সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোক

সাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিব

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরা জেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসব নিরাপদ ভাবে পালনের উদ্দেশ্যে সদরের ‍দুটি মন্দির পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের সার্বজনীন দুর্গামন্দির এবং রাত ৮.৩০ মিনিটে সাতক্ষীরা শহরে মায়ের বাড়ি কেন্দ্রীয় মন্দির পরিদর্শন করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব । এ সময় মন্দিরের সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, “বিএনপি সরকার গঠনের পর এবারই প্রথম সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। আমরা চাই, সারা বাংলাদেশে উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এই উৎসব পালিত হোক।”
তিনি আরও বলেন, সাতক্ষীরায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। জেলার সব স্থানে দুর্গোৎসব সফলভাবে সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উৎসবের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

এ সময় উভয় মন্দিরের কর্তৃপক্ষের হাতে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-২ আসনে বিএনপির সাবেক প্রার্থী ও সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুর রউফ, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল হক, ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী তাকদীর আহসান রুবেল, বাংলাভিশনের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান আসাদ, ডিবিসি নিউজের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি বেলাল হুসাইনসহ উভয় মন্দিরের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ও ভক্তবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তার

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটায় ওয়াহিদুজ্জামান শামীম (৩৮) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করে দেবহাটা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পর এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) নিহত শামীমের বড় ভাই আব্দুল জলিল সানা বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার নম্বর-০৯। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৮, ৪৪৯, ৩২৩, ৩০২, ৩৪ ও ১১৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মামলার ৫ নম্বর আসামি আসাদুল ইসলাম মোল্যা (৪৬), পিতা রহিম বক্স মোল্যা, সাং নাজিরের ঘের এবং ৬ নম্বর আসামি মোক্তার হোসেন খান (৫৩), পিতা মৃত মাহাতাব উদ্দীন খান, সাং সুবর্ণাবাদ।

এজাহারে যা বলা হয়েছে মামলার এজাহার অনুযায়ী, নিহত ওয়াহিদুজ্জামান শামীম কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। গত ১২ অক্টোবর দুপুরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় তাদের কথোপকথনের একটি অংশ মোবাইল ফোনে ধারণ করে স্থানীয়ভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ওই কথোপকথনে ধর্মীয় অবমাননাকর বক্তব্য রয়েছে—এমন অভিযোগ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর এজাহারনামীয় আসামিরা শামীমের বাড়িতে গিয়ে তাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা ও বাড়িতে ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় প্রাণভয়ে শামীম বাড়ির পেছন দিয়ে বের হয়ে যান। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে ওইদিন রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তাকে কুলিয়ার আব্দুস সবুর ডাক্তারের চেম্বারে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, ১৩ অক্টোবর বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে আসামিরা শামীমের অবস্থান জানতে পেরে পশ্চিম কুলিয়ায় চিকিৎসকের চেম্বারের সামনে যায়। সেখানে তাকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে অপবাদ দেওয়া হয় এবং চিকিৎসকের বাধা উপেক্ষা করে তাকে চেম্বার থেকে টেনে-হিঁচড়ে রাস্তায় বের করে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন বাদী।
পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শামীমকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।

এজাহার অনুযায়ী, ওইদিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে অভিযুক্তরা মিছিল করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘেরাও করে। একপর্যায়ে তারা হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ করে শামীমকে বেড থেকে টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে হাসপাতালের বারান্দায় নিয়ে যায় এবং সেখানে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে শামীমের মৃত্যু হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার পর পুলিশের অভিযান
মামলা দায়েরের পর দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহীনের নির্দেশনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আল আমিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রাতভর অভিযান চালায়। অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় ৫ ও ৬ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দেবহাটা থানার ওসি এইচ এম শাহীন বলেন, “ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় মামলাটি রেকর্ডের পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মামলার তদন্ত কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনিতে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে আনসার সদস্যদের সঙ্গে ব্রিফিং করেছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। এতে আনসার সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু ও আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিদুর রহমান।

ব্রিফিংয়ে ওসি শাহিদুর রহমান বলেন, “শারদীয় দুর্গাপূজা বাঙালির অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব যেন শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদ্‌যাপিত হয়, সে জন্য পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্কতা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না। পূজামণ্ডপে আগত দর্শনার্থীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করতে হবে। কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু নজরে এলে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। কোথাও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

ওসি বলেন, “ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আশাশুনিতে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর দুর্গাপূজা উপহার দিতে চাই।”

ব্রিফিংয়ে পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা, দায়িত্ব পালনে সতর্কতা, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আনসার সদস্যদের করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি:সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের বড়খামার গ্রামের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমি থেকে চারটি বড় মেহগনিগাছসহ ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১০টি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।

কাটা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ হাজার টাকা বলে দাবি করেছেন স্থানীয় মুসল্লি ও বাসিন্দারা। মসজিদ কমিটির অনুমতি ছাড়া গাছ কাটার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জুমার নামাজ শেষে মসজিদের মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা গাছ কাটার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পদ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তোলেন তাঁরা।

মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান জানান, মসজিদের জমিতে থাকা ১৪টি মেহগনিগাছের মধ্যে চারটি বড় গাছসহ ছোট-বড় বেশ কয়েকটি গাছ কাটার খবর পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্তকে ফোন করে বিষয়টি জানান। পরে ইউএনও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। এরপর সদর থানার এএসআই মেহেদী হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

আনিছুর রহমানের ভাষ্য, বিষয়টির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কাটা গাছগুলো ঘটনাস্থলে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি মসজিদের জমি ও সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের সহযোগিতা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমিটি মৃত মহাতাব সরদার দান করেছিলেন। জমিটির পূর্ব পাশে আব্দুর রহিম বাবুর জমি এবং তাঁর বড় ভাই সেলিম গাজীর বাড়ি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় কয়েকজন মুসল্লি ও বাসিন্দার অভিযোগ, আব্দুর রহিম বাবু ও সেলিম গাজীর সংশ্লিষ্টতায় মসজিদের জমির গাছগুলো কাটা হয়েছে। তাঁদের বক্তব্যে জেলা তাঁতী লীগের সম্পাদক মনিরুজ্জামান তুহিনের নামও এসেছে।

স্থানীয়দের দাবি, কাটা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা। তবে গাছ কাটার ঘটনায় কার কী ভূমিকা ছিল, গাছের প্রকৃত সংখ্যা এবং আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে,মসজিদের জমির গাছ কাটার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সেলিম গাজী। তিনি বলেন, “গাছ কাটার ঘটনায় আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। গাছের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। অথচ আমার নামে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। যারা সত্যতা যাচাই না করে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন, তাঁদের বিচার আমি আল্লাহর কাছে দিয়েছি।”

নিজের ব্যবসা ও কর্মজীবনের কথা উল্লেখ করে সেলিম গাজী বলেন, প্রায় ৪৪ বছর ধরে তাঁর হোলসেল ব্যবসা রয়েছে। এ ছাড়া তাঁর আরও ব্যবসা আছে। তাঁর দাবি, আল্লাহর রহমতে তিনি হালাল উপার্জনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন।

তিনি আরও বলেন, “ব্রহ্মরাজপুর, ধুলিহর বাজারসহ আশপাশের এলাকার মানুষ আমাকে চেনেন। আমি রাজনীতি কিংবা কোনো ঝামেলার মধ্যে জড়াই না। জীবনে যা করেছি, নিজের পরিশ্রমের হালাল টাকা দিয়ে করেছি। গাছ কাটার ঘটনায় আমার পরিবারকে ছোট করে কথা বলাও ঠিক নয়। ভবিষ্যতেও কারও সঙ্গে কোনো ঝামেলায় জড়াতে চাই না।”

সেলিম গাজী অভিযোগ করেন, এলাকার কিছু মানুষ তাঁর সম্পর্কে না জেনে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন। এ ঘটনায় তিনি আল্লাহর কাছে বিচার চেয়েছেন বলেও জানান।

এলাকাবাসী বলেন, মসজিদের জমি ও সম্পদ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এসব সম্পদ রক্ষা করা মসজিদ কমিটি, স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। জমি বা গাছ নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে তা আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সমাধান করা উচিত।

স্থানীয় মুসল্লিদের দাবি, বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমি ও সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। গাছ কাটার অভিযোগ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পদের ক্ষতি না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় মাছ চুরির অভিযোগে ক্ষিতিশ চন্দ্র মণ্ডল (৫৫) নামে এক মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ঘেরমালিক বিশ্বনাথ ঘোষ ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ভোররাত ৩টার দিকে উপজেলার জেয়ালা উত্তরখোলা বিলে বিশ্বনাথ ঘোষের ঘেরে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর বেলা ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, শুক্রবার ভোররাতে জেয়ালা উত্তরখোলা সরকারি বিলের বিশ্বনাথ ঘোষের ঘের থেকে ক্ষিতিশ চন্দ্র মণ্ডলকে আটক করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ঘেরের কর্মচারী গফফার, বিশ্বনাথ ঘোষ, শিমুল ঘোষ, হাবিবুর গাজী, ইব্রাহিম খাঁ, সমর ঘোষসহ ১৫ থেকে ২০ জন তাঁকে সংঘবদ্ধভাবে মারধর করেন। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর মাথায় কোপ দেওয়া হয় এবং লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

খবর পেয়ে নিহতের স্ত্রী সুলেখা মণ্ডল ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে সকাল ৮টার দিকে তাঁকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী পার্থ মণ্ডল ও প্রকাশ মণ্ডলসহ স্থানীয় কয়েকজন জানান, ক্ষিতিশের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁর দুই পা ও হাত ভাঙা এবং মাথায় ধারালো অস্ত্রের একাধিক কোপের ক্ষত দেখা গেছে বলে তাঁরা দাবি করেন।

নিহতের স্ত্রী সুলেখা মণ্ডল বলেন, “স্বামীকে মারধরের খবর পেয়ে বিলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করি। তখনও তিনি কথা বলতে পারছিলেন। তিনি আমাকে মারধরে জড়িত কয়েকজনের নাম বলেছেন। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ক্ষিতিশ মণ্ডলকে শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল। এর মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহসিন আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে।মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির জন্য মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করে সাতক্ষীরা স্পেশালাইজড হাসপাতাল। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— জীবনের জন্য মেরুদণ্ডের স্বাস্থ্য।

শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা বাইপাস রোডস্থ কামালনগরে অবস্থিত সাতক্ষীরা স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
খুলনা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা: মাহমুদুল হাসান পলাশের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. বাপ্পী কুমার দাশ, প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা, সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রাসেল, সাতক্ষীরা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ-দৌলা সাগর, ধানদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, সাতক্ষীরা সুলতানপুর বড়বাজার কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রওশন আলী এবং সাধারণ সম্পাদক রজব আলী খাঁসহ অন্যরা।

মেরুদন্ডের ব্যথাকে অবহেলা না করার আহ্বান জানিয়ে ডা: পলাশ বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধের দোকান থেকে ব্যথানাশক ওষুধ কিনে সেবন করা যাবে না। কারন এতে কিডনি ও যকৃতের ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে। মেরুদন্ডের ব্যথার পেছনে ডিস্কের সমস্যা ছাড়াও যক্ষ্মা, ক্যানসার, হাড়ের ক্ষয়, কাইফোসিস, স্কলিওসিস ও অস্টিওপোরোটিক ফ্র্যাকচারের মতো বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তাই সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি :   সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধারালো দায়ের কোপে সুধা রানী মণ্ডল (৫৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ভাতিজা রমেশ মণ্ডলকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে শ্যামনগর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাদঘাটা গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত সুধা রানী মণ্ডল বাদঘাটা গ্রামের মধুসূদন মণ্ডলের স্ত্রী। অভিযুক্ত রমেশ মণ্ডল একই গ্রামের শ্রীদাম মণ্ডলের ছেলে। হামলায় আহতরা হলেন—নিহতের স্বামী মধুসূদন মণ্ডলের ছেলে সমীর কুমার মণ্ডল (২৮) এবং অভিযুক্তের মা কমলা রানী মণ্ডল (৫০)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। আজ সকালে এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে রমেশ মণ্ডল ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন। এ সময় তাকে বাধা দিতে গেলে তার মা কমলা রানী মণ্ডল, কাকি সুধা রানী মণ্ডল ও চাচাতো ভাই সমীর কুমার মণ্ডল গুরুতর আহত হন।

পরে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক সুধা রানী মণ্ডলকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহত সমীর কুমার মণ্ডলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অপর আহত কমলা রানী মণ্ডল শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে ঘাতক রমেশ মণ্ডলকে আটক করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম যুব-নেতৃত্বাধীন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ভলান্টিয়ার ডেভেলপমেন্ট ফোরামের (ভিডিএফ) খুলনা বিভাগীয় নির্বাহী কমিটি নির্বাচন-২০২৬-এ সভাপতি পদে ২০৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাগেরহাটের যুব সংগঠক অমিত দাস শুভ্র। একই সংখ্যক ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সাতক্ষীরার তরুণ সাংবাদিক ও যুব সংগঠক মো. হোসেন আলী।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিভাগীয় নির্বাহী কমিটি নির্বাচন-২০২৬-এর ফলাফল ঘোষণা করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ড. আবুল হোসেনের আদেশক্রমে নির্বাচন কমিশনার নাজিয়া তারান্নুম স্বাক্ষরিত পত্রে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দেশের আটটি বিভাগে একযোগে ভিডিএফের বিভাগীয় নির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অনলাইনে ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোট গ্রহণ শেষে বুধবার বিকেলে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, খুলনা বিভাগীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি-১ (কৌশল ও পরিকল্পনা) পদে যশোরের রাহিয়া ভূঁইয়া ইরা, সহসভাপতি-২ (কার্যক্রম ও পরিচালনা) পদে মাগুরার মো. ইব্রাহীম শেখ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নড়াইলের শেখ নাজমুস সাকিব সিয়াম এবং কোষাধ্যক্ষ পদে বাগেরহাটের প্রিতম মন্ডল নির্বাচিত হয়েছেন।

এ ছাড়া মানবসম্পদ, প্রশাসন ও লজিস্টিকস বিষয়ক সম্পাদক পদে মাগুরার মো. আরাফাত হাসান, মিডিয়া ও জনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক পদে চুয়াডাঙ্গার মো. সাইফুল্লাহ আল সাদিক, পর্যবেক্ষণ, গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে কুষ্টিয়ার রায়ানা তাবাসসুম এবং নারী ও শিশু কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক পদে বাগেরহাটের ইরানি বিশ্বাস নির্বাচিত হয়েছেন। কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন সাতক্ষীরার রিংকী চৌধুরী।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ভলান্টারি সার্ভিসেস ওভারসিজের (ভিএসও) সহযোগিতায় পরিচালিত ভিডিএফ বাংলাদেশের তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের একটি জাতীয় নেটওয়ার্ক। দেশের ৬৪টি জেলায় কার্যক্রম পরিচালনাকারী এ সংগঠন যুব নেতৃত্বের বিকাশ, স্বেচ্ছাসেবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, জলবায়ু সচেতনতা তৈরি এবং তৃণমূল পর্যায়ে টেকসই সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে দেশের আট বিভাগের মোট ৩ হাজার ৩১৯ জন নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ১৬০ জন ভোট দিয়েছেন। সে হিসাবে ভোটদানের হার ৩৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ। নির্বাচনে বিভিন্ন পদে মোট ১১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে ৮৮ জন নির্বাচিত হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest