সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভাকলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক- সম্পাদক ফারুকীসাতক্ষীরা সদরের ৫ নং শিবপুর ইউনিয়নে কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিতশ্যামনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলমের ব্যানার কেটে নষ্ট করার অভিযোগসাতক্ষীরা- খুলনা মহাসড়কের আঠারো মাইলে ঝরলো ৬ প্রাণতালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার দায়ে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মাত্র ২০ কার্যদিবসে সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি সম্পন্ন করে দ্রুততম সময়ে এই রায় দিয়েছেন সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমানের আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সিনিয়র জেলা জজ শেখ মফিজুর রহমান এক জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে আসামি উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রায়হানুর ইসলাম একই এলাকার বাসিন্দা।

আসামি পক্ষের আইনজীবী এসএম হায়দার জানান, এ রায়ে তিনি সন্তুষ্ট নন। তিনি আপিল বিভাগে আবেদন করবেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১৪ অক্টোবর গভীররাতে কলারোয়ার খলিশা গ্রামে ঘুমন্ত অবস্থায় একইপরিবারের চার সদস্যকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। নিহতরা হলেন- গৃহকর্তা শাহিনুর ইসলাম (৪০), স্ত্রী সাবিনা খাতুন (৩০), ছেলে সিয়াম হোসেন মাহি (০৯) ও মেয়ে তাসমিন সুলতান (০৭)।

এ ঘটনার পরদিন ১৫ অক্টোবর সকালে কলারোয়া থানায় নিহত শাহীনুরের শাশুড়ি কলারোয়া উপজেলার উফাপুর গ্রামের রাশেদ গাজীর স্ত্রী ময়না খাতুন বাদী হয়ে কারো নাম উল্লেখ না করে একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্তে নেমে শাহীনুরের ভাই রায়হানুর রহমান, একই গ্রামের রাজ্জাক দালাল, আব্দুল মালেক ও ধানঘরা গ্রামের আসাদুল সরদারকে গ্রেফতার করে সিআইডি। ২১ অক্টোবর আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন রায়হানুর।

ওই বছরের ২৪ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম রায়হানুরের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় ১৪ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডাবের পানির অনেক গুণ

স্বাস্থ্য ও জীবন : সমুদ্রপাড়ে সবাই কেন ডাব খায় ভেবে দেখেছেন? তীব্র রোদের সময় শরীর পানি শূন্য হয়ে যায়। ফলে দুর্বল লাগে। এমন সময় ডাবের পানি ক্লান্তি দূর করে। আরও কিছুক্ষণ রোদের মধ্যে থাকার শক্তিও জোগায়। আর নিয়মিত ডাবের পানি পানের উপকারিতা তো আছেই। এটি ত্বক, হৃৎপিণ্ড, রক্তচাপ ঠিক রাখতে ও হজমে সহায়তা করে।

#তারুণ্য ধরে রাখে

বয়স ধরে রাখতে ডাবের পানি বেশ উপকারী। ত্বক টান টান রাখতে প্রতিদিন ডাবের পানি পান করা ভালো। ব্রণ ও অন্যান্য ত্বকের সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয় ডাবের পানি।

#চুল পড়া রোধ

চুল পড়া রোধে ডাবের পানি খেতে পারেন। এটি চুলের গোড়া শক্ত করে। ডাবের পানিতে থাকা ভিটামিন, মিনারেলস, অ্যামিনো অ্যাসিড চুলের স্বাস্থ্যও ভালো করে।

#হজমক্ষমতা বাড়ায়

শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি হলে অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যার সমাধান করে ডাবের পানি। ফাইবার থাকায় এটি হজমে সহায়তা করে।

#পানিশূন্যতা রোধ করে

পানিশূন্যতা দূর করে বলে ডায়রিয়ার সময় ডাবের পানি পান করা হয়। পানিশূন্যতা দেখা দিলে শরীর থেকে অনেক উপাদান বের হয়ে যায়। সেই ঘাটতি পূরণ করে ডাবের পানি।

#হাড় শক্ত করে

হাড় শক্ত করা ও হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়তা করে ডাবের পানি। হাড়ক্ষয় রোগ, যেমন আর্থরাইটিস প্রতিরোধে ডাবের পানি পান করা জরুরি।

#সতর্কতা

ডাবের পানির উপকারিতা বলে শেষ করা যায় না। তবে ডাবের পানিতে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি থাকে। ফলে কিডনি রোগীদের জন্য ডাবের পানি ক্ষতির কারণ হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বয়সে ১২ বছরের ছোট প্রেমিকের সঙ্গে ব্রিটনি স্পিয়ার্সের বাগদান

বিনোদন ডেস্ক : দীর্ঘদিনের প্রেমিক স্যাম আসগারির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছেন পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। স্যামকে পাশে নিয়ে নিজের ডান হাতের অনামিকায় পরা আংটির ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে ভক্তদের এ সুখবর দিয়েছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ব্রিটনি লিখেছেন, “কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছি না।”

ব্যক্তিগত জীবন ও সম্পদের নিয়ন্ত্রণ পেতে বাবা জেমির বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই এ ঘোষণা দিলেন ৩৯ বছর বয়সী যুক্তরাষ্ট্রের এ পপ তারকা।

২৭ বছর বয়সী আসগারি পেশায় একজন অভিনেতা ও ফিটনেস ট্রেইনার। ব্রিটনির সঙ্গে চুম্বনরত একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন স্যাম; সেখানে ব্রিটনির আঙুলে আংটির দেখা মিলেছে।

স্যামের ব্যবস্থাপক ব্রান্ডন কোহেন পিপল ম্যাগাজিনকে জানান, তাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণতা পেল সোমবার।

২০১৬ সালে একটি মিউজিক ভিডিওর সেটে পরিচয় হয় তাদের। পরিচয় থেকে সেই সম্পর্ক প্রণয়ে রূপ পায়; যা এখন পরিণয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের খলিসা গ্রামে এক পরিবারের চার জনকে হত্যা মামলার রায় আজ মঙ্গলবার। এরই মধ্যে ১৮ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং মামলার বাদি ও বিবাদি পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনসহ অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় জেলা ও দায়রা জজ আদালত রায় ঘোষণার জন্য ১ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করেছিলেন। পরে এই তারিখ পরিবর্তন করে ১৪ সেপ্টেম্বর ধার্য করা হয়।

সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমানের আদালতে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। এ মামলার চার্জশিটভুক্ত একমাত্র আসামি নিহত শাহীনুর রহমানের ভাই রায়হানুল ইসলাম বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০২০ সালের ১৪ অক্টোবর গভীর রাতে কলারোয়ার হেলাতলা ইউনিয়নের খলিসা গ্রামে একই পরিবারের যে চার জনকে গলাকেটে হত্যা করা হয় তারা হলো—মো. শাহীনুর রহমান (৪০), তাঁর স্ত্রী সাবিনা খাতুন (৩০), ছেলে সিয়াম হোসেন মাহী (১০) ও মেয়ে তাসমিন সুলতানা (৮)। ঘাতক শাহীনুর ইসলামের চার মাসের সন্তান মারিয়া সুলতানাকে অক্ষত অবস্থায় ঘটনাস্থলে রেখে যান।

তদন্ত শেষে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) জানায়, ওই চার জনকে প্রথমে ঠান্ডা পানীয়র সঙ্গে চেতনানাশক দ্রব্য খাওয়ানো হয়। গভীর রাতে ঘুমের মধ্যে তারা অচেতন হয়ে পড়লে ওই পরিবারের সদস্য রায়হানুল ইসলাম তাঁর ভাই, ভাবি ও তাঁদের দুই সন্তানের পা বেঁধে গলাকেটে হত্যা করেন। পরে ধারালো অস্ত্রটি নিকটস্থ একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করে সিআইডি। ঘটনার পর ১৫ অক্টোবর সকালে শাহীনুরের ভাই রায়হানুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডির সাতক্ষীরা পুলিশ পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, রায়হানুল একাই চার জনকে গলাকেটে হত্যা করেছেন বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ১৬৪ ধারায়ও সেই হত্যার ঘটনা স্বীকার করেন তিনি। এই মামলায় খুব অল্প সময়ের মধ্যে একমাত্র আসামি রায়হানুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়।

এই মামলায় ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। একজন সাফাই সাক্ষীও দিয়েছেন। দুপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ মঙ্গলবার চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফোনে আড়িপাতা বন্ধে রিট নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ ১৯ সেপ্টেম্বর

দেশের খবর : টেলিফোনে আড়িপাতা বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর আদেশ দেবেন হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদনটির ওপর শুনানি গ্রহণ শেষে আদেশের এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। বিটিআরসির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা ই রাকিব। শুনানি শেষে শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ১০ আগস্ট ফোনে আড়িপাতা বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। রিটে ফোনালাপ ফাঁসের ২০টি ঘটনা তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবীর পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এ রিট দায়ের করেন।

রিটকারী আইনজীবীরা হলেন- অ্যাডভোকেট রেজওয়ানা ফেরদৌস, উত্তম কুমার বণিক, শাহ নাভিলা কাশফী, ফরহাদ আহমেদ সিদ্দীকী, মোহাম্মদ নওয়াব আলী, মোহাম্মদ ইবরাহিম খলিল, মুস্তাফিজুর রহমান, জি এম মুজাহিদুর রহমান (মুন্না), ইমরুল কায়েস ও একরামুল কবির।

ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে গত ২২ জানুয়ারি টেলিফোনে আড়িপাতা বন্ধে সাত দিনের মধ্যে পদক্ষেপ জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের এই ১০ আইনজীবী। এতে ২০১৩ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১৬টি আড়িপাতার ঘটনা নোটিশে উল্লেখ করা হয়। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার সংলাপ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ফোনালাপ, প্রয়াত সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ও রাজশাহী মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার নাজমুল হাসানের ফোনালাপ উল্লেখযোগ্য। এসব আড়িপাতার ঘটনা বাংলাদেশের গণমাধ্যমে বহুল প্রচারিত ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

নোটিশে বলা হয়, সার্বজনীন মানবাধিকার সনদপত্র, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী পৃথিবীর সব আধুনিক ব্যবস্থায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার স্বীকৃত ও সংরক্ষিত। এরই ধারাবাহিকতায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে চিঠিপত্র ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা সংরক্ষণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এই অধিকার সংবিধান কর্তৃক নিশ্চিত করা হয়েছে। অর্থাৎ সংবিধানের তৃতীয়ভাগে উল্লেখিত মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংরক্ষণ অন্যতম।

এ ছাড়া ২০০১ সালের ১৬ এপ্রিল বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি অ্যাক্ট, ২০০১ প্রণয়ন করা হয়। এই আইনের ধারা ৬ অনুযায়ী টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়। ধারা ৩০ (চ) অনুযায়ী টেলিযোগাযোগের একান্ততা রক্ষা নিশ্চিত করা এই কমিশনের দায়িত্ব। কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, এই ধরনের ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনা অহরহ ঘটছে। অথচ বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী কমিশনের দায়িত্ব হল ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংরক্ষণ নিশ্চিত করা। নোটিশের জবাব না পাওয়ায় এ রিট করা হয় বলে জানান আইনজীবী শিশির মনির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় গৃহবধু আহত

কা‌লিগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ
কালিগঞ্জে পৈত্রিক সম্পত্তি ভাগবাটাকে কেন্দ্র করে ফরিদা খাতুন (৫০) নামে এক গৃহবধুকে পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষ। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার শীতলপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরে গৃহবধুর স্বামী কওছার আলী বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ ২/৩ জনকে অঙ্গাতোনামা আসামী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়নের শীতলপুর গ্রামের মৃত নেছারউদ্দীন গাজীর ছেলে কওছার আলী ও আবুল কাশেমের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। একপর্যায়ে ছোট ভাই আবুল কাশেম বড় ভাইয়ের সম্পতি জোরপূর্বক দখলে রাখে। এ নিয়ে বড় ভাই গত ১১ সেপ্টেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

ওই বিরোধের জের ধরে গত সোমবার সকাল সাড়ে ৭টা সঙ্গবদ্ধ সন্ত্রাসীরা বিরোধপূর্ণ জমিতে জোরপূর্বক সিমানা হরণ, ঘর বাঁধতে থাকে। তখন কওছার আলী সহ তার পরিবারের সদস্যরা বাঁধা দিলে প্রতিপক্ষরা হামলা চালিয়ে গৃহবধু ফরিদা খাতুনকে বেদম মারপিট করে গুরুত্বর আহত করে। এতে তার বাম পায়ের হাঁড় ভেঙে যায়। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে তার শারিরীক অবস্তা অবনতি হলে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সরেজমিনে গেলে স্হানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সম্পতি নিয়ে ভাই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ চলছিল। কিন্তু আবুল কাশেম তার বড় ভাইয়ের বিরোধপূর্ণ সম্পতি আত্মসাৎ করার পায়তারা করে আসছে। এ নিয়ে বড় ভাই থানায় অভিযোগ করলে কাশেম পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সঙ্গবদ্ধ সন্ত্রাসী দিয়ে এই হামলা চালিয়েছে। ঘটনাটি জানতে আবুল কাশেমের ব‌্যব‌হারিত মু‌ঠো ফো‌নে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে বন্ধ বলায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত!

কা‌লিগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী‌কে যৌন হয়রানির অ‌ভি‌যো‌গে প্রধান শিক্ষকে গণপিটুনি দি‌য়ে‌ছে অভিভাবকসহ এলাকাবাসি। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার বেলা ১১টার দি‌কে উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়নের ৪৪ নং ভদ্রখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। শিক্ষার্থীর পিতা ভদ্রখালী গ্রামের মিলন হোসেন সাংবাদিকদের জানান, প্রধান শিক্ষক ওয়াহেদুজ্জামান বাবলু দীর্ঘদিন যাবৎ বিদ‌্যাল‌য়ের শিক্ষার্থী‌দের সা‌থে যৌন হয়রানী করে আস‌ছিল। আমার কন্যার সা‌থে যৌন হয়রানির ঘটনা ঘট‌লে বিষ‌য়‌টি আমি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুন্নাহার কে অব‌হিত ক‌রি। তখন তিনি অামা‌কে প্রধান শিক্ষ‌ক‌কে বদলির আশ্বাস দি‌য়ে বলেন ঐ শিক্ষক আর ‌বিদ‌্যাল‌য়ে যাবে না। কিন্ত লকডাউন শেষে রবিবার প্রধান শিক্ষক‌কে বিদ্যালয়ে দেখে অভিভাবক মহলসহ গ্রামবা‌সিরা প্রতিবাদ ক‌রি। এসময় উত্তেজিত জনতা তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদুজ্জামান বাবলুর কা‌ছে জান‌তে চাই‌লে তিনি ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে মতবিরোধ ও ক্লাবের জায়গা লিখে না দেওয়ায় তারা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুন্নাহারের মোবাইল বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ক্লাস্টার অফিসার ও সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম মোস্তাফিজুর রহমানের কা‌ছে জান‌তে চাই‌লে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তি‌নি বলেন, প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা ছিল না। তাকে বদলির আবেদন করতে বলা হয়েছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঐ বিদ্যালয় থেকে তাকে অন্যত্র বদলি করা হবে। উপজেলা চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে আপাতত উত্তপ্ত পরিবেশ শান্ত র‌য়ে‌ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ইজিবাইক মালিক ও চালক সমিতির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় ইজিবাইক মালিক ও চালক সমিতির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর, ২১ সকাল ১১ টার সময় উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত উক্ত সম্মেলনে সভাপতিত্বে করেন আমিরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ মুজিবর রহমান। উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ.এম সোহাগ হোসেনের সার্বিক সঞ্চালনায় উক্ত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রতন, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম ও নওয়াপাড়া ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবুল কাশেম। এসময় বক্তারা সকলকে শ্রমিকলীগের ছায়াতলে এসে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ডিজিটাল সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ বির্নিমানে কাজ করার আহবান জানান। শেষে আমিরুল ইসলামকে সভাপতি, আরমান হোসেনকে সাধারন সম্পাদক, আজিজুল হককে সহ-সভাপতি, রহমত আলীকে যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও মিজানুর রহমানকে কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত করে দেবহাটা উপজেলা ইজিবাইক মালিক ও চালক সমিতির কমিটি গঠন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest