সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোকশ্যামনগরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে আহতের একদিন পর এক ব্যক্তির মৃত্যুকপ৩১-কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা: ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের দাবিসাতক্ষীরার সুন্দরবন রেঞ্জের ৬৮টি খালে বিভিন্ন মাত্রায় বিষ প্রয়োগের তথ্য গবেষণায় উঠে এসেছেসাংবাদিক হাফিজুর রহমানের মায়ের ইন্তেকাল,প্রেসক্লাবের শোকঅসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবিতালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগ

নারীদের ঘনিষ্ঠ পুরুষ স্বজন ছাড়া ভ্রমণ নয়: তালেবান

বিদেশের খবর: স্বল্প দূরত্ব ছাড়া অন্য কোথাও ভ্রমণ করতে চান এমন আফগান নারীরা ঘনিষ্ঠ পুরুষ স্বজনকে সঙ্গে না নিলে বাইরে ভ্রমণ করতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছে তালেবান সরকার। আজ রোববার দেশটির পূণ্যের প্রচার ও পাপপ্রতিরোধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় নতুন এই নির্দেশনা জারি করেছে।

একই সঙ্গে যে নারীরা ইসলামিক হিজাব পরবেন কেবলমাত্র তাদের গাড়িতে পরিবহনের সুযোগ দিতে দেশটির সব যানবাহনের মালিকদের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছে তালেবান। খবর এনডিটিভি ও এএফপির।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাদেক আকিফ মুজাহির বলেছেন, ৭২ কিলোমিটারের বেশি ভ্রমণকারী নারীদের সঙ্গে যদি পরিবারের কোনও ঘনিষ্ঠ সদস্য না থাকেন, তাহলে তাদের কোনও যানবাহনেই ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হবে না। আরও নির্দিষ্ট করে তিনি বলেছেন, এই ভ্রমণের সময় অবশ্যই নারীর সঙ্গে একজন ঘনিষ্ঠ পুরুষ স্বজন থাকতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন নেটওয়ার্কে আফগান পূণ্যের প্রচার ও পাপপ্রতিরোধ মন্ত্রণালয়ের এই বিবৃতি ছড়িয়ে পড়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগে নারীরা অভিনয় করেছেন এমন নাটক এবং সোপ অপেরার প্রদর্শন বন্ধে আফগানিস্তানের সব টেলিভিশন চ্যানেলকে নির্দেশ দেওয়ার পর নতুন এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

এ ছাড়া নারী টিভি সাংবাদিকদের উপস্থাপনার সময় হিজাব পরার আহ্বান জানিয়েছে আফগান এই মন্ত্রণালয়।

সাদেক আকিফ মুজাহির বলেছেন, যে নারীরা যানবাহনে চলাচল করতে চান তাদের হিজাব পরতে হবে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় যানবাহনে গান বাজানো বন্ধ করতেও বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জন্ম নিবন্ধনের ভুল সংশোধনে ভোগান্তি চরমে

বিশেষ ডেস্ক: মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর এলাকার বাসিন্দা শাহ আলম। তার ভাতিজা মাহমুদুল হাসানের জন্ম নিবন্ধনের সময় ভুল হয়েছে তারিখে। সেটি সংশোধনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ, ইউএনও অফিস ঘুরে আসতে হয়েছে ঢাকার রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে। তবে তাতেও কোনো সুরাহা হয়নি। অনেক চেষ্টার পর সংশোধনের পরিবর্তে ভুল জন্ম নিবন্ধন দিয়েই কাজ চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয় তাদের। অবেশেষে নিরাশ হয়েই বাড়ি ফেরেন তিনি।

সংশোধনে জটিলতার কারণে মাহমুদুলের জন্মের তারিখই পরিবর্তন হয়ে গেছে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে শাহ আলম বলেন, নিবন্ধনে আমার ভাতিজা মাহমুদুল হাসানের জন্ম তারিখ ভুল ছিল। তার জন্ম ছিল ২০১৫ সালের ২৪ জুলাই। কিন্তু নিবন্ধনে হয়ে গেছে ২৮ জুলাই। এই ভুলটি সংশোধন করতে চেয়েছি। কিন্তু দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সেটি পারিনি। উল্টো তারা জানিয়েছেন, জন্ম নিবন্ধনের সার্ভার পুরোটাই লক, এর সংশোধন হবে না। যা আছে তাতেই চালিয়ে নিতে হবে।

ভোগান্তি নিয়ে শাহ আলম বলেন, প্রথমে আমি ইউনিয়ন পরিষদে গেছি। পরে তারা ইউএনও অফিসে পাঠায়। সেখানেও সমাধান না পেয়ে পরিবহন পুল ভবনের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে যাই। সেখানেও সমাধান পাইনি। এ কারণে আমার ভাতিজার জন্ম তারিখই পরিবর্তন হয়ে গেল। রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় বললো, ২৪ আর ২৮ তারিখের ব্যবধান খুব বেশি নয়। এখানে তাদের করণীয় কিছু নেই বলেই সান্ত্বনা দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা সাধারণ মানুষের এখানে কিছু করণীয় নেই। এখানে উপরের যারা আছেন তারা হয়তো একটি প্রক্রিয়া বের করে আনলে মানুষের সুবিধা হবে। আমার ভাতিজাকে ভুল জন্ম তারিখের জন্ম নিবন্ধন দিয়েই স্কুলে ভর্তি করাতে হয়েছে।

জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত এমন সমস্যা এখন প্রতিটি পর্যায়ে। ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন এখন অনেকের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নানান জটিলতার কারণে বিভিন্ন পর্যায়ে ঘুরেও সমাধান মিলছে না অনেকের। এর সঙ্গে কর্তাদের গাফিলতি নিয়মিত ঘটনা।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, জন্ম নিবন্ধনের মতো প্রয়োজনীয় একটি বিষয়ে এত জটিলতা রাখা বাস্তব সম্মত নয়। সাধারণ মানুষের জন্য সহজ পদ্ধতি হলে এ ধরনের ভোগান্তি হতো না বলে মনে করছেন তারা।

ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০০১ সালের পর যাদের জন্ম, তাদের জন্ম নিবন্ধনের জন্য বাবা-মায়ের জন্ম সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করায় সন্তানের জন্ম সনদ নিতে গিয়েও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে অভিভাবকদের। একই সঙ্গে কারো মৃত্যু সনদ নিতে হলেও প্রয়োজন হচ্ছে ডিজিটাল জন্ম সনদের। সব মিলিয়ে চরম জটিলতায় পড়ছেন সেবাগ্রহীতারা।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নাগরিকদের ১৮টি সেবা পেতে জন্ম নিবন্ধন সনদ এবং চারটি সেবা পেতে মৃত্যু নিবন্ধন সনদ প্রয়োজন হয়। ২০০৭ সালে ভোটার তালিকা তৈরির কার্যক্রম শুরু হলেও ২০০১-২০০৬ সালে ২৮টি জেলায় ও চারটি সিটি করপোরেশনে জন্ম নিবন্ধনের কাজ শুরু হয়।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সনদ দেওয়ার জন্য অফিস ও জনবল সংকটে সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। নতুন করে কিছু অঞ্চল যুক্ত হওয়ায় এক অঞ্চলের অফিসেই তিন অঞ্চলের সেবাগ্রহীতাদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। ফলে এক অঞ্চলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন অঞ্চলের নাগরিকদের সেবা দিতে হচ্ছে, যা খুবই কষ্টসাধ্য।

জন্মনিবন্ধন কার্যক্রমে ভোগান্তি জানতে সরেজমিনে বিভিন্ন আঞ্চলিক অফিস, ওয়ার্ড কার্যালয় ও রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় ঘুরে দেখেছে জাগো নিউজ। সেখানে ভুক্তভোগীরা তাদের নানান অভিযোগের কথা বলেছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির (ডিএসসিসি) অঞ্চল-৮ এর কার্যালয়ে ৬২ থেকে ৬৭ নম্বর ওয়ার্ডের সব এলাকার জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করা হয়। নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য সেখানে এসেছেন ধলপুর বাঁশপট্টির বাসিন্দা মিনারা বেগম। তবে কর্তারা জানালেন, স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করা এলাকার চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেট ছাড়া জন্ম নিবন্ধন হবে না।

দীর্ঘদিন ঢাকায় বাস করা মিনারা বেগমের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর। ঢাকায় কোনো বাড়িঘর নেই। আবার তিনি গ্রামেও যান না। এ কারণে কোথাও সার্টিফিকেট পাচ্ছেন না তিনি। এরপর নানাভাবে কর্তাদের আকুতি শুরু করেন মিনারা। কিন্তু উল্টো একজন কর্মকর্তা আক্ষেপ করে নিজের বোনের জন্ম নিবন্ধন তৈরিতে এমন সমস্যা হয়েছে বলে জানান। সংশোধনে ব্যাপক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলেও অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন ওই কর্মকর্তা।

মিনারা বেগম বলেন, আমি ভোটার হয়েছি নারকেল বাগান মসজিদ এলাকা থেকে। ভোটার আইডিসহ সবকিছুই সেখান থেকে হয়েছে। আমাদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের রাজৈরে। তবে সেখানে বাড়িঘর, সহায় সম্পত্তি কিছু নেই। সেখানে আমরা বসবাসও করি না। আমার সন্তানদের সবার জন্ম ঢাকায়। ভোটার আইডি এই ঠিকানা দিয়ে করেছি। সবকিছু নিয়ে এসেছি। ঢাকায় বলে গ্রামের চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেট লাগবে। আমি বললাম আমি তো ওখানে থাকি না, যাই না। সেখানকার চেয়ারম্যানও পরিচিত না। কাউন্সিলর অফিসেও বলছে যে গ্রামের ঠিকানার সার্টিফিকেট আনতে। আমরা এখানকার নাগরিক, আমরা ঢাকার ভোটার। এখন ঢাকায় তো বাড়িও নেই। গ্রামে বা ঢাকায় কোথাও বাড়ি নেই বলে আমার জন্ম নিবন্ধনের কাজটি হচ্ছে না।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাঝহারুল ইসলাম কাকন বলেন, আমি আমার এবং আব্বু-আম্মুর জন্ম নিবন্ধন করতে আসছি। কিন্তু আমার মায়ের আবেদন নিয়ে সমস্যা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৫১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস থেকে দেওয়া সার্টিফিকেটে আমার মায়ের নামের সঙ্গে নানার নাম যোগ করা, আব্বুর নাম নেই। সেটি আবার লিখে আনতে বলছে। এটা তো সমন্বয়হীনতা। তারা তো জানে যে আম্মুর সার্টিফিকেটে তার স্বামীর নাম উল্লেখ করতে হবে। কিন্তু তারা সেটা করে দেয়নি। জন্ম নিবন্ধনের কাজটা আরও সহজ করা উচিত। আর কাউন্সিলর অফিসে দেখলাম অনেকের ঢাকায় বাড়ি নেই, আবার গ্রামেও বাড়ি নেই। তাদের অনেক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড পর্যায়ে জন্ম নিবন্ধনে ব্যর্থ হলে অনেকেই শরণাপন্ন হন রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের। তবে সেখানে লোকবল সঙ্কটসহ নানা কারণে সঠিক সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ অনেকের।

নিবন্ধন অফিসের ভুলক্রমে নুসাইবা জামান দিয়ানাহ’র জন্ম নিবন্ধন দুবার এন্ট্রি হয়েছে সার্ভারে। ফলে তার জন্ম নিবন্ধনের নম্বর দিয়ে সার্ভারে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সমস্যা সমাধানে দিয়ানাহ’র বাবা মনিরুজ্জামান কাউন্সিলর অফিসসহ বিভিন্ন জায়গায় চেষ্টার পর যোগাযোগ করেন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে।

সেখানকার পরামর্শ অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে দুটি নিবন্ধনের কোনটি বাদ দিতে চান সেটি সংযুক্ত করে অনুমতিপত্র নিয়ে আসা হলেও সেখানে সমস্যার কথা জানায় রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়। এরপর তাদের পরামর্শে তাদের চাহিদা অনুযায়ী পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি জন্ম নিবন্ধন বাদ দেওয়ার অনুমতিপত্রসহ জমা দেওয়া হয়। তবে দুই মাস হয়ে গেলেও সমাধান দেননি তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. ফরহাদ হোসেন জানান, আমার কাজ ফাইল উঠিয়ে অ্যাপ্রুভ হলে টেকনিক্যাল টিমের কাছে পাঠানো। কিন্তু ফাইল তুলতে আমার কিছু প্রিপারেশন আছে। সেটা তো ডিসি অফিস থেকে আমাদের কাছে চিঠিতে প্রোপারলি উল্লেখ করে দিতে হবে যে, এই ব্যক্তির এই তথ্য থাকবে এবং এটা বাতিল হবে। কিন্তু ডিসি অফিস একটা জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে বলছে তার একটা থাকবে একটা বাতিল হবে। যেহেতু তার একটিই নিবন্ধন নম্বর, সুতরাং যদি সেটা উল্লেখ করে না দেয় কোনটা থাকবে, তাহলে কিভাবে বুঝবো? তাদের আমরা ছক করে চিঠি দিয়েছি। যাতে সেভাবে উল্লেখ করে দেয়।

নিবন্ধন সংক্রান্ত জটিলতা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেল (অতিরিক্ত সচিব) মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী বলেন, যে জন্ম নিবন্ধন যেখানে করেছে সংশোধন যদি করতে হয়, সেখানে আবেদন করে। সেখানে সমস্যা হলে পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে সংশোধনী হয়। এটা অনলাইনে এখানে করতে হবে, তারপর পাঠাতে হবে। যেহেতু ভুল হয়েছে সংশোধনের প্রক্রিয়া তো এভাবেই হবে।

তিনি বলেন, জন্ম নিবন্ধন নতুন করে করতে চাইলে তার বাসস্থান যেখানে হোক, উনি যেখানে বসবাস করছেন সে এলাকায় নিবন্ধনের আবেদন করতে পারেন, সমস্যা নেই।

নিজেদের সীমাবদ্ধতা নিয়ে তিনি বলেন, এখন সব চাপ এক সঙ্গে। ১ লাখ মানুষ যদি আমাদের সফটওয়্যারে ঢোকে তাহলে বুঝুন আমাদের চাপ কেমন আছে। আর সংশোধনের ক্ষেত্রেও এখন আমাদের প্রতিটি জায়গায় প্রতিদিন ২ থেকে ৩ হাজার আবেদন আসছে। কিন্তু সারাদিন মনোযোগ দিয়ে করলেও ৩শ’র বেশি করা যায় না। আমাদের অন্য কাজও আছে, পাসওয়ার্ড অন্য কাউকে শেয়ার করেও করা সম্ভব না।

তিনি আরও বলেন, আমাদের (রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়) লোকবল নাই-ই। এখানে খুব বেশি কাজ নেই। এখানে কাজ হলো যেখানে আমার অনুমোদন লাগে সেখানে কাজ করা এবং সফটওয়্যারটা রেডি রাখা। তবে খুবই খারাপ অবস্থা, এখানে মাত্র দুজন টেকনিক্যাল ম্যান ছিলে। তার মধ্যে সহকারী প্রোগ্রামার চাকরি ছেড়েছে আর প্রোগ্রামার মাতৃত্বকালীন ছুটিতে আছে। তবে ছুটিতে থাকার পরও তিনি পুরো কাজটাই করছেন। আমাদের কিছু কনসালটেন্ট আছে তারা ফুল সাপোর্ট দিচ্ছেন, সেকারণে আমরা টিকিয়ে রাখতে পারছি।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, নরমাল জন্ম নিবন্ধন যারা করেন তারা পেয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু সমস্যা হয় যখন তারা আবার কারেকশন করতে যান। আমাদের দেশের ম্যাক্সিমাম জন্ম নিবন্ধন কারেকশন করতে যান জালিয়াতির উদ্দেশ্যে। তখন সেটার ব্যাপারে আমাদের একটা রেস্ট্রিকশন থাকে, সার্ভার সেগুলো অ্যালাও করে না। দেখা যায় এখন বয়স আপনার যেটা আছে সেটা একটু কমিয়ে বা বাড়িয়ে দিতে চান। তখন এসব সমস্যা দেখা যায়। একজন লোকের বয়স ৮৫ বছর হলেও জন্মনিবন্ধন করতে চায়, দেখা যায় তার এসএসসির সনদ বা কিছুই নেই, তখন সমস্যাগুলো দেখা দেয়।

সমন্বয়হীনতার কারণেও মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনে দুই বছর চাকরি করেছি। ওখানে ফর্মে আপনি আপনার নাম লিখছেন, জন্ম তারিখ লিখছেন, মা-বাবার নাম লিখছেন। সেভাবে সেগুলো প্রিন্ট করে দিয়ে দেওয়া হয়। সেটি জমা দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করলেন। দেখা গেলো পাঁচ বছর পর আপনি এসে বলছেন আমার নাম চেঞ্জ করতে হবে, ডেট অব বার্থ চেঞ্জ করতে হবে। কিন্তু এটি করার সময় কিন্তু একটি কারেকশন কপি দেখানোও হয়, সেখানে যিনি জন্ম নিবন্ধন করবেন তিনি নিশ্চিত করলেই প্রিন্ট করে দেয়া হয়। তাহলে দোষ কার?

জালিয়াতির বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনে আমি অসংখ্য পিএইচডি করা মানুষকে দেখেছি যে তিনি এফিডেভিট করে বলছে আমি এসএসসি পাস করিনি, শুধু বয়স বাড়ানো বা কমানোর জন্য। হয়ত সে বিদেশ যাবে বা অন্য কোনো কাজ করবে। এরকম অসংখ্য মানুষকে দেখেছি। নরমালি হলে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সানি লিওনের গান নিষিদ্ধের দাবি পুরোহিতের

বিনোদন ডেস্ক: ‘মধুবন’ শিরোনামে একটি গানের মিউজিক ভিডিওতে রাধা হয়ে নেচেছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সানি লিওনি। গানে সেই নাচ অশ্লীল মনে হয়েছে পুরোহিতের কাছে। ফলে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ তুলে অভিনেত্রীর গান নিষিদ্ধের দাবি তুলেছেন। সেই সাথে সানি লিওনি প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে তাকে ভারতে থাকতে দেওয়া হবে না বলে হুমকিও দিয়েছেন তিনি।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি নিয়ে এই গানে সানি লিওনির নাচ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন অনেক নেটিজেন। সেই অভিযোগে এবার মথুরার পুরোহিত নবল গিরি মহারাজ মিউজিক ভিডিও নিষিদ্ধের দাবি তুলেছেন।

‘মধুবন মে রাধা নাচে’শিরোনামের ওই গানটি করেছেন প্রথ্যাত সঙ্গীতশিল্পী মোহাম্মদ রফি। জানা গেছে ১৯৬০ সালে কোহিনূর চলচ্চিত্রে গানটি গেয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি সারেগামা মিউজিক এই গানটির নতুন মিউজিক ভিডিও ‘মধুবন’ শিরোনামে প্রকাশ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: স্বামী-সন্তান জিম্মি করে কক্সবাজারে পর্যটক নারীকে ধর্ষণকাণ্ডের মূল আসামিদের কাউকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। স্থানীয় বিশিষ্টজনের অভিযোগ, পুলিশ কর্মকর্তাদের বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে আসামি গ্রেপ্তারের চেয়ে ভুক্তভোগী নারীর ‘দোষ’ খুঁজে বের করাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে তারা। এ কারণে ধর্ষকের চেয়ে ভুক্তভোগীকে নিয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে।

এদিকে ভুক্তভোগী ওই নারী শুক্রবার বিকালে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। সেখানে তিনি অসুস্থ সন্তানকে ‘বাঁচাতে’ টাকা জোগাড় করতে এসে ধর্ষণের শিকার হন বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার হোটেল ব্যবস্থাপকের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শুক্রবার বিকালে ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি জিল্লুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন- আসামি আশিকুল ইসলাম, মেহেদী হাসান ওরফে বাবু ভুক্তভোগী নারীর পূর্বপরিচিত। তাকে মোটরসাইকেলের পেছনে বসিয়ে যখন আশিক নিয়ে যায় তখন মূল সড়ক দিয়েই গেছে। এরপর জিয়া গেস্টরুমে যখন যাচ্ছিল, তখন সড়কে অনেক লোকজন ছিল। কিন্তু ওই নারী কোনো ধরনের চিৎকার-চ্যাঁচামেচি করেননি। আমরা চাই প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হোক। এ রকম ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় সেদিকে তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

একইভাবে ট্যুরিস্ট পুলিশের অ্যাডিশনাল এসপি মহিউদ্দিন আহমেদের ধর্ষণের ঘটনায় দেয়া বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচারের পর ওই নারীর ‘চরিত্র’ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই পোস্ট করেছেন।

অ্যাডিশনাল এসপি বলেছেন, গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনার মধ্যে অনেক ‘রহস্য’ পাওয়া যাচ্ছে। এ গৃহবধূ গত কয়েক মাসের মধ্যে কক্সবাজার বেশ কয়েকবার এসেছেন। ওই নারী কক্সবাজারে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত জেনে তারা (ধর্ষণে অভিযুক্তরা) হয়তো বলেছে, এখানে এসব করতে গেলে তাদের চাঁদা দিতে হবে। এছাড়াও তারা ওই নারীর পূর্বপরিচিত।

পুলিশের বক্তব্য প্রসঙ্গে কক্সবাজারের সিনিয়র সাংবাদিক ফজলুল কাদের চৌধুরী বলেন, ভিকটিম নারীকে নিয়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত পুলিশের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বক্তব্য আইন পরিপন্থি ও দুঃখজনক। তাদের উচিত ছিল দ্রুত ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা। তাদের একেকজনের নামে ১৭টি মামলা রয়েছে। তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা। ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

তিনি বলেন, নারী পর্যটক, স্থানীয়, অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত বা পতিতা, যাই হোক তাকে ধর্ষণ করার অধিকার কে দিয়েছে? তা ছাড়া দণ্ডবিধির ১৮৬০-এর সেকশন ৩৭৫-এর (ক) তে স্পষ্ট উল্লেখ আছে-নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌনসঙ্গম করার চেষ্টা অবশ্যই ধর্ষণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে। অথচ উলটো এখন ভিকটিম ওই নারীকে নিয়ে ট্রল হচ্ছে। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ও আরো সতর্কভাবে বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশের সুপার জিল্লুর রহমান বলেন, পুরো ঘটনা বিস্তারিত বলতে গিয়ে ওসব কথা বলতে হয়েছে। মূল কথা হচ্ছে, কারও অসম্মতিতে জোরপূর্বক মিলন করা মানে তাকে ধর্ষণ করা। ওই নারী যদি তার সন্তান বাঁচানোর জন্য অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত হন এটি তার ব্যক্তিগত এবং পারিপার্শ্বিক বিষয়। সবচেয়ে বড় কথা, তিনি দাবি করেছেন তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এখন আমরা সব বিষয় মাথায় রেখে মামলাটি তদন্ত করছি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অভিযুক্ত ধর্ষকরা অধরা

অভিযুক্ত আসামিদের চিহ্নিত করে ঘটনার এক দিন পর বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করা হলেও মূল আসামিদের কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।

আসামিরা হল- আশিকুর রহমান ও তার তিন সহযোগী ইস্রাফিল হুদা ওরফে জয় ও মেহেদী হাসান ওরফে বাবু এবং রিয়াজ উদ্দিন ছোটন। ট্যুরিস্ট পুলিশকে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। আসামিদের মধ্যে জিয়া গেস্ট ইনের ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে বৃহস্পতিবার রাতেই গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এদের মধ্যে কক্সবাজার সদর থানায় আশিকের নামে অস্ত্র, মাদক, নারী নির্যাতন ও চাঁদাবাজিসহ ১৭টি এবং জয়ের নামে দুটি মামলা রয়েছে। তারা এখনো কক্সবাজার শহরে অবস্থান করছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

অপরদিকে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হামীমুন তানজীনের আদালত শনিবার সন্ধ্যায় ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার জিয়া গেস্ট ইন হোটেলের ব্যবস্থাপক রিয়াজুদ্দিন ছোটনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক রুহুল আমিন এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আদালতে ভুক্তভোগীর জবানবন্দি: শুক্রবার বিকালে কক্সবাজার সদর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হামীমুন তানজিনের আদালতকে ওই নারী জানান, আট মাস বয়সি অসুস্থ বাচ্চার চিকিৎসায় অর্থ জোগাড়ে স্বামীসহ গত ৩ মাস ধরে কক্সবাজারে এসেছেন। ৮ মাস বয়সি শিশুর হার্টে ছিদ্র রয়েছে। তার চিকিৎসায় ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন। যে কোনো মূল্যে সন্তানকে বাঁচাতে টাকা জোগাড় করাই ছিলো তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। তার মধ্যে সন্ত্রাসীরা চাঁদা দাবি করে। একবার বাধ্য হয়ে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দিয়েছেন। পরে আবার চাঁদা চাইতে গেলে স্বামীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের বাগবিতণ্ডা হয়। এর সূত্র ধরে তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে।

ওই নারী জবানবন্দিতে আরো জানান, তাকে বুধবার রাত ৮টার দিকে সৈকত পোস্ট অফিসের পেছনে একটি ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আশিকের দুই বন্ধু তাকে ধর্ষণ করে। এরপর আশিক তাকে আবার মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায় কলাতলী এলাকার জিয়া গেস্ট ইন নামে একটি হোটেলে। তাকে নিয়ে ওই হোটেলের একটি কক্ষে ওঠে আশিক। সেখানে ইয়াবা সেবন করে ধর্ষণের একপর্যায়ে একটি ফোনকলে পুলিশের উপস্থিতির কথা জানতে পেরে আশিক কক্ষ থেকে দ্রুত বের হয়ে যায়। ভুক্তভোগী

ওই নারী আরো জানান, তিনি হোটেল কক্ষ থেকে বের হয়ে পর্যটন মোটেলের সামনের সড়কে আসেন। সেখানে স্বামীকে দেখতে পান র‌্যাবের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে কথা বলতে। র‌্যাব তাকে নিয়ে হোটেল জিয়া গেস্ট ইনে আসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মহাকাশে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপের যাত্রা শুরু

বিদেশের খবর: ইতিহাস সৃষ্টি করে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব সফলভাবে মহাকাশে যাত্রা শুরু করেছে। এটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে এক হাজার কোটি ডলার। ফ্রেঞ্চ গায়ানার কৌরো মহাকাশ বন্দর থেকে আরিয়ান রকেটের মাধ্যমে এটি মহাকাশের দিকে যাত্রা করে।

টেলিস্কোপটির নামকরণ করা হয়েছে চাঁদে অবতরণকারী অ্যাপোলো নভোযানের একজন স্থপতির নামে। এটি হাবল টেলিস্কোপের উত্তরসূরি। টেলিস্কোপটি তৈরিতে কাজ করেছে ইউরোপ, আমেরিকা ও কানাডার মহাকাশ গবেষণা সংস্থার প্রকৌশলীরা। অতীতের যে কোনো টেলিস্কোপের থেকে একশগুণ বেশি শক্তিশালী করতে ৩০ বছর কাজ করেছেন তারা। ধারণা করা হচ্ছে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে এটির এক মাস সময় লাগতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘শেষ হয়ে গেছে বলে কেঁদো না ঘটে গেছে বলে হাসো’

বিনোদন ডেস্ক: নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে নায়িকা পরীমনি ব্যস্ত শুটিংয়ে। ক্যারিয়ারে বেশকিছু আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করেছেন। সন্ধান করছেন একটি ব্লকবাস্টার হিট সিনেমার। যা আজও অধরা। সেই স্বপ্নের পথ ধরে পরী বর্তমানে একাধিক প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এদিকে শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) ফেসবুকে তিনটি ছবি পোস্ট করেছেন পরীমনি। সেখানে তাকে সাদা রঙের শাড়ি পরা অবস্থায় দেখা গেছে। তার সঙ্গে ছিলো পোষা কুকুর।

ছবির ক্যাপশনে পরী দিয়েছেন ইতিবাচক বার্তা। লিখেছেন, ‘শেষ হয়ে গেছে বলে কেঁদো না। এটি ঘটে গেছে বলে হাসো।’

কুকুরের সঙ্গে এই ক্যাপশনের ছবিটি বেশ মনে ধরেছে পরীর ভক্ত-অনুসারীদের। তার প্রমাণ মিলে ছবিটিতে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ। এই ছবিগুলোর পোস্টে ৭৩ হাজারেরও বেশি রিয়্যাক্ট পড়েছে।

প্রসঙ্গত, পরীমনি সম্প্রতি যুক্ত হন ওয়েব ফিল্ম ‘কাগজের বউ’-এ। চয়নিকা চৌধুরীর নির্মাণে এই সিরিজে পরী কাজ করবেন ইমন ও অভিনেতা ডিএ তায়েবের সঙ্গে।

এছাড়াও এই নায়িকা কাজ করছেন ‘প্রীতিলতা’ সিনেমায়। হাতে আছে ‘গুনিন’- এর কাজ। মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার ‘মুখোশ’ সিনেমাটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আল-জাজিরার তথ্যচিত্র প্রকাশের পর বিব্রত হন জেনারেল আজিজ

রাজনীতির খবর: কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা চলতি বছরের পয়লা ফেব্রুয়ারিতে সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ ও তার ভাইদের নিয়ে একটি তথ্য’প্রচার করে।এ নিয়ে তুমুল আলোচনা তৈরি হয়। তথ্যচিত্র প্রকাশের পর বিব্রত হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন আজিজ আহমেদ। ওই সময়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফরে ছিলেন। সেখানে এর কোনো প্রভাব পড়েনি বলে দাবি করেন তিনি।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের এক অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব) আজিজ আহমেদ। এক ঘণ্টার ওই অনুষ্ঠানে ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগের প্রধান খালেদ মুহিউদ্দীনের নানা প্রশ্ন ও তার বিরুদ্ধে উঠা নানা অভিযোগের জবাব দিয়েছেন তিনি।

তথ্যচিত্রে অভিযোগ করা হয়েছিল, ইসরায়েল থেকে স্পাইওয়্যার ও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ক্রয় প্রক্রিয়ায় জেনারেল আজিজ আহমেদ প্রভাব খাটিয়েছেন। এর উত্তরে তিনি দাবি করেন, কেনাকাটাগুলো যখন হয়, তখন সেনাপ্রধান হিসেবে এর সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। যদিও তিনি দায়িত্ব নেওয়ার একদিন পর নজরদারি প্রযুক্তি ক্রয়ের স্বাক্ষর হয়।

তিনি দাবি করেন, প্রক্রিয়াগুলো আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। তিনি বলেন, আমি চ্যালেঞ্জ করছি, কেউ যদি কোনো একটা ‘অ্যাভিডেন্স’ দিতে পারেন যে আমি বিজিবিতে থাকাকালে, আমি সেনাপ্রধান থাকাকালে আমার কোনো ভাই বা আত্মীয়কে বিজিবি বা সেনাবাহিনীর কোনো ‘আর্মস, ইকুয়েপমেন্ট, অ্যামুনেশান প্রকিউরমেন্ট, কন্ট্রাক্ট’ দিয়েছি, এটা যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে, ‘আই উইল অ্যাকসেপ্ট অ্যানিথিং। আই অ্যাম রেডি। আই অ্যাম গিভিং আ চ্যালেঞ্জ।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, জেনারেল আজিজ আহমেদের দুই ভাই হারিছ আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদ নতুন নাম আর ভিন্ন ঠিকানা ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট সংগ্রহ করেছেন। এ বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, ‘কত লাখ লাখ বাংলাদেশি বিদেশে আছেন, তাদের কি নিজস্ব নাম, পিতৃপরিচয় বা ঠিকানা অ্যাকচুয়েলটা ইউজ করছেন?

নাম-পরিচয় পরিবর্তনে প্রভাব খাটিয়েছিলেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক এ সেনাপ্রধান বলেন, একটা উদাহরণ দেন কোনো জায়গায় আমি কাউকে টেলিফোন করেছি কি না, যে আপনি একে নির্দেশ দিয়েছেন যে এটা করে দাও। এ রকম কোনো অ্যাভিডেন্স কি আপনাদের কাছে আছে? প্রমাণ দেন।

আবেদনপত্রের কোনো পর্যায়ে তার অধীন কোনো বিজিবি অফিসার যুক্ত ছিলেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে সাবেক এ সেনাপ্রধান বলেন, এ ধরনের কোনো কিছু হয়েছে কি না, আমার জানা নেই। আর এ ধরনের স্বাক্ষর করার প্রসঙ্গ এসেছিল কি না, আমার ঠিক মনে পড়ছে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদের কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ২৫ ডিসেম্বর শনিবার বিকাল ৪টায় বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদ সাতক্ষীরা শাখার ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির সদস্যবৃন্দের নাম যথাক্রমে সভাপতি নয়ন কুমার সানা, সহ-সভাপতি অধ্যাপক প্রণব কান্তি বাড়ৈ, সহ-সভাপতি গৌরাঙ্গ সরকার, সহ-সভাপতি বিশ্বরূপ চন্দ্র ঘোষ, শ্যামল রাহা, সাধারণ সম্পাদক রায় দুলাল চন্দ্র, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুকুমার রায়, কোষাধ্যক্ষ সুমন সরকার,

সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী সুবীর দাশ (পল্টু), দপ্তর সম্পাদক বিষ্ণুপদ মন্ডল, প্রচার সম্পাদক মলয় দাস, সাহিত্য-সংস্কৃতিক সম্পাদক পলাশ দেবনাথ, প্রকাশনা সম্পাদক অমিতাভ পাল, ক্রীড়া সম্পাদক মনোরঞ্জন মন্ডল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সঞ্জীব ঘোষ, সমাজসেবা সম্পাদক লক্ষ্মণ সানা, বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক অনিমেষ সরকার, গ্রন্থাগার সম্পাদক সুজয় দাশ, চিকিৎসা সম্পাদক দেবাশীষ মন্ডল, গ্রন্থাগার সম্পাদক দীপ্ত দাশ, কার্যনির্বাহী সদস্য পরিমল বৈদ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest