শ্যামনগর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরাকে ঘিরে থাকা ১৫ নং পোল্ডারের আওতাধীন উপকুল রক্ষা বাঁধ থেকে ১২টি নাইনটি অপসারণ করেছে প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চকবারা, ডুমুরিয়া, চাদনীমুখা ও ৯ নং সোরা এলাকার বাঁধ হতে থেকে এসব নাইনটি অপসারণ করা হয়।
চিংড়িঘেরে নদীর লবন পানি সরবরাহের জন্য স্থানীয় প্রভাবশালীরা সম্প্রতি উপরিভাগের ব্লক সরিয়ে বাঁধ কেটে ও ছিদ্র করে পাইপের সাহায্যে সেখানে এসব নাইনটি স্থাপন করেছিল। এসময় অন্যান্যের মধ্যে সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাশেদ হোসাইন, অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী, পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদারসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম বেড়ীভাধের উপরে অবৈধ নাইন্টি পাইপ অপসারণ শুরু করেন। তিনি বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় সরকারের মেগা প্রকল্পের আওতায় নির্মিত টেকসই ভেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে কিছু মৎস্যঘের মালিক অবৈধভাবে ‘নাইনটি’ পাইপ স্থাপন করে আসছিলেন। এর ফলে কোটি কোটি
এদিকে, পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদারের ভাষ্য এখনো পর্যন্ত গাবুরার চারপাশে টেকসই বাঁধ নির্মান কাজ শেষ হয়নি। অনেকে নৌকা আটকানোর জন্য খুঁটি স্থাপনের পাশাপাশি কয়েকজন রীতিমত নির্মানাধীন বাঁধ কেটে পাইপের সাহায্যে নাইনটি স্থাপন করেছে। বাঁধের ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনায় নিজে থেকে নাইনটিগুলো অপসারণে নির্দেশনা দেয়া সত্ত্বেও স্থানীয়রা তাতে কর্নপাত করেনি। বাধ্য হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে বাঁধের জন্য ক্ষতিকর নাইনটি গুলো অপসারণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক জানান, টেকসই বাঁধ নির্মাণের অংশ হিসেবে এক হাজার ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে গাবুরার চারপাশজুড়ে পুনর্বাসন প্রকল্প চলমান। বিশাল কর্মযজ্ঞের মধ্যেই কিছু ব্যক্তি সদ্য নির্মিত বাঁধের উপরের ব্লক সরিয়ে মাটি কেটে পাইপ স্থাপনের মাধ্যমে নাইনটি তৈরি করেছে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিভিন্ন অংশের বাঁধ হতে ১০টিরও বেশী নাইনটি অপসারণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে কেউ বাঁধের ক্ষতির চেষ্টা করলে আইনের আওতায় আনা হবে।

