শ্যামনগরে হরিনের মাংস খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ১৫

ডেস্ক রিপোর্ট : শ্যামনগর রমজাননগর ইউনিয়নের কালিঞ্চি গ্রামের আজগর আলী বুলু(৪৩) গ্রুপ ও আব্দুল্ল্যাহ খোকন (৬৫) গ্রুপের মধ্যে হরিনের মাংস খাওয়াকে কেন্দ্র করে বনবিভাগের উপস্থিতিতে আজ ব্যাপক সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়।
স্থানীয় সুত্রে ও আজগর আলী গংরা জানিয়েছে , আব্দুল্ল্যাহ খোকন গংরা গত শনিবার রাতে সুন্দরবন থেকে তিনটি হরিন শিকার করে নিয়ে আসে। হরিনের মাংস নিজেরা ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়। পাশাপাশি ৩ কেজি হরিনের মাংস ৬ শ” টাকা দরে কয়েকজন প্রতিবেশীর নিকট বিক্রী করে এমন খবর জানতে পেরে আজগর আলী বুলু গং সাতক্ষীরা রেঞ্জের কৈখালী ষ্টেশনকে জানায়। এখবর পেয়ে রোববার বিকালে কৈখালী স্টেশনের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে কয়েকটি ঘর তল্লাশী করে হরিনের মাংস পায়নি। তবে ঘর তল্লাশির করার এক পর্য্যায় দুই গ্রুপের মধ্যে বাকবিতন্ডের মধ্য দিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তারা। কৈখালী স্টেশনের কর্মচারী মিজানের সাথে হলে তিনি বলেন, এলাকার লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে বনবিভাগের লোকজন গিয়েছিল। তবে কোন হরিনের মাংস উদ্ধার হয়নি।কিন্ত এঘটনা কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসারত আজগর আলী বুলু গ্রুপের আহতরা হলেন, আজগর আলী বুলু( ৪৩), সুকোর আলী (৪৫), মুকুল (৪৬), জসীম গাজী (৩৫), মোস্তাফিজুর (২৫), জাকির হোসেন(২০), মাকসুদা (২১), সকলের বাড়ী রমজাননগর ইউনিয়নের কালিঞ্চি গ্রামে।
এদিকে আব্দুল্ল্যাহ খোকন গংএর পক্ষে আহতরা হলেন, আব্দুল্ল্যাহ খোকন(৬৫), আবু সিদ্দীক (৫০), আবুল কাশেম মন্টু (৩৬), মিয়ারাজ হোসেন(৩২), হাবিবুর রহমান(২২), ওমর ফারুক (২৩) সেলিনা খাতুন(২২)। এদের সকলের বাড়ী রমজাননগর কালিঞ্চি গ্রামে।
তবে আব্দুল্ল্যাহ খোকন জানিয়েছে পুর্ব শুক্রতার জের ধরে ইতিপুর্বে ওই গংরা হরিনের চামড়া দিয়ে আমাদের ফাসানোর চেষ্টা করে। কিন্ত পুলিশ প্রসাশন ঘটনাটির রহস্য বুঝতে পেরে উল্টো হরিনের সিং পাচার করার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে।ওই মামলায় বুলু গংদের কয়েকজন জেল খেটে জামিনে বের হয়।তারই জের ধরে আমাদের কে ফাসানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল।
এদিকে দুই গ্রুপের পক্ষ থেকে শ্যামনগর থানায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে।মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Related posts