নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, সরকারের পুরো সিন্ডিকেট মাদকের সাথে জড়িত। লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার ব্যবসা তারা নিয়ন্ত্রন করে। সমাজকে তারা স্থিতিশীল থাকতে দেয় না। কারণ মাদক যারা গ্রহণ করে তারাই তাদের চেলাবেলা আর শিষ্য হয়। মাদকের বিরুদ্ধে কথা বললেই আমরা রাজাকার হয়ে যায়। সিলেটের ডিসি মাজারে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনার একদিনের মধ্যে তাকে সরি দেওয়া হল। ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী রয়েছে। এই সংগঠন থেকে বিদায় নেওয়া কোটি কোটি শিক্ষার্থী আছে। বুক ফুলিয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির বলতে পারে, এই সমাজব্যবস্থায় সবচেয়ে আদর্শবান, সবচেয়ে সুশৃঙ্খল ও সুষম বিকশিত মানুষ উপহার দিতে সক্ষম হয়েছে। এজন্যই ইসলামী ছাত্রশিবিরের ওপর তাদের এত রাগ।
সোমবার সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী ব্লেব দেয় বাজেটে মাদকের দাম বাড়ানোর কারনে নাকি জামায়াত অখুশি। একটা ভূয়া ফেক ফটোকার্ড দেখে প্রধানমন্ত্রী এমন কথা বলেন। করুনা হয়। একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী বাজেটের নিয়ম সম্পর্কে ঠিকমত জানেন না। আইন কানুন সম্পর্কে তিনি জানেন না বলে আমার ধারনা। তিনি রাষ্ট্র চালাচ্ছেন। মিথ্যা বলে জাতি বিভ্রান্ত করবেন না।
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জিয়াউর রহমান ফাহিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী,,সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতর আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল,শহর ছাত্রশিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান ,সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোঃ নুরুন্নবী।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সাতক্ষীরা শহর জামায়াতের আমীর জাহিদুল ইসলাম বকুল,সদর উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দীয় এইচ আর ডি সম্পাদক আব্দুর রহিম, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুবায়ের রহমান।, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমিন।

