সর্বশেষ সংবাদ-
এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

এমপিরা কেড়ে নিলেন স্পিকারের চেয়ার, ছোঁড়া হল মরিচ গোলা পানি

অনলাইন ডেস্ক: রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এবার শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টে ঘটে গেল নজিরবিহীন ঘটনা। শুক্রবার তৃতীয় দিনের অধিবেশনে পার্লামেন্টে ব্যাপক হট্টগোল করেন প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড পিপলস ফ্রিডম অ্যালায়েন্স (ইউপিএফএ) জোটের আইনপ্রণেতারা। খবর আল-জাজিরার।

প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতেই স্পিকারের চেয়ার দখল করে নেন তার দলের এমপিরা। শুধু তাই নয়, বরখাস্ত প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের দল ইউনাইটেড ন্যাশনাল অ্যালায়েন্সের এমপিদের ওপর ছুঁড়ে মারেন হয় মরিচের গুঁড়া মেশানো পানি। ছুঁড়ে মারেন পার্লামেন্টের চেয়ার-টেবিল, তাক ভেঙে ছুঁরে মারা হয় বই।

এতে মাথা ফেটে যায় কয়েকজন এমপির। পার্লামেন্টের জরুরি চিকিৎসা কেন্দ্রে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় অধিবেশন শুরু হয়। পার্লামেন্টে প্রবেশের সময় এমপিদের শরীর তল্লাশি করা হয়। কারণ আগের দিন বৃহস্পতিবার ছুরি নিয়ে প্রবেশ করেন বিক্রমাসিংহের ইউএনএফের দুই এমপি। এরপরই হট্টগোল শুরু করে সিরিসেনা ও রাজাপাকসের এমপিরা।

আগের দিনও একইভাবে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন ‘দুই প্রধানমন্ত্রী’র এমপিরা। আগের দিনের মত দফায় দফায় মারামারি ও ঘুষাঘুষিও হয়। আহত এক এমপিকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের জয়; প্রেস পাস ফিরিয়ে দেয়ার নির্দেশ

বিদেশের খবর: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার শীর্ষ উপদেষ্টার বিরুদ্ধে মামলায় জয় পেয়েছে আর্ন্তজাতিক গণমাধ্যম সিএনএন।সিএনএন’র প্রধান হোয়াইট হাউস প্রতিনিধি জিম অ্যাকোস্টার প্রেস পাস ফিরিয়ে দিতে ট্রাম্প প্রশাসনকে নির্দেশ আদালত।গতকাল শুক্রবার দেশটির বিচারক টিমোথি জে. কেলি এই আদেশ দেন।

বিচারক টিমোথি জে. কেলি তাঁর রায়ে বলেন, হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা গণমাধ্যমকর্মীর অধিকার ও বাক স্বাধীনতার পরিপন্থী।
আদালতের ওই নির্দেশের ফলে হোয়াইট হাউসে সংবাদ সংগ্রহের কাজে সাংবাদিক অ্যাকোস্টা প্রবেশ করতে পারবেন। তবে এটি সাময়িক নির্দেশ।

প্রসঙ্গত, ৭ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচনের সার্বিক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এতে সিএনএন’র হোয়াইট হাউস বিষয়ক প্রধান প্রতিবেদক জিম অ্যাকোস্টা অভিবাসী ইস্যুতে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন। এ প্রশ্ন থেকেই দুজনের মধ্যে বিতর্কের সূত্রপাত হয়।এরপর ওই অ্যাকোস্টাকে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধ করা হয়।
সূত্র: সিএনবিসি, বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন সৌদি যুবরাজ: সিআইএ

বিদেশের খবর: সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। গতকাল শুক্রবার মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ)-এর একটি সূত্র এই তথ্য জানায়। খবর সিএনএনের।

সিএনএনের খবরে বলা হয়, খাশোগি হত্যাকাণ্ডে সালমানের সংশ্লিষ্টতাকে সবচেয়ে যুক্তিসম্পন্ন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সহযোগী হিসেবে যুবরাজ সালমানের ছোট ভাই প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের নামও বলা হয়েছে যিনি যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত আছেন।
আরেক সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটনের পোস্টে বলা হয়, সিআইএ খাশোগি হত্যাকাণ্ডে যেসব তথ্য উপাত্ত পরীক্ষা করা হয়েছে এরমধ্যে অন্যতম যুবরাজ সালমান ও তার ছোটভাই খালিদের ফোনালাপ।
খালিদ খাশোগিকে ফোন করে সৌদি কনস্যুলেটের ভিতরে গিয়ে কাগজপত্র সংগ্রহ করতে বলেন এবং নির্ভয় দেন তার কোন ক্ষতি হবে না। এরপর কনস্যুলেটের ভিতরে গিয়ে নিখোঁজ হন খাশোগি।

সিআইএ তদন্তের জন্য আরো একটি ফোনালাপ গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। খাশোগিকে হত্যার পর সৌদি প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে ফোন করে বলা হয়, বসকে বলেন খাশোগিকে হত্যার মিশন সম্পন্ন হয়েছে।
ইতিমধ্যে, গত বৃহস্পতিবার খাশোগিকে হত্যাকাণ্ডের দায়ে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের আবেদন জানিয়েছে সৌদি সরকারের আইনজীবী।
এদিকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৭ জন সৌদি কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জমজমাট লড়াইয়ের অপেক্ষায় বাংলাদেশ

খেলার খবর: সময়ের ব্যবধানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এখন অনেকটাই দুর্বল শক্তির দল। বিপরীতে বাংলাদেশ এখন উঠতি এক পরাশক্তি। ফলে দুই দলের লড়াইয়ে এখন অনেক বেশি রোমাঞ্চ ও উত্তেজনার অপেক্ষা থাকে। কিন্তু দুই দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স আবার ভারসাম্যটা বদলে দিয়েছে।

বাংলাদেশ এক দিকে জিম্বাবুয়ের মতো দলের বিপক্ষে সিলেট টেস্ট হেরেছে। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভারতের মতো পরাশক্তির বিপক্ষে ওয়ানডেতে দারুণ লড়াই করে এসেছে। তাই দেশের মাটিতে খেলা হলেও নিজেদের এগিয়ে রাখতে পারছে না বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু তাই বললেন, এই সিরিজে একটা হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখার অপেক্ষায় আছেন তারা। দুই দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, বিশেষ করে ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের উন্নতির দিকে ইঙ্গিত করে নান্নু বললেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ এমনিতেই জিম্বাবুয়ের চেয়ে শক্তিশালী দল। তারপর ওরা ভারতে লম্বা একটা সফর করে এখানে আসছে। ফলে উপমহাদেশের কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়ার কাজটা ইতিমধ্যে ওরা করে ফেলেছে বলা যায়। এর সাথে ভারতের বিপক্ষে ওরা ভালো খেলেছে। একটা জয়ের পাশাপাশি কয়েকটা ম্যাচে ভালো লড়াই করেছে। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বেশ শক্ত প্রতিপক্ষ। বাংলাদেশও ভালো ক্রিকেট খেলছে। তাই আমরা এই সিরিজে বেশ ভালো লড়াই দেখতে পাবো বলে আশা করছি।’

বাংলাদেশের ভালো পারফরম্যান্স বলতে নান্নু মূলত ঢাকা টেস্টের দাপুটে পারফরম্যান্সের কথাই বলতে চাইলেন। যেভাবে ঢাকা টেস্টে পরিকল্পনামাফিক জিম্বাবুয়েকে বাংলাদেশ হারিয়েছে, সেটা বেশ সন্তুষ্ট করেছে প্রধান নির্বাচককে।

তিনি বলছিলেন, ‘ঢাকা টেস্টে আমাদের দলীয় পারফরম্যান্স খুব ভালো ছিলো। তাইজুল দুই টেস্টেই দারুণ বল করেছে। মিরাজও ঢাকায় ভালো বল করেছে। টপ অর্ডার না পারলেও মিডল অর্ডার দারুণ করেছে। সবমিলিয়ে এই টেস্টের পারফরম্যান্স ছেলেদের আত্মবিশ্বাসী করবে বলেই আমার ধারণা।’

তবে এই ঢাকা টেস্টের আগেই সিলেটে লজ্জা পেতে হয়েছে বাংলাদেশকে। সিলেটের ইতিহাসের প্রথম টেস্টে জিম্বাবুয়ের মতো টেস্টের অনিয়মিত দলের বিপক্ষে হারতে হয়েছে স্বাগতিকদের। সেটাকে অবশ্য একটা দুর্ঘটনা হিসেবে দেখতে চান নান্নু।

তিনি বলছিলেন, হঠাৎ করেই ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হওয়াতে এই ঘটনা ঘটেছে, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে সিলেটে দুই ইনিংসেই আমাদের ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হয়েছে। তারা তাদের মান অনুযায়ী খেলতে পারেনি। এটা অবশ্যই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। তবে ওখান থেকে ক্রিকেটাররা যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, সেটা খুব ভালো। তারা ওই হতাশায় ভেঙে পড়েনি। ঢাকাতে এসে নিজেদের পারফরম্যান্সটা করতে পেরেছে।’

নান্নু এবং জাতীয় দল ওই খারাপ স্মৃতি পেছনে ফেলে এখন সামনে তাকাতে চান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভালো কিছু পারফরম্যান্স আশা করছেন তারা। বিশেষ করে টেস্টে সেই ভালো ফলটা পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ তার চিরায়ত টার্নিং উইকেটেই ভরসা করবে।

এর আগেই ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলেছেন, তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ‘টিপিক্যাল বাংলাদেশি’ উইকেট চান। গতকাল নান্নুও বললেন, সেরকম কথা, ‘আমাদের এই ধরনের কৌশলে সাফল্য আসে, এটা প্রমাণিত। ফলে আমরা এই ধরনের উইকেটেই ভরসা করবো। দলও স্পিন শক্তিতেও ভরসা করবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটায় ফুলকপি

অনলাইন ডেস্ক: ফুলকপি সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর সবজিগুলোর একটি যা ক্রুসিফেরি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এতে পানির পরিমাণ থাকে ৮৫% এবং খুব অল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে। কিন্তু এতে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্য ফাইটোকেমিক্যাল ও থাকে। এতে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম থাকে। এই বহুমুখী গুণ সম্পন্ন সবজিটি কাঁচা, সেদ্ধ বা রান্না করেও খাওয়া যায়। চলুন জেনে নিই ফুলকপির চমৎকার কিছু উপকারিতার বিষয়ে।

মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়: ফুলকপিতে উপকারী যৌগ কোলাইন থাকে। কোলাইন একটি বি ভিটামিন। এটি মস্তিষ্কের উন্নয়নে সাহায্য করে। প্রেগনেন্সির সময়ে ফুলকপি গ্রহণ করলে ভ্রূণের মস্তিষ্কের গঠনে সাহায্য করে। গবেষণায় নির্দেশ করা হয়েছে যে, জ্ঞানীয় কাজের, শিক্ষার এবং স্মৃতির উন্নয়নে সাহায্য করে কোলাইন।

শরীরকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে: ফুলকপির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীর পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে গ্লুকোসাইনোলেটস থাকে যা এনজাইমকে সক্রিয় করে এবং ডিটক্স হতে সাহায্য করে।

প্রদাহ কমায়: ফুলকপিতে ইন্ডোল ৩ কার্বিনোল বা I3C থাকে যা একটি অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান।এটি শক্তিশালী ইনফ্লামেটরি রিঅ্যাকশন প্রতিরোধ করে।

হজমের উন্নতি ঘটায়: যেহেতু ফুলকপি ফাইবারের গুরুত্বপূর্ণ উৎস সেহেতু এটি হজমের উন্নতিতে সাহায্য করে। ওয়ার্ল্ডস হেলদিয়েস্ট ফুডস এর মতে, ফুলকপি পাকস্থলীর প্রাচীরের সুরক্ষায় সাহায্য করে। ফুলকপির সালফোরাফেন পাকস্থলীর হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে এবং পাকস্থলীর প্রাচীরে এর আবদ্ধ হওয়াকে প্রতিহত করে।

হৃদ-স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে: ফুলকপিতে সালফারের যৌগ সালফোরাফেন থাকে যা ব্লাড প্রেশারের উন্নতিতে সাহায্য করে। গবেষণা মতে সালফোরাফেন ডিএনএ এর মিথাইলেশনের সাথে সম্পর্কিত যা কোষের স্বাভাবিক কাজের জন্য এবং জিনের সঠিক প্রকাশের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, বিশেষ করে ধমনীর ভেতরের প্রাচীরের। সালফোরাফেন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ ধ্বংস করতে পারে এবং টিউমারের বৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। অন্য এক গবেষণায় জানা যায় যে, ফুলকপির সাথে হলুদ যোগ করে গ্রহণ করলে প্রোস্টেট ক্যান্সার নিরাময়ে ও প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ: ফুলকপিতে ভিটামিন সি, বিটাক্যারোটিন, কায়েম্ফেরোল, কোয়ারসেটিন, রুটিন, সিনামিক এসিড সহ আরো অনেক উপাদান থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতির হাত থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। এগুলো বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর গতির করে এবং টিস্যু ও অঙ্গের ক্ষতি হওয়া প্রতিহত করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শরীর থেকে নিকোটিন বের করবে যে ৫টি খাবার

অনলাইন ডেস্ক: সিগারেটের মূল উপাদান নিকোটিন। নিকোটিন একটি আসক্তিকর রাসায়নিক। তাই ধূমপান ত্যাগ করা খুব কঠিন। নিকোটিন উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে যা নার্ভ ও মাসেল সেল ব্লক করে দেয় ফলে এরা সঠিকভাবে কাজ করতে পারেনা। নিকোটিন হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। ধূমপান নিষিদ্ধ করা, স্বাস্থ্য সতর্কতা এবং বৈজ্ঞানিকভাবে ধূমপানের ক্ষতিকর দিকগুলো প্রমাণ হওয়ার পরও মানুষ বিশেষ করে পুরুষরা ধূমপান পছন্দ করে।

যারা ধূমপান করেন তাদের জন্য এমন কিছু খাবার আছে যা খেলে শরীর থেকে নিকোটিন বাহির হয়ে যায়। আসুন তাহলে জেনে নেই সেই খাবারগুলো সম্পর্কে।

ব্রোকলি
ব্রোকলিতে উচ্চ মাত্রার ভিটামিন বি৫ ও ভিটামিন সি থাকে। বি ভিটামিন শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। ব্রোকলি খেলে মেটাবোলিজম বৃদ্ধি পায় এবং ফুসফুস কে টক্সিন থেকে রক্ষা করে। ব্রোকলিতে NRF2 জীন থাকে যা ফুসফুসের কোষকে আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

কমলা
কমলা বলশালী সাইট্রাস ফল, নিকোটিন ভিটামিন সি হ্রাস করে এবং চাপ বৃদ্ধি করে। কমলা খেলে ভিটামিন সি এর স্তর পরিপূর্ণ হয় এবং স্ট্রেস ও উদ্বিগ্নতা কমে।

পালংশাক
গবেষণায় দেখা গেছে যে, ধূমপায়ীদের ফলিক এসিডের সাপ্লাই কম থাকে। এই এসিড মাংসপেশি, স্নায়ু এবং ব্রেইন হেলথ ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজন। সৌভাগ্যক্রমে পালংশাকে প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড থাকে।
পালংশাক ভিটামিনে ভরপুর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকে যা সার্বিক স্বাস্থ্যের ভারসাম্য রক্ষা করে। আপনি হয়তো জানেননা যে, পালংশাক খেলে স্মোকিং এর স্বাদ নষ্ট হয়! যদি আপনি ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে চান তাহলে পালংশাক খান।

গাজর
ধূমপান ছাড়ার জন্য গাজর অনেক উপকারী। গাজরের জুস খেলে কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় বেশি। প্রতি দিন এক কাপ গাজরের জুস পান করলে আপনার শরীর ভিটামিন এ, বি, সি এবং কে দিয়ে পরিপূর্ণ হবে। যা আপনার শরীর থেকে নিকোটিন বাহির করে দিতে সাহায্য করে।

পানি
পৃথিবীর সবচেয়ে আন্ডাররেটেড পানীয় হচ্ছে পানি। নিকোটিনের দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরের যে ক্ষতি হয় তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পানি। আপনি কি জানেন নিকোটিন আপনাকে পানিশূন্য করে? প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করলে শরীর রিহাইড্রেট হয় এবং মেটাবোলিজম বৃদ্ধি পায় যার ফলে শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য বাহির হয়ে যায়।

এছাড়াও আদা, লেবু, ডালিম, কিউই ইত্যাদি খেলে নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকা যায়। মনে রাখবেন নিকোটিন ত্বকের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করা খুব সহজ নয়।

মারাত্মক কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা না হলে এটা ছাড়ার কথা চিন্তা করেননা অনেকেই। আপনার খাদ্যাভ্যাসের সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি আপনার এই বদ অভ্যাসটি ত্যাগ করতে পারেন। আপানর জন্য কোনটি কার্যকর তা খুঁজে বাহির করুন এবং চেষ্টা শুরু করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নবজাতকের ত্বকের সমস্যা

স্বাস্থ্য কণিকা: ছোট শিশুদের ত্বক খুবই সংবেদনশীল। নানা কারণে শিশুদের ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। কিছু কিছু সমস্যা আমরাই সৃষ্টি করি। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এগুলো তেমন বড় সমস্যা নয় এবং ভয় পাওয়ারও কিছু নেই। আসুন জেনে নিই শিশুর ত্বকের সাধারণ সমস্যাগুলো।

জন্মদাগ
নবজাতকের শরীরে ১ থেকে ১০টি কালো বা রঙিন জন্মদাগ থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। সাধারণত মাতৃগর্ভে থাকার সময় বিভিন্ন চাপ সৃষ্টি হওয়ার কারণে এই দাগ পড়ে। এগুলো জন্মের পর পর বা কয়েক মাস পরও দেখা যেতে পারে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, তবে প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ করে জেনে নিতে পারেন এটি সত্যি জন্মদাগ কি না। অনেক জন্মদাগ সময়ের সঙ্গে ফিকে হয়ে আসে।

খোসার মতো ত্বক
ত্বক অনেক সময় হালকা পেঁয়াজের খোসার মতো উঠে আসে। একে বলে পিলিং। ত্বকের শুষ্কতার জন্য এটি হয়। নবজাতককে গোসল দেওয়ার পর তেল বা লোশন শরীরে লাগিয়ে দিলে এই শুষ্কতা অনেক কমে আসে। এটি বহিরাবরণ এবং নিম্নত্বক সুস্থই থাকে।

ডায়াপার র‌্যাশ
ডায়াপার সংলগ্ন অংশ যেমন ঊরুসন্ধি ও পশ্চাদ্দেশ অনেক সময় লাল হয়ে যায়, চুলকায় বা দানা দানা হয়ে যায়। এটি ডায়াপার র‌্যাশ। ডায়াপার ঘন ঘন না পাল্টালে ও খুব শক্ত করে আটকালে এমন হয়। র‌্যাশ দেখা দিলে যতটা সময় সম্ভব ডায়াপার ছাড়া রাখুন। ভেজা ডায়াপার দ্রুত পাল্টানো উচিত। খুব লাল হলে জিংক অক্সাইড ক্রিম ব্যবহার করতে হতে পারে।

শিশুর ব্রণ
খুব ছোট শিশু এমনকি নবজাতকের মুখেও পিম্পল বা ব্রণের মতো দেখা যায়। এটি তরুণ-তরুণীদের ব্রণের মতো নয়। মায়ের রক্তে হরমোনের প্রভাবে এই ব্রণ হয়। এরও চিকিৎসার কোনো প্রয়োজন নেই। কিছু দিনের মধ্যে আপনাতেই সেরে যায়। আবার ত্বকে যে সাদা সাদা দানা হয়, তাকে মিলিয়া বলে। এটিও স্বাভাবিক ব্যাপার ও চিকিৎসা ছাড়াই ভালো হয়।

মাসি-পিসি
নবজাতকের জন্মের প্রথম সপ্তাহে সাধারণত দ্বিতীয় বা তৃতীয় দিনে সারা শরীরে যে লাল লাল দানা দেখা যায়, তাকে গ্রামবাংলায় মাসি-পিসি বলা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর নাম ইরাইথেমা টক্সিকাম নিওনেটোরাম। মুখ, হাত, পা—এমনকি সারা দেহেই হতে পারে এটি। ১০ দিনের মধ্যে এগুলো এমনিতেই সেরে যায়। এর জন্য কোনো চিকিৎসা লাগে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ নজরুল ইসলামের ৬৭তম জন্মদিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামের ৬৭তম জন্মদিন আজ।
তিনি সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের উত্তর ফিংড়ী গ্রামে ১৯৫৩ সালের ১৭ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আব্দুল জব্বার ও মাতার নাম রিজিয়া সুলতানা। তাঁর শৈশব কেটেছে মরিচ্চাপ নদীর পাড়ে ছায়া সু-নিবিড় শান্তির নীড় উত্তর ফিংড়ী গ্রামে।
সাতক্ষীরা কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন। তিনি সাতক্ষীরা কলেজের ছাত্র সংসদের কমনরুম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। শৈশব থেকে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক। ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। এরপর ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে সাতক্ষীরা-২ আসনে নির্বাচন করেন। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি নৌকা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। মহাজোটের শরিক জাপা’র প্রার্থীর পক্ষে শেখ হাসিনার নির্দেশে নিজের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
১৯৯২ সালে তিনি ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ছাতা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। অবহেলিত ফিংড়ী ইউনিয়নকে গড়ে তোলেন তিলোত্তমা রূপে। ২০০৯ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রায় দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে জামাতের প্রার্থীকে পরাজিত করেন তিনি। সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হবার পর তিনি স্বচ্ছতা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। সে কারণে তাকে সততার প্রতীক বলা হয়।
অবহেলিত সাতক্ষীরা সদর উপজেলার প্রত্যেকটি জনপদকে গড়ে তোলেন উন্নয়নের মডেল হিসেবে। দুর্নীতিমুক্ত সদর উপজেলা পরিষদ গড়ে তুলে তিনি জননন্দিত হয়েছেন। ২০০৪ সালে তিনি সরাসরি কাউন্সিলের মাধ্যমে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৪ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন লে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করেন। যে কারণে ২০১৫ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি তিনি পুনরায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
২০১৩ সালে জামাত-শিবিরের নাশকতার বিরুদ্ধে রাজপথে সক্রিয় থেকে তিনি দলকে সুসংগঠিত করেন। ১৯৯৫ সালে ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সততার প্রতীক হিসেবে শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে মহামান্য রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের হাত থেকে গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি পদক।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। তার সহধর্মিনী মিসেস সালেহা ইসলাম শান্তি অবসরপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী, বর্তমানে গৃহিনী। বড় মেয়ে নূর জাহান জেসমিন বিবাহিত। বড় জামাতা জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে কর্মরত। ছোট মেয়ে আইরিন পারভীন খুলনা রোটারী হাইস্কুলে শিক্ষকতা করেন। ছোট জামাতা-কেডিএ’র সিনিয়র নির্বাহী প্রকৌশলী। একমাত্র ছেলে রাজু আহম্মেদ বর্তমানে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে একজন কর্মী হিসেবে তিনি বেকারমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত, মাদকমুক্ত, আধুনিক উন্নত সাতক্ষীরা গড়তে বদ্ধপরিকর। তার ৬৭তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলার রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, সাংবাদিক, কবি, সাহিত্যিকসহ সর্বস্তরের মানুষ। এদিকে তার ৬৭তম জন্মদিনে এন.আই (নজরুল ইসলাম) যুব ফাউন্ডেশনের সহযোগীতায় ও ফিংড়ী ইউনিয়ন যুবলীগের আয়োজনে ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে কেক কেটে জন্মবার্ষিকী পালন করা হবে। ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যান সামছুর রহমানের সভাপতিত্বে কেক কাটবেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম। এছাড়া জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest