জনগণ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কী বলে ডাকবে জানতে চেয়ে আবেদন

ভিন্ন স্বাদের খবর: সরকারি কর্মকর্তাদের সম্বোধন করা নিয়ে জটিলতা বাড়ছে। সুনামগঞ্জ কালেক্টরেটে কর্মরতদের নাগরিকরা কী বলে ডাকবেন- তা জানতে চেয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেছেন ওই শহরের বাসিন্দা সালেহীন চৌধুরী নামের এক উন্নয়নকর্মী।

সোমবার (২০ মে) দুপুরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে তথ্য অধিকার বিধিমালার বিধি-৩ এর নির্ধারিত ‘ফরম-ক’ পূরণ করে এই তথ্য জানতে চান তিনি।

গত বুধবার (১৫ মে) সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা হালদাকে ‘দিদি’ বলে সম্বোধন করায় তিনি লাথি দিয়ে এক মাছ ব্যবসায়ীর ঝুড়ি ড্রেনে ফেলে দিয়েছিলেন। এরআগে স্যার না বলায় স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মীর ওপর চটে যান পাবনার বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা খানম। এসময় উত্তেজিত হয়ে ইউএনও বলেন, আপনি জানেন না একজন ইউএনওকে স্যার বা ম্যাডাম বলতে হয়।

এ ব্যাপারে সালেহীন চৌধুরী বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘স্যার’ সম্বোধন না করার কারণে দেশের নাগরিকরা প্রতিনিয়ত দুর্ব্যবহারের শিকার হন। রাষ্ট্রের একজন কর্মচারী হয়ে জনগণের সাথে তারা কেন এমনটা করেন বোধগম্য হয় না।

তিনি বলেন, জনসচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমি তথ্য অধিকার আইনে জানতে চেয়েছি- সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্বোধনে কোন আইন বা বিধি আছে কী না। যদি না থাকে তবে সুনামগঞ্জ কালেক্টরেটে কর্মরতদের নাগরিকরা কী বলে ডাকবেন সেই বিষয়টি যাতে লিখিত ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়।

এছাড়া গেল বছরের মাঝামাঝি সময়ে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর এক ডাক্তারকে স্যার না বলায় সাংবাদিকের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরআগে মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. রাশেদুল আলমকে ‘স্যার’ না বলে ওসি সাহেব সম্বোধন করায় এসএম কলেজের অধ্যাপক এইচএম জসিম উদ্দিনের সঙ্গে অসদাচারণ ও অকথ্য গালাগাল করে তাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

এরআগে রূপগঞ্জ থানার এক উপপরিদর্শকে (এসআই) স্যার না বলায় এক নিরীহ ব্যক্তিকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছিল।

Related posts