সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার দ্বি—বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৬ডিসেম্বর) সকালে সাতক্ষীরা মুন্সিপাড়াস্থ কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তনে এই দ্বি—বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনে আগামী ২০২৪—২৬ সেশনের জন্য জেলা সভাপতি নির্বাচিত হন অধ্যাপক গাজী সুজায়েত আলী এবং অধ্যাপক মোঃ আব্দুল গফ্ফা কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।

জেলা সভাপতি অধ্যাপক গাজী সুজায়েত আলী সভাপতিত্বে উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ—সভাপতি ও খুলনা অঞ্চল সভাপতি, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত সাবেক কাউন্সিলর মাষ্টার শফিকুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলার প্রধান উপদেষ্টা জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা আমীর অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম মুকুল, নায়েবে আমীর শেখ নুরুল হুদা।

সম্মেলনে অধ্যাপক গাজী সুজায়াত আলী সভাপতি, সহ—সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল জলিল, ও মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল গফফার, সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু হোরায়রা ও মোঃ ফিরোজ আউয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা রুহুল কুদ্দুস , সহ— সাধারণ সম্পাদক (মহিলা) মোছাঃ জেবুন্নেছা, সহ— সাংগঠনিক সম্পাদক হলো মাস্টার আমিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মাওঃ মশিউর রহমান, সহ—কোষাধ্যক্ষ মাওঃ আব্দুল হালিম, দপ্তর সম্পাদক মাস্টার মেহেরউল্লাহ, সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেন, ট্রেড ইউনিয়ন সম্পাদক মো: আইয়ুব হোসেন, সহ ট্রেড ইউনিয়ন সম্পাদক মোঃ আনওয়ারুল ইসলাম, প্রচার ও প্রযুক্তি সম্পাদক মাস্টার সালাউদ্দিন, সহ—প্রচার ও প্রযুক্তি সম্পাদক মাওঃ হাবিবুর রহমান, শিক্ষা প্রশিক্ষণ সম্পাদক অধ্যাপক শাহাজান, সহ—শিক্ষা প্রশিক্ষণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম,

পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাস্টার আব্দুর রশিদ, সহ—পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাঃ মাওঃ আব্দুল মালেক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাও রুহুল আমিন , সহ—ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ লুৎফর রহমান, আইন আদালত সম্পাদক মোঃ মাসুম বিল্লাহ, সাহায্য পুনঃবাসন সম্পাদক মেম্বর আব্দুর হাকিম, সহসাহায্য পুনঃবাসন সম্পাদক মাহামুদ হোসেন, কর্মসংস্থান সম্পাদক হাফেজ আব্দুর রব,সহ—কর্মসংস্থান সম্পাদক মাও মিজানুর রহমান, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মাসুম খান চৌধুরী, সহ—চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মাসুম খান চৌধুরী নির্বাচিত হন।

সম্মেলনে নতুন সভাপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ—সভাপতি ও খুলনা অঞ্চল সভাপতি মাষ্টার শফিকুল আলম। এরপর সব নির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক গাজী সুজায়াত আলী ।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি মাষ্টার শফিকুল আলম বলেন, দেশে যত পেশা আছে সব পেশায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ থাকতে হবে। কোনে পেশায় যেন শ্রমিকরা হয়রানির শিকার না হয় সেটির প্রতি সজাগ থাকতে ফেডারেশনের নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামি শ্রমনীতি বাস্তবায়ন অনিবার্য। শ্রমিকরা দেশের মূল চালিকা শক্তি। শ্রমিকদের সম্মান দেওয়ার পাশাপাশি তাদের বিপদে আপদে সবাইকে পাশে থাকতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : ৬ ডিসেম্বর হলো মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগাঁথা দেবহাটা মুক্ত দিবস। এই দিনে দেবহাটা হানাদারমুক্ত হয়েছিল আর মুক্তিযোদ্ধাসহ দেবহাটার মানুষ পেয়েছিল বিজয়ের আনন্দ। এই দিনে সগৌরবে বীর মুক্তিযোদ্ধারা উড়িয়েছিল বিজয়ের পতাকা।

সেই দিনটিকে স্মরন করে দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।দেবহাটা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মিলনায়তনে আলোচনা সভার আগে একটি র‍্যালী উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে।

পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জেল হোসেন মোফার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা কমান্ডার মোঃ আসাদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা জামশেদ আলম।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী ইদ্রিস, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে.বাপ্পা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আবু রাহান তিতু প্রমুখ। আলোচনা সভায় ১৯৭১ সালের সেই দিনের স্মৃতি স্মরন করে বীর মুক্তিযোদ্ধারা স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন। তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারন করে আগামীতে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান। এছাড়া স্বাধীনতাকে ও মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস যেন কেউ বিকৃত করতে না পারে সেজন্য সজাগ থাকার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অপহরণ মামলা করার ১ বছর ৭ মাস পর কথিত অপহৃত যুবক তানভীর ইসলামকে(২৪) আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ঢাকার আশুলিয়া থানার ঠাকুরপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটকের পর শুক্রবার দুপুরে এ তথ্য জানান সাতক্ষীরার পিবিআই কর্মকর্তারা।

তানভীর ইসলাম জেলার তালা উপজেলার ইসলামকাঠী গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে ।

সাতক্ষীরা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই) এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর ইসলাম জানান, শহিদুল ইসলামের সাথে একই এলাকার রবিউল ইসলামের সাথে আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে রবিউল ইসলামকে ফাঁসাতে নিজের ছেলে তানভির ইসলাম কে পরিকল্পিতভাবে আত্মগোপনে পাঠায় শহিদুল। তানভিরের প্রকৃত বয়স ২৪ বছর। অথচ তার বয়স ১৭ বছর উল্লেখ করে তানভিরকে অপহরণ করা হয়েছে বলে তিনি সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে রবিউল ইসলামসহ ৪ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন, যার নং-৩৬৩/২০২৩। মামলাটির তদন্তভার আসে পিবিআিইয়ের ওপর। তদন্তে নেমে সাঁজানো মামলাটির বিষয়টি বুঝতে পারেন তদন্ত কর্মকর্তা। এ প্রেক্ষিতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সাতক্ষীরা পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে তানভীরকে বৃহস্পতিবার আটক করা হয়। আটক তানভীরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : দেবহাটায় অপপ্রচার ও ভুল তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাব মিলনায়তনে ৫ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত উক্ত সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক ও বিশিষ্ট রাজনীতিক আব্দুল হাবিবের ছেলে কলেজের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ শরফরাজ। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার পিতা আব্দুল হাবিব একজন সমাজসেবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি দীর্ঘদিন বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্টানের সাথে সম্পৃক্ত থেকে মানুষের কল্যানে কাজ করছেন। সম্প্রতি রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারনে তার পিতা ব্যবসা বানিজ্য করার উদ্দেশ্যে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি জায়গা বরাদ্দ পেতে আবেদন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা পরিষদের অন্তর্ভুক্ত একটি পরিত্যক্ত জায়গা আব্দুল হাবিবের নামে প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ দেন।

কিন্তু তার পিতার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা হীন মানসিকতার পরিচয় দিয়ে সেই বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রচার দিতে নানারকম প্রপাগান্ডা ছড়ানোর অপচেষ্টা করছে। তিনি বলেন, সরকারী স্থাপনা দখল বা জোরপূর্বক সাইনবোর্ড যদি লাগাতে হতো তাহলে সেটা গত আগষ্ট মাসেই করতো, তার জন্য ডিসেম্বর মাস লাগবে কেনো। এটা সম্পূর্ণ নোংরা মানসিকতার কারনে তার পিতার নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে তিনি বলেন। যারা রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে পদলেহনকারী এবং তার পিতার জনপ্রিয়তার কারনে ঈর্ষান্বিত এধরনের অপপ্রচার চালানো তাদেরই কাজ। তাই তিনি একজন শিক্ষার্থী হিসেবে তার পিতার নামে এইধরনের অপপ্রচার চালানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সাথে সাথে প্রশাসনকে এবিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তিনি আবেদন জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চট্টগ্রাম বারের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার প্রতিবাদে বার কাউন্সিলের নির্দেশনা মোতাবেক সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে বিক্ষোভ, কালো ব্যাজ ধারণ ও প্রতিবাদসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জজকোর্ট চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়। পরে শহীদ মিনারের সামনে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এ্যাড আকবর আলীর সভাপতিত্বে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা পরিচালনা করেন আবু সাঈদ রাজা।

বক্তব্য রাখেন, নারী শিশু পিপি আলমগীর আশরাফ, মোস্তফা জামান, সিরাজুল ইসলাম,সাহারিয়ার হাসিব, মাগফুর রহমান, জালাল উদ্দীন, নজরুল ইসলামসহ অন্যরা। এসময় বক্তারা অবিলম্বে হত্যার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
আগামীর সংবিধানে দলিত ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর স্বীকৃতি প্রদানসহ ৮দফা দাবিতে ৫ ডিসেম্বর বিশ^ মানবিক মর্যাদা দিবস ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির আয়োজনে এবং নাগরিক উদ্যোগের সহযোগিতায় মানববন্ধনে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দুলাল চন্দ্র দাশ। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরা পৌর কমিটির সভাপতি কার্তিক চন্দ্র দাশ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উদ্দীপ্ত মহিলা উন্নয়ন সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার জুয়েল সরকারসহ মনি সংকর হালদার, মধুসদূন দাশ, গৌতম দাশ, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সদস্য মন্টু কুমার দাশ, সুম্মিতা দাশ, অনিমা দাশ, লিপিকা দাশ। মানববন্ধনে দলিত জনগোষ্ঠীর নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

৮ দফা দাবি সমূহ: জাতীয় সংসদে সাধারণ ও সংরক্ষিত আসনে সংখ্যানুপাতে দলিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। জাত-পাত ও পেশাভিত্তিক বৈষম্য প্রতিরোধে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত বৈষম্য বিরোধী বিল-২০২২ অবিলম্বে পাশ করতে হবে। জাতীয় বাজেটে দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দ বাড়াতে হবে। সকল মহানগরী ও পৌরসভার দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং খাস জমি বরাদ্দের মাধ্যমে গ্রামীণ দলিতদের ভূমির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পেশাগত স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিশেষ বিবেচনায় এনে তাদের জন্য সুরক্ষার সকল উপকরণ সরবরাহ করতে হবে। সরকারি বিশ^বিদ্যালয়সহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দলিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি কোটা প্রবর্তন করতে হবে। সকল ধরনের সরকারি চাকরিতে দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে এবং দলিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ঝরে পড়া রোধকল্পে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ এবং বিশেষ উপবৃত্তির পরিমান বৃদ্ধি করতে হবে। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা এবং দেশের কয়েকটি সীমান্তে ভারতীয় উগ্রবাদীদের হামলার প্রতিবাদে ও ভারতীয় আগ্রাসনেরবিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।

৪ ডিসেম্বর বুধবার দুপুর ১২ টায় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মেইন গেটের সামনে এ বিক্ষোব কর্মসূচি পালিত হয়।

মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘হিন্দু-মুসলিম ঐ’ক্য গড়ো, বাংলাদেশ র’ক্ষা করো’,‘ভারতীয় আধিপত্য-ভেঙে দাও রুখে দাও’,‘আবু সাইদ মুগ্ধ-শেষ হয়নি যুদ্ধ’,‘দিয়েছিতো রক্ত-আরও দেব রক্ত’, ‘ভারতীয় আগ্রাসন রুখে দেব আমরা ’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ জেগেছে’
দূতাবাসে হামলা, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মানবে না ।’ ‘সীমান্তে হামলা, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মানবে না।ইত্যাদি স্লোগান দেন।

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তারিক ইসলামের নেতৃত্বে
সমাবেশে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের স্নতক পর্যায়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষা বর্ষের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরো উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইমরান হোসেন, এ.এইচ.রিফাত হোসেন,বখতিয়ার রহমান, জাস্টিস ফর জুলাই সাতক্ষীরার আহব্বায়ক ইখতেয়ারউদ্দীন, যুগ্ম আহব্বায়ক  সায়েম রহমান সিয়াম প্র‍মুখ।

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তারিক ইসলাম বলেন, ‘ভারত দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ওপর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিকসহ নানা ধরনের আগ্রাসন চালিয়ে আসছে। ২৪ এর রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে এ দেশের ছাত্র-জনতা শুধুমাত্র হাসিনাকেই লাল কার্ড দেখায়নি, একই সঙ্গে লাল কার্ড দেখিয়েছে ভারতের আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসন কেও। 

রাষ্ট্র‍বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগ হোসেন বলেন, ‘যেভাবে ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনে হামলা হয়েছে, প্রত্যেক নাগরিকদের এতে প্রতিবাদ জানাতে হবে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা একতাবদ্ধ থাকব।’

সমাবেশে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের আবুহুরায়রা, গণিত বিভাগের, ইব্র‍াহিম হোসেন,প্র‍াণিবিজ্ঞান বিভাগের রিয়াজ রহমান,অর্থনিতি বিভাগের রায়হান রাফি,রাষ্ট্র‍বিজ্ঞান বিভাগের সোহাগ হোসেন,ইসলাম শিক্ষা বিভাগের ইমরান বাসার,পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের,সাগর হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের উদ্দোগে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসকল্পে ও যাত্রী, চালক, পথচারীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মোটযানের উপর ধারাবাহিক ভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। বুধবার (০৪ ডিসেম্বর ‘২৪) বিকালে সাতক্ষীরা শহরের খুলনা রোড মোড়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো ও সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের কারনে ১৪ টি মামলার বিপরীতে ৯ হাজার ৮শত’ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এ সময় উক্ত মোবাইল কোর্টে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার প্রণয় বিশ্বাস , বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের মেকানিক্যাল এ্যাসিস্ট্যান্ট মোঃ ওবায়দুর রহমান সহ সঙ্গীয় আনসার ফোর্স।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয়ে সাতক্ষীরা বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি:) কে এম মাহবুব কবির বলেন, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোঃ ইয়াসীন, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাক আহমেদ ও বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় পরিচালক (ইঞ্জি:) মোঃ জিয়াউর রহমানের নির্দেশনায় খুলনা বিভাগের প্রত্যেকটি সার্কেলের আওতাধীন জেলা গুলোতে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষের মধ্যে সড়কে চলাচলের উপর সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ধারাবাহিক ভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন আমরা শুধু যানবাহনের উপর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মামলা ও জরিমানা করছি না এর পাশাপাশি সড়কে শৃঙ্খলা ও চালক পথচারীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। এছাড়া যে সকল যানবাহনের কাগজ পত্র এবং চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করে নাই সে সকল যানবাহন ও চালকদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা ও অভিযান চলমান থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest