বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমি মাওলানা আব্দুস সবুর সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আমাকে জড়িয়ে ঘের লুটপাটের অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়ীয়ে লুটপাটের সঙ্গে জড়িত হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও বিষয়টি সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের বড়দল, বাগডাঙ্গা, দামারপোতা, জেলায়ার ২টি বিল (নাটামারি ও বড়দল হাজী সাহেবের বিল) এলাকায় প্রায় ১৫০০ বিঘা ফসলি জমি রয়েছে। এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে ঘের নির্মাণের কারণে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে আমন ধানসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বসতবাড়ি, স্কুল, মসজিদ ও মন্দিরও জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে। দামারপোতা ছাগলার গেট দিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকলেও কোন খাস খাল না থাকায় পানি নিষ্কাশন হয়না।
তাই, পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা তৈরির লক্ষ্যে এলাকাবাসী একসাথে উদ্যোগ গ্রহণ করে। অভিযোগকারী জয়নালের ঘেরের পশ্চিম পাশ দিয়ে বেতনা নদী পর্যন্ত একটি খাল পানি নিষ্কাশনের পথ ছিল কিন্তু ঐ পথের বেশকিছু অংশ জয়নালের পিতা রেকর্ডভুক্ত করে নেওয়ায় পানি নিষ্কাশন হয়না। ফলে বর্ষা মৌসুমে বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষকে জলাবদ্ধতার সমস্যায় পড়তে হয়।
সম্প্রতি পানি নিষ্কাশনের জন্য আমার পিতার দানকৃত মসজিদের জমির সামনে ওয়াবদায় পাইপ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সুপারিশ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-২-এর অনুমোদনের ভিত্তিতে এ কাজ করা হয়েছে। যার স্মারক নং ৩০ম-২/১৫৬০।
গত ৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় পাইপ স্থাপনের কাজ শেষ হওয়ার পর পানি উন্নয়ন বোর্ড-২-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন, এ সময় এলাকাবাসী পানি উন্নয়ন বোর্ড এর দ্বীচারিতার কারনে ক্ষুব্ধ হয়ে খাসজমিতে লাগানো কিছু ফলজ গাছ কাঁটার ঘটনা ঘটে। তবে আমার বিরুদ্ধে মৎস্য ঘের লুটপাট, অগ্নিসংযোগসহ যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

