শ্যামনগরের কৈখালীতে খাদ্য বান্ধব র্কমসূচির ডিলারশীপ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগরের কৈখালীতে আওয়ামীলীগে অনুপ্রেবশকারীরা খাদ্য বান্ধব র্কমসূচির ডিলারশীপ নিয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের আশ্রয় নেয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লবাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, উটপজেলার জয়খালী গ্রামের আলহাজ্ব শেখ আবু দাউদের ছেলে কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, বিগত ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কৈখালী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম ও উপজেলা ফুড অফিসার হোসাইনের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারী (জামায়াত-বিএনপির সদস্য) পরানপুরের রাজাকার পুত্র মামলাবাজ বাবলুর রহমান ওরফে ভন্ড বাবু, চিহ্নিত প্রতারক আনারুল, ডাঃ মুজিবর ও আবুল কালাম শুভ’র মাধ্যমে কৈখালী ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রীর সফল প্রকল্প খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাউল বিতরনের কার্ড তৈরী করা হয়। আর এই কার্ড তৈরীতে চরম অনিয়ম-দুর্নীতির আশ্রয় নেন তারা। তারা স্বজনপ্রীতি, ভূয়া নাম তালিকায় অন্তর্ভূক্ত, চাউল চুরি, কার্ড চুরি, একই পরিবারের মাঝে চাউল বিতরণ, মৃত্যু ও প্রবাসীর স্ত্রীসহ একই পরিবারের অন্নভুক্ত সদস্যদের দিয়ে নামে বেনামে তালিকা তৈরী করেন। এরপর হাইব্রিড নেতা রেজাউলের সহযোগিতায় উক্ত ৪ জন এক জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ডিলারশীপও গ্রহণ করেন। এই কার্ড ধেকে তারা হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। তারা এই প্রকল্পে সীমাহীন দুর্নীতি অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টের ষড়যন্ত্রে অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, আমি ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর বিষয়টি জানতে পেরে তাদের অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করি। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকার কিছু মানুষকে ভুল বুঝিয়ে এবং তাদের পেটুয়া বাহিনীকে দিয়ে গত ১৯ অক্টোবর আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা, ভিত্তিহীন মানববন্ধন করে। আমি উক্ত মানববন্ধনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, ২০১৪ সালের ২৪ জুন ভোলপাল্টে আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারী সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউলের বিরুদ্ধে সরকারী জমি দখল করে তা বিক্রি, আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতাদের নামে মামলা, স্থানীয় আওয়ামীলীগ কার্যালয় বিক্রিসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। তার কারণে অত্র এলাকায় আওয়ামীলীগের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। এছাড়া তার পিতা আঃ করিমের হাতে নির্যাতিত হয়ে বহু হিন্দুরা সম্পত্তি ফেলে ভারতে পালিয়ে যায়। তার দাদা জামায়াত নেতা কেফাতুল্লাহ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পিচ কমিটির নেতা ছিলেন। এমাতাবস্থায় তিনি (বর্তমান চেয়ারম্যান রহিম) হাইব্রীড আওয়ামীলীগার রেজাউল করিম ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন তার পরিষদের ৯ জন পুরুষ ও মহিলা সদস্য । ##

২০.১০.১৯

Related posts