সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোকশ্যামনগরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে আহতের একদিন পর এক ব্যক্তির মৃত্যুকপ৩১-কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা: ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের দাবিসাতক্ষীরার সুন্দরবন রেঞ্জের ৬৮টি খালে বিভিন্ন মাত্রায় বিষ প্রয়োগের তথ্য গবেষণায় উঠে এসেছেসাংবাদিক হাফিজুর রহমানের মায়ের ইন্তেকাল,প্রেসক্লাবের শোকঅসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবিতালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা জাসদের আলোচনাসভা ও সম্মেলনসাতক্ষীরায় একই পরিবারের চার সদস্যকে অজ্ঞান করে সোনার গহনাসহ সাত লাখ টাকার মালামাল চুরিজাকারিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন: এক সপ্তাহের আলটিমেটাম

অর্থনীতির খবর: করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় তা নিয়ন্ত্রণে অর্ধেক সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সিদ্ধান্ত সোমবার (২৪ জানুয়ারি) থেকে বাস্তবায়ন শুরু হবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তা কার্যকর থাকবে।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন (ডিওএস) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো- স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক রোস্টারিংয়ের মাধ্যমে অর্ধেক সংখ্যক কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। তবে আবশ্যকীয় ব্যাংকিং সেবা অব্যাহত রাখার নিমিত্তে প্রয়োজনের নিরিখে স্বীয় বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে; অন্যান্য কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম ভার্চুয়ালি সম্পন্ন করবেন; ব্যাংকে আগত সেবাগ্রহীতাদের আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত নির্দেশাবলী কঠোরভাবে পরিপালন করতে হবে।

এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আজ সোমবার থেকে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি অফিস অর্ধেক জনবল দিয়ে চালাতে হবে। ব্যাংক-বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কিশোরীদের মাসব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণ শুরু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা শহরের নি¤œ আয়ের পরিবারের কিশোরীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মাসব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে সাতক্ষীরা পৌরসভার রাজারবাগান ঋষিপাড়ায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে আশার আলো কিশোরী সংগঠনের আয়োজনে এবং বেসরকারি উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের সহযোগিতায় এই সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বারসিকের গবেষণা সহকারী গাজী মাহিদা মিজান ও যুব সংগঠক জাহাঙ্গীর আলম। আশার আলো কিশোরী সংগঠনের ১৫ জন সদস্যের অংশগ্রহণে মাসব্যাপী এই সেলাই প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষণ দেবেন প্রশিক্ষক পূর্ণিমা দাসী।

অনুষ্ঠানে বারসিকের গবেষণা সহকারী গাজী মাহিদা মিজান বলেন, সেলাই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আত্ম কর্মস ংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। আত্ম কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে সাবলম্বী হতে পারলেই অন্যের উপর নির্ভশীলতা কিছুটা হলেও কমবে। একই সাথে পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরবে।

এসময় তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে আশার আলো কিশোরী সংগঠনের সভাপতি শিখা দাস বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করা যায়। এতে প্রশিক্ষণার্থীরা অবশ্যই লাভবান হবে। পাশাপাশি এলাকার কিশোরীদের ঝড়ে পড়া কিছুটা হলেও রোধ করা যাবে। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী ঝাল মিষ্টি নিয়ে সাতক্ষীরায় মৌবন সুইটস যাত্রা শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি :
কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী ঝাল মিষ্টি সহ ৩০ রকমের মিষ্টি নিয়ে সাতক্ষীরায় যাত্রা শুরু করেছে মৌবন সুইটস। সোমবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা শহরের কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল সংলগ্ন সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের পাশে ফিতা কেটে মৌবন সুইটস এর উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মোকলেছুর রহমান, ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ সফিক উদ দৌলা সাগর, যুবলীগ নেতা কামরুল ইসলাম, মৌবন সুইটস এর স্বত্বাধিকারী মো: দেলোওয়ার হোসেন প্রমুখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন, মৌবন সুইটস এর স্বত্বাধিকারী মো: দেলোওয়ার হোসেন এর পিতা আবু বকর সিদ্দিক।
মৌবন সুইটস এর স্বত্বাধিকারী মো: দেলোওয়ার হোসেন বলেন, এখানে কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাসী ঝাল মিষ্টি পাওয়া যাবে। এছাড়াও ৩০ রকমের মিষ্টি রয়েছে। এছাড়াও শহরের বাইপাস সড়কের ধারে তাদের আরো একটি শাখা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে কোস্টগার্ডের অভিযানে ৩ লক্ষাধিক টাকা ভারতীয় ওষুধ সহ আটক ২

শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমান ভারতীয় ঔষধসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করে। রবিবার ২৩ জানুয়ারি বিকাল ৪টার দিকে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন অধীনস্থ বিসিজি স্টেশন কৈখালীর সদস্যরা শ্যমনগর উপজেলার কৈখালী জয়খালী সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনায়
৭ হাজার ৯৫৯ পিস বিভিন্ন প্রকারের ভারতীয় ঔষধ সহ দুই জনকে আটক করে। আটককৃত ঔষধ এর দাম আনুমানিক ৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা।
আটককৃতরা হলেন উপজেলার শ্যামনগর সদর ইউনিয়নের চিংড়ীখালী গ্রামের নূর মোহাম্মদ গাজীর ছেলে মোঃ আজমির হোসেন(২৮) ও কৈখালী ইউনিয়নের পরানপুর গ্রামের মোঃ দাউদ শেখের ছেলে সাকিব (১৪)।
আটককৃত ঔষধ ও আটককৃত ব্যক্তিদের যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয় কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করেন । এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ ভারপ্রাপ্ত ওসি তদন্ত মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, আসামীদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে ধর্ষণের শিকার মানসিক প্রতিবন্ধীকে শ্যামনগর পৌঁছে দিলেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি

নিজস্ব প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের কন্যা মানসিক প্রতিবন্ধী। এক লম্পটের ধর্ষনের কারণে গর্ভবতী হয়ে পড়ে। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার সন্তান জন্ম নেওয়ার পর মৃত্যু বরণ করে। এখনো পর্যন্ত পুরোপুরি সুস্থ হতে পারেনি ওই প্রতিবন্ধী নারী।

তার পিতা হতদরিদ্র হওয়ায় কারনে হাসপাতাল কর্তৃক তাকে ছেড়ে দিলেও গাড়ী ভাড়া না থাকায় নিজ বাড়ী শ্যামনগরে ফিরতে পারছিলেন না।

খবর পেয়ে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান সম্পূর্ণ নিজ খরচে উন্নত এ্যাম্বুলেন্স যোগে ওই প্রতিবন্ধী নারীকে বাড়িতে পৌছে দেন। এছাড়া তার সুস্থ না হওয়ায় পর্যন্ত ঔষধপত্রের ব্যবস্থা করেন এবং প্রয়োজনীয় আরো ঔষধ পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন জানিয়েছেন তিনি।
ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের মজিদা খাতুন জানান,

স্থানীয় সামাজিক সংগঠন এর সাথে যোগাযোগ করলে তারা সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান কে জানায়। সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান তাদের এ্যম্বুলেন্স এর ব্যবস্থা করে দিয়েছে, ঔষধের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন এবং আগামীতে যেকোন সমস্যার সম্মুখীন হলে জানাতে বলেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। ডাকাতদল জালনার গ্রিল ভেঙ্গে নগদ টাকা স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে। রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
বাড়ির মালিক রাজাপুর গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদ গাজীর পুত্র আবু সাইদ গাজি জানান,

তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে রবিবার রাতে তিন লক্ষ আশি হাজার টাকা নিয়ে বাড়িতে আসেন, সকালে পাওনাদারকে দেওয়ার জন্য। রাত দেড়টার দিকে ৮/১০ জনের একটি ডাকাত দল জালনার গ্রিল কেটে ভিতরে প্রবেশ করে। পরে পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ক্যাশ বাক্স থাকা নগদ তিন লক্ষ আশি হাজার টাকা, দশ ভরি স্বর্ণ অলংকার, ১৪ ভরি রুপাসহ বাড়ির মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়।

এ সময় আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য দুটি বোমা নিক্ষেপ করে তারা।
তিনি আরো জানান, জালনার কাটার শব্দ বুঝতে পেরে আমি বাড়ির ছাদ দিয়ে পালিয়ে যায়। বাড়ির বাইরে গিয়ে চিৎকার দিলে ডাকাতরা দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার সময় জুতা অন্যান্য জিনিসপত্র রেখে পালিয়ে যায়। তবে তিনি দুইজনকে চিনতে পেরেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান।

আশাশুনি থানার এসআই আমিনুল ইসলাম জানান, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি ওসি স্যারকে অবহিত করেছি। তিনি আসছেন এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এ ঘটনায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় প্রকৌশলীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি : ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুট

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা জেলা শহরের অদূরে লাবসা দরগাপাড়া এলাকায় কাজী আব্দুর রাশীদ নামের এক প্রকৌশলীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। সোমবার ভোর রাত ৪ টার দিকে ১০ থেকে ১২ জন অস্ত্রধারী ডাকাত বাড়ির গ্রীল ভেঙে সবাইকে জিম্মি করে ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ৮০ হাজার টাকা , একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা লুট করে নিয়েগেছে। ডাকাতদের অস্ত্রাঘাতে প্রকৌশলী আব্দুর রাশীদের বৃদ্ধা মা রাহেলা বেগম (৮২) মারাত্মক জখম হয়েছে। সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ, র‌্যাবের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
বাড়ির মালিক প্রকৌশলী কাজী আব্দুর রাশীদ জানান, রাত ৪ টার দিকে ৬ থেকে ৭ জন ডাকাত জ¦ানালার গ্রীল ভেঙে ঘরের ভিতর প্রবেশ করে। প্রথমে তারা তার বৃদ্ধা মা রাহেলা বেগম কে রাম-দা দিয়ে আঘাত করে।

তিনি মারাত্বক জখম হন। মার চিৎকারে দ্বিতীয় তলা থেকে নেমে এসে দেখতে পায় রক্তাক্ত অবস্থা। সবার হাতে রাম দা। তারা একে একে বাড়ির সবাইকে বেঁধে ফেলে এবং মোবাইল গুলো নিয়ে নেয়। অস্ত্রেরমুখে তাদেরকে জিম্মি করে আলমারীর চাবি নিয়ে নগদ টাকা ও সোনার গহনা নিয়ে যায়। তিনি বলেন, ডাকাতদের বয়স ২০ থেকে ২৫ বসরের মধ্যে হবে। মুখে কাপড় বাঁধা ছিল। তারা যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে বলেগেছে , কাউকে বললে পরবর্তীতে তাদের ছেলে মেয়েদের অপহরন করা হবে।
প্রকৌশলী কাজী আব্দুর রাশীদের একমাত্র মেয়ে আমেরিকা প্রবাসী শাম্মা বিনতে রাশীদ (৩০) জানান, ২৫ দিন আগে তিনি আমেরিকা থেকে বাড়িতে ফিরেছেন। তার, তার মা ও চাচির গায়ে যত গহনা ছিলো সবই ডাকাতরা কেড়ে নিয়ে গেছে। এছাড়া আলমারীতে যেসব গহনা ও টাকা ছিলো তাও নিয়ে গেছে। সমস্ত বাড়ি তছনছ করেছে দুর্বৃত্তরা। ডাকাতরা সবাই যুবক। ঘরের ভিতর ৬/৭ জন প্রবেশ করে। ঘরের বাইরে ছিল আরও ৪/৫ জন।
প্রকৌশলী কাজী আব্দুর রাশীদের স্ত্রী শাকিলা হোসেন (৫২) জানান, বাড়িতে আমরা ৮জন ছিলাম। তারা সবার হাত বেঁধে ফেলে। রাম-দা, সাবলসহ দেশীয় অস্ত্র ছিলো তাদের হাতে। প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণাংকার, নগদ ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা, একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা লুট করে নিয়েগেছে। যাওয়ার সময় মোবাইল গুলো ঘরের ভিতর ফেলে রেখে গেছে তারা।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি গোলাম কবীর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বাড়ির মালিক প্রকৌশলী কাজী আব্দুর রাশীদ এ ব্যাপারে অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনা জানার পরপরি তিনিসহ পুলিশের উদ্ধর্তন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, মনে হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত ডাকাতির ঘটনা। সোমবার ভোর রাত ৪ টার দিকে একটি সঙ্গবদ্ধ ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে গেষ্টরুমের গ্রীল ভেঙে বাড়ির ভিতর প্রবেশ করে। পুলিশ ডাকাতির ঘটনায় জড়ীতদের খোঁজে মাঠে নেমেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রশ্নফাঁসে গ্রেফতার আ. লীগ নেত্রীকে জেলা কমিটি থেকে অব্যাহতি

রাজনীতির খবর: ঢাকায় হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসে জড়িয়ে গ্রেফতার হওয়া মাহবুবা নাসরীন রূপাকে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে তার প্রাথমিক সদস্য পদ সম্পর্কে কেউ কিছু বলতে পারছেন না।

জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আল রাজি জুয়েল রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, দুপচাঁচিয়া উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রূপা কখন ও কোথায় আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ পেয়েছেন সে সম্পর্কে তাদের কিছু জানা নেই। তার বিরুদ্ধে কেন্দ্র থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

রূপা গ্রেফতার হওয়ার বিষয়টি রোববার দিনভর বগুড়া শহর ও তার গ্রামের বাড়ি দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ব্যাপক আলোচিত হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছাত্রলীগ ইডেন কলেজ শাখার সাবেক যুগ্ম আহবায়ক, বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও দুপচাঁচিয়া উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবা নাসরীন রূপা দুপচাঁচিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত ভুঁইপুর গ্রামের মৃত আতাউর রহমানের মেয়ে। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি বড়। বাবা আতাউর রহমান দীর্ঘদিন ঢাকায় বেসরকারি অফিসের নিরাপত্তা প্রহরীর চাকরি করতেন। গ্রামে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে ঢাকায় বাবার কর্মস্থলে লেখাপড়া করেন। ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন।

গত ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে তিনি হঠাৎ করেই ঢাকা থেকে দুপচাঁচিয়ায় এসে ১৪ দল মনোনীত জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগে নামেন। পরে গত ২০১৯ সালের মার্চে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার পর এলাকায় তার পরিচিতি প্রকাশ পায়।

ঢাকার ইডেন কলেজের ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক পরিচয়ে তিনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের আশীর্বাদ নিয়ে নির্বাচনে মাঠে নামেন। সরকারি দলের পরিচয় দিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বেশ কয়েকজন নারী প্রার্থীকে ডিঙ্গিয়ে তিনি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হবার কিছু দিনের মধ্যেই তার বাবা মারা যান। তারপর শুরু হয় উপজেলা আওয়ামী লীগের নেত্রী পরিচয়ে বিভিন্ন দপ্তরে তার দাপট।

নির্বাচনে জিতে শপথ গ্রহণের পর উপজেলা পরিষদের প্রথম মিটিং এ তিনি আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের ইশারায় উপজেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ নির্বাচিত হন। তিনি ভুঁইপুর গ্রামে না থেকে চাচা দেলোয়ার হোসেনের গোবিন্দপুরের পালিমহেশপুর গ্রামে থাকতেন। চাচার বাড়িতে থেকেই তিনি আপন ভাই রকিবুল হাসান রকিকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল কাদেরের সঙ্গে থাকা ছবি দেখিয়ে তিনি এলাকায় প্রভাব সৃষ্টি করেন। তার হস্তক্ষেপে হাইব্রিড নেতাদের নিয়ে দুপচাঁচিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি করা হয়েছে।

রূপার চাচা সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ফোনে বলেন, নবম ও দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় ঢাকার জিরানীবাজার এলাকায় একজনের সঙ্গে রূপার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের দেড় বছরের মাথায় তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বাবা-মা না থাকায় এবং ছোটবোন শিউলী স্বামীর বাড়িতে এবং ছোটভাই রকি ঢাকায় লেখাপড়ার কারণে মাঝে মধ্যেই রূপা আমার বাসায় অবস্থান করত। তার বিষয়ে খারাপ কোনো কিছুই আমি আগে শুনিনি।

দুপচাঁচিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিনুর রহমান জানান, মাহবুবা নাসরীন দুপচাঁচিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নন। তিনি কীভাবে জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য হলেন তা জানা নেই।

তিনি আরও বলেন, অপরাধ যেই করুক না কেন দল কোনো দায়িত্ব নেবে না।

দুপচাঁচিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফজলুর রহমান জানান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রূপা পরিষদের সব কর্মসূচিতে সক্রিয়।

উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন হেলাল জানান, ভাইস চেয়ারম্যান রূপার পারিবারিক অবস্থা ভালো নয়। এখানে কোনো জমিজমা বা চোখে পড়ার মতো কোনো সম্পদ নেই। বর্তমানে কালী মহেশপুর গ্রামের বাড়িতে আসা যাওয়া করেন।

তিনি বলেন, রূপা এলাকায় দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নামে দাপট দেখাতেন।

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আল রাজি জুয়েল জানান, গণমাধ্যমে প্রচারিত ও প্রকাশিত সংবাদে ঢাকায় সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাহবুবা নাসরীন রূপা জড়িত থাকার বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয়েছে; যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। তার এহেন কর্মকাণ্ডে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তাই দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় মাহবুবা নাসরীন রূপাকে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো। তবে রূপা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ কোথায় পেয়েছেন সে প্রসঙ্গে দপ্তর সম্পাদক কিছু বলতে পারেননি।

স্থানীয় নেতারা বলছেন, রূপা দলের প্রাথমিক সদস্য না হলেও উচ্চ মহলের চাপে তাকে জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য পদ দেওয়া হয়। রূপা অনেকের মতো এলাকায় ‘হাইব্রিড’নেতা হিসেবে পরিচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest