সর্বশেষ সংবাদ-
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

সাতক্ষীরা টাইলস মোজাউক শ্রমিক ইউনিয়নের মাসিক চাঁদা পরিশোধ না করা সদস্যদের পদ বাতিল

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা টাইলস মোজাউক শ্রমিক ইউনিয়নের যে সকল সদস্য দীর্ঘদিন মাসিক চাঁদা পরিশোধ করেননি তাদের সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলা টাইলস মোজাউক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন বাবু স্বাক্ষরিত একপত্রে জানানো হয়েছে, সংগঠনের যে সকল সদস্য দীর্ঘদিন মাসিক চাঁদা পরিশোধ করেননি তাদের সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে। তবে যাদের মাসিক চাঁদা পরিশোধ করা হয়েছে তারা সদস্যভুক্ত রয়েছে। দক্ষ যে সকল টাইলস ও মোজাউক মিস্ত্রিরা জেলা সদরে আছেন। তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে ইউনিয়নের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মায়াবতীদের গল্প- ইয়াসমিন নাহার

আচ্ছা, শুধু সন্তান জন্মদান করেই কি মা হয়ে গেলাম? এই প্রশ্নটা মাঝে মাঝেই মাথায় ঘোরে আমার। নিজের কথা বলি – সন্তান জন্ম দেয়ার পরে আমার মনে হয়েছিলো, কিছু সময় হাত – পা ছেড়ে ঘুমাই! জানি শুনতে কেমন যেন লাগছে! এ কেমন মা? বাচ্চার কথা চিন্তা না করে নিজের ঘুমানোর চিন্তা করে! বাচ্চাটা গর্ভে আসার পর থেকেই চরম এসিডিটি, মুখে মনে হতো তিনটা করলার রস মাখানো। ভাত খেতে পারি না, মনে হতো বোধ হয় রুটি খেতে পারবো কিন্তু সেটাও মুখে দিলে গা গুলিয়ে আসে। কষ্ট করে যা একটু খাই, খাওয়ার পরেই হড় হড় করে সব তুলে দিতাম। কিন্তু শেষের দিকে আরেক কষ্ট শোয়া যায় না, বসা যায় না। লাথি খাই, গুঁতা খাই। ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসে, চিন্তায় কলিজা ছোট হয়ে যায় – বাঁচবো তো?

আজ বলবো মায়েদের কথা, মায়াবতীদের কথা। আমরা, আমাদের সমাজের লোকেরা সব সময়ই যেটা ভাবি তা হলো – সন্তান জন্ম দিয়েছো তুমি, সব দায়িত্ব তোমার। মা হয়েছো, এটুকু কষ্ট করতে পারবে না? আরে মা হওয়া কি এতো সহজ নাকি? ইত্যাদি ইত্যাদি।
‘মা’ হওয়া যে সহজ নয়, তা একজন ‘মা’ই জানেন।কারণ –
এক. সন্তান জন্ম হওয়ার আগের কষ্ট – খেতে না পারা, বমি, ঘুমাতে না পারা, শতটা বিধি নিষেধ, আর কারো শারীরিক সমস্যা থাকলে তো বিছানা থেকে উঠতেই পারে না।
দুই. সন্তান জন্ম দেয়ার সময় কষ্ট তা স্বাভাবিকভাবে হোক বা সি সেকশনের মাধ্যমে হোক। শুধু একজন মা’ই জানেন কি মারাত্মক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এর সাথে যুক্ত হয় প্রসব পরবর্তী নানা জটিলতা।
তিন. বাচ্চা জন্মানোর পরের কষ্ট।

যেকোন শারীরিক অসুস্থতা বা যেকোন ধরণের ছোট বড় অপারেশনে সবাই বিশ্রামের সুযোগ পায় আর পায় পরিচর্যা কিন্তু একমাত্র মা হওয়ার পরে কোন বিশ্রামের সুযোগ নেই উলটো পৃথিবীতে আসা ছোট্ট মানব শিশুকে নিবিড়ভাবে পরিচর্যা করতে হয় তাঁকে। তাতেও কোন সমস্যা ছিলো না যদি না আমাদের মনোভাবের পরিবর্তন হতো। সব সময়, সব পরিবেশে মা’ই সন্তানের পেছনে সব সময় লেগে থাকবে – এটাই ভাবা হয়। বাচ্চা কাঁদছে কেন – মা শুনতে পায় না? বাচ্চা ঘুমাচ্ছে না কেন? মা কিভাবে ঘুম পাড়াতে হয়, জানে না। বাচ্চা অসুস্থ হলো কেন – মা যত্ন নিতে জানে না..!!
কিন্তু আমরা কি জানি মা ও একজন মানুষ। তার ঘুম পায়, তার একটু হলেও নিজের জন্য সময় দরকার? প্রতিবেলা খাবার গেলার পরিবর্তে তারও একটু মনে হয় আস্তে ধীরে খায়!
আমরা কতজন জানি বাচ্চা হওয়ার পরে অনেক মা বিষন্নতায় ভোগেন যাকে মেডিকেল টার্মে Baby Blues এবং Postpartum Depression বলে। (অনলাইনে সার্চ দিলে এই বিষয়ে অনেক মেডিকেল জার্নালে তথ্যবহুল লেখা পাবেন)।
এই বিষন্নতার কারণ শুধু ঘুমের অভাব নয়। এই বিষন্নতার কারণ আমাদের সহযোগীতা আর মনোযোগের অভাব, আমাদের যত্নের অভাব। তুমি মা, তুমি কেন পারো না – আমাদের এই কথার কারণে কত মা নিজেকে খারাপ মা ভাবেন তা কি আমরা জানি?
মা’ কে দেবীর আসনে বসিয়ে তাঁকে সব দুঃখ কষ্টের উর্ধ্বে ভাববেন না, তিনি মানুষ তাঁর মানসিক সহযোগীতার পাশাপাশি দরকার তাঁকে নিজের যত্ন নেয়ার জন্য সাহায্য করা। দয়া করে বলবেন না আমার নানী – দাদী, মা বা আমি এই করেছি সেই করেছি তুমি কেন পারো না! কারণ অনেক মহামতী নারী দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, নোবেল জিতেছেন আপনি বা আপনার নানী দাদী কি তা পেরেছেন? জ্বী সবাই সব পারবে না সেটাই সত্য। তাহলে একা মা কেন সব পারবেন? তাঁকেই কেন সব পারতে হবে?

ফিরে যাবো প্রথম কথায়, একদিনে মা আমি হই নি। প্রতিদিন একটু একটু করে হয়েছি। প্রথম যেদিন টেস্টের রেজাল্ট পেয়েছি সেদিন থেকে প্রতিনিয়ত একটু একটু করে ‘মা’ হয়েছি, ঠিক তেমনি বাচ্চাটা যখন ‘মা’ বলে ডাকলো সেদিন তেমন বুঝেছি ‘মা’ হয়েছি, আজ যখন গলা জড়ায়ে ধরে মুখে চুম্বন করে তখন বুঝি ‘মা’ হয়েছি। সন্তানের বিপদে অসুখে অস্থির মন আর নির্ঘুম রাত বলে দেয় ‘মা’ হয়েছি। আমি, আমরা তো ‘মা’ হয়েছি এখন আপনারা আমাদের পাশে থেকে, সহযোগীতার, সহমর্মিতার হাত বাড়ায়ে ‘বাবা’, ‘দাদা-দাদি’, ‘নানা- নানি’, ‘চাচা’, ‘ফুফু’, ‘খালা’, ‘মামা’ হোন।

লেখক : সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনাকালে সাতক্ষীরার আলীপুর স্কুলের ৫০ ছাত্রীর  বাল্যবিবাহ!

ডেস্ক রিপোর্ট : করোনাকালে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় নানা অজুহাতে সাতক্ষীরা সদরের আলীপুর আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রায় ৫০ ছাত্রীর বাল্য বিবাহ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফ এমনটাই জানিয়েছেন।
তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা না এলেও প্রশাসনিক কাজে মহামারির এই দেড় বছরে প্রায় নিয়মিত স্কুলে গেছেন মো. আব্দুল লতিফ। ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল খুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার। সেই লক্ষ্যে প্রস্তুতিও নেওয়া শুরু করেছেন আব্দুল লতিফ। তবে শূন্য বেঞ্চগুলো পূর্ণ হয়ে স্কুলটি আবার কলরবে ভরে উঠবে, এমনটা আশা করতে পারছেন না তিনি। কারণ, এই স্কুলের অন্তত ৫০ ছাত্রীর বাল্যবিবাহ হয়েছে।

আব্দুল লতিফ জানেন, বিয়ে হওয়ার পর খুব কম শিক্ষার্থীই আবার পড়াশোনায় ফিরতে পারে।

স্কুল কর্তৃপক্ষ, অভিভাবক ও অধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন, করোনাকালে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় নানা অজুহাতে বাল্যবিবাহ দেওয়ার প্রবণতা অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। করোনাকালে এ বছর স্কুলের ৬৬ জন ছাত্রীর বিয়ে হয়েছে। এদের মধ্যে ৫০ জনের হয়েছে বাল্যবিবাহ।

দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সদর উপজেলার ইউএনও এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির যতটা সক্রিয়ভাবে কাজ করার কথা ছিল, করোনার কারণে তারা ততটা করতে পারেনি। এক সপ্তাহের মধ্যে বৈঠক করে করণীয় ঠিক করা হবে।

করোনাকালে বাল্যবিবাহ বন্ধের লক্ষ্য অর্জনে পিছিয়ে পড়ছে দেশ। ২০২১ সালের মধ্যে ১৫ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বিয়ে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) সর্বশেষ জরিপ (মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে ২০১৯-এমআইসিএস) বলছে, দেশে ১৫ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বিয়ের হার ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ। সরকারের কর্মপরিকল্পনায় ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী মেয়েদের বিয়ের হার ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা আছে। ওই জরিপ অনুযায়ী, এ হার ৫১ দশমিক ৪ শতাংশ। কিন্তু ২০২০-২১ সালে এই হার কতটুকু কমেছে বা বেড়েছে, তার হিসাব পাওয়া যায়নি।

সাতক্ষীরার আলীপুর আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, বাল্যবিবাহ হয়েছে এমন ৫০ জনের মধ্যে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির ছাত্রী রয়েছে ৩২ জন। দশম শ্রেণির ১৪ জন, নবম শ্রেণির ৭ জন এবং অষ্টম শ্রেণির ১১ জন রয়েছে। এ ছাড়া ১৮ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। স্কুলে থাকা তথ্য অনুসারে এই মেয়েদের বয়স ১৪ থেকে ১৭ বছর।

বিয়ে হওয়া বাকি ১৬ জনের ৩ জন দশম শ্রেণির এবং ১৩ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। তাদের বয়স বাল্যবিবাহের সর্বনিম্ন বয়সসীমা ১৮ বছর পেরিয়েছে। স্কুলে মোট ছাত্রীসংখ্যা ৪৭০।

গত বছর (২০২০) স্কুলটিতে ৩২ ছাত্রীর বিয়ে হয় বলে জানান প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল লতিফ।

প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফ জানান, এবার স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ৬৮ জন। এদের মধ্যে ৪৭ জন ফরম পূরণ করেছে, বাকি ২১ জন ফরম পূরণ করছে না কেন, খোঁজ করতে শিক্ষকেরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে জানতে পারেন, প্রত্যেকটি মেয়ের গোপনে বিয়ে হয়ে গেছে। দশম, নবম ও অষ্টম শ্রেণির মেয়েদের বাল্যবিবাহের তথ্য ধরা পড়ে তারা অ্যাসাইনমেন্ট জমা না দেওয়ায়। তিনি বলেন, পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়েছে, মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে, তারা আর পড়বে না।

প্রধান শিক্ষক আরও জানান, দুই মাস আগে তিনি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে ৪৭ জন ছাত্রীর বিয়ে হয়ে যাওয়ার তালিকা পাঠিয়েছিলেন। গত দুই মাসে এ সংখ্যা আরও বেড়েছে।

তবে প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য, যাদের বাল্যবিবাহ হয়েছে, তাদের কেউ কেউ স্কুল কোচিংয়ে যোগ দিয়েছে।

আলীপুর ইউনিয়নের সরকার ঘোষিত বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটির সদস্য আলীপুর পূর্ব পাড়া সুন্নি মসজিদের খতিব এবং স্থানীয় কাজি মো. রেজাউল করিম বলেন, বাল্যবিবাহ আইনসংগত না হওয়ায় নিবন্ধনও হয় না। নিবন্ধন ফরমের নকল বিধিবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন দোকান বিক্রি করে। কিছু মাওলানা কাজি সেজে সেই সব নকল ফরমে বিয়ে পড়ান।

আলীপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাবা জানান, মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন দুই মাস আগে। বরের নিজের মোটর গ্যারেজ আছে। তিনি ছোটখাটো বেসরকারি চাকরি করেন। গরিব মানুষ, তাই ‘ভালো পাত্র’ হাতছাড়া করতে চাননি। মেয়ে আর পড়াশোনা করবে কি না জানতে চাইলে বলেন, ‘ওরা (মেয়ের শ্বশুরবাড়ি) আর পড়াতে চায় না।’

ওই স্কুলের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া আরেক ছাত্রীর বাবাও জানালেন, ‘ভালো পাত্র’ পাওয়ায় বিয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, বিয়েতে মেয়ের আপত্তি ছিল না। নিজ বাড়িতে বিয়ে হয়েছে। কেউ বাধা দেয়নি।

জেলার বিভিন্ন পেশাজীবীদের নিয়ে গড়া বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির প্রশাসনিক প্রধান মো. সাকিবুর রহমান জানান, স্কুলটির ৫৭ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের কথা তাঁরা জানতে পেরেছেন। দাদি-নানিদের ইচ্ছাপূরণ, মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক হওয়ার ভয়, বখাটেদের উৎপাত থেকে বাল্যবিবাহের ঘটনা বেশি ঘটে। দারিদ্র্যকে অজুহাত দেওয়া হলেও এ কারণে বিয়ে খুব বেশি হয় না। গত আট বছরে ১ হাজার ২০০ বিয়ে প্রতিরোধের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মধ্যে একশর মতো পেয়েছিলেন, যাঁরা দারিদ্র্যের কারণে মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। মেয়েদের ক্ষেত্রে তিনি দেখেছেন, দুই-তৃতীয়াংশকেই ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের কোনো নথিপত্র থাকে না বলে প্রয়োজন হলে কোনো মেয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে না।

সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম আব্দুল্লাহ আল মামুন এতসংখ্যক বাল্যবিবাহের তথ্য জেনে বিস্ময় প্রকাশ করেন। রোববার রাতে তিনি বলেন, খোঁজ নেওয়ার পর কথা বলবেন। পরে প্রথম আলোকে জানান, তিনি ২৫টি বাল্যবিবাহের বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন। তাঁর ভাষায়, ‘এই সংখ্যাও অনেক বেশি। ইউনিয়নের বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটি কী করে, বুঝি না!’

জানা গেছে, পরিস্থিতি বুঝতে গতকাল সোমবার তিনি স্কুলটি পরিদর্শন করেছেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

সাতক্ষীরা সদর ইউএনও ফাতেমা–তুজ–জোহরা বলেন, ‘আলীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমাকে জানিয়েছিলেন, ছেলে–মেয়েদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক থাকায় বিয়ে হচ্ছে বেশি। তবে সংখ্যাটি এত বেশি কি না যাচাইয়ের প্রয়োজন আছে।’ তিনি জানান, এ বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত সদর উপজেলায় ৪৯টি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা হয়েছে।

ইউএনও জানান, করোনার কারণে কিছু উদ্যোগ কম হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বৈঠক ডেকে করণীয় ঠিক করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন এমপি জগলুল হায়দার

বিশেষ প্রতিনিধি :শ্যামনগরে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কতৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শ্যামনগর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত “কিশোর – কিশোরী ক্লাব স্থাপন” প্রকল্পের আওতায় সাংস্কৃতিক উপকরণ, ক্রীড়া সামগ্রী ও মনোহরী সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উক্ত সামগ্রী বিতরণ করেন সংসদ সদস্য এস, এম জগলুল হায়দার।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার ব্যাক্তিবর্গ।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জনগণের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের খারাপ আচরণ দুর্নীতির শামিল

দেশের খবর : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, জনগণের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা দুর্নীতির শামিল। যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা সেবাগ্রহীতার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) এ সংলাপের আয়োজন করে।

এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ে ব্যাপকভাবে পদ তৈরি করেছি। পদ তৈরির কাজটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় করে থাকে। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে গত ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমরা প্রশাসনে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৬০টি পদ তৈরি করেছি। নিয়োগের জন্য ৭ হাজার ৯৪৮টি পদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ৪ হাজার ৭২৬টি যানবাহন টিও অ্যান্ড ই-তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কানাডায় প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর গায়ে পাথর নিক্ষেপ

বিদেশের খবর : নির্বাচনি প্রচার শেষে ফেরার পথে বিক্ষোভকারীদের রোষানলে পড়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। এ সময় তাঁর দিকে পাথর ছোড়া হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানায়।

খবরে বলা হয়, একটি বিয়ার কারখানা পরিদর্শন শেষে বাসে ফেরার সময় ছোট পাথর ছোড়া হয় ট্রুডোকে লক্ষ করে। তবে তিনি আহত হননি।

অন্টারিওর লন্ডনে প্রচারের সময় পাথর হামলার মুখে পড়েন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। পাথরটি কাঁধে আঘাত করেছে বলে জানান তিনি। একে ২০১৬ সালের একটি ঘটনার সঙ্গেও তুলনা করেন, তখন এক নারী তাঁর দিক কুমড়ার বিচি ছুড়ে মেরেছিলেন। এ সময় মিডিয়ার বাসে থাকা দুই ব্যক্তির গায়েও পাথর আঘাত করে। তবে তারাও আহত হননি।

লিবারেল পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করবে, এ আশায় গত মাসের মাঝামাঝিতে উপনির্বাচনের ডাক দিয়েছেন ট্রুডো। কিন্তু কোভিড ভ্যাকসিন ও অন্যান্য বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কারণে তাঁর প্রচার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

মাত্র এক সপ্তাহ আগে বিক্ষোভকারীদের হামলার কারণে ট্রুডো একটি নির্বাচনি র‍্যালি বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।

এ ঘটনার নিন্দা করেছেন বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির নেতা এরিন ও’টুল। তিনি একে ‘জঘন্য’ বলে বর্ণনা করেন।

২০ সেপ্টেম্বরের নির্বাচন ঘিরে ট্রুডোর ভ্যাকসিন পরিকল্পনার অন্যতম একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত মাসের এক ঘোষণায় অক্টোবরের শেষ নাগাদ সরকারি কর্মীদের টিকাদান বাধ্যতামূলক করা হয়। নইলে চাকরি হারাতে হবে তাদের। এমনকি বাণিজ্যিক বিমান, জাহাজ ও আন্তপ্রদেশ ট্রেনের যাত্রীদের টিকা নিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাগরে লঘুচাপ : বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে

বিদেশের খবর : উড়িষ্যা উপকূলের অদূরে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত তা বিস্তৃত রয়েছে। এর ফলে সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে আগামী দুই তিন দিন বৃষ্টির ধারা অব্যাহত থাকবে। লঘুচাপটি আগামীকাল ভূপৃষ্ঠে উঠে যাবে। চলমান লঘুচাপের কারণে সমুদ্রবন্দর উত্তাল থাকবে। সেজন্য সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে।’

এদিকে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় উড়িষ্যা উপকূলের অদুরে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি আরও ঘণীভূত হতে পারে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থা (৩ দিন) বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ইউপিতে বিদ্রোহী দুই প্রার্থীর সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধের দাবিতে আ’লীগ প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ৫ নং কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের উপর হামালা, মারপিট ও বিভিন্ন ভাবে হুমকি-ধামকিসহ মিথ্যেচারের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে কলারোয়া উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের মৃত মোছলে উদ্দীন গাইনের ছেলে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী ভূট্টোলাল গাইন এই অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান এবং ৫নং কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে আমি প্রচার-প্রচারণা করে আসছি। আমার নৌকা প্রতীকের গণ জোয়ার দেখে প্রতিদ্বন্ধী দুই বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল ও মারুফ হোসেন আমার কর্মী-সমর্থকদের উপর বিভিন্ন ভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিলো। বিদ্রোহী প্রার্থী মারুফ হোসেন গত ৫ সেপ্টেম্বর বিকালে কাকডাঙ্গা মোড়ে নৌকার নির্বাচনী অফিসে থাকা আমার কর্মী জাহারুল, সোহাগ, কোরবানসহ কয়েকজনকে মারপিট করে অফিস থেকে বের করে দেন। এসময় নৌকার প্রতীকসহ বিভিন্ন জিনিষ ভাংচুর ও পোষ্টার ছিড়ে অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেন। ওই দিন সন্ধ্যায় অপর বিদ্রোহী প্রার্থী আফজাল হোসেন হাবিল তার কর্মীদের নিয়ে বোয়ালিয়া গ্রামের উত্তরপাড়া মোড়ের হাটখোলা সংলগ্ন মসজিদের পাশে অবস্থিত আমার কর্মী ফারুকের বাড়িতে স্বশস্ত্র হামলা চালিয়ে ফারুক, সিরাজুল, আনেছাকে ব্যাপক মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। ভূট্টোলাল গাইন আরো বলেন, হামলার খবর পেয়ে আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে যেয়ে দেখি সেখানে আফজাল হোসেন, হাবিল ও মারুফ হোসেনসহ ২০০ শতাধীক লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছেন। আমি মোটর সাইকেল থেকে নামা মাত্রই হাবিলের হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে আমার মাথায় কোপ মারে এবং পাশে থাকা মারুফ তার হাতে থাকা হাতুড়ি দিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। এসময় আমার কর্মী সমর্থকরা এগিয়ে আসলে তাদেরকেও একইভাবে বাঁশ, লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করা হয়। এতে আমিসহ আমার ১৫ জন কর্মী গুরুতর আহত হই। এই ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এঘটনার পর গত ৬ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে ওই বিদ্রোহী দুই প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী সংবাদ সম্মেলনে আমার বিরুদ্ধে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘœ, তাদের নির্বাচনী প্রচারনা বাঁধা, অফিস আমার কর্মী শফিকুর রহমান বাবুর নেতৃত্বে তাদের অফিস ভাংচুর বন্ধ করে দেয়া সহ যে সকল অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, এঘটনায় আওয়ামীলীগের খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক এর নির্দেশনা অনুযায়ি তাৎক্ষনিক ওই দুই বিদ্রোহী প্রার্থীকে সাময়িক বহিস্কারের নিদের্শ দেন জেলা আওয়ামীলীগ। গত ইউপি নির্বাচনে ও ওই দুই ব্যক্তি আমার নৌকার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হন। এমনকি গত ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কমিটি গঠনের সময় তারা দুজনের নেতৃত্বে আমাকে মারপিট করে মাথা ফটিয়ে দেয়। অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় যে, ৭ সেপ্টেম্বর আদালত থেকে জামিন পেয়ে আসামীরা উল্টো আস্ফালন ও পুনরায় আমাদের হুমকি ধামকি দিচ্ছেন।

তিনি নৌকা প্রতীক ভাংচুর, পোষ্টার ছিড়ে ফেলা, অফিস ভাংচুর, তালা লাগিয়ে দেয়ার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক দোষিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সাথে বিদ্রোহী দুই প্রার্থীর সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest