সর্বশেষ সংবাদ-
মুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মধুদা সানী, সাংবাদিক মৌসুমী

অনলাইন ডেস্ক: দীর্ঘদিন পর কেন্দ্রীয় চরিত্রে জুটি হয়ে আসছেন ওমর সানী ও মৌসুমী! একসময়ের জনপ্রিয় এ যুগল কাজ করছেন ঐতিহাসিক চরিত্র ও ঘটনা নিয়ে। ছবিটির নাম ‘মধুর ক্যান্টিন’। এতে মধুদা চরিত্রে দেখা যাবে সানীকে। আর সাংবাদিক মৃদুলা চরিত্রে অভিনয় করছেন প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী। ছবিটি পরিচালনা করছেন সাঈদুর রহমান সাঈদ।

গতকাল (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এর মহরত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। আরও ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক আজিজুর রহমান, নির্মাতা সাঈদুর রহমান সাঈদ, চিত্রনায়ক ওমর সানী, মৌসুমীসহ অনেকে।
ওমর সানী বললেন, ‘ঐতিহাসিক এ চরিত্রটি আমার ক্যারিয়ারে অন্যতম মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে আশা করি। এটি ফুটিয়ে তোলার জন্য অনেক দিন ধরেই কাজ করছি। চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করবো।’
চিত্রনায়িকা মৌসুমী বলেন, ‘১৭ বছর পর সাঈদ ভাই অনেক চ্যালেঞ্জ নিয়ে নতুন ছবিটি করছেন। আশা করি দেশ ভালো একটি ছবি পাবে।’’ মহরত শেষে মধুর ক্যান্টিনের সামনেই ছবির দৃশ্যধারণের কাজ শুরু হয়। প্রথম দিন এতে অংশ নেন মৌসুমী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জলবায়ু পরিবর্তনে মারা যাচ্ছে উপকূলীয় অঞ্চলের নারীদের গর্ভের সন্তান

অনলাইন ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বলতে আপাত দৃষ্টিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়টি সামনে আসলেও এর প্রভাবের পরিধি আরও বিস্তৃত। এবার নতুন এক অনুসন্ধান নিয়ে হাজির হয়েছেন গবেষকরা। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গর্ভের সন্তান মারা যাওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে বলে দাবি তাদের। জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে মাটির লবণাক্ততা। উপকূলীয় অঞ্চলে কমে যচ্ছে বিশুদ্ধ খাবার পানি। সেই পানি পানের কারণেই বাড়ছে রোগ আর গর্ভের সন্তান পড়ছে ঝুঁকিতে। এছাড়া এর প্রভাব পড়ছে স্বাভাবিক জীবন যাত্রায়ও। ফসল নষ্ট হচ্ছে। মিঠা পানির মাছের মৃত্যু হচ্ছে। জমির উর্বরতা হারানোর ফলে উপকূলীয় গ্রাম ছেড়ে চলে যাচ্ছেন অনেকে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলীয় একটি ছোট গ্রামে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যাওয়ার পরিমাণ বেশি হওয়ায় সন্দিহান হয়ে পড়েন গবেষকরা। শুরু করেন অনুসন্ধান। একটা সময় সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে এর জন্য দায়ী মূলত জলবায়ু পরিবর্তন। এরপর আবারও সেখানে অনুসন্ধানে যান ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির সাংবাদিক সুজানাহ স্যাভেজও।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের পূর্ব উপকূলে ছোট একটি গ্রামে বসবাস আল-মুন্নাহারের। তার তিন ছেলে। তবু কন্যাসন্তানের আশায় আবারও গর্ভধারণ করেছিলো। কিন্তু গর্ভেই মারা যায় শিশুটি। তবে গ্রামটিতে এমন ঘটনা নতুন নয়। বিজ্ঞানীরা খেয়াল করেন পাশ্ববর্তী অন্যান্য গ্রামের চেয়ে গর্ভে সন্তান নষ্ট হওয়ার বিষয়টি এখানে অনেক বেশি। আর এজন্য জলবায়ু পরিবর্তনকেই দায়ী করছেন তারা।

ঘটনা অনুসন্ধানে ফাইলা পাড়া নামের ওই গ্রামটিতে যান বিজ্ঞানীরা। বিবিসি জানায়, শুষ্ক মৌসুমে সরু পথ ধরে একটি ডোবায় যান তারা। আর বৃষ্টি মৌসুমে সেটাই যেন হয়ে ওঠে সমুদ্র। গ্রামের পুরোটাই যেন কাঁদামাটির তৈরি। শুধু কয়েকটি কুঁড়ে ঘর ও মুরগির খোয়ার চোখে পড়ে।

মুন্নাহার বলেন, এখানে আর কিছু্ই জন্মায় না। অথচ আগে এমন ছিলো না। ১৯৯০ এর দশকের আগেও এই জমিতে ধান হতো। তিনি বলেন, তখন ধান উৎপাদন হয়তো লাভজনক ছিলো না। কিন্তু ভালো ছিলো। আর এখন পানি বেড়ে যাওয়া মাটিতে লবন বেড়ে গেছে। যারা একটু বিত্তশালী ছিলেন তারা চিংড়ি চাষ শুরু করেন। আর ধান উৎপাদন খুবই কমে যায়।

আইসিডিবিআরবি এর বিজ্ঞানী ড. মানজুর হানিফি বলেন, এটা জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব। জমিতে এর পরিবর্তন দেখা যায়, কিন্তু মানবদেহে এর প্রভাব দৃশ্যমান না।

বিগত ৩০ বছর ধরে কক্সবাজারের নিকটবর্তী চকরিয়ায় বেশকয়েকটি এলাকায় স্বাস্থ্য কার্যক্রম ও গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে আইসিডিডিআরবি। ফলে একদম ছোটখাটো পরিবর্তনও তাদের নজরে এসেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক পরিবারই এই গ্রাম ছেড়ে চলে গেছে। বেশিরভাগই গেছে একটু উঁচু বনাঞ্চলে। যাদের কাছে ঘুষ দেওয়ার মতো টাকা ছিলো তাদেরই ঠাঁই মিলেছে।

কাজল রেখা নামে এক নারী জানান, ‘আমরা এখানে বাড়ি বানানোর জন্য ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা দিয়েছি।’ তিন বছর আগেই সেখানে চলে যাওয়া কাজল রেখা বলেন, মূলত পানির সমস্যার কারণে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। উপকূলবর্তী অঞ্চলের পানির কারণে প্রায়ই তার ছেলেদের জ্বর আসতো। এখন তার জীবন অনেক সহজ বলেও জানান রেখা।

জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক এই অভিবাসীরা আসলেই ভালো আছেন। নতুন স্থানে তারা ফসল উৎপাদন করতে পারছেন। যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভালো। আছে চাকরি ও শিক্ষার নিশ্চয়তাও। যারা থেকে গেছে তাদের চেয়ে শারীরিকভাবে সুস্থও আছেন গ্রাম ছেড়ে আসা এসব মানুষ।

আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে যার সমুদ্র থেকে দূরে থাকেন তাদের বাচ্চা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত পাহাড় ও সমতল অঞ্চলের ১২ হাজার ৮৬৭ জন গর্ভবতী নারীকে পর্যবেক্ষণ করেছে আইসিডিডিআরবি।

অনুসন্ধানে তারা দেখতে পান, যারা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২০ কিলোমিটারের মধ্যে কিংবা ৭ মিটার উচ্চতায় থাকে, দূরবর্তী অঞ্চল থেকে তাদের গর্ভে সন্তান মারা যাওয়ার হার ১.৩ গুণ বেশি।
ড. হানিফি বলেন, পার্থক্য হয়তো খুব বেশি না। কিন্তু এই সন্তান মৃত্যুর হার বেড়েই চলেছে।
এছাড়া চকরিয়া থেকে মতলব অঞ্চল পর্যন্ত আইসিডিডিআরবির পর্যবেক্ষনে থাকা এলাকাগুলোতেও এই পার্থক্য স্পষ্ট। গর্ভে থাকা শিশু মৃত্যুর হার চকরিয়ায় ১১ শতাংশ আর মতলবে ৮।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই পার্থক্যের মূল কারণ হচ্ছে লবণাক্ত পানি। আর সেটার জন্য দায়ী জলবায়ু পরিবর্তন।
বৈশ্বিক উষ্ণতায় বরফ গলতে থাকায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এছাড়াও তাপমাত্র বৃদ্ধি ও চাপের প্রভাবেও বাড়ছে পৃষ্ঠের উচ্চতা। ড. হানিফি বলেন, বায়ুচাপ এক মিলিবার কমে গেলে সমুদ্রের উচ্চতা ১০ মিলিমিটার বেড়ে যায়। এতে করে উচ্চতা বেড়েই চলেছে। সমুদ্রের উচ্চতা বাড়লে লবণাক্ত পানি মিঠা পানির সাথে মিশে যায়। মিশে যায় মাটিতেও। বিশুদ্ধ পানি হয়ে পড়ে লবণাক্ত। আর গ্রামের মানুষ সেই পানি পানেই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ে।

ফাইলাপাড়া গ্রামের পানিরপাম্প থেকে বের হওয়ার পানির রং কিছুটা লালচে। এটির স্বাদও লবণাক্ত। কিন্তু এরপরও এখান থেকেই পানি পান করছেন তারা, গোসল ও রান্নার কাজও চলছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির দিনে ৫ গ্রামের বেশি লবণ খাওয়া উচিত নয়। কিন্তু চকরিয়ায় একজন গ্রামবাসী প্রতিদিন ১৬ গ্রাম লবণ গ্রহণ করছে। সমতল কিংবা পাহাড়ি এলাকার চেয়ে যা তিন গুণেরও বেশি।

যুক্তরাজ্যে অনেক দিন ধরেই বেশি লবণ খাওয়ানো কমাতে প্রচারণা চলছে। এতে করে উচ্চচাপ, হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে। আর গর্ভবতী নারীদের সন্তান নষ্ট হওয়ারও ঝুঁকি থেকে যায়। কিন্তু বাংলাদেশে এমন কোনও প্রচারণা নেই। তারা জানেও না লবণাক্ত পানি পান করলে কি ক্ষতি হতে পারে।
ফাইলা পাড়ায় জন্ম নেওয়া ৫০ বছর বয়সী জনতারা বলেন, ফসলের জন্য লবণ খারাপ। কিন্তু তারপরও এই গ্রাম ছেড়ে যাবেন কি না এমন প্রশ্নে তিনি হেসে বলেন, ‘আমি সারাজীবন এখানে থেকেছি। কোথায় যাবো আর। আমরা অনেক গরীব। যাওয়ার জায়গা নেই।

তবে তার ২৩ বছর বয়সী প্রতিবেশী শারমিন বলেন, তিনি এই গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে যান। কারণ তার দুই ছেলের এখানে কোনও ভবিষ্যত আছে কি না তা নিয়ে নিশ্চিত নন তিনি। আরেকটি সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তার।

বর্তমানে শারমিন কিংবা আল-মুন্নাহারের মতো নারীদের সন্তান নষ্ট হওয়ার বিষয়টি হয়তো সেভাবে চোখে পড়ছে না। কিন্তু কিছু করা না হলে এটি আরও প্রকট আকার ধারণ করবে বলে মন্তব্য ড. হানিফির। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এর প্রভাব আরও বাড়বে।
বাংলাদেশ নিচু এলাকায় হওয়ার কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতায় সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এখানে প্রায়ই বন্যা হয়। তবে অন্যান্য দেশও নিরাপদ নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সব দেশেই পড়বে।

২০০৫ সালের সুনামির পর অনেক এলাকায় কৃষি জমি ও পরিষ্কার পানি নষ্ট হয়ে গেছে, সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে ফ্লোরিডায় পরিষ্কার পান দূষিত হয়ে পড়েছে। কিন্তু চকোরিয়ায় মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের যে প্রভাব দেখা যাচ্ছে, তা বিরল

আর কোথাও এমন কোন নিদর্শন দেখা যায়নি। ড. হানাফি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অনেক অর্থ ব্যয় করা হয়। কিন্তু গবেষণায় তেমন ব্যয় হয় না। জনস্বাস্থে প্রভাব রাখতে পারে তেমন কোথাও ব্যয় হয় না। সবাই শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ে চিন্তা করে। কিন্তু জনস্বাস্থ্য নিয়ে কেউ চিন্তা করছে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারিতে

দেশের খবর: নির্বাচন উপলক্ষে সব সোশ্যাল মিডিয়া মনিটর হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ। বিটিআরসি, এমটিআরসি, এমটিএমসি, সাইবার ক্রাইম ইউনিটসহ সরকারের সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়টি মনিটর করবে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (২৬ নভেম্বর) বিটিআরসি মোবাইল অপারেটরসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠকের পর নির্বাচন কমিশন সচিব এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কেউ যাতে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ বা বানচাল করতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্টরা চব্বিশ ঘণ্টা মনিটর করবে। অধিকাংশ ফেসবুক আইডি নজরদারিতে থাকবে। কেউ প্রোপাগান্ডা ছড়ালে তাকে চিহ্নিত করে ইসির সম্মতিতে বিদ্যমান আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে ডিজিটাল আইন, আইসিটি অ্যাক্টসহ যেসব আইন রয়েছে তার আলোকেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করা যায় না। যারা এটি ব্যবহার করে গুজব ছড়াবে, তাদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিটিআরসিসহ সংশ্লিষ্ট দফতর নির্বাচনকালীন সময় ইসির সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে বলেও তিনি জানান। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে বসে বিষয়টি ফলোআপ করা হবে বলেও জানান নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটারদের জন্য মনোবিদ চান পাকিস্তানের কোচ

খেলার খবর: ক্রিকেটারদের মানসিকভাবে সবল রাখতে এবার মনোবিদ নিয়োগ চাইছেন পাকিস্তানের প্রধান কোচ মিকি আর্থার। মূলত একজন খেলোয়াড়ের মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে সাহায্য করেন মনোবিদ।
যাতে খেলার মাঠে প্রতিকূল পরিস্থিতিগুলোতে মাথা ঠান্ডা রেখে ম্যাচে থাকতে পারেন।

আর্থার মনে করেন, পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের মধ্যে জয়ের মানসিকতাই নেই। যে কোন পরিস্থিতিতে মাথা ঠান্ডা রেখে ম্যাচ জিতে আসতে পারে না তারা। তাই একজন মনোবিদ নিয়োগের জন্য বোর্ড বরাবর জোর আবেদন করেছেন আর্থার।
তবে কোচের এই উদ্যোগ সম্বন্ধে খুব একটা পরিষ্কার নন অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। বলেন, ‘আমি ব্যাপারটা সম্পর্কে খুব কমই জানি। আমি আসলেই জানি না তিনি (মনোবিদ) কীভাবে আমাদের সঙ্গে কাজ করবেন। আমি আমার ক্যারিয়ারে কখনো মনোবিদের সঙ্গে কাজ করিনি। তাই আমি বলতে পারছি না মনোবিদের সঙ্গে কাজ করলে কী লাভ।
উল্লেখ্য, বেশ কয়েক বছর আগে আরও একবার মনোবিদ নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে তাতে অবশ্য খুব একটা লাভ হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করতে চায় বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রামে টাইগারদের জয়টা এসেছে স্পিনারদের ঘূর্ণিতে। সিরিজের প্রথম টেস্টে চার স্পিনার খেলিয়েছিল বাংলাদেশ। তাতে সাফল্যও এসেছে হাতেনাতে। তাই ঢাকায়ও চার স্পিনার নিয়ে নামার ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ স্টিভ রোডস।

চট্টগ্রামে সফরকারীরা তাদের সবক’টি উইকেটই হারিয়েছে টাইগার স্পিনারদের কাছে। তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাকিব আল হাসান ও নাঈম হাসান—প্রত্যেকেই ছিলেন দারুণ বিধংসী। অভিষেকেই নেমে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছেন নাঈম। ঢাকা টেস্ট জিততে তাই স্পিনারদের নিয়ে রণ কৌশল সাজানোর পরিকল্পনা বাংলাদেশের কোচের।

এদিকে স্পিনিং কন্ডিশনে চার স্পিনার খেলিয়ে সাফল্য পাওয়া নিয়ে তির্যক মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ। তাতে অবশ্য কান দিতে নারাজ টাইগার কোচ।

সত্তর-আশি দশকের ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেছেন, ইতিহাস বলে টেস্টে বেশির ভাগ সময় দুই স্পিনার, তিন পেসার আর এক অল রাউন্ডার নিয়ে খেলা হয়ে আসছে। কিন্তু যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ চার পেসার এবং কোন স্পিনার ছাড়া নামত সেটা ছিল তাদের কৌশল। যদি আমরা মনে করি চার স্পিনারই ঠিক আছে, এটাই আমাদের কৌশল তাহলে সেটাই আমাদের অনুসরণ করা উচিত।

বাংলাদেশের স্পিনাররা যে জাদু দেখাচ্ছেন তাতে মিরপুরে সহায়ক পিচ পেলে যে তারা আরও বিধংসী হয়ে উঠবেন তা বলাই বাহুল্য। স্পিন চতুষ্টয়দের নিয়ে রোডসের প্রত্যাশা তাই সিরিজটি ২-০ ব্যবধানে জেতা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয়টা সত্যিই দারুণ ছিল। ক্রিকেটারদের মতোই তাদের জন্য আমার অনেক সমীহ আছে। তারা পরের টেস্টে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া থাকবে। আমাদের এজন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। আমি চাই ২-০ তে জিততে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রামে টাইগারদের জয়টা এসেছে স্পিনারদের ঘূর্ণিতে। সিরিজের প্রথম টেস্টে চার স্পিনার খেলিয়েছিল বাংলাদেশ। তাতে সাফল্যও এসেছে হাতেনাতে। তাই ঢাকায়ও চার স্পিনার নিয়ে নামার ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ স্টিভ রোডস।

চট্টগ্রামে সফরকারীরা তাদের সবক’টি উইকেটই হারিয়েছে টাইগার স্পিনারদের কাছে। তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাকিব আল হাসান ও নাঈম হাসান—প্রত্যেকেই ছিলেন দারুণ বিধংসী। অভিষেকেই নেমে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছেন নাঈম। ঢাকা টেস্ট জিততে তাই স্পিনারদের নিয়ে রণ কৌশল সাজানোর পরিকল্পনা বাংলাদেশের কোচের।

এদিকে স্পিনিং কন্ডিশনে চার স্পিনার খেলিয়ে সাফল্য পাওয়া নিয়ে তির্যক মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ। তাতে অবশ্য কান দিতে নারাজ টাইগার কোচ।

সত্তর-আশি দশকের ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেছেন, ইতিহাস বলে টেস্টে বেশির ভাগ সময় দুই স্পিনার, তিন পেসার আর এক অল রাউন্ডার নিয়ে খেলা হয়ে আসছে। কিন্তু যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ চার পেসার এবং কোন স্পিনার ছাড়া নামত সেটা ছিল তাদের কৌশল। যদি আমরা মনে করি চার স্পিনারই ঠিক আছে, এটাই আমাদের কৌশল তাহলে সেটাই আমাদের অনুসরণ করা উচিত।

বাংলাদেশের স্পিনাররা যে জাদু দেখাচ্ছেন তাতে মিরপুরে সহায়ক পিচ পেলে যে তারা আরও বিধংসী হয়ে উঠবেন তা বলাই বাহুল্য। স্পিন চতুষ্টয়দের নিয়ে রোডসের প্রত্যাশা তাই সিরিজটি ২-০ ব্যবধানে জেতা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয়টা সত্যিই দারুণ ছিল। ক্রিকেটারদের মতোই তাদের জন্য আমার অনেক সমীহ আছে। তারা পরের টেস্টে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া থাকবে। আমাদের এজন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। আমি চাই ২-০ তে জিততে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘মাদার অব হিউমিনিটি’ মিউজিক ভিডিওতে শাহনূর

বিনোদনের খবর: গত বছরের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মাদার অব হিউমিনিটি’ খেতাবে ভূষিত হন। সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রযোজনায় তাকে নিয়ে একই শিরোনামের একটি গানের মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছেন রফিকুল ইসলাম বুলবুল।

ভিডিওটিতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা শাহনূর। শুক্রবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে একটি ভবনে ভিডিওটির প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন আহমেদ মানিক।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন চিত্রনায়ক ফারুক। ভিডিওটি প্রসঙ্গে নায়ক ফারুক বলেন, ‘আমাদের শাহনূরকে এ মাদার অব হিউমিনিটি মিউজিক ভিডিওতে একেবারেই অন্যরকম লেগেছে। এটা তার অভিনয় জীবনের অন্যতম অর্জন বলেই আমি মনে করি।’

‘মাদার অব হিউমনিটি’ গানটি লিখেছেন রফিকুল ইসলাম বুলবুল এবং সুর ও সঙ্গীত করেছেন কাজী জামাল। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জুয়েল, লাভলী শেখ, প্রমিয়া, ডেইজি, তুহিন। বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ দেশের প্রায় সব চ্যানেলেই এটি প্রচার হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা-২ সহ ৬ সংসদীয় আসনে ইভিএমে ভোট হবে

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা-২(সাতক্ষীরা সদর) সহ ৬টি সংসদীয় আসনের সকবগুলো কেন্দ্রে এবার ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা হবে।
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএমে (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ভোটগ্রহণের জন্য ছয়টি আসন চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দৈবচয়ন পদ্ধতি অনুসরণ করে এসব আসন চূড়ান্ত করা হয়েছে। আসন ছয়টি হলো ঢাকা-৫, ঢাকা-১৩, চট্টগ্রাম-৯, রংপুর-৩, খুলনা-২ এবং সাতক্ষীরা-২।
আগে থেকে তৈরি তালিকায় থাকা ৪৮ আসনের মধ্য থেকে এ ছয় আসন চূড়ান্ত করা হয়েছে সোমবার (২৬ নভেম্বর)।

ইভিএমে ভোটগ্রহণের তালিকায় থাকা আসনগুলো ছিল ঠাকুরগাঁও-১, দিনাজপুর-৩, নীলফামারী-২, লালমনিরহাট-৩, রংপুর-৩, গাইবান্ধা-২, বগুড়া-৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, নওগাঁ-৫, রাজশাহী-২, পাবনা-৫, কুষ্টিয়া-৩, খুলনা-২, খুলনা-৩, সাতক্ষীরা-২, ভোলা-১, বরিশাল-৫, টাঙ্গাইল-৫, জামালপুর-৫, শেরপুর-১, ময়মনসিংহ-৪, ঢাকা-৪, ঢাকা-৫, ঢাকা-৬, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-৯, ঢাকা-১০, ঢাকা-১১, ঢাকা-১২, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৫, ঢাকা-১৬, ঢাকা-১৭, ঢাকা-১৮, গাজীপুর-২, নরসিংদী-১, নরসিংদী-২, নারায়ণগঞ্জ-৪, নারায়ণগঞ্জ-৫, ফরিদপুর-৩, মাদারীপুর-১, সিলেট-১, কুমিল্লা-৬, ফেনী-২, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১০ এবং চট্টগ্রাম-১১।নির্বাচন কমিশন আগামী ২৮ নভেম্বর দৈবচয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে তা দুই দিন এগিয়ে সোমবার সেটি চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কমিশন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ছয়টি সংসদীয় আসনে সম্পূর্ণভাবে ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হবে। সিটি করপোরেশন এবং জেলা সদর সংশ্লিষ্ট ৪৮ আসনের মধ্যে থেকে দৈবচয়নের মাধ্যমে ওই ৬টি আসন নির্ধারণ করা হবে। সোমবার বিকেল ৫টায় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে দৈবচয়ন অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘প্রথম খালেদাকে ছাড়া নির্বাচন’ কাঁদলেন ফখরুল

রাজনীতির খবর: খালেদা জিয়াকে ছাড়া এই প্রথম নির্বাচনে যাচ্ছে বিএনপি। আর একথা বলেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কাঁদতে থাকায় প্রায় ২ মিনিট তিনি কোনো কথা বলতে পারেননি। সোমবার ঢাকার গুলশান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দৃশ্যের অবতারণা ঘটে।

সংবাদ সম্মেলনের এক পর্যায়ে, ‘দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে এই প্রথম নির্বাচনে যাচ্ছে বিএনপি’- এ পর্যন্ত বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। এ সময় গুলশান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনস্থলে থাকা দলটির অন্য নেতারাও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্তদের চিঠি বিতরণের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দিচ্ছিলেন মির্জা ফখরুল।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে তিনি বক্তব্য দেন। বিএনপি কেন এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবেই বিএনপি এই সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার কোনো আলামত তিনি দেখছেন না বলেও অভিযোগ করেন।

একপর্যায়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি দলীয় চেয়ারপারসনকে কারাগারে রেখে তাঁকে ছাড়া এই প্রথম নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। একথা বলেই তিনি কান্না শুরু করেন।

আজ সোমবার বিকেল থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত নেতাদের হাতে প্রত্যায়নের চিঠি হস্তান্তর শুরু করেছে বিএনপি।

প্রসঙ্গত, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর ১৯৮২ সালে রাজনীতিতে আসেন খালেদা জিয়া। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় আসে। আর খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হন।

কিন্তু ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দী হন খালেদা জিয়া। এখনো তিনি জেলে আছেন। এই নির্বাচনে তাঁর অংশগ্রহণ অনেকটাই অনিশ্চিত।

খালেদা জিয়া তিনটি আসনে দলের প্রার্থী হচ্ছেন বলে বিএনপি থেকে জানানো হয়েছে। এগুলো হলো ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest