আশাশুনিতে ওয়ার্ড সভাপতিকে মারপিট করে সদস্য নবায়ন ফর্ম কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নতুন সদস্য সংগ্রহ ও সদস্য নবায়নের সময় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতিকে মারপিট করে ফর্ম কেড়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দলীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সস্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার লাউতাড়া গ্রামের আনার আলী শাহ্ এর ছেলে ও খাজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তিন নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক শাহ্ রোববার দুপুর একটায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সস্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এ প্রতিকার চান।লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রাজ্জাক উল্লেখ করেন, দলীয় কাউন্সিল উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গঠণতন্ত্র ও নির্দেশনা অনুযায়ি তিনি ও তার ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণপদ সানা গত কয়েকদিন ধরে নতুন সদস্যপদ সংগ্রহ ও সদস্য পদ নবায়নের কাজ করিয়া যাচ্ছিলেন। এ উপলক্ষে তিনি রোববার সকাল ৮টার দিকে কিছু ফর্ম নিয়ে সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে যান। এ খবর জানতে পেরে খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহানেওয়াজ ডালিমের সমর্থক লাউতাড়া গ্রামের আব্দুস সবুর গাজীর ছেলে সুন্দরবনের বনদস্যু অস্ত্রসহ হাফডজন মামলার আসামী র‌্যাব ও ডিবি পুলিশের সোর্স পরিচয়দানকারি সন্ত্রাসী সলেমান গাজী, তার সহযোগী নব্য আওয়ামী লীগার একই গ্রামের মাওলা গাজীর ছেলে আদম গাজী, সাত্তার ঢালীর ছেলে অলিয়ার ঢালী, মোকাম সরদারের ছেলে মিজান সরদার, উকিল গাজীর ছেলে সিরাজুল গাজী, খালেক গাজীর ছেলে রহমান গাজী, কওছার ঢালীর ছেলে কালাম ঢালী ও আবুল সরদারের ছেলে রাসেল সরদারসহ কয়েকজন সেখানে আসে। সদস্যপদ নেওয়া ও সদস্যপদ নবায়নের অধিকার তাকে কে দিয়েছে বলে সলেমান তার কাছে জানতে চায়। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সলেমানসহ উপরোক্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কিল, চড় ও ঘুষি মেরে জখম করে মাটিতে ফেলে দিয়ে তারা তার কাছে থাকা সকল ফর্ম কেড়ে নিয়ে চলে যায়। এ সময় সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ সানা ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে রক্ষায় এগিয়ে এলে তাদেরকেও লাঞ্ছিত করা হয়। এ ঘটনায় তিনি আশাশুনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, সলেমান ও তার সহযোগীরা জামায়ত ও বিএনপি পন্থি লোকজনদের আওয়ামী লীগে ঢোকানোর পায়তারার অংশ হিসেবে তার উপর হামলা চালিয়ে ফর্ম কেড়ে নিয়েছে বলে তিনি মনে করেন। এ অবস্থা চলতে থাকলে দলের মধ্যে কাউয়া ঢুকে পড়ে দলের সমূহ ক্ষতি হবে বলে তিনি মনে করেন। ব্যহত হবে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতির আওয়ামী লীগের মধ্যে শুদ্ধি অভিযানের প্রক্রিয়া।সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তার উপর হামলা করে ফর্ম ছিনতাইকারিদের বিরুদ্ধে আইনগত ও দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংগঠণকে মজবুত ও শক্তিশালী করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, সাধারণ সম্পাদক ও প্রশাসনের উর্দ্ধতন কতর্ৃৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।#

Related posts