সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশ

ও. ইন্ডিজের বিপক্ষে বিসিবি একাদশকে নেতৃত্ব দেবেন রুবেল

খেলার খবর: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য পেসার রুবেল হোসেনকে অধিনায়ক করে ১৩ সদস্যের বিসিবি একাদশের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
আগামী রবিবার (১৮ নভেম্বর) বন্দরনগরী চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা।

বিসিবি একাদশ: রুবেল হোসেন (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, জাকির হোসেন, মিজানুর রহমান, ফজলে মাহমুদ রাব্বি, ইবাদাত হোসেন চৌধুরী, সাদমান ইসলাম, নাজমুল ইসলাম শান্ত, নাঈম হাসান, শফিউল ইসলাম, রবিউল হক, মোহম্মদ মিঠুন ও রিশাদ আহমেদ।

উল্লেখ্য, ২২ নভেম্বর থেকে চট্টগ্রামে শুরু হবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। ৩০ নভেম্বর থেকে ঢাকায় শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট। ৯ ও ১১ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রথম ও দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে দু’দল। ১৪ ডিসেম্বর সিলেটে খেলবে তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে। ১৭, ২০ ও ২২ ডিসেম্বর ক্যারিবীয়দের সঙ্গে যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ভোট পেছানো ইসির জন্য কষ্টদায়ক’

দেশের খবর: নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন পেছানোর দাবি করেছে। ইসি বলেছে, জানুয়ারিতে নির্বাচন করতে হলে তা ইসির জন্য কষ্টদায়ক হয়ে যাবে। কারণ কোথাও পুনর্নির্বাচন করা প্রয়োজন হতে পারে, গেজেটের বিষয় আছে, বিশ্ব ইজতেমার বিষয় আছে। তবু ইসি বলেছে, কমিশন বসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ বিষয়ে পরে জানাবে।

বুধবার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হেলালুদ্দীন এ কথা বলেন। এর আগে আওয়ামী লীগ ও ঐক্যফ্রন্টের দুটি দল পৃথকভাবে ইসির সঙ্গে বৈঠক করে।
নয়াপল্টনের বিএনপি ও পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনার বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, সেখানে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। কমিশন এ জন্য দুঃখ পেয়েছে। যাতে ভবিষ্যতে না হয়, সে আশা প্রকাশ করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে, আসলে কী হয়েছিল। তিনি বলেন, সব জোটে উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়ন ফরম বিতরণ জমা দেওয়া হচ্ছিল। এটা একটা দুর্ঘটনা বলা যায়।

বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করার পরপর কেন পুলিশকে আচরণবিধি সংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, এই চিঠি সবার জন্য প্রযোজ্য। ভবিষ্যতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাতে শোডাউন না হয়, সে জন্য সতর্কতামূলক ওই চিঠি পুলিশ মহাপরিদর্শকে (আইজিপি) দেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যমে দুর্ভোগের বিষয়টি এসেছে, ইসি সেদিকে খেয়াল রাখতে বলেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শরিকদের সর্বোচ্চ ৬৫ আসনে ছাড় দেবে বিএনপি

রাজনীতির খবর: একাদশ সংসদ নির্বাচনে জোট শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে মহাসংকটে পড়েছে বিএনপি। তাদের জন্য সর্বোচ্চ ৬৫টি আসন ছাড়তে চায় দলটি। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলের অন্যরা মিলে এতদিন ২০০ চাইলেও সেখান থেকে সরে এখনও তারা ১৫০ আসনের দাবি ধরে রেখেছে। এ অবস্থায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও সাবেক সাংসদদের বাদ দিয়ে তাদের জন্য কিছু আসন ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে বিএনপি। এ পরিস্থিতিতে নিজ দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ৩০০ আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে এখন মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তদবির ও লবিং সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে দলটির হাইকমান্ড।

এ বিষয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জোটের শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে এখনও বৈঠকে বসা হয়নি। শিগগির নিজেদের মধ্যে এবং ২০ দল ও ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের সঙ্গে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অনেক যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন। সবার মত নিয়ে যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থীদের জোটগত মনোনয়ন দেওয়া হবে।

ঘোষণা অনুযায়ী, আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে এসেছে বিএনপি-জোট। সারাদেশে তাদের নেতাকর্মীরা চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন। মনোনয়ন ফরম বিক্রি উপলক্ষে ১০ বছর পর বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয় উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকরাও নমিনেশন ফরম বিক্রি করছে। একই সঙ্গে নির্বাচন আরও তিন সপ্তাহ পেছানোর দাবি জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা।

বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, সব দল মিলে যোগ্য ও বিজয়ী হওয়ার মতো শক্তিশালী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলো বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। অন্যদের বেলায় গুরুত্ব পাবে দল ও ব্যক্তিগত ভোটব্যাংকের হিসাব।

এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে নিজ দল ও ঐক্যফ্রন্টের আসন বণ্টনের প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়কারী করা হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে। আনুষ্ঠানিক বৈঠক না হলেও এরই মধ্যে তারা হোমওয়ার্ক শুরু করেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা বলেন, এখন তাদের প্রধান কাজ হচ্ছে আসন বন্টন। প্রতিকূল পরিবেশে নির্বাচন করতে হচ্ছে। এটি মনে রেখে আসন বণ্টনের ব্যাপারে সব শরিককে সর্বোচ্চ উদারতা দেখাতে হবে।

সূত্র জানায়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এতদিন ১০০ আসন চাওয়ার কথা ভাবছিল। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে তাদের কাছে বিজয়ী হওয়ার মতো সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিএনপির কাছে ঐক্যফ্রন্টের শরিক গণফোরাম ১৫, জেএসডি ১৫, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ১০ ও নাগরিক ঐক্য ১০টি আসন চাইবে। দাবি ৫০ আসন হলেও তাদের সর্বোচ্চ ১৫টি আসন দিতে চায় বিএনপি। অবশ্য সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিলে আরও কয়েকটি আসন দেওয়া হবে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট :জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকরা মনোনয়ন ফরম বিক্রি করছে। গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন নির্বাচন করতে রাজি নন। তবে দল ও জোট শরিকদের অনুরোধে শেষ পর্যন্ত ঢাকা-৮ বা অন্য এক বা একাধিক আসনে প্রার্থী হতে পারেন তিনি। গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু ঢাকা-২ বা ৩ আসন থেকে নির্বাচন করতে চান। গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ঢাকা-১৪ আসনে মনোনয়ন পেতে পারেন। ডাকসুর সাবেক ভিপি ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ মৌলভীবাজার-২ আসনে মনোনয়ন পাবেন। মফিজুল ইসলাম খান কামালের জন্য মানিকগঞ্জ-৩ ও জানে আলমের জন্য চট্টগ্রাম-১০ আসন থেকে মনোনয়ন চাইবে গণফোরাম।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডিও এর আগে ৩০ আসনের প্রস্তুতি নিলেও এখন ১৫টি চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব লক্ষ্মীপুর-৪ আসন থেকে অথবা ঢাকা থেকে মনোনয়ন চাইবেন। দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন চান কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসন। সহসভাপতি তানিয়া রব ঢাকা-১৮ (উত্তরা), কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে ভোট করতে চান।

এ ছাড়া জেএসডির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটওয়ারীকে ঢাকা-১৪ (মিরপুর), সাবেক এমপি ও সিনিয়র সহসভাপতি এমএ গোফরানকে লক্ষ্মীপুর-১, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলালকে লক্ষ্মীপুর-৩, উল্লাপাড়ার সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু ইসহাককে সিরাজগঞ্জ-৪, জামালপুরের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আমির উদ্দিনকে জামালপুর-৪, জবিউল হোসেনকে চট্টগ্রাম-১০, মির্জা আকবরকে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসন দেওয়ার ব্যাপারে জোর দেওয়া হবে।

ঐক্যফ্রন্টের আরেক শরিক নাগরিক ঐক্য এতদিন ৩০ আসন চাইলেও এখন চূড়ান্ত দরকষাকষির পর্যায়ে ১৫টি চাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অনিবন্ধিত এ দলের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ বা ঢাকা-১৭ (গুলশান) আসনে মনোনয়ন চাইবেন। তার দলের অন্যতম নেতা এসএম আকরাম হোসেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে প্রার্থী হতে চান। এ ছাড়া ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা মোমিনুল ইসলাম লিটন লক্ষ্মীপুর-১, নইম জাহাঙ্গীর জামালপুর-৩, ফজলুল হক সরকার চাঁদপুর-৩, ডা. নাজিম উদ্দিন গাজীপুর সদর, ছিন্নুর আহমেদ চৌধুরী দীপু সিলেট-১ বা ৬, রবিউল ইসলাম খান সাতক্ষীরা-২, দিদারুল আলম বাবুল বাগেরহাট-৩, অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম ময়মনসিংহ-২, মোফাখুল ইসলাম নবাব রংপুর-৫, মোবারক হোসেন খান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল আসনে মনোনয়ন চাইবেন।

কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগকে সর্বোচ্চ তিনটি আসন দিতে পারে বলে জানিয়েছে বিএনপি সূত্র। তবে তিনি ৫টি আসন দাবি করছেন। টাঙ্গাইল জেলায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ভোট ব্যাংক রয়েছে। কাদের সিদ্দিকী, দলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী জোটের মনোনয়ন পেতে পারেন। এর বাইরে কাদের সিদ্দিকী তার ভাই আজাদ সিদ্দিকীর জন্য টাঙ্গাইলের একটি আসনে ও দলীয় নেতা শফিউল ইসলামের জন্য নারায়ণগঞ্জে একটি আসনে মনোনয়ন চাইবেন।

ঐক্যফ্রন্টের শরিক বিকল্পধারা বাংলাদেশ (একাংশ) ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের একটি আসনে ছাড় দিতে পারে বিএনপি।

২০ দলীয় জোট :৬১টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। এর মধ্যে ঢাকা-১৫ বাদে ৪৫টিকে তাদের সম্ভাবনাময় আসন বলছে জামায়াত। ৩৫টি আসনে জোটের মনোনয়ন চায় দলটি। ঢাকা-১৫ আসনটি তারা দলের সেক্রেটারি জেনারেলের জন্য চাইছে। জোটের মনোনয়ন না পেলে কয়েকটি আসনে এককভাবে নির্বাচন করতে পারে তারা।

২০০১ সালের নির্বাচনে দলটিকে ৩০টি আসনে ছাড় দেয় বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট। সেই সময়ে চট্টগ্রাম-১৪ আসনে বিএনপি ও জামায়াত উভয় দলেরই প্রার্থী ছিলেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৩৯ আসনে লড়াই করে তারা। বরগুনা-২ আসনে শেষ সময়ে বিএনপিকে সমর্থন জানায়। ৩৩টি আসনে জামায়াতের বিপরীতে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন না। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, সিরাজগঞ্জ-৪, চুয়াডাঙ্গা-২, ঝিনাইদহ-৩ এবং মেহেরপুর-১ আসনে বিএনপি ও জামায়াত উভয় দলের প্রার্থী ছিলেন। এর মধ্যে পাঁচটিতে জয়ী হয় আওয়ামী লীগ। সিরাজগঞ্জ-৪, চুয়াডাঙ্গা-২, ঝিনাইদহ-৩ আসনে জামায়াতের অবস্থান ছিল দ্বিতীয়। এসব আসনে তৃতীয় হয় বিএনপি।

জামায়াত গতবার যে ৩৩ আসনে জোটের মনোনয়ন পেয়েছিল এর মধ্যে রংপুর-১, রংপুর-২, শেরপুর-১ এবং ফরিদপুর-৩ আসনে এবার নির্বাচন করতে চায় না। ২০০১ ও ২০০৮ সালে শেরপুর-১ আসনে জোটের প্রার্থী ছিলেন জামায়াতের মুহাম্মদ কামারুজ্জামান। ফরিদপুর-৩ আসনে প্রার্থী ছিলেন আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ। মানবতাবিরোধী অপরাধে তাদের ফাঁসি হয়েছে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেন, ২০০৮ সালের তালিকাকে ভিত্তি ধরে আসন বণ্টনের আলোচনা হবে বিএনপির সঙ্গে। সেবার জামায়াত ৩৮ আসনে নির্বাচন করেছিল। কিন্তু জোটে শরিকের সংখ্যা বাড়ায় জামায়াত ছাড় দিতে প্রস্তুত রয়েছে। ৩৮ থেকে কতটি আসন জামায়াত ছাড়বে তা তিনি বলতে রাজি হননি।

জামায়াত সূত্র জানিয়েছে, যে ৪৫টি আসনকে তারা সম্ভাবনাময় ও জয়ের উপযোগী মনে করছে তার তালিকা দেওয়া হবে বিএনপিকে। সেখান থেকে ৩৫টি চাইবে। বিএনপিকেই সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া হবে কোন ১০টি আসন তারা জামায়াতকে ছাড়বে না। এর মধ্যে ২০ দলীয় জোটের শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের আসনও রয়েছে।

জামায়াতের দাবি করা আসন ও তাদের প্রার্থীরা হলেন ঠাকুরগাঁও-২ আবদুল হাকিম, দিনাজপুর-১ আবু হানিফ, দিনাজপুর-৪ আফতাব উদ্দিন মোল্লা, দিনাজপুর-৬ আনোয়ারুল ইসলাম, নীলফামারী-২ মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু, নীলফামারী-৩ মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, লালমনিরহাট-১ আবু হেনা মো. এরশাদ হোসেন সাজু, রংপুর-৫ অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, গাইবান্ধা-১ অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, গাইবান্ধা-৩ মাওলানা নজরুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৪ ডা. আবদুর রহীম, জয়পুরহাট-১ ডা. ফজলুর রহমান সাঈদ, বগুড়া-২ অধ্যক্ষ শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৪ অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ ড. কেরামত আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ নূরুল ইসলাম বুলবুল, রাজশাহী-১ মুজিবুর রহমান, নওগাঁ-৪ খ ম আবদুর রাকিব, সিরাজগঞ্জ-৪ রফিকুল ইসলাম খান, সিরাজগঞ্জ-৫ অধ্যক্ষ আলী আলম, পাবনা-১ আবদুল বাসেত, পাবনা-৫ ইকবাল হোসাইন, চুয়াডাঙ্গা-২ মোহাম্মদ রুহুল আমিন, ঝিনাইদহ-৩ মতিয়ার রহমান, যশোর-১ মাওলানা আজিজুর রহমান, যশোর-২ আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদত হোসাইন, যশোর-৬ অধ্যাপক মুক্তার আলী, বাগেরহাট-৩ অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ, বাগেরহাট-৪ আবদুল আলীম, খুলনা-৫ অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা-৬ মাওলানা আবুল কালাম আযাদ, সাতক্ষীরা-১ অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ মুফতি রবিউল বাশার, সাতক্ষীরা-৪ গাজী নজরুল ইসলাম, পিরোজপুর-১ শামীম সাঈদী, পটুয়াখালী-২ ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ঢাকা-১৫ ডা. শফিকুর রহমান, সিলেট-৫ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট-৬ মাওলানা হাবিবুর রহমান, কুমিল্লা-১১ ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, চট্টগ্রাম-১০ শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৫ আ ন ম শামসুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৬ মাওলানা জহিরুল ইসলাম, কক্সবাজার-২ হামিদুর রহমান আজাদ।

২০ দলের বাকি ১৮ শরিক অন্তত ৫০ আসন চাইছে। এ জোটের অন্যতম শরিক এলডিপি এতদিন বিএনপির কাছে ২০টি দাবি করে আসছিল। এখন তারা ১০ আসন দাবি করবে। আসনগুলো হচ্ছে- এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ চট্টগ্রাম-১৪, রেদোয়ান আহমেদ কুমিল্লা-৭, আবদুল করিম আব্বাসী নেত্রকোনা-১, মো. আবদুল্লাহ চাঁদপুর-৩, আবদুল গনি মেহেরপুর-২, নূরুল আলম চট্টগ্রাম-৭, এম এয়াকুব আলী চট্টগ্রাম-১২, কফিলউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রাম-১৬, মাহবুব মোরশেদ ময়মনসিংহ-১০। তবে বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, এলডিপির সাবেক ছয় এমপিসহ ছয়-সাতজনকে জোটের মনোনয়ন দেওয়া হবে।

অনিবন্ধিত জাতীয় পার্টির (জাফর) দাবি অন্তত ১০ আসন। তাদের চারটি আসন ছাড়তে পারে বিএনপি। জোটের অপর শরিক বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলা-১ আসন চাইবেন। কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাগপার সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম শফিউল আলম প্রধানের স্ত্রী ব্যারিস্টার তাসনিয়া প্রধান পঞ্চগড়-২, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব ড. আবদুল কাদের এবং মুফতি ওয়াক্কাস মনোনয়ন পেতে পারেন। অনিবন্ধিত এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদকে নড়াইল-২ আসন দেওয়ার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা চলছে। এর বাইরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ৩টি আসন পেতে পারে। বাকি দলগুলো আসন নাও পেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নয়া পল্টনের সংঘর্ষ: মির্জা আব্বাসসহ বহু নেতা আসামি হচ্ছেন

দেশের খবর: রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ দলটির অনেক শীর্ষস্থানীয় নেতাকে অভিযুক্ত করে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। পুলিশের গাড়িতে আগুন, ভাংচুর ও হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ধারায় এ মামলা হবে। এ ছাড়া পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায়ও মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির একাধিক নেতা আসামি হবেন।

পল্টন থানার ওসি মাহমুদুল হক বলেন, মির্জা আব্বাসসহ আরও অনেককে আসামি করে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ কর্মকর্তাদের দাবি, বুধবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের হামলা ও ভাংচুরের শুরুতে মূল ভূমিকা পালন করেছেন মির্জা আব্বাস, তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস ও মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহসভাপতি নবী উল্লাহ নবী। মির্জা আব্বাস কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে নয়াপল্টনে জড়ো হওয়ার পরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে। বিনা উসকানিতে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পুড়িয়ে দেওয়া হয় দুই পুলিশ কর্মকর্তার গাড়ি।

পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য, এ হামলা পূর্বপরিকল্পিত। সেটা না হলে কীভাবে নয়াপল্টনের সামনে বিএনপি সমর্থকদের হাতে শত শত লাঠি থাকবে? কেন শত শত নেতাকর্মী হেলমেট পরে সেখানে যাবে? পুলিশের উসকানিতে হামলা হয়েছে এমন কোনো আলামত ও ফুটেজ কেউ দেখাতে পারবে না বলে দাবি তাদের।

তবে বিএনপি নেতারা বলছেন, পুলিশ বিনা উসকানিতে হামলা করেছে। নির্বাচনী পরিবেশকে অশান্ত করতেই এ ঘটনার সূত্রপাত বলে দাবি তাদের।

পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, এরই মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশ এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যারা হেলমেট পরে জ্বালাও-ভাংচুরে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের শনাক্ত করছে পুলিশের একাধিক টিম।

তবে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেন, ‘পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়েছে হেলমেট বাহিনী, যারা ক্ষমতাসীনদের হয়ে কাজ করে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দিপিকা-রনবীরের বিয়ে হয়ে গেলো

বিনোদন সংবাদ: ইতালিতে চলছে দিপিকা পাড়ুকোন এবং রনবীর সিংহের বিয়ের অনুষ্ঠান। কোঙ্কনি প্রথায় বিয়ে হয়ে গেল এই জুটির।ঐতিহ্যবাহী কোঙ্কনি প্রথায় এই অনুষ্ঠানে পাত্রীর বাবা পাত্রের বাবা-মাকে আমন্ত্রণ জানান। দীপিকার বাবা এ দিন রণবীরের হাতে একটি নারকেল দেন। তার পর আনুষ্ঠানিক ভাবে তাঁর পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানান। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

ঠিক এর পরই প্রথা মেনে আংটি বদল করেন দীপিকা-রণবীর। দুই পরিবারের সদস্যরা শুভেচ্ছা জানান তাঁদের।

গত শনিবার পরিবার ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের নিয়ে ইতালি গিয়েছেন এই জুটি। সঙ্গে গিয়েছেন ব্যক্তিগত মেকআপ আর্টিস্ট, স্টাইলিস্টরা। তাঁদের হাতেই বিমানবন্দরে সব্যসাচী কালেকশনের ব্যাগ দেখা গিয়েছে। অর্থাত্ সব্যসাচীর ডিজাইন করা পোশাক বেছে নিয়েছেন দীপিকা।
বলিউড সূত্রের খবর, সুতোর কাজের ব্লাউজ সঙ্গে হালকা কাজের ব্রাইডাল শাড়ি বেছে নেন দীপিকা। সঙ্গে মানানসই দক্ষিণী ডিজাইনের গয়না। আবার কোনও মহলের মতে, সব্যসাচীর সিগনেচার ডিজাইনের লাল লেহেঙ্গাতেও বিয়ের দিন সাজেন তিনি। রণবীরের পরনে থাকতে পারে কাঞ্জিভরম শেরওয়ানি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোট পেছানোর দাবি ঐক্যফ্রন্টের, আওয়ামী লীগের ‘না’

দেশের খবর: একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল পুননির্ধারণ করা হলেও আরো তিন সপ্তাহ পিছিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছে সরকার বিরোধী নির্বাচনী জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আজ বুধবার বিকেলে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এই দাবি জানান তারা। এর পরপরই প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল কমিশনে গিয়ে নির্বাচন পেছানোর বিরোধীতা করেছেন। সিইসির সঙ্গে বৈঠক থেকে বেরিয়ে এইচ টি ইমাম বলেছেন, নির্বাচন এক দিন, এক মুহুর্ত পেছানো যাবে না।

ঐক্যফ্রন্ট ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে বৈঠক শেষে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন পেছানোর দাবি করেছে। ইসি বলেছে, জানুয়ারিতে নির্বাচন করতে হলে তা ইসির জন্য কষ্টদায়ক হয়ে যাবে। কারণ কোথাও পুননির্বাচন করা প্রয়োজন হতে পারে, গেজেটের বিষয় আছে, বিশ্ব এজতেমার বিষয় আছে। তবু ইসি বলেছে, কমিশন বসে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে এ বিষয়ে পরে জানাবে।

বৈঠকে বলা হয়, ৩০ ডিসেম্বর ভোটের সুবিধাজনক দিন নয়। কারণ এর পাঁচ দিন আগে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব বড়দিন। নির্বাচনের একদিন পরই থার্টিফাস্ট ডিসেম্বর এবং তার পরের দিনই ইংরেজি নববর্ষ। জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে নির্বাচন হলে সেটা বিদ্যমান আইন এবং সাংবিধানের সাথে কোনো রকম সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি করে না। এ ক্ষেত্রে স্কুলগুলোর বার্ষিক পরীক্ষা নির্বিঘ্নে শেষ করা, ঐক্যফ্রন্টের গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীরা মুক্ত হয়ে নির্বাচনী কাজে যুক্ত হওয়া, বড় দিনের ছুটি কাটিয়ে দেশের খ্রিস্টান স¤প্রদায়ের নির্বাচনী কর্মকান্ডে অংশ নেয়া এবং বিদেশি পর্যবেক্ষকদের দেশে আসার ক্ষেত্রে সহজ পথ তৈরি হবে।

ইসির সঙ্গে দীর্ঘ দুই ঘণ্টার বৈঠক শেষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, সংসদ নির্বাচন পেছানো হবে কি না, বিষয়টি নির্বাচন কমিশন (ইসি) বিবেচনা করে দেখার আশ্বাস দিয়েছে ঐক্যফ্রন্টকে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) আমাদের নির্বাচনে সাহায্য সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তারা বলেছেন, নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু হবে। তারা ধৈর্য্য ধরে আমাদের কথা শুনেছেন। আশা করি তারা সহযোগিতা দেবেন।

ড. কামাল বলেন, আমরা সন্তুষ্ট হয়েছি যে, আমাদের প্রশ্নগুলো ওনারা (ইসি) ধৈর্য্য ধরে শুনেছেন এবং উত্তর দেয়ার চেষ্টা করেছেন। আমরা আশা করি যে, বাকী সময়ে নির্বাচন চলাকালীনও একই রকম সহযোগিতা আমরা পাব।
বৈঠক শেষে ড. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ইসি বলেছে, নির্বাচন পেছানোর দাবি বিবেচনা তারা করবে। তারা সব বিষয়ে নোট নিয়েছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের ঘটনার ব্যাপারে ইসি দুঃখ প্রকাশ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিটু আন্দোলনের মধ্যে কাজলকে জোর করে চুমু!

বিনোদন সংবাদ: ভারতে #মিটু নিয়ে তোলপাড়ের মধ্যে এবার আরও একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলো। নতুন একটি চলচ্চিত্রের টিজার রিলিজ অনুষ্ঠানে তামিল ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল আগারওয়ালকে জোর করে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন তারই এক সহ অভিনেতা।

ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর, দক্ষিণের মেগা ছবি ‘কাভাচম’-এর টিজার রিলিজ অনুষ্ঠানমঞ্চ তখন তারকাখচিত। মাইক হাতে দক্ষিণী অভিনেত্রী কাজল একে একে সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। টিজার রিলিজের অনুষ্ঠানে সবাই হাসি মুখেই মঞ্চে অবস্থান করছেন। কাজলের অভ্যর্থনা পর্ব ভালই চলছিল। পরিচালক শ্রীনিবাস, সহ অভিনেতা বেল্লামকোন্ডা ও মেহরিনকেও ধন্যবাদ জানালেন। কিন্তু হঠাৎই সুর কাটল। যেই তিনি অন্য এক সহ অভিনেতা ছোটা কে নাইডুকে ধন্যবাদ জানিয়ে হাত বাড়ালেন করমর্দনের জন্য, তখনই তৈরি হল অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।

ছোটা কে নাইডু এগিয়ে এসে কাজলকে পাশ থেকে জড়িয়ে ধরে জোর করে চুমু খেলেন। এতে চোখ গোলগোল হয়ে গেল কাজলেরও। অস্বস্তিতে পড়লেও, মুহূর্তের মধ্যে নিজেকে সামলে নেন নায়িকা। তিনি বলে ওঠেন, ‘‘দেখুন চান্স পে ডান্স হয়ে গেল।’’ মঞ্চে উপস্থিত অন্যরা তখন কী করবেন বুঝতে পারছেন না।

এদিকে ছোটা তাঁর নিজের মতো করে ঘটনার বিশ্লেষণ করেন। তিনি কাজলকে বলেন, ‘‘তুমি (কাজল) মেহরিনকে চুমু খেয়েছিলে। আমাকে সহ অভিনেতা বলল যে আমি একই কাজ করতে পারব না। আমি বললাম, কেন পারব না। তাই তোমাকে চুমু খেলাম।’

ততক্ষণে কাজলও খানিকটা অস্বস্তি কাটিয়ে উঠে সাফাই দেন, ‘‘আচ্ছা ছোটা যখন তখন ঠিক আছে। ও আমার পরিবারের একজন।’’

কিন্তু এই ভিডিওটি কাজল ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করলে তা ভাইরাল হয়ে যায় মুহূর্তে। যা দেখার পর অনেকেই ছোটার চুমু খাওয়ার সমালোচনাও করেন।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন-

https://www.instagram.com/p/BqFfjBhAgpK/

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সায়ন্তিকার বদলে অঙ্কুশের নায়িকা নুসরাত ফারিয়া

বিনোদনের খবর: কলকাতার শীর্ষ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ভেঙ্কটেশ ফিল্মস’-এবার নাচ নির্ভর একটি ছবি নির্মাণ করতে যাচ্ছে। আর এই ছবিতেই আগে শোনা গিয়েছিল টলিউডের ‘ডান্সিং স্টার’ অঙ্কুশ হাজরার সঙ্গে নায়িকা হিসেবে থাকছেন সায়ন্তিকা, কিন্তু এবার পাল্টে গেল আগের ঘোষণা!

সায়ন্তিকার বদলে সেখানে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশের নুসরাত ফারিয়া। ‘ডি ফর ড্যান্স’ নামের ছবির মাধ্যমে ‘আশিকী’র পর আবার একসঙ্গে দেখা যাবে এই দুই তারকার কেমিস্ট্রি- জানিয়েছেন নুসরাত ফারিয়া।
হিরো ৪২০, ধ্যাততেরিকি ছবির এই নায়িকা ভাষ্য, লিখিত চুক্তি না হলেও দু-পক্ষের এ নিয়ে আলাপ হয়েছে। কথাবার্তা গড়িয়েছে চূড়ান্ত পর্যন্ত। আগামী ডিসেম্বর অথবা জানুয়ারির শুরুতে ‘ডি ফর ড্যান্স’ ছবির শুটিং শুরু হবে। শুধু তাই নয়, শিগগির বাংলাদেশের ছবিতে নতুন করে বড় একটি চমক দেবেন এমনটাই বলছেন নুসরাত ফারিয়া।

এ ছবিটি নির্মাণ করবেন বাবা যাদব। যিনি এর আগে বাদশা, বস-টু ছবি নির্মাণ করেছিলেন। যেখানে জিতের নায়িকা হিসেবে ছিলেন নুসরাত ফারিয়া। এছাড়া নির্মাণ করেছিলেন নুসরাত ফারিয়ার ‘পটাকা’র গান ভিডিও। ‘ডি ফর ড্যান্স’ এককভাবে প্রযোজনা করতে যাচ্ছে শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস (এসভিএফ)।

‘ভিলেন’ মুক্তির পর এ ছবির জন্য কসরত করছেন অঙ্কুশ। অন্যদিকে, ‘শাহেনশাহ’ ছবির শুটিং করছেন নুসরাত ফারিয়া। চলতি নভেম্বর মাসে শেষ হবে এ ছবির শুটিং। তারপরেই নুসরাত ফারিয়া মনোযোগী হবেন ‘ডি ফর ড্যান্স’-এ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest