সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরায় জলবায়ু-বাস্তুচ্যুত মানুষের আবাসন, খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিতে ১১ দফা দাবিসাতক্ষীরার সাংবাদিকপুত্র কাজী ফাইম আব্দুল্লাহর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জনসাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়

তালায় গরুর আক্রমণে এক নারীর মৃত্যু

তালা প্রতিনিধি : গরুকে দেখাভাল করার জন্য গোয়ালে গিয়ে গরুর আক্রমনে হাচিনা বেগম(৫৫) নামের এক মহিলা মৃত্যু খবর পাওয়া গিয়েছে।সে হরিহরনগর গ্রামের নাসির উদ্দীন গাজীর স্ত্রী।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের হরিহরনগর গ্রামের নাসির উদ্দীন গাজীর স্ত্রী হাচিনা বেগম(৫৫) নিজ গোয়াল ঘরে গরুকে খেতে দেওয়ার উদ্দেশ্য প্রবেশ করেন গভীর রাতে। উক্ত সময় গোয়ালে থাকা গরুটি হাচিনা উপড় আক্রমণ করে। পরে রাত আনুমানিক ৩টার সময় হাচিনা বেগম মৃত্যুবরণ করেন।

খেশরা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য শামসুল মেম্বার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় দুই জ্বীনের বাদশা আটক, গণধোলাইয়ের দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

কলারোয়া প্রতিনিধি : আজমির শরিফে মাদরাসা তৈরি করে দেয়ার নামে দেড় লাখ টাকা নিয়ে আ্ত্মসাৎ ও গভীর রাতে টাকা নিতে এসে দুই জ¦ীনের বাদশাকে এলাকাবাসী আটক করে গণধোলাইয়ের শেষে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে উপজেলার ঝাপাঘাট এলাকায়।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে- ৭মাস পূর্বে উপজেলার ঝাপাঘাট গ্রামের মৃত তালুকদারের ছেলে শের আলী (৭২) এর সাথে একই এলাকার মৃত হাশেম আলী হাওলাদারের ছেলে আ: রহমান হাওলাদার (৫২) এর মাধ্যমে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিডাঙ্গা থানার স্বর্ণকারটিল গ্রামের মৃত হাসেম আলী হাওলাদারের ছেলে আব্দুল হক হাওলাদার (৪৫) এর পরিচয় হয়। সে এই পরিচয় সূত্রে আজমির শরিফে মাদরাসা করিয়ে দেয়ার নাম করে দেড় লাখ টাকা নেই ওই জ¦ীনের বাদশা। কিন্তু ওই জ¦ীনের বাদশা আজমির শরিফে কোন মাদরাসা না করে লাপাত্তা হয়ে যায়। দীর্ঘ ৭ মাস পরে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১টার দিকে ওই দুই জ¦ীনের বাদশা শের আলীর বাড়ীতে ্এসে ৩টা তাবীজ ও ২ কোটা সিঁদুর নিয়ে হাজির হয়। এসময় বলা হয় এই রাতে ১লাখ টাকা গাছের ডালে বেধে রাখলে সকালে ২লাখ টাকা হয়ে যাবে। আর এই তাবীজ ও সিঁদুর বাড়ীতে রাখলে টাকায় বাড়ী ভরে যাবে। তাদের কথা বার্তায় সন্দেহ ও পূর্বে দেড় লাখ টাকার বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে ওই দুই জ¦ীনের বাদশাকে ধরে গণধোলাইয়ের শেষে থানা পুলিশে সোপর্দ করে।

থানার অফিসার ইনচার্জ মীর খায়রুল কবীর জানান-সংবাদ পেয়ে থানার এসআই রঞ্জন কুমার মালো সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার ঝাপাঘাট গ্রামস্থ শেহের আলীর আমবাগানের মধ্য থেকে তাদের দুইজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এঘটনায় কলারোয়া থানায় একটি মামলা হয়েছে।

আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উপমন্ত্রী নওফেলকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি

অনলাইন ডেস্ক : শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান নওফেলকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে সংগঠনটির নেতারা।

বৃহস্পতিবার রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবিতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে এ ঘোষণা দেন সাংবাদিকদের এ সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান।

সাংবাদিকদের বিষোদগার করা ও রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে আটকের একটি খণ্ডিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোয় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বলেন, ‘শিক্ষা উপমন্ত্রী সাংবাদিকদের ওপর বিষোদগার করেছেন। তিনি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কোনো প্রোগ্রামে আসতে পারবেন না, তাঁকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করছি। কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে তাঁকে অতিথি করা হলে, ডিআরইউ তাদেরকে হল ভাড়া দিবে না।’

ডিআরইউর সভাপতি মোরসালিন নোমানীর সভাপতিত্বে সমাবেশটির সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির কার্যনির্বাহী সদস্য মীর মোহাম্মদ জসিম।

পরে এ বিষয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোরসালিন নোমানি বলেন, ‘সাংবাদিক রোজিনা ইস্যুতে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল আপত্তিকর বক্তব্য রাখায় তাঁকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অবাঞ্চিত ঘোষণা করার সিদ্বান্ত নেওয়া হয়েছে।’

এর আগে গতকাল বুধবার বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজ থেকে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে আটকে রাখার ৪০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল। ওই ভিডিওর শিরোনামে লেখা ছিল, ‘ফাইল চুরির দায় স্বীকার প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনার’।

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সচিবালয়ে দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে ‘নির্যাতন’ করার পর শিক্ষা উপমন্ত্রীর এমন খণ্ডিত ভিডিও প্রচারের সমালোচনা করেছেন অনেকেই।

এর আগে আওয়ামী লীগের নেতা মহিবুল হাসানের বক্তব্য নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন একাধিক সাংবাদিক নেতা। তাঁরা বলেন, উত্তরাধিকার সূত্রে নেতা বনে গিয়ে কাউকে পাত্তা দিচ্ছেন না। মাঠের রাজনীতি করলে পরিস্থিতি বুঝতে পারতেন। সাংবাদিক নেতারা বলেন, শুধু রোজিনার মুক্তি নয়, মামলা প্রত্যাহারের পাশাপাশি তাঁকে নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। আন্দোলন বেগবান করতে সাংবাদিকদের সব সংগঠন নিয়ে একটি মোর্চা গঠন করে সমন্বিত কর্মসূচির তাগিদ দেন অনেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির কোলায় ঘের নিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার আশাশুনির কোলায় ঘের নিয়ে ভন্ড আমজাদ কর্তৃক হয়রানি ও মিথ্যাচারের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন আশাশুনির কোলা গ্রামের মির্জা কামরুজ্জামান, মোঃ আশরাফ আলী, মোঃ নাজির আলম, আফসার উদ্দীন শেখ ও মির্জা মিলন হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মির্জা কামরুজ্জামান বলেন, কোলা মৌজায় মরহুম বসির আহমেদ রেকর্ডীয় এবং খাস ৭০৩ বিঘা জমিতে মাছের ঘের করতেন। তার মৃত্যুর পর আমরা জমির মালিকরা মিলে উক্ত মাছের ঘের পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেই এবং ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আমি না থাকলেও দেখভাল করতাম। কিন্তু কিছুদিন পর মৃত অহেদ আলী মোল্ল্যার ছেলে আমজাদ হোসেন ঘেরে থাকা খাস জমি দখলের পায়তারা শুরু করে। এতে আমিসহ অন্যরা বাধা দিলে আমজাদ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকে। এনিয়ে আশাশুনি থানাসহ জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একাধিকবার শালিস হলেও ঘেরে কতটুকু জমি আছে আমজাদ তার হিসাব না জানিয়ে খাস সম্পত্তি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে থানার ওসি’র নির্দেশে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে হিসাব করে তার ভাগে ৬৭ বিঘা জমি পড়লে তা বের করে দিয়ে আমরা বাকী জমি নিয়ে ঘের পরিচালনা শুরু করি। এতে খুশি না হয়ে সে আরো সম্পত্তি দখলের অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। আমজাদ আমাদের হয়রানি করার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়েরসহ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মিথ্যেচার করছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, একাধিক মামলার আসামী আমজাদ ম্যাগনেট, টক্ক সাপ ও ভুতুম পেচা ব্যবসায়ী। জাল টাকা কারবারের সাথে তার যোগাযোগ রয়েছে। মুর্তি চুরির অপরাধে বাগেরহাট প্রতœতত্ত্ব অফিস থেকে তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়। প্রতারনা করে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া তার ব্যবসা। প্রতারনার মাধ্যমে ২০১০ সালে জনৈক মাফাজ্জেল হোসেনের কাছ থেকে সে ৩ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা আত্মসাত করে। এঘটনায় জেলে যেতে হয় তাকে। তার বাড়িতে প্রতিনিয়ত ভিন্ন জেলার মানুষ আসা যাওয়া করায় এলাকার মানুষ সব সময় অতংকে থাকে। বিগত ২০১৬ সালে নৌকার অফিস ভাংচুর এবং জাতির জনকের ছবি ছেড়ার অভিযোগে আমজাদের নামে মামলা হয়। অথচ সেই আমাদেরকে স্বাধীনতা বিরোধী বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে। মির্জা কামরুজ্জামান আরো বলেন, প্রকৃতপক্ষে আমজাদ একজন ভূমিদস্যু। তার পৈত্রিক কোন সম্পত্তি নেই। উক্ত ঘেরে যে টুকু সম্পত্তি রয়েছে সেটি তার নানা বাড়ির সম্পত্তি। তার নিজস্ব কোন ব্যবসা বা আয়ের উৎস না থাকলেও সে কোটি টাকার মালিক। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনে প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। এছাড়া ২০১৩ সালে র‌্যাব আমাকে আটক করেনি। আমার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। অথচ আমজাদ র‌্যাবকে নিয়েও মিথ্যেচার করেছেন।
আমরা কালোবাজারী আমজাদের কবলে পড়ে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছি। তিনি আমজাদের হয়রানির হাত রক্ষা পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় রোজিনা ইসলাম সহ সকল সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

দেবহাটা ব্যুরো : রোজিনা ইসলাম সহ সকল সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাতক্ষীরার দেবহাটা প্রেসক্লাব। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দেবহাটা প্রেসক্লাব চত্তরে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুর রব লিটুর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান শাওনের সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওহাব, সহ—সভাপতি আবু হুরায়রা সাংগঠনিক সম্পাদক মীর খায়রুল আলম, দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আরিফ, নির্বাহী সদস্য এসএম নাসির উদ্দীন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রথম আলোর অনুসন্ধানী সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের উপর হামলা ও মামলায় আটক করার লজ্জা গোটা সাংবাদিক সমাজের। একজন নারী সাংবাদিকদের উপর এমন হামলা কখনো কাম্য নয়। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হল যে সাংবাদিক হামলার শিকার হয়ে উল্টো মামলার আসামি হয়ে তাকে জেলে নেওয়া হয়েছে। অথচ অতিরিক্ত সচিব যার নামে অসংখ্য দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও তার বিরুদ্ধে নেওয়া হয়নি কোন ব্যাবস্থা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এমন কর্মকান্ডে আমরা হতভম্ব। আমরা আজ নির্যাতনের শিকার হয়ে বিচার পাচ্ছি না। বক্তরা আরো বলেন, আজকের দিনে সাংবাদিকদের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তার কথা বলে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। সাংবাদিক হত্যা হলেও তার সঠিক বিচার হচ্ছে না। সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে রাষ্ট্র ভাবে না। সাংবাদিকরা সরকারের সহযোগী তাই তাদের কল্যাণে সরকারকে ভাবতে হবে। কিছু আমলাদের অপকর্মে সরকারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হলে সেটি তুলে ধরেন সাংবাদিকরা। আর তখন সবার শত্রু হয়ে যায় সাংবাদিকরা। তাই সময় এসেছে কেন্দ্র, বিভাগ, জেলা, উপজেলা পর্যয়ে সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে একটি ঐক্যতায় আসতে হবে। সাংবাদিকদের জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করতে সরকারকে ভূমিকা রাখতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের যুুগ্ম—সম্পাদক মোমিনুর রহমান, অর্থ সম্পাদক কবির হোসেন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত হোসেন লিটন, সদস্য সুমন পারভেজ বাবু, দিপঙ্কর বিশ্বাস, কেএম রেজাউল করিম, লিটন ঘোষ বাপ্পী, ফরহাদ হোসেন সবুজ, রুহুল আমিন, এসকে ওভি, মনিরুল ইসলাম, উত্তম কুমার, ইসমাইল হোসেন সহ কর্মরত সকল সাংবাদিকবৃন্দরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এড. শাহ আলমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা : আইনজীবীদের প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. এম শাহ আলমকে একজন টাউটের মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাড. মোস্তফা নুরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-১ তালা- কলারোয়া আসনের সাংসদ অ্যাড. মুস্তাফা লুৎফুল্লাহ।
সাধারণ আইনজীবীদের আয়োজনে সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতের নীচের তলায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড আবুল হোসেন (২), অ্যাড. আশরাফুল আলম, অ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. মোসলেমউদ্দিন, সাবেক অতিরিক্ত পিপি অ্যাড, আজাহারুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. ওসমান গণি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. ইউনুস আলী, অ্যাড. সরদার আমজাদ হোসেন, অ্যাড. তোজাম্মেল হোসেন তোজাম, অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু, সাবেক পিপি অ্যাড.তপন কুমার দাস, অ্যাড. মোস্তফা জামান, অ্যাড. কার্তিক দাস, অ্যাড. তপন কুমার কুণ্ডু, অ্যাড .আব্দুস সামাদ প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন শতাধিক আইনজীবী।
বক্তারা বলেন, দেড় শতাধিক বছরের ঐতিহ্যবাহি সাতক্ষীরা পুরাতন আইনজীবী ভবনের জমি রক্ষায় আমাদের সকলকে একসাথে হয়ে লড়তে হবে। জজ কোর্ট থেকে জুডিশিয়াল কোর্টে যাওয়ার জন্য ডিসি ভবনের সামনের প্রাচীরের মধ্য দিয়ে করিডোর নির্মাণ করার জন্য আইনমন্ত্রী ঘোষণা#দেওয়ার কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও তা আজো কার্যকর হয়নি। এ নিয়েও সমিতির সদস্যরা ঐক্যমতে পৌঁছাতে পারেনি। এ নিয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে কয়েকবার। ২৬ এপ্রিল জেলা দায়রা জজ আদালতে একটি ধর্ষণ মামলার আসামীর জামিন শুনানীকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপক্ষের পিপি’র সঙ্গে আসামীপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. এম শাহ আলমের বাক বিতণ্ডাকে ঘিরে পরবর্তীতে তার উপর হামলা ও ল’ চেম্বার ভাঙচুরের ঘটনা আইনজীবী সমিতির চিরচারিত ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ম্লান করে দিয়েছে। আইনজীবী সমিতি কর্তৃক ঘোষিত টাউট লিয়াকতের মামলায় আইনজীবীদের কয়েকজন সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। শুধু তাই নয় সাত বারের সাবেক সভাপতি ও ছয় বারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এম শাহ আলমের রিমাণ্ড শুনানীতে টাউটের পক্ষ নিয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এসএম হায়দার আলী, অ্যাড. আব্দুল মজিদ(২), অ্যাড. সালাহউদ্দিন, জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফসহ অনেকেই অংশ নিয়েছেন। অথচ একজন আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা হলে বারের কোন সদস্য মামলাকারির পক্ষে অবস্থান নেবে না এটাই স্বাভাবিক ছিল। এ ক্ষেত্রে তার ব্যত্তয় ঘটেছে। নেপথ্যে থেকে একটি চক্র শুধু সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির সুনাম ক্ষুন্ন করছে না, তারা সরকারের ভাবমুর্তি নষ্ট করছে। যারা বারের বিভক্তিতে ভূমিকা রাখছেন তারা ভালো করছেন না। নিজেদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রাখার কথা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, আইনজীবীদের নিজেদের মধ্যে কোন সমদস্য সৃষ্টি হলে নির্বাচিত কার্যকরি কমিটির মাধ্যমে তার সামাধান করতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, অ্যাড. শাহ আলমের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে ও হাতে হাতকড়া পরিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। অবিলম্বে শাহ আলমসহ অপর চারজন আইনজীবীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের জামিন বিষয়ে আদেশ রোববার

দেশের খবর : চুরি ও অফিসিয়াল সিক্রেটস আইনে করা মামলায় দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের জামিন বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করা হয়েছে। এ দিন রাষ্ট্রপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপনের জন্য দিনও ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২০ মে) ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লার ভার্চুয়াল আদালতে সাংবাদিক রোজিনার জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রোজিনার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এহসানুল হক সমাজি, আমিনুল গনি টিটু, জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, প্রশান্ত কুমার কর্মকার ও আশরাফুল আলম। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের জামিনের বিরোধিতা করেন হেমায়েত উদ্দিন হিরোন।

আদালত শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন ও জামিন বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেন। শাহবাগ থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিজাম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করছেন।

সাংবাদিক রোজিনার জামনি বিষয়ে আজ আদেশ না হওয়ায় ন্যায়বিচারে বিলম্ব হলো বলে মন্তব্য করেছেন তার আইনজীবী এহসানুল হক সমাজি। তিনি বলেছেন, ‘মামলাটি জামিনযোগ্য। আমরা আশা করেছিলাম রোজিনাকে আজ জামিন দেয়া হবে। তাকে আজ জামিন না দেয়ায় ন্যায়বিচার বিলম্বিত হলো।’

এর আগে গত মঙ্গলবার (১৮ মে) রোজিনা ইসলামের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে তার জামিন শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন আদালত।

সেদিন সকালে তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুর রহমান সরদার। অন্যদিকে তার আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার তার জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তার রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে তার জামিন শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

এরপর রোজিনার আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার তার চিকিৎসার জন্য আবেদন করেন। আদালত কারাবিধি অনুযায়ী তার চিকিৎসার জন্য নির্দেশ দেন। এরপর প্রিজন ভ্যানে তাকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই রয়েছেন।

রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে সোমবার (১৭ মে) রাতে শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি করেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব ডা. মো. শিব্বির আহমেদ উসমানী।

সচিবালয়ে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার পর সোমবার রাত ৯টার দিকে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে শাহবাগ থানায় আনা হয়। তার বিরুদ্ধে অনুমতি ছাড়া মোবাইল ফোনে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথির ছবি তোলা এবং আরও কিছু নথি লুকিয়ে রাখার অভিযোগ এনেছে মন্ত্রণালয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেলিফোন বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা শিশির কুমারের সন্ধান চায় পরিবার

সাতক্ষীরা টেলিফোন বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা শিশির কুমার বিশ^াসের সন্ধান চায় পরিবার।
তিনি সাতক্ষীরা শহরের মধুমল্লারডাঙ্গী গ্রামের মৃত. নিরঞ্জন বিশ^াসের পুত্র। ২০ মে বৃহস্পতিবার ভোরে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেনি।

সম্ভাব্য সকল আতœীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও তার কোন সন্ধান না পেয়ে শিশির কুমার বিশ^াসের পুত্র অনিন্দ্য বিশ^াস সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

যার নং- ১০৯৯। কেউ যদি শিশির কুমারের সন্ধান পান তাহলে মধুমোল্লার ডাঙ্গী তাদের বাড়ির ঠিকানায় অথবা অনিন্দ্য বিশ^াসের ব্যবহৃত ০১৭০৩ ২৬৪৪৬৭ নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest