সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোকশ্যামনগরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে আহতের একদিন পর এক ব্যক্তির মৃত্যুকপ৩১-কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা: ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের দাবিসাতক্ষীরার সুন্দরবন রেঞ্জের ৬৮টি খালে বিভিন্ন মাত্রায় বিষ প্রয়োগের তথ্য গবেষণায় উঠে এসেছেসাংবাদিক হাফিজুর রহমানের মায়ের ইন্তেকাল,প্রেসক্লাবের শোকঅসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবিতালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা জাসদের আলোচনাসভা ও সম্মেলনসাতক্ষীরায় একই পরিবারের চার সদস্যকে অজ্ঞান করে সোনার গহনাসহ সাত লাখ টাকার মালামাল চুরিজাকারিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন: এক সপ্তাহের আলটিমেটাম

সাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোক

সাবেক এমপি,বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম এড. এএফএম এন্তাজ আলীর স্ত্রী ও প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সুজন এবং সাংবাদিক মেহেদী আলী সুজয়ের মা নাদিরা আলী (৭৪) বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় মঙ্গলবার ভোর রাত সাড়ে তিনটার দিকে পলাশপোলস্থ নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন।

(ইন্নালিল্লাহি-রাজেউন)। মৃত্যুকালে তিনি ৪ ছেলে ও ১ মেয়ে,নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। বাদ যোহর স্টেডিয়াম সংলগ্ন শিশুপার্কে প্রথম জানাজা ও দেবহাটার হীরারচক গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হবে।

মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম. শাহীন গোলদার, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, সাহিত্য,সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুজ্জামান সুমন, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ, আসাদুজ্জামান সরদার। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে আহতের একদিন পর এক ব্যক্তির মৃত্যু

শ্যামনগর প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে আহত মোজাম মিস্ত্রি(৬২) মৃত্যুবরণ করেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার গৌরিপুর গ্রামের মৃত তাহের মিস্ত্রি ছেলে।
গত শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে গোপালপুর এলাকায় পৌছে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন। শুরুতে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলেও রাতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ভোররাতে মোজাম মিস্ত্রিকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার করে চিকিৎসকরা। সাতক্ষীরাখবর

নিহতের ছেলে তোফাজ্জল মিস্ত্রির ভাষ্য প্রতিপক্ষ ই¯্রাফিল হোসেনের ছেলে বিল্লাল হোসেন বাবু ও তার সহযোগী হাসান, সাগরসহ ১০/১২ জন অস্ত্রধারী বাড়ি ফেরার পথে তার পিতাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় তারা মৃত ভেবে মোজাম মিস্ত্রিকে পাশের খালের মধ্যে ফেলে দিয়ে চলে যাওয়ার পর পথচারীরা গোঙানোর শব্দ শুনে রাত ১০টার দিকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌছে দিয়েছিল।

তোফজ্জল মিস্ত্রির দাবি শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলা সৈনিক লীগের যুগ্ম-আহবায়ক ই¯্রাফিল হোসেনকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে শ্যামনগর থানা পুলি । জমি-জমা নিয়ে বিরোধের জেরে পুলিশকে ব্যবহার করে ই¯্রাফিলের গ্রেপ্তারের পিছনে মোজাম অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে বলে এসময় অভিযোগ তোলে ই¯্রাফিলের ছেলেসহ পরিবারের সদস্যরা। তোফাজ্জল আরও দাবি করেন তার পিতাকে দেখে নেয়া হবে বলে হুমকি দেয়ার এক-দেড় ঘন্টার মধ্যেই তারা পিতার উপর হামরা হয়। শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর তার পিতা হামলায় জড়িতদের নাম পরিচয় পুলিশকে জানিয়েছিল।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম জানান  খুলনায় সন্ধ্যায় মোজামের মৃত্যুর খবর তিনি শুনলেও এখনো নিহতের পরিবারের কেউ পুলিশের সাথে যোগাযোগ করেনি। ঘটনায় জড়িতদের আটক করতে পুলিশ তৎপরতা শুরু করেছে। পরিবারের সদস্যরা এলাকায় ফিরে মামলা করলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কপ৩১-কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা: ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি: তুরস্কে অনুষ্ঠিতব্য কপ৩১-কে সামনে রেখে ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক ও শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিম এই পদযাত্রার আয়োজন করে।

সাতক্ষীরা শহরের পোস্ট অফিস মোড় থেকে পদযাত্রাটি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এর আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী দেশ ও পক্ষগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নে সবচেয়ে কম ভূমিকা রেখেও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে এর ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হচ্ছে।

বক্তারা আরো বলেন, দিন দিন বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ছে। এর প্রভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা করছেন। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন ও লবণাক্ততার কারণে তাদের বসতভিটা, কৃষিজমি, জীবিকা ও সুপেয় পানির উৎস ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বারবার দুর্যোগে নিঃস্ব হয়ে অনেক মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছেন। জীবিকার তাগিদে তাদের কেউ কেউ অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

তারা বলেন, কপ৩১-কে সামনে রেখে জলবায়ু ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতে জোরালো দাবি তুলে ধরতে হবে।

এসময় গ্রীন কোয়ালিশনের সভাপতি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু আফফান রোজ বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জলবায়ু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, গ্রীন কোয়ালিশনের উপদেষ্টা ও মানবাধিকারকর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, জেলা ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরামের সদস্যসচিব ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন, জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, সদর উপজেলা পানি কমিটির সভাপতি মো. মফিজুর রহমান, ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ, বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার গাজী মাহিদা মিজান, যুব সংগঠক জাহাঙ্গীর আলম, শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সদস্য জ্যোতি সরকার প্রমুখ। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার সুন্দরবন রেঞ্জের ৬৮টি খালে বিভিন্ন মাত্রায় বিষ প্রয়োগের তথ্য গবেষণায় উঠে এসেছে
নিজস্ব প্রতিনিধি:
‎
‎সুন্দরবনের নদী-খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরা বন্ধ, জলজ প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বননির্ভর জনগোষ্ঠীর জীবিকা সুরক্ষার দাবিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ চেয়েছে নবীন-প্রবীণরা।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ‘বিষ দিয়ে মাছ ধরা বন্ধ করো, সুন্দরবনের প্রাণ রক্ষা করো’ স্লোগানে ‘বিষমুক্ত সুন্দরবন, নবীন-প্রবীণের আবেদন’ শীর্ষক কর্মসূচি থেকে এ আবেদন জানানো হয়।
‎
‎বেসরকারি গবেষণা ও জাতীয় পরিবেশ পদকপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান বারসিকের সহযোগিতায় গ্রীণ কোয়ালিশন, সংগঠিত জনসংগঠন, শ্যামনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী এসোসিয়েশন, সুন্দরবন ইয়ুথ সলিডারিটি টিম, সিরিও, শরুব এর যৌথ উদ্যোগে সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয় সম্মুখে আয়োজিত কর্মসূচিতে সুন্দরবনের নদী-খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরার ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সাত দফা দাবি জানানো হয়।
আবেদনে বন বিভাগ, মৎস্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আবেদন পাঠ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গ্রীণ কোয়ালিশন শ্যামনগর পৌরসভার সভাপতি ও প্রাক্তন শিক্ষক কৃষ্ণানন্দ মুখার্জি।
‎
‎”বিষমুক্ত সুন্দরবন, নবীন-প্রবীণের আবেদন” যৌথভাবে পাঠ করেন বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লিমা আক্তার, মিস ঈশিতা ও মেহজাবিন সুলতানা।

তাঁরা বলেন, সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন। উপকূলীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার ক্ষেত্রে এ বনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের নদী ও খালগুলো মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া এবং বিভিন্ন জলজ প্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল। কিন্তু এসব নদী-খালে কীটনাশক ও অন্যান্য বিষাক্ত রাসায়নিক প্রয়োগ করে মাছ ধরার প্রবণতা জলজ বাস্তুতন্ত্রের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‎
‎আবেদনে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশ বিভাগের একটি গবেষণার তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়, সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের ৪১, ৪২, ৪৬, ৪৭, ৪৮, ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩, ৫৪ ও ৫৫ নম্বর কম্পার্টমেন্টের বিভিন্ন খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরার প্রবণতা চিহ্নিত হয়েছে। গবেষণার বরাত দিয়ে আবেদনে আরও বলা হয়, সাতক্ষীরা রেঞ্জের মোট ১৪৭টি খালের মধ্যে ৩১টিতে সর্বাধিক, চারটিতে মাঝারি এবং ৩৩টিতে অপেক্ষাকৃত কম মাত্রায় বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরার তথ্য পাওয়া গেছে।
‎
‎আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিষ প্রয়োগের ফলে মাছের পোনা, ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিষাক্ত রাসায়নিক নদী-খালের পানিতে ছড়িয়ে পড়লে মাছের প্রজনন, খাদ্যশৃঙ্খল ও জলজ বাস্তুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বিষাক্ত মাছ মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হলে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। মাছের প্রাকৃতিক মজুত কমে গেলে বৈধভাবে মাছ আহরণকারী জেলেদের দীর্ঘমেয়াদি জীবিকাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
‎
‎এসব সমস্যা মোকাবিলায় আবেদনে সাত দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ খালগুলোতে বন বিভাগ, কমিউনিটি প্যাট্রলিং গ্রুপ (সিপিজি) ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে নিয়মিত টহল ও আকস্মিক অভিযান পরিচালনা; বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ; বিষাক্ত রাসায়নিকের অবৈধ ব্যবহার ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ; বিষ প্রয়োগে ধরা মাছের সংগ্রহ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ প্রতিরোধ; ঝুঁকিপূর্ণ খালের পানি ও জলজ প্রাণীর ওপর বিষের প্রভাব পর্যবেক্ষণ; স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে সমন্বিত সংরক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা।
‎‎
‎এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা গ্রীণ কোয়ালিশনের উপদেষ্টা সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. বেলাল হোসেন, বনবিভাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা মো. এরফান উদ্দীন, সাতক্ষীরা সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মাহমুদা খাতুন, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন গ্রীণ কোয়ালিশন সভাপতি মো. মুহসিন বিল্লাহ প্রমুখ।
‎
‎আবেদনকারীরা মনে করেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ, আইনের কার্যকর প্রয়োগ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে সুন্দরবনের নদী-খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরার প্রবণতা প্রতিরোধে কার্যকর অগ্রগতি অর্জন সম্ভব। সুন্দরবনের পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় উত্থাপিত দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে আবেদনকারীদের অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক হাফিজুর রহমানের মায়ের ইন্তেকাল,প্রেসক্লাবের শোক

দৈনিক সংবাদ সংযোগ পত্রিকার সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি মোঃ হাফিজুর রহমানের মাতা মোছা. আনজুয়ারা খাতুন (৮০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর মরদেহ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের শাল্যে গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন,

সাংগঠনিক সম্পাদক এম. শাহীন গোলদার, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, সাহিত্য,সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুজ্জামান সুমন, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ, আসাদুজ্জামান সরদার। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাড়ী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম অসুস্থ হয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে থেকে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

সংবাদ পেয়ে তাঁকে দেখতে এবং চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেওয়ার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মো. রবিউল ইসলাম রবি। এ সময় তিনি চিকিৎসকদের সাথে কথা বলেন এবং অসুস্থ বিএনপি নেতার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আগরদাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সিদ্দিক , শিবপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম , সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম , শিবপুর ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন , শিবপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান , শিবপুর ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহিন হোসেন , ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রুহুল আমিন সহ নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : দেশে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃক্ষরোপনের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ঠিক সেই মুহূর্তে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ঝড়গাছা-পানপাড়া গ্রামের নিমাই কৃষ্ণ ঘোষের ছেলে প্রণব ঘোষ, সন্ন্যাসী কুমার ঘোষ ও সুমন ঘোষের পৈতৃক সম্পত্তিতে লাগানো ১৫ বছরের দুইটি বড় বড় শীলকড়া গাছ কেটে ফেলেছে একই এলাকার সুধীর ঘোষের ছেলে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু ঘোষ ও রবীন ঘোষসহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী।

শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) অনুমান দুপুর ১২ টার দিকে ইলেকট্রিক করাত দিয়ে জোরপূর্বক গাছ কেটে দিয়েছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী নিমাই কৃষ্ণ ঘোষের ছেলে প্রণব ঘোষ, সন্ন্যাসী কুমার ঘোষ ও সুমন ঘোষ জানান, আমাদেরকে না জানিয়ে পৈতৃক সম্পত্তিতে লাগানো দুইটি বড় বড় শীলকড়া গাছ কেটে সুধীর ঘোষের ছেলে প্রভাবশালী পিন্টু ঘোষ তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এই দুইটি গাছ কেটে ফেলে। কেটে ফেলা গাছ দুইটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা। এছাড়াও গাছ কেটে ফেলার সময় একই স্থানে অসংখ্য বাঁশ ঝাড় ও ডাব্বল গাছসহ অনেক গাছ গাছালির ক্ষতি সাধন করেছে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বার সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কে বিষয়টি অবহিত করার পরও গাছ কাটা বন্ধ না হলে তারা ট্রিপল নাইনে ফোন দিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি বলে জানান। এ বিষয়ে অভিযুক্তরা বলেন, আমাদের বাড়ির সীমানার পাশে বড় বড় গাছ থাকায় বাড়ি ও মানুষের ক্ষতি হবে ভেবে কেটে দিয়েছি।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বড় বড় দুইটি গাছ পড়ে আছে। এ সময় এলাকাবাসীরা জানায়, পিন্টু ঘোষরা প্রভাবশালী হওয়ায় তারা ক্ষমতার দাপটে এই অসহায় পরিবারটির উপর জুলুম নির্যাতন করে তাদেরকে না জানিয়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে জোরপূর্বক গাছ কেটে ফেলেছে। আমরা তাদের বিষয়ে মুখ খুললেই আমাদেরকেও বিপদে পড়তে হবে।

এ ব্যাপারে এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে এবং এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর দাবি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটি তদন্তপূর্বক জেলা পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা জাসদের আলোচনাসভা ও সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ২০২৪ সালের জুলাই মাসে শেখ হাসিনা শত শত লোককে গুলি করে মেরেছে। তখন জাসদ বলেছিল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে পদত্যাগে বাধ্য করাতে হবে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বিএনপি, জাসদ ও হিজবুদ তাহদি ছাড়াও আওয়ামী লীগের লোকজনও জুলাই আন্দোলনে মিছিলে অংশ নিয়েছিল। ১৯৯০ সালে জাসদের যে সাংগঠণিক শক্তি ছিল তা অটুট থাকলে ’২৪ এর আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পরিস্থিতি এত খারাপ হতো না।

বাংলাদেশ জাসদ(আম্বিয়া) এর সাতক্ষীরা জেলা সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের এক কনভেনশন সেন্টারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাপস কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডাঃ মুস্তাক হোসেন এ কথা বলেন।

’৯০ এর গণ অভ্যুত্থানে ছাত্ররা বিএনপি’র পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় বিএনপি ক্ষমতায় এসেছিল, তেমনিভাবে ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনে ছাত্ররা রাস্তায় নামায় শেখ হাসিনা দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন উল্লেখ করে ডাঃ মুস্তাক হোসেন বলেন, ইউনুস ভাই আওয়ামী লীগের সঙ্গে থেকে জাসদকে গর্তে ফেলে দিয়েছিলেন। আর সেই গর্ত থেকে দলকে টেনে তুলেছিলেন আ.স.ম আব্দুর রব।
চট্টগ্রাম বন্দরকে ইজারা দেওয়া দেশ বিক্রিরই নামান্তর বলে উল্লেখ করে আরো বলেন, বিদেশীদের সাথে বাণিজ্য করবো, বানিজ্যে সহায়তা করবো। কিন্তু চুরির অজুহাতে বন্দর বিদেশীদের ইজারা দিতে হবে কেন? পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ওরফে রোজার খলিল একজন বিতর্কিত ব্যক্তি। তাকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দিতে পুলিশ ভেরিফিকেশন তুলে দেওয়া হয়েছিল।

বিশেষ অতিথি জাসদের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এটি এম মহব্বত আলী বলেন, এক সময় সাতক্ষীরা জাসদের সূতিকাগার ছিল। অসাম্প্রদায়িক চেতনাা ছিল মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি। ৫৪ বছর পর মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি বলে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ হয়নি। গ-গোল হয়েছে। ১৯৪৭ ও ২০২৪ এ মুক্তিযুদ্ধ বলে তারা স্বীকার করে। শেখ হাসিনার ১৭ বছরের শাসনকে তিনি বৈষম্যমূলক বলে দাবি করেন।
সাতক্ষীরা জেলা জাসদের একাংশের সভাপতি সরদার কাজেম আলীর সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, সংগঠণটির সাংগঠণিক সম্পাদক মোকলেছুর রহমান লবু, জাতীয় যুবজোটের সভাপতি শাজাহান আলী সাজু, জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি গৌতম শীল, জেলা জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলস হেলাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার, সুধাংশু শেখর সরকার প্রমুখ।
সভার দ্বিতীয় পর্বে প্রফেসর ইদ্রিস আলীকে সভাপতি ও দিদারুল আলম হেলালকে সাধারণ সম্পাদক করে সাতক্ষীরা জেলা কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest