সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরাসাতক্ষীরার উপকূলে এখনো বৈষম্যের শিকার নারী শ্রমিকরাসুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৪ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ জুন) বিকালে সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ী চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সরোয়ার হোসেন।

এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান শাহিন, মীর তাজুল ইসলাম রিপন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল কবির খান বাপ্পি, শেখ হেদায়েতুল ইসলাম, শিমুন শামস্, ফুটবল কোর্চ এমাদুল হক খান, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ কাজী কামরুজ্জামান, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের ট্রেজারার শেখ মাসুদ আলী ও ক্রীড়া সাংবাদিক শফিউল ইসলাম খান প্রমুখ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৪ এর খেলায় জেলার মোট ১০টি কলেজ অংশগ্রহণ করে। টুর্নামেন্টের ফাইল খেলায় অংশগ্রহণ করে কালিগঞ্জের রতনপুর ইউনাইটেড মডেল কলেজ বনাম দেবহাটার সরকারি খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ কলেজ।

খেলায় কালিগঞ্জের রতনপুর ইউনাইটেড মডেল কলেজকে ৪-০ গোলে পরাজিত করে দেবহাটার সরকারি খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ কলেজ জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে খেলার গৌরব অর্জন করে। ফাইনালে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন দেবহাটার সরকারি খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ কলেজের ১৭নং জার্সি পরিহীত খেলোয়াড় মিয়ারাজ, সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পেয়েছেন দেবহাটার সরকারি খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ কলেজের ৮নং জার্সি পরিহীত খেলোয়াড় হাসানুজ্জামান, টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়ার হয়েছেন দেবহাটার সরকারি খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ কলেজের ৬নং জার্সি পরিহীত খেলোয়ার শামিম এবং টুর্নামেন্টের ফেয়ারপ্লে পুরস্কার পেয়েছে তালা শহিদ মুক্তিযোদ্ধা কলেজ। খেলা পরিচালনা করেন রেফারি মো. নাসির উদ্দীন, সহকারী রেফারি পিপুল খান, একে আজাদ কাঁনন ও শাম্মু চৌধুরী। এসময় জেলা ক্রীড়া অফিসের কর্মকর্তা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ও বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী কমিটির সদস্য খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা কমিউনিটি গ্রুপের ৬০ হাজার মেম্বার পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে সেলিব্রেশন এবং বাৎসরিক ফটো কনটেস্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৪ জুন সকালে লেক ভিউতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা। সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা কমিউনিটির এডমিন উম্মে ফোয়ারা রানী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন দেশ টিভির সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন।

চ্যানেল 24 এর সাংবাদিক আমিনা বিলকিস ময়না, সাংবাদিক গাজী আনিস, এখন টেলিভিশনের সাংবাদিক আহসানুর রহমান রাজিব, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের আইনজীবী বায়োজিদ রনি, স্বপ্নসিড়ি সাতক্ষীরার সাধারন সম্পাদক নাজমুল হক, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খাইরুল আলম। আরও উপস্থিত ছিলেন মেহরাব হোসেন, এস এম শাহিন আলম, শাকিল হোসেন, এস কে মাহবুব হক, এমডি হাফিজ, শেখ মনি,
রেজওয়ান ইভান রনি, সাকিব জামান, জিএম মামুন, সাতক্ষীরা কমিউনিটির এডমিন
এডমিন তাফসিরুল হাসান, শাহীন ফরহাদ, ইলিয়াস হোসেন, সালাউদ্দিন সাবাদ, ফারুক আহমেদ, মোস্তাকিম বিল্লাহ, এমএইচ মুহিম, আফজাল হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক, সামিউল ইসলাম মুন্না, মোস্তাফিজুর রহমান কল্লোল, মির্জা রাফিয়া রাহাত প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে অসহায়-দুস্থ দের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সৌন্দর্য, সংস্কৃতি ও মাধুর্যতায় ড্রিম সাতক্ষীরার ফেসবুক গ্রুপের আয়োজনে শুক্রবার বিকেলে শহরে কুখরালী এলাকায় অসহায়-দুস্থ দের মাঝে ঈদ সামগ্রীর খাদ্য বিতরণ করা হয়।

এ-সময় উপস্থিতি ছিলেন, ড্রিম সাতক্ষীরার এডমিন মাসুম বিল্লাহ, এডমিন সিনথিয়া রহমান, সাফিয়া ইয়াসমিন,মডারেট সাকিব,মাহফুজ আহমেদ,মেহেদী,হাফিজ,সোহান, কুখরালী আর্দশ যুব সংঘের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সবুজ কুখরালী সঙ্গের সভাপতি মতিউর রহমান, ভলিবল স্পোর্টিং ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আকরম সরকার,
সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সরদার সহ আরো অনেকে।

উল্লেখ্য, প্রতি প্যাকেটে ঈদ উপহার সামগ্রী হিসাবে ছিল সেমাই,পিঁয়াজ, রসুন,তেল,চিনি,আলু,নুডুলস।

ড্রিম সাতক্ষীরার এডমিন মাসুম বিল্লাহ জানান,আমাদের চারপাশের মানুষ কীভাবে ঈদ করবে, করতে পারছে কিনা, তা দেখা আমাদের সকলের দায়িত্ব। সামর্থ্য থেকে নিজে ভালো থেকে প্রতিবেশীদের খবর না নিয়ে মানুষের পরিচয় বহন করাটা লজ্জার। তাই মানবিক দৃষ্টিকোণ ঈদের খুশি সকলের সাথে ভাগাভাগি করার আত্মতৃপ্তি থেকে এ ধরনের উদ্যোগ আমি প্রতিবারেই নিয়ে থাকি। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। এ ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মেহেদী হাসান শ্যামনগর প্রতিনিধি:
আসন্ন ঈদ আজহাকে সামনে রেখে শ্যামনগর উপজেলার নওয়াবেঁকী বাজারে বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কামারের দোকানগুলোতে টুংটাং শব্দে সরগরম হয়ে উঠেছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। নাওয়া-খাওয়া ভূলে গিয়ে অবিরাম কাজ করছেন তারা। আগুনের শিখায় লোহা পুড়িয়ে তৈরি করা হয় এসব ছুরি,দা,বঁটি,চাপাতি। পশু কোরবানির পাশাপাশি মাংস কাটার জন্য এসব কিনতে কামারের দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ক্রেতাদের অভিযোগ, এবছর এসব সরঞ্জামের দাম অনেক বেশি রাখা হচ্ছে।

কামারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ শিল্পের প্রধান উপকরণ লোহা,ইস্পাত ও কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় কামাররা এখন বিড়ম্বনায় পড়েছেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুর থেকে পাওয়া যাচ্ছে হাপরের হাঁসফাঁস আর হাতুড়ি পেটার শব্দ। লোহার হাতুড়ি পেটায় ছড়াচ্ছে স্ফুলিঙ্গ।

সেখানে যেন দিন-রাত, অবিরাম চলছে কাজ আর কাজ।কামাররা জানান, বছরের এগারো মাসে তাদের ব্যবসা হয় এক রকম আর কোনবানির ঈদের আগের এক মাসে ব্যবসা হয় আরেক রকম। উপজেলার কয়েকজন কামারের সাথে আলাপ করে জানা যায়, স্প্রিং লোহা (পাকা লোহা) ও কাঁচা লোহা সাধারণত এ দুই ধরনের লোহা ব্যবহার করে এসব উপকরণ তৈরি করা হয়। স্প্রিং লোহা দিয়ে তৈরি উপকরণের মান ভালো,দাম ও বেশি। আর কাঁচা লোহার তৈরি উপকরণগুলোর দাম তুলনামুলক ভাবে কম।এ্যাঙ্গেল,রড,স্টিং,রেললাইনের লোহা,গাড়ির পাত ইত্যাদি অনেকে কামারদের কাছে এনে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করে। এর মজুরিও লোহা ভেদে নির্ধারন করা হয়।

বেশির ভাগ কামারদের কাছ থেকেই লোহা কিনে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করে বা রেডিমেট বানানো জিনিস নিয়ে যায়।কামাররা জানান, লোহারর মানভেদে একটি দা ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা (পাকা লোহা) আর কাঁচা লোহার দা ৫০০ থেকে ৩ হাজার, কুড়াল ৬০০ থেকে ১১শ,বটি ৩০০ থেকে ৮০০,চাপাতি ৫০০ থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হয়।তবে দেশিয় এসব দা-বটির পাশাপাশি চায়না থেকে আমদানি করা বিভিন্ন মান ও আকারের ছুরি-চাপাতিও বাজারে অল্প দামে বিক্রি হচ্ছে।

শ্যামনগর উপজেলার নওয়াবেঁকী বাজারের পরিতোষ কুমার কর্মকার জানান, লোহা পিটিয়ে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করা আমার পেশা।বাপ দাদার পৈত্রিক সূত্রে আমি এই পেশায় জড়িত। একটি মাঝারি ধরনের দা ও কাটারি তৈরি করে ওজন অনুযায়ী ৩শ থেকে ৪শ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় হয়।সারা দিন হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করে যে কয়টি জিনিস তৈরি করি তা বিক্রয় করে খুব বেশি লাভ না হলেও পরিবার-পরিজন নিয়ে খেয়ে দেয়ে বেঁচে থাকার স্বার্থে এই পেশা আমি ধরে রেখেছি। তবে সারা বছর কাজ-কর্মের ব্যস্ততা তেমন না থাকলেও কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে আমার কাজের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে। সারা বছর এই রকম কাজ থাকলে ভালোই হতো।তিনি আরও বলেন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ পেশায় যারা জড়িত তাদের ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত ৮০০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।

শুক্রবার (১৩ জুন) সকালে উপজেলার নিলডুমুর ডাকবাংলো চত্বরে গ্রামিণফোনের অর্থায়নে ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিট বাস্তবায়নে এবং যুব রেড ক্রিসেন্ট শ্যামনগর উপজেলা টিমের সহযোগিতায়, গাবুরা ও বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত ৪০০ পরিবার এবং গতকাল বৃহস্পতিবার পদ্মাপুকুর ও মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত ৪০০ পরিবারের মাঝে এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বিতারণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের ইউনিট লেভেল কর্মকতা (ইউএলও) হাসিবুল ইসলাম সোহান, যুব প্রধান মোঃ ইলিয়াস হোসেন ও শ্যামনগর উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্ট টিম লিডার আনিছুর রহমান মিলনসহ জেলা, উপজেলা পর্যায়ে যুব সদস্যরা।

এসময় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৮০০ পরিবারের মাঝে ৭ দিনের পরিমাণ ফুড প্যাকেজে ছিল চাউল৭.৫০০, ডাউল ১কেজি, সুজি৫০০, চিনি ১কেজি, তেল ১লিটার, লবন ৫০০ ও বিশুদ্ধ ২ লিটারের ১কেচ পানি দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা :
আর মাত্র কয়েকদিন পরই পবিত্র ঈদুল আযহা। আর তাই ঈদের আগেই দর্শনার্থীদের জন্য নতুন রূপে প্রস্তুত করা হচ্ছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের তত্বাবধানে পরিচালিত পিকনিক স্পট রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটিকে।

প্রতিবছর পবিত্র ঈদুল আযহার দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী অন্তত ১৫ দিন দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর থাকে এ পর্যটন কেন্দ্রটি। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে একটু বিনোদন আর আনন্দ উপভোগের জন্য দর্শনার্থীরা সদলবলে ভিড় জমান এখানে। বিশেষ করে পর্যটন কেন্দ্রটির কোলঘেঁষে প্রবহমান ইছামতি নদীর নৈসর্গিক সৌন্দর্য যেন বারবার কাছে টানে পর্যটকদের।

পড়ন্ত বিকেলে ইছামতির পানিতে অস্তমিত রক্তিম সূর্যের আলোর ঝলকানি, নদীর তীরে প্রিয়জনের সাথে রোমাঞ্চকর কিছু সময় কাটানো, ইচ্ছে হলেই প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে নদীর বুকে নৌকায় ভেসে বেড়ানো, ট্রেইল বেঁয়ে প্রিয়জনের হাতে হাত রেখে ম্যানগ্রোভ বনের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ঘুরে বেড়ানো, সন্ধ্যায় ঝাঁকে ঝাঁকে আবাসস্থলে ফেরা নানা প্রজাতির পাখির কলকাকলি, আর ভাটির টানে নদীর পানি কমে গেলে ইছামতির বুকে জেগে ওঠা বিস্তৃর্ণ বালু চরে ছুটে বেড়ানো অনেকটা সমুদ্র সৈকতের মতো অনুভূতির সঞ্চার করে সব বয়সের মানুষের মনে, তাতেই যেন বিমোহিত হয়ে এ পর্যটন কেন্দ্রটির প্রেমে পড়েন দর্শনার্থীরা।

এতো গেল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। দর্শনার্থীদের পছন্দ আর প্রত্যশাকে প্রধান্য দিয়ে রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রের বাড়তি সৌন্দর্য ফুঁটিয়ে তুলতে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে সাতক্ষীরা জেলা ও দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন।
তাইতো জেলা শহর থেকে ২৫ কিঃমিঃ দুরের এ পর্যটন কেন্দ্রে ২০ বিঘা জমিতে অনামিকা লেক, শিশুদের জন্য বঙ্গবন্ধু শিশু পার্ক ও মিনি চিড়িয়াখানা, সভা-সমাবেশের জন্য কনফারেন্স রুম, ফটোসেশনের জন্য আকর্ষনীয় ও ব্যতিক্রমী একাধিক সেলফি পয়েন্ট, লেকের পানিতে প্যাডেল বোট, কফিশপ, নানা ধরনের কৃত্রিম জীবযন্তু, ঘোড়ার গাড়ি, রাত্রিযাপনের জন্য কটেজ ইত্যাদির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

শুধু তাই নয়, সীমান্ত এলাকা হওয়া স্বত্তে¡ও ইতোমধ্যেই বিদ্যুতায়নের পাশাপাশি সেখানে পৌঁছেছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। নারী-পুরুষের আলাদা আলাদা নামাজের স্থান, ওয়াশ ব্লক এমনকি দর্শনার্থীদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থাও এখানে রেখেছে দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন।
আর ঈদ কিংবা অন্যকোন উৎসব এলেই

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : লিডার্স ও লিডার্সের নির্বাহী পরিচালক মোহন কুমার মন্ডল এর বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য উপস্থাপন করে সম্মানহানি করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা ম্যানগ্রোভ সভাঘরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন লিডার্সের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, লিডার্সের নির্বাহী পরিচালক মোহন কুমার মন্ডল, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা লিডার্স সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও এফেয়ার্স ব্যুরো কর্তৃক নিবন্ধিত সংগঠন যা প্রায় ২ দশক ধরে বাংলাদেশের উপকুলীয় অঞ্চলে সুনামের সাথে কাজ করছে। সম্প্রতি একটি ফেসবুক গ্রæপ “অগ্রযাত্রা” থেকে একটি ভিডিও সংবাদ প্রচার করা হয়েছে যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। তারা যে ৬টি দাতা সংস্থার নাম উল্লেখ করেছে, তাদের মধ্যে দুটির সাথে আমাদের কোন যোগাযোগ নেই। আর বাকীগুলোতে হিসাবের অনেক গড়মিল।

অপরাধ প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী বলা উচিৎ নয়। কিন্ত যেভাবে লিডার্সের পরিচালককে ব্যাক্তিগত আক্রমন করা হয়েছে তা আমাদের বিষ্মিতি করেছে। একটি সংগঠন পরিচালিত হয় একটি ম্যানেজমেন্ট বোর্ড দ্বারা। সেখানে বিভিন্ন স্তরে কর্মীরা থাকে যারা সংগঠন পরিচালনায় ভুমিকা রাখেন। সেখানে উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে শুধু নির্বাহী পরিচালকের বিরুদ্ধে বিষদগার করা উদ্দেশ্য প্রনোদিত, সম্মানহানীকর ও তার জীবনের নিরাপত্তার প্রতি হুমকি স্বরুপ।

তিনি আরো বলেন, প্রত্যেকটি প্রকল্প এনজিও বিষয়ক ব্যুরো থেকে অনুমোদন হওয়ার পর, ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা আসে। প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনকে সাথে নিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। প্রকল্পের দাতা সংস্থ’া তহবিল ব্যবস্থ’াপনা মনিটরিং করে। এছাড়া এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর তালিকাভুক্ত একটি অডিটর প্রকল্প অডিট করেন। অডিটর এই প্রকল্পের প্রতিবেদন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোতে জমা দেন। ব্যুরো এই প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে গ্রহন বা বর্জন করেন। লিডার্স এ পর্যন্ত যত প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে তা স্থানীয় প্রশাসনের প্রত্যয়ন প্রদান করেছেন ও সকল প্রকল্পের অডিট প্রতিবেদন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোতে গৃহীত হয়েছে। এনজিও কার্যক্রম অনুমোদন থেকে বাস্তবায়ন ও অডিট প্রতিবেদন গৃহীত হওয়ার যে প্রসেস রয়েছে তা মনে হয় এই ভুয়া নিউজ তৈরী করা ব্যাক্তি অবগত নন। না জেনে এমন একটি প্রতিবেদন লিডার্সের দীর্ঘদিনের সুনামে কালিমা লেপন করে। লিডার্স যে অর্থ বিদেশ থেকে নিয়ে আসে তা স্থানীয় মানুষের উন্নয়নে ব্যয় করা হয়, আপনাদের লেখনীতে তা একাধিকবার উঠে এসেছে। সেখানে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হয়ও বটে। ওই সকল ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে সফল হলে এই উপকুলীয় এলাকা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হবে যা কাম্য নয়।

লিডার্সের একটি রিভার এম্বুলেন্স রয়েছে যা শুধুমাত্র বাঘে ও কুমিয়ে আক্রান্ত ব্যাক্তিকে উদ্ধার করার জন্য ব্যবহৃত হবে। কোন ব্যাক্তি যদি বাঘ ও কুমিরে আক্রান্ত হন, সেক্ষেত্রে তাকে উদ্ধারে শুধুমাত্র বনবিভাগ যদি এই রিভার এম্বুলেন্স কল করে তখন কেবল এই রিভার এম্বুলেন্সটি কাজ করবে। অন্যথায় এই রিভার এম্বুলেন্স সুন্দরবনে ঢোকার অনুমতি নেই। রিভার এম্বুলেন্সটি লিডার্স এর স্বা¯’্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়। দুর্যোগের সময় স্থানীয় প্রশাসন এই রিভার এম্বুলেন্সটিও ব্যবহার করতে পারেন। উপকুলীয় এলাকায় কর্মরত কোন বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের হাইলেভেল ভিজিট হলে উন্নয়নের স্বার্থে এই রিভার এম্বুলেন্স ব্যবহার করতেও পারেন। এই এম্বুলেন্সটি সচল রাখার জন্য সপ্তাহে ১ বার ট্রায়াল দিতে হয়। সেক্ষেত্রে এই এম্বুলেন্সটি মানুষ নিয়ে চলাচল করতে পারে কিনা তার জন্য আমাদের সহকর্মীরা যেয়ে সরজমিনে দেখেন ও প্রতিবেদন প্রদান করেন। এই রিভার এম্বুলেন্স কখনো প্রমোদ ভ্রমনে ব্যবহার করা হয়না ও কখনো পর্যটক বা লিডার্সের সাথে জড়িত নয় এমন মানুষ তোলা হয়না।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে এই সংগঠনের সুনাম রয়েছে। ইতিপুর্বে লিডার্স কোরিয়া থেকে ওয়ার্ল্ড ওয়াটার শোকেজ, চ্যানেল আই থেকে দুর্যোগ হিরো হিসাবে পুরষ্কার ও ২০২৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সুপেয় পানির উপরে জায়েদ সাসটেননিবিলিটি প্রাইজ পেয়ে বিদেশের মাটি থেকে দেশের জন্য সুনাম বয়ে এনেছে। লিডার্সের উত্তোরোত্তর সমৃদ্ধিতে একটি স্বার্থন্বেষী মহল লিডার্সের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য দীর্ঘদিন থেকে উঠে পড়ে লেগেছে। ইতিপুর্বে অনেক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হয়েছে তা আপনাদের অবগত। তিনি দেশ ও উন্নয়ন বিরোধী এই অপতৎপরতার জন্য তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা সদর উপজেলাকে ভুমিহীন মুক্ত ঘোষনা করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দ।সদর উপজেলাকে ভুমিহীন মুক্ত ঘোষনা করায় বৃহস্পতিবার একপত্রে প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দ পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সহ সভাপতি শেখ শওকত আলী,
সংবাদকর্মী সেলিম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন, জেলা ভুমিহীন সমিতির সভাপতি কওছার আলী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদসহ জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটি এবং জেলা ভুমিহীন সমিতির নেতৃবৃন্দ। জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের স্বাক্ষরে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বস্তিতে, রাস্তা ও নদী খালের ধারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে অনেক ভুমিহীন। তাদের কোনো ঘর ও জমি নেই। তাদের নুন আনদে পানতা ফুরায় যায়। তাদের ঘর ও জমি ক্রয়ের সমর্থন নেই। তাদের ঘর ও জমি না থাকায় তারা পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছে। এখনো বিভিন্ন এলাকায় অনেক ভুমিহীন পরিবার ঘর ও জমি পায়নি। অথচ সাতক্ষীরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ভমিহীন মুক্ত ঘোষণা করছেন। এছাড়াও ৫ম পর্যায়ে সদরের ভুমিহীনদের নামে যে সব ঘর দেওয়া হয়েছে প্রকৃত ভুমিহীনরা পাইনি। ভুমি অফিসের কর্মকর্তাদের অর্থের লেনদেনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী মানুষেরাই পেয়েছে ঘর। তারা আরো উল্লেখ করেছেন প্রতিটি ভুমিহীনদের ঘর নিশ্চিত না করে এধরনের ঘোষনা করায় জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে এখনো ঘর ও জমি থেকে বঞ্চিত ভুমিহীনদের পুনঃ বাসন করার দাবি জানান নেতৃবৃন্দ। আর তাই না হলে ভুমিহীনদের পুনঃ বাসনের জন্য প্রয়োজনে রাজপথে আন্দোলন করা হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest