সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরায় জলবায়ু-বাস্তুচ্যুত মানুষের আবাসন, খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিতে ১১ দফা দাবিসাতক্ষীরার সাংবাদিকপুত্র কাজী ফাইম আব্দুল্লাহর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জনসাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়

মাছ-মাংসের পরিবর্তে খান মটরশুঁটি

অনলাইন ডেস্ক: মাছ, মাংসে ভরপুর প্রোটিন। কিন্তু আপনি যদি নিরামিষাশী হন? বা প্রতিদিন মাছ, মাংসের জন্য বাজেট পারমিট না করে? তাহলে উপায়? একবাটি মটরশুঁটি খান প্রতিদিন। পুষ্টি ষোলো আনা। এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা।

চিকিৎসকরা বলছেন, রোজ ২ পিস মাছ বা ৩ পিস মাংসের বদলে একবাটি মটরশুঁটি অনেক বেশি পুষ্টিকর।

খাবারের স্বাদ বাড়াতে মটরশুঁটির তুলনা নেই। বিভিন্ন রান্না ও স্যালাডে মটরশুঁটির প্রচুর ব্যবহার।

মটরশুঁটিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লামেটরি, যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। বিশেষ করে পাকস্থলীর ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়। ফলে, বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াটি ধীরগতির হয়। যারা ডিপ্রেশনে ভোগেন, তাদের সিদ্ধ মটরশুঁটি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

মটরশুঁটিতে থাকে নিয়াসিন। যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। রক্তনালির ব্লক প্রতিরোধ করে। মটরশুঁটি তাই ব্লাড প্রেশার কমায়। হৃদরোগ প্রতিরোধ করে।

এতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার। যা কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয়।

ক্যালোরি কম। তাই ওজন কমাতে সাহায্য করে মটরশুঁটি।

মটরশুঁটিতে রয়েছে ভিটামিন সি। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

এতে থাকে প্রচুর আয়রন। যা অ্যানিমিয়া ও ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।

প্রোটিন, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ হওয়ায় শিশুর দেহের বৃদ্ধিতে দারুণ কাজ করে মটরশুঁটি।

অ্যালঝাইমার্স, ব্রঙ্কাইটিস প্রতিরোধেও সাহায্য করে মটরশুঁটি।

এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ। যা চোখ ভাল রাখে।

এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন কে। যা ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে। ফলে হাড় ভাল থাকে।

এতে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও ফলিক অ্যাসিড। যা অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাক ডাকা বন্ধ করবে জুস

অনলাইন ডেস্ক: নাসিকা গর্জন যে কী বিরক্তিকর, ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন। যিনি নাক ডাকেন, তিনি তো বিন্দাস ঘুমে। কিন্তু, কানের পাশে অবিরত শব্দে পাশের মানুষটির ঘুমের বারোটা। জোর করে দু-চোখের পাতা এক করার চেষ্টা করেও লাভ হয় না। আপনার পাশের মানুষটির প্রতি বিরক্তি প্রকাশের উপায় নেই। পাশ ফিরিয়ে ঘুমালে সাময়িক স্বস্তি মিললেও, কিছু মুহূর্ত পরে আবার একইরকম নাসিকা গর্জন। যিনি নাক ডাকছেন, তার ঘুমটিও যে খাসা হচ্ছে, এমনটা ভাবার কারণ নেই। তিনি না-বুঝলেও, ব্যাঘাত তারও ঘটে।

এই নাক ডাকার অন্যতম কারণ হল শ্বাসনালীতে বায়ু চলাচলে ব্যাঘাত। ঘুমন্ত অবস্থায় গলা ও তালুর টিস্যু ঢিলেঢালা হয়ে এই বাধার সৃষ্টি করে। এটা ঘটে হালকা ঘুম থেকে গভীর ঘুমে যাওয়ার সময়। এই বাধা ঠেলে জোর করে বায়ু চলাচলের কারণেই নাসিকা গর্জন। অ্যালার্জি, অ্যাজমা, ঠাণ্ডা লাগা, স্লিপ অ্যাপনিয়া, সাইনাস… এমন নানা কারণ থাকতে পারে।

এ জন্য ওজন ঝরানোর চেষ্টা করতে হবে। কারণ, ওবেসিটি নাক ডাকার অন্যতম কারণ। ওজন কমলে নাক ডাকাও আপনা থেকে কমবে। কিন্তু, রাতারাতি তো ওজন কমবে না। ততদিন একটি জুস নিয়মিত খেয়ে দেখতে পারেন। আপনার সামান্য উদ্যোগে পাশের মানুষটি শান্তিতে ঘুমাতে পারবে।

জুসের উপকরণ: ২টি আপেল। ২টি গাজর। একটা পাতিলেবুকে চার টুকরো করে তার একভাগ। এক ইঞ্চি সমান আদার টুকরো।

যে ভাবে বানাবেন: সবগুলো একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন, সেই জুসটি বিছানায় ঘুমাতে যাওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে খেতে হবে। নাক ডাকা বন্ধ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোষ্ঠকাঠিন্য ঠেকান বেলের শরবতে

স্বাস্থ্য কণিকা: বিভিন্ন কারণে পেটের পীড়ায় ভুগে থাকেন অনেকেই। পেটের পীড়ার মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্য একটি বিরক্তিকর সমস্যা। কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস্ট্রিক আলসারসহ পেটের নানাবিধ পীড়া মোকাবিলায় অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ফল হচ্ছে বেল। প্রাচীনকাল থেকেই গ্রামগঞ্জে পেটের পীড়ায় ঘরোয়া টোটকা হিসেবে বেলের শরবত ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

সাধারণত গরমের দিনে এক গ্লাস বেলের শরবত শরীর ও মনে শান্তি নিয়ে আসে। পেটের গোলমাল দূর করতেও বেলের জুড়ি মেলা ভার। বেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ। যা খাবার হজমে দারুণ সহায়তা করে।

বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি ইউনানি ও আয়ুর্বেদী ওষুধ তৈরিতে কাঁচা ও পাকা বেল দুটোরই কদর আছে। এ ছাড়া শুকনো বেল দিয়েও তৈরি হয় বিভিন্ন ধরনের ভেষজ ওষুধ। পেটের নানা রকম রোগ সারাতে বেল জাদুর মতো কাজ করে।

কাঁচা বেল ডায়রিয়া ও আমাশয় রোগে অব্যর্থ ওষুধ হিসেবে বিবেচিত। বেলে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও পটাশিয়াম। পাকা বেলে ভিটামিন ‘সি’ এবং ‘এ’ প্রচুর পরিমাণে থাকে।

বেলের বীজগুলো পিচ্ছিল ধরনের হওয়ায় এ ফল পাকস্থলীতে খাবার হজমের ক্ষেত্রে সহায়তা করে। এতে করে খাবার সঠিকভাবে হজম হয়। দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে শরীরে নানা রকমের অসুখ তৈরি হয়। নিয়মিত বেল খেলে এ সমস্যা দূর হয়। শীতের শেষ দিক থেকে বাজারে বেল পাওয়া যায়। বসন্ত ও গ্রীষ্মকালীন রোগব্যাধির বিরুদ্ধে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বেলের শরবত খাওয়া যেতে পারে।
পেটের সমস্যার কারণে ত্বকে ব্রণ ও অন্যান্য রোগব্যাধির সৃষ্টি হয়। আয়ুর্বেদশাস্ত্র মতে, নিয়মিত বেল খেলে ব্রণের সমস্যাও দূর হয়। এ ছাড়া পাকস্থলীর আলসার নিরাময়েও বেল দারুণ কাজ করে।

বেলের শরবত বানানো খুবই সোজা। পাকা বেল একটি চালনি দিয়ে চেলে নেওয়া যেতে পারে। অথবা ব্লেন্ডারে দিয়েও অল্প সময়ের মধ্যে বেলের শরবত বানানো যায়। ফুটপাত ও বিভিন্ন ধরনের খাবার দোকানে ব্লেন্ডার দিযে বেলের শরবত বানিয়ে বিক্রি করা হয়। সবচেয়ে নিরাপদ হচ্ছে ঘরে তৈরি করে খাওয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শীতের বন্ধু গ্লিসারিন

অনলাইন ডেস্ক: সৌন্দর্যচর্চায় সব সময় নিরাপদ উপাদান ব্যবহার করার অভ্যাস কম-বেশি সবার থাকা উচিত। আর সৌন্দর্য রক্ষার মূল চাবিকাঠি নিজের প্রতি সচেতনতা। সৌন্দর্য সচেতন সবাই চান তার সৌন্দর্য যাতে স্থায়ী থাকে।

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সৌন্দর্য যাতে স্থায়ী থাকে নষ্ট যাতে না হয় সেদিকে সবার খেয়াল রাখা জরুরি। তাই আসল সৌন্দর্যকে ধরে রাখতে চাইলে সঠিকভাবে যত্ন নিতে হবে।

শীত আসতে শুরু করেছে। এ সময়ে রূপচর্চার উপকরণেও কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে। বাজারে এখন অনেক ধরনের প্রসাধনী পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু সেসব প্রসাধনী সবই যে ত্বকের জন্য ভালো তা কিন্তু নয়। কিন্তু তারপরও সবার ঝোঁক থাকে বাজারে ভালো ভালো প্রোডাক্টের ওপর।

তবে এসব প্রোডাক্টের প্রসাধনী ব্যবহার করলে যে আপনার উপকার করবে তা কিন্তু নয়। অনেক সময় নরমাল প্রোডাক্টের প্রসাধনী আপনাকে শীতের রুক্ষতা থেকে রক্ষা করতে পারে। ঠিক তেমন একটি উপাদান হল গ্লিসারিন। আর গ্লিসারিন কীভাবে ত্বক ও চুলে ব্যবহার করবেন তা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছেন আকাঙ্খা’স গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের স্বত্বাধিকারী

গ্লিসারিন হল একটি অর্গানিক কমপাউন্ড। এটা তৈরি হয় অক্সিজেন, হাইড্রোজেন ও কার্বন দিয়ে। এ গ্লিসারিন ত্বক ও চুলের বিভিন্ন প্রোডাক্টে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন অ্যান্টিএজিং ক্রিম, নাইট ক্রিম এবং বিভিন্ন ধরনের হেয়ার মাস্কে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। গ্লিসারিন স্কিন ফ্রেন্ডলি উপাদান। যা কিনা আপনার ত্বকের পাশাপাশি চুলেরও উপকারী বন্ধু হিসেবে কাজ করে। গ্লিসারিন সারা বছর ব্যবহারের প্রয়োজন না হলেও শীতে আপনার রূপচর্চার ভালো বন্ধু হতে পারে। স্বচ্ছ বোতলে ভরা এ গ্লিসারিন থাকে। তবে এর ব্যবহার জানা থাকলে খুব সহজেই ঘরে বসে আপনি গ্লিসারিন ব্যবহারের ফলে এর উপকারিতা নিজেই অনুধাবন করতে পারবেন।

টোনার
এক কাপ গ্লিসারিন ও সমপরিমাণ গোলাপ জল মিশিয়ে নিয়ে টোনার তৈরি করে নিতে পারেন। এটা স্প্রে বোতলে ভরে রেখে দিতে পারেন। যখনই মুখ পরিষ্কার করবেন তখনই নরম টাওয়াল দিয়ে মুছে নিয়ে টোনার স্প্রে করে নেবেন। টোনিংয়ের পাশাপাশি এটি ময়েশ্চারাইজারেরও কাজ করবে।

পা ফাটা রোধে
পা ফাটার সমস্যা কম-বেশি সবারই হয়ে থাকে। তবে যাদের হয় শীতে তাদের পা আরও বেশি ফাটে, খসখসে হয়ে যায়, দেখতেও অসুন্দর লাগে। তাই রাতে ঘুমানোর আগে উষ্ণ গরম পানিতে লবণ দিয়ে ৫ মি. পা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর শুকনো করে মুছে হাতের তালুতে গ্লিসারিন নিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করে নিন। তারপর কটনের মোজা পরে নিন। এভাবে প্রতিদিন রাতে যদি গ্লিসারিন ব্যবহার করা হয় তাহলে পা ফাটা সমস্যা থাকবে না।

ঠোঁটের যত্নে
শীতকালে ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যায়। এর ফলে ঠোঁট ফাটতে শুরু করে। তাই ১ চা-চামচ গ্লিসারিন, ১ চা-চামচ মধু মিশিয়ে নিয়ে বোতলে ভরে রেখে দিন। দিনে ২-৩ বার এ মিশ্রণটি ঠোঁটে লাগিয়ে ম্যাসাজ করে নিন বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই ম্যাসাজ করুন ১ বার। তবে যখনই ম্যাসাজ করবেন ২-৩ মি. রাখার পর ভেজা রুমাল দিয়ে মুছে ফেলুন। যদি সঠিকভাবে ঠোঁটের যত্ন নেয়া হয় তাহলে সারা শীতে ঠোঁটের শুষ্কতা ও ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকবে না।

চুলের আগা ফাটা রোধে গ্লিসারিন ব্যবহার
রাতে চিরুনি দিয়ে ভালো করে চুল আঁচড়িয়ে নিন। এরপর চুলের গোড়া বাদ দিয়ে আগা পর্যন্ত গ্লিসারিন দিয়ে তেলের মতো ম্যাসাজ করে নিতে হবে। যার যার চুলের পরিমাণ অনুযায়ী গ্লিসারিন নিতে হবে। এভাবে সারারাত রেখে সকালে শ্যাম্পু করে নিন। এতে করে চুলের আগা ফাটা সমস্যা দূর হয়ে যাবে এবং চুলের রুক্ষতাও থাকবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাপের ভয় দেখিয়ে যুবতীকে ধর্ষণ, সাপের কামড়েই ধর্ষকের মৃত্যু

বিদেশের খবর: বিষাক্ত সাপের ভয় দেখিয়ে হোটেলে নিয়ে যুবতীকে ধর্ষণ করে এক ব্যক্তি। পরবর্তীতে ওই বিষাক্ত সাপের কামড়েই মৃত্যু হয় ধর্ষকের। এমন ঘটনা ঘটেছে চীনের জিয়াংজি প্রদেশের ফুজহোউয়েতে।
ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্ক দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, গত বৃহস্পতিবার হোটেলে তিনটি সাপ এনেছিল ওই ব্যক্তি। এর মধ্যে একটি বিষাক্ত সাপের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে যুবতীকে। শেষে হোটেলের বাথটাবে সাপ নিয়ে খেলতে গেলে সাপের কামড়ে মৃত্যু হয় ওই ধর্ষকের।

ওই হোটেলের এক কর্মী দ্বিতীয় তলায় একটি সাপ দেখতে পেয়ে দমকলকর্মীকে খবর দেন। ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার দুইটি সাপ উদ্ধার করে উদ্ধারকর্মীরা। অন্য একটি সাপকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাথটাবের পাশের ধর্ষকের মৃতদেহ পড়ে ছিল বলে জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ‘ষড়যন্ত্র’ রুখতে কমিটি আওয়ামী লীগের

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় নির্বাচনে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রুখতে সমাজের বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তির সমন্বয়ে একটি লিয়াজোঁ উপ-কমিটি গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। যাদের অধিকাংশই অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, চিকিৎসকসহ নানা পেশার মানুষ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির নির্বাচনী লিয়াজোঁ ও নির্বাচন সংক্রান্ত মনিটরিং উপ-কমিটির বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অংশ নেওয়া সদস্যদের মধ্যে কয়েকজন বলেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র যাতে নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাধা না হতে পারে সেজন্য সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ বৈঠকের শুরুতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কোন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আফজাল হোসেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সকলকে শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী করে কাজ করতে হবে। নির্বাচনের সময়টাতে নির্বাচনী এলাকাগুলোতে যেনো কোনোভাবেই কোনো রাজনৈতিক দল বিশৃংখলা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করতে হবে। এখন আমাদেরই দায়িত্ব শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী আসনে বসাতে স্ব স্ব দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়া। আর কিছু সময় আমাদের হাতে আছে দায়িত্বে গাফিলতি করা যাবে না।’

বাংলাদেশের মানুষ শেখ হাসিনাকে ভালোবাসে তার নেতৃত্বে বিশ্বাস করে জানিয়ে এ আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘আমরা শেষ চার বছর ধরে পর্যবেক্ষণ করেছি, গ্রামে গ্রামে আওয়ামী লীগের ভোট শুধু বেড়েছে। ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদসহ সকল নির্বাচনে মানুষ আমাদের সমর্থন দিয়েছে।’

কমিটির অন্যতম সদস্য বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজের সাবেক উপাচার্য ডাক্তার কামরুল হাছান খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের অনেকগুলো সাব-কমিটি, উপ-কমিটি রয়েছে; কিন্তু সবচেয়ে বড় কাজটা হচ্ছে লিয়াজোঁ কমিটির। আমরা ২০০৮ সালেও এখানে কাজ করেছি। সব নির্বাচনী-ই কঠিন। তবে এই নির্বাচনটায় আমাদের অস্তিত্বের একটা বিষয় রয়েছে।’

তিনি যোগ করেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যেভাবে দেশটাকে বিশ্বের কাছে এগিয়ে নিয়ে গেছেন সেটাকে অব্যাহত রাখতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যেটা আমাদের কামনা সেটাকে বাস্তবায়ন আমরা ধরে রাখতে চাই। এজন্য মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি জননেত্রী শেখ হাসিনার জয়যুক্ত হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।’

লিয়াজোঁ কমিটির দায়িত্ব তুলে ধরে কামরুল বলেন, ‘প্রতিটা আসনেই আমাদের লিয়াজোঁ কমিটি চোখ রাখবে। কোনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে কিনা, আমাদের লোকদের মধ্যে কোনো বিভেদ হচ্ছে কিনা প্রতিটা বিষয়ই আমাদের মনিটর করতে হবে। পাশাপাশি আমাদের নিজেদেরই বিভিন্ন ধরনের সংগঠন আছে সে সংগঠনগুলোকে আমাদের প্রচারের কাজে লাগবো। সব অপশন আমরা মবিলাইজ করবো। আমাদের সময় খুবই কম। তাই আমাদের ঝুঁকি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র আছে এবং সেটা মোকাবেলায় কৌশল তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে। নতুন নতুন রাজনৈতিক জোট হয়েছে, তারা আমাদের বিপদে ফেলতে নানা ধরনের চেষ্টা চলছে। করছে নানাভাবে আমাদের বিপদে ফেলার চেষ্টা করছে। আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্বগুলো আন্তরিকভাবে পালন করতে হবে। আমরা যেন আমাদের কাজে কোন রকম কাফিল অতি না করি।’

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য ও লিয়াজোঁ কমিটির আহ্বায়ক মোঃ রশিদুল আলম।
তিনি বলেন, ‘নৌকা মার্কাকে আবারো বিজয়ী করার জন্য আমাদের নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করার জন্য যা যা করা দরকার তার সাথে আমাদের সম্পৃক্ত থাকতে হবে। আজ আমাদের এখানে যারা উপস্থিত আছেন তারা তাদের চাকরি জীবনে অত্যন্ত সততার সাথে কাজ করেছেন, নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।’

‘তারা তাদের অবসর সময়ে আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে আবারও বাস্তবায়ন করার জন্য উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে ধরে রাখার জন্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী করার জন্য দৃশ্যমান উন্নয়ন যেন ব্যাহত না হয়। ক্ষুধা দারিদ্রের বাংলাদেশ আবার যেন ফিরে আসে না আসে। সেই ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে আমরা কাজ করতে চাই।’

এসময় তিনি বলেন, ‘উন্নয়নের অপর নাম শেখ হাসিনা, গণতন্ত্রের অপর নাম শেখ হাসিনা, বাংলাদেশের অপর নাম শেখ হাসিনা। এদেশের মানুষের স্বাধীনতার অপর নাম শেখ হাসিনা।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে করাত উঁচিয়ে বিক্ষোভ তিউনিসীয় নারীদের

বিদেশের খবর: সৌদি আরবের উত্তরাধিকারী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের তিউনিসিয়া সফরকালে দেশটির রাজধানী তিউনিসের হাবিব বুরগুইবা এভিনিউয়ে বুধবার বিক্ষোভ করে স্থানীয়রা।
‘সুস্বাগত নয়, তিউনিসীয়রা সৌদি যুবরাজের তিউনিসিয়া সফরের বিরুদ্ধে’ লেখা পোস্টার ছিল অনেকের হাতে। এক নারী সেই পোস্টারের সঙ্গে করাত উঁচিয়ে বিক্ষোভে যোগ দেন।
ধারণা করা হচ্ছে, ভিন্ন মতাবলম্বী সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার পর তার দেহ টুকরো টুকরো করার প্রতিবাদেই হয়তো তিউনিসিয়ার নারীরা করাত উঁচিয়ে সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
সূত্র: এএফপি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দশ দিন মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের আগে ও পরে মোট ১০ দিন মাঠে থাকবেন সশস্ত্র (সেনা, নৌ ও বিমান) বাহিনীর সদস্যরা। ভোট গ্রহণের সাত দিন আগে ২৩ ডিসেম্বর থেকে তাদের মাঠে নামার কথা রয়েছে।
থাকবেন ভোটের পরের দুই দিন। বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা দিতে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তারা কাজ করবেন। যদিও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জানিয়েছিলেন, ১৫ ডিসেম্বরের পর সশস্ত্র বাহিনীর ছোট দল মাঠে নেমে রেকি করবে।

এছাড়া বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১১ দিন, পুলিশ ও র‌্যাব ৭ দিন, কোস্টগার্ড ৭ দিন ও আনসার সদস্যরা ৬ দিন নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবে। প্রথমবারের মতো ভোট কেন্দ্রের পাহারায় নির্বাচনে নামানো হচ্ছে গ্রাম পুলিশ (দফাদার ও চৌকিদার) তারা মাঠে থাকবেন দুই দিনের জন্য।
মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুকূলে অর্থ বরাদ্দবিষয়ক এক সভায় এমন তথ্য দিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আর ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনে ভোটের আগে ও পরে ১০ দিনের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর নির্দিষ্টসংখ্যক সদস্য মাঠে রাখার বিষয়ে কমিশনের নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। তাদের নামার আগে এ বাহিনীর কিছুসংখ্যক সদস্য মাঠ পর্যায়ে রেকি করবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জানা যায়, অর্থ বরাদ্দবিষয়ক সভায় পুলিশ নির্বাচন উপলক্ষে চেয়েছে ৪২৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালাতেই খরচ হবে ৭৬ কোটি টাকা। এই চাহিদার যৌক্তিকতা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এক চিঠিতে বলেছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচন অতীতের তুলনায় অনেক বেশি ঘটনাবহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বিবেচনায় ভোটের আগে ও পরে সাত দিন মাঠে থাকতে চায় পুলিশ। অপরদিকে আনসার বাহিনী চেয়েছে প্রায় সাড়ে ৪শ’ কোটি টাকা। বিজিবি চেয়েছে ৭৩ কোটি টাকা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। যদিও এ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা খাতে বরাদ্দ ধরা রয়েছে ৪১২ কোটি টাকা। মোট নির্বাচনী বরাদ্দ ৭০২ কোটি টাকা।

আমরা তাদের বলেছি, যৌক্তিকতা বিবেচনায় আমরা সাত দিনের মধ্যে নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য ব্যয়ের চাহিদা দিতে। সেগুলো পাওয়ার পর বিবেচনা করা হবে। ওই কর্মকর্তা বলেন, আগামী ১৩ ডিসেম্বর সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান, সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, সব রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

ওই বৈঠকের পরই আইনশৃঙ্খলা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে। এ বিষয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তাদের কত বাজেট সেটা জানতে চেয়েছি।
আমরা এবার আনসার বাহিনীকে শতভাগ অগ্রিম বরাদ্দ দেব। আর অন্যান্য বাহিনীকে বাজেটের ৫০ শতাংশ অগ্রিম বরাদ্দ দেব। বাকি টাকা পরে সমন্বয় করা হবে। ইসি সচিব বলেন, এবার গ্রাম পুলিশকেও নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা হবে।

সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, ভোটের আগে ও পরে ১০ দিনের জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে মাঠে নামানোর বিষয়ে ইসির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তা চূড়ান্ত করা হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকের পর।

আরও জানা গেছে, এবারও ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনেও তাদের একইভাবে মোতায়েন করেছিল ইসি। যদিও ২০০৮ সালে নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল। ওই সময়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (আরপিও)-তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী অন্তর্ভুক্ত ছিল।

পরে তা বাতিল করা হয়। সূত্র মতে, এবার নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য কমবেশি ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা রয়েছে। তবে মঙ্গলবারের বৈঠকে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ চাওয়া হয়নি। ইসির কর্মকর্তারা জানান, সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে যে বরাদ্দ চাওয়া হয়, সাধারণত তাই দেয়া হয়। এবারও এর ব্যতিক্রম হবে না।

জানা যায়, এবার সেনাবাহিনীর সদস্যরা ভোটের সাত দিন আগে অর্থাৎ ২৩ ডিসেম্বর মাঠে নামবেন। ভোটের দিন ৩০ ডিসেম্বর ও পরে আরও দুই দিন তারা মাঠে থাকবেন। আর আনসার সদস্যরা ছয় দিন মাঠে থাকার প্রস্তাব করেছেন। যদিও আগের নির্বাচনে তারা পাঁচ দিন মাঠে ছিলেন। এবারের বাজেটে আনসার সদস্যদের জন্য প্রায় দু’শ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এ বরাদ্দের চেয়ে ২৪৩ কোটি টাকা বেশি চেয়েছে এ বাহিনীর কর্তৃপক্ষ। এর আগে পুলিশ চার দিন থাকলেও এবার সাত দিন থাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ সদস্যরা নির্বাচনের সময় থাকবেন চার দিন, মোতায়েনের আগে দুই দিন ও প্রত্যাগমনের জন্য একদিন এই মোট সাত দিন ধরে ৪২৪ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে; যদিও এ বাহিনীর জন্য বরাদ্দ দেড়শ’ কোটি টাকার কিছু বেশি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্বাচনে পুলিশের ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৫৭ জন সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এর মধ্যে এসপি থেকে তদূর্ধ্ব কর্মকর্তা ৩৪৯ জন। নির্বাচনে কোস্টগার্ডের সদস্যরা কক্সবাজার, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন। তারাও মাঠে সাত দিন অবস্থান করতে চান। তবে এ বাহিনীর কতজন নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন তা জানা যায়নি।

প্রথমবারের মতো কেন্দ্রে গ্রামপুলিশ: ইসির কর্মকর্তারা জানান, প্রথমবারের মতো নির্বাচনে গ্রামপুলিশ (দফাদার ও চৌকিদার) সদস্যদের নিয়োগ দেয়ার প্রস্তাব করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের ৪৫ হাজার ইউনিয়ন পরিষদে ১০ জন করে মোট ৪৫ লাখ গ্রামপুলিশ সদস্য রয়েছেন। তাদের ভোট গ্রহণের আগের দিন ও ভোটের দিন কেন্দ্রের পাহারায় রাখা হবে। দুই দিনে জনপ্রতি এক হাজার টাকা ভাতা দেয়া হবে। আরও জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে দু’জন পুলিশ সদস্য, ১২ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest