দেশে প্রতিনিয়ত আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলা হত্যা, ধর্ষণ এবং সমাজ ধ্বংসকারী জুয়া ও মাদকের মতো জঘন্য অপরাধের লাগাম টানতে প্রচলিত আইন পরিবর্তনের দাবি উঠেছে। অপরাধীদের মনে আইনের কঠোর শাসন ও তীব্র ভয় তৈরি করতে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে বিদ্যমান ফাঁসি বা অন্যান্য সাজার পরিবর্তে সরাসরি ‘ক্রসফায়ার তথা গুলি করে মৃত্যুদণ্ড’ কার্যকর করার নিয়ম প্রবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি গভীর আস্থা রেখে এই আকুল আবেদন জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোল্ল্যা মুহাম্মদ শাহাজুদ্দীন।
এক বিবৃতিতে ছাত্রনেতা শাহাজুদ্দীন বলেন, “টেকসই, নিরাপদ ও যুবসমাজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় বর্তমান সরকারের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তবে সমাজে প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া কিছু বর্বর অপরাধ এবং মাদক ও জুয়ার নীল দংশনে তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। বর্তমান প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি অপরাধীদের মনে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করতে শাস্তির ধরনে আমূল পরিবর্তন আনা আজ সময়ের দাবি।”
তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে জোর দাবি জানিয়ে বলেন, দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন সংশোধন ও আধুনিকায়ন করা জরুরি। বিশেষ করে—হত্যাকাণ্ড, পাশবিক ধর্ষণ এবং সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়া জুয়া ও যুবসমাজ ধ্বংসকারী মাদক সিন্ডিকেটের মামলার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে বিদ্যমান ব্যবস্থার পরিবর্তে ‘সরাসরি গুলি করে মৃত্যুদণ্ড’ প্রবর্তন করা হোক।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অপরাধী ও মাদক কারবারিদের জন্য এমন কঠোর ও তাৎক্ষণিক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আইনি বিধান করা হলে সমাজ থেকে অপরাধের প্রবণতা চিরতরে হ্রাস পাবে এবং কোনো অপরাধীই এমন জঘন্য কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার সাহস পাবে না।
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোল্ল্যা মুহাম্মদ শাহাজুদ্দীন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের আপামর জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা ও একটি অপরাধমুক্ত-মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণেতা এবং নীতি-নির্ধারকগণ এই প্রস্তাবটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন

