সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরায় জলবায়ু-বাস্তুচ্যুত মানুষের আবাসন, খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিতে ১১ দফা দাবিসাতক্ষীরার সাংবাদিকপুত্র কাজী ফাইম আব্দুল্লাহর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জনসাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়

এসএসসি’র ফরম পূরণ আটকে দেয়ায় সাতক্ষীরা স্টুডেন্ট সোসাইটির প্রতিবাদ

অনলাইন ডেস্ক : করোনাকালে যাচাই-বাছাই পরীক্ষায় অকৃতকার্য তাই এসএসসির চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হবে না সাতক্ষীরা সদরের লাবসা ইউনিয়নের দেবনগর বেগম রোকেয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ শিক্ষার্থীকে। এসএসসি’র ফরম পূরণের সময় শেষ পর্যায়ে থাকায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে কিনা তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে ওই শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সাতক্ষীরা স্টুডেন্ট সোসাইটি।
বুধবার (১৯ মে) সংগঠনটির সভাপতি শেখ শাকিল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক এসএম শাহিন আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের প্রতি বিদ্যালয় কতৃপক্ষ অবিচার করছে উল্লেখ করে সাতক্ষীরা স্টুডেন্ট সোসাইটির সভাপতি শেখ শাকিল হোসেন বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কতৃক কোন প্রকার মূল্যায়ন পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশনা না দেওয়া শর্তেও তথাকথিত মূল্যায়ন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার অজুহাতে ফরম পূরণ করতে দেওয়া হচ্ছে না সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের দেবনগর বেগম রোকেয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ শিক্ষার্থীকে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন লাবসা ইউনিয়নের দেবনগর গ্রামের অরবিন্দ সরকারের ছেলে সবুজ সরকার, একই এলাকার প্রসাদ সরকারের মেয়ে মৌ সরকার, সিন্ধু সরকারের মেয়ে তিথী সরকার, নারায়ণপুর গ্রামের মো. আবদুল মালেকের ছেলে আবদুর রহমান, ভাটপাড়া গ্রামের শাহজান দালালের ছেলে ইস্রাফিল ইসলাম, আখড়াখোলা গ্রামের সিদ্দিক গাজীর ছেলে মামুন, দেবনগর গ্রামের আমজেদ হোসেনের ছেলে আল-মামুন।
সংগঠনটি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে অনুলিপি পাঠিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পৈত্রিক ও ডিডের সম্পত্তি উদ্ধার এবং নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার আশাশুনিতে জামায়াত-শিবির ক্যাডারদের হাত থেকে পৈত্রিক ও ডিডকৃত মাছের ঘের উদ্ধার এবং জীবনের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন এক ব্যবসায়ি। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে আশাশুনি উপজেলার কোলা গ্রামের মৃত. আব্দুল অহেদ মোল্যার ছেলে ঘের ব্যবসায়ি মোঃ আমজাদ হোসেন এই দাবি জানান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আশাশুনির কোলা মৌজায় সীট নং-১, জে এল নং- ১২১ এক প্লটে ৭৪০ বিঘা জমিতে মাছের ঘের পরিচালনা করতেন বসির আহমেদ। ২০১৯ সালে বসির আহমেদের মৃত্যুর পর ২০২০ সালে উক্ত ৭৪০ বিঘা সম্পত্তির মালিক ও আমিসহ একত্রে ৫ জনের নেতৃত্বে উক্ত ঘের পরিচালনা করি। কিন্তু ঘের পরিচালনায় নানা সমস্যার সৃষ্টি হলে আমার পৈত্রিক ২৫ বিঘা এবং ২০২০ হতে ২৪ সাল পর্যন্ত ৫ সন মেয়াদী লীজ ডিডকৃত ৮৯ বিঘাসহ মোট ১১৪ বিঘা সম্পত্তি আলাদা করে নিয়ে এককভাবে মাছের ঘের পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু ওই এলাকার মৃত আহম্মেদ হোসেনের ছেলে মির্জা কামরুজ্জামান, মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে আশরাফ আলী গাজী, মৃত আব্দুর রহমান গাজীর ছেলে নাজির আলম গং অবৈধ লাভের বশবর্তী হয়ে আমার পৈত্রিক ২৫ বিঘা এবং ডিডকৃত ৮৯ বিঘা সম্পত্তি ভাগ করে না দিয়ে জোরপূর্বক দখলে রাখার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। আমজাদ হোসেন বলেন, বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে অবহিত করলে তিনি সরেজমিনে দেখে উত্তর পাশ থেকে আমার সম্পত্তি দেওয়ার জন্য উল্লেখিত ব্যক্তিদের মৌখিক ভাবে বলেন। কিন্তু তারা চেয়ারম্যানের কথা না শুনে এবং আমার বাধা নিষেধ উপেক্ষা গত ২৭ মার্চ বিকাল ৪ টার দিকে ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়া ভেকু মেশিন দিয়া আমার জন্য ২৫ বিঘার মত সম্পত্তি রেখে বাকী ৮৯ বিঘা সম্পত্তিসহ মৎস্য ঘেরে আলাদা আলাদা ভেড়ী বাঁধ দেয়। এসময় বাধা দিতে গেলে তারা আমাকে মারধর করতে উদ্যত হয় এবং খুন করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেয়। কামরুজ্জামান গংরা সম্পূর্ণ গায়ের জোরে অবৈধ ভাবে আমার পৈত্রিক ২৫ বিঘাসহ ডিডকৃত ৮৯ বিঘা জমি জবর দখল করে রেখেছে। উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম মৎস্যঘের অবৈধভাবে দখল করে রাখায় আমি হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও তাদের কবল থেকে মৎস্যঘের উদ্ধার করতে পারিনি। তিনি অভিয়োগ করে বলেন, উল্লেখিত মির্জা কামরুজ্জামান, আশরাফ আলী গাজী ও নাজির আলম প্রত্যেকই স্বাধীনতা বিরোধী চক্র জামায়াত শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত। এদের মধ্যে মির্জা কামরুজ্জামান জামায়াতের প্রশিক্ষিত ক্যাডার হওয়ায় ২০১৩ সালে র‌্যাব তাকে আটক করে। পরে জামিন পেয়ে এলাকায় ফের জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করাসহ এলাকায় বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ড শুরু করে। জামায়াত-শিবির ক্যাডারদের দিয়ে এলাকায় চাঁদাবাজি, জমি ও মৎস্যঘের দখলসহ নানা অপকর্ম করছে মির্জা কামরুজ্জামান গং। অত্যান্ত হিংস্র প্রকৃতির হওয়ায় যে কোন মুহুর্তে তারা আমার জান মালের ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে। তিনি উল্লেখিত কামরুজ্জামান গং এর কবল থেকে নিজের পৈত্রিক ২৫ বিঘা এবং ডিড নেয়া ৮৯ বিঘা সম্পত্তি উদ্ধারপূর্বক জান ও মালের নিরাপত্তার দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায়  গ্রীষ্মের তীব্রতায় জনজীবন অতিষ্ঠ

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : দেবহাটা সহ দেশের সর্বত্রই ভাপসা গরমে সিদ্ধ হচ্ছে মানুষ। কখনও আকাশে ঘন কালো মেঘ দেখা গেলেও বৃষ্টি বৃষ্টির দেখা মিলছে না দীর্ঘ পতিক্ষায়। যখন আকাশে একটু মেঘ, দেখে অনেকে মনে করেন এখনি বুঝি নামবে বৃষ্টি, কিন্তু কোথায় বৃষ্টি? কিছুক্ষণের মধ্যে সূর্য মামার ঝঁলকানি হাসি।
বাংলা বছরের মিষ্টি মধুর ফলের সমাহার জ্যৈষ্ঠ মাস। ইতোমধ্যে জ্যৈষ্ঠ মাসের কয়েক দিন অতিবাহিত হলেও অন্যবছরের তুলনায় গরমের তীব্রতা যেন একেবারেই কমছে না, বরং দিন দিন বেড়েই চলেছে।

এদিকে আবহাওয়াবিদরা বলছেন অন্য কথা। তাদের তথ্যমতে আগামি কয়েক দিনে দেশের তাপমাত্রা আবারো বেড়ে যেতে পারে। গরম থেকে একটু স্বস্থি পেতে পথচারি সহ সাধারন মানুষ ভীড় জমাচ্ছেন ঠান্ডা শরবত, আইসক্রিমমের দোকান গুলোতে। গ্রাম্য পরিবার গুলোতে লবন, পানি, লেবু ও চিনি দিয়ে শরবত তৈরি করে পরিবারের সদস্যদের তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন। এ দিকে গরমের তীব্রতায় মৎস ঘের, পুকুরে মাছ মারা যাচ্ছে। এক দিকে যেমন ব্যবসায়িরা ক্ষতির সম্মুখিন, অন্যদিকে মৎসঘের বা পুকুরে মাছ মরে পঁচে পরিবেশে দূষনের সম্ভবনা দেখা দিচ্ছে।

গবাদি পশুর খামার গুলোতে এই ভ্যপসা গরমে দুধের উৎপাদন কমে যাচ্ছে বহু অংশে। গবাদি পশুর স্বাস্থ্যহানীও বেড়ে চলেছে। শুধু গবাদি প্রাণি নয়, সাধারন মানুষও বিভিন্ন রোগ—শোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং যার প্রভাব দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। হাসপাতাল গুলোতো দেখাগেছে বাড়তি রুগির চাপ। কিন্তু গরমের প্রতিবন্ধকতা কে হার মানিয়ে সাধারন মানুষ ছুটছে নিজ নিজ কর্মস্থলে। অতিরিক্ত বনভূমি নিধন এবং মানব সৃষ্ট বিভিন্ন কারনে পরিবেশ দূষন করছে।
দেবহাটার কাচামাল ব্যবসায়ী দাইদ গাজী জানান, কয়েকদিনের তীব্র গরমে মানুষ নাজেহাল হয়ে গেছে। কাঁচা সবজি বিক্রির আগে শুকিয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি না হওয়ায় খেতে ফসল মরা যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। তাপ বাড়লে সবজি ও ফসলের ব্যাপক সংকট দেখা দিতে পারে।

দেবহাটার মাছ চাষি লাল্টু  জানান, তীব্র গরমে পানি শুকিয়ে যাচ্ছে।প্রতিদিন ৫ লিটার ডিজেল পুড়িয়ে পানি উত্তোলন করা লাগছে। আবার তীব্র গরমে মাছ মারা যাচ্ছে। বাড়তি খরচ করে পাশের সেচ পাম থেকে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টি না হলে মাছের মারা যেয়ে ব্যাপক ক্ষতিরমুখে পড়তে হবে।

দুগ্ধ ব্যবসায়ী অসিম ঘোষ জানান, গরমের প্রভাবে গরুর খাবার খাওয়া কমে গেছে। আর এতে গরুর দুধ কমতে শুরু করেছে। এই মুহূর্তে বৃষ্টির প্রয়োজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কোয়ারেন্টাইনে থাকা ভারত থেকে আসা ১১ জনের করোনা শনাক্ত, সংক্রমণ আতংকে শহরবাসী

আসাদুজ্জামান : বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রথম দফায় সাতক্ষীরায় আসা ১৪২ জন বাংলাদেশী নাগরিকের নমুনা পরিক্ষা শেষে ১১ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। তাদের সাতক্ষীরা শহরের ৪টি আবাসিক হোটেল থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় দুপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে। তাদের সবারই বাড়ি সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। এছাড়া করোনা নেগেটিভ আসা ১৩১ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। তারা ছাড়পত্র নিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরছেন।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন হুসাইন সাফায়াত জানান, ভারত থেকে দেশে ফেরা প্রথম দফায় সাতক্ষীরা আনা ১৪২ জন পাসপোর্ট ধারি বাংলাদেশী নাগরিকরে নমুনা সংগ্রহ করে পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার রাতে পিসিআর ল্যাব থেকে জানানো হয়েছে তাদের ১১ জন করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছেন। তিনি আরো জানান, করোনা পজেটিভ শনাক্ত হওয়া ১১ জনের নমুনা আইইডিসিআরে পাঠানো হবে । সেখান থেকে রিপোর্ট আসলে তাদের ভেরিয়েন্ট সংক্রমন হয়েছে কি না তা জানা যাবে। এছাড়া করোনা নেগেটিভ আসা ১৩১ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। তারা ছাড়পত্র নিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরছেন।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল জানান, গত ৫ মে বুধবার সন্ধ্যায় প্রথম দফায় ভারত থেকে প্রত্যাগত বাংলাদেশি ১৪২ জন নাগরিকের নমুনা পরীক্ষা করে ১১ জন করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছেন। তাদেরকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসার জন্য মেডিকেল কলেজের আইসোলেশন ইউনিটে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি জেলার সকলকে সাবধান ও সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, জেলায় ভারত থেকে দেশে ফিরে আসা দুই দফায় মোট ৩০০ জন পাসপোর্ট যাত্রী বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে অবস্থান করছিলেন।
এদিকে, ভারতে মহামারি করোনার ভেরিয়েন্ট সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়ার সে দেশ থেকে দেশে ফিরে আসা পাসপোর্ট যাত্রীদের মধ্যে ১১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হওয়ার খবরে আতংকিত হয়ে পড়েছেন জেলার সাধারণ মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফরম পূরণের সময় বাড়লেও সেই ০৭ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এখনো অনিশ্চিত !

নিজস্ব প্রতিনিধি: এসএসসির ফরম পূরণের সময় বাড়লেও সাতক্ষীরার দেবনগর বেগম রোকেয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেই ০৭ শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত। প্রধান শিক্ষকের অপেশাদারিত্ব আর প্রতিহিংসার কারণে এই ০৭ শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা লিখিত অভিযোগ দিলেও দায়সারা বক্তব্য দিয়ে দৃশ্যমান কোন ব্যবস্থা না নিয়েই দায়িত্ব সেরেছেন সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার আবদুল্লাহ আল মামুন।

করোনা মহামারীর কারণে এবছর শিক্ষা মন্ত্রাণালয় থেকে নির্বাচনী পরীক্ষা ছাড়াই সকল এসএসসি পরীক্ষার্থীর ফরম পূরণের নির্দেশনা দেওয়া হলেও সরকারি সে নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে একদিন ‘আকস্মিক’ নির্বাচনী পরীক্ষা নেন প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান। অথচ পরীক্ষার দিন স্কুলে আসার আগ পর্যন্তও কোন শিক্ষার্থী ওই নির্বাচনী পরীক্ষার বিষয়ে অবগত ছিলেন না। সেদিন তড়িঘড়ি করে স্কুল থেকে খাতা এবং কলম সরবরাহ করে করোনা মহামারীর তোয়াক্কা না করেই একসাথে তিন বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। ওইদিন পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের পরে আবার প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয় নির্বাচনী পরীক্ষা। শিক্ষা মন্ত্রাণালয়ের নির্দেশনা অমান্য করে নেওয়া সেই ‘আকস্মিক নির্বাচনী পরীক্ষা’র ফলের উপর ভিত্তি করেই এই ০৭ শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ আটকে দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসানের ভাষ্য, যে ০৭ শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করতে দেওয়া হচ্ছে না তারা খুবই দুর্বল মানের স্টুডেন্ট। নির্বাচনী পরীক্ষায় তারা খুবই কম নাম্বার পেয়েছে। তাদেরকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দিলে তারা নিশ্চিত ফেল করবে। পাশের হার সরকারি নীতিমালার নিচে আসলে দীর্ঘ ১৮ বছর পর এমপিওভুক্ত হওয়া স্কুলটির এমপিও বাতিল হতে পারে। তাই স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনো রকম ঝুঁকি নিয়ে ওই ০৭ জনকে পরীক্ষার হলে পাঠাতে চান না।

এখন প্রশ্ন হল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে নেওয়া অবৈধ নির্বাচনী পরীক্ষার ফলের উপর ভিত্তি করে ০৭ শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা কতটা যৌক্তিক? ক্ষণিকের জন্য ওই প্রধান শিক্ষকের যুক্তি মেনে নিলেও সাত শিক্ষার্থীর লেখাপড়ায় দুর্বল হওয়ার দায় কি শিক্ষকদের উপর বর্তায় না? আবার এসএসসি পরীক্ষার আগ পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীদেরকে নিবিড় পরিচর্যা করলে তারা কি পাশ করার উপযোগী হয়ে উঠবেনা?

যে পরীক্ষা নেওয়ারই কথা নয় সে পরীক্ষায় নম্বর কম পাওয়া আর স্কুলের এমপিও বাতিল হওয়ার ঝুঁকির অজুহাত দিয়ে ফরম পূরণ করতে না দেওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের দেবনগর গ্রামের অরবিন্দ সরকারের ছেলে সবুজ সরকার, একই এলাকার প্রসাদ সরকারের মেয়ে মৌ সরকার, সিন্ধু সরকারের মেয়ে তিথী সরকার, নারায়ণপুর গ্রামের মো. আবদুল মালেকের ছেলে আবদুর রহমান, ভাটপাড়া গ্রামের শাহজান দালালের ছেলে ই¯্রাফিল ইসলাম, আখড়াখোলা গ্রামের সিদ্দিক গাজীর ছেলে মামুন, দেবনগর গ্রামের আমজেদ হোসেনের ছেলে আল-মামুন।

ফরম পূরণ করতে না পারা শিক্ষার্থী সবুজ সরকার বলেন, আমরা পরীক্ষার হলে বসার আগ পর্যন্তও জানতাম না যে এবার নির্বাচনী পরীক্ষা হবে। হঠাৎ একদিন আমাদের স্কুলে ডেকে স্কুল থেকেই খাতা-কলম দিয়ে পরীক্ষা দিতে বলা হয়। সেদিন অর্ধেকের মতো শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছিলো। বাকিদের পরে আবার একদিন হেড স্যারের বাড়িতে ডেকে পরীক্ষা নেওয়া হয়।

আরেক শিক্ষার্থী মৌ সরকার জানান, আমরা যদি এতোই খারাপ স্টুডেন্ট হবো তাহলে আমরা দশম শ্রেণিতে কি করে উত্তীর্ণ হলাম। নিশ্চই পরীক্ষায় পাস করেই আমরা উত্তীর্ণ হয়েছি।

ফরম পূরণ করতে না পরা শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা ধারণা করছেন তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়ার জন্য শিক্ষকরা ফরম পূরণ করা নিয়ে তালবাহানা করছে।

এদিকে দেবনগর বেগম রোকেয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে স্থানীয় অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীদের এই স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে দেবনগর বেগম রোকেয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এবছর দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ৩৫ জনের মতো কিন্তু এর থেকে প্রায় দ্বিগুন শিক্ষার্থীর শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করা হয়েছে এই স্কুল থেকে।

এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানার জন্য প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসানের কাছে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। অন্যদিকে সহকারী প্রধান শিক্ষক সাইফুল আলম ফোন রিসিভ করলেও সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর কোন তথ্য না দিয়েই দ্রæত ফোন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমি ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ সকল শিক্ষকদের নিয়ে মিটিং করেছি। তাদেরকে আমি ওই ০৭ শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করে দিতে বলেছি। মিটিং-এ তারা ওই শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ করে দেওয়ার ব্যাপারে পজেটিভ ছিলো। পরে খোঁজ পেলাম তারা এখনো ফরম পূরণ করেননি।

এ ব্যাপারে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনার উপ-পরিচালক ফারহানা নাজ বলেন, শিক্ষা মন্ত্রাণালয় এবং বোর্ডের নির্দেশনার বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ নাই। যা করতে হবে নির্দেশনা মেনে করতে হবে। এবার যারাই রেজিষ্ট্রেশন করেছে সবার ফরম পূরণ করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এড. শাহ আলমের জামিন মঞ্জুর

ডেস্ক রিপোর্ট:  ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এড. শাহ আলমের জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত। এছাড়া বিবাদী পক্ষে রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেছে।
বুধবার সাতক্ষীরা চীফজুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক হুমায়ুন কবির ভার্চ্যুয়াল জামিন শুনানিতে রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে এবং জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিন শুনানিতে এড. শাহ আলমের পক্ষে অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেড এইস খান পান্না, সাতক্ষীরা তালা-কলারোয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. আবুল হোসেন, এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী প্রমুখ। ——-বিস্তারিত আসছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনায় ভারতে একদিনে রেকর্ড ৪৫২৯ জনের মৃত্যু

বিদেশের খবর : ভারতে করোনাভাইরাসে গত তিন দিন ধরে দৈনিক সংক্রমণ কমলেও মৃত্যু দিন দিন বেড়েই চলেছে। দেশটিতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড হয়েছিল মঙ্গলবার। সেই সংখ্যা ছাপিয়ে গেছে বুধবার (১৯ মে)। সেই সঙ্গে এই প্রথম একদিনে সাড়ে চার হাজারের বেশি মৃত্যু হয়েছে দেশটিতে।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৩৩৪ জন। গতকালের তুলনায় চার হাজার বেশি। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই কোটি ৫৪ লাখেরও বেশি। একই সময়ে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন চার হাজার ৫২৯ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে দুই লাখ ৮৩ হাজার ২৪৮ জনের।

দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ লাখেরও বেশি করোনা টেস্ট করা হয়। একদিনে টেস্টের দিক থেকে এটা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। পাশাপাশি নতুন আক্রান্ত কম হওয়ায় দেশটিতে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা গত কয়েকদিন ধরেই কমতে শুরু করেছে। ভারতে এখন সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৩২ লাখ ২৬ হাজার ৭১৯ জন, যা কয়েকদিন আগেও ছিল ৩৭ লাখেরও বেশি।

চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশটিতে করোনার গণটিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হয়। এখন পর্যন্ত দেশটিতে টিকা নিয়েছেন সাড়ে ১৮ কোটিরও বেশি মানুষ। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশটির টিকাকরণ কর্মসূচিতে শ্লথ গতি দেখা গেছে বলে অভিযোগ বিভিন্ন মহলের। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া পরিসংখ্যানেও সেই তথ্য উঠে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে টিকা নিয়েছেন ১৩ লাখ ৫৬ হাজার ১৫৩ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৬৩ শিশুসহ নিহত বেড়ে ২১৮

বিদেশের খবর : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ‘যুদ্ধবিরতির’ আহ্বানের পরও ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে। হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা বেড়ে ২১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের অব্যাহত বিমান হামলা দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২১৮ ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৬৩টি শিশুও রয়েছে। আর দুই শিশুসহ ইসরায়েলে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১২ জন। সেখানে এখন পর্যন্ত আহত হয়েছেন অন্তত ৩০০ জন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৮ মে) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ফিলিস্তিনে চলমান বিমান হামলার আট দিন পর উভয়পক্ষকে ‘যুদ্ধবিরতির’ আহ্বান জানান। তিনি ফোন কলের মাধ্যমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু এবং হামাসের প্রতি এ আহ্বান জানান তিনি।

গত ১০ মে সহিংসতা শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তৃতীয়বারের মতো মঙ্গলবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ফোন দেন এবং যুদ্ধবিরতির জন্য সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বাইডেন চলমান সহিংসতার অবসান ঘটাতে এই আহ্বান জানান।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতি প্রধান জোসেপ বোরেল এই যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইইউভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে এক ভার্চুয়াল কনফারেন্সের পরে এ আহ্বান জানান।তিনি বলেন, এই আহ্বানের পক্ষে হাঙ্গেরি ছাড়া ব্লকের সব সদস্য দেশ সমর্থন দিয়েছে।

এদিকে, দখলকৃত পশ্চিম তীরে বিক্ষোভ চলাকালে ইসরায়েলি বাহিনী চার ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীকে হত্যা করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest