সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরায় জলবায়ু-বাস্তুচ্যুত মানুষের আবাসন, খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিতে ১১ দফা দাবিসাতক্ষীরার সাংবাদিকপুত্র কাজী ফাইম আব্দুল্লাহর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জনসাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়

রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা ও গ্রেপ্তারে জাতিসংঘের উদ্বেগ

অনলাইন ডেস্ক : প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। বিশ্ব সংস্থাটি বলেছে, বিষয়টির দিকে তারা নজর রাখছে। এটি স্পষ্টতই উদ্বেগের বিষয়।

মঙ্গলবার জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের সাংবাদিককে হয়রানি ও গ্রেপ্তারসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এ কথা বলেন।

ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘের স্থায়ী সংবাদদাতা মুশফিকুল ফজল আনসারী সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের প্রসঙ্গ উপস্থাপন করলে মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, ‘বাংলাদেশে যে সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁকে নিয়ে প্রকাশিত গণমাধ্যমের খবর আমাদের নজরে এসেছে। আমরা নজর রাখছি। এটি স্পষ্টতই উদ্বেগজনক বিষয়।’

কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই সাংবাদিকদের কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে উল্লেখ করে ডুজারিক বলেন, ‘বিষয়টিতে আমাদের অবস্থান খুবই স্পষ্ট। সাংবাদিকদের কোনোভাবেই হয়রানি বা শারীরিক নির্যাতন করা যাবে না। মুক্ত ও স্বাধীনভাবে কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সেটা বাংলাদেশ কিংবা পৃথিবীর যেকোনো জায়গাই হোক না কেন।’

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র আরও বলেন, ‘করোনাভাইরাস মহামারির এ সময়ে বিশ্বে সাংবাদিকেরা যে ভূমিকা রাখছেন, তা আমরা সবাই পর্যবেক্ষণ করেছি। তাঁরা যেখানে, যে অবস্থায় কাজ করুক না কেন, তাঁদের কাজের ক্ষেত্র হতে হবে বাধাহীন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বললেন হানিফ

দেশের খবর : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সাংসদ মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিলে দেশ-জাতি উপকৃত হবে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটায় ফেসবুকে এক পোস্টে এ কথা লেখেন তিনি। পোস্টের বিষয়ে জানতে চাইলে মাহবুব আলম হানিফ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার নিন্দা জানান।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন,‘সরকারের কোনো মন্ত্রণালয়ের কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি বিশেষের কারণে ভাবমূর্তি নষ্ট হবে এটা কোনোভাবে কাম্য নয়। আমরা চাই প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয় স্বচ্ছভাবে কাজ করুক, প্রধানমন্ত্রীর যে চিন্তা চেতনা দেশের জন্য যে পরিকল্পনা সেটা বাস্তবায়নে এগিয়ে যাক। দেশ এগিয়ে যাক, সরকারের ইমেজ আরও উজ্জ্বল হোক।’

মাহবুব আলম হানিফ প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের সঙ্গে সচিবালয়ে যে ঘটনা ঘটেছে সেটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক,অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বলে উল্লেখ করেন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান তিনি। এই ধরনের ঘটনা কখনোই কাম্য নয়।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হানিফ বলেন, সংবাদমাধ্যম হচ্ছে সমাজের দর্পণ। এর মাধ্যমেই জনগণ দেশের সঠিক তথ্য উপাত্ত খুঁজে পায়। এটাও সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। সরকার ও সংবাদমাধ্যম সুসম্পর্ক থাকাটায় বাঞ্ছনীয়। কিন্তু কখনো কখনো দেখা যায়, দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের কারণেই এই জায়গাতে ব্যাঘাত ঘটে। তাই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিলে দেশ-জাতি উপকৃত হবে।

মাহবুব উল আলম হানিফ আরও বলেন, ‘করোনাকালে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। উনি কখনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেন না, তিনি শক্ত অবস্থানে আছেন। ইতিমধ্যে যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গত ৫/৭ বছরে ক্ষমতাসীন দলের অনেক সাংসদের বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে গুটিকয়েক মন্ত্রী–সচিবই যথেষ্ট : মারুফা আক্তার

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মারুফ আক্তার তাঁর ফেসবুক আইডিতে প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তার ঘটনায় ক্ষোভ ও রোজিনা ইসলামের মুক্তি চেয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

রোজিনা ইসলামের স্বামী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মনিরুল ইসলাম মিঠু ও রোজিনার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক থাকার কথা তুলে ধরে মারুফা আক্তার লিখেন, ‘গতকাল থেকে সকলের মুখে মুখেই রোজিনা ইসলাম! তাঁর মুক্তির জন্য সাংবাদিকদের আন্দোলন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর মুক্তি দাবি, কোনো কিছুতেই কিছু হলো না!! তাঁর জামিন না মঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছে মহামান্য আদালত। রোজিনা আপা এখন আদালতের বিষয়। সকলের মতো আমিও তাঁর মুক্তি চাই।’

হেনস্তা করার একটি ছবি দিয়ে তিনি আরও বলেন ‘… রোজিনা আপার ওপর হামলার এই ছবিটা দেখে আমার মনে অনেক প্রশ্ন জেগেছে। অনেকেই বলেছেন তাঁকে হেনস্তা করা হয়েছে , এটা কি শুধুই হেনস্তা? যে আইন/ আদালত রোজিনা আপার জামিন না মঞ্জুর করলেন, আইনের সেই নিরপেক্ষ চোখের সহজ ভাষায় এটা হতে পারে অ্যাটেম টু মার্ডার। হামলাকারী এই ভদ্রলোক/ ভদ্রমহিলাদের ব্যাপারে আইন/ আদালত কি আদৌ কোনো ব্যবস্থা নেবেন?”

মারুফা আক্তার লিখেন, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মনে করি, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন প্রজাতন্ত্রের তথা জনগণের সেবক। একজন অফিসারের এমন আচরণে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটা সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা থাকা দরকার। নিজের মুখ ঢেকে একজন সিনিয়র সাংবাদিকের গলাটিপে ধরার এই ছবিটা কি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ?… ।’ তিনি বলেন ‘ দিন শেষে আমার পরিচয়-আমি একজন সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী। সহযোদ্ধার হৃদয়ের রক্তক্ষরণে আমার হৃদয়েও রক্ত ঝরে। মিঠু ভাইকে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো কোনো ভাষাই আজ আমার কাছে নেই। শুধু ক্ষমা চাওয়া ছাড়া। পরিশেষে বলব, সরকারকে বাঁশ দেওয়ার জন্য (সবাই কিন্তু নয়) এমন দুই একটা মন্ত্রণালয় আর গুটিকয়েক মন্ত্রী, সচিব কর্মকর্তাই যথেষ্ট! অতএব সাধু সাবধান।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দীর্ঘ সময় আটকে রেখে হেনস্তা এবং রাতে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে যেভাবে নথি চুরির অভিযোগে মামলা দেওয়া হয়েছে তাতে তীব্র নিন্দা ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এই ঘটনাকে ‘দুর্নীতিবাজদের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের একটি হুঁশিয়ারি বার্তা’ হিসেবে দেখছে টিআইবি।

সাংবাদিক রোজিনার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করে অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানিয়েছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি। সেইসঙ্গে সাংবাদিক রোজিনাকে হেনস্তার ঘটনা সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে টিআইবি।

আজ এক বিবৃতিতে টিআইবি বলেছে, করোনাকালে স্বাস্থ্য খাতের ক্রয় থেকে শুরু করে প্রতিটি পর্যায়ে দুর্নীতির যে ভয়াল ও অমানবিক চিত্র জাতির সামনে এসেছে, তার অনেকটাই সম্ভব হয়েছে রোজিনা ইসলামের মতো অকুতোভয় সাংবাদিকদের নিরন্তর প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠার কারণে। এই সময়ে এমন ঘটনা মুক্ত সাংবাদিকতার টুঁটি চেপে ধরারই নামান্তর।

সাংবাদিক রোজিনার প্রতি ক্ষোভ থেকেই তাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আটকে রেখে নিপীড়ন করা হয়েছে কিনা প্রশ্ন রেখে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন সময়ে হওয়া অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং করোনা সংকট মোকোবিলায় প্রতিষ্ঠানটির সমন্বয়হীনতা, পেশাদারিত্বের যে ঘাটতি ও স্বরূপ রোজিনা ইসলামের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এটাকে তারই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করাই স্বাভাবিক। এখন পর্যন্ত যারা কিছুটা হলেও নীতি ও নিষ্ঠার সাথে সাংবাদিকতা করছেন, শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে নিয়মিত জনস্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করছেন, এটা তাদের জন্য দুর্নীতিবাজদের পক্ষ থেকে একটি হুঁশিয়ারি বার্তা বলে মনে করি। এর রেশ আমাদের ধারণারও বাইরে।’

এ ঘটনায় যেভাবে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার বিষয়কে টেনে এনে ঔপনিবেশিক আমলের ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট-১৯২৩’ এর ৩ ও ৫ ধারা এবং পেনাল কোডের ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় যেভাবে মামলা দায়ের করা হয়েছে তাতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘এক্ষেত্রে রোজিনা ইসলামের সাংবাদিক পরিচয়কে কোনোভাবেই বিবেচনা করা হয়নি, বরং তাকে ফাঁদে ফেলে শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে পুরো গণমাধ্যমকেই একহাত নেওয়ার অপচেষ্টা করেছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল।’

ড. জামান আরও বলেন, ‘তথ্য অধিকার আইন পাশ হওয়ার ফলে বাক ও মত প্রকাশের যে আশার আলোটুকু আমরা দেখতে শুরু করেছিলাম অচিরেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে নিবর্তনমূলক ৩২ ধারায় ঔপনিবেশিক আমলের ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট-১৯২৩’ সন্নিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল রোজিনা ইসলামের ঘটনার মধ্য দিয়ে তার নগ্ন পরিণতি পেয়েছে। এর নিন্দা জানাবার ভাষাও হারিয়ে ফেলেছি। আমরা কি সামনের দিকে এগোচ্ছি নাকি উল্টো যাত্রা শুরু করেছি? এর শেষ কোথায়?’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিদেশের খবর : ভারত অক্টোবরের আগে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখতে পারে। দেশে ভ্যাকসিন স্বল্পতার কারণে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানোর পথে হাঁটছে নয়া দিল্লি। ফলে প্রত্যাশার চেয়ে দীর্ঘ হতে যাচ্ছে ভ্যাকসিন রফতানিতে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ। এতে বৈশ্বিক কোভ্যাক্স উদ্যোগ সরবরাহ স্বল্পতায় পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভারত সরকারের তিনটি সূত্রের বরাতে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের কাছে বিক্রি ও উপহার হিসেবে ৬ কোটি ৬০ লাখ ডোজ টিকা সরবরাহ করেছে ভারত। কিন্তু এক মাস আগে সংক্রমণ বৃদ্ধির ফলে ভ্যাকসিন রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এতে বিকল্প উৎস থেকে বিকল্প ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে বিপাকে পড়ছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো।

কোভ্যাক্স উদ্যোগে সহ-নেতৃত্ব বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সোমবার ভারতের ভ্যাকসিন না পাওয়ায় সৃষ্ট ঘাটতি মেটাতে অন্যান্য দেশের উৎপাদনকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র তিনটি জানায়, ভারতে টিকাদান এখন অগ্রাধিকার পাবে। কারণ, আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই কোটি ছাড়িয়ে গেছে এবং মৃত্যুও হচ্ছে রেকর্ড সংখ্যায়।

রফতানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের সমর্থনে এক সূত্র বলেন, সব দেশকে সরকারিভাবে আমাদের জানানোর দরকার নেই। কারণ, এটি করতে আমরা বাধ্য নই। এটি আমাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং কয়েকটি দেশকে বলে দেওয়া হয়েছে বর্তমান পরিস্থিতিতে রফতানির প্রতিশ্রুতি প্রত্যাশা না করার জন্য।

এই বিলম্বের বিষয়ে যেসব দেশকে অবহিত করা হয়েছে সেগুলোর নাম বলেননি ওই সূত্র।

অপর দুটি সূত্র জানায়, রফতানি পুনরায় শুরুর নির্দিষ্ট সময় ভারতের পরিস্থিতির কারণে বদলে যেতে পারে। এটি নির্ভর করছে কত দ্রুত ভারত দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে পারে।

ভারতের ভ্যাকসিন রফতানি তদারকির দায়িত্বে থাকা দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে কোনও সাড়া দেয়নি।

ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের এক মুখপাত্র জানান, এখন মূল মনোযোগ হলো দেশে ভ্যাকসিন সরবরাহ করা। এর আগে জুন মাস থেকে ভ্যাকসিন রফতানি পুনরায় শুরুর প্রত্যাশার কথা জানিয়েছিল কোম্পানিটি।

অক্টোবরে ভারতের রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে কোভ্যাক্সের সহ-নেতৃত্ব গ্যাভি জানায়, সেরামের কাছ থেকে মে মাসের শেষ দিকে অন্তত ১৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাওয়ার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু এখন সেগুলো ভারতেই থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক রোজিনাকে হেনস্তার ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি

অনলাইন ডেস্ক : সচিবালয়ে দৈনিক প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা করার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (১৮ মে) স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এ তদন্ত কমিটি গঠন করে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম-সচিব (উন্নয়ন অধিশাখা) মো. সাইফুল্লাহিল আজমকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন উপসচিব (প্রশাসন-২ শাখা) মো. আবদুছ সালাম ও উপসচিব (জনস্বাস্থ্য-১) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা।

কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক যুগ্ম-সচিব সাইফুল্লাহিল আজম জাগো নিউজকে বলেন, ‘তদন্ত কমিটি গঠন করার বিষয়টি জেনেছি। তবে এ সংক্রান্ত আদেশ এখনো আমার হাতে আসেনি। আমি অন্য একটি কাজে ব্যস্ত ছিলাম।’

সোমবার (১৭ মে) বিকেল ৩টার দিকে রোজিনা ইসলাম পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যান। স্বাস্থ্য সচিবের একান্ত সচিবের কক্ষে ফাইল থেকে নথি সরানোর অভিযোগে তাকে ওই রুমে আটকে রাখা হয় এবং তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়া হয়। নিজের ওপর নির্যাতনেরও অভিযোগ তোলেন রোজিনা। একপর্যায়ে সেখানে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর তাকে শাহবাগ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রাতে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় চুরি ও অফিসিয়াল সিক্রেটস আইনে মামলা করা হয়। সকালে রোজিনাকে আদালতে তুলে পাঁচদিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। অন্যদিকে জামিন চান তার আইনজীবী। আদালত জামিন ও রিমান্ড নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলাম জামিন পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মঙ্গলবার (১৮ মে) দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান।

সাক্ষাৎ শেষে ফরিদা ইয়াসমিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমরা তাকে জানিয়েছি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে রোজিনাকে ৬ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছে। তাকে নানা ধরনের হেনস্তা করা হয়েছে। আমরা এর বিচার চেয়েছি। এ ধরনের হেনস্তা করার অধিকার কারও নেই। এরা কারা, কি জন্য করেছে সেটার তদন্ত করে বিচার করতে হবে। ওনার জামিনের বিষয়ে বলেছি যেন জামিন হয়। সবচেয়ে বড় যেটা তিনি অসুস্থ, তাকে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করার বিষয়ে বলেছি।’

প্রেস ক্লাবের সভাপতি আরও বলেন, ‘যেহেতু কারাগারে পাঠানো হয়েছে আমরা জানি কারাগারের কি অবস্থা। তাকে যেন ভালো পরিবেশে রাখা হয়। তাকে যেন সেখানে নতুন করে কোনোভাবে হ্যারেজ না করা হয়, সেটা যাতে নিশ্চিত করা হয়। উনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) বলেছেন, ওনারা সাধ্যমতো দেখবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন বৃহস্পতিবার যে জামিন শুনানি হবে সেখানে তার জামিন হয়ে যাবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এটাও বলেছেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে সরকারের ভুল বোঝাবুঝি হোক এটা তারা চায় না।’

ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘তারা (স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়) যেহেতু মামলা করেছে রোজিনা ইসলাম কি অপরাধ করেছে সেটি আদালত দেখবেন। কিন্তু তারা যে হেনস্তা করেছে সেটি করতে পারে কি-না তা তদন্ত করে দেখার জোরালো দাবি জানিয়েছি।’

প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি রোজিনা ইসলামকে শারীরিক টর্চার করা হয়েছে। আমরা সুস্থ বিচার দাবি করেছি। তারা বলেছে আধাঘণ্টা পর পুলিশে দেয়া হয়েছে, কিন্তু মূলত কয়েক ঘণ্টা তাকে ছোট একটি রুমে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। মানসিক ও শারীরিকভাবে তাকে বিভিন্ন ধরনের হেনস্তা করা হয়েছে। সেটি যাতে সুষ্ঠু তদন্ত হয় সে বিষয়ে আমরা দাবি জানিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি রোজিনা ইসলামের নামে যে দুটি ধারায় মামলা হয়েছে সে দুটি ধারায় জামিনযোগ্য। সেখানে কিন্তু রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। এটা উদ্দেশ্যমূলকভাবে চাওয়া হয়েছে। যাতে জামিন না হয় সে জন্য এটা করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। তিনি আশা করেন বৃহস্পতিবারের মধ্যে জামিন হয়ে যাবে। কোনো প্রকার ব্যত্যয় না করে বৃহস্পতিবারের মধ্যে যেন জামিন হয় আমরা সে দাবি করেছি। এছাড়া রোজিনা যাতে সুবিচার পান সে বিষয়ে তারা সচেষ্ট থাকবেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় চলতি মৌসুমে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহের উদ্বোধন

আসাদুজ্জামান : ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে করোনা পরিস্থিতিতে নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে সাতক্ষীরায় চলতি মৌসুমে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ-২০২০-২১ এর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ মে) বেলা ১১টায় সদর উপজেলা খাদ্য গুদাম প্রাঙ্গণে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেবাশীষ চৌধুরী’র সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শেখ জাহেদুল ইসলাম, সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জাকির হোসেন, সদর উপজেলা খাদ্য গুদাম ইনচার্জ এ.এস.এম মন্জুরুল আলম, জেলা রাইচ মিল মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ¦ আব্দুস সবুর, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফাফার, সহ-সভাপতি আলহাজ¦ আব্দুল খালেক, সদর উপজেলা রাইচ মিল মালিক সমিতির সভাপতি মোকাদ্দেস খান চৌধুরী মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বাবু প্রমুখ।

অনুষ্ঠান থেকে এ সময় জানানো হয়, সাতক্ষীরা জেলায় এ বছর বোরো চাল সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৩৯ মেট্রিক টন ও বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৯শ ২ মেট্রিক টন। এছাড়া সদর উপজেলা এ বছর বোরো চাল সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৫শ ৫১ মেট্রিক টন ও বোরো ধান সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৩শ’৪৩ মেট্রিক টন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্থা ও আটকের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্থা, নির্যাতন চালানোর ঘটনায় তথ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন ছিল সাবার আগে। আমরা এখনো সেটি লক্ষ্য করছি না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুর্নীতির আখড়া যা সর্বজন স্বীকৃত। দুর্নীতির সংবাদ করায় মন্ত্রণালয়ের কক্ষে পাঁচ ঘন্টা আটকে রেখে সাংবাদিককে নির্যাতন করা হয়েছে। সাংবাদিকের উপর খড়গ আঘাত না এনে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়েছে সাংবাদিকবৃন্দ।

প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে মঙ্গলবার (১৮ মে) বেলা ১২টায় মানববন্ধনে এসব কথা বলেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কর্তব্যরত সাংবাদিকরা।

প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্থা ও আটকসহ দেশব্যাপী সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী।

সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা কল্যাণ ব্যানার্জি, সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আনিসুর রহিম, সাবেক সভাপতি জিএম মনিরুল ইসলাম মিনি, স্বদেশ, সাতক্ষীরার নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মো: হাবিবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, আরটিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, প্রেসক্লাবের যৃগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, নির্বাহী সদস্য সেলিম রেজা মুকুল, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, ভোরের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা ড. দিলীপ কুমার দেব, দৈনিক মানব কণ্ঠের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ও আশাশুনি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, বিজয় টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আকরামুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সাংবাদিকরা বলেন, প্রতিথযশা নির্ভীক সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছে সেটি নির্মম ও বর্বর। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব জেবুন্নেচ্ছা খানম সাংবাদিকের গলার টুটি চেপে ধরে হত্যাচেষ্টা করে সরকারকেই বেকায়দায় ফেলানোর অপচেষ্টা চালিয়েছেন। অতিরিক্ত সচিব জেবুন্নেচ্ছা খানমের নামে স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির পাহাড় গড়ে তুলেছেন। যা দুর্নীতির একটি বড় প্রমাণ করে। অথচ তার বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা বা শাস্তি না হয়ে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় উল্টো সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। আমরা সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নিঃশর্ত মুক্তি ও ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এসময় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য ও অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest