সর্বশেষ সংবাদ-
তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিব

তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদের

তালা  প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরাের তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানের ফেসবুকে সাংবাদিকদের নিয়ে করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জেলা জুড়ে বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া ওই পোস্টের প্রতিবাদে বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল থেকে তালা ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন সাংবাদিক নিজেদের ফেসবুকে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও তুলে ধরেন সাংবাদিকেরা।

মঙ্গলবার রাতে দেওয়া পোস্টে ডা. মিজানুর রহমান লেখেন, “আমার মনে হয় কেয়ামতের ময়দান থেকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী।” তাঁর এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাংবাদিকদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
এরপর বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিজের ফেসবুকে আরেকটি পোস্ট দিয়ে আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন তিনি। সেখানে লেখেন, “কেয়ামতের ময়দান থেকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে কে, একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন। আমার দেওয়া পোস্ট এক্সপ্লেইন করলাম। আমার পোস্টে কোনো মিডিয়াকর্মী কষ্ট পেলে আমি দুঃখিত।”
তালা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা ও চিকিৎসকের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে এমন অসংবেদনশীল ও আপত্তিকর মন্তব্য প্রকাশের পর তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ধরনের মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাই।
এ ঘটনায় তালা ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারাও নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং অনিয়ম-দুর্নীতি তুলে ধরা সাংবাদিকদের অন্যতম দায়িত্ব। এমন একটি পেশার মানুষকে নিয়ে একজন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তার প্রকাশ্য মন্তব্যের বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সাংবাদিক শাহিনুর ইসলাম বলেন, ডা. মিজানুর রহমান তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পর থেকে হাসপাতালের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি টিকটক নিয়ে ব্যস্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া কমিশন গ্রহণ, অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ার অতিরিক্ত ৪০০ টাকা আদায় এবং ডেঙ্গু রোগীদের জন্য পৃথক বেড না থাকার অভিযোগও তিনি তুলে ধরেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, এটা তালার সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলা হয়নি। এ সময় তিনি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য অভিযোগ অস্বীকার করেন।
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস সালামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মিটিংয়ে আছি, পরে কথা বলব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমী

দেবহাটা প্রতিনিধি : একসময় বিজয়া দশমী এলেই দেবহাটার ইছামতি নদীর দুই পাড়ে বসত দুই বাংলার মানুষের মিলনমেলা। নদীতে ভাসত শত শত নৌকা, সীমান্তের দুই পাশে জড়ো হতেন হাজারো মানুষ। উৎসবের আমেজে মুখর হয়ে উঠত পুরো সীমান্ত এলাকা। তবে সময়ের ব্যবধানে সেই দৃশ্য এখন শুধুই স্মৃতি। মিলনমেলা নেই, নেই আগের সেই জনসমাগম কিংবা নৌকার সারি। সীমান্তের নিজ নিজ অংশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে এবারের বিজয়া দশমী।

গত কয়েক বছরের মতো এবারও দেবহাটার ইছামতি নদীতে দুই দেশের মানুষের অংশগ্রহণে কোনো মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। প্রতিমা বিসর্জনের জন্য সীমিত সংখ্যক নৌকা নদীতে নামতে দেখা গেলেও আগের মতো বড় কোনো আয়োজন ছিল না।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ১৪ বছর আগেও বিজয়া দশমীতে ইছামতি নদীর এই সীমান্ত এলাকায় দুই দেশের মানুষের মিলনমেলা ছিল অন্যতম আকর্ষণ। দেবহাটার বিভিন্ন প্রান্তসহ দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো মানুষ ছুটে আসতেন। ভারতীয় সীমান্তের পাশেও থাকত মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি। কেউ আসতেন সীমান্তের কাছাকাছি উৎসবের আমেজ উপভোগ করতে, আবার কেউ আসতেন দুই বাংলার মানুষের মিলন দেখার আকর্ষণে। নদীর দুই পাড়ে ভাসত শত শত নৌকা।

২০১২ সালে ভারতের কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী নৌকাডুবিতে মারা যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে ভারতীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের আয়োজনের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় ইছামতীর ঐতিহ্যবাহী মিলনমেলা। এরপর থেকে দুই দেশের মানুষ নিজ নিজ সীমান্তের মধ্যে থেকে পৃথকভাবে প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে আসছেন।
এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দেবহাটা উপজেলার ২১টি পূজামণ্ডপে সাড়ম্বরে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন শেষে বিজয়া দশমীতে পৃথকভাবে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।

দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয় কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিস্ কাউসার আজিজ, পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কয়েক দফায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দও পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, “এ বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য সার্বিকভাবে মনিটরিং করা হয়েছে।”

দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহীন বলেন, “সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শারদীয় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।”

মিলনমেলার সেই পুরোনো স্মৃতি ইছামতির বুকে আজও থাকলেও বাস্তবে নেই আগের সেই আয়োজন। তবে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবহাটায় শেষ হয়েছে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম

দেবহাটা প্রতিনিধি :শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সর্বদা কাজ করছে। দেবহাটাসহ জেলায় ৬০৯টি পূজামণ্ডপকে কেন্দ্র করে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দেবহাটা ফুটবল মাঠ দুর্গাপূজা মন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ সুপার বলেন, দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পৃথক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিট পুলিশিং কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও সার্কেল অফিসারসহ তিনি নিজেও জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছেন। প্রতিমা ও মণ্ডপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করতে পারেন, সে জন্য সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বায়েজিদ হোসেন, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহীন, ওসি (তদন্ত) সাখাওয়াত হোসেন, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, উপজেলা বিএনপি নেতা ও সাবেক উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাবিব মন্টু, থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আল আমিন, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে. বাপ্পা, সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম রেজাউল করিম, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল্লাহ আলী রেজা, উপজেলা জামায়াতের প্রশাসনিক সম্পাদক ফয়েজুল ইসলাম, দেবহাটা ফুটবল মাঠ মন্দির কমিটির সভাপতি দিপঙ্কর ঘোষ এবং উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

পরে পুলিশ সুপার পারুলিয়ার জেলিয়াপাড়া পূজামণ্ডপ এবং আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি প্রতিনিধি:
শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাষ্টমী উপলক্ষে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত তিনি উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন এবং পূজার সার্বিক পরিবেশ, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও ভক্ত-দর্শনার্থীদের উপস্থিতির খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক আশাশুনি উপজেলার নাকতাড়া কালিবাড়ি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, সব্দালপুর সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, মহেশ্বরকাটি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির ও বুধহাটা সার্বজনীন দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলেন এবং শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্‌যাপনের বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, আপনারা জানেন বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিন দিন ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আমরা চাই শুধু সাতক্ষীরা নয় বাংলাদেশ ব্যাপী আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপন করতে পারে। শারদীয় দুর্গোৎসব বাঙালির ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য উৎসব। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে উৎসব উদ্‌যাপন করতে হবে। পূজামণ্ডপে আগত ভক্ত-দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক রয়েছে।

দুর্গোৎসবের শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। পরিদর্শন কাল আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু, আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিদুর রহমান, উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি নীলকণ্ঠ সম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মশিউল হুদা তুহিনসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সাতক্ষীরা পৌরসভার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা পৌরসভার সাবেক মেয়র তাসকিন আহমেদ চিশতি।

পরিদর্শনকালে তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তদের সাথে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। একই সাথে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপনের জন্য সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং পৌরসভার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম রবি , সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কৃষক আনারুল ইসলাম , সাতক্ষীরা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান পলাশ , ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন বাবু , সদর উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ন আহবায়ক হুমায়ুন কবির, শিবপুর ইউনিয়ন কিশোর দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম সহ নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকার

‎শ্যামনগর প্রতিনিধি :  ‎‎জলবায়ু পরিবর্তন, লবণাক্ততা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় জনপদে প্রাণ-প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণের পর এবার রোপিত বীজ ও জন্ম নেওয়া চারাগাছের সুরক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ের তদারকি কমিটির সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় রোপিত বীজ থেকে জন্ম নেওয়া চারাগাছ রক্ষা, নতুন করে বৃক্ষরোপণ, বেড়া ও ঘের নির্মাণ, গাছ পাহারা দেওয়া এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
‎‎সোমবার (১৯ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বারসিকের উপকূলীয় আঞ্চলিক কেন্দ্রে এ সভার আয়োজন করে সংগঠিত জনসংগঠন, শ্যামনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী অ্যাসোসিয়েশন ও গ্রিন কোয়ালিশন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত ইউপি সদস্য কমলা রানী।
‎‎বারসিকের ক্যাম্পেইন অ্যান্ড নেটওয়ার্ক ফ্যাসিলিটেটর স.ম. ওসমান গনী সোহাগ এর সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্যে বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শাহীন ইসলাম বলেন, উপকূল পুনরুদ্ধারে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও জনসংগঠনগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ উদ্যোগ শুধু গাছ লাগানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং উপকূলের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবন-জীবিকার সুরক্ষার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। এ উদ্যোগ দেশের বাইরেও বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, যা স্থানীয় মানুষের পরিবেশ রক্ষার প্রচেষ্টাকে বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরেছে।
‎‎তিনি আরও বলেন, “বীজ রোপণ করেই আমাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। একটি বীজের অঙ্কুরোদগম থেকে চারাগাছের বেড়ে ওঠা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে যত্ন ও সুরক্ষা প্রয়োজন। ঠিক নিজের গর্ভে লালন করা সন্তানের মতো। আজ যে চারাগাছটি জন্ম নিয়েছে, সেটিই আগামী দিনে পাখির আশ্রয়, জীববৈচিত্র্যের আবাস এবং উপকূলের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার অংশ হয়ে উঠতে পারে। তাই কোনোভাবেই রোপিত বীজ ও চারাগাছ নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও জনসংগঠন এগিয়ে এলে বারসিকও নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতা করবে।”
‎
‎‎সভায় বক্তব্য দেন ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন গ্রিন কোয়ালিশনের সভাপতি মো. জিল্লুর রহমান, কৈখালী ইউনিয়ন গ্রিন কোয়ালিশনের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান, পদ্মপুকুর ইউনিয়ন গ্রিন কোয়ালিশনের সভাপতি মো. আশরাফ হোসেন, সর্বোচ্চ বীজদাতা লতা রানী এবং আটুলিয়া এ. কাদের স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক কিশোর কুমার।
‎
‎বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে বৃক্ষরোপণ কেবল সবুজায়নের কর্মসূচি নয়; এটি জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক উদ্যোগ। তবে বৃক্ষরোপণের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে রোপিত বীজের অঙ্কুরোদগম, চারাগাছের টিকে থাকা এবং উপযুক্ত পরিচর্যার ওপর। এ জন্য স্থানীয় মানুষের মালিকানাবোধ, নিয়মিত তদারকি ও সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।
‎
‎সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান ফরিদা পারভীন, ভুরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহানা মোস্তফা, পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শুক্করী রানী, মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পলাশী রানীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের তদারকি কমিটির সদস্য, গ্রিন কোয়ালিশন নেতৃবৃন্দ ও পরিবেশকর্মীরা।
‎
‎সভায় ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, জনসম্পৃক্ততা ও অগ্রগতি নিয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা তুলে ধরেন বারসিকের কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর এস. এম. জান্নাতুল নাঈম। উপস্থাপনায় উদ্যোগটির শুরু থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
‎
‎মতবিনিময় সভায় উন্মুক্ত আলোচনার ভিত্তিতে রোপিত বীজ ও চারাগাছ রক্ষায় প্রতিটি ইউনিয়নে স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। এর মধ্যে রয়েছে চারাগাছের চারপাশে ঘের ও বেড়া নির্মাণ, নিয়মিত পরিচর্যা ও পাহারার ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নের তদারকি কমিটি নিজ নিজ এলাকায় ফিরে গিয়ে শুরু থেকেই এ উদ্যোগের সঙ্গে সংহতি প্রকাশকারী ব্যক্তি, সংগঠন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা করবে। তাঁদের অংশগ্রহণে ক্রাউডফান্ডিং বা সম্মিলিত অর্থসংগ্রহের মাধ্যমে রোপিত বীজ ও চারাগাছের সুরক্ষা এবং পরিচর্যা কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়।
‎
‎সভায় অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, উপকূলের প্রকৃতি পুনরুদ্ধারে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, স্থানীয় মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও ধারাবাহিক পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে বীজ রোপণের এ উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত সুফল বয়ে আনতে পারে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের মধ্যে প্রকৃতিপ্রেম, পরিবেশগত দায়িত্ববোধ ও সামাজিক নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ তৈরি হবে।
‎
‎উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ২৮ জুলাই শ্যামনগরের আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টার-সংলগ্ন এলাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুজ্জাহান কনক উপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগের লক্ষ্য উপকূলীয় পরিবেশ পুনরুদ্ধার, স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সবুজ ও প্রাণবৈচিত্র্যসমৃদ্ধ উপকূল গড়ে তোলার পথ সুগম করা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলী

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার এক বিএনপি নেতা। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত মানতে না পারার কথা জানিয়ে ফেসবুকে দেওয়া তার একটি পোস্ট ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

ওই নেতার নাম আদম আলী। তিনি শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য।

গত শনিবার বিকেলে রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র হাতে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে সমালোচনার মুখে পড়েন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ওই অভিযানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজনের অস্ত্র প্রদর্শন এবং এক তরুণকে লাথি মারার দৃশ্য নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়।

এ ঘটনায় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি হলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। পরে আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর( দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন।

এদিকে, ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অসন্তোষ প্রকাশ করেন আদম আলী। তার পোস্টে লেখা হয়, ‘আমরা আপনাকে ভালোবাসি…. আজকের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারলাম না… সর্বোচ্চ কারণ দর্শানোর নোটিশ করা যেতো। আজকের ঘটনা বলে দিচ্ছে বিএনপির ভবিষ্যৎ…. অন্ধের মত দলের সকল সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারলাম না। আমরা আপনাকে ভালোবাসি……’

আদম আলীর ওই পোস্টে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিলও নিজের মতামত তুলে ধরেন।

তিনি মন্তব্যে লেখেন, দলের দুর্দিনে সাহসী পুরুষ ভবিষ্যতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে আর আসবে আমার মনে হয় না। কারণ মদ খোরদের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে গিয়ে যদি প্রতিমন্ত্রীর পদ হারাতে হয় তাহলে আমার মনে হয় তারা দেশের ভবিষ্যৎ।

ইব্রাহিম খলিলের এই মন্তব্য নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, বিএনপির নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করছেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যখন দলকে সুশৃঙ্খল করার উদ্যোগ নিচ্ছেন, তখন দলীয় সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে এমন অসন্তোষ প্রকাশ সাংগঠনিক শৃঙ্খলার প্রশ্ন তুলতে পারে।

তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আদম আলীর মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলী

নিজস্ব প্রতিনিধি : শারদীয় দুর্গোৎসবের মহা সপ্তমী উপলক্ষে শারদ উৎসবে বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা মায়ের বাড়িতে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এড.সৈয়দ ইফতেখার আলী। প্রধান বক্তা ছিলেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল ইসলাম।

জেলা মন্দির কমিটির সভাপতি সোমনাথ ব্যানার্জীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপির আহবায়ক মোহা: শের আলী, জেলা মন্দির সমিতির উপদেষ্টা বিশ্বনাথ ঘোষ, জজকোর্টের জিপি অসীম কুমার মন্ডল, জেলা যুবদল নেতা আইনুল ইসলাম নান্টা, বিএনপি নেতা প্রভাষক আতাউর রহমান,আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজু, আবু রায়হান।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন , আলী হাসান খান হাবলু , মোঃ মনিরুজ্জামান মনি,আশরাফ হোসেন, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
মোঃ আব্দুল জলিল, সোহরাব হোসেন বাবু , সৈয়দ আরিফ , আবু রায়হান , মনিরুজ্জামান মনি , নেসারুল ইসলাম , আব্দুল মামুন প্রমূখ।

এসময় ইফতেখার আলী বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ, এই দেশে আবহমানকাল থেকেই হিন্দু মুসলমান একই সাথে তাদের নিজস্ব ধর্মীয় অনুষ্ঠান যথাযথভাবেপালন করে আসছে। এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। বিএনপি এই সার্বজনীন নীতিকে সমুন্নত রেখে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য কাজ করার পাশাপাশি একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ। এসময় তিনি মণ্ডপের পূজারী ও ভক্তদের প্রতি শারদীয় শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest