মেয়ে সাবিনা ইসলাম (২৬) প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে কালিগঞ্জের ঘোনা গ্রামের আব্দুর রউফ সরদারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর তাঁদের সংসারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। পরে পারিবারিক বিরোধ ও যৌতুকের দাবিকে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে অশান্তি দেখা দেয় বলে অভিযোগ করেন বাদী।

এজাহারে বলা হয়, আসামির মায়ের চিকিৎসার খরচের জন্য ৫০ হাজার টাকা এবং মোটরসাইকেল কেনার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এ নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে সাবিনা ইসলাম তাঁর সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় সাইকেলের শব্দ শুনে বাদী জেগে ওঠেন। পরে ঘরের ভেতরে গিয়ে তিনি মেয়ে সাবিনা ইসলাম ও নাতনি আয়েশা সিদ্দিকাকে খাটের ওপর নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় জাহানারা খাতুন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ তদন্ত করে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় চিকিৎসক, তদন্ত কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেটসহ মোট ১২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। মামলায় আসামির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও ছিল বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত আসামি আব্দুর রউফ সরদারকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামি জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলাতক হয়ে যান।
যৌতুকের মতো সামাজিক ব্যাধির কারণে মা ও শিশুকন্যার প্রাণহানির এ ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। আদালতের এ রায়ের মধ্য দিয়ে নিহতদের পরিবারের ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি: নগরকে সুন্দর ও পুনরুজ্জীবিত করতে যারা নিরন্তর পরিশ্রম করেন, সেই মানুষদের বস্তিবাসী হিসেবে অবহেলায় না রেখে পরিকল্পিত আবাসন ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরার শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের প্রধান ফটকের সামনে বিশ্ব নগর দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিম আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এই দাবি জানান।

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘শহরের পুনরুজ্জীবন: সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন।’

মানবাধিকার কর্মী মাধব চন্দ্র দত্তের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক আজাদ হোসেন বেলাল, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলী নূর খান বাবুল, লেখক সিদ্দিকুর রহমান, ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ, গ্রীন কোয়ালিশনের যুগ্ম সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার গাজী মাহিদা মিজান, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সদস্য জ্যোতি সরকার, ইমতি জামিল প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে মাধব চন্দ্র দত্ত বলেন, সাতক্ষীরা পৌরসভা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও এখানকার অনেক মানুষ এখনো নগরসুবিধা থেকে বঞ্চিত। নগরের উন্নয়ন পরিকল্পনায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অধিকার ও আবাসনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। নগরকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার পাশাপাশি বস্তিবাসীর জন্য পর্যাপ্ত আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।

জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলী নূর খান বাবুল বলেন, সাতক্ষীরা পৌরসভাকে আরও সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে চাইলে আমাদের এখনই ১০০ বছরের একটি পরিকল্পনা নিতে হবে। সাতক্ষীরা শহরে একটি বাঞ্ছনীয় পরিবেশ তৈরি করতে এবং পৌরসভাকে একটি সুন্দর ও আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে পরিকল্পিত আবাসন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে সাতক্ষীরার পরিস্থিতি এর চেয়েও ভয়াবহ হয়ে উঠবে। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

“দুনিয়ার মজদুর এক হও, শ্রমিক ঐক্য জিন্দাবাদ”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে শ্রমিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন-এর অন্তর্ভুক্ত (রেজি: নং-বি-১৭২৪) এবং ঢাকা-৬৩৫২ রেজিস্টার্ড ‘হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়ন’-এর সাতক্ষীরা জেলা শাখা এই সভার আয়োজন করে।

​সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সিনিয়র অপারেটর রুবেল হোসেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র অপারেটর মুজাফফর হোসেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেখ গোলাম মোস্তফা।

​সভায় বক্তারা শ্রমিকদের আইনি সুরক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মক্ষেত্রের মর্যাদা, চিকিৎসা সহায়তা এবং একটি উন্নত ভবিষ্যৎ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও দেশের উন্নয়নমূলক কাজে (রাস্তা, সেতু, অবকাঠামো) জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা হেভী ইকুইপমেন্ট শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে মালিকপক্ষের প্রতি ন্যায্য

তাদের উত্থাপিত ৫দফাদাবি গুলোর মধ্যে রয়েছে, গাড়ির অপারেটরদের মজুরি বৃদ্ধি: ঘণ্টাপ্রতি বর্তমান ৩০০ টাকার পরিবর্তে কাজের ঝুঁকি ও দক্ষতা বিবেচনায় ২৩০ টাকা নির্ধারণ করা। ঘণ্টাপ্রতি বর্তমান ১৫০ টাকার পরিবর্তে ১৭৫ টাকা করার দাবি। ​কাজের মৌসুমে হেলপারদের সর্বনিম্ন ৩,০০০ টাকা মাসিক বেতন প্রদান করা। কাজের সিজন শেষে গ্যারেজে রক্ষণাবেক্ষণের সময় অপারেটর ও হেলপারদের যাতায়াত, খাবার ও দৈনিক হাতখরচের সুব্যবস্থা করা। শ্রমিক-মালিক পারস্পরিক সহযোগিতা বজায় রাখা এবং কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা ছাড়া আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা।

​বক্তারা উল্লেখ করেন, “শ্রমিক বাঁচলে শিল্প বাঁচবে, শ্রমিকের সম্মান বাড়লে কাজের মানও বাড়বে।” তাঁরা ইউনিয়নের আওতায় জেলার সকল হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর ও হেলপারদের দ্রুত সঠিক সদস্যপদ গ্রহণ করে ঐক্যবদ্ধ থাকার বিশেষ আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরায় তালার স্বাস্থ্যকর্মকর্তা ডা: মিজানুর রহমান ও এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য এবং নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা নিউ মাকের্ট চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন,সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।
বক্তব্য রাখেন, ডেইলি স্টারের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, প্র্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, সাংবাদিক মহিদার রহমান, আসাদুজ্জামান সরদার, আবু সাঈদসহ অন্যরা। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন।

বক্তারা বলেন, তালার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সকল সাংবাদিকদের ‘জাহান্নামী’ বলে যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সাংবাদিকরা সমাজের আয়না ও জাতির বিবেক। তারা সর্বদা নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত মানুষের পক্ষে সাহসিকতার সাথে কাজ করেন। তাদের বিরুদ্ধে এমন ঢালাও ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয় ও দুঃখজনক। চিকিৎসাসেবার চিত্র তুলে ধরে বক্তারা আরও বলেন, অথচ আজ চিকিৎসকদের একটি বড় অংশ চিকিৎসাসেবার নামে অবাধ ব্যবসা ও মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করছেন। যার ফলে দেশের স্বাস্থ্য খাত আজ সবচেয়ে অবহেলিত ও দুর্নীতিগ্রস্ত খাতে পরিণত হয়েছে।”

একইসাথে আয়াতুল্লাহ আব্বাসীর বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান বক্তারা।

এছাড়া, সম্প্রতি নেত্রকোনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে সাংবাদিক নিহতের নির্মম ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। বক্তারা অবিলম্বে এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest