সর্বশেষ সংবাদ-
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

ভারতেও নিষিদ্ধ হচ্ছে জেএমবি

বিদেশের খবর: বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামায়াত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)-কে ভারতেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে। ভারতে দ্রুতগতিতে উত্থানের চার বছর পর অবশেষে আনফুল অ্যাক্টিভিটিস প্রিভেনশন অ্যাক্ট (ইউপিএ) অনুযায়ী দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার ব্যাপারে প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি জেএমবি সংগঠনটি ভারতের বিভিন্ন শহরে তাদের সংগঠন বাড়ানোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এমন এক পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে ওই জঙ্গি সংগঠনকে অর্থায়ন, নিয়োগ কার্যক্রম এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপ রোধে সমস্ত রাজ্যের পুলিশ ও কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোর হাতে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করবে।

সূত্রের খবর, ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-এর পক্ষ থেকে জেএমবিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার প্রস্তাব পাওয়ার পরই দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে এবং খুব শিগগির এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানা গেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অভিমত, জেএমবি-কে নিষিদ্ধ করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে ইতিমধ্যেই এই জঙ্গি সংগঠনটি ভারতেও তাদের শাখা খুলেছে যার নাম দেওয়া হয়েছে জামায়ত-উল মুজাহিদিন ইন্ডিয়া (জেএমআই)। সালাউদ্দিন সালেহ এবং তার সহকারী জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বেই জেএমআই-এর প্রধান উদ্দেশ্যই হল ধর্মান্তকরণ, প্রশিক্ষণ ও সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে এই ভারত উপমহাদেশে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা করা। এই সালাউদ্দিনকে ধরতেই এনআইএ’এর পক্ষ থেকে ৫ লাখ আর্থিক পুরস্কারেরও ঘোষণা দিয়েছে। মনে করা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গেই কোথাও আত্মগোপনে রয়েছে সালাউদ্দিন।

গত জানুয়ারী মাসেই বিহারের বুদ্ধগয়া মন্দির চত্বরে শক্তিশালী ইম্প্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরণের পিছনে নাম জড়িয়েছে এই সংগঠনটির। এই ঘটনায় গত কয়েকমাসে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে আটকও করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও এনআইএ। ঘটনার পর থেকেই জেএমবি’এর নেতারা ও তাদের সঙ্গীরা গা ঢাকা দিয়েছে।

২০১৪ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার খাগড়াগড় বিস্ফোরণেও নাম জড়িয়েছিল জেএমবি’র। ওই বিস্ফোরণে নিহত হয়েছিল দুই সন্দেহভাজন জেএমবি জঙ্গি। ওই ঘটনার পরই তদন্তভার হাতে নিয়ে এনআইএ দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে প্রায় এক শতাধিকের বেশি আইইডি উদ্ধার করে, আটক করা হয় ৫০ এর বেশি জেএমবি সদস্যকে। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের অভিমত ওই ঘটনার পরই ভারত ও বাংলাদেশ-উভয় দেশে ধরপাকড়ের পর জেএমবি নেতারা নতুন করে গ্রুপ শুরু করে কার্যকলাপ চালাতে থাকে।

খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর এনআইএ তদন্তেই প্রকাশ পায় যে জেএমবি কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গ, অাসাম, ঝাড়খন্ড বা ভারতের অন্য শহরগুলিতেই ঘাঁটি গড়ছে না বরং অর্থ সংগ্রহ করা, মুসলিম যুবকদের নিজেদের দলে টানা, জেহাদি ও তীর-ধনুকের মতো প্রশিক্ষণ দেওয়া ভারতের মাটিতে অন্য ধর্মের বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপেও মদদ দিচ্ছে। ভারতের মাটিতে আশ্রয় নিয়ে স্থানীয় নারীদের বিয়ে করার মতো কৌশলও অবলম্বন করছে জেএমবি জঙ্গিরা। আর এই কাজে লস্কর তৈয়বার মতো পাকিস্তানের মদদপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলিরও সহায়তা পাচ্ছে। সেইসাথে বিভিন্ন দেশ থেকেও আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে। বিদেশ থেকে আসা সেই অর্থ মাদ্রাসা, মসজিদ ও মুসলিম যুবকদের দলে টানতে সোশ্যাল মিডিয়াতেও লাগানো হচ্ছে।

সাম্প্রতিক গোয়েন্দা রিপোর্টে প্রকাশ হয়েছে, জেএমবি সদস্যরা হায়দরাবাদ, মুম্বাই, পুনে, জম্মু-কাশ্মীরসহ ভারতের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে আস্তানা গেড়েছে এবং আধার কার্ড, প্যান কার্ড সংগ্রহ করে ভারতীয় পরিচয়পত্রও বানিয়ে নিয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় ইঁট ভাটার শ্রমিক, কাগজকুড়ানিসহ দৈনিক মজুরের কাজে যুক্ত হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য এও বলছে যে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় কমপক্ষে ৬০ টি মডিউল সক্রিয় রয়েছে যার এক-একটি মডিউলে ১০ থেকে ১২ জন করে সদস্য রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সম্পর্কিত সতর্কবার্তা

স্বাস্থ্য কণিকা: বিয়ের আগে পরিবার পরিজন, আত্মীয় স্বজন সংক্রান্ত যাবতীয় খোঁজ খবর নিয়ে থাকি আমরা, কিন্তু ভুলে যাই সব চেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাপার স্বামী স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সংক্রান্ত ব্যাপারটি, আসুন জেনে নেয়া যাক এই বিষয়ে জরুরি কিছু তথ্য।

স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমাদের ব্লাড গ্রুপ সম্পর্কে কিছু কথা জানা দরকার। প্রধাণত রক্তের গ্রুপকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।

একটা হল ABO system (A, B, AB & O),

আরেকটা হল Rh factor {Rh positive(+ve) & Rh negative(-ve)}.

অর্থ্যাৎ Rh factor ঠিক করবে ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে।

তাহলে ব্লাড গ্রুপগুলো হলঃ A+ve, A-ve, B+ve, B-ve, AB+ve, AB-ve O+ve, O-ve.

জেনে নেয়া যাক, যদি অন্য গ্রুপের ব্লাড কারো শরীরে দেয়া হয় তাহলে কী হবে?

streaming blood cells যখন কোনো Rh নেগেটিভ গ্রুপের ব্যক্তিকে Rh পজেটিভ গ্রুপের ব্লাড দেয়া হয় তখন প্রথমবার সাধারণত কিছু হবে না। কিন্তু এর বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে এন্টিবডি তৈরি হবে যার ফলে যদি কখনো রোগী আবার পজেটিভ ব্লাড নেয় তাহলে তার ব্লাড সেলগুলো ভেঙে যাবে, এর কারণে অনেক সমস্যা হবে। যেমন জ্বর, কিডনি ফেইলিউর, হঠাৎ মৃত্যু ইত্যাদি। এই সমস্যাকে মেডিকেল টার্ম এ বলা হয় ABO incompatibility.

স্বামী-স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ কী রকম হওয়া দরকার:

স্বামীর ব্লাডগ্রুপ যদি পজেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ ও পজেটিভ হতে হবে। আর যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ বা নেগেটিভ যেকোনো একটি হলেই হবে। তবে স্বামীর ব্লাডগ্রুপ যদি পজেটিভ হয় তাহলে কোনোভাবেই স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হওয়া চলবে না। এক্ষেত্রে যদি স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে তার স্বামীর ব্লাডগ্রুপও নেগেটিভ হতে হবে।

যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় আর স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে কী সমস্যা হয়?

রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কোনো সমস্যা হয় না। তবে স্ত্রী যদি নেগেটিভ হয় আর স্বামী যদি পজিটিভ হয় তাহলে ‘লিথাল জিন’ বা ‘মারন জিন’ নামে একটি জিন তৈরি হয় যা পরবর্তীতে জাইগোট তৈরিতে বাঁধা দেয় বা জাইগোট মেরে ফেলে। সে ক্ষেত্রে মৃত বাচ্চার জন্ম হয়।

যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় তাহলে সাধারণত বাচ্চার ব্লাডগ্রুপ ও পজেটিভ হবে। যখন কোনো নেগেটিভ ব্লাডগ্রুপের মা ধারণ করবে পজেটিভ Fetus(ভ্রুণ) তখন সাধারণত প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না।

কিন্তু ডেলিভারির সময় পজেটিভ Fetus এর ব্লাড, placental barrier ভেধ করে এবং placental displacement এর সময় মায়ের শরীরে প্রবেশ করবে। মায়ের শরীরে ডেলিভারির সময় যে ব্লাড প্রবেশ করবে, তা ডেলিভারি হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই মায়ের শরীরে Rh এন্টিবডি তৈরি করবে।

যখন মা দ্বিতীয় সন্তান বহন করবে, তখন যদি তার fetus এর ব্লাডগ্রুপ পুনরায় পজেটিভ হয়। তাহলে মায়ের শরীরে আগে যেই Rh এন্টিবডি তৈরি হয়েছিলো সেটা placental barrier ভেধ করে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করবে। আর যখন fetus এর শরীরে Rh antibody ঢুকবে তখন fetal এর RBC এর সঙ্গে agglutination হবে, যার ফলে RBC ভেঙে যাবে। একে মেডিকেল টার্ম এ “Rh incompatibility” বলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পেঁয়াজের যত ভিন্ন ব্যবহার

অনলাইন ডেস্ক: পেঁয়াজের দাম বাড়ুক আর সস্তা হোক, সেটা নিয়ে রাধুনীর কোনো মাথা ব্যথা নেই। তবে ভাজি, তরকারী থেকে শুরু করে পাকোড়া তৈরি পর্যন্ত সব কিছুতেই আমাদের পেঁয়াজ চাই-ই। পেঁয়াজ ছাড়া আমাদের চলেই না। আর পেঁয়াজ ছাড়া খাবার রান্না করে দেখেছেন কখনো? অবশ্যই স্বাদ একেবারে নষ্ট হয়ে যাবে। কিন্তু পেঁয়াজ কি শুধুই রান্নার কাজে ব্যবহার হয়? না, পেঁয়াজের আরো অনেক ব্যবহার রয়েছে। আজকে আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব পেঁয়াজের এমনই কিছু ব্যতিক্রমী ব্যবহারের সাথে যা অবাক করবে আপনাকে।

ধাতব জিনিস পলিশ করতে
কিছুদিন রেখে দিলে ধাতব জিনিস তার উজ্জ্বলতা হারায়। হারানো উজ্জ্বলতা ফিরে পেতে একটি পেঁয়াজ স্লাইস করে কেটে ছেঁচে নিন। এরপর তা ১ কাপ পানিতে ডুবিয়ে নিন। একটি পরিষ্কার কাপড়ে এই পানি লাগিয়ে ধাতব জিনিস ঘষে নিন, দেখবেন চকচকে হয়ে উঠেছে।

রঙের গন্ধ দূর করতে
অনেকেই রঙের গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারেন না। ঘর নতুন রঙ করা হলে বা রঙ করা জিনিস ঘরে আনলে ঘরের কোণে ১ টি বড় পেঁয়াজ ৪ টুকরো করে রেখে দিন। পেঁয়াজ রঙের গন্ধ শুষে নেবে।

পোকামাকড়ের কামড়ের জ্বলুনি ও দাগ দূর করতে
মশা থেকে শুরু করে অন্যান্য পোকামাকড়ের কামড়ের দাগ ও জ্বলুনি দূর করতে পেঁয়াজ স্লাইস করে কেটে আক্রান্ত স্থানে ঘষে নিন। এতে জ্বলুনি কমবে ও লালচে ফুলে উঠা দাগও দূর হবে।

ভাতের পোড়া গন্ধ ও স্বাদ দূর করতে
ভাত পুড়িয়ে ফেলেছেন? কোনো চিন্তা নেই ভাতের পোড়া স্বাদ ও গন্ধ দূর করতে একটি পেঁয়াজ কেটে ভাতের উপরে রেখে দিন। পেঁয়াজ পোড়া গন্ধ ও স্বাদ শুষে নেবে।

ব্রণ দূর করতে
ব্রণের সমস্যায় ভুগছেন? পেঁয়াজ স্লাইস করে ছেঁচে রস বের করে নিন। এরপর সমপরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে ব্রণের উপরে লাগান। দ্রুত ব্রণের সমস্যা দূর করতে পারবেন।

পোড়া দাগ ও জ্বলুনি বন্ধ করতে
রান্না করতে গেলে তেলের ছিটে লাগলে ছোটোখাটো পোড়া কিংবা রোদে অরিতিক্ত ঘুরে রোদে পোড়া দাগ ও জ্বলুনি হয়। এই জ্বলুনি দূর করতে পোড়া স্থানে পেঁয়াজ কেটে হালকা করে ঘষে নিন ও চেপে ধরে থাকুন।

গলা ব্যথা ও খুসখুসে ভাব দূর করতে
১ কাপ পানিতে আধা পেঁয়াজের খোসা ফুটিয়ে নিন। এরপর ছেঁকে পান করুন। গলা ব্যথা ও খুসখুসে ভাব দ্রুত কমে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টমেটোর গুণাগুণ ও উপকারিতা

স্বাস্থ্য কণিকা: রান্না বা সালাদে টমেটো ছাড়া ভাবাই যায় না। নানা রকম মুখরোচক খাবার সাজাতেও টমেটোর জুড়ি নেই। টমেটো শুধু রঙ বাহারি রূপে নয় গুণেও সেরা। এর রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা দিক। আমাদের দেহ নানা রকম রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত রাখতে টমেটো কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। দেখে নেয়া যাক টমেটোর অসাধারণ উপকারী কয়েকটি গুণ।

লাল টমেটোতো খুব বেশি পরিমান লাইকোপিন নামক উপাদান থাকে যা ক্যানসার কোষ বিনষ্টকারী। এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেনটের একটি দারুণ উৎস। তাই ক্যানসারের ঝুঁকি রোধে নিয়মিত খাবার তালিকায় বিষমুক্ত টমেটো রাখতে পারেন।

টমেটো হচ্ছে একমাত্র সবজি যাতে চার রকমের ক্যারোটিনয়েড বা ভিটামিন ‘এ’ আছে বিপুল পরিমাণে। এই ক্যারোটিনয়েড বা ভিটামিন ‘এ’ ত্বক ও চোখের সুস্থতা এবং দেহের রোগপ্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে খুবই উপযোগী।

এক কাপ বা ১৮৯ গ্রাম টমেটোতে আছে ৩৮ শতাংশ ভিটামিন সি, ৩০ শতাংশ এ, ১৮ শতাংশ ভিটামিন কে, ১৩ শতাংশ পটাশিয়াম ও ১০ শতাংশ ম্যাঙ্গানিজ। এ ছাড়াও আছে ভিটামিন ই, লৌহ, ফলেট ও আঁশ। এত গুণের কারণে এই মৌসুমে প্রতিদিন সালাদের সঙ্গে টমেটো চাই।

টমেটোর লাইকোপিন প্রস্টেট ও অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার রোধে সাহায্য করে। এটি অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় ৩১ শতাংশ কমাতে পারে।

ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই—এই তিনটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এত বিপুল পরিমাণে একসঙ্গে অন্য কিছুতে নেই।

পটাশিয়ামের খুবই ভালো উৎস টমেটো। এক কাপ টমেটোর জুসে প্রায় ৫৩৪ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম আছে। তবে এই জন্য কিডনি রোগীদের আবার বেশি টমেটো খাওয়া মানা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জলপাইয়ের স্বাস্থ্যগুণ

স্বাস্থ্য কণিকা: এখন জলপাইয়ের সিজন। ফল হিসেবে খাওয়ার পাশাপাশি আচার, তরকারি হিসেবেও খাওয়া যায়। জলপাইয়ের উপকারিতা অনেক। নানা রোগের মহৌষুধও বলা যেতে পারে। জেনে নেওয়া যাক জলপাইয়ের স্বাস্থ্যগুণ।

ওজন কমাতে: জলপাইয়ের তেলে রয়েছে লো কোলেস্টেরল যা ওজন এবং ব্লাডপ্রেসার কমাতে সাহায্য করে।

হৃদযন্ত্রের উপকারিতা: হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে চর্বি জমে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে বেশি। জলপাইয়ের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হার্ট ব্লক হতে বাধা দেয়। জলপাইয়ে রয়েছে মোনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা হার্টের জন্য খুবই উপকারী।

ক্যান্সার প্রতিরোধে: জলপাইয়ের ভিটামিন ই কোষের অস্বাভাবিক গঠনে বাধা দেয়। ফলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমে।

অ্যালার্জি প্রতিরোধে: গবেষণায় দেখা গেছে, জলপাই অ্যালার্জি প্রতিরোধে সহায়তা করে। জলপাইয়ে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা ত্বকের ইনফেকশন ও অন্যান্য ক্ষত সারাতে কার্যকরী ভুমিকা রাখে।

ত্বক ও চুল ভালো রাখে: কালো জলপাইয়ের তেলে আছে ফ্যাটি এসিড ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ত্বক ও চুলের যত্নে কাজ করে। জলপাইয়ের ভিটামিন ই ত্বকে মসৃণতা আনে। চুলের গঠনকে আরো মজবুত করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: জলপাইয়ে যে খাদ্যআঁশ আছে তা মানুষের দেহের পরিপাক ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং হজমে সহায়তা করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার একসঙ্গে ব্যাট করলেন প্রোটিয়া দম্পতি!

খেলার খবর: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্যাট হাতে ২২ গজে জুটি বেঁধেছেন দম্পতি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এর আগে এমন ঘটনা আর কখনই দেখা যায়নি। মঙ্গলবার নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একসঙ্গে ব্যাট করতে দেখা গেল দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ডেন ভ্যান নিয়েকার্ক ও মারিজানে কাপকে। যারা সমকামী দম্পতি হিসেবে চলতি বছরি আনুষ্ঠানিকভাবে জীবনযাপন শুরু করেছেন।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেই ম্যাচে নিয়েকার্ক-মারিজানে মিলে তৃতীয় উইকেটে যোগ কএন ৬৭ রান। ৬ রানের মধ্যে দুই ওপেনার ফিরে যাওয়ার পর এই জুটিই দক্ষিণ আফ্রিকার ৭ উইকেটে ম্যাচ জয়ের ভিত গড়ে দেয়। ৪৪ বলে ৪টি চার এবং একটি ছক্কায় ৩৮ রানে করেন মারিজানে। আর নিয়েকার্ক ৪৫ বলে ২ বাউন্ডারিতে ৩৩ রানে আপরাজিত থাকেন। এই দম্পতির উভয়েই বল হাতেও নিয়েছেন উইকেট।
এই দুই প্রোটিয়া তারকার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে কয়েক দিনের ব্যবধানে ২০০৯ বিশ্বকাপে। ৮ মার্চ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথমবার দেশের জার্সি গায়ে চাপান নিয়েকার্ক। দুদিন পর ১০ মার্চ অস্টেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেক হয় মারিজানের। এরপর চলতি বছরের জুলাইয়ে নিয়েকার্ক বিয়ে করেন সতীর্থ মারাজানেকে। ইনস্টাগ্রামে বিয়ের ঘোষণা করেছিলেন মারিজানে। বিয়েতে এসেছিলেন দুজনের অধিকাংশ সতীর্থ।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিয়েকার্ক-মারিজানেই অবশ্য একমাত্র দম্পতি নন। গত বছর বিয়ে করেছেন নিউজিল্যান্ডের দুই নারী ক্রিকেটার অ্যামি স্যাটারওয়েট ও লিয়া তাহুহুর। তবে এই প্রথমবার আইসিসির কোনো প্রতিযোগিতায় একসঙ্গে ব্যাট করলেন কোনো দম্পতি। এই দুজন এর আগে ৫০তম ম্যাচ খেলেছেন একসঙ্গে।
এখন পর্যন্ত ৯৮ ওয়ানডে ও ৭০ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন নিয়েকার্ক। দুই ফরম্যাটে রান করেছেন যথাক্রমে ১৯৪৬ রান ও ১৫৩৮ রান। মারিজানে খেলেছেন ৯৬ ওয়ানডে ও ৬৭ টি-টোয়েন্টি। ওয়ানডে ক্রিকেটে মারিজানে করেছেন ১৬২৬ রান এবং উইকেট নিয়েছেন ১০৬ টি। টি-টোয়েন্টিতে তিনি করেছেন ৭০০ রান, উইকেট নিয়েছেন ৫০টি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জিততে হলে বাংলাদেশের চাই ৮ উইকেট

খেলার খবর: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকা টেস্ট জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ৮ উইকেট। অন্যদিকে এই ম্যাচ জিততে হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার ৩৬৭ রান করতে হবে জিম্বাবুয়েকে। ড্র করতে হলে খেলতে হবে টানা তিন সেশন। ৪৪৩ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে চতুর্থ দিন শেষে ২ উইকেটে ৭৬ রান তুলেছে সফরকারী জিম্বাবুয়ে। ব্রেন্ডন টেইলর (৪) এবং শন উইলিয়ামস (২) অপরাজিত আছেন।

বাংলাদেশের দেওয়া পাহাড়সম টার্গেট মাথায় নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নামে জিম্বাবুয়ে। ৯ ওভারের মধ্যেই ফিরতে পারতেন জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার। কিন্তু ব্রায়ান চারির পর হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকেও জীবন দিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অভিষিক্ত পেসার খালেদ আহমেদের বলে ক্যাচ দুটি ছেড়েছেন মিরাজ। প্রথম ইনিংসেও এই পেসারের বলে দুটি ক্যাচ ছেড়েছিল বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। তার উইকেট পাওয়া হচ্ছে না সতীর্থদের জন্যই।

জীবন পেয়ে উইকেটে টিকে থাকার সংগ্রাম চালিয়ে যান মাসাকাদজা এবং চারি। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৬৮ রান। দুই ক্যাচ মিস করা সেই মেহেদী হাসান মিরাজই এবার মাসাকাদজাকে (২৫) মুমিনুল হকের তালুবন্দি করেন। ২ রানের ব্যবধানে ৪৩ রান করা অপর ওপেনার ব্রায়ান চারিকে এলবিডাব্লিউ করেন তাইজুল ইসলাম। এরপর ব্রেন্ডন টেইলর আর শন উইলিয়ামস বাকী দিন কাটিয়ে দেন।

সোমবার ম্যাচের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় সেশনে ৭ উইকেটে ৫২২ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করার পর আজ চতুর্থ দিন চা বিরতির সাথে সাথে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ২২৪ রানে জিম্বাবুয়ের সামনে জয়ের জন্য টার্গেট দাঁড়ায় ৪৪৩ রান। প্রথম ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। ১৬১ করেছিলেন মুমিনুল হক। আর দ্বিতীয় ইনিংসে ১২২ বলে ৪টি চার এবং ২টি ছক্কায় অপরাজিত ১০১* রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

ঢাকা টেস্টে সুযোগ পেয়েও জিম্বাবুয়েকে ফলোঅন করায়নি বাংলাদেশ। ২১৮ রানের বড় লিড পেয়েও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেছে মাহমুদউল্লাহর দল। কিন্তু মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চতুর্থ দিনের খেলা শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। ৩ রান করে জার্ভিসের বলে মাভুতার তালুবন্দি হন ইমরুল কায়েস। অপর ওপেনার লিটন দাসও নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। জার্ভিসের বলেই বোল্ড হয়ে ফিরেছেন ৬ রান করে।

এই বিপদের মাঝে আগের ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান মুমিনুল হক (১) ভরসা দিতে পারেননি। ত্রিপানোর বলে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন উইকেটকিপার চাকাভার গ্লাভসে। আগের ইনিংষের ডাবল সেঞ্চুরিয়ান মুশফিকুর রহিমও আজ ব্যর্থ। ৭ রান করে ‘মি. ডিপেন্ডেবল’ ত্রিপানোর দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হলে ২৫ রানে ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

এরপর অভিষিক্ত মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। প্রচণ্ড চাপের মাঝে ৯১ রানে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মিঠুন। মাহমুদউল্লাহও ১০মাস এবং ১০ ইনিংস পর তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। সর্বশেষ গত জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে ৮৩* রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। গত ১০ ইনিংসে তার রান ছিল ২৮*, ১৭, ৬, ০, ১৫, ০, ৪, ০, ১৬, ৩৬। মিঠুন ৬৭ রান করে ত্রিপানোকে ছক্কা মারতে গিয়ে মাভুতার তালুবন্দি হলে এই দুজনের ১১৮ রানের পঞ্চম উইকেট জুটি ভাঙে।

৫ রান করে আরিফুল হক উইলিয়ামসকে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান। আগের ইনিংসে অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করা মেহেদী মিরাজকে এলবিডাব্লিউ ঘোষণা করলেও রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান। এরপর তিনি দারুণ সঙ্গ দিয়ে যান অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহকে। লিড চারশ ছাড়িয়ে যায়। অপেক্ষা ছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সেঞ্চুরির। দীর্ঘ ৮ বছর পর ১২২ বলে ৪টি চার এবং ২টি ছক্কায় ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন মাহমুদউল্লাহ। ৬ উইকেটে ২২৪ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ ১০১* এবং মেহেদী মিরাজ ২৭* রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ৩০৪ রানে অল-আউট হয় জিম্বাবুয়ে। দুর্দান্ত সেঞ্চুরি হাঁকান ব্রেন্ডন টেইলর। তার ১১০ রানের দুর্দান্ত ইনিংসটি থামিয়ে দেন মেহেদী মিরাজ। টেইলরের সঙ্গে দারুণ জুটি গড়া পিটার মুর সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন। তার ৮৩ রানের ইনিংসটি থামে আরিফুল হকের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে। টানা তিন ইনিংসে ৫ উইকেট তুলে নেন তাইজুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় চার দিন ব্যাপী আয়কর মেলার উদ্বোধন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ ‘আয়করে প্রবৃদ্ধি, দেশ ও দশের সমৃদ্ধি, উন্নয়ন ও উত্তরণ আয়করের অর্জন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ৪ দিন ব্যাপি আয়কর মেলা-২০১৮ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়।
কর অঞ্চল সাতক্ষীরা সার্কেল-১৩ এর উদ্যোগে খুলনা যুগ্ম-কর কমিশনার মো. মঞ্জুর আলমের সভাপতিত্বে উদ্বোাধনী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান, সহকারি কমিশনার সার্কেল-১৩ সাতক্ষীরা উজ্জল কুমার সরদার, জেলা আয়কর আইনজীবি সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ রবিউল হোসেন, বিশিষ্ট্য সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা, সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার, চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান প্রমুখ।
প্রধান অতিথি এ সময় বলেন, আয়কর হচ্ছে দেশের উন্নয়নের সোপান। আয়কর প্রদান করলে সামাজিক ও ব্যক্তিগত মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। যোগ্য ব্যক্তিদের সঠিক সময়ে কর প্রদান করতে হবে। নিয়মিত কর প্রদান করে দেশের উন্নয়নে শরীক হওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়ন হয় জনগণের আয়কর ও ট্র্যাক্সের আদায়কৃত অর্থ থেকে। তাই আয়কর সকলের যথাসময়ে সঠিকভাবে প্রদান করা উচিত। তাই দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সকলকে কর প্রদানে উৎসাহিত করতে হবে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এর আগে অতিথিবৃন্দ বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এ আয়কর মেলার উদ্বোধন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest