নিজস্ব প্রতিনিধি :
পূর্ব শত্রুতার জেরে কলারোয়ায় দেড়শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কলারোয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে,
জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সিংগা গ্রামের মৃত রুহুল কুদ্দুসের পুত্র ফজলুল করিমের সাথে একই এলাকার নাছিমা খাতুন গংয়ের বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে বিভিন্ন সময়ে নাছিমা খাতুন গং হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে আসছিল।
একপর্যয়ে গত ১৫ ফেব্রুয়ারী ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নাছিমা খাতুন, মৃত ইমান আলী দালালের পুত্র শফিউল আযম, মৃত. আতর আলী দালালের পুত্র নেছার আলীসহ কতিপয় ব্যক্তি ফজলুল করিমের স্ত্রী নাজমা খাতুনের নামীয় সম্পত্তিতে প্রবেশ করে সেখানে লাগানো ৪৩টি মেহগনি গাছ, ২৫টি ফলন্ত আম গাছ এবং ৭০টি কুল গাছ কেটে সাবাড় করে। এর প্রতিবাদ করায় নাছিমা খাতুন গং উল্টো খুন জখমসহ বিভিন্নভাবে হয়রানির হুমকি প্রদর্শন করেন। এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কলারোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারপিটের ঘটনায় মামলা দায়ের করে বিপাকে পড়েছেন এক অসহায় ভ্যান চালক।
আসামীদের মূহুর্মুহু হুমকিতে পালিয়ে বাড়ি ছাড়া ভ্যান চালক তালা উপজেলার জেঠুয়া গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দীন মোড়লের পুত্র জাকাত আলী মোড়ল। নিরাপত্তার জন্য তালা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছেন তিনি। যার নং- ৫৪৬।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে জেঠুয়া গ্রামের মৃত ইনছাব আলী মোড়লের পুত্র মনিরুজ্জামান মোড়ল, মজিদ মোড়ল, হাকিম মুন্সির পুত্র সিরাজুল মুন্সি গংয়ের সাথে বিরোধ চলে আসছিল একই এলাকার জাকাত আলী মোড়লের সাথে। এর জের ধরে ০১ ফেব্রুয়ারী উল্লেখিত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জাকাত আলীর বাড়িতে প্রবেশ করে জাকাত আলী এবং তার স্ত্রীকে বেধড়ক মারপিট করে গুরুতর আহত করে। এঘটনায় ভুক্তভোগী জাকাত আলী বাদী হয়ে তালা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং- ০২, ০২/০২/২২। মামলা দায়েরের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে মনিরুজ্জামান গং অসহায় জাকাত আলীকে মামলা তুলে নিতে খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে মহড়া প্রদর্শন করে যাচ্ছেন। উপায়ন্তর হয়ে ভুক্তভোগী জাকাত আলী নিরাপত্তার দাবিতে তালা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
সাতক্ষীরায় দু:স্থ মানুষদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার ইডাফ ফাউন্ডেশন ও মাদার জান্নাত ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় অর্জন ফাউন্ডেশন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্জন ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক মহুয়া মঞ্জুরী, কার্যকরী কমিটির সদস্য কাজী রুহুল ইসলাম(ঝুনু) সহ ¯হানীয় গণ্য মান্য ব্যক্তি বর্গ।
ইডাফ ফাউন্ডেশন এবং মাদার জান্নাত ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান জান্নাতুল ফেরদৌস এর শারীরিক সু¯হতা কামনা এবং তিনি যেন দু:¯হ অসহায় মানুষের পাশে থেকে আরও কাজ করতে পারেন সেজন্য দোয়া করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মহান ২১ ফ্রেরুয়ারী শহীদ দিবস ও অান্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে কালিগঞ্জে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে তারই সভাকক্ষে এই প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রস্তুতি সভায় গ্ররুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মাস্টার নরিম আলী মুন্সী, থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শেখ তৈয়েবুর রহমান,
অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও সাহিত্যিক গাজী আজিজুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মনোজিৎ কুমার মন্ডল, উপজেলা তথ্য কর্মকর্তা (তথ্য অাপা) মিরানা আক্তার, নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হোসনে আরা খানম, প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, সরকারি বে-সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর নবগঠিত আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে অভিনন্দন জানিয়েছেন শ্যামনগরের সাবেক ছাত্রনেতা মেহেদী হাসান মারুফ।
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ প্রেস বিজ্ঞপ্তি সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ – এর নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ – এর কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও বেগবান করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে মোঃ শরিফুল ইসলাম খান বাবুকে আহবায়ক এবং আয়েশা সিদ্দিকা ও শেখ এহসান হাবীব অয়নকে যুগ্ম আহবায়ক করে ।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা শহরের সঙ্গীতা মোড় এলাকায় ফুলেল শুভেচ্ছা জানান । এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শ্যামনগর সরকারি মহসীন কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান মারুফ, সহ-সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান, সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোঃ আব্দুল কাদের খান সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ আহবায়ক
মোঃ শরিফুল ইসলাম খান বাবু বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন বার্তা তুলে ধরে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করার আহ্বান জানান।
দেশের খবর: মহান মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পর প্রথমবারের মতো বীর নারী মুক্তিযোদ্ধারা রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পেলেন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে দেশের মোট ৬৫৪ জন নারী মুক্তিযোদ্ধাকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সম্মাননা দেয়।
মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সম্মাননা প্রদানের মূল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে সকল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট জেলার নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত কণ্ঠযোদ্ধা, নির্যাতিতা, সমরাঙ্গনের যোদ্ধারা এই সম্মাননা পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘৫০ বছরে আমরা যে কাজটা করতে পারি নাই মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আজ সেটিই করেছে। মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধারা আজ সম্মাননা পেলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশ উল্টো পথে চলতে শুরু করেছিল ৷ পাকিস্তানি কায়দায় সাম্প্রদায়িকীকরণ করা হয়েছিল। নারীদের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। কিন্তু আমাদের নেত্রী নারীর অধিকার ফিরিয়ে দিতে সবকিছু করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই প্রথম ক্ষমতায় এসে সব জায়গায় মায়ের নাম লেখার বিধান চালু করেছিলেন।’
তালিকাভুক্ত শতভাগ নারী মুক্তিযোদ্ধা সরকারের পক্ষ থেকে ঘর পাবেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সুন্দর ঘর দেওয়া হবে তাদের। ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে এটা করা হবে। যাদের নাম তালিকায় আছেন তারা প্রত্যেকেই বিনা পয়সায় চিকিৎসা ওষুধ পথ্য সব পাবেন। নারী হোক বা পুরুষ, সব মুক্তিযোদ্ধারাই এটা পাবেন।’
সম্মাননা প্রাপ্ত সকল নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মারক, উত্তরীয়, শাড়ি ও স্যুভেনিয়র প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।
বিনোদন ডেস্ক: বাংলা গানের সোনালী যুগের কিংবদন্তি গায়িকা সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভোগার পর মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) পরলোক গমন করেন কিংবদন্তি এই শিল্পী।
গত ২৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার অসুস্থ হয়ে পড়েন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। ওই দিনই তাঁকে গ্রিন করিডোর করে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছিল তার। ঘটনাচক্রে তার দুই দিন আগেই কেন্দ্রের পদ্ম সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি।
বাংলা গানের স্বর্ণযুগের অন্যতম সেরা সঙ্গীতশিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। তাঁর কন্ঠের জাদুতে মজে কয়েক প্রজন্ম। ৫০ বছরেরও বেশি সময় নানা ভাষার ছবিতে প্লেব্যাক করেছেন তিনি। ছবির গানের পাশাপাশি বাংলা আধুনিক গান ও ধ্রুপদী সঙ্গীতেও তিনি ছিলেন সমান পারদর্শী। উস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খাঁর শিষ্যা ছিলেন তিনি। ১৯৩১ সালের ৪ অক্টোবর দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গীত শিক্ষার মূল কান্ডারী ছিলেন তাঁর দাদা রবীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। ১৯৪৫ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে প্রথম গান রেকর্ড করেন তিনি। কলম্বিয়া থেকে তাঁর প্রথম রেকর্ড করা গান গিরীন চক্রবর্তীর কথায় ও সুরে ‘তুমি ফিরায়ে দিয়াছ’ ও ‘তোমার আকাশে ঝিলমিল করে’। ১৯৪৮ সালে প্রথমবার রাইচাঁদ বড়ালের সঙ্গীত পরিচালনায় প্লেব্যাক করেন, ছবির নাম ‘অঞ্জনগড়’। ওই একই বছরে আরও তিনটি আধুনিক গান রেকর্ড করে সঙ্গীতজগতে নিজের জায়গা পাকা করে ফেলেন ভবিষ্যতের কিংবদন্তি।
১৯৫০ সালে মুম্বই পাড়ি দিয়েছিলেন বাংলা বেসিক আধুনিক গানের সম্রাজ্ঞী সন্ধ্যা। ১৭ টি হিন্দি ছবিতে প্লেব্যাক করেন তিনি। শচীন দেব বর্মনের হাত ধরেই শুরু হয়েছিল তাঁর বম্বে সফর। শচীন দেববর্মন নিয়ে গেলেও মুম্বইয়ে প্রথম প্লেব্যাকের সুযোগ হল অনিল বিশ্বাসের সুরে ‘তারানা’ ছবিতে। সন্ধ্যার বড়দাই মুম্বইয়ে অনিল বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেই ছবিতে গান গাইতে গিয়েই তাঁর পরিচয় হয় লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে। লতার সঙ্গে ডুয়েট গেয়েছিলেন ‘বাল পাপিহে বোল রে’, ‘তু বোল পাপিহে বোল’। গানের সূত্রে দুজনে ভালো বন্ধু হয়ে উঠেছিলেন। পরবর্তীকালে সন্ধ্যার ঢাকুরিয়ার বাড়িতেও এসেছেন লতা। রাইচাঁদ বড়াল, শচীন দেব বর্মন থেকে শুরু করে সলিল চৌধুরী, নচিকেতা ঘোষ, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় সহ সেই সময়ের সমস্ত দিকপাল সঙ্গীত পরিচালকের সঙ্গেই কাজ করেছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। উত্তম সুচিত্রার লিপে তাঁর ও হেমন্তের রোমান্টিক গান আজও সমান জনপ্রিয়। ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’,’এ শুধু গানের দিন’,’এই মধুরাত’ গানগুলো আজও বাঙালির কাছে রোমান্টিসিজমের সমার্থক।
ছবির গানের পাশাপাশি সমান জনপ্রিয় সন্ধ্যা মুখোপাধ্য়ায়ের গাওয়া বাংলা বেসিক গান। ‘হয়ত কিছুই নাহি পাবো’,’আয় বৃষ্টি ঝেপে ধান দেব মেপে’,’মায়াবতী মেঘে এল তন্দ্রা’,’শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি’,’চম্পা চামেলি গোলাপেরই বাগে’-র মতো অসংখ্য কালজয়ী গান তাঁকে অমর করে রেখেছে সঙ্গীতের দুনিয়ায়। ১৯৭১ সালে ‘জয়জয়ন্তী’ ও ‘নিশিপদ্ম’ ছবিতে গান গেয়ে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। ১৯৯৯সালে লাইফটাইম অ্য়াচিভমেন্টের জন্য ভারত নির্মান পুরস্কার পান। ২০১১ সালে বঙ্গবিভূষণ সম্মান পান তিনি। ২০২২ সালে তাঁকে ‘পদ্মশ্রী’ দিতে চেয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার, কিন্তু এতদিন সে সম্মান তাঁকে না দেওয়ায় অভিমানে পদ্মশ্রী প্রত্যাখান করেন তিনি।
বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে মো. মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জমি দখল, জাল কাগজপত্র তৈরি করে…
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাড়ী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম অসুস্থ হয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল…
অনলাইন ডেস্ক : পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোতেকোশি নদীতে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯-এ দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন…