সর্বশেষ সংবাদ-
গাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : সাতক্ষীরার দেবহাটা সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরিক্ষা ও গাছের চারা বিতরণ হয়েছে।

২৪ ই আগস্ট বৃহস্পতিবার উক্ত অনুষ্ঠানে সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা সাস এর আয়োজনে, বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরিক্ষা ও গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

দেবহাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মুজিবর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জি এম স্পর্শ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনি শ্রম বিষয়ক সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অহিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা সাস এর সদস্য বৃন্দ সহ উপকার ভোগী ও সাংবাদিক বৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কম্বাইন্ড হারভেস্টার ব্যবহারের মাধ্যমে দেশে আউশ ধানের
উৎপাদন বেড়েছে। কম খরচে এবং জলাবদ্ধ ক্ষেত থেকে ধান ওঠানোর প্রক্রিয়া সহজ হয়েছে।একইসাথে লাঘব হয়েছে কৃষকের কষ্ট।
বৃহস্পতিবার এক শস্য কর্তন অনুষ্ঠানে কৃষিবিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানানো হয়।

কৃষিবিভাগ আরও জানায়, সরকার আউশ ধানের উৎপাদন বাড়াতে দেশের কৃষকদের ৫৭ কোটি টাকা প্রনোদনা দিয়েছে। এই যন্ত্রটি ব্যবহার করে অতি দ্রুত জলাবদ্ধ এলাকা থেকে
ধান তোলা সম্ভব। এছাড়া ঘন্টায় চার বিঘা এবং বিঘাপ্রতি মাত্র দুই হাজার টাকা খরচে কৃষকরা ধান তুলতে পারবেন যা পূর্বের তুলনায় অনেক সময় ও অর্থ সাশ্রয়ী।

বৃহস্পতিবার সদর উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজিত শস্য কর্তন অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার বক্ষ্মরাজপুর ইউনিয়নের মাছখোলা মাঠে ২৫ বিঘা শস্য কর্তন করা হয়। চলতি মওসুমে এই এলাকায় ৪০০ বিঘা আউশ ধান কর্তন করা হবে।

সাতক্ষীরা খামারবাড়ি উপপরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম জানান, সরকার কৃষকদেরকে
কম্বাইন্ড হারভেস্টার ব্যবহারের প্রতি মনোযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছে। বর্তমানে দেশে খাদ্যশস্যের যে ঘাটতি রয়েছে কম্বাইন্ড হারভেস্টার ব্যবহারের ফলে সেই ঘাটতির অনেকটাই পূরন করা সম্ভব। এছাড়া কৃষিশ্রমিকের যে সংকট রয়েছে তা এই
যন্ত্রটি পূরন করে দিচ্ছে।

শস্য কর্তন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- ইঞ্জিনীয়র হারুনার রশীদ, উপজেলা কৃষি
অফিসার মনির হোসেন, উপসহকারী কৃষি অফিসার সুমন কুমার সাহা স্থানীয় কৃষক রফিকুল ইসলাম, মোঃ সোনাই গাজী সহ প্রায় ৪০ জন কৃষক উপস্তিত থাকেন ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধি :

বেসরকারি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এডুকো বাংলাদেশের বাস্তবায়নে শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী, পদ্মপুকুর ও গাবুরা ইউনিয়নের পৃথক পৃথক স্থানে দূর্যোগ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আর্থিক সহযোগীতায় ইউএনঅপস এর মাধ্যমে স্পেন ভিত্তিক আন্তর্জাতিক বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা এডুকো বাংলাদেশের ”দুর্যোগ ও জলবায়ুজনিত কারনে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের প্রতিকুল পরিস্থিতি মোকাবেলার ক্ষমতা জোরদার করা” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রকল্প সমন্বয়কারী মথি মন্ডলের সঞ্চালনায় দুর্যোগের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী, ইউডিএমসি সদস্য ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। উক্ত ওরিয়েন্টেশনে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম আঃ রউফের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আক্তার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদের সভাপতি গাজী আল ইমরান, শিক্ষক সৌমিত্র জোয়ারদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা নিরাপদ বাইন, বিধান জোয়ারদার, জিল্লুর রহমান, জিএম আঃ হাকিম সহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এই অঞ্চলের মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারলে এলাকার ক্ষয়ক্ষতি কমে আসবে। তিনি আরো বলেন যে, জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য এনজিও ও সরকারি দপ্তর কে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি সকলকে সম্মিলিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান।

বুড়িগোয়ালিনী, পদ্মপুকুর ও গাবুরা ইউনিয়নে পৃথক পৃথক স্থানে ওরিয়েন্টেশনটি পরিচালনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য ছিল এদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা। মানুষে-মানুষে ভেদাভেদ ভুলে একটি শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন। সেলক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছি আমরা । বিশ্বের বুকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাবান রাষ্ট্র হিসেবে আমরা আমাদের প্রিয় স্বদেশকে গড়ে তুলতে চাই। গড়তে চাই একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ। যেখানে প্রতিটি মানুষ থাকবে নিরাপদ, প্রত্যেকের ধর্ম, সংস্কৃতি বা বিশ্বাস অক্ষুন্ন রেখে মর্যাদার সাথে শাস্তিপূর্ণ জীবন যাপন নিশ্চিত হবে। সম্মিলিত উদ্যোগে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে আমাদের অভিযাত্রা অব্যাহত থাকবে।সম্প্রীতিতে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, ভাষা, লিঙ্গ, শ্রেণি, বিশ্বাস, আচরণ, সংস্কৃতি নির্বিশেষে মানুষের সাথে মানুষের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। এর একটি বড় অংশ সামাজিক সম্প্রীতি।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগষ্ট) সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হল রুমে অনুষ্ঠিত সামাজিক সম্প্রীতি সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন।

ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের আয়োজনে ও ফ্রিডম অফ রিলিজিওন অর বিলিফ লিডারশিপ নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় সাতক্ষীরা জেলা সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক অধ্যক্ষ সুভাষ সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সামাজিক সম্প্রীতি সংলাপে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা সদর-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ খুলনা অঞ্চলের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার রুবিনা আক্তারের সঞ্চালনায় সামাজিক সম্প্রীতি সংলাপে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. শীতল কুমার, নারী নেত্রী জোৎস্না আরা, সামেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. কাজী আরিফ আহমেদ, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার শশাঙ্ক বরণ রায়, ইসলামি ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, জাসদ নেতা সাবেক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, সাবেক অধ্যক্ষ এস এম আব্দুল ওয়াহেদুল, অধ্যক্ষ পবিত্র মোহন দাস, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হারুন উপর রশীদ, সাংস্কৃতিক সংগঠক হেনরী সরদার, সাংস্কৃতিক কর্মী মঈনুর রহমান মঈন, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক স্বপন শীল, কৃষক লীগ নেতা মন্জুর হোসেন, সনাতন ধর্মের শিবায়েত দীপঙ্কর ভট্টাচার্য প্রমুখ।

সামাজিক সম্প্রীতি সংলাপে বক্তারা আরও বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি সমাজের মধ্যে ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর মধ্যে শান্তিপূর্ণ ও সম্মানজনক সহাবস্থান এবং মানুষের মধ্যকার বৈচিত্র্যময়তাকে স্বীকৃতি দেয়। নিরাপত্তা ও মর্যাদার সাথে ভিন্ন ভিন্ন পরিচয়ের মানুষের মিলে-মিশে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করে। সমাজের বিকাশমান ধারাকে অব্যাহত রাখতে সম্প্রীতির কোনো বিকল্প নেই। যুথবদ্ধতার মধ্য দিয়েই সমাজের সৃষ্টি ও মানব সমাজের বিকাশ। আর মানুষ যুথবদ্ধ হয় সম্প্রীতির মাধ্যমে। মানুষ যুথবদ্ধ হয়ে সৃষ্টি করেছে নতুন দিগন্ত। সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই গড়ে উঠেছে মানুষের আজকের এই সভ্যতা। একটি জাতির সামগ্রিক মঙ্গল এবং অগ্রগতির জন্য সম্প্রীতি অপরিহার্য, এটি বিভিন্ন পরিচয়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া এবং সহানুভূতির সম্পর্ক সৃষ্টি করে।

তারা আরও বলেন, মানুষের সাথে মানুষের আন্তরিক ও কার্যকর সম্পর্কই পারে বর্তমান সময়ের সংকট থেকে মানব সভ্যতাকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখতে। এটি নিশ্চিত করা আমাদের ঐতিহাসিক ও নৈতিক দায়িত্ব। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য মানবিক বিশ্ব রেখে যেতে আমাদের সকলকে আজ ঐক্যবদ্ধ হয়ে সম্প্রীতির শপথ নিতে হবে। গড়ে তুলতে হবে সম্প্রীতি বাংলাদেশ তথা সম্প্রীতির বিশ্ব।

সামাজিক সম্প্রীতি সুরক্ষায় মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে এ দেশের প্রতিটি নাগরিকের মর্যাদা ও নিরাপত্তার সাথে বসবাসের অধিকার মানবিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার করেন। বাংলাদেশ বৈচিত্রপূর্ণ বহু জাতি-সংস্কৃতির দেশ। পরস্পরের প্রতি ঘৃণা-বিদ্বেষ দূর করে সামাজিক সম্প্রীতি সহিষ্ণুতার ভিত্তিতে বহুত্ববাদী সমাজ গড়ে তোলা লক্ষ্যে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-পেশা-দল-মত-লিঙ্গ-ভাষা-বিশ্বাস নির্বিশেষে সকলের সম-অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভিন্ন বিশ্বাস, চিন্তাধারা, সংস্কৃতি, পরিত্র স্থানসমূহের মর্যাদার প্রতি আমরা সবাই শ্রদ্ধাশীল।

সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় উগ্রপন্থী মতবাদের বিস্তার, হিংসা, ঘৃণা-বিদ্বেষ এবং সহিংসতা সৃষ্টিকারী কার্যক্রম সামাজিক সম্প্রীতি ক্ষতিগ্রস্ত করার যেকোনও ধরনের উস্কানী প্রতিরোধে আমরা সচেতন ও সক্রিয় ভূমিকা রাখবো। উদার, সহিষ্ণু, নিরাপন, মুক্ত ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সামাজিক সম্প্রীতি সুরক্ষায় হোক আমাদের অঙ্গীকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বারসিক’র সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারী গবেষণা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বারসিক‘র উদ্যোগে এবং নেটজ-পার্টনারশীপ ফর ডেভেলমেন্ট এ্যান্ড জাস্টিস’র সহযোগিতায় বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্থ্য দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা শক্তিশালী করণ (পরিবেশ) প্রকল্প এর আওতায় ২৪ আগষ্ট ২০২৩ তারিখ সকাল ১০ টায় শ্যামনগর উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরিতে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ে এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার গাজী আল ইমরান এর সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, বারসিক’র পরিবেশ প্রকল্পের জেলা সম্বয়কারী মো: মাসুম বিল্লাহ। এসময় পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টশনের মাধ্যমে বারসিক পরিবেশ প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন উপজেলা সমন্বয়কারী মননজয় মন্ডল।

উক্ত সংলাপ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আক্তার হোসেন।এসময় বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন হিসেবে শ্যামনগর সহকারী কমিশনার ভুমি মো: আসাদুজ্জামান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, মো: আরিফুজ্জান, উপজেলা ভেটেনারী সার্জন ডা: সুব্রত কুমার বিশ্বাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো:নাজমুল হুদা। এছাড়াও উক্ত সংলাপে আরো উপস্থিত ছিলেন, বারসিক পরিবেশ প্রকল্পের ৪টি ইউনিয়নের সিএসওসদস্যবৃন্দ, দুর্যোগ স্বেচ্ছাসেবকগণ, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি, বারসিক’র ভারপ্রাপ্ত আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, এ্যাডভোকেসী এ্যাসিসটেন্ট ফজলুল হক প্রমুখ।

সংলাপে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পক্ষ্যে মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের শংকরী রানী, আনজুমান আরা, পদ্মপুকুর ইউনিয়নের সোনিয়া আক্তার, রিজিয়া পারভীন, দেবশ্রী রানী, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের সেলিনা খাতুন, চন্দনা রানী ও কবিতা রানী সামাজিক নিরাপত্তা সেবা বিষয়ে আলোচনা ও সমস্যা তুলে ধরলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা কর্মকতা বৃন্দ স্থানীয় মানুষকে প্রকৃত তথ্য সহকারে কোন প্রকার মাধ্যম ছাড়াই সরাসরি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করার আহবান রাখেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার তালার খেশরায় গভীর রাতে দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে পুড়ে ছাই হলো একটি মোটরসাইকেল। গতকাল বুধবার মধ্যরাতে খেশরা ফারুক মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্থ দিপংকর দাশ ভেলু খেশরা গ্রামের রবু দাশের ছেলে। সে এলাকায় গরু ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।

জানা যায়, দীপংকর দাশের বাড়ির রাস্তায় কাঁদা হওয়ার কারনে সে গতকালে রাতে একই গ্রামের শেখ আবুল কালামের বাড়িতে গাড়ি রেখে যায়। এরপর রাত ১ টার দিকে কে বা কারা এসে সে গাড়ি ঘরের বারান্দা থেকে নামিয়ে বাইরে এনে খড়কুটা এবং প্রেট্রোল দিয়ে ধরিয়ে দেয়। মুহুর্তের মধ্যে গাড়িটি পুড়ে ভস্মীভুত হয়।

রাতে এলাকা পরিদর্শনের সময় স্থানীয় খেশরা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা বাড়ির ভিতরে আগুন দেখতে পেয়ে এগিয়ে যান। তারপর বাড়ির লোকজন ও পুলিশ সদস্যদের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে তার আগেই গাড়ির ৭০ শতাংশ যন্ত্রাংশ পুড়ি ছাই হয়ে যায়।

দীপংকর দাশ জানায়, কে বা কারা এ কাজ করেছে আমি নিশ্চিত হয়ে বলতে পারছি না। আমার সাথে শত্রুতা থাকলে তারা আমাকে মারতো, বেঁধে রাখতো কিন্তু আমার গাড়িটিকে এভাবে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া ঠিক হয়নি। তবে তিনি আইনের আশ্রয় গ্রহন করবেন বলে জানান।

খেশরা গ্রামের মো. ফয়সাল মোড়ল বলেন, দীপংকর একজন গরু ব্যবসায়ী। এমন কোন শত্রুতা কারো সাথে আছে বলে জানা নেই। তবে এভাবে অমানবিক একটা কাজ করা কোনভাবেই ঠিক হয়নি। দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন।

খেশরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এস.এম লিয়াকত হোসেন জানান, ঘটনাটি শুনেই সকালে সেখানে গিয়েছিলাম। গাড়ির সবকিছু পুড়ে গেছে। এর আগে ইউনিয়নের কয়েকটি জায়গায় ধানের পালায়ও আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এই চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

তালার খেশরা পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মো. শফিউল্লাহ মোল্লা জানান, ব্যক্তিগত শত্রুতার কারনে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। লিখিত কোন অভিযোগ পায় নি; পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় উন্নত টয়লেট ব্যবহারের হার বেড়েছে। সম্প্রতি সমাপ্ত নেদারল্যান্ড সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় ওয়াশ এসডিজি প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত শেষ জরিপে এ চিত্র দেখা গেছে ।

বুধবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরার ম্যানগ্রাভ সভাঘরে জরিপকৃত এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, স্কুল কমিউনিটি ক্লিনিক, ওয়াশ উদ্যোক্তাদের সাথে শেয়ার করা হয়। উক্ত ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া পৌর মেয়র মনিরুজ্জামান বুলবুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন খলিশখালী ইউনিয়ন পরিষদ, চেয়ারম্যান সাব্বির হোসেন, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মফিদুল হক(লিটু), সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার প্রভাষ কুমার, সহকারী সার্জন,স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সাতক্ষীরার ডাঃ রাহুল দেব রায়। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ লিয়াকত আলী।

ওয়ার্কশপে মুল উপস্থাপনা উপস্থাপন করেন সিমাভি’র মনিটরিং ইভাল্যুয়েশন এন্ড লার্নিং অফিসার মোঃ শামসুর রহমান।
তথ্যানুযায়ী জানা গেছে, বেইজলাইন (২০১৮) জরিপে প্রাপ্ত ফলাফল থেকে এন্ডলাইন জরিপে উন্নত টয়লেট ব্যবহারের হার বেড়েছে ৪৬ শতাংশ। এছাড়া ওপেন ডেফিকেশন (খোলা জায়গায় মলত্যাগ) প্রায় শূন্যের ঘরে এসেছে। হাইজিন অনুশীলন বেড়েছে ৯% থেকে ৭৭% এ। এ জরিপে মোট ৪৯২ খানা, ৯ স্কুল, ০৩ কমিউনিটি ক্লিনিক অংশগ্রহন করে। সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভা এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৩টি ও তালা উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের ৪৯২ পরিবারকে এ জরীপের আওতায় নেওয়া হয়। ২০১৮ সালে প্রকল্পের শুরুতে পানি,স্যানিটেশন এবং হাইজিন সম্পর্কিত বিষয়ে জরিপ করা হয়েছিল এবং প্রকল্পের শেষে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে শেষ জরিপে দেখা গেছে প্রায় প্রতিটি সূচকে পানি,স্যানিটেশন এবং হাইজিন এর পরিস্থিতি উন্নীত হয়েছে। তবে ব্যাকটেরিয়া দূষণ বেড়েছে বেইজলাইন এ ৪৬% ছিল)।
হোপ ফর দ্যা পুরেস্ট এর টাউন কো-অর্ডিনেটর মৃনাল কান্তি সরকারের সঞ্চালনায় কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন উত্তরণ এর প্রকল্প সমন্বয়কারী হাসিনা পারভীন, প্র্যাকটিক্যাল একশন বাংলাদেশ এর প্রজেক্ট ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম সোহান এবং প্রকল্পের স্টাফবৃন্দ। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : আহ্ছানিয়া মিশন আদর্শ আলিম মাদ্রাসার ২০২৩ সালের আলিম পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশন মসজিদের দ্বিতীয় তলায় আহ্ছানিয়া মিশন আদর্শ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আলতাফ হোসেন’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আহ্ছানিয়া মিশন আদর্শ আলিম মাদ্রাসার সভাপতি সৈয়দ ফিরোজ কামনা শুভ্র।

বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাথন্ডা আমিনিয়া মাদরাসার সভাপতি প্রকৌশলী শেখ তহিদুর রহমান (ডাবলু), উপাধ্যক্ষ মাওলানা মো. আব্দুল মান্নান, দারুল হাদীস আহমাদিয়া সালাফি ইয়াহ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সোহেল বিন আকবর মাদানী,শ্যাল্লে আদর্শ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ নুরুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় প্রভাষক নুর আহম্মাদ, প্রভাষক মো. আনারুল ইসলাম, প্রভাষক মো. মনিরুল ইসলাম, প্রভাষক নাছির উদ্দীন, মো. তৈয়্যবুর রহমান, মো. আবুল বাসার, মো. মোমিন আলী, মো. মিজানুর রহমান, মো. শহিদুল্লাহ, মেহেরুন নাহার, সাজেদা খাতুন, এন.ইউ.এম সাইফুল আলম, মো. আব্দুল করিম, মো. আব্দুল হামিদ, মো. আমিনুর রহমান, মো. সিদ্দিকুর রহমান, কামরুজ্জামান, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

এসময় শিক্ষক, অভিভাবক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আহ্ছানিয়া মিশন আদর্শ আলিম মাদ্রাসা থেকে আগামী ২৭ আগস্ট ২০২৩ সালের আলিম পরীক্ষায় ৪০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এজন্য শিক্ষক, অভিভাবক ও আলেম ওলামাদের কাছে দোয়া চেয়েছেন শিক্ষার্থীরা। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন সহকারী অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল হামিদ আজাদী। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আরবি প্রভাষক মোঃ নাছির উদ্দিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest