সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় রেজাউল সানা নামের সাইকেল আরোহীর মৃত্যুআজাদী সংঘের উদ্যোগে বিনামূল্যে চারা গাছ বিতরণদেবহাটায় ১৮৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত পৌরসভা আবারো ফিরে পাওয়ার দাবীরেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ৭ দিনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণকলারোয়ায় মিল্টন সমাদ্দারের প্রেতাত্মা ইউসুফদেবহাটায় ফেয়ার মিশনের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পসাতক্ষীরার আব্দুর রহমান কলেজের সাড়ে ৩ কোটির অধিক টাকা আতœসাতসহ নানা অনিয়ম-দুর্নিতীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনঢাকার মিরনজিল্লা হরিজন পল্লী উচ্ছেদের চেষ্টা ও সারাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনআটুলিয়া যাকাত ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মোটর চালিত ভ্যান প্রদান৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে টিম প্রেসিডেন্ট চ্যাম্পিয়ন

আশাশুনিতে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় রেজাউল সানা নামের সাইকেল আরোহীর মৃত্যু

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি ব‍্যুরো:

আশাশুনিতে সড়ক দুর্ঘটনায় রেজাউল সানা (৬০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছে। রবিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় কোদন্ডা আমতলার মোড়ে এ ঘটনাটি ঘটে।

নিহত রেজাউল সানা উপজেলার সদর ইউনিয়নের আদালত পুর গ্রামের আনসার সোনার ছেলে। স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, রেজাউল সানা দুর্গাপুর থেকে বাইসাইকেল যোগে নিজু বাড়িতে যাওয়ার সময় ঘোলা থেকে সাতক্ষীরা গামি খুলনা মেট্রো জ ০৫-০০৩৪ যাত্রীবাহী বাস দ্রুতগতিতে সাইকেল আরোহী মোঃ রেজাউল সানাকে ধাক্কা মেরে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে বাসের চালক দ্রুত গতিতে বাস নিয়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে লোকজন ধাওয়া করে চাপড়া ব্রিজ এলাকায় বাসটিকে আটকে বাসের কয়েকটি গ্লাস ভাঙচুর করে এবং ড্রাইভার-হেলপার কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এদিকে স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশটি আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছে এবং বাসটি আশাশুনি থানায় আটক রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজাদী সংঘের উদ্যোগে বিনামূল্যে চারা গাছ বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
আজাদী সংঘের উদ্যোগে সংঘ এলাকায় ২০০ টি বিভিন্ন প্রকার ফলজ ও বনজ চারা গাছ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। একই সাথে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার বিকাল ৫ টায় শহরের সুলতানপুর আজাদী সংঘের নিজস্ব কার্যালয় চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয় এবং বিভিন্ন প্রজাতির চারা গাছ এলাকাবাসীর মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। আজাদী সংঘের সভাপতি মোঃ রাশেদুজ্জামান রাশি’র সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন আজাদী সংঘের সাবেক সভাপতি হেনরি সরদার, সিনিয়র সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সলিম কোকিল, আলহাজ্ব মোখলেছ আলী, মাস্টার মনির উদ্দিন, ইউনুস আলী, আজাদী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী সরদার, সহ-সভাপতি কাজী তাজউদ্দীন, যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রুবেল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসান সাদ্দাম, অর্থ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ক্রীয়া সম্পাদক শেখ জাহিদ হাসান, তথ্য প্রচার সম্পাদক কাজী মোস্তাফিজুর রহমান শুভ, নির্বাহী সদস্য প্রবীর পোদ্দার,

মুস্তাফিজুর রহমান, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় এলাকাবাসীর আজাদী সংঘের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। অত্র এলাকার পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এবং সামাজিক বনায়নে এই কর্মসূচি অনন্য ভূমিকা পালন করবে বলে আজাদী সংঘের নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ১৮৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত পৌরসভা আবারো ফিরে পাওয়ার দাবী

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা: সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলাটি একটি ঐতিহ্যবাহী উপজেলা। বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের আর্ন্তজাতিক সীমানা নির্ধারকারী নদী ইছামতি নদীর ধার ঘেষে দেবহাটা উপজেলার অবস্থান। ইছামতির ওপারে রয়েছে ভারতের হাসনাবাদ রেলষ্টেশন। যার কারনে সেসময়ে এ অঞ্চলের মানুষের দ্বিতীয় ঠিকানা ছিল কোলকাতা শহর। তারা অনায়াসেই রেলে করে কোলকাতা যেতে পারতেন। এই দেবহাটার সুশীলগাতী গ্রামে রয়েছে উপমহাদেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের বাড়ি, টাউনশ্রীপুরে রয়েছে ভারতের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল শংকর রায় চৌধুরীর পৈত্রিক নিবাস।

এই দেবহাটার নামকরন নিয়ে নানাজনের কাছ থেকে নানারকম মতামত পাওয়া যায়। কেউ বলেন, প্রাচীনকালে এখানে দেব-দেবীর হাট বসত, সেজন্য নাম হয়েছে দেবহাটা। আবার কেউ বলেন, প্রাচীনকালে এখানে ঘন জঙ্গল ছিল। সেই জঙ্গলে বিভিন্ন বনদস্যু বা অনেকে রাগারাগি করে যেয়ে পালিয়ে থাকত। তারা বলত ঐ জঙ্গলে দেবো—-হাটা। আর কালে আবর্তে সেখান থেকে নাম হয়েছে দেবহাটা। তবে যে যাই বলুক না কেন এই দেবহাটাকে ঘিরে একদিকে যেমন রয়েছে নানারকম কল্পকাহিনী ঠিক তেমনি রয়েছে অনেক প্রাচীন র্কীতি বা নিদর্শন। প্রাপ্ত তথ্য মতে জানা গেছে, ১৮৬৭ সালে তৎকালীন বৃটিশ আমলে দেবহাটার টাউনশ্রীপুরে দেবহাটা পৌরসভা গড়ে উঠেছিল। ঐ সময় বর্তমান বিভাগীয় শহর খুলনাতেও পৌরসভা গড়ে ওঠেনি। সেই পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন দেবহাটা সদরের বাসিন্দা স্বনামধন্য ও প্রজাহিতৈষী জমিদার ফনীভূষন মন্ডল। যিনি একটানা ত্রিশ বছর পৌরসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। দেবহাটা থেকে টাউনশ্রীপুর পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে জমিদার ও গাঁতীদার মিলে ১৮ জন বসবাস করতেন। এই ১৮ জনের মধ্যে কেউ ছিলেন অত্যাচারী আবার কেউ ছিলেন প্রজাহিতৈষী। জমিদারদের মধ্যে প্রধান ছিলেন জমিদার ফনীভূষন মন্ডল। যিনি মানুষের কল্যানার্থে ও সেবার মনোভাব নিয়ে অনেক স্থাপনা তৈরী করে গেছেন। তার মধ্যে আছে দেবহাটা পাইলট হাইস্কুল (বর্তমানে মডেল হাইস্কুল), থানার পাশে ফনীভূষনের মা ভূবন মোহিনীর নামে প্রতিষ্ঠিত কমিউনিটি ক্লিনিক (যেটি বর্তমানে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে মানুষের সেবা প্রদান করা হয়) সহ অসংখ্যা কল্যানকর স্থাপনা। সূত্র মতে, পাকিস্তান সরকার আসার পরে সম্ভবত ১৯৫৩-৫৪ সালে দেবহাটা পৌরসভাকে বিলুপ্ত করে। পাকিস্তান সরকারের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তৎকালীর রাওয়ালপিন্ডি হাইকোর্টে জমিদার অনীল স্বর্নকার মামলা করেছিলেন। কিন্তু দুভার্গ্যক্রমে আর পৌরসভা ফিরে আসেনি। ১৯৫৫ সালে দেবহাটাকে পৌরসভার পরিবর্তে রুপ দেয়া হয় ইউনিয়ন পরিষদে।

ইউনিয়ন পরিষদের মর্যাদা দেয়ার পরে প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সুশীলগাতী গ্রামের গোলাম হোসেন। জমিদার ফনীভূষন মন্ডল যে বাড়িতে বসবাস করতেন তার সূনিপূন কারুকার্য সকলকে মুদ্ধ করে। বাড়িটির ডিজাইন ও নকশা সকলকে আকৃষ্ট করে। এছাড়া টাউনশ্রীপুরে রয়েছে ভারতের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল শংকর রায়ের পৈত্রিক ভিটাবাড়ি। উনার পূর্ব পুরুষরাও জমিদার হিসেবে এখানে বসবাস করতেন। তিনি সেনাপ্রধান থাকাকালে ১৯৯৭ সালে তার পরিবারের সদস্যদেরকে নিয়ে টাউনশ্রীপুর এসে পৌত্রিক ভিটাটি দেখে গেছেন। আর সাথে করে নিয়ে গেছেন সেখানের কিছু মাটি। সুশীলগাতী গ্রামে রয়েছে ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের পৈত্রিক ভিটাবাড়ি। সেখানে একটি নামফলক করা আছে। দেবহাটা ও টাউনশ্রীপুরে এখন আর জমিদারদের বসবাস না থাকলেও রয়েছে তাদের বিশাল অট্রালিকা, ধর্মীয় উপসনালয়, থিয়েটার রুম সহ কিছু কারুকার্য। তবে সেখানে আর বাজেনা কোন বাজনা ও বা হয়না কোন নৃত্য। ব্রিটিশ শাসনামলেই সেই আকা বাকা রাস্তাগুলো এখন হয়েছে পিচ ঢালা রাস্তা। যেটা যেয়ে মিশেছে জেলা শহরের সাথে। তাই দেবহাটার ইতিহাস আর ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন সরকারী কিছু উদ্যোগ। আর সেটাই প্রত্যাশা দেবহাটাবাসীর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ৭ দিনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ৭ দিনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১ টায় রেড ক্রিসেন্ট সাতক্ষীরা ইউনিট চত্ত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম।

এসময় খাদ্যসামগ্রী হিসেবে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাউল সাড়ে ৭ কেজি, মশুরীর ডাল ১ কেজি , সয়াবিন তেল ১ লিটার, চিনি ১ কেজি, লবণ ১ কেজি, সুজি ৫০০ গ্রাম।

উল্লেখ্য ঘূর্ণিঝড় রেমাল এ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ৭ দিনের খাদ্যসামগ্রী বরাদ্দ থেকে সাতক্ষীরা সড়ক জনপদ বিভাগ কর্তৃক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ৪০টি পরিবারের মাঝে ৭দিনের খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন রেড ক্রিসেন্ট সাতক্ষীরা ইউনিটের যুব প্রধান মো. ইলিয়াছ হোসেন, উপ যুব প্রধান মীর মনোয়ার, আসিফ চৌধুরী,অফিস সহকারী মো. কামরুল ইসলাম, সদস্য শামীম , শরিফুল, সাইফুল, আরিফুল সহ রেডক্রিসেন্ট সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য, সকল যুব সদস্য বৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় মিল্টন সমাদ্দারের প্রেতাত্মা ইউসুফ

কলারোয়া প্রতিনিধি::
রক্ত মানুষের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করে। জীবন বাঁচানোর অজুহাতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবী ব্লাড ব্যাংক সংগঠন। সেই রক্ত নিয়েই শুরু বানিজ্য।

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় এমন একটি সামাজিক সংগঠন কলারোয়া স্বেচ্ছাসেবী ব্লাড ফাউন্ডেশন। এই সংগঠনের সভাপতি কলারোয়া উপজেলার ৩ নং কয়লা ইউনিয়নের আলাইপুর গ্রামের মৃত তবিবরের পুত্র ইউসুফ (৩০)।

সম্প্রতি স্যোশাল মিডিয়াতে মিল্টন সমাদ্দারের নাম সামনে আসায় কলারোয়ায় ইউসুফের নাম ও মোটা দাগে আলোচনায় আসে।

কলারোয়া স্বেচ্ছাসেবী ব্লাড ফাউন্ডেশন সংগঠনের পরিচালনার সুবাদে কলারোয়া উপজেলা ও পাশ্ববর্তী এলাকার মানুষ এই ইউসুফের সাথে যোগাযোগ করেন, মুমুর্ষ রোগীর রক্তের জন্য।

সেখানেই কপাল খুলে যায় ইউসুফের। মুমুর্ষ রোগীর অসহায়ত্ব কে পুঁজি করে লুফে নিয়েছেন লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা। অবৈধ ভাবে উপার্জনের টাকায় গড়েছেন বিলাসবহুল বাড়ি।

নিজের নামে কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তিনটি হাটবাজারে ডাক ও কব্জায় নিয়েছেন তিনি।

ভুক্তভোগী কেরালকাতা ইউনিয়নের নাকিলা গ্রামের জিয়াদ আলীর পুত্র মুকুল হোসেন জানান, তার মায়ের চিকিৎসার জন্য রক্তের প্রয়োজন হলে মুঠোফোনে ইউসুফের সাথে যোগাযোগ করে, পরবর্তীতে ইউসুফ কলারোয়ার মিতালী ডায়গনস্টিক সেন্টারে আসতে বলে এক ব্যাগ ব্লাড দিয়ে ১২০০ টাকা দেওয়ার কথা বলে। মুকুল তার অসহায়ত্বের কথা জানালেও ইউসুফ সুযোগে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে এবং বার,শ টাকা দিতে বাধ্য করে।

অপর ভুক্তভোগী হেলাতলা ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের পুত্র শহীদ হোসেন বলেন, তার স্ত্রী সিজারের অপারেশনের জন্য জরুরি রক্তের প্রয়োজন হলে ইউসুফের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে যোগাযোগ করলে ইউসুফ তাদেরকে কলারোয়ায় আসতে বলে। স্থানীয় ক্লিনিকে এক ব্যাগ সংগৃহীত রক্তের জন্য পনেরশো টাকা দাবি করে পরবর্তীতে এক হাজার টাকা দিতে বাধ্য করে।

এছাড়াও অভিযোগ আছে ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপের রক্তের প্রয়োজন বলে রক্তদানে আগ্রহী এমন ব্যক্তিদের কে সনাক্ত করে পরবর্তীতে রক্ত লাগবে বলে তাদের থেকে ব্লাড টেনে নিয়ে নিজের ইচ্ছে খুশি মতো ব্যবহার করে।

এই বিষয়ে প্রতারক ইউসুফের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে বলেন যে হাজার টাকা না আমরা রোগীদের কাছ থেকে পাঁচশত টাকা গ্রহণ করে রোগীদের পিছনেই ব্যয় করি।

কলারোয়া ব্লাড ফাউন্ডেশন এর উপদেষ্টা মাস্টার শাহজাহান আলী শাহীন জানান ইতি পূর্বে এই ইউসুফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অসহায় রোগীদের কাছ থেকে ব্লাড দিয়ে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া যায়। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ইউসুফকে ডেকে নিয়ে রোগীদের থেকে অর্থ লুটপাট করতে নিষেধ করে দেয়। তারপরও ইউসুফের অর্থ লোক কোন ভাবেই কমছে না সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস দেন।

কলারোয়া ব্লাড ফাউন্ডেশনের সভাপতি ফারহান আল ফারুক জানান ইউসুফের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। সাংগঠনিকভাবে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

কলারোয়া ব্লাড ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা কামাল রেজা জানান এই ধরনের অনিয়ম কোন ভাবেই কাম্য নয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ফেয়ার মিশনের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : দেবহাটার ঐতিহ্যবাহী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ফেয়ার মিশনের উদ্যোগে কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফেয়ার মিশনের ৪৬ তম ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পটি ১৩ জুলাই শনিবার
সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত একটানা চলে। বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সমন্বয়ে ৫ শতের অধিক রোগীকে ফ্রি স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ফেয়ার মিশনের পরিচালক কাদের মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে উক্ত মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আল ফেরদাউস আলফা। উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ, নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ রেজাউল করিম, ফিজিওথেরাপিষ্ট ডাঃ আবু সাঈদ পারভেজ প্রমুখ।

উক্ত অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন হীরা, আনসার ভিডিপি কমান্ডার রবিউল ইসলাম প্রমুখ। মেডিকেল ক্যাম্পে সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাঃ শরিফুল ইসলাম, গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস, নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ রেজাউল করিম, ডাঃ ফরহাদ হোসেন, ডাঃ শামীম হোসেন ও ফিজিওথেরাপি ডাঃ আবু সাঈদ পারভেজ প্রায় পাঁচ শতাধিক রোগীকে পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন। মেডিকেল ক্যাম্পে ফ্রী রক্ত ও ডায়াবেটিস পরীক্ষাসহ বিনামুল্যে ঔষধ বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার আব্দুর রহমান কলেজের সাড়ে ৩ কোটির অধিক টাকা আতœসাতসহ নানা অনিয়ম-দুর্নিতীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃ সাতক্ষীরার অ্যাড. আব্দুর রহমান কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মকছুদুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরদার রমেশ চন্দ্র কর্তৃক ৩ কোটি ৫২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আতœসাতসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিবাদে ও তাদের অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১২ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, লাবসা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এসএম আবু সুফিয়ান সজল ও একই ইউনিয়নের জাতীয়পার্টির সাধারন সম্পাদক আব্দুর রউফ বাবু।

লিখিত বক্তব্যে আবু সুফিয়ান সজল বলেন, সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের বিনেরপোতা আব্দুর রহমান কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আবুল হোসেন মোঃ মকছুদুর রহমান ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠানকালীন সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা ৪ বারসহ মোট ৫ বার অবৈধভাবে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সভাপতির দায়িত্বে থেকে তিনি জ্যেষ্ঠতা লংঘন করে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের সংবিধিান পরিপন্থী ও বিষয় বহির্ভূত শিক্ষাগত যোগ্যতাবিহীন জীববিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক রমেশ চন্দ্রকে দীর্ঘ ৪ বছরের অধিকসময় ধরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

সভাপতি মকছুদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রমেশ চন্দ্র ও শিক্ষক প্রতিনিধি সুশান্ত মন্ডলের যোগসাজশে পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় বিধি-বিধান ও সংবিধি উপেক্ষা করে আর্থিক অনিয়ম, জালিয়াতি, নিয়োগ বাণিজ্য, ব্যাংক জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, কলেজ প্রতিষ্ঠাকালে পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মকছুদুর রহমান শর্তপূরন না করে কলেজটি ব্যাক্তি নামে নামকরণের জন্য ১৫ লাখ টাকা ও প্রতিষ্ঠাকালে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের ৩৪ জন শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগে ২৩ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন।

এছাড়া বর্তমান সভাপতি মকছুদুর রহমান ৫ বার বিধি বর্হিভুতভাবে সভাপতি হয়ে যশোর শিক্ষাবোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের বিধি-বিধান ও সংবিধি উপেক্ষা করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে অবৈধভাবে দীর্ঘ ২৪ বছর যাবত ৭১ লাখ ৫০ হাজার টাকার অনিয়ম করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রমেশ চন্দ্র পরিচালনা পলিষদের সদস্যদের যোগসাজশে অতি সম্প্রতি জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় অনুমতি ব্যাতিত অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে দুই জন ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারীর নিয়োগে ৩০ লাখ টাকা আর্থিক দুর্নীতি করেছেন। তিনি আরো বলেন, সভাপতি মকছুদুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরদার রমেশ চন্দ্র ২০২৩ সালে জাল জালিয়াতের মাধ্যমে ব্যাকডেটে (২০০৫-২০০৬ খ্রিঃ ঘঞজঈ চালুর পূর্ববর্তী সময় দেখিয়ে) ২২ জনের অধিক প্রভাষক ও কর্মচারী অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে কমপক্ষে দুই কোটি টাকাআতœসাত করেছেন। অতিসম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অডিটের নামে ননএমপিও শিক্ষক সুশান্ত মন্ডল এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিকট থেকে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন। ইতোমধ্যে তিনি ৫ লাখ টাকা চাঁদা কালেকশনও করেছেন। প্রভাষক সুশান্ত কুমার মন্ডল সদ্য সমাপ্ত সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিয়ে এক কোটির অধিক টাকা ব্যায় করেছেন। তার এই অর্থের একমাত্র উৎস কলেজের নিয়োগ বানিজ্য। আর এসব খাতে তারা তিন জনে আজ পর্যন্ত মোট ৩ কোটি ৫২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা তছরুপসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির করেছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে তারা এ সময় কলেজটির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মকছুদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরদার রমেশ চন্দ্র ও শিক্ষক প্রতিনিধি সুশান্ত মন্ডলের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিসহ তাদের অপসারনের জন্য সদর আসনের সাংসদসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকার মিরনজিল্লা হরিজন পল্লী উচ্ছেদের চেষ্টা ও সারাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

আসাদুজ্জামান ঃ ঢাকার মিরনজিল্লা হরিজনপল্লীতে চার শতাধিক বছর ধরে বসবাসকারী হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষজনকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে মার্কেট তৈরির নামে তাদেরকে উচ্ছেদের চেষ্টা ও দেশব্যাপি সংখ্যালঘুদের জমি দখল, জুলুম এবং নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে শনিবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসুচি পালিত হয়।

সংগঠনটির জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য ও সাবেক সাংসদ অ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ, মানবাধিকার কর্মী মাধব দত্ত, রঘুনাথ খাঁ, জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি শেখ আজাদ হোসেন বেলাল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু, জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন, বাসদ নেতা নিত্যানন্দ সরকার, জাসদ নেতা, প্রফেসার ইদ্রিস আলী, জাসদ নেতা ওবায়দুস সুলতান বাবলু, সুধাংশু শেখর সরকার, সিপিবির সভাপতি আবুল হোসেন, ডাঃ প্রশান্ত কুÐু, হরিজন পল্লীর সভাপতি বাবুলাল হেলা, সদস্য চন্দন হেলা, গোপাল মÐল, ডাঃ মিলন ঘোষ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন এদেশ স্বাধীনে অংশ নিয়েছে। অথচ যুগ যুগ ধরে এদেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘুদের নিজের জায়গা থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। এটি একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত। ঢাকার মিরনজিল্লা হরিজনদের উৎখাত করে সেখানে মার্কেট বানিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক হতে চান একটি মহল। পূর্ণবাসন ছাড়া মিরনজিল্লার হরিজনদের উচ্ছেদ করা যাবে না মর্মে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকলেও ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরশেনের ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আওয়ালের নেতৃত্বে গত বৃহষ্পতিবার আবারো হামলা চালিয়ে তাদের বসতবাড়ি ও মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। বাধা দেওয়ায় কমপক্ষে ৩০ জন হরিজনকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। বক্তারা এসময় হরিজনপল্লীতে বসবাসকারী মানুষজনকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে মার্কেট তৈরির নামে তাদেরকে উচ্ছেদের চেষ্টাসহ দেশব্যাপি সংখ্যালঘুদের জমি দখল, জুলুম ও নির্যাতনের ঘটনা তুলে ধরেন এসবের প্রতিবাদ জানান। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest