সর্বশেষ সংবাদ-
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

চার লাখ শূন্যপদের বোঝা সরকারি চাকরিতে

দেশের খবর: সরকারি চাকরিতে বর্তমানে চার লাখের বেশি পদ শূন্য রয়েছে। প্রায় ১৮ লাখ পদের মধ্যে ১৪ লাখের কাছাকাছি কর্মরত, বাকি পদে লোক নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন।
চাকরিপ্রার্থীদের অনেকে জানিয়েছেন, শিক্ষিত বেকারদের দ্রুত চাকরি নিশ্চিত করতে হলে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর ও সময় বেঁধে দিতে হবে। আমলাতান্ত্রিক নানা জটিলতা, প্রভাবশালী তদবিরের ব্যাপক প্রভাব এবং অনেকক্ষেত্রে নিয়োগ বাণিজ্য প্রকট আকার ধারণ করায় নিয়োগ বিলম্বিত হয়। ফলে বেকারত্বের সংখ্যা বাড়ে। বিশেষ করে শিক্ষিত বেকাররা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। পাশাপাশি তারা চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা একটি যৌক্তিক পর্যায়ে দ্রুত উন্নীত করার দাবিতে অনড় আছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহম্মদ বলেন, একটি পদের বিপরীতে অসংখ্য আবেদন থাকে। মূলত এসব কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া একটু বিলম্বিত হয়। তবে শূন্যপদের বিষয়টি দ্রুত কীভাবে সহজীকরণ ও নিষ্পত্তি করা যায়, সেজন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব একটি উদ্যোগ নিতে যাচ্ছেন। যেখানে সব সচিবের সঙ্গে একটি বৈঠক করে এর সহজীকরণ উপায় বের করা হবে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।
তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে- আমরা অসংখ্য পদ সৃষ্টি করছি বলেই এত শূন্যপদের কথা বলা হচ্ছে। এ সরকারের আমলে ১০ বছরে লাখ লাখ পদ সৃষ্টি ও নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এটিও বিবেচনায় নিতে হবে। এছাড়া সরকারের রাজস্ব খাতের বাইরে রয়েছে উন্নয়ন প্রকল্পে বড় চাকরির বাজার। সেখানে বিপুল সংখ্যক লোক চাকরির সুযোগ পেয়েছে এবং এখনও পাচ্ছে। কেননা বর্তমান সরকারের আমলে সংখ্যা ও বৃহৎ সাইজের প্রকল্প এর আগে কোনো সরকার গ্রহণ করেনি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বিদ্যুৎ, আইসিটি ও রেলওয়ে খাত। পদ্মা সেতু ও পায়রা বন্দর, রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র, হাই-টেক পার্কের কথা ভুলে গেলে চলবে না। এছাড়া রাজস্ব খাতে শুধু পুলিশেই ৫০ হাজারের বেশি পদ সৃষ্টি ও চাকরি দেয়া হয়েছে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মালেক বলেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে আমাদের সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। বিশেষ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জোরালো মনিটরিং করাসহ জবাবদিহিতার বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে হবে। কেননা শূন্যপদের বিষয়ে প্রতিমাসে প্রতিটি মন্ত্রণালয় থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে রুটিনমাফিক তথ্য দেয়া হয়। তিনি মনে করেন, অনেক ক্ষেত্রে ঝামেলা এড়াতে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করার কারণেও শূন্যপদ পূরণে সময়ক্ষেপণ হয়। এতে শূন্যপদ বেড়ে যায়।

সূত্র জানায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীতে অনুমোদিত মোট পদ ১৭ লাখ ৬২ হাজার ১৯৫টি। এর মধ্যে কর্মরত আছেন ১৩ লাখ ৬২ হাজার ২৯৮ জন। অবশিষ্ট ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৮৯৭টি পদ খালি আছে। এ হিসাবটি আমলে নিলে শূন্যপদের সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণীতে ৪৮ হাজার ৭৯৩টি, দ্বিতীয় শ্রেণীতে ৬৫ হাজার ৮৩টি, তৃতীয় শ্রেণীতে ২ লাখ ৬ হাজার ৭৬০টি এবং চতুর্থ শ্রেণীতে ৭৯ হাজার ২৬১টি খালি আছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী এর আগে ২০১৩ সালে অনুমোদিত মোট পদ ছিল ১৪ লাখ ৭১ হাজার ৩৬টি। এর মধ্যে কর্মরত ছিলেন ১১ লাখ ৯৪ হাজার ৪৪৯ জন। অবশিষ্ট ২ লাখ ৭৬ হাজার ৫৮৭টি পদ খালি ছিল।

উল্লিখিত তথ্য বিশ্লেষণে গত ৫ বছরের ব্যবধানে অনুমেদিত পদের সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ৯১ হাজার ১৫৯টি। তুলনামূলক হারে শূন্যপদ বেড়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৩১০টি। তবে ডিসেম্বর নাগাদ তথ্য হালনাগাদ করলে অনুমোদিত ও শূন্যপদের সংখ্যা আরও বাড়বে।

এদিকে পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপের তথ্য অনুযায়ী দেশে মোট বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ৭৭ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ১৩ লাখ ৪৭ হাজার এবং মহিলা ১৩ লাখ ৩০ হাজার। দক্ষ ও অদক্ষ মিলিয়ে যাদের বয়স ১৫ বছরের ওপরে।

সার্বিক বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে চাকরির বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে সক্রিয় থাকা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের সভাপতি মো. ইমতিয়াজ হোসেন বুধবার যুগান্তরকে বলেন, সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ কমাতে হলে অবশ্যই চাকরির বয়সসীমা বৃদ্ধিসহ নিয়োগ প্রক্রিয়ার জটিলতা দ্রুত কমিয়ে আনতে হবে। তা না হলে শুধু পদ সৃষ্টি করে লাভ হবে না। যথাসময়ে নিয়োগ দেয়াটা জরুরি।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিতে কর্মসূচির মধ্যে আছি। আমাদের পক্ষে সংসদীয় কমিটি ৩ দফা সুপারিশ করলেও সরকার সেভাবে আমলে নেয়নি। তবে ৩০ থেকে ৩২ বছর একটি প্রক্রিয়া চলমান আছে। যদিও আমরা ৩৫ করার দাবিতে অনড় আছি।’

ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, উচ্চশিক্ষায় এখনও গড়ে সেশনজট আড়াই বছর। যদিও সরকারিভাবে দাবি করা হয় ৫ শতাংশ। কিন্তু সেটি সত্য নয়। এছাড়া সরকারি চাকরির যোগ্যতা হিসেবে ২১ বছর নির্ধারণ করা আছে, যা এ যুক্তিতে একেবারে অকার্যকর। কেননা এ বয়সে দেশে কেউ অনার্স শেষ করতে পারেন না। তাই এসব যুক্তি বিবেচনায় নিলে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা অবশ্যই দাবি অনুযায়ী বাড়াতে হবে। সেক্ষেত্রে অবসরের সীমাও বাড়তে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রত্যাবাসনের প্রথম দফায় মিয়ানমার যাচ্ছেন ১৫০ রোহিঙ্গা

দেশের খবর: বহুল আলোচিত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আজ বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে। তাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানোর সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ঘুমধুম সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে আজ দুপুরে ৩০টি পরিবারের ১৫০ রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফিরে যাবেন। বাংলাদেশের পক্ষে প্রস্তুত করা হয়েছে ট্রানজিট ক্যাম্প। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার এবং জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য মো. আবুল কালাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

একইভাবে মিয়ানমারের পক্ষ থেকেও সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এরই মধ্যে প্রত্যাবাসনে অন্তর্ভুক্ত ২ হাজার ২৬০ জন রোহিঙ্গার তালিকা জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে বুধবার প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক শেষে আবুল কালাম জানান, সব প্রস্তুতি শেষ। বৃহস্পতিবারই প্রত্যাবাসন শুরু হবে। ৩০ পরিবারের ১৫০ রোহিঙ্গা মিয়ানমারে যাবে। দুপুরের দিকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। রোহিঙ্গাদের ঘুমধুমের ট্রানজিট ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখান থেকে মিয়ানমারের প্রতিনিধিরা তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করবেন। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ধারাবাহিকভাবে চলবে।
৩০ অক্টোবর জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় রোহিঙ্গাদের পরিবারভিত্তিক তালিকা মিয়ানমার সরকারের হাতে তুলে দেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার। এতে প্রায় ২২ হাজার রোহিঙ্গার নামের তালিকা রয়েছে।

এসব তালিকা যাচাই-বাছাই করে মিয়ানমার প্রথম দফায় ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেয়ার কথা দেয়। যাদের মধ্য থেকে প্রথম দফায় ২ হাজার ২৬০ জনকে ফেরত নিচ্ছে মিয়ানমার। প্রতিদিন ১৫০ জন করে ১৫ দিন এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সরেজমিন উখিয়ার টিভি রিলে কেন্দ্র সংলগ্ন ঘুমধুম রাবার বাগান ঘুরে দেখা যায়, প্রত্যাবাসনের তালিকাভুক্ত রোহিঙ্গাদের রাখার জন্য নতুনভাবে সজ্জিত করা হয়েছে নবনির্মিত ট্রানজিট ক্যাম্প। ১২ ফুট দৈর্ঘ্য-প্রস্থের ৫৭টি ঘর প্রস্তুত। ৪০টির মতো টয়লেটসহ গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্পর্কে ঘুমধুম ট্রানজিট ক্যাম্পে কথা হয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রেজওয়ান আহমদের সঙ্গে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাউকে ফেরত পাঠানো হবে না।

প্রত্যাবাসনের তালিকাভুক্ত উখিয়ার থাইংখালী জামতলী জি-১৩নং ক্যাম্পে আশ্রিত হোছন আহাম্মদ (৪২) ও স্ত্রী মিনারা বেগম (৩৭) জানান, তারা মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত।
তবে তাদের একটি মাত্র দাবি- মিয়ানমারে বেশিদিন তাদের ট্রানজিট ক্যাম্পে রাখা যাবে না। নিজ নিজ বসতভিটায় ফেরত পাঠাতে হবে। নিরাপদ বসবাসের ব্যবস্থা করতে হবে। একই দাবি (প্রত্যাবাসনের তালিকাভুক্ত) রোহিঙ্গা নারী সাদেকা বেগমের (২৩)। তিনি বলেন, আমাদের ফেরত নিতে হলে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।

ঢাকাকে নেপিদোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফিরে যাওয়া রোহিঙ্গা নাগরিকদের বসবাসের জন্য ভারত সরকার ২৮৫টি বাড়ি নির্মাণ করে দিয়েছে। আর চীন সরকার ১ হাজার বাড়ির কাঠামো পাঠিয়েছে, যেগুলো সংযোগ করলেই পূর্ণ বাড়িতে রূপ নেবে। এদিকে সীমান্তের শূন্যরেখায় যেসব রোহিঙ্গা বসবাস করছেন, তাদের ফিরিয়ে নেয়ার কাজও দ্রুত শুরু হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংসতার মুখে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা উখিয়া-টেকনাফের একাধিক শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। তারও আগে একই কারণে আরও ৪ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। সব মিলে বর্তমানে ১১ লাখের অধিক রোহিঙ্গার বসবাস উখিয়া-টেকনাফে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদি আরবে প্রথম রাষ্ট্রদূত মনোনয়ন দিলেন ট্রাম্প

বিদেশের খবর: সৌদি আরবে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রদূত মনোনয়ন দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেনাবাহিনীর সাবেক জেনারেল জন আবিজায়েদকে তিনি মনোনীত করেছেন। এখন তার চূড়ান্ত নিয়োগে সিনেটের অনুমোদন লাগবে। গত বছরের জানুয়ারি থেকে সৌদি আরবে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পদ শূন্য রয়েছে। খবর আল জাজিরা’র

জন আবিজায়েদ সাবেক চার তারকার জেনারেল। তিনি লেবানিজ বংশোদ্ভূত এবং খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী। তিনি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার ছিলেন। এই কমান্ডের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য আছে। তিনি মধ্যপ্রাচ্য বিষয়েও বিশেষজ্ঞ। তিনি মার্কিন মিলিটারি একাডেমি থেকে গ্রাজুয়েট সম্পন্ন করেছেন। এরপর তিনি জর্ডানে আরবি বিষয়ে পড়ালেখা করেন। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে মাস্টার্স করেন। ৬৭ বছর বয়সী জন আবিজায়েদকে এমন সময় মনোনয়ন দেওয়া হলো যখন সাংবাদিক খাশোগি হত্যা নিয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে বিভিন্ন দেশের। সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কেমন হবে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের অনুমোদন নিতে হবে জন আবিজায়েদকে। ক্ষমতায় আসার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই প্রথম সৌদিতে রাষ্ট্রদূত মনোনয়ন দিলেন। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে রাষ্ট্রদূত জোসেফ ওয়েস্টফালের মেয়াদ শেষ হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ; প্রথম টেস্টে নেই সাকিব

খেলার খবর: জিম্বাবুয়ে দল থাকতে থাকতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দামামা বেজে উঠলো। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচক প্যানেল এরই মধ্যে আগামী ২২ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া টেস্ট সিরিজের জন্য দল মোটামুটি গুছিয়ে এনেছেন।

প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু গতকাল জানালেন, দুই একদিনের মধ্যেই দল ঘোষণা করা হবে। চলমান মিরপুরের টেস্টের দলে চারটি পরিবর্তন এনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের জন্য ১৩ সদস্যের স্কোয়াড দেওয়া হবে।

নির্বাচকরা এখন পর্যন্ত সাকিব আল হাসানের ফিটনেস নিয়ে সন্তুষ্ট নন। নান্নু তাই বলেই দিলেন যে, প্রথম টেস্টেই ফিরছেন না বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার। দ্বিতীয় টেস্টে ফিরবেন কিনা, সেটা জানার জন্য সময়ের অপেক্ষা করার কোনো বিকল্প নেই।

সাকিব অবশ্য একটু একটু করে পুরোদমে অনুশীলনে ফিরছেন। একদিন আগে লম্বা সময় বাদে ব্যাট হাতে নেওয়া টেস্ট অধিনায়ক গতকাল নেটে ব্যাটিংয়ে ঘাম ঝরিয়েছেন। তবে, সাকিব নিজের ফিটনেসের উন্নতির ব্যাপারে সন্তুষ্ট।

মিরপুরের ইনডোরে গতকাল তিনি বলেন, ‘মাত্রই প্রথম ব্যাটিং করলাম। স্পিন দিয়ে আস্তে আস্তে শুরু করলাম। প্রথম দিন হিসেবে ভালোই মনে হলো। ব্যথাটা সেভাবে বোঝা যায়নি। সামনে যখন পেসটা বাড়বে, ভলিউম বাড়বে, তখন বোঝা যাবে। এভাবে এগোতে থাকি, দেখা যাক কী অবস্থায়। প্রথম দিন হিসেবে আমি বলবো, অনেক ভালো। কোনো ব্যথা অনুভব করিনি। বেশ ভালো অনুভব করিছি। এরপর ভলিউম বাড়লে, পেস বাড়লে এবং বেশিক্ষণ ব্যাটিং করলে বোঝা যাবে।’

সাকিব জানালেন, শিগগিরই তিনি বোলিং ও ফিল্ডিং অনুশীলন শুরু করবেন। বললেন, ‘সবই আস্তে আস্তে শুরু হবে। কাল পরশু থেকে হয়তো ফিল্ডিং ও বোলিং শুরু করবো। সবকিছুর জন্য সময় লাগবে। একবারেই সব শুরু করা সম্ভব হবে না। ইমপ্রুভ হতে থাকলে ম্যাচ খেলার কথা চিন্তা করবো।’

সাইড স্ট্রেনের কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সাকিবের সঙ্গে তামিমের ফেরাও অনিশ্চিত। সাকিব নিজেও নিশ্চিত নন কবে ফিরতে পারবেন। তবে, এই মুহূর্তে তিনি কোনো ঝুঁকি নিতে চান না। মিরপুরে গতকাল বিকালেও কোচ স্টিভ রোডস ও প্রধান নির্বাচকের সঙ্গে লম্বা আলাপ করতে দেখা গেছে তাকে।

নিজের এবং তামিমের ব্যাপারে তিনি বললেন, ‘কেউ খেলতে না পারলে দলের জন্য একটা নেতিবাচক ব্যাপার। কিন্তু আমি আশা করবো তামিম যেন প্রথম ম্যাচের আগে ফিট হয়ে যায়। দেখা যাক ফিজিও ওর বিষয়ে কী বলে। আমি আস্তে আস্তে শুরু করেছি। এরপর পেস বাড়ার পর বুঝতে পারবো কী হচ্ছে। জলদি করা যাবে না। এটা হলো প্রথম কথা। কয়েক দিনের ভেতরে বুঝতে পারবো, কী হবে।
জিম্বাবুয়ে দল থাকতে থাকতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দামামা বেজে উঠলো। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচক প্যানেল এরই মধ্যে আগামী ২২ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া টেস্ট সিরিজের জন্য দল মোটামুটি গুছিয়ে এনেছেন।

প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু গতকাল জানালেন, দুই একদিনের মধ্যেই দল ঘোষণা করা হবে। চলমান মিরপুরের টেস্টের দলে চারটি পরিবর্তন এনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের জন্য ১৩ সদস্যের স্কোয়াড দেওয়া হবে।

নির্বাচকরা এখন পর্যন্ত সাকিব আল হাসানের ফিটনেস নিয়ে সন্তুষ্ট নন। নান্নু তাই বলেই দিলেন যে, প্রথম টেস্টেই ফিরছেন না বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার। দ্বিতীয় টেস্টে ফিরবেন কিনা, সেটা জানার জন্য সময়ের অপেক্ষা করার কোনো বিকল্প নেই।

সাকিব অবশ্য একটু একটু করে পুরোদমে অনুশীলনে ফিরছেন। একদিন আগে লম্বা সময় বাদে ব্যাট হাতে নেওয়া টেস্ট অধিনায়ক গতকাল নেটে ব্যাটিংয়ে ঘাম ঝরিয়েছেন। তবে, সাকিব নিজের ফিটনেসের উন্নতির ব্যাপারে সন্তুষ্ট।

মিরপুরের ইনডোরে গতকাল তিনি বলেন, ‘মাত্রই প্রথম ব্যাটিং করলাম। স্পিন দিয়ে আস্তে আস্তে শুরু করলাম। প্রথম দিন হিসেবে ভালোই মনে হলো। ব্যথাটা সেভাবে বোঝা যায়নি। সামনে যখন পেসটা বাড়বে, ভলিউম বাড়বে, তখন বোঝা যাবে। এভাবে এগোতে থাকি, দেখা যাক কী অবস্থায়। প্রথম দিন হিসেবে আমি বলবো, অনেক ভালো। কোনো ব্যথা অনুভব করিনি। বেশ ভালো অনুভব করিছি। এরপর ভলিউম বাড়লে, পেস বাড়লে এবং বেশিক্ষণ ব্যাটিং করলে বোঝা যাবে।’

সাকিব জানালেন, শিগগিরই তিনি বোলিং ও ফিল্ডিং অনুশীলন শুরু করবেন। বললেন, ‘সবই আস্তে আস্তে শুরু হবে। কাল পরশু থেকে হয়তো ফিল্ডিং ও বোলিং শুরু করবো। সবকিছুর জন্য সময় লাগবে। একবারেই সব শুরু করা সম্ভব হবে না। ইমপ্রুভ হতে থাকলে ম্যাচ খেলার কথা চিন্তা করবো।’

সাইড স্ট্রেনের কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সাকিবের সঙ্গে তামিমের ফেরাও অনিশ্চিত। সাকিব নিজেও নিশ্চিত নন কবে ফিরতে পারবেন। তবে, এই মুহূর্তে তিনি কোনো ঝুঁকি নিতে চান না। মিরপুরে গতকাল বিকালেও কোচ স্টিভ রোডস ও প্রধান নির্বাচকের সঙ্গে লম্বা আলাপ করতে দেখা গেছে তাকে।

নিজের এবং তামিমের ব্যাপারে তিনি বললেন, ‘কেউ খেলতে না পারলে দলের জন্য একটা নেতিবাচক ব্যাপার। কিন্তু আমি আশা করবো তামিম যেন প্রথম ম্যাচের আগে ফিট হয়ে যায়। দেখা যাক ফিজিও ওর বিষয়ে কী বলে। আমি আস্তে আস্তে শুরু করেছি। এরপর পেস বাড়ার পর বুঝতে পারবো কী হচ্ছে। জলদি করা যাবে না। এটা হলো প্রথম কথা। কয়েক দিনের ভেতরে বুঝতে পারবো, কী হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ও. ইন্ডিজের বিপক্ষে বিসিবি একাদশকে নেতৃত্ব দেবেন রুবেল

খেলার খবর: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য পেসার রুবেল হোসেনকে অধিনায়ক করে ১৩ সদস্যের বিসিবি একাদশের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
আগামী রবিবার (১৮ নভেম্বর) বন্দরনগরী চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা।

বিসিবি একাদশ: রুবেল হোসেন (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, জাকির হোসেন, মিজানুর রহমান, ফজলে মাহমুদ রাব্বি, ইবাদাত হোসেন চৌধুরী, সাদমান ইসলাম, নাজমুল ইসলাম শান্ত, নাঈম হাসান, শফিউল ইসলাম, রবিউল হক, মোহম্মদ মিঠুন ও রিশাদ আহমেদ।

উল্লেখ্য, ২২ নভেম্বর থেকে চট্টগ্রামে শুরু হবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। ৩০ নভেম্বর থেকে ঢাকায় শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট। ৯ ও ১১ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রথম ও দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে দু’দল। ১৪ ডিসেম্বর সিলেটে খেলবে তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে। ১৭, ২০ ও ২২ ডিসেম্বর ক্যারিবীয়দের সঙ্গে যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ভোট পেছানো ইসির জন্য কষ্টদায়ক’

দেশের খবর: নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন পেছানোর দাবি করেছে। ইসি বলেছে, জানুয়ারিতে নির্বাচন করতে হলে তা ইসির জন্য কষ্টদায়ক হয়ে যাবে। কারণ কোথাও পুনর্নির্বাচন করা প্রয়োজন হতে পারে, গেজেটের বিষয় আছে, বিশ্ব ইজতেমার বিষয় আছে। তবু ইসি বলেছে, কমিশন বসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ বিষয়ে পরে জানাবে।

বুধবার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হেলালুদ্দীন এ কথা বলেন। এর আগে আওয়ামী লীগ ও ঐক্যফ্রন্টের দুটি দল পৃথকভাবে ইসির সঙ্গে বৈঠক করে।
নয়াপল্টনের বিএনপি ও পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনার বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, সেখানে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। কমিশন এ জন্য দুঃখ পেয়েছে। যাতে ভবিষ্যতে না হয়, সে আশা প্রকাশ করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে, আসলে কী হয়েছিল। তিনি বলেন, সব জোটে উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়ন ফরম বিতরণ জমা দেওয়া হচ্ছিল। এটা একটা দুর্ঘটনা বলা যায়।

বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করার পরপর কেন পুলিশকে আচরণবিধি সংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, এই চিঠি সবার জন্য প্রযোজ্য। ভবিষ্যতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাতে শোডাউন না হয়, সে জন্য সতর্কতামূলক ওই চিঠি পুলিশ মহাপরিদর্শকে (আইজিপি) দেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যমে দুর্ভোগের বিষয়টি এসেছে, ইসি সেদিকে খেয়াল রাখতে বলেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শরিকদের সর্বোচ্চ ৬৫ আসনে ছাড় দেবে বিএনপি

রাজনীতির খবর: একাদশ সংসদ নির্বাচনে জোট শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে মহাসংকটে পড়েছে বিএনপি। তাদের জন্য সর্বোচ্চ ৬৫টি আসন ছাড়তে চায় দলটি। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলের অন্যরা মিলে এতদিন ২০০ চাইলেও সেখান থেকে সরে এখনও তারা ১৫০ আসনের দাবি ধরে রেখেছে। এ অবস্থায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও সাবেক সাংসদদের বাদ দিয়ে তাদের জন্য কিছু আসন ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে বিএনপি। এ পরিস্থিতিতে নিজ দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ৩০০ আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে এখন মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তদবির ও লবিং সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে দলটির হাইকমান্ড।

এ বিষয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জোটের শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে এখনও বৈঠকে বসা হয়নি। শিগগির নিজেদের মধ্যে এবং ২০ দল ও ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের সঙ্গে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অনেক যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন। সবার মত নিয়ে যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থীদের জোটগত মনোনয়ন দেওয়া হবে।

ঘোষণা অনুযায়ী, আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে এসেছে বিএনপি-জোট। সারাদেশে তাদের নেতাকর্মীরা চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন। মনোনয়ন ফরম বিক্রি উপলক্ষে ১০ বছর পর বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয় উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকরাও নমিনেশন ফরম বিক্রি করছে। একই সঙ্গে নির্বাচন আরও তিন সপ্তাহ পেছানোর দাবি জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা।

বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, সব দল মিলে যোগ্য ও বিজয়ী হওয়ার মতো শক্তিশালী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলো বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। অন্যদের বেলায় গুরুত্ব পাবে দল ও ব্যক্তিগত ভোটব্যাংকের হিসাব।

এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে নিজ দল ও ঐক্যফ্রন্টের আসন বণ্টনের প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়কারী করা হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে। আনুষ্ঠানিক বৈঠক না হলেও এরই মধ্যে তারা হোমওয়ার্ক শুরু করেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা বলেন, এখন তাদের প্রধান কাজ হচ্ছে আসন বন্টন। প্রতিকূল পরিবেশে নির্বাচন করতে হচ্ছে। এটি মনে রেখে আসন বণ্টনের ব্যাপারে সব শরিককে সর্বোচ্চ উদারতা দেখাতে হবে।

সূত্র জানায়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এতদিন ১০০ আসন চাওয়ার কথা ভাবছিল। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে তাদের কাছে বিজয়ী হওয়ার মতো সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিএনপির কাছে ঐক্যফ্রন্টের শরিক গণফোরাম ১৫, জেএসডি ১৫, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ১০ ও নাগরিক ঐক্য ১০টি আসন চাইবে। দাবি ৫০ আসন হলেও তাদের সর্বোচ্চ ১৫টি আসন দিতে চায় বিএনপি। অবশ্য সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিলে আরও কয়েকটি আসন দেওয়া হবে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট :জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকরা মনোনয়ন ফরম বিক্রি করছে। গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন নির্বাচন করতে রাজি নন। তবে দল ও জোট শরিকদের অনুরোধে শেষ পর্যন্ত ঢাকা-৮ বা অন্য এক বা একাধিক আসনে প্রার্থী হতে পারেন তিনি। গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু ঢাকা-২ বা ৩ আসন থেকে নির্বাচন করতে চান। গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ঢাকা-১৪ আসনে মনোনয়ন পেতে পারেন। ডাকসুর সাবেক ভিপি ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ মৌলভীবাজার-২ আসনে মনোনয়ন পাবেন। মফিজুল ইসলাম খান কামালের জন্য মানিকগঞ্জ-৩ ও জানে আলমের জন্য চট্টগ্রাম-১০ আসন থেকে মনোনয়ন চাইবে গণফোরাম।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডিও এর আগে ৩০ আসনের প্রস্তুতি নিলেও এখন ১৫টি চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব লক্ষ্মীপুর-৪ আসন থেকে অথবা ঢাকা থেকে মনোনয়ন চাইবেন। দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন চান কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসন। সহসভাপতি তানিয়া রব ঢাকা-১৮ (উত্তরা), কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে ভোট করতে চান।

এ ছাড়া জেএসডির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটওয়ারীকে ঢাকা-১৪ (মিরপুর), সাবেক এমপি ও সিনিয়র সহসভাপতি এমএ গোফরানকে লক্ষ্মীপুর-১, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলালকে লক্ষ্মীপুর-৩, উল্লাপাড়ার সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু ইসহাককে সিরাজগঞ্জ-৪, জামালপুরের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আমির উদ্দিনকে জামালপুর-৪, জবিউল হোসেনকে চট্টগ্রাম-১০, মির্জা আকবরকে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসন দেওয়ার ব্যাপারে জোর দেওয়া হবে।

ঐক্যফ্রন্টের আরেক শরিক নাগরিক ঐক্য এতদিন ৩০ আসন চাইলেও এখন চূড়ান্ত দরকষাকষির পর্যায়ে ১৫টি চাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অনিবন্ধিত এ দলের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ বা ঢাকা-১৭ (গুলশান) আসনে মনোনয়ন চাইবেন। তার দলের অন্যতম নেতা এসএম আকরাম হোসেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে প্রার্থী হতে চান। এ ছাড়া ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা মোমিনুল ইসলাম লিটন লক্ষ্মীপুর-১, নইম জাহাঙ্গীর জামালপুর-৩, ফজলুল হক সরকার চাঁদপুর-৩, ডা. নাজিম উদ্দিন গাজীপুর সদর, ছিন্নুর আহমেদ চৌধুরী দীপু সিলেট-১ বা ৬, রবিউল ইসলাম খান সাতক্ষীরা-২, দিদারুল আলম বাবুল বাগেরহাট-৩, অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম ময়মনসিংহ-২, মোফাখুল ইসলাম নবাব রংপুর-৫, মোবারক হোসেন খান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল আসনে মনোনয়ন চাইবেন।

কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগকে সর্বোচ্চ তিনটি আসন দিতে পারে বলে জানিয়েছে বিএনপি সূত্র। তবে তিনি ৫টি আসন দাবি করছেন। টাঙ্গাইল জেলায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ভোট ব্যাংক রয়েছে। কাদের সিদ্দিকী, দলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী জোটের মনোনয়ন পেতে পারেন। এর বাইরে কাদের সিদ্দিকী তার ভাই আজাদ সিদ্দিকীর জন্য টাঙ্গাইলের একটি আসনে ও দলীয় নেতা শফিউল ইসলামের জন্য নারায়ণগঞ্জে একটি আসনে মনোনয়ন চাইবেন।

ঐক্যফ্রন্টের শরিক বিকল্পধারা বাংলাদেশ (একাংশ) ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের একটি আসনে ছাড় দিতে পারে বিএনপি।

২০ দলীয় জোট :৬১টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। এর মধ্যে ঢাকা-১৫ বাদে ৪৫টিকে তাদের সম্ভাবনাময় আসন বলছে জামায়াত। ৩৫টি আসনে জোটের মনোনয়ন চায় দলটি। ঢাকা-১৫ আসনটি তারা দলের সেক্রেটারি জেনারেলের জন্য চাইছে। জোটের মনোনয়ন না পেলে কয়েকটি আসনে এককভাবে নির্বাচন করতে পারে তারা।

২০০১ সালের নির্বাচনে দলটিকে ৩০টি আসনে ছাড় দেয় বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট। সেই সময়ে চট্টগ্রাম-১৪ আসনে বিএনপি ও জামায়াত উভয় দলেরই প্রার্থী ছিলেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৩৯ আসনে লড়াই করে তারা। বরগুনা-২ আসনে শেষ সময়ে বিএনপিকে সমর্থন জানায়। ৩৩টি আসনে জামায়াতের বিপরীতে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন না। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, সিরাজগঞ্জ-৪, চুয়াডাঙ্গা-২, ঝিনাইদহ-৩ এবং মেহেরপুর-১ আসনে বিএনপি ও জামায়াত উভয় দলের প্রার্থী ছিলেন। এর মধ্যে পাঁচটিতে জয়ী হয় আওয়ামী লীগ। সিরাজগঞ্জ-৪, চুয়াডাঙ্গা-২, ঝিনাইদহ-৩ আসনে জামায়াতের অবস্থান ছিল দ্বিতীয়। এসব আসনে তৃতীয় হয় বিএনপি।

জামায়াত গতবার যে ৩৩ আসনে জোটের মনোনয়ন পেয়েছিল এর মধ্যে রংপুর-১, রংপুর-২, শেরপুর-১ এবং ফরিদপুর-৩ আসনে এবার নির্বাচন করতে চায় না। ২০০১ ও ২০০৮ সালে শেরপুর-১ আসনে জোটের প্রার্থী ছিলেন জামায়াতের মুহাম্মদ কামারুজ্জামান। ফরিদপুর-৩ আসনে প্রার্থী ছিলেন আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ। মানবতাবিরোধী অপরাধে তাদের ফাঁসি হয়েছে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেন, ২০০৮ সালের তালিকাকে ভিত্তি ধরে আসন বণ্টনের আলোচনা হবে বিএনপির সঙ্গে। সেবার জামায়াত ৩৮ আসনে নির্বাচন করেছিল। কিন্তু জোটে শরিকের সংখ্যা বাড়ায় জামায়াত ছাড় দিতে প্রস্তুত রয়েছে। ৩৮ থেকে কতটি আসন জামায়াত ছাড়বে তা তিনি বলতে রাজি হননি।

জামায়াত সূত্র জানিয়েছে, যে ৪৫টি আসনকে তারা সম্ভাবনাময় ও জয়ের উপযোগী মনে করছে তার তালিকা দেওয়া হবে বিএনপিকে। সেখান থেকে ৩৫টি চাইবে। বিএনপিকেই সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া হবে কোন ১০টি আসন তারা জামায়াতকে ছাড়বে না। এর মধ্যে ২০ দলীয় জোটের শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের আসনও রয়েছে।

জামায়াতের দাবি করা আসন ও তাদের প্রার্থীরা হলেন ঠাকুরগাঁও-২ আবদুল হাকিম, দিনাজপুর-১ আবু হানিফ, দিনাজপুর-৪ আফতাব উদ্দিন মোল্লা, দিনাজপুর-৬ আনোয়ারুল ইসলাম, নীলফামারী-২ মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু, নীলফামারী-৩ মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, লালমনিরহাট-১ আবু হেনা মো. এরশাদ হোসেন সাজু, রংপুর-৫ অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, গাইবান্ধা-১ অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, গাইবান্ধা-৩ মাওলানা নজরুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৪ ডা. আবদুর রহীম, জয়পুরহাট-১ ডা. ফজলুর রহমান সাঈদ, বগুড়া-২ অধ্যক্ষ শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৪ অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ ড. কেরামত আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ নূরুল ইসলাম বুলবুল, রাজশাহী-১ মুজিবুর রহমান, নওগাঁ-৪ খ ম আবদুর রাকিব, সিরাজগঞ্জ-৪ রফিকুল ইসলাম খান, সিরাজগঞ্জ-৫ অধ্যক্ষ আলী আলম, পাবনা-১ আবদুল বাসেত, পাবনা-৫ ইকবাল হোসাইন, চুয়াডাঙ্গা-২ মোহাম্মদ রুহুল আমিন, ঝিনাইদহ-৩ মতিয়ার রহমান, যশোর-১ মাওলানা আজিজুর রহমান, যশোর-২ আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদত হোসাইন, যশোর-৬ অধ্যাপক মুক্তার আলী, বাগেরহাট-৩ অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ, বাগেরহাট-৪ আবদুল আলীম, খুলনা-৫ অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা-৬ মাওলানা আবুল কালাম আযাদ, সাতক্ষীরা-১ অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ মুফতি রবিউল বাশার, সাতক্ষীরা-৪ গাজী নজরুল ইসলাম, পিরোজপুর-১ শামীম সাঈদী, পটুয়াখালী-২ ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ঢাকা-১৫ ডা. শফিকুর রহমান, সিলেট-৫ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট-৬ মাওলানা হাবিবুর রহমান, কুমিল্লা-১১ ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, চট্টগ্রাম-১০ শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৫ আ ন ম শামসুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৬ মাওলানা জহিরুল ইসলাম, কক্সবাজার-২ হামিদুর রহমান আজাদ।

২০ দলের বাকি ১৮ শরিক অন্তত ৫০ আসন চাইছে। এ জোটের অন্যতম শরিক এলডিপি এতদিন বিএনপির কাছে ২০টি দাবি করে আসছিল। এখন তারা ১০ আসন দাবি করবে। আসনগুলো হচ্ছে- এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ চট্টগ্রাম-১৪, রেদোয়ান আহমেদ কুমিল্লা-৭, আবদুল করিম আব্বাসী নেত্রকোনা-১, মো. আবদুল্লাহ চাঁদপুর-৩, আবদুল গনি মেহেরপুর-২, নূরুল আলম চট্টগ্রাম-৭, এম এয়াকুব আলী চট্টগ্রাম-১২, কফিলউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রাম-১৬, মাহবুব মোরশেদ ময়মনসিংহ-১০। তবে বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, এলডিপির সাবেক ছয় এমপিসহ ছয়-সাতজনকে জোটের মনোনয়ন দেওয়া হবে।

অনিবন্ধিত জাতীয় পার্টির (জাফর) দাবি অন্তত ১০ আসন। তাদের চারটি আসন ছাড়তে পারে বিএনপি। জোটের অপর শরিক বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলা-১ আসন চাইবেন। কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাগপার সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম শফিউল আলম প্রধানের স্ত্রী ব্যারিস্টার তাসনিয়া প্রধান পঞ্চগড়-২, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব ড. আবদুল কাদের এবং মুফতি ওয়াক্কাস মনোনয়ন পেতে পারেন। অনিবন্ধিত এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদকে নড়াইল-২ আসন দেওয়ার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা চলছে। এর বাইরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ৩টি আসন পেতে পারে। বাকি দলগুলো আসন নাও পেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নয়া পল্টনের সংঘর্ষ: মির্জা আব্বাসসহ বহু নেতা আসামি হচ্ছেন

দেশের খবর: রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ দলটির অনেক শীর্ষস্থানীয় নেতাকে অভিযুক্ত করে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। পুলিশের গাড়িতে আগুন, ভাংচুর ও হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ধারায় এ মামলা হবে। এ ছাড়া পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায়ও মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির একাধিক নেতা আসামি হবেন।

পল্টন থানার ওসি মাহমুদুল হক বলেন, মির্জা আব্বাসসহ আরও অনেককে আসামি করে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ কর্মকর্তাদের দাবি, বুধবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের হামলা ও ভাংচুরের শুরুতে মূল ভূমিকা পালন করেছেন মির্জা আব্বাস, তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস ও মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহসভাপতি নবী উল্লাহ নবী। মির্জা আব্বাস কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে নয়াপল্টনে জড়ো হওয়ার পরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে। বিনা উসকানিতে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পুড়িয়ে দেওয়া হয় দুই পুলিশ কর্মকর্তার গাড়ি।

পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য, এ হামলা পূর্বপরিকল্পিত। সেটা না হলে কীভাবে নয়াপল্টনের সামনে বিএনপি সমর্থকদের হাতে শত শত লাঠি থাকবে? কেন শত শত নেতাকর্মী হেলমেট পরে সেখানে যাবে? পুলিশের উসকানিতে হামলা হয়েছে এমন কোনো আলামত ও ফুটেজ কেউ দেখাতে পারবে না বলে দাবি তাদের।

তবে বিএনপি নেতারা বলছেন, পুলিশ বিনা উসকানিতে হামলা করেছে। নির্বাচনী পরিবেশকে অশান্ত করতেই এ ঘটনার সূত্রপাত বলে দাবি তাদের।

পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, এরই মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশ এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যারা হেলমেট পরে জ্বালাও-ভাংচুরে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের শনাক্ত করছে পুলিশের একাধিক টিম।

তবে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেন, ‘পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়েছে হেলমেট বাহিনী, যারা ক্ষমতাসীনদের হয়ে কাজ করে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest