সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

সংবাদ সম্মেলনে এড. চঞ্চল ও বিপুল

সংবাদ সম্মেলনে এড. চঞ্চল ও বিপুল

নিজস্ব প্রতিবেদক: সোনা চোরাচারানী মিলনের সাথে নূন্যতম সম্পর্ক তো দূরের কথা তার সাথে পরিচয়ও নেই উল্লেখ করে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে প্রচ- হতাশা ব্যক্ত করেছেন সাতক্ষীরা জজ কোর্টের এপিপি অ্যাডভোকেট চঞ্চল ও জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান বিপুল। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তারা প্রকাশিত সংবাদে নিজেদের নাম জড়ানোয় বিস্ময় প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অ্যাডভোকেট চঞ্চল। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট চঞ্চল ও জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক, ক্লিনিক ব্যবসায়ী শেখ শরিফুজ্জামান পরস্পর বন্ধু। বিগত ইউপি নির্বাচনে জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান বাশদহা ইউনিয়নের চেয়ানম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটে দাড়ান। বন্ধু হিসেবে অ্যাডভোকেট চঞ্চল তার নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় সক্রিয় ছিলেন। এতে স্থানীয় কুচক্রী মহল তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়, যার অংশ হিসেবে সম্প্রতি পত্রিকায় সোনা চোরাচারানী মিলনের নামে প্রকাশিত সংবাদে তাদের নাম জড়ানো হয়েছে। অথচ সোনা চোরাচারানী মিলনের সাথে তাদের ন্যূনতম সম্পর্ক তো দূরের কথা পরিচয়ও নেই।
সংবাদ সম্মেলনে তারা যেন হয়রানির শিকার না হন সেজন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আদালতে চোরাকারবারী মলিন

আদালতে চোরাকারবারী মলিন

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার শীর্ষ স্বর্ণ চোরাকারবারী মিলন পাল ওরফে গোল্ডেন মিলনকে অবশেষে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। সোমবার বেলা ১১ টার দিকে তাকে সাতক্ষীরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। আটক মিলন সদর উপজেলার মাগুরা গ্রামের দেবদাশ পালের ছেলে। এদিকে, পুলিশ তাকে শনিবার রাতে আটক করলেও পুলিশের খাতায় তাকে আটক দেখানো হয়েছে রোববার রাতে। পুলিশ জানিয়েছে, রোববারা রাতে তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়েছে।
মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি ফিরোজ হোসেন মোল্যা জানান, গত শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তলুইগাছা সীমান্ত থেকে ভারতে পাচারের সময় ১৬ কেজি ৩১৮ গ্রাম স্বর্ণসহ আলিউজ্জামান নামের এক বহনকারীকে আটক করে বিজিবি। ওই সোনা চোরাচালানের ঘটনায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে মিলনপালকে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে সাতক্ষীরা চীফ জুডিশিয়াল আদালতে হাজির করা হয়েছে। রিমান্ড শুনানির পর তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে তিনি আরো জানান। এদিকে, আটক আলিউজ্জামানকে (স্বর্র্ণ বহনকারী) ৩ দিনের রিমান্ডে এনে সদর থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মিলনপাল গত ২০০৫ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত শহরের মিলবাজার রামপ্রসাদ দত্তের জুয়েলারী দোকানের কর্মচারী ছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে শহরের নাজমুল সরণিতে দীগন্ত মার্কেটে শিল্পী জুয়েলার্সে কর্মচারী হিসেবে যোগাদন করেন। শিল্পী জুয়েলারির কর্মচারী হতে স্বর্ণ ব্যবসায়ী হয়ে যান মিলনপাল। মিলন জুয়েলার্স নামে শহরের নাজমুল সরণিতে জুয়েলারি ব্যবসা করতে থাকেন তিনি।
সম্প্রতি মিলন পাল আলাউদ্দীনের আশ্চর্য প্রদীপের মতো, আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছেন। মাগুরা গ্রামসহ সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিলনপালের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের অভিযোগ উঠে এসেেেছ। মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালান এবং হুন্ডির টাকা এপার ওপার করার আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেট এখন তার হাতে। রাজধানী ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে শুরু করে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিলন পাল বিলাসবহুল মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার যোগে স্বর্ণের বড় বড় চালান পাচার করে থাকেন। আন্তর্জাতিক স্বর্ণ চোরাকারবারী ভারতের বারী বিশ্বাসের কাছেও তিনি স্বর্ণ পাচার করে থাকেন। ২০০৫ সালের মিলন পাল ২০১৬ সালে এসে হয়েছেন গোল্ডেন মিলন। মাদক, হুন্ডি এবং স্বর্ণ চোরাচালানী পরিচালনা করে মিলনপাল শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।
সমগ্র সাতক্ষীরা জেলার মানুষ বিগত প্রায় ২ বছরের বেশি সময় বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করেছে কী নির্লজ্জতার সাথে তৎকালীন জেলার আইন শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা একজন শীর্ষ কর্মকর্তা এই মিলন ও তার চোরাচালানী চক্রকে আইনের বাইরে রেখেছিলেন।
বর্তমান পুলিশ সুপারের দৃঢ়তায় অবশেষে শীর্ষ এই স্বর্ণ চোরাকারবারী আইনের জালে ধরা পড়ায় পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে বলে সচেতন মহলের ধারণা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে পৌরসভার অসহায় দুস্থদের মাঝে জি.আর ও ভি.জি.এফ কর্মসূচি’র চাউল বিতরণ করা হয়েছে। সাতক্ষীরা পৌরসভার অধীনে ৪,৬২১ টি পরিবারে ১০ কেজি করে ৪৬.২শ১০ মেঃ টন চাউল বিতরণ করা হবে। এছাড়া ৬০০টি পরিবারের মাঝে ৬মেঃ টন চাউল বিতরণ করা হবে। সোমবার সকালে এ চাল বিতরণ শুরু হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, পৌর কাউন্সিলর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর, ফারহা দিবা খান সাথী, স্টোর কিপার মীর নাছের আলী, ফারুক হোসেন, শাহীনুর রহমান প্রমুখ। ঈদুল আযহা উপলক্ষে পৌরসভার দুস্থদের মাঝে ভি.জি.এফ ও জি.আর এর চাউল বিতরণ শুরু হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Manob bhobdhon (Large)

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বিভিন্ন দাবিতে সাতক্ষীরা প্রতিবন্ধী পূর্ণবাসন কল্যাণ সমিতির মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা বাস্তহারালীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ, জেলা ভূমিহীন উন্নয়ন সমিতির সভাপতি আব্দুস ছাত্তার, শ্যামনগর প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোকছেদ আলী, কালিগঞ্জ প্রতিবন্ধী পূর্ণবাসন উন্নয়ন সমিতির সভাপতি আব্দুল খালেক, জাতীয় অন্ধ সংস্থার সাতক্ষীরা জেলার সভাপতি শফিকুল ইসলাম, প্রতিবন্ধী পূর্ণবাসন সমিতির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন, প্রতিবন্ধী নারী উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদিকা নাজমা খাতুন প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের নামে প্রতিবন্ধীদের ঠকানো হচ্ছে। তাদের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছে কতিপয় ব্যক্তি। অথচ তাদের কোন কার্যক্রম নেই। অবিলম্বে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের নিবন্ধন বাতিল, প্রতিবন্ধী পূর্ণবাসন সমিতির নামে মিথ্যা ও ভূয়া রিপোর্ট বাতিল এবং প্রতিবন্ধীদের টাকা আত্মসাতকারী অরুণ এর জামিন বাতিল পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা। পরে জেলার ৩শ প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে সিমাই চিনি বিতরণ করা হয়

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

0a32128c255acfe221abdbfe10ef51b9-নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলার শীর্ষ স্বর্ণ চোরাকারবারী মিলন পাল ওরফে গোল্ডেন মিলনকে (৩৮) আটক করেছে পুলিশ। তিনি সদর উপজেলার মাগুরা গ্রামের দেবদাশ পালের ছেলে। শনিবার গভীর রাতে তার নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ তাকে আটক করে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্তকর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন মোল্যা জানান, গত শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তলুইগাছা সীমান্ত থেকে ভারতে পাচারের সময় ১৬ কেজি ৩১৮ গ্রাম স্বর্ণসহ আলিউজ্জামান নামের এক বহনকারীকে আটক করে বিজিবি। ধারণা করা হচ্ছে, বিপুল পরমিান ওই র্স্বণ পাচাররে সাথে মিলন পাল জড়তি। ওই র্স্বর্ণের মালিক মিলন পাল কিনা তা জানার জন্য পুলশি তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আটক মিলন পাল পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
এদিকে, শুক্রবার সাতক্ষীরা সীমান্তে বিপুল পরিমান স্বর্ণের বার আটকের ঘটনায় জেলার অপর কয়েকজন শীর্ষ চোরাকারবারী গডফাদার বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন বলে জানা গেছে। মিলন পাল ওরফে মিলনের সাথে এদের রয়েছে বিভিন্ন চোরাচালানী ব্যবসা।
অপরদিকে বিশ্বস্ত একটি সূত্রে জানা যায়, এই স্বর্ণ পাচারের সাখে জড়িত রয়েছে মিলন পালের ব্যবসায়িক পার্টনার মহিদুল মেম্বর, রুস্তম, ফিরোজ, বাশদাহ চোরাচালানী ঘাট মালিক নাজমুল, তলুইগাছার হাসানসহ অনেকই।
জানা যায়, মিলনপাল গত ২০০৫ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত শহরের মিলবাজার রামপ্রসাদ দত্তের জুয়েলারি দোকানের কর্মচারী ছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে শহরের নাজমুল স্মরণীতে দীগন্ত মার্কেটে শিল্পী জুয়েলার্সে কর্মচারী হিসেবে যোগাদন করেন। শিল্পী জুয়েলারীর কর্মচারী হতে স্বর্ণ ব্যবসায়ী হয়ে যান মিলনপাল। মিলন জুয়েলার্স নামে শহরের নাজমুল সরণিতে জুয়েলারী ব্যবসা করতে থাকেন তিনি।
সূত্র জানায়, সম্প্রতি মিলন পাল আলাউদ্দীনের আশ্চর্য প্রদীপের মতো, আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছেন। মাগুরা গ্রামসহ সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিলনপালের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের অভিযোগ উঠে এসেেেছ। মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালান এবং হুন্ডির টাকা এপার ওপার করার আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেট এখন তার হাতে। রাজধানী ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে শুরু করে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিলন পাল বিলাসবহুল মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার যোগে স্বর্ণের বড় বড় চালান পাচার করে থাকেন। আন্তর্জাতিক স্বর্ণ চোরাকারবারী ভারতের বারিক বিশ্বাসের কাছেও তিনি স্বর্ণ পাচার করে থাকেন।
২০০৫ সালের মিলন পাল ২০১৬ সালে এসে হয়েছেন মিলন বাবু। মাদক, হুন্ডি এবং স্বর্ণ চোরাচালানী পরিচালনা করে মিলন পাল শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।
মাগুরা (দক্ষিণপাড়া) দাশপাড়া রোডে নিতাই মুহুরীর বাঁশবাগান এলাকায় প্রায় ২ বিঘা জমি ক্রয় করে সেখানে দুই তলা বিল্ডিং হাকিয়ে বাগান বাড়ি তৈরি করেছেন। ওই বাগান বাড়িতে নিয়মিত আয়োজন করা হয় মদ ও জুয়ার আড্ডা। আর অসামাজিক কার্যকলাপতো চলছেই প্রতিনিয়ত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিখোঁজ সংবাদ

কর্তৃক daily satkhira

সাতক্ষীরা শহরের গড়েরকান্দা গ্রামের মৃত ময়ন উদ্দিন এর স্ত্রী নবীয়া খাতুন(৭০)কে গত শনিবার থেকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। তার স্মৃতি শক্তি হারিয়ে যাওয়ার কারণে তিনি তার ঠিকানা বলতে পারেন না। তার সন্ধান পাওয়া গেলে তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ছেলে নওশের আলী অনুরোধ জানিয়েছেন। যোগাযোগের ঠিকানা: নওশের আলী, পিতা- ময়ন উদ্দিন, সাং- গড়েরকান্দা, সাতক্ষীরা। মোবা: ০১৭৫৯ ৫৬৫৮৮০। y„U

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শ্যামনগর সরকারি মহাসিন কলেজ শাখার সভাপতি আব্দুস সবুর এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কলারোয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় তাদের দুজনকে আজীবন ছাত্রলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ এহছান হাবিব অয়ন স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে তাদের আজীবন ছাত্রলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিslbd

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি : চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জাতপুর বাজারের মেসার্স চৌধুরী হামিদা অটো প্রসেসিং (অটো রাইচ মিল) নামে একটি চাউলে মিলে হামলা করেছে দূবৃর্ত্তরা। এসময় স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পুলিশ একজনকে আটক করেছে।
শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে জাতপুর বাজারের ব্যবসায়ী প্রতিষ্টান মেসার্স চৌধুরী হামিদা অটো প্রসেসিং নামে চাউলের মিলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির মালিকের ভাইয়ের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পিটিয়ে জখম করে তারা। ওই রাতে মেসার্স চৌধুরী হামিদা অটো প্রসেসিং-এর মালিক অশিউর রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে ৬ জনের নামে তালা থানায় এজাহার দাখিল করেন।
অভিযুক্তরা হলেন- তালা উপজেলার আলাদীপুর গ্রামের ছবেদ মোড়লের ছেলে মো. মোসলেম উদ্দীন (৫২), জোহর আলী মোড়লের ছেলে সাদ্দাম মোড়ল (৩০), আলাউদ্দীন সরদারের ছেলে মো. হেলাল সরদার (২৮), সাহবুদ্দীন সরদারের ছেলে ইমরান সরদার (২৫), আনার মোড়লের ছেলে আলমগীর মোড়ল (৩৫) ও কাশেম সরদারের ছেলে নাজমুল সরদার (২৭)। থানায় এজাহার দাখিল করলেও পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানাগেছে, মেসার্স চৌধুরী হামিদা অটো প্রসেসিং নামে চাউলের মিলটি গত দুই বছর ধরে জাতপুর বাজারে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। ব্যবসা চালুর পর থেকে উক্ত আসামীরা বিভিন্ন সময়ে তাদের কাছে চাঁদা দাবী করে আসছিল। কিন্তু চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে মোসলেম উদ্দীনের হুকুমে তাদের প্রতিষ্ঠানে হামলা করা হয়। এসময় আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে একজনকে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করে তারা।  এসময় ক্যাশ বাক্স ভেঙ্গে নগদ দুই লক্ষ টাকা নেয় এবং যাওয়ার সময় আরও পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। মামলার বাদী অশিউর রহমান বলেন,‘থানায় মামলার এজাহার জমা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করছে। তবে একজনকে এলাকাবাসির সহযোগিতায় আটক করছে পুলিশ। অভিযুক্ত মোসলেম উদ্দীন জানান, বাজারে একটি ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় একজন আটক আছে। বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান মিমাংসা করার চেষ্টা করছেন। আশাকরি বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যাবে। তালা থানার উপ-পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান মামলার এজাহার পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, থানায় একজন আটক আছে। তবে এখনও মামলা রেকর্ড হয়নি। bloody_knife_by_uchihavenger1

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest