স্বদেশ সংবাদ: মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে নারী ও পুরুষের গোপনাঙ্গের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে তৈরি আইনের খসড়া। এই সংজ্ঞা অনুযায়ী গোপনাঙ্গের কতটুকু অংশের ছবি ও ভিডিও গ
ণমাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার বা প্রকাশ করা যাবে তা-ও নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৬’ নামের আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে নারী-পুরুষের গোপনাঙ্গের সংজ্ঞাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
‘গোপনীয়তা লঙ্ঘনের পরিস্থিতির ক্ষেত্র’ বলতে আইনের ১৭ নম্বর ধারার ৪(ঘ) উপধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনো পরিস্থিতিতে কোনো ব্যক্তির যুক্তিসঙ্গত প্রত্যাশা থাকিতে পারে যে-(অ) কোনো ব্যক্তি গোপনীয়ভাবে অনাবৃত হইতে পারেন, এমতাবস্থায় তাহার ব্যক্তিগত এলাকায় তাহার নজর এড়িয়ে চিত্রবন্দী করা হইয়াছিল। অথবা (আ) সরকারি বা ব্যক্তিগত জায়গা নির্বিশেষে কোনো ব্যক্তি তাহার ব্যক্তিগত এলাকার এমন কোনো অংশে ছিল যাহা জনসাধারণের নিকট দৃশ্যমান হইবে না।’
আইনে গোপনীয় ছবি প্রেরণের বিষয়ে বলা হয়েছে, ‘ইলেকট্রনিক উপায়ে কোনো দৃশ্যমান ছবি প্রদর্শিত করিবার অভিপ্রায়ে কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসমূহের নিকট প্রেরণ করা।’
‘দৃশ্য ধারণ’ বিষয়ে আইনে বলা হয়েছে, ‘যেকোনো উপায়ে ভিডিও টেপ, আলোকচিত্র, ফিল্ম বা রেকর্ড করা।’
আইনে অপরাধ ও সাজা
নীতিগত অনুমোদন পাওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৬-এর ১৭ নম্বর ধারার ১ নম্বর উপধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনো ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে অন্য কোনো ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া তাহার ব্যক্তিগত ছবি তোলে এবং প্রকাশ করে বা প্রেরণ করে বা বিকৃত করে বা ধারণ করে তাহা হইলে এমন কার্য ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে অপরাধ হইবে।’
আইনের একই ধারার ২ নম্বর উপধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন বা তদাধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের কোনো বিধানের অধীন কোনো ইলেকট্রনিক রেকর্ড, বই, রেজিস্টার, পত্র যোগাযোগ, তথ্য, দলিল বা অন্য কোনো বিষয়বস্তুতে প্রবেশাধিকারপ্রাপ্ত হইয়া, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি ব্যতিরেকে, কোনো ইলেকট্রনিক রেকর্ড, বই, রেজিস্টার, পত্র যোগাযোগ, তথ্য, দলিল বা অন্য কোনো বিষয়বস্তু অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট প্রকাশ করেন, তাহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ।’
উল্লিখিত ধারার ১ নম্বর উপধারায় বর্ণিত অপরাধের জন্য সাজা নির্ধারণ করে বলা হয়েছে, ‘উপধারা ১-এর অধীনে কোনো অপরাধ করিলে তিনি অনধিক পাঁচ বছর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১০ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।’
উপধারা ২-এ দণ্ডের বিষয়ে বলা হয়েছে, ‘এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধ করিলে তিনি অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।’
পর্নোগ্রাফি ও শিশু পর্নোগ্রাফির দণ্ড
পর্নোগ্রাফি ও শিশু পর্নোগ্রাফি রোধে আইনের ১৮ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম বা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি বা অশ্লীল উপাদান উৎপাদন বা প্রকাশ করলে কিংবা সংরক্ষণ করলে অথবা এ ধরনের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করলে, বিজ্ঞাপনদাতা কর্তৃক পর্নোগ্রাফি বা অশ্লীল উপাদানসমূহ বিতরণ বা প্রদর্শন করলে এই আইন লঙ্ঘন হবে। এর দায়ে কোনো ব্যক্তির এক বছর কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
১৮ ধারার ২ নম্বর উপধারায় বলা হয়েছে, কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা কোনো ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে শিশু পর্নোগ্রাফি বা শিশু সম্বন্ধীয় অশ্লীল উপাদান উৎপাদন বা প্রকাশ বা সংরক্ষণ বা বিতরণ বা প্রদর্শন করলে বা এগুলোতে শিশু পর্নোগ্রাফি বা এ ধরনের অশ্লীল উপাদান প্রবেশ করলে আইন অনুযায়ী অপরাধ হবে। সে অপরাধে কোনো ব্যক্তির ১০ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
আইনে এসব অপরাধের বিচার বিদ্যমান সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তির কথা বলা হয়েছে। অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।
শিশু পর্নোগ্রাফি রোধে কঠোর বিধানের কথাও বলা হয়েছে খসড়া এই আইনে। প্রস্তাবিত আইনের ১৭ নম্বর ধারার ৪ (গ) উপধারায় বলা হয়েছে, ‘গোপনীয় অঙ্গ অর্থ নগ্ন বা অন্তর্বাস পরিহিত যৌনাঙ্গ, যৌনাঙ্গের আশপাশ, নিতম্ব বা মহিলার স্তন।’

এম. বেলাল হোসাইন
এসএম আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্চু: উত্তর কালিগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে যে কোন সময় ঘটতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা। অবকাঠামোসহ বিভিন্ন সমস্যার বিষয়টি কর্তৃপক্ষ অবগত হলেও অজ্ঞাত কারণে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। গত ২০ আগষ্ট বিকেলে ওই বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে উত্তর কালিগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরীর উদ্যাগে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে কবিতা পাঠের আসরে যেয়ে বিদ্যালয়ের ভবন ও ছাদের বেহাল অবস্থা চোখে পড়ে। ছাদের বিভিন্ন স্থানের পলেস্তারা ধ্বসে পড়েছে। দেখা যাচ্ছে লোহার রড। এদিন ‘কবিতা রুখবেই জঙ্গিবাদ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠের আসরের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান বিদ্যালয়ের ক্ষতিগ্রস্থ ভবন পরিদর্শন করে দ্রুত সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন। এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিমুল কুমার সাহা, কালিগঞ্জ কলেজের সাবেক অধ্যাপক বিশিষ্ট সাহিত্যিক অধ্যাপক গাজী আজিজুর রহমান, সাবেক অধ্যাপক মুনসুর আলী, অধ্যাপক আব্দুল খালেক, অধ্যাপক শ্যামাপদ দাশ, সোহরাওয়ার্দী পার্ক কমিটির সদস্যসচিব এড. জাফরুল্লাহ ইব্রাহীম, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ও অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কালিগঞ্জ শাখার সভাপতি সুকুমার দাশ বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান শিমুল, রিপোর্টার্স ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক এসএম আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পরিমল ঘোষ জানান, ১৮৮৫ সালে স্থাপিত এ বিদ্যালয়টিতে ৩৬৬ জন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। এখানে ১১ জন শিক্ষকের স্থলে রয়েছে ৮ জন। এরপরও বিগত সমাপনী পরীক্ষায় ৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে। তিনি আরও জানান, সামান্য একটু বৃষ্টি হলেই বিদ্যালয় চত্ত্বরে পানি জমে যায়। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নানা প্রতিকুলতার মধ্যে পাঠ গ্রহণ করতে হচ্ছে। নানা সমস্যায় জর্জরিত এই বিদ্যালয়টি অবকাঠামো নির্মাণ ও ক্ষতিগ্রস্থ ভবনের জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। এলাকাবাসী জানান, বিদ্যালয় চত্ত্বরের বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথ থাকলেও বর্তমানে একটি প্রভাবশালী মহল সেটি বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে একটু বৃষ্টি হলেই বিদ্যালয় চত্ত্বরে পানি জমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দুর্দশা সৃষ্টি হয়। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিয়ে অতি দ্রুত বিদ্যালয়ের যাবতীয় সমস্যা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ডি. এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন : দিনভর টানা বৃষ্টির কারনে সুন্দরবন উপকূলীয় শ্যামনগরের কাশিমাড়ী ইউনিয়নের সমস্ত নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। খাল বিল পুকুর,নদী-নালা পানিতে ডুবে একাকার। অব্যাহত বৃষ্টির কারনে সুন্দরবন সংশ্লিষ্ট নদী গুলোতে ব্যাপক পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারনে জোয়ারের ঢেউয়ের তোড়ে ঝুকিপুর্ন কাশিমাড়ীর পাউবোর বাধগুলো যে কোন মুহর্তে ভেঙ্গে যেতে পারে।
মাহফুজুর রহমান: ২২ অগাস্ট সাতক্ষীরা রেঞ্জাধীন কদমতলা ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ তার সঙ্গীয় স্টাফসহ ট্রলার যোগে টহল দানকালে পশুরতলা খাল নামক স্থানের নিকটবর্তী হলে ভোর আনু: ৪টার দিকে ২টি নৌকার গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তিনি তাদেরকে নৌকা নিয়ে কাছে আসতে বলেন। এসময় নৌকা ২টি বনের বিপরীত দিকের কেওড়া বাগানের কাছে কিনারায় ভিড়িয়ে নৌকা হতে লোকজন লাফিয়ে পড়ে এবং বাগানের ভিতর দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
এম বেলাল হোসাইন: পাচারকারীদের কবল থেকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের ৩ নারী উদ্ধার হলেও মামলা হয়নি। স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু উঠতি নেতাদের ছত্রছায়ায় রক্ষা পেয়ে যাচ্ছে পাচারকারীচক্র। এতে করে এলাকায় সাধধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পাচারের কবল থেকে রক্ষা পাওয়া ওই নারীদের শাসানো হয়েছে মামলা না করার জন্য।
জি.এম আবুল হোসাইন : সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের ৪৪নং বলাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্মুখে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। সরকার স্কুল অনুমোদনের জন্য যে সব শর্ত রেখেছে তার মধ্যে অন্যতম শর্ত হচ্ছে স্কুলে খেলার মাঠ থাকা। সরকারের শর্ত পূরণ করতে সদর উপজেলার সম্মুখে রয়েছে বলাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েছে বৃহৎ মাঠের ব্যবস্থা রয়েছে, কিন্তু অপ্রিয় সত্য হল সেখানকার চিত্র দেখলে মনে হয়, এটি খেলার মাঠ নয়, বরং মাছ চাষের আবাদ। বিদ্যালয়ে প্রায় ২শত জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। স্কুল শুরুর আগে ও পরে স্কুল মাঠ ছাত্রছাত্রীদের কলকাকুলিতে ভরে ওঠে। এলাকার শত শত ছেলেমেয়েদের স্কুল সময়ে মুক্ত আবহাওয়া প্রাপ্তি, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, ক্রীড়া-বিনোদনের জন্য এটি ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু টানা বর্ষণের কারণে সেখানে বর্তমানে খেলার কোন সুযোগ নেই বরং হাটু পানিতে কিংবা তারও বেশী পানি জমে আছে। বাধ্য হয়ে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের অনুষ্ঠান কোন রকমে সেরে নিতে হচ্ছে। মাঠটি এখন পানিতে টইটম্বুর। ফলে স্কুলের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি এলাকার খেলাধূলা ও মুক্ত অবকাশের জন্য ব্যবহৃত মাঠটি ব্যবহারের সুযোগ বঞ্চিত হয়ে শিশু ও যুব সম্প্রদায় মনোকষ্টে রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, মাঠের পানি নিস্কাশনের জন্য সুব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে মাঠে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে মাঠটি পানিতে তলিয়ে থাকে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন বলেন, স্কুলের মাঠ ১ থেকে দেড় ২ ফুট পানিতে তলিয়ে থাকে। ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত মাঠটি ব্যবহার করা যায়না। স্কুলের মাঠের পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় এঅবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মল্লিকা পারভীন বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে স্কুলে আসতে অসুবিধা হয়। অনেক সময় পা পিছলে পড়ে গিয়ে জামাকাপড়, বই খাতা ভিজে যায়। ৫ম শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমরা স্কুল মাঠে এসময় খেলাধুলা করতে পারি না। পানিতে সবাই মিলে লাইনে দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারি না। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইকবাল আনোয়ার সুমন বলেন, শিক্ষার্থীদের অনেক অসুবিধা হয়। এব্যাপারে আমি চেয়ারম্যানকে জানিয়ে ব্যবস্থা নেব। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. মাহমুদুর রহমান স্বপন সহ এলাকার সচেতন ব্যক্তিরা এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।