সর্বশেষ সংবাদ-
তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিব

আজ পরীমনি আদালতে যাবেন

কর্তৃক Daily Satkhira

বিনোদন ডেস্ক : মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে র‌্যাবের করা মামলায় হাজিরা দিতে আজ বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাচ্ছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। এদিন মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য রয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি আদালতে হাজিরা দেবেন।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পরীমনির আইনজীবী মজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য রয়েছে। এদিন সকালে পরীমনি হাজিরা দিতে আদালতে উপস্থিত হবেন।

এর আগে ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে পরীমনির জামিন মঞ্জুর করেন। পরদিন গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে কারামুক্তি হন পরীমনি।

গত ২২ আগস্ট কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতেই পরীমনির জামিন আবেদন করেছিলেন তার আইনজীবী মজিবুর রহমান। তখন আদালত শুনানির জন্য ১৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন। এতদিন পরে শুনানির দিন ধার্য করায় পরীমনির আইনজীবীরা হাইকোর্টে যান। তারা দ্রুততম সময়ে জামিনের আবেদন করেন। হাইকোর্টের নির্দেশে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ জামিন শুনানির দিন এগিয়ে এনে ১৩ সেপ্টেম্বরের বদলে ৩১ আগস্ট ধার্য করেন।

গত ৪ আগস্ট সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরীমনিকে তার বনানীর বাসা থেকে আটক করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। ওইদিনই রাত ৮টা ১০ মিনিটে পরীমনিকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে র‍্যাব সদরদপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে রাত ১২টা পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরদিন ৫ আগস্ট বিকেল ৫টা ১২ মিনিটে পরীমনি, চলচ্চিত্র প্রযোজক রাজ ও তাদের দুই সহযোগীকে কালো একটি মাইক্রোবাসে বনানী থানার উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে র‍্যাব বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় পরীমনি ও তার সহযোগী দীপুর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে।

এরপর ৩ দফায় মোট ৭ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয় পরীমনিকে। প্রথম দফায় ৫ আগস্ট ৪ দিন, দ্বিতীয় দফায় ১০ আগস্ট ২ দিন এবং ৩য় দফায় ১৯ আগস্ট ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয় তার। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আনসারদের বেতন না দেয়ায় আশাশুনিসহ ২৩ ইউএনওকে মন্ত্রণালয়ের চিঠি

দেশের খবর : উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যের গত জুন মাসের বেতন-ভাতা দেওয়া হয়নি। কেন তাদের বেতন দেওয়া হয়নি সেই ব্যাখ্যা চেয়ে সাতক্ষীরার আশাশুনিসহ ২৩ ইউএনওকে চিঠি দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত রোববার এই চিঠি পাঠানো হয়।

কুলিয়ারচর, ভুঞাপুর, কক্সবাজার সদর, ফুলগাজী, নোয়াখালী সদর, কাউখালী, ক্ষেতলাল, পাঁচবিবি, নাটোর সদর, বাঘা, শৈলকুপা, নড়াইল সদর, আশাশুনি, ধর্মপাশা, দোয়ারাবাজার, বিয়ানীবাজার, দক্ষিণ সুরমা, হিজলা, দশমিনা, রাজারহাট, কালীগঞ্জ, মেলান্দাহ ও দূর্গাপুরের ইউএনও’র কাছে বেতন পরিশোধ না করার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

চিঠিতে ইউএনওদের বলা হয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক শারীরিক ও বাসভবনের নিরাপত্তা রক্ষার্থে মোতায়েনকৃত ১০ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের গত অর্থবছরের জুন মাসের বেতন-ভাতা কেন ও কী কারণে পরিশোধ করা হলো না এ বিষয়ে বিস্তারিত পরীক্ষামূলক সুনির্দিষ্ট বক্তব্য ও ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো।

গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসায় ঢুকে দুর্বৃত্তরা তার বাবার ওপর হামলা চালায়। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর দেশের সব ইউএনদের সার্বক্ষণিক শারীরিক ও বাসভবনের নিরাপত্তায় সশস্ত্র আনসার সদস্য মোতায়েনের জন্য আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালককে নির্দেশনা দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গত ১ এপ্রিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো একটি চিঠিতে জানানো হয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) সার্বক্ষণিক শারীরিক ও বাসভবনের নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত নিরাপত্তাকর্মীদের বেতন-ভাতা ইউএনও কার্যালয় থেকে পরিশোধ করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নদীতে বর্জ্য ফেললে সর্বোচ্চ ৩ বছর কারাদণ্ড

দেশের খবর : নৌযান বা তীরের কোনো স্থাপনা বা ভাসমান স্থাপনা থেকে নদীতে বর্জ্য ফেললে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রেখে ‘অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল আইন, ২০২১’ এর খসড়া করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে খসড়া আইনটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ‘ইনল্যান্ড শিপিং অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৬ (অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল অধ্যাদেশ, ১৯৭৬)’-কে যুগোপযোগী করে অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল আইনের খসড়া করা হয়েছে। এ আইনে অনেক নতুন নতুন বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। বিধান লঙ্ঘনের শাস্তিও বাড়ছে। একই সঙ্গে নৌ-চলাচল সংশ্লিষ্ট দপ্তর-সংস্থাগুলোর কাজের আওতা সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

এখন শুধু যে নৌযান থেকে দূষণকারী বর্জ্য নদীতে ফেলা হয় তা নয়, নদীর তীরের বিভিন্ন স্থাপনাও নদী দূষণ ঘটাচ্ছে। নৌযানের সংখ্যা তো দিন দিন বেড়েই চলছে। মানুষ শুধু প্রয়োজনেই নৌযান ব্যবহার করছে না, বিনোদনেও নৌযানের ব্যবহার বাড়ছে। নৌযানের তেল-মবিল পানিতে মিশছে, নৌযান থেকে প্লাস্টিক নদীতে ছুড়ে ফেলা হচ্ছে। পয়ঃবর্জ্য সরাসরি নৌযান থেকে নদীর পানিতে মিশছে। এগুলো নদীর দূষণ ভয়াবহ অবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আশা করি আইনটি দ্রুত চূড়ান্ত হবে

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল আইনের খসড়া আমরা ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়েছি। ওখানে একটি কমিটি আছে, সেই কমিটি যাচাই-বাছাই করবে। আইনটি প্রণয়নে আপাতত আমাদের পর্যায়ের কাজ শেষ। ওই কমিটি দেখবে, তাদের যদি কোনো অবজারভেশন (পর্যবেক্ষণ) থাকে তা জানাবে, আমরা সে অনুযায়ী পরিমার্জন করবো খসড়াটি। এরপর খসড়াটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।’

সাজা হিসেবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা রেখেই খসড়াটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে জানিয়ে সচিব বলেন, ‘এখন আরও অনেক ধাপ অতিক্রম করবে, সেখানে শাস্তির বিষয়গুলো তারা দেখবেন, কোনো বিচ্যুতি থাকলে সেগুলো দেখে তারা এটি চূড়ান্ত করবেন।’

তিনি বলেন, ‘আগের অধ্যাদেশটি ভারাক্রান্ত ছিল, যেগুলো আইনের মধ্যে না রেখে বিধিমালায় নেয়া দরকার। আগে আইনটি ইউজার-ফ্রেন্ডলি ছিল না। আইনের কিছু কিছু জিনিস আমরা বিধিমালায় নিয়ে যাবো।’

‘কিছু বিষয় ছিল, বিআইডব্লিউটিএসহ অন্যান্য দপ্তর-সংস্থার কাজের নির্দিষ্ট সীমারেখা ছিল না। কিছু অস্বচ্ছতা ছিল, ডুপ্লিকেশন বা ওভারল্যাপিং ছিল। নতুন আইনে সেগুলো দূর করে সবার কাজগুলো ওয়েল ডিফাইন থাকবে।’

শুধু শাস্তির বিধান করলেই হবে না। পাশাপাশি নৌযানের বর্জ্য যেন নির্ধারিত স্থান থেকে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। নৌযানের বর্জ্য নিয়মিত সংগ্রহ করে তার ডিসপোজ করারও ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর প্রয়োজন হবে, সেটা সরকারকে করতে হবে

সচিব আরও বলেন, ‘আগে বিধিমালা ছিল না। আইনটি চূড়ান্ত হলে আমরা আইনের অধীনে বিধিমালার কাজে হাত দেবো।’

নতুন আইনে নদীতে বর্জ্য নিক্ষেপের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। খসড়ায় বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ নৌ-সীমানায় কোনো নৌযান থেকে বা তীরসংলগ্ন কোনো স্থাপনা বা ভাসমান স্থাপনা থেকে তেল অথবা তৈলাক্ত পদার্থ, অপরিশোধিত পয়ঃমল, দুর্গন্ধযুক্ত পানি ও কিচেন গার্বেজ, যে কোনো ধরনের প্লাস্টিক ব্যাগ বা বস্তু, যে কোনো ধরনের টক্সিক পদার্থ, জলজ প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর যে কোনো বস্তু, পানির স্বাভাবিক গুণাগুণ ও রং নষ্টকারী কোনো পদার্থ নদীতে নির্গত বা নিক্ষেপ করা যাবে না।

এ বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড পেতে হবে। জানমাল রক্ষার প্রয়োজনে ও নৌযান উদ্ধারের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

এ বিষয়ে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, ‘এটা খুবই ভালো উদ্যোগ, এটা আরও আগে করা প্রয়োজন ছিল। এখন শুধু যে নৌযান থেকে দূষণকারী বর্জ্য নদীতে ফেলা হয় তা নয়, নদীর তীরের বিভিন্ন স্থাপনাও নদী দূষণ ঘটাচ্ছে। নৌযানের সংখ্যা তো দিন দিন বেড়েই চলছে। মানুষ শুধু প্রয়োজনেই নৌযান ব্যবহার করছে না, বিনোদনেও নৌযানের ব্যবহার বাড়ছে। নৌযানের তেল-মবিল পানিতে মিশছে, নৌযান থেকে প্লাস্টিক নদীতে ছুড়ে ফেলা হচ্ছে। পয়ঃবর্জ্য সরাসরি নৌযান থেকে নদীর পানিতে মিশছে। এগুলো নদীর দূষণ ভয়াবহ অবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আশা করি আইনটি দ্রুত চূড়ান্ত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু শাস্তির বিধান করলেই হবে না। পাশাপাশি নৌযানের বর্জ্য যেন নির্ধারিত স্থান থেকে নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। নৌযানের বর্জ্য নিয়মিত সংগ্রহ করে তার ডিসপোজ করারও ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর প্রয়োজন হবে, সেটা সরকারকে করতে হবে।’

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, খসড়া আইনে নৌযান জরিপের জন্য জরিপ স্টেশন স্থাপনের কথা বলা হয়েছে, কোন নৌযানের নকশা কে অনুমোদন করবে তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। নৌযান নির্মাণ, পরিবর্তন, পুনর্নির্মাণ বা রূপান্তরে প্যানেল সুপারভাইজারদের ভূমিকা উল্লেখ করা হয়েছে খসড়ায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অভিনেত্রী শখ মা হচ্ছেন

বিনোদন ডেস্ক : দেশের টিভি নাটকে এক সময় জনপ্রিয় মুখ ছিলেন। নানা রকম বিজ্ঞাপনেও রোজ দেখা মিলতো তার। দেশের প্রায় সব বড় শহরগুলো ছেয়ে গিয়েছিলো তার হাসিমাখা ছবির বিলবোর্ডে। সেই আনিকা কবির শখ এখন শোবিজে অনিয়মিত।

গেল বছর জানা যায় তিনি বিয়ে করেছেন। এবার খবর ভেসে এলো তিনি মা হতে যাচ্ছেন।

এই খবর অবশ্য কোনো গুঞ্জন নয়। শখ নিজেই গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি এ মুহূর্তে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

শখ বলেন, ‘এটা আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত। আমার দিন কেটে যায় একটা নতুন মানুষের কথা ভাবতে ভাবতে। আমাকে এই দীর্ঘসময় ধরে দেখভাল করা চিকিৎসক বলেছেন মনটাকে একদম ফ্রেশ রাখতে। আমি সময়টাকে উপভোগ করছি।’

অনাগত সন্তানের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন শখ।

মাস কয়েক আগে হঠাৎ করেই শখের ফেসবুক প্রোফাইল, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক পেজ হ্যাকড হয়ে যায়। সে ঘটনায় খুব কষ্ট পেয়েছিলেন তিনি। এই সময়টায় মাতৃকালীন অবসরে থাকার কারণে এসব সামাজিক মাধ্যম নিয়ে তিনি নিজেও খুব একটা ভাবেননি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১২ মে দ্বিতীয় বিয়ে করেন শখ। তার স্বামীর নাম রহমান জন। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। বাড়ি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার বলিয়াদি গ্রামে। বর্তমানে শখ সেখানেই অবস্থান করছেন। মাঝে মাঝে রাজধানীর উত্তরায়ও নিজেদের বাসাতেও থাকেন।

এর আগে ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি মডেল-অভিনেতা নিলয় আলমগীরকে বিয়ে করেন শখ। কিন্তু বিয়ের দুই বছরের মধ্যে তাদের সেই সংসার ভেঙে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘পরিষদের সব কাজে উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুমোদন নেবেন ইউএনও’

দেশের খবর : উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন দপ্তরের কাগজপত্র ও নথি অনুমোদনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে উপস্থাপন করতে হবে-এমন বিধানসহ উপজেলার কার্যক্রম পরিচালনায় সংশ্নিষ্ট বিধি ও প্রজ্ঞাপন যথাযথভাবে প্রতিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য এই আদেশের বিষয়টি তুলে ধরে ইউএনওদের প্রতি প্রজ্ঞাপন জারি করতেও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লা সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন।

উপজেলা পরিষদ আইনের ৩৩ ধারা চ্যালেঞ্জ করে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও দুমকি উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মনোহরদী উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খানসহ পাঁচজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হাইকোর্টে রিটটি করেন। পরে রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করেন। রুলে ইউএনওদের সাচিবিক দায়িত্ব পালনের বিধান সংক্রান্ত উপজেলা পরিষদ আইনের ৩৩ ধারা কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন দপ্তরের কাগজপত্র ও নথি অনুমোদনের জন্য ইউএনও’র মাধ্যমে উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে উপস্থাপন করতে হবে-এমন বিধান কার্যকরের নির্দেশনা চেয়ে একটি সম্পূরক আবেদন করেন রিটকারীরা। মঙ্গলবার ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদেশ দেন হাইকোর্ট।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ও ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

আদেশের পরে মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, উপজেলা পরিষদ আইনের মুল চেতনা হচ্ছে জনপ্রতিনিধিদের নেতৃত্বে উপজেলা পরিষদ পরিচালিত হবে। এ কাজে সাচিবিক দায়িত্ব পালন করতে সহায়তা দেবে প্রশাসন। উপজেলা পরিষদ আইন, উপজেলা পরিষদ (কার্যক্রম বাস্তবায়ন) বিধিমামলার (১৪৯১) উপবিধি ও ২০১০ সালের ১৭ জুনের প্রজ্ঞাপনেও তাই বলা আছে। কিন্ত বাস্তবতা হচ্ছে অধিকাংশ উপজেলা জনপ্রতিনিধিদের পাশ কাটিয়ে ইউএনও পরিষদের বেশির ভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। যা আইন ও বিধির পরিপন্থী। এ কারণে ওই উপবিধি ও প্রজ্ঞাপনের বাস্তবায়ন চেয়ে সম্পূরক আবেদন করা হলে হাইকোর্ট তা যথাযথভাবে প্রতিপালনের আদেশ দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ১ কেজি গাঁজা ও ৩২০ পিস ইয়াবাসহ আটক-২

আসাদুজ্জামান : র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্পের সদস্যরা পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ১ কেজি গাঁজা ও ৩২০ পিস ইয়াবাসহ দুই জনকে আটক করেছে। সোমবার রাতে পাটকেলঘাটা থানার বাইগুনি ও কলারোয়া থানার শাকদাহ এলাকায় অভিযান চালিয়ে উক্ত মাদকসহ আসামীদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, পাটকেলঘাটা থানার তৈলকুপি গ্রামের মৃত. আনসার আলী সরদারের ছেলে কামরুল ইসলাম (৩২) ও যশোরের ঝিকরগাছা থানার বাকড়া গ্রামের লিয়াকত আলী কারিগর এর ছেলে ইদ্রিস আলী (৩০)।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার র‌্যাব সাতক্ষীরা ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল পাটকেলঘাটা থানার সরুলিয়া ইউনিয়নের বাইগুনি এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় কামরুল ইসলামকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় এক কেজি গাঁজা, ৯০ পিস ইয়াবা, একটি মোবাইল ও দুটি সিম কার্ড। এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানায় মামলা হয়েছে। মামলা নং-০৮,তারিখ ১৪/০৯/২০২১।

এদিকে, র‌্যাবের আর একটি আভিযানিকদল রাতে কলারোয়া থানার শাকদাহ বাজারের মতলব মার্কেটের মনজেল সাইকেল স্টোর ও মেশিনারী হার্ডওয়ার দোকানের সামনে অভিযান চালায়। এ সেখান থেকে ২৩০ পিস ইয়াবা, একটি মোবাইল, একটি সিম কার্ড ও নগদ ১৮’শ টাকাসহ ইদ্রিস আলীকে হাতে নাতে আটক করা হয়। এ ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে কলারোয়া থানায় মামলা হয়েছে। মামলা নং-১৬,তারিখ ১৪/০৯/২০২১।
র‌্যাব সাতক্ষীরা ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার মোঃ ইশতিয়াক হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উক্ত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
 দেবহাটা ব্যুরো : ঃদেবহাটায় দীর্ঘ প্রায় ১৬ মাস ছুটির পর স্কুল কলেজে আসা একটা অন্যতম আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ক্লাশ শুরুর প্রাক্কালে শিক্ষকদের মধ্যেও খুবই আনন্দ পরিলক্ষিত হয়।  প্রধানমন্ত্রীকে জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনি গত কয়েকদিন আগে কোভিড ১৯ মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য যে নির্দেশনা প্রদান করেন সে অনুযায়ী দেবহাটায় সরকারি খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ কলেজ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আনন্দ মিছিল ও আলোচনা সভায়।
কে,বি,এ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের আহবায়ক আল হাসিব ইফতির সভাপতিত্বে  ও সদস্য সচিব মিজানুর রহমান মাহির সঞ্চালনায়  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সুমন,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এ,এইচ সোহাগ, পারুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আবু রায়হান, সাধারণ সম্পাদক নাসিরুল ইসলাম,কুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান হোসেন, সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাঈন হোসেন, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাওন আলম রাজিব, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজু, কে,বি,এ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্না- আহবায়ক সজিব হোসেন,আল আমিন হোসেন সিজান,অন্তিক কুমার,নিশান কবির সহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবিন্
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪৬০ কোটি টাকার মালিক কম্পিউটার অপারেটর নুরুল!

বিশেষ ডেস্ক : কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে ২০০১ সালে দৈনিক ১৩০ টাকা বেতনে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে চাকরি নেন নুরুল ইসলাম (৪১)। ওই চুক্তিভিত্তিক চাকরি থেকে সময়ের পরিক্রমায় হয়ে গেছেন কোটিপতি। বর্তমানে তিনি ৪৬০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক। সম্প্রতি তিনি সাভারে একটি রিসোর্ট ও বন্দরে একটি জাহাজও কিনতে চেয়েছিলেন।

দালালিসহ অবৈধ পন্থায় অর্জিত অর্থের মাধ্যমে তিনি ঢাকায় তার ছয়টি বাড়ি ও ১৩টি প্লট মালিক হয়েছেন। এছাড়া সাভার, টেকনাফ, সেন্টমার্টিন, ভোলাসহ বিভিন্ন জায়গায় নামে-বেনামে মোট ৩৭টি প্লট, বাগানবাড়ি ও বাড়ি রয়েছে। অবৈধভাবে অর্জিত তার এসব সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪৬০ কোটি টাকা।

চাকরির সুবাদে বন্দরের সংশ্লিষ্ট মানুষের সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে নুরুল ইসলামের। একপর্যায়ে গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। দালালি, পণ্য খালাস, বৈধ পণ্যের আড়ালে অবৈধ মালামাল এনে অল্প সময়েই কোটি টাকার মালিক হয়ে যান এ কম্পিউটার অপারেটর।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

র‌্যাব জানায়, প্রতারণা করে সে ৬টি বাড়ি ও ১৩টি প্লট ক্রয় করেছে। এছাড়াও সাভার, টেকনাফ, সেন্টমার্টিন, ভোলাসহ বিভিন্ন জায়গায় নামে/বেনামে সর্বমোট ৩৭টি জায়গা/প্লট/বাগানবাড়ি/বাড়ি রয়েছে। তার অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের আনুমানিক মূল্য ৪৬০ কোটি টাকা। তার নামে বেনামে বিভিন্ন ব্যাংকে মোট ১৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, দালালির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া টেকনাফ বন্দরের সাবেক চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার অপারেটর নুরুল ইসলামকে (৪১) রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে আটক করা হয়। এসময় তার নিকট থেকে জাল টাকা, বিদেশি মুদ্রা ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।

মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক আল মঈন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি গোয়েন্দা সংস্থা ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে গত মধ্যরাতে ঢাকা মহানগরীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কম্পিউটার অপারেটর মো. নুরুল ইসলামকে (৪১) গ্রেফতার করা হয়। উক্ত অভিযানে উদ্ধার করা হয় জাল নোট ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা, মিয়ানমারের মুদ্রা ৩৮ লাখ কোয়াট, ইয়াবা ট্যাবলেট ৪,৪০০ পিস এবং নগদ ২ লাখ ১ হাজার ১৬০ টাকা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত নুরুল ইসলাম তার অপরাধ সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত জানায়, সে ২০০১ সালে টেকনাফ স্থলবন্দরে চুক্তিভিত্তিক দৈনিক ১৩০ টাকা হারে কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি নেয়। বন্দরে কর্মরত থাকাকালীন তার অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে সে চোরাকারবারী, শুল্ক ফাঁকি, অবৈধ পণ্য খালাস, দালালি ইত্যাদির কৌশল রপ্ত করে। অতঃপর তার অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে সে বন্দরে বিভিন্ন রকম দালালির সিন্ডিকেটে যুক্ত হয়। এক পর্যায়ে একটি দালালি সিন্ডিকেট তৈরি করে। ২০০৯ সালে সে চাকরি ছেড়ে দেয়। তারই আস্থাভাজন একজনকে উক্ত কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করে। কিন্তু সে দালালি সিন্ডিকেটটির নিয়ন্ত্রণ রেখে দেয়। এভাবে সে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, নুরুল টেকনাফ বন্দর কেন্দ্রিক দালালি সিন্ডিকেটের অন্যতম মূলহোতা। তার সিন্ডিকেটের ১০-১৫ জন সদস্য রয়েছে। যারা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে দালালি কার্যক্রমগুলো করে থাকে। এই সিন্ডিকেটটি পণ্য খালাস, পরিবহন সিরিয়াল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পথিমধ্যে অবৈধ মালামাল খালাসে সক্রিয় ছিল। সিন্ডিকেটের সহায়তায় পার্শ্ববর্তী দেশ হতে কাঠ, শুটকি মাছ, বরই আচার, মাছ ইত্যাদির আড়ালে অবৈধ পণ্য নিয়ে আসা হত। চক্রটির সদস্যরা টেকনাফ বন্দর, ট্রাক স্ট্যান্ড, বন্দর লেবার ও জাহাজের আগমন-বর্হিগমন নিয়ন্ত্রণ করত। গ্রেফতারকৃতদের সাথে চিহ্নিত মাদক কারবারীদের যোগসাজশ ছিল বলে সে জানায়।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, এছাড়া সে অন্যান্য অবৈধ পণ্যের কারবারের জন্য হুন্ডি সিন্ডিকেটের সাথে সমন্বয় এবং চতুরতার সাথে আন্ডার ও ওভার ইনভয়েজ কারসাজি করত। অবৈধ আয়ের উৎসকে ধামাচাপা দিতে সে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করে; তন্মধ্যে, এমএস আল নাহিয়ান এন্টারপ্রাইজ, এমএস মিফতাউল এন্টারপ্রাইজ, এমএস আলকা এন্টারপ্রাইজ, আলকা রিয়েল স্টেট লিমিটেড এবং এমএস কানিজ এন্টারপ্রাইজ অন্যতম। ইতিমধ্যে ঢাকা শহরে তার ৬টি বাড়ি ও ১৩টি প্লট ক্রয় করেছে। এছাড়াও সাভার, টেকনাফ, সেন্টমার্টিন, ভোলাসহ বিভিন্ন জায়গায় নামে/বেনামে সর্বমোট ৩৭টি জায়গা/প্লট/বাগানবাড়ি/বাড়ি রয়েছে। তার অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের আনুমানিক মূল্য ৪৬০ কোটি টাকা। তার নামে বেনামে বিভিন্ন ব্যাংকে মোট ১৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। বর্তমানে সে জাহাজ শিল্প ও ঢাকার সন্নিকটে বিনোদন পার্কে বিনিয়োগ করছে বলে জানা যায়।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest