সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোকশ্যামনগরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে আহতের একদিন পর এক ব্যক্তির মৃত্যুকপ৩১-কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা: ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের দাবিসাতক্ষীরার সুন্দরবন রেঞ্জের ৬৮টি খালে বিভিন্ন মাত্রায় বিষ প্রয়োগের তথ্য গবেষণায় উঠে এসেছেসাংবাদিক হাফিজুর রহমানের মায়ের ইন্তেকাল,প্রেসক্লাবের শোকঅসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবিতালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগ

শিক্ষার্থীরা জানুয়ারির প্রথম দিন সব নতুন বই পাচ্ছে না

শিক্ষা ডেস্ক: নতুন বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীরা সব নতুন বই পাবে না। যে কয়টি বই বাকি থাকবে সেগুলো জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর মাতুয়াইলে মৌসুমী প্রেস পরিদর্শনের সময় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন বছরের ৯৫ শতাংশ বই তৈরি হয়ে গেছে। বর্তমানে সেগুলো স্কুল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বাকি ৫ শতাংশ বই জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে স্কুলগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত প্রাথমিকের প্রায় সব বই জেলা পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে। মাধ্যমিকের ২১ কোটি বই বাঁধাই হয়ে গেছে, বাকি ১৭ কোটির বেশি বই সরবরাহ করা হয়েছে। আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে সব বই বাঁধাই কাজ শেষ হবে। এরপরই সেগুলো স্কুল পর্যায়ে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা চাই বইয়ের মান ঠিক থাকুক। যদি আমরা জানতে পারি কেউ বইয়ের মান খারাপ করেছে, সেটি চিহ্নিত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দীপু মনি আরও বলেন, পাঠ্যপুস্তকের মান ঠিক আছে কি না, সেটি নিশ্চিত হতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পক্ষ থেকে সপ্তাহে দু-তিন দিন করে মনিটরিং করা হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি পাওয়া গেলে সেসব বই বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী মাতুয়াইলের মৌসুমী প্রেস, জনতা প্রেস ও প্রমা প্রেস পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের কর্মকর্তা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতারকের কাছ থেকে নেয়া জ্যাকুলিন-নোরার বিলাসবহুল উপহার বাজেয়াপ্ত হচ্ছে

বিনোদন সংবাদ: প্রতারণায় অভিযুক্ত ব্যবসায়ী সুকেশ চন্দ্রশেখরের কাছ থেকে বিলাসবহুল যেসব উপহার পেয়েছেন বি-টাউন বিউটি জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ ও নোরা ফাতেহি, সেগুলো বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। ২০০ কোটি রুপি অর্থপাচার মামলায় জড়িয়েছে এই দুই অভিনেত্রীর নাম, যেখানে জ্যাকুলিনের কথিত প্রেমিক বলা হচ্ছে এই সুকেশ চন্দ্রশেখরকে।

তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) একটি সূত্র বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে নিশ্চিত করেছে, দুই অভিনেত্রীর পাওয়া উপহার এবং অন্যান্য জিনিস বাজেয়াপ্ত হতে চলেছে। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধে একটি চার্জশিট দাখিল করতে হচ্ছে, সে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে কাজটি। এ ক্ষেত্রে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ ও নোরা ফাতেহিও তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলে আইএএনএস সূত্রে খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সুকেশ চন্দ্রশেখর যেসব পোষা প্রাণী উপহার দিয়েছেন, সে ক্ষেত্রে একই মূল্যের সম্পত্তি সংযুক্ত করা হবে।

অর্থপাচার মামলায় কেন দুই অভিনেত্রীকে আসামি করা হয়নি? এই প্রশ্নে সূত্রটি জানিয়েছে, উভয় অভিনেত্রীই সুকেশের অপরাধমূলক পটভূমি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। এ মামলায় এ পর্যন্ত সাত জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁরা সবাই তিহার জেলে বন্দি।

এক ওষুধ কোম্পানির সাবেক কর্ণধার মালিক শিবেন্দ্র সিংহ এবং মালবেন্দ্র সিংহের পরিবারের সঙ্গে ২০০ কোটি রুপির প্রতারণা করেছিলেন সুকেশ এবং তাঁর স্ত্রী লিনা পল। এ মামলায় গ্রেপ্তার হন এ দম্পতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে জ্বালানি তেলের দাম আরেকদফা বাড়ানোর সুপারিশ

দেশের খবর: বাজেট ঘাটতি সহনীয় রাখতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। সেই সাথে সারের দামও বাড়তে পারে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামালের সভাপতিত্বে বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে জাতীয় কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিলের সভায় এ সুপারিশ করা হয়।

অর্থ বিভাগের পক্ষ থেকে সুপারিশে সার ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি আগামী অর্থবছরের জন্য মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের কথা বলা হয়।

সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার, এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমসহ অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, চলতি অর্থবছরের জন্য জিডিপির যে প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে, তা অর্জিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। সে জন্য সংশোধিত বাজেটে তা অপরিবর্তিত রাখা হবে। আগামী এপ্রিলে সংশোধিত বাজেট চূড়ান্ত করা হবে।

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপির প্রবৃদ্ধি নির্ধারণ করা হয় ৭ দশমিক ২ শতাংশ। ফলে সংশোধিত বাজেটে এটি বহাল থাকছে বলে জানা গেছে।

তবে বহুজাতিক ঋণদানকারী সংস্থা বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ সরকারের প্রাক্কলনের চেয়ে জিডিপির প্রবৃদ্ধি কম হবে বলে বলে মত দিয়েছে। বিশ্বব্যাংক বলছে, এ বছর বাংলাদেশের জিডিপি হবে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। আইএমএফ বলেছে, ৬ দশমিক ৬ শতাংশ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি যেভাবে এগোচ্ছে তাতে অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশ অর্জিত হবে বলে অর্থমন্ত্রী মনে করেন। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনসহ কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও আমরা তা মোকাবিলা করতে প্রস্তুত আছি।’

উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরে জিডিপি ৭ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এ ছাড়া সারের দামও বেড়ে গেছে বিশ্ববাজারে।

এসব কারণে সরকারের বাজেট ঘাটতি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। আর ঘাটতি সহনীয় রাখতেই সার ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

এবার বাজেটে কৃষিতে ভর্তুকি দেয়া হয়েছে ৬ হাজার কোটি টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে সার ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় এ খাতে অতিরিক্ত দেড় থেকে দুই হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি লাগতে পারে।

বাজেট ঘোষণার সময় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বর্তমানের চেয়ে অর্ধেক ছিল। ফলে সরকার এ খাতে কোনো বরাদ্দ রাখেনি। এখন আন্তর্জাতিক বাজারে দাম প্রায় দ্বিগুণ বাড়ায় এ খাতে ভর্তুকি লাগতে পারে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা।

অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বাড়তি ভর্তুকির চাপ কমাতে হলে সার ও জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা ছাড়া আমাদের কাছে বিকল্প কিছু নেই। এটা যত দ্রুত করা যায়, ততই চাপ প্রশমিত হবে।’

বাজেট তৈরিতে জড়িত অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘নতুন বছরের শুরুতে আরেক দফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হতে পারে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষা কর্মকর্তাকে থাপ্পড় দেওয়া মেয়র গ্রেপ্তার

শিক্ষা ডেস্ক: শিক্ষা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার সাময়িক বরখাস্ত মেয়র মো. শাহনেওয়াজ শাহানশাহকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর উত্তরা-১২ নম্বর সেক্টরের ‘হোটেল ডি মেরিডিয়ান’ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে পাঠানো হবে জামালপুরে।

এর আগে শাহনেওয়াজকে গ্রেপ্তারে ওই হোটেল ঘিরে রাখে র‌্যাব। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানায় র‌্যাব।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান।

তিনি জানান, এ বিষয়ে বেলা সাড়ে ১১টায় ব্রিফিং করে বিস্তারিত জানানো হবে।

গত ১৬ ডিসেম্বর জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ সরকারি হাইস্কুল মাঠে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মেহের উল্লাহকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে থাপ্পড় মারেন মেয়র শাহনেওয়াজ। পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় নামের সিরিয়াল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটে।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ এরপর থানায় মামলা করেন ওই শিক্ষা কর্মকর্তা।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশ হয়।

এরপর অসদাচরণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে পৌর মেয়রের পদ থেকে শাহনেওয়াজকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

একই সঙ্গে তাকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদে ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিজিডি সদস্যদের জীবন দক্ষতা ও আয়বর্ধক মূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু

দুস্থ মহিলা উন্নয়ন কর্মসূচি(ভিজিডি) সদস্যদের জীবন দক্ষতা ও আয় বর্ধক মূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বুধবার সকালে কুশখালী ইউনিয়ন পরিষদের এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ইউনিয়ন পরিষদ সচিব কবিরুল ইসলাম।
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ঢাকার সহযোগিতায় এবং প্রগতির বাস্তবায়নে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, প্রগতির সমন্বয়কারী শেখ রফিকুল ইসলাম ও মো: মাসুদুর রহমান।
ভিজিডি সদস্যদের জীবন দক্ষতা ও আয় বর্ধক মূলক প্রশিক্ষণ সহ স্বাস্থ্য সচেতনামূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির ধুলিহর সম্পাদক গৌতম কুমারের সুস্থতা কামনা
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক গৌতম কুমার সানার লিগামেন্ট অপারেশন করায় তার সুস্থতা কামনা করেছেন জেলা গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ।
গতকাল তার বাড়িতে দেখতে যান জেলা সভাপতি মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, দপ্তর সম্পাদক অপূর্ব মজুমদার, সদস্য আব্দুল খালেক, সদর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক অনির্বাণ সরকার, সাতক্ষীরা পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হোসেন, ধুলিয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি দিন দীপ্তি রায় প্রমূখ।
এ সময় অসুস্থ গৌতমের চিকিৎসা সংক্রান্ত খোঁজখবর নেয়া ও তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক : সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবলের ফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। ভারতকে বাংলাদেশের মেয়েরা হারিয়েছে ১-০ গোলের ব্যবধানে।

বুধবার কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ৭৯ মিনিটে আনাই মগিনি এগিয়ে দেন বাংলাদেশকে। এই এক গোলই শেষ পর্যন্ত শিরোপা নির্ধারণ করে দেয়।

শাহেদা আক্তার রিপার ব্যাকহিল থেকে বল ধরেই দূল্লার শট করে আনাই গোল করলে উল্লাসে ফেটে পড়ে স্টেডিয়ামের দর্শকরা।

ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সঙ্গে শিরোপাও অক্ষুণ্ন রেখেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই একই টুর্নামেন্ট এবার অনুষ্ঠিত হলো অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপ নামে।

টুর্নামেন্ট যখন অনূর্ধ্ব-১৮ বয়সের ছিল তখন বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফাইনালে নেপালকে হারিয়ে। এবার শিরোপা ধরে রাখার মিশনটা ছিল আরও কৃতিত্বের। লিগ ম্যাচ, ফাইনাল- দু’বারই ভারতকে হারিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

মারিয়া-আঁখিরা যোগ্যতর দল হিসেবেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। শুরু থেকে প্রাধান্য নিয়ে চাপ অব্যাহত রাখে ভারতের রক্ষণে। দু’বার দুটি গোলও বাতিল করেন রেফারি। এর মধ্যে দ্বিতীয় গোল বাতিলে বিস্মিত হয়েছেন সবাই।

মাঝ মাঠে মনিকা ও মারিয়াদের আধিপত্য এবং আক্রণভাগে তহুরাদের বারবার ভারতের ডিফেন্স চুরমার করায় বাংলাদেশ যে কোনো সময়ই গোল পেতে পারতো। কিন্তু সেই গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ৭৯ মিনিট পর্যন্ত।

আনাই মগিনির গোলটি ছিল দেখার মতো। রিপার ব্যাকহিল ও আনাইয়ের লম্বা শট ভারতের পোস্টের সামনে গেলে ফ্লাইট মিস করে গোলরক্ষক। বল তার হাতে লাগলেও থামাতে পারেননি। বল কাঁপিয়ে দেয় ভারতের জাল।

খেলা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। উপস্থিত ছিলেন বাফুফে ও সাফ সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ, ফিফা কাউন্সিল মেম্বার মাহফুজা আক্তার কিরণসহ অন্য কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নদী খননে মাথা গোজার ঠাঁই হারানোর শংকায় ব্যাংদহা আবাসন প্রকল্পের ১শ টি ভূমিহীন পরিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি :
২০১৪ সালে নির্মিত ভূমিহীন আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দাদের ভবন বাঁচিয়ে নদী খননের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের ব্যাংদহা আবাসন প্রকল্পের ১শ টি ভূমিহীন পরিবার।

ইতোমধ্যে অসহায় পরিবারগুলো সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের মানুষ গৃহহীন থাকবে না। সে অনুযায়ী ২০১৪ সালে ফিংড়ী ইউনিয়নের জোড়দিয়া/মরিচ্চাপ নদীর চর ভরাটি জমিতে ব্যাংদহা আবাসন আশ্রয়ন প্রকল্প নির্মান করা হয়। সেখানে ২০টি ভবনে ৫টি করে মোট ১শ টি ভূমিহীন পরিবার বসবাস করে আসছেন। সে সময় ভূমি অফিস কর্তৃক যাচাই বাছাই পূর্বক প্রকৃত ভূমিহীনদেরকেই উক্ত প্রকল্পের ঘরগুলো পরিবার গুলোর কাছে হস্তান্তর করেন। কিন্তু চলতি অর্থ বছরে মরিচ্চাপ নদী খননের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। খননের পূর্বে খনন এবং মাটি ফেলার জন্য সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তাতে করে উক্ত ২০টি ভবনের ১২টিই কম বেশি ভাঙ্গা পড়বে। এতে করে ওই ভূমিহীন পরিবারগুলো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এই তীব্র শীতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কোথায় আশ্রয় এ নিয়ে তাদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী নুরুল সরদার বলেন, আমি ভূমিহীন অসহায় মানুষ। থাকার মত ঘর ছিলো না। জমিও নেই। ফলে ছিন্নমুলের মত মানবেতর জীবন যাপন করতাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পে আশ্রয় পেয়ে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে শান্তিতে বসবাস করছিলাম। কিন্তু এখন যদি ওই ভবন ভেঙে দেওয়া হয় তাহলে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকা ছাড়া কোন উপায় নেই। তিনি ভূমিহীনদের ভবন বাঁচিয়ে নদী খননের জন্য সংশ্লিস্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সেখানে বসবাসকারী মুকুল হোসেন অহিদুর রহমানসহ সকল বাসিন্দারাই একইভাবে তাদের আশ্রয়ন প্রকল্প বাঁচিয়ে নদী খননের দাবি জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest