সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভাকলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক- সম্পাদক ফারুকীসাতক্ষীরা সদরের ৫ নং শিবপুর ইউনিয়নে কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

কালিগঞ্জে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সামাজিক উদ্যোগ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইয়ুথ ভলেন্টিয়ার এনগেজমেন্ট কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট এর আয়োজনে এবং প্রেরণা নারী সংগঠনের সহযোগিতায় বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় কালিগঞ্জ উপজেলা উপজেলা পরিষদের সামনে অনুুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জি। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী।

মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন, রতনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম খোকন, দৈনিক দক্ষিণের মশাল সম্পাদক আশেক ই এলাহী, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য এড. শাহনেওয়াজ পারভীন মিলি, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল বারী সফু, সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাস বাচ্চু,প্রেরণা নারী সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক সম্পা গোস্বামী প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, প্রেরণা নারী সংগঠনের এডভোকেসি এডভাইজার, জাগো যুব ফাউন্ডেশনের নির্বাহী প্রধান শেখ ফারুক হোসেন।

বক্তারা বলেন, ২০১৫ সালে বাংলাদেশের প্রথম বাল্য বিবাহ মুক্ত উপজেলা হিসেবে কালিগঞ্জ উপজেলাকে ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন পর আবারো বাল্য বিবাহ শুরু হয়। বর্তমানে আবারো ব্যাপকভাবে কালিগঞ্জে বাল্য বিবাহ সংগঠিত হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিরা ভোটের ভয়ে বাল্য বিবাহে বাধা না দিয়ে সহযোগিতা করেন। বিশেষ করে করোনাকালেও কালিগঞ্জসহ সাতক্ষীরা জেলায় অনেক বাল্য বিবাহ সংগঠিত হয়েছে। আমাদের উদ্যোগ নিতে যেন আর কোন শিশু অন্য একটি শিশুর মা না হয়। যেন একটি শিশুকে অকালে মৃত্যুর দ্বার প্রান্তে না দেই। বক্তারা অবিলম্বে বাল্য বিবাহ বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেড়াগাছি ইউপি’র স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মারুফ আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি :
কলারোয়ার কেড়াগাছি ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মারুফ হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার ৯ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরা শহর থেকে আটক করা হয়।

তিনি কেড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের হেমায়েত উদ্দীনের পুত্র এবং আওয়ামীলীগের সদ্য বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদক।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মীর খায়রুল কবির জানান, বুধবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের সহযোগিতায় কলারোয়া থানা পুলিশ তাকে আটক করে। আটককৃত মারুফ হোসেন নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ভুট্টোলাল গাইন ও তার নেতাকর্মীর উপর হামলা মামলার ২নং আসামী।

উল্লেখ্য: কলারোয়া উপজেলার ৫ নং কেড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে রোববার দুপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেনের মোটর সাইকেল প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুর করে নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থকরা। এ ঘটনা জানাজানি হলে, বিকেলে মারুফ হোসেনের কর্মী-সমর্থকরা পাল্টা কাকডাঙ্গা মোড় এলাকায় নৌকার নির্বাচনী কার্যালয় বন্ধ করে দেয়। এ ঘটনায় রাত ৮টার দিকে বোয়ালিয়া উত্তর পাড়া এলাকায় আওয়ামীলীগের আর এক বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল ও নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান ভুট্টোলাল গাইন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এঘটনায় ভুট্টোলাল গাইনের স্ত্রী শ্যামলী রানী বাদী হয়ে ৩৮ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার ঘটনায় পুলিশ ৫জনকে আটক করে।

এদিকে , জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি পত্রের মাধ্যমে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় এবং দলীয় প্রার্থীর (নৌকার) নির্বাচনী অফিস ভাংচুর ও দলীয় প্রার্থীসহ তার কর্র্মীদের মারপিট করে আহত করার ঘটনায় বিদ্রোহী প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন ও বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিলকে দল থেকে সাময়িক বহিস্কার করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে হামলা মামলায় ৬ আসামির আপিল নামঞ্জুর করলেন সিনিয়র জেলা জজ

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরার কলারোয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার ঘটনায় সাতক্ষীরার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন ৬ আসামীর ৩টি আপীল না মঞ্জুর ও নি¤œ আদালতের রায় বহাল রেখেছে আদালত।  বুধবার সকালে সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান এ রায় ঘোষনা করেন। এসব আপীল মামলা নিষ্পত্তির জন্য ইতোপূর্বে হাইকোর্টের বেঁধে দেওয়া ২৫ সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে এ রায় ঘোষনার নির্দেশ দেয়া হয়। উচ্চ আদালত নির্দেশিত সময়ের অনেক আগেই আজ ৮ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণা করেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, কলারোয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনের মামলায় গত ৪ ফেব্রুয়ারী সাতক্ষীরার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হতে দেয়া রায়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ আসামীর সকলকেই বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়। উক্ত রায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে দায়রা জজ আদালতে ক্রিমিনাল আপীল মামলা দায়ের করেন আসামী পক্ষ। এর মধ্যে আসামী গোলাম রসুল আপীল ২৫/২১, আসামী অ্যাড. আব্দুস সাত্তার আপীল ২৭/২১, আসামী অ্যাড. আব্দুস সামাদ আপীল ৩৩/২১ এবং আসামী জহুরুল ইসলাম, শাহাবুদ্দীন, রকিব ও মনিরুল ইসলাম আপীল ৪৩/ ২১ নম্বর মামলা দায়ের করেন। একই সাথে এসব আসামী ওই সময় দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদনও করেন। কিন্তু তাদের জামিন আবেদন না-মঞ্জুর হওয়ায় উক্ত আদশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে তারা জামিন আবেদন করেন। হাইকোর্ট আসামীদের জামিন দিলেও রাষ্ট্র পক্ষের লিভ টু আপীল করার কারনে চেম্বার জজ আদালত তা বাতিল করেন এবং দায়রা জজ আদালতে তাদের দায়েরকৃত ক্রিমিনাল আপীল মামলা ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করার জন্য নিন্ম আদালতকে নির্দেশ দেন।
সে অনুযায়ী উল্লেখিত ৪টি আপীল মামলা সম্প্রতি দায়রা জজ আদালতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শুনানী সম্পন্ন হয় এবং আজ অ্যাড. আব্দুস ছাত্তারের আপীল মামলাটি বাদে বাকী ৩টি মামলায় রায়ের জন্য দিন ধার্য্য করেন আদালত। এ মামলায় ৬ আসামীর ৩টি আপীল না মঞ্জুর ও নি¤œ আদালতের রায় বহাল রেখেছে আদালত। এছাড়া অ্যাড. আব্দুস ছাত্তারের আপীল ২৭/২১ নম্বর মামলাটিতেও আগামীকাল তৃতীয় দিনের মতো অধিকতর শুনানীর জন্য দিন রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আসামী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড, আব্দুল মজিদ, মিজানুর রহমান পিন্টু, মিজানুর রহমান বাপী, সেলিনা আক্তার শেলী।
উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট কলারোয়ার একজন মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসেন সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে বেলা ১২ টার দিকে তিনি তাঁর সফর সঙ্গীদের নিয়ে কলারোয়া হয়ে যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে কলারোয়া বাজারের বিএনপি অফিসের সামনে পৌছালে তাঁকে প্রাণনাশের চেষ্টায় হামলা করে সন্ত্রাসীরা।##

০৮.০৯.২১

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোল্লা হাসানকে প্রধান করে আফগানিস্তানে তালেবানের সরকার গঠন

বিদেশের খবর : মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দকে প্রধান করে আফগানিস্তানে সরকার গঠন করেছে তালেবান। সরকারে হাসান আখুন্দের ডেপুটি হিসেবে কাজ করবেন মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার।

এদিকে হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রবীণ নেতা সিরাজউদ্দিন হাক্কানিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মোল্লা ওমরের ছেলে মোল্লা মোহাম্মদ ইয়াকুবকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী করা হয়েছে।

এ ছাড়া তালেবানের আরেক নেতা আমির খান মুত্তাকিকে করা হয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আর তালেবানের রাজনৈতিক প্রধান শের মোহাম্মদ আব্বাস স্তানিকজাই হচ্ছেন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী। হেদায়েতউল্লাহ বদরি ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন।

তালেবানের প্রধান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ রাজধানী কাবুলে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। খবর আল জাজিরার।

কাবুল থেকে আল জাজিরার সংবাদদাতা চার্লস স্ট্র্যাটফোর্ড জানান, তালেবানের ঘোষিত সরকারে অনেকেই ‘পুরোনো মুখ’।

তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একটি বড় দাবি, ঘোষিত সরকারের নামের তালিকায় তালেবানবিহীন সদস্যদের কোনো নাম নেই।

এদিকে টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, তালেবানের এক সিনিয়র নেতা দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনালকে বলেছেন, ‘আমিরুল মুমিনিন শেখ হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা তালেবান নেতা মোল্লা হাসান আখুন্দকে রাইস-ই-জামহুর বা রাইস-উল-ওয়াজারা অথবা আফগানিস্তানের নতুন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রস্তাব করেন।

তালেবানের তিনজন নেতা মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দের রাষ্ট্রপ্রধান মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন বলে দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে। মোল্লা হাসান আখুন্দ বর্তমানে তালেবানের প্রবল সিদ্ধান্ত-গ্রহণকারী পরিষদ রেহবারি শুরা বা নীতিনির্ধারণী পরিষদের প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। তালেবানের তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত কান্দাহারে জন্ম তাঁর। তাঁকে তালেবানের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তালেবানের আরেক নেতা বলেছেন, ‘মোল্লা হাসান আখুন্দ ২০ বছর ধরে রেহবারি শুরার প্রধান হিসেবে কাজ করছেন এবং তালেবান নেতাদের মধ্যে তাঁর অনেক সুখ্যাতি রয়েছে।’

এদিকে এনডিটিভি জানিয়েছে, অপেক্ষাকৃত স্বল্প পরিচিত হলেও দীর্ঘদিন ধরে দলটির রাজনীতিতে যুক্ত রয়েছেন মোল্লা হাসান আখুন্দ। তালেবানের আগের সরকারেও মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। জাতিসংঘের সন্ত্রাসী তালিকাতেও নাম রয়েছে তাঁর।

২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে হামলা ও কাবুলে তালেবান সরকারের পতনের পরে পাকিস্তানের বালুচিস্তানে গঠিত তালেবান ‘কোয়েটা শুরা’র নেতৃত্বে ছিলেন আখুন্দ। বারাদারের মতো তাঁকেও ২০১০ সালে পাকিস্তান প্রশাসন গ্রেপ্তার করেছিল। পরবর্তীতে মুক্তি পান তিনি।

প্রায় দুই দশক ধরে আখুন্দজাদার ঘনিষ্ঠতম সহযোগী হিসেবে পরিচিত আখুন্দ তালেবানের শান্তি আলোচনা বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্বপ্রাপ্ত ‘রেহবারি শুরা’রও প্রধান ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার মুক্তির আবেদনে মত দিল আইন মন্ত্রণালয়

রাজনীতির খবর : বিএনপির চেয়ারপাসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি চেয়ে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে করা আবেদনের বিষয়ে মতামত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক মঙ্গলবার বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন করা হয়েছিল। আবেদনে খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে তাঁর সুচিকিৎসার জন্য মুক্তির প্রার্থনা জানানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আবেদনটির আইনি মতামত চেয়ে আমাদের কাছে (আইন মন্ত্রণালয়ে) এসেছে। আমরা এ আবেদনের আইনি বিষয় পর্যালোচনা করে দেখে মতামত দিয়েছি। মতামতটি আজই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের অনুমোদন সাপেক্ষে আবেদনটি নিষ্পত্তি করবে।’

আবেদনের বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, অসুস্থতার গ্রাউন্ডে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাওয়া হয়েছে আবেদনে।

এর আগে গত ৯ মে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি সরকার। এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে করা আবেদন ‘মঞ্জুর করা যাবে না’ মর্মে মতামত দেয় আইন মন্ত্রণালয়। আইন মন্ত্রণালয়ের এ মতামতের ওপর ভিত্তি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আবেদনটি নাকচ করে দিয়েছে।

খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে করা এ আবেদন মঞ্জুর না করার বিষয়ে তখন আইনি ব্যাখ্যা দেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

আইনমন্ত্রী টেলিফোনে বিদ্যমান ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার বিধানের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার আলোকে খালেদা জিয়ার সাজা ও দণ্ডাদেশ আগেই স্থগিত করে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির একই ধারা অনুযায়ী, দ্বিতীয়বার তাঁকে অনুরূপ সুযোগ দিয়ে বিদেশে যেতে দেওয়ার সুযোগ নেই।’

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যে আবেদনটি করা হয়েছিল সেটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আমাদের কাছে আইনি মতামত চেয়ে পাঠিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আমাদের কাছে যতটুকু জানতে চেয়েছিল আমরা ততটুকুর বিষয়েই মতামত দিয়েছি।’

‘আমরা বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে দেখেছি, দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়াকে নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে দণ্ড স্থগিত করে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। ওই সময়েও খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদন দণ্ডবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী নির্বাহী আদেশে মঞ্জুর করা হয়েছে। এখন অনুরূপ আরেকটি আবেদনে উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ৪০১ ধারা অনুযায়ী, একই ব্যক্তিকে একবার যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে দ্বিতীয়বার ওই সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই’, যোগ করেন আইনমন্ত্রী।

গুরুতর অসুস্থ বিএনপির চেয়ারপারসনকে বিদেশে নেওয়ার বিকল্প কোনো উপায় আছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে আনিসুল হক বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের কাছে যতটুকু বিষয়ে মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে আমরা ততটুকু বিষয়ে মতামত দিয়েছে। বিকল্প কী পদ্ধতি থাকতে পারে এটি খালেদা জিয়ার পরিবারই বলতে পারবে।’

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গত ১০ এপ্রিল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। ২৭ এপ্রিল তাঁকে এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৫৪ দিন পর ১৯ জুন তিনি গুলশানের বাসায় ফেরেন। একমাস পর ১৯ জুলাই তিনি করোনা টিকার প্রথম ডোজ নেন। ২৮ আগস্ট নেন দ্বিতীয় ডোজের টিকা।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিশেষ আদালতের রায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড নিয়ে কারাবন্দি হন খালেদা জিয়া। তারপর নাজিমউদ্দিন রোডের সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে শুরু হয় তাঁর কারাজীবন। একই বছরের ৩০ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা পাঁচ বছর বাড়িয়ে ১০ বছরের আদেশ দেন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ।

অন্যদিকে, ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। পুরান ঢাকার পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৫ নম্বর অস্থায়ী বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সাত বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে এক বছরের বেশি সময় বন্দিজীবন কাটানোর পর চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে নিয়ে আসা হয় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কেবিন ব্লকের প্রিজন সেলে।

গত বছর সারা বিশ্বে মহামারি করোনা ছড়িয়ে পড়লে শর্তসাপেক্ষে সরকার প্রধানের নির্বাহী আদেশে জামিন পান খালেদা জিয়া। প্রায় ২৫ মাস (কারাগার ও বিএসএমএমইউর প্রিজন সেল) কারাভোগের পর তিনি ২০২০ সালের ২৫ মার্চ মুক্ত হন। বিএসএমএমইউ প্রিজন সেল থেকে মুক্তির পর গুলশানে নিজের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় অবস্থান করছেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের করোনায় ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর, ২১) সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহযোগীতায় জাতীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের অর্থায়নে প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ/কোভিট -১৯ এ আক্রান্তদের মধ্যে আর্থিক সাহায্য বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মুজিবর রহমান।

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার ইয়াছিন আলী।

এসময় উপজেলার ১শত জন উপকারভোগী উপস্থিত ছিলেন এবং প্রতিজনকে মাথাপিছু ১ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা টাইলস মোজাউক শ্রমিক ইউনিয়নের মাসিক চাঁদা পরিশোধ না করা সদস্যদের পদ বাতিল

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা টাইলস মোজাউক শ্রমিক ইউনিয়নের যে সকল সদস্য দীর্ঘদিন মাসিক চাঁদা পরিশোধ করেননি তাদের সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলা টাইলস মোজাউক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন বাবু স্বাক্ষরিত একপত্রে জানানো হয়েছে, সংগঠনের যে সকল সদস্য দীর্ঘদিন মাসিক চাঁদা পরিশোধ করেননি তাদের সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে। তবে যাদের মাসিক চাঁদা পরিশোধ করা হয়েছে তারা সদস্যভুক্ত রয়েছে। দক্ষ যে সকল টাইলস ও মোজাউক মিস্ত্রিরা জেলা সদরে আছেন। তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে ইউনিয়নের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মায়াবতীদের গল্প- ইয়াসমিন নাহার

আচ্ছা, শুধু সন্তান জন্মদান করেই কি মা হয়ে গেলাম? এই প্রশ্নটা মাঝে মাঝেই মাথায় ঘোরে আমার। নিজের কথা বলি – সন্তান জন্ম দেয়ার পরে আমার মনে হয়েছিলো, কিছু সময় হাত – পা ছেড়ে ঘুমাই! জানি শুনতে কেমন যেন লাগছে! এ কেমন মা? বাচ্চার কথা চিন্তা না করে নিজের ঘুমানোর চিন্তা করে! বাচ্চাটা গর্ভে আসার পর থেকেই চরম এসিডিটি, মুখে মনে হতো তিনটা করলার রস মাখানো। ভাত খেতে পারি না, মনে হতো বোধ হয় রুটি খেতে পারবো কিন্তু সেটাও মুখে দিলে গা গুলিয়ে আসে। কষ্ট করে যা একটু খাই, খাওয়ার পরেই হড় হড় করে সব তুলে দিতাম। কিন্তু শেষের দিকে আরেক কষ্ট শোয়া যায় না, বসা যায় না। লাথি খাই, গুঁতা খাই। ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসে, চিন্তায় কলিজা ছোট হয়ে যায় – বাঁচবো তো?

আজ বলবো মায়েদের কথা, মায়াবতীদের কথা। আমরা, আমাদের সমাজের লোকেরা সব সময়ই যেটা ভাবি তা হলো – সন্তান জন্ম দিয়েছো তুমি, সব দায়িত্ব তোমার। মা হয়েছো, এটুকু কষ্ট করতে পারবে না? আরে মা হওয়া কি এতো সহজ নাকি? ইত্যাদি ইত্যাদি।
‘মা’ হওয়া যে সহজ নয়, তা একজন ‘মা’ই জানেন।কারণ –
এক. সন্তান জন্ম হওয়ার আগের কষ্ট – খেতে না পারা, বমি, ঘুমাতে না পারা, শতটা বিধি নিষেধ, আর কারো শারীরিক সমস্যা থাকলে তো বিছানা থেকে উঠতেই পারে না।
দুই. সন্তান জন্ম দেয়ার সময় কষ্ট তা স্বাভাবিকভাবে হোক বা সি সেকশনের মাধ্যমে হোক। শুধু একজন মা’ই জানেন কি মারাত্মক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এর সাথে যুক্ত হয় প্রসব পরবর্তী নানা জটিলতা।
তিন. বাচ্চা জন্মানোর পরের কষ্ট।

যেকোন শারীরিক অসুস্থতা বা যেকোন ধরণের ছোট বড় অপারেশনে সবাই বিশ্রামের সুযোগ পায় আর পায় পরিচর্যা কিন্তু একমাত্র মা হওয়ার পরে কোন বিশ্রামের সুযোগ নেই উলটো পৃথিবীতে আসা ছোট্ট মানব শিশুকে নিবিড়ভাবে পরিচর্যা করতে হয় তাঁকে। তাতেও কোন সমস্যা ছিলো না যদি না আমাদের মনোভাবের পরিবর্তন হতো। সব সময়, সব পরিবেশে মা’ই সন্তানের পেছনে সব সময় লেগে থাকবে – এটাই ভাবা হয়। বাচ্চা কাঁদছে কেন – মা শুনতে পায় না? বাচ্চা ঘুমাচ্ছে না কেন? মা কিভাবে ঘুম পাড়াতে হয়, জানে না। বাচ্চা অসুস্থ হলো কেন – মা যত্ন নিতে জানে না..!!
কিন্তু আমরা কি জানি মা ও একজন মানুষ। তার ঘুম পায়, তার একটু হলেও নিজের জন্য সময় দরকার? প্রতিবেলা খাবার গেলার পরিবর্তে তারও একটু মনে হয় আস্তে ধীরে খায়!
আমরা কতজন জানি বাচ্চা হওয়ার পরে অনেক মা বিষন্নতায় ভোগেন যাকে মেডিকেল টার্মে Baby Blues এবং Postpartum Depression বলে। (অনলাইনে সার্চ দিলে এই বিষয়ে অনেক মেডিকেল জার্নালে তথ্যবহুল লেখা পাবেন)।
এই বিষন্নতার কারণ শুধু ঘুমের অভাব নয়। এই বিষন্নতার কারণ আমাদের সহযোগীতা আর মনোযোগের অভাব, আমাদের যত্নের অভাব। তুমি মা, তুমি কেন পারো না – আমাদের এই কথার কারণে কত মা নিজেকে খারাপ মা ভাবেন তা কি আমরা জানি?
মা’ কে দেবীর আসনে বসিয়ে তাঁকে সব দুঃখ কষ্টের উর্ধ্বে ভাববেন না, তিনি মানুষ তাঁর মানসিক সহযোগীতার পাশাপাশি দরকার তাঁকে নিজের যত্ন নেয়ার জন্য সাহায্য করা। দয়া করে বলবেন না আমার নানী – দাদী, মা বা আমি এই করেছি সেই করেছি তুমি কেন পারো না! কারণ অনেক মহামতী নারী দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, নোবেল জিতেছেন আপনি বা আপনার নানী দাদী কি তা পেরেছেন? জ্বী সবাই সব পারবে না সেটাই সত্য। তাহলে একা মা কেন সব পারবেন? তাঁকেই কেন সব পারতে হবে?

ফিরে যাবো প্রথম কথায়, একদিনে মা আমি হই নি। প্রতিদিন একটু একটু করে হয়েছি। প্রথম যেদিন টেস্টের রেজাল্ট পেয়েছি সেদিন থেকে প্রতিনিয়ত একটু একটু করে ‘মা’ হয়েছি, ঠিক তেমনি বাচ্চাটা যখন ‘মা’ বলে ডাকলো সেদিন তেমন বুঝেছি ‘মা’ হয়েছি, আজ যখন গলা জড়ায়ে ধরে মুখে চুম্বন করে তখন বুঝি ‘মা’ হয়েছি। সন্তানের বিপদে অসুখে অস্থির মন আর নির্ঘুম রাত বলে দেয় ‘মা’ হয়েছি। আমি, আমরা তো ‘মা’ হয়েছি এখন আপনারা আমাদের পাশে থেকে, সহযোগীতার, সহমর্মিতার হাত বাড়ায়ে ‘বাবা’, ‘দাদা-দাদি’, ‘নানা- নানি’, ‘চাচা’, ‘ফুফু’, ‘খালা’, ‘মামা’ হোন।

লেখক : সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest