সর্বশেষ সংবাদ-
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

পরীমনি ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টা মামলা : নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

বিনোদন ডেস্ক : ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সাভার থানায় দায়ের করা মামলায় আসামি নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ।

সোমবার বিকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেন এ চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটভুক্ত অপর আসামি হলেন- শাহ শহিদুল ইসলাম। তিনি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুন রাতে সাভারের বিরুলিয়া এলাকায় বোট ক্লাবে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। এর ৫দিন পর ১৪ জুন নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। দীর্ঘ ২ মাস ২৩ দিন পর সোমবার বিকালে এই মামলার চার্জশিট দাখিল করেন সাভার মডেল থানা পুলিশ।

চার্জশিটে বলা হয়েছে, মামলায় এজাহারনামীয় প্রধান আসামি নাসির উদ্দিন মাহমুদ (৬০) ও মামলায় তদন্তে আসা ৩ নম্বর আসামী শাহ শহিদুল আলম (৫০) অভিযোগকারী পরীমনিকে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে অশ্লীল আচরণ করে। এর পর তাকে মারপিট করে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিয়ে শ্লীলতাহানি করা হয়। এছাড়া মামলার দ্বিতীয় আসামি তুহিন সিদ্দিকী অমি (৩৩) পরীমনিকে কৌশলে বোট ক্লাবে নিয়ে যায় নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও শাহ শহিদুল আলম। এর পর তাকে অশ্লীল কথা বলে শরীরে স্পর্শ করে। এতে মামলার বাদী পরীমনি ক্ষিপ্ত হলে তাকে মারপিট করে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দেয়ার দায়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপরাধ প্রতীয়মান হয় বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেন জানান, ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই তিন জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছেন তিনি। এফআইআর-এ অপর আসামি শাহ শহিদুল আলমের নাম না থাকলেও তদন্তের সময় তার সম্পৃক্ততা পাওয়ায় চার্জশিটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

সাভার মডেল থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম বলেন, চিত্রনায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণের চেষ্টা মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।’

পরীমনির মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৫ জুন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তার বন্ধু অমিসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় করা মাদক মামলায় সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

গত ১৫ জুন সাভার থানার পুলিশ পরিদর্শক কামাল হোসেন তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। নাসির ও অমি মাদক মামলায় রিমান্ডে যাওয়ায় ওই দিন রিমান্ড শুনানি হয়নি। মাদক মামলায় রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর বিচারক তাদের পরীমনিকে ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টার মামলায় করা রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। ২৩ জুন (বুধবার) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসান শুনানি শেষে তাদের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এরপর ২৯ জুন (মঙ্গলবার) পাঁচদিনের রিমান্ড শেষে তাদের ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। তখন মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে তাদের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহজাদী তাহমীদা তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ‘গত ৮ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার বনানীর বাসা থেকে কস্টিউম ডিজাইনার জিমি (৩০), অমি (৪০) ও বনিসহ (২০) দুটি গাড়িতে করে তারা উত্তরার উদ্দেশে রওনা হন। পথে অমি বলে বেড়িবাঁধের ঢাকা বোট ক্লাবে তার দুই মিনিটের কাজ আছে। অমির কথামতো তারা সবাই রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ঢাকা বোট ক্লাবের সামনে গিয়ে গাড়ি দাঁড় করায়। কিন্তু বোট ক্লাব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অমি কোনো এক ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তখন ঢাকা বোট ক্লাবের সিকিউরিটি গার্ডরা গেট খুলে দেয়। অমি ক্লাবের ভেতরে গিয়ে বলে এখানকার পরিবেশ অনেক সুন্দর, তোমরা নামলে নামতে পারো।’

এজাহারে আরও বলা হয়, ‘তখন আমার ছোট বোন বনি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বোট ক্লাবে প্রবেশ করেন ও বারের কাছের টয়লেট ব্যবহার করেন। টয়লেট থেকে বের হতেই এক নম্বর বিবাদী নাসির উদ্দিন মাহমুদ আমাদের ডেকে বারের ভেতরে বসার অনুরোধ করেন ও কফি খাওয়ার প্রস্তাব দেন। আমরা বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চাইলে অমিসহ এক নম্বর আসামি মদপানের জন্য জোর করেন। আমি মদপান করতে না চাইলে এক নম্বর আসামি জোর করে আমার মুখে মদের বোতল প্রবেশ করিয়ে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। এতে আমি সামনের দাঁতে ও ঠোঁটে আঘাত পাই। এক নম্বর আসামি (নাসির উদ্দিন মাহমুদ) আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ও আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করেন এবং আমাকে জোর করে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তিনি উত্তেজিত হয়ে টেবিলে থাকা গ্লাস ও মদের বোতল ভাঙচুর করে আমার গায়ে ছুঁড়ে মারেন। তখন কস্টিউম ডিজাইনার জিমি নাসির উদ্দিন মাহমুদকে বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করে জখম করেন।’

এজাহারে পরীমনি বলেন, ‘আমি প্রথমে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ নম্বরে ফোন দিতে গেলে আমার ফোনটি কেড়ে নিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। এ সময় দুই নম্বর আসামিসহ অজ্ঞাতনামা চারজন এক নম্বর আসামিকে ঘটনা ঘটাতে সহযোগিতা করেন। আমি অজ্ঞাতনামা আসামিদের দেখলে শনাক্ত করতে পারবো।’

এজাহারে তিনি আরও বলেন, ‘দুই নম্বর আসামি অমি পরিকল্পিতভাবে আমাকে বর্তমান বাসা থেকে ঢাকা বোট ক্লাবে নিয়ে যান। তিনি অজ্ঞাতনামা চারজন আসামি ও নাসির উদ্দিন মাহমুদ আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করে ও জোরপূর্বক আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। আমি আমার সঙ্গীদের সহায়তায় ধর্ষকের হাত থেকে রক্ষা পাই। রাত আনুমানিক ৩টায় আমি আমার গাড়িতে প্রায় অচেতন অবস্থায় অপর সঙ্গীদের সহায়তায় বাসায় ফিরে আসি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগানিস্তানে ক্লাসের মাঝে পর্দা দিয়ে শুরু হলো ছেলে-মেয়েদের পাঠদান

অনলাইন ডেস্ক : আফগানিস্তানে সোমবার থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। একই ক্লাসে ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থীরা বসলেও ক্লাসরুমের মাঝখানে পর্দা দিয়ে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। পর্দার এক পাশে ছেলে শিক্ষার্থী এবং অন্যপাশে মেয়ে শিক্ষার্থীরা বসে ক্লাস করেছেন।

তালেবান সরকারের ইংরেজি ভাষার অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট, তালিব টাইমস এবং স্থানীয় নিউজ চ্যানেলগুলো টুইটারে এই পর্দা দিয়ে ভাগ করা ক্লাসরুমের ছবি পোস্ট করেছে। সেই ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে ক্লাসরুমে পুরুষ এবং নারী শিক্ষার্থীরা আলাদা আলাদাভাবে বসে লেকচার শুনছেন। আর ছেলে-মেয়েদের আসনের মাঝে রয়েছে একটি পর্দা, যেন পুরুষ ও নারী শিক্ষার্থীরা পরস্পর পরস্পরকে দেখতে না পায়।

এর আগে তালেবানের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় এক নির্দেশনায় জানিয়েছিল, আফগানিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের মুখ ঢাকা নেকাব পরে ক্লাসে আসতে হবে। পুরুষদের সঙ্গে একই ক্লাসে নারীরা বসতে পারবে না। আর নারীদের যদি একান্তই পুরুষদের সঙ্গে ক্লাস করতে হয় তাহলে ক্লাসরুমের মাঝামাঝি পর্দা দিয়ে ভাগ করে দিতে হবে।

নারী শিক্ষার্থীদের ক্লাস অবশ্যই নারী শিক্ষকরা নেবেন বলে নির্দেশনায় জানানো হয়েছে। নারী শিক্ষক না থাকলে সচ্চরিত্রের বয়স্ক পুরুষ শিক্ষকরাও পড়াতে পারেন।

এমনকি নারী ও পুরুষ শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকা ও বের হওয়ার পথও আলাদা হতে হবে ওই নির্দেশনায় জানানো হয়েছে।

আফগানিস্তানের নারীরা শুধু হিজাব পরে মুখ খোলা রেখেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে অংশ নিতে পারবে বলে এর আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে তালেবান।

২০০১ সালে প্রথম দফায় তালেবানের শাসনের অবসানের পর আফগানিস্তানে ব্যাঙের ছাতার মতো বেসরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছিল। গত দুই দশকে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে আফগান শিক্ষার্থীদের ভর্তির হারও অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে ছাত্রীদের বেড়েছে। চলতি বছরের আগস্ট মাসে তালেবান কাবুল দখলের আগ পর্যন্তও আফগান নারীরা পুরুষদের সঙ্গে পাশাপাশি বসেই ক্লাস করতেন। পুরুষ অধ্যাপকদের লেকচার শুনতেও বাধা ছিল না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মৃৎ শিল্প আধুনিকায়ন শীর্ষক সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি : দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মৃৎ শিল্প ও সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র উদ্যোগ সমুহকে আধুনিয়কায়ন শীর্ষক উপ প্রকল্পের অবহিত করণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এনজিও উন্নয়ন প্রচেষ্টার পরিচালক ইয়াকুব আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক শরিফুল ইসলাম, সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক সন্তোস কুমার নাথ, বিসিকের উপ ব্যবস্থাপক গোলাম সাকলায়েন। বক্তব্য রাখেন, এনজিও সাস এর পরিচালক ঈমান আলী ও সাংবাদিক শরিফুল্যাহ কায়সার সুমন প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উন্নয়ন প্রচেষ্টার সমন্বয়কারী এএসএম মুজিবর রহমান। এছাড়াও প্রকল্প অবহিত করণে সহয়তা করেন পরিবেশ কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর অর্থায়নে সাসটেইনএ্যাবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট এর আওতায় এই মৃত শিল্প প্রকল্পটি আগামী ২বছর মেয়াদী কর্ম পরিকল্পনা ধরা হয়েছে। আধুনিক ও উন্নতমানের মৃত শিল্প পন্য উৎপাদনের লক্ষে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহয়তা প্রদান করা হবে। এছাড়াও স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের লক্ষে একটি মৃত শিল্প কেন্দ্র স্থাপনের কথা জানানো হয়। যার মাধ্যমে আধুনিক পন্য উৎপাদন প্রদর্শন এবং বিপনন তরান্বিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, মানুষ এখন আর্থিক ভাবে অনেক সাবলম্বী। পরিবেশ গুনগত মান সম্পন্ন পন্য ব্যবহারে আগ্রহী। আকর্ষনীয় এবং নান্দনিক পন্য উৎপাদন নিশ্চিত করা জরুরী। এই প্রকল্পের মাধ্যমে এধরণের পন্য উৎপাদন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসময় তিনি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহয়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৭ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন সময় হারিয়ে ও চুরি হয়ে যাওয়া ৩৭ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। গত এক মাসে উদ্ধার হওয়া এ সব মোবাইল ফোন সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টায় পুলিশ সুপারের কার্যলয়ে স্ব স্ব মালিকদের হাতে তুলে দেন, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজীব খান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) ইকবাল হোসেন প্রমুখ।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এ সময় বলেন, পুলিশের অক্লান্ত পরিশ্রমে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অত্যান্ত দক্ষতার সাথে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যাবহার করে গত আগষ্ট মাসে এই ৩৭ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এ সময় তিনি মোবাইল ফোন উদ্ধারের জন্য কারো কাছে কোন টাকা পয়সা না দেয়ার জন্য সবাইকে বলেন। উপস্থিত মোবাইল ফোন মালিকরা এ সময় পুলিশ সুপারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম পরওয়ারসহ শীর্ষ ৯ নেতা আটক

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ দলের কেন্দ্রীয় সাত নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরায় দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈঠকের খবরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

জামায়াত নেতাদের আটকের বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মো. আসাদুজ্জামান।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘রাষ্ট্রদ্রোহের ষড়যন্ত্র এবং দেশকে অস্থিতিশীল করতে তারা গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিল। এমন খবর পেয়ে আমরা সেখানে অভিযান চালাই।’

গ্রেপ্তার নেতারা হলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আজাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আবদুর রব, অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ ও মোবারক হোসাইন এবং ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দলের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তারের পর থেকে অনেকটা কোণঠাসা অবস্থায় জামায়াত। সাবেক আমিরসহ একাধিক নেতার মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড ও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হওয়ার প্রতিবাদে হরতালসহ কঠোর কর্মসূচি পালন করে জামায়াতের নেতাকর্মীরা। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে আর প্রকাশ্যে কোনো কর্মসূচি পালন করছে না দলটি।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় এনসিসি ব্যাংকের করোনা চিকিৎসার্থে ইউএনওর নিকট চেক হস্তান্তর

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় এনসিসি ব্যাংকের উদ্যোগে করোনা চিকিৎসার্থে ইউএনওর নিকট চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১১ টার দিকে এনসিসি ব্যাংক পারুলিয়া দেবহাটা শাখার শাখা ব্যবস্থাপক এসএম তৌহিদুল আলম ও ডেপুটি শাখা ব্যবস্থাপক মোকছেদুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্য্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এই চেক হস্তান্তর করেন।

ব্যাংকের সিএসআর ফান্ডের অংশ হিসেবে দেবহাটা উপজেলাব্যাপী করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার্ধে এই অর্থ প্রদান করা হয়। এসময় দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার এই মহামারীতে এনসিসি ব্যাংকের এমন উদ্যোগের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার গড়িয়াডাঙ্গা স্কুলের সহকারী শিক্ষকের দাফন সম্পন্ন

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলার গড়িয়াডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।

রবিবার তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন হার্ট, ডায়াবেটিকস, কিডনী রোগসহ নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন। সকাল ১১ টার দিকে মরহুমের জানাযা নামায শেষে তাকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তার মৃত্যুতে শিক্ষক পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ার কেড়াগাছি ইউপিতে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির দাবিতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ৫নং কেড়াগাছি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করতে বিএনপির কিছু চিহ্নিত ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে এলাকার অরাজকতা ও ত্রাস সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে কলারোয়া উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের শহীদ ইন্তাজ আলী সরদারের ছেলে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী এস এম আফজাল হোসেন হাবিল এই অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি গত ইউপি নির্বাচনে বিপুল ভোটে কেড়াগাছি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছি। আমরা পারিবারিকভাবে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে জড়িত। বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহচর সাবেক এম.সি.এ. এম.এল.এ, সাবেক এমপি মমতাজ আহমেদ আমার আপন চাচা। আমার পিতা ইন্তাজ আলী ৭১ যুদ্ধের সময় শহীদ হন। কেড়াগাছি ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ভুট্টোলাল গাইন গত নির্বাচনেও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু জন বিচ্ছিন্ন হওয়ায় তাকে মানুষ ভোট দেয়নি। পক্ষান্তরে আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হই। এবারও কৌশলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হয়েছেন তিনি। নৌকার পাওয়ার পর থেকে এলাকার সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি, খুন,জখমসহ নানান হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন। তিনি এলাকায় বলে বেড়াচ্ছেন, “নৌকা প্রতীক নিয়ে এসেছি, কাউকে ভোট দেওয়া লাগবে না, আমার ভোট পুলিশ করে দেবে”। আমার বিরোধীতা করলে এলাকায় কাউকে থাকতে দিব না। মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করাসহ বিভিন্ন হুমকি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন।

আফজাল হোসেন হাবিল আরো বলেন, আমরা তিন জন প্রার্থী যথাক্রমে ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক

মোঃ মারুফ হোসেন (মটর সাইকেল প্রতীক), আমি নিজে ইউনিয়ন আ’লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও উপজেলা আ’লীগের নির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, (আনারস প্রতীক) এবং ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ভুট্টোলাল গাইন (নৌকা প্রতীক) কেড়াগাছী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ গ্রহণ করছি। আমাদের দুই প্রার্থীর দাবি নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হোক। মানুষ নির্ভয়ে ভোট প্রদান করুক। জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হোক চেয়ারম্যান। কিন্তু নেীকা প্রতীকের প্রার্থী ভুট্টোলাল গাইন নিজের পরাজয়ের সম্ভাবনা দেখে আমাদের নির্বাচনী শো ডাউনে বাধা সৃষ্টি, নির্বাচনী অফিসে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, অতর্কিত হামলা চালিয়ে এলাকার পরিবেশকে উত্তেজিত করে তুলেছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ভুট্টো লালের নেতৃত্বে শফিকুর রহমান বাবুসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বোয়ালিয়ায় মটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী মারুফ হোসেনের নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাংচুর করে গুড়িয়ে দেয়। সে সময় ভুট্টোলাল বলেন, “এখানে নৌকা ছাড়া আর কোন প্রার্থীর কার্যালয় থাকবে না, নৌকার প্রার্থী ছাড়া এ ইউনিয়নে আর কোন প্রার্থীরা থাকবে না, থানা পুলিশ সবই আমার পক্ষে রয়েছে মর্মে হুমকি প্রদর্শন করেন”। এঘটনায় মটরসাইকেলের প্রার্থী পাশ^বর্তী একটি নৌকার নির্বাচনী কার্যালয় বন্ধ করে দেন। সে সময় কলারোয়া থানার ওসি ঘটনাস্থলে পৌছে এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে আমার পক্ষে নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে বোয়ালিয়া এলাকায় পৌছলে ভুট্টোলাল গাইন ও তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীসহ বিএনপির কিছু লোকজন অতর্কিত মিছিলে হামলা চালায়। এসময় গ্রামবাসীর সাথে তার ভাড়াটিয়া বাহিনীর সংঘর্ষ হলে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়। এঘটনাকে পুজি করে ভুট্টোলাল গাইন এলাকার দুই শতাধিক মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি সহ অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনের বিধি ভঙ্গকারী ভুট্টোলাল গাইনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক এলাকায় নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest