সর্বশেষ সংবাদ-
মুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আওয়ামী লীগ কি পারিবারিক দল হয়ে উঠছে?

বিভুরঞ্জন সরকার: জেলা শহরগুলো এখন নেতাশূন্য। কথা বলার জন্য তেমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না। সারা দেশের মূল মূল রাজনৈতিক নেতারা ঢাকায়। সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য লবিং-তদ্বির করতে বিভিন্ন দলের নেতারা সঙ্গী-সাথি নিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছেন। ২৩০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর ২৫ নভেম্বর বিকেলে খুলনায় দলের নেতাদের প্রতিক্রিয়া জানার চেষ্টা করে পেলাম না।

তবে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কিছু প্রতিক্রিয়া জানা গেলো। খুলনা জেলায় মোট ছয়টি আসন। তার মধ্যে সদরে দুটি আসন। মুসলিম লীগের জাঁদরেল নেতা সবুর খানের বাড়ি হওয়ায় এখানে স্বাভাবিকভাবেই তার সমর্থকগোষ্ঠী ছিলো। সাবেক মুসলিম লীগাররা পরে বিএনপি হওয়ায় খুলনা শহরে বিএনপির প্রভাব বেশি। খুলনা সদরে সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ খুব একটা সুবিধা করতে পারে না। এবার কি হবে নির্বাচনের ফলাফল? নতুন প্রজন্মের ভোটারদের মধ্যে কি মুসলিম লীগের লিগেসি আছে?

এসব প্রশ্নের সরাসরি জবাব পাওয়া যায় না। কেউ নিশ্চিত করে কিছু বলতে চান না।

গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়রপদে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের তালুকদার আব্দুল খালেক। তিনি আগেও মেয়র ছিলেন। জনপ্রিয় নেতা। ভালো নির্বাচন হলেও তিনি জিততেন বলে অনেকেই বললেন। তবে ব্যবধান হয়তো কম হতো। কিছুটা অনিয়ম করে তার ভোটের ব্যবধান বাড়ানোর কোনো দরকার ছিলো না। শহরে বিএনপির যে একক আধিপত্য বা প্রাধান্য ছিলো, সেটা এখন কিছুটা কমেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের জেতার অবস্থা তৈরি হয়েছে কিনা সেটা নিশ্চিত নয়।

এবার খুলনা শহরের দুটি আসনের একটিতে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে শেখ জুয়েলকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই তিনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ছোট ভাই শেখ নাসেরের পুত্র শেখ জুয়েল একজন ব্যবসায়ী। তিনি সক্রিয় রাজনীতি না করলেও তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তার যেমন কোনো নেতিবাচক ইমেজ নেই, তেমনি নেই কোনো রাজনৈতিক ভূমিকা। বিএনপি প্রার্থীর শক্ত প্রতিপক্ষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে শেখ জুয়েলের। আওয়ামী লীগ যদি ঐক্যবদ্ধভাবে জুয়েলের পেছনে কাজ করে তাহলে নির্বাচনের ফলাফল তার অনুকূলে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

বাগেরহাটের দুটি আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ পরিবারের দুই সদস্য। একজন শেখ হেলাল, শেখ নাসেরের বড় পুত্র, অন্যজন শেখ হেলালের পুত্র শেখ তন্ময়। খুলনা এবং বাগেরহাটে ‘তিন শেখের’ মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে ঠাট্টা-তামাশাও হচ্ছে। অনেকেই বিষয়টিকে বাঁকা চোখে দেখছেন। প্রশ্ন উঠছে , আওয়ামী লীগ কি পারিবারিক সংগঠনে পরিণত হচ্ছে? যোগ্যতা থাকলেও এক পরিবারের এতোজন সদস্যকে সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দিলে দলের ভেতরেও কথা উঠবে ।

আওয়ামী লীগ যে সেভাবে প্রার্থী বদল করলো না, তা নিয়েও জল্পনা-কল্পনা হচ্ছে। বিতর্কিত মন্ত্রী-এমপিদের আবার মনোনয়ন দেওয়ার পেছনে ‘অন্য’ কারণ আছে বলেও কেউ কেউ মনে করছেন। শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচনে ঝুঁকি দেখা দিতে পারে ধরে নিয়েই এমন প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে যারা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সক্ষম। মানুষ মনে করছে, আওয়ামী লীগ জেতার জন্য নির্বাচন করছে। জেতার জন্য যা যা করা দরকার তারা তাই তাই করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আওয়ামী লীগ মাঠ ছেড়ে দেওয়ার পার্টি নয়। ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনার অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা যাদের আছে তাদের ছাড়া আর কাউকে মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে না।

আগামী নির্বাচন হবে আওয়ামী লীগের জন্য এক মারাত্মক শক্তিপরীক্ষা। এই পরীক্ষায় হারজিতের ওপর দেশের রাজনীতির অনেক কিছু নির্ভর করছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরে না এলে দেশের উন্নতির চাকা পেছনের দিকে ঘুরবে এমন আশংকা অনেকের মধ্যেই আছে। শেখ হাসিনা টানা দশ বছর দেশ শাসন করছেন। অনেক ভালো কাজ করেছেন। কিন্তু তার দলের একাংশ নানা রকম অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে আওয়ামী লীগকেই বড় চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

দুই জন রানিং সংসদ সদস্যকে মনোনয়ন না দিয়ে একজনের স্ত্রীকে এবং একজনের বাবাকে মনোনয়ন দেওয়াকেও আওয়ামী লীগে পরিবারতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ধারাকে জোরদার করার নজির হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

নেত্রকোনায় একজন এমপিকে মনোনয়ন না দিয়ে কোন যোগ্যতায় এবং কোন বিবেচনায় তার ভগ্নিপতিকে মনোনয়ন দেয়া হলো, সে প্রশ্নও উঠছে। মনোনয়নবঞ্চিত এমপি ছবি বিশ্বাসকে নিয়ে তেমন বিতর্ক শোনা যায় না। তারপরও তাকে বাদ দিয়ে তার বোনের বর মানু মজুমদারকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। মানু মজুমদারের বাড়ি নেত্রকোনায় নয় এবং তিনি রাজনীতিতেও ছবি বিশ্বাসের সঙ্গে তুলনীয় নন। নির্বাচনে জিতে আসতে পারলে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু ফলাফল খারাপ হলে বিতর্কিত মনোনয়নের বিষয়গুলোই বড় হয়ে সামনে আসবে। বিষয়গুলো তৃণমূলের মানুষেরও নজর এড়াচ্ছে না।

লেখক : গ্রুপ যুগ্ম সম্পাদক, আমাদের নতুন সময়

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইঁদুর-বাদুড় খেয়েই দিন কাটে তাদের!

অনলাইন ডেস্ক: জঙ্গলে শিকার করে পাওয়া ইঁদুর, বাদুড় বা কোনও পাখির মাংস আর ভিক্ষা করে পাওয়া চালের ভাত। জীবনধারণের জন্য মূলত এসব খাবারের উপরেই নির্ভর করতে হয় পশ্চিমবঙ্গের খয়রাশোলের রসা গ্রামের ‘যাযাবর’ বেদ সম্প্রদায়ের পাঁচ হতদরিদ্র পরিবারকে।

অপুষ্টি, অভাবের দোসর ছিল যক্ষ্মাও। ভারত সরকারের তথ্য অনুযায়ী, যক্ষ্মায় মৃত্যুও হয়েছিল ওই পরিবারগুলোর এক সদস্যের। ভুগছিলেন আরও এক জন। পাঁচ মাস আগে সংবাদমাধ্যমে এমন খবর প্রকাশের পরে কিছুটা তৎপর হয় প্রশাসন।
ওই পরিবারের সদস্যরা জানান, অভাব এখনও রয়েছে। শিকার ও ভিক্ষাবৃত্তি এখনও তাদের ক্ষুধা মেটানোর প্রধান উপায়। তবে কিছুটা হলেও পরিবারগুলোর পাশে থাকার চেষ্টা করেছে প্রশাসন। পূজার আগেই পরিবার প্রতি ৩০ কেজি করে গম দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের তরফে মিলেছে কিছু টাকা, কম্বল, জামাকাপড়, ত্রিপল ও চাল।

ওই এলাকার নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য বিদ্যুৎ ঘোষ বলেন, যাতে তারা দু’বেলা খেতে পায় সে দিকে প্রশাসন নজর রেখেছে। তবে মূল সমস্যা হল, আর্থ-সামাজিক ও জাতিগত সমীক্ষায় ওই পরিবারগুলোর নাম না থাকা।
স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েক দশক আগে বেদ সম্প্রদায়ের অর্জুন বেদ সপরিবার খয়রাশোলের রসা গ্রামে এসে থাকতে শুরু করেন। বর্তমানে অর্জুনের চার ছেলেমেয়ে আলাদাভাবে পাশাপাশি থাকেন। তাদের বক্তব্য ছিল— বছর তিনেক আগে ভোটার কার্ড পেয়েছেন। রয়েছে রেশন কার্ডও। কিন্তু তাদের মতো হতদরিদ্র পরিবারের জন্য বরাদ্দ হয়েছে এপিএল কার্ড। তাই ২ টাকা দরে নয়, চাল কিনতে হয় প্রতি কেজি ১৩ টাকা দরে। এতো বেশি টাকা দিয়ে চাল কেনার ক্ষমতা নেই তাদের। নেই জবকার্ড, ঘর, আলো। তাই বাধ্য হয়েই ভিক্ষা আর বনে শিকার ভরসা। সূত্র: আনন্দবাজার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইউক্রেইনে সামরিক আইন জারির আদেশ

বিদেশের খবর: ইউক্রেইনে ৬০ দিনের জন্য ‘মার্শাল ল’ বা সামরিক আইন জারি করতে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট পেট্রো পোরোশেঙ্কো। তবে আদেশটি কার্যকর হওয়ার জন্য পার্লামেন্টের অনুমোদনের প্রয়োজন পড়বে।

প্রেসিডেন্টের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে সোমবার একথা জানানো হয়েছে। রাশিয়া অধিকৃত ক্রিমিয়ার কের্চ প্রণালীতে ইউক্রেইনের তিনটি জাহাজ জব্দ করার জেরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট এ সামরিক আইন জারির উদ্যোগ নিলেন।
রাশিয়া ‘বিনা উস্কানিতে পাগলের মত আচরণ করেছে’ বর্ণনা করে ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট পোরোশেঙ্কো সামরিক আইন জারি সংক্রান্ত এ ডিক্রি সই করার কথা জানান। তবে এর অর্থ যুদ্ধ ঘোষণা নয় বলেও জোর দিয়ে বলেছেন তিনি। নতুন করে যুদ্ধে জড়ানোর পরিকল্পনা ইউক্রেইনের নেই বলে জানান পোরোশেঙ্কো।

রোববার ক্রিমিয়া উপকূলে ইউক্রেন নৌবাহিনীর তিনটি জাহাজ আটক করেছে রাশিয়া। জাহাজগুলো জব্দ করার আগে সেগুলোর দিকে গুলি ছুড়ে বেশ কয়েকজন ইউক্রেনীয় নাবিককে আহত করেছে রুশ নিরাপত্তা বাহিনী।

ইউক্রেইনের জাহাজগুলোকে আটকাতে রাশিয়া প্রায় ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কৃষ্ণ সাগর থেকে আজোভ সাগরে জাহাজ চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছিল। এজন্য তারা ক্রিমিয়ার কাছের কের্চ প্রণালীর সেতুর নিচে ট্যাংকার ফেলে রেখেছিল। ইউক্রেইনের জাহাজ আটকের পর সোমবার সকালে রাশিয়া সেতুর নিচ থেকে ট্যাংকার সরিয়ে নেয়। ২০১৪ সালে ইউক্রেইনে রাশিয়ার আগ্রাসন এবং ক্রিমিয়া অধিগ্রহণের পর থেকেই দুই প্রতিবেশী দেশ মুখোমুখি অবস্থানে আছে।
কৃষ্ণ সাগর থেকে আজোভা সাগরে জাহাজ চলাচল নিয়েও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। যদিও নৌযানের অবাধ চলাচলের জন্য ২০০৩ সালে সম্পাদিত দুই দেশের একটি দ্বিপাক্ষিত চুক্তি আছে।
সম্প্রতি রাশিয়া নিরাপত্তার অজুহাতে ইউক্রেইন থেকে রওয়ানা হওয়া বা ইউক্রেইনগামী সব জাহাজে নজরদারি শুরু করেছে।

ইউক্রেইন সরকারের অভিযোগ, রাশিয়া আজোভ সগারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাদের অর্থনীতি ধ্বংস করতে চাইছে। আজোভ সাগরে বেরদিয়ানস্ক ও মারিউপোল নামে ইউক্রেইনের গুরুত্বপূর্ণ দুইটি সমুদ্রবন্দর আছে।

গত সেপ্টেম্বরে ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, তার দেশের মোট রপ্তানি রাজস্বের একচতুর্থাংশ আসে মারিউপোল বন্দর থেকে।
জাহাজ জব্দ করার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কিয়েভে রুশ দূতাবাসের সামনে অন্তত দেড়শ বিক্ষোভকারী জড় হয়। তারা দূতাবাসের দিকে জ্বলন্ত বস্তু ছুড়ে মারে, তাতে দূতাবাস প্রাঙ্গনে থাকা অন্তত একটি গাড়িতে আগুন ধরে যায়।

ইউক্রেইন তাদের আটক নৌজাহাজগুলো ফেরত চেয়েছে এবং নাবিকদের মুক্তি দাবি করেছে। একইসঙ্গে রাশিয়াকে শাস্তি দিতে দেশটির ওপর নতুন করে আরো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া এবং এরই মধ্যে বহাল থাকা নিষেধাজ্ঞাগুলো আরো কঠোর করার জন্য ইউক্রেইন এর পশ্চিমা মিত্রদেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছে।
ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর সোমবার নেটো জরুরি বৈঠক ডেকেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, পোল্যান্ড, ডেনমার্ক ও কানাডা এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে।

ইউক্রেইনে সামরিক আইন জারি হলে সরকার যেকোনো ধরনের বিক্ষোভ দমনের ক্ষমতা পাবে। গণমাধ্যমকে নজরদারি, নির্বাচন স্থগিত করা এবং নাগরিকদের সামরিক ঘাঁটিতে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে।

যদি পার্লামেন্ট মার্শাল ল জারির অনুমতি দেয় তবে ২০১৪ সালে ইউক্রেইন-রাশিয়ার সংঘাতের পর আবার সামরিক আইন জারির ঘটনা ঘটবে।
২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেইনে হামলা চালিয়ে এর ক্রিমিয়া উপদ্বীপ অধিগ্রহণ করে রাশিয়া। যার জেরে দেশটির দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে রুশপন্থি বিদ্রোহীদের সঙ্গে ইউক্রেইন সেনাবাহিনীর লড়াই শুরু হয়। ওই যুদ্ধ ১০ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।
১৯৯১ সালে সোভিয়েৎ ইউনিয় ভেঙ্গে যাওয়ার পর ইউক্রেইন স্বাধীনতা লাভ করে। পশ্চিমা সমর্থন পুষ্ট ইউক্রেইনে হুমকি বলে মনে করেন রাশিয়া।

রোববার কী ঘটেছিল?
অবৈধভাবে জলসীমায় প্রবেশের অভিযোগ তুলে রোববার অধিকৃত ক্রিমিয়া উপকূলে ইউক্রেন নৌবাহিনীর দুইটি গানবোট এবং একটি টাগবোট আটক করে রাশিয়া। জাহাজগুলো জব্দ করার আগে সেগুলোর দিকে গুলি ছুড়ে বেশ কয়েকজন ইউক্রেনীয় নাবিককে আহত করেছে রুশ নিরাপত্তা বাহিনী।

এর আগে রাশিয়া কৃষ্ণ সাগর থেকে আজোভ সাগরে জাহাজ চলাচল আটকাতে ক্রিমিয়ার কাছের কের্চ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছিল।
কের্চ প্রণালীর ওপরের সেতুটি রাশিয়ার মূলভূখণ্ডের সঙ্গে অধিকৃত ক্রিমিয়াকে সংযুক্ত করেছে। কৃষ্ণ সাগর থেকে ইউক্রেইনের কোনো জাহাজ আজোভা সাগরে যেতে হলে এই সেতুর নিচ দিয়েই যেতে হয়।

এ নিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়।
শুরুতে ইউক্রেইন রাশিয়ার বিরুদ্ধে তাদের নৌযানে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ তোলে। জবাবে রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়, আগে থেকে না জানিয়ে তাদের জলসীমায় গানবোট পাঠিয়ে ইউক্রেইন ইচ্ছা করে ‘যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি’ করেছে।

তাদের জাহাজগুলো কোনো আইন ভঙ্গ করেনি দাবি করে রাশিয়া ‘সামরিক আগ্রাসন’ চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইউক্রেন। রাশিয়াকে শাস্তি দিতে বিশ্ব সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে তারা।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেত্রো পোরোশেঙ্কো সামরিক বাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। পোরোশেঙ্কো জানিয়েছেন, দেশে সামরিক আইন জারির জন্য পার্লামেন্টের কাছে প্রস্তাব রাখবেন তিনি।

ক্রিমিয়াকে নিজেদের সীমান্তভুক্ত করে নেওয়া ও ইউক্রেইনের পূর্বাঞ্চলে মস্কোপন্থি বিদ্রোহীদের সমর্থন দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেইনের সম্পর্ক আগে থেকেই নাজুক হয়ে আছে, এর মধ্যে এ ঘটনা দেশ দুটিকে বৃহত্তর সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে বলে ধারণা পর্যবেক্ষদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খাবার সম্পর্কে ৮ অদ্ভূত ভীতি

স্বাস্থ্য কণিকা: আমরা অনেকে খাবার বেছে বেছে খেতে পছন্দ করি। কিন্তু অনেক সময় খাবার নিয়ে বিতৃষ্ণা থাকা খুব বড় একটি সমস্যা। কিছু মানুষকে প্রতিদিন তার খাবারের প্রতি ভীতি নিয়ে কাটাতে হয়। যেসব খাবার খেতে তাদের প্রচুর ভয় তা হজম করতেও তাদের অসুবিধা হয়। আসলে কে খাদ্যভীতিতে আছেন আর কার খাবারের প্রতি অনীহা আছে সেটা কিভাবে জানা যায় তা আমরা জানি না। চলুন জেনে নিই কিভাবে বুঝবেন খাবার নিয়ে আপনার আসলে ভীতি কাজ করে নাকি অনীহা।

১. ল্যাকানোফোবিয়া- সবজীভীতি :
যদি সবজী দেখে আপনার মনে ভয় কাজ করে এবং তা গলা দিয়ে নামাতেই কষ্ট হয়ে যায় তবে হয়তো আপনার সবজীভীতি রয়েছে। এক্ষেত্রে কারণ হিসেবে ধরা হয় যে সবজীর ভেতরের কোনও পোকা বা বীজ পেটে চলে যেতে পারে এই ভয় কাজ করে আপনার মধ্যে।

২. থারমোফোবিয়া- গরমভীতি :
গরম গরম খাবার খেতে ভয় পান থারমোফোবিয়ায় আক্রান্ত মানুষ। গরম স্যুপ বা কফি হোক, মুখ পুড়ে যাওয়ার ভয়ে এ ফোবিয়ায় আক্রান্ত মানুষ গরম খাবার খেতে ভয় পায়। অন্যদিকে ফ্রিজোফোবিয়ায় আক্রান্ত মানুষ ঠান্ডা খাবার খেতে ভয় পায়।

৩. ব্রুমোট্যাকটিলোফোবিয়া- খাবার ছোঁয়ার ভীতি :
প্লেটের উপরে রাখা এক খাবার অন্য খাবারকে স্পর্শ করছে এটা দেখে বিরক্ত লাগে? তবে অবশ্যই বুঝতে হবে ব্রুমোট্যাকটিলোফোবিয়া রয়েছে। অবসেসিভ কমপালসিভ ডিজঅর্ডারের হালকা এক রূপ ধরা হয় এই ভীতিকে। এই ভীতির মানুষ ভিন্ন খাবারের স্বাদ আলাদা আলাদাভাবে নিতে চান এবং প্লেট পরিস্কার রাখতে পছন্দ করেন।

৪. অ্যাসিরোফোবিয়া- টক খাবারের ভয় :
অনেক মানুষ টক খেতে পারেন না। এতে তাদের বমি বমি লাগে এবং অনেক সময় মাথা ঝিম ঝিমও করে। টক খাবার খাওয়ার এই ভয়কেই অ্যাসিরোফোবিয়া বলে।

৫. মাইসোফোবিয়া- মাশরুম খাওয়ার ভয় :
সবাই মাংসের মতো খেতে মাশরুম তাদের পাস্তার সঙ্গে খেতে পছন্দ করেন না। তাদের কাছে মনে হয় বিষাক্ত এই ছত্রাক খেলে ক্ষতি হবে এবং অনেক সময় নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হয় তাদের।

৬. অ্যারাকিবিউটিরোফোবিয়া- পিনাট বাটার ভীতি :
বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, কিছু মানুষ শুধু মাত্র মুখের তালুতে লেগে যাবে এই ভয়ে পিনাট বাটার খেতে পারে না।

৭. কনসেকটেলোফোবিয়া- চপস্টিকভীতি :
আমরা অনেকেই জানি না কিভাবে চপস্টিক দিয়ে খেতে হয়। কিন্তু অনেক মানুষই চপস্টিক দিয়ে খেতে হবে বলে চীনা ও জাপানি রেস্তোরাতেই যান না। মূলতঃ বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে এই ভয়তে তারা চপস্টিকে খেতে চান না।

৮. টুরোফোবিয়া- পনীর খাওয়ার ভয় :
পনীর খেতে ভালোবাসেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। মুলতঃ টুরোফোবিয়ায় আক্রান্তরা পনীর পচে যাওয়া খাবার বা সেকেলে বা হয়তো পোকা রয়েছে এটা মনে করে খেতে চায় না।

খাবার নিয়ে এসব ভীতির বেশিরভাগই কোনও গুরুতর রোগ নয়। অনেকের মধ্যেই এই রোগ দেখা যায়। আপনার মধ্যেও কি আছে?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধূলায় হাঁচি-কাশি!

স্বাস্থ্য কণিকা: অনেকেই আছেন যারা সামান্য ধূলায় গেলেই হাঁচি, কাশি শুরু হয়ে যায়। ঘর পরিস্কার করার সময় সামান্য ধূলা লাগলে হঠাৎ হাঁচি, কাশির সঙ্গে নাক দিয়ে পানিও পড়া শুরু হয়।
বারবার একই ধরণের এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলেও আমরা বিষয়টি নিয়ে তেমন মাথা ঘামাই না বা এটি রোগ হিসেবে গণ্যই করি না। তবে আমাদের মনে রাখা দরকার এটি নাকের একটি অ্যালার্জিজনিত রোগ যাকে বলা হয় ‘অ্যালার্জিক রাইনাইটিস’।

অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া লক্ষণ দেখা দিয়ে বুঝতে হবে রোগটি অ্যালার্জিক ’রাইনাইটিস। অনেকের ঘরের পুরনো ধুলাবালি থাকে এবং পোষা প্রাণীর লোমের সংস্পর্শে এই লক্ষণ শুরু হয়। কারো কারো ক্ষেত্রে সারা বছর ধরে এই লক্ষণ থাকে। কারো কারো ঋতুভিত্তিক যেমন গ্রীষ্মের শেষে এবং বর্ষা ও শরতে এই সমস্যা শুরু হয়।

শিশু-কিশোরদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বেশি থাকলেও যেকোনো বয়সে এইব রোগের লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

যেসব পরীক্ষা করাতে পারেন
এই রোগটি আপনার হয়েছে কিনা তা শনাক্ত করার জন্য রক্তের ইয়োসিনোফিল, সিরাম আইজিই, স্কিন প্রিগ টেস্ট, সাইনাসের এক্স-রে করে নিতে পারেন।
অ্যালারজেন পরিহার করে চললে, এন্টিহিস্টামিন, নেসাল স্টেরয়েড ব্যবহার ও অ্যালার্জি ভ্যাসকিন বা ইমুনোথেরাপি দিয়ে ’অ্যালার্জিক রাইনাইটিস’ রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিটামিন ডি আর ঘুম কমাবে আর্থ্রাটিসের ব্যথা

স্বাস্থ্য কণিকা: যদি আপনি কোমর ব্যথা এবং আর্থ্রাইটিসে ভুগে থাকেন তাহলে শরীরের সাধারণ কিছু যত্ন আপনার উপকার করবে। নতুন এক গবেষণায় পাওয়া গেছে যে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ডি এবং ভালো ঘুম আপনার দীর্ঘস্থায়ী আর্থ্রাইটিস এবং কোমর ব্যথা থেকে মুক্তি দেবে।

ফেডারেল ডি সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক তাদের গবেষণার ফল এনডক্রিনোলজিতে প্রকাশ করেন। তারা বলেন, শরীরে ভিটামিন ডি এর উপস্থিতি এবং পর্যাপ্ত ঘুমের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী কোমর ব্যথা, আর্থ্রাইটিস এবং মাসিকের ব্যথার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে।

হাড়ের বিপাকক্রিয়ায় ভিটামিন ডি-এর ভূমিকার কথা সবাই জানে। এছাড়াও উর্বরা শক্তি বৃদ্ধিতে, ইনফেকশন, ব্যথা ও ঘুমেও ভিটামিন ডি এর প্রভাব রয়েছে। এর আগে এক গবেষণায় পাওয়া যায় শরীরের প্রদাহ উপশমে ভিটামিন ডি কাজ করে। বেশ কিছু চিকিৎসা সংক্রান্ত গবেষণায় দেখা যায় ঘুমের সমস্যা দূর করতেও ভিটামিন ডি কারযকর।

দীর্ঘস্থায়ী এই ব্যথাগুলো যে শুধু সাময়িক কষ্ট দেয় তা নয়, এটি আমাদের স্বাস্থ্যে বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং খরচও বাড়ায়। তাই দীর্ঘস্থায়ী এ ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে ভিটামিন ডি জাতীয় খাবার খান এবং পর্যাপ্ত ঘুম দিন। আপনার ব্যথা উপশমে এটি কাজ করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রাম্পকে টুইটারে জ্ঞান দিয়ে ভাইরাল আসামের তরুণী

বিদেশের খবর: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আবহাওয়া আর জলবায়ুর পার্থক্য ফারাক বুঝিয়ে দিয়ে রাতারাতি ইন্টারনেট জগতের তারকা বনে গেছেন ভারতের আসামের ১৮ বছরের এক তরুণী। ট্রাম্পকে ট্যাগ করা আস্থা শর্মার ছোট্ট টুইট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাজার হাজার লোক সেটি রি টুইট বা লাইক করেছেন, বয়ে যাচ্ছে হাজারো মন্তব্যের বন্যা। ঘটনার সূত্রপাত গত ২১ নভেম্বর।

ওইদিন ওয়াশিংটন ডিসির তাপমাত্রা নেমে হয়েছিল হিমাঙ্কেরও ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে। পরদিনই হোয়াইট হাউস থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প টুইট করেন, নিষ্ঠুর আর দীর্ঘায়িত শৈত্যপ্রবাহ আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে। গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কী হলো? ট্রাম্পের সেই মন্তব্য নিয়ে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ব্যঙ্গ বিদ্রূপের ঝড় বয়ে যেতে থাকে।

হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারেননি সুদূর আসামের সদ্য হাইস্কুল পাস করা ছাত্রী শর্মাও। নিজের টুইটার হ্যান্ডল থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ট্যাগ করে শর্মা লেখেন, আপনার চেয়ে আমি ৫৪ বছরের ছোট। খুব গড়পড়তা নম্বর পেয়ে সবেমাত্র স্কুল পাস করে বেরিয়েছি, কিন্তু আমিও আপনাকে বুঝিয়ে দিতে পারি যে ওয়েদার (আবহাওয়া) আর ক্লাইমেট (জলবায়ু) এক জিনিস নয়।- বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্রীলঙ্কাকে হোয়াইট ওয়াশই করলো ইংল্যান্ড

খেলার খবর: শ্রীলঙ্কার যখন নবম উইকেটের পতন হলো, তখনো তাদের এই ম্যাচ জয়ের জন্য ১০১ রান দরকার। ইংল্যান্ডের জয়টা তখন সে ফ সময়ের ব্যাপার। ওখান থেকেই ইংলিশ ক্রিকেটারদের দুশ্চিন্তায় ফেলে দিলেন শেষ জুটি সুরঙ্গ লাকমল ও পুষ্পাকুমারা। দুই জনে ৫৮ রানের জুটি করলেন। এক সময় মনে হচ্ছিলো, এরা দুই জন কোনো নাটকের জন্ম দিয়ে ফেলবেন হয়তো।
শেষ পর্যন্ত নাটকীয় কিছু হয়নি। জয় বা ড্র কোনো কিছুই পায়নি শ্রীলঙ্কা। আগের দুই টেস্টের মতো গতকাল কলম্বোতেও হেরেছে তারা। আর সিরিজের শেষ এই টেস্ট ৪২ রানে হারার ভেতর দিয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাটিতে হোয়াইট ওয়াশ হলো শ্রীলঙ্কা।

প্রথম টেস্ট গলে ইংল্যান্ড জিতেছিলো ২১১ রানের বিশাল ব্যবধানে। এরপর ক্যান্ডিতে ইংল্যান্ড জেতে ৫৭ রানে। তৃতীয় ম্যাচে এসে ব্যবধান আরেকটু কমাতে পারলেও ফলের কোনো পরিবর্তন হয়নি।
কলম্বো টেস্টের সুর বেঁধে দিয়েছিলেন জনি বেয়ারস্টো। প্রথম ইনিংসে তার সেঞ্চুরি ও বেন স্টোকসের ফিফটির সাথে আরও কয়েকটা মাঝারি ইনিংসে ভর করে অল-আউট হওয়ার আগে ৩৩৬ রান করে ইংল্যান্ড। জবাবে শ্রীলঙ্কা ২৪০ রানে অল-আউট হয় প্রথম ইনিংসে। দ্বিতীয় ইনিংসে দিলরুয়ান পেরেরা আরও একবার ইনিংসে ৫ উইকেট তুলে নেন। ইংল্যান্ড অল-আউট হয় ২৩০ রানে। ফলে শ্রীলঙ্কার সামনে সম্মান বাঁচানোর এই ম্যাচ জেতার জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩২৭ রান।

আগের দিনই শ্রীলঙ্কার পা পিছলে যেতে শুরু করেছিলো। ৫৩ রান তুলতে তারা ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিলো। তবে গতকাল বাকি ৬ উইকেটে বেশ প্রতিরোধ গড়ে স্বাগতিকরা। আগের দিন ১৫ রানে অপরাজিত কুশল মেন্ডিস ৮৬ রানের ইনিংস খেলেন। লক্ষণ সান্দাকান ৭ রান করে আউট হয়ে গেলেও রোশেন সিলভা কুশলকে দারুণ সঙ্গ দিয়ে দলকে অনেকটাই শক্ত অবস্থায় নিয়ে যান। রোশেন ১৬১ বলে ৬৫ রান করে ফেরেন। ৫ উইকেটে ১৮৪ রান তোলে শ্রীলঙ্কা; কিন্তু ওখান থেকে আবারও দ্রুত পা হড়কায় তাদের। ২২৬ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলে লঙ্কানরা।

আর শেষ জুটিতে একটা প্রতিরোধ গড়ে স্বপ্ন দেখাচ্ছিলো তারা; কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। ইংল্যান্ডের লিচ ও মঈন আলী ৪টি করে উইকেট নিয়েছেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ইংল্যান্ড-১ম ইনিংস: ৯২.৫ ওভারে ৩৩৬/১০

এবং ২য় ইনিংস: ৬৯.৫ ওভারে ২৩০/১০

শ্রীলঙ্কা-১ম ইনিংস: ৬৫.৫ ওভারে ২৪০/১০

এবং ২য় ইনিংস ৮৬.৪ ওভারে ২৮৪/১০ (কুশল মেন্ডিস ৮৬, রোশেন ৬৫, পুষ্পাকুমারা ৪২*, করুনারত্নে ২৩; লিচ ৪/৭২, মঈন ৪/৯২)

ফল: ইংল্যান্ড ৪২ রানে জয়ী

সিরিজ: ইংল্যান্ড ৩-০ ব্যবধানে জয়ী

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: জনি বেয়ারস্টো

ম্যান অব দ্য সিরিজ: বেন ফোকস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest