সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

কালিগঞ্জের বাল্য বিবাহ নির্মূলে র‌্যালি ও আলোচনা

কালিগঞ্জ ব্যুরো : “বালিকা বধূ নয়, ১৮ বছরের আগে বিয়ে নয়” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে বড় শিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। রোববার বিকেল সাড়ে ৩টায় বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ নবযাত্রা প্রকল্পের সহযোগিতায় ও সুশীলনের বাস্তবায়নে বাল্য বিয়ের কুফল ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্যানেল চেয়ারম্যান নিরঞ্জন কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ভাড়াশিমলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওবায়দুর রহমান। নবযাত্রা প্রকল্পের জেন্ডার অর্গানাইজার বন্দনা মন্ডলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের তথ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এসএম,আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু, ইউপি সদস্য রেজাউল, শামছুর রহমান, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মনোয়ারা খাতুন, ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়, মোজাহার মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, ইউনিয়ন ম্যারেজ রেজিষ্ট্রার মাওঃ রুহুল আমিন, ভাড়াশিমলা জামে মসজিদের ইমাম মোহাম্মাদ আলী, পুরোহিত রমেশ চন্দ্র, কলেজ ছাত্র আবু মুছা মোহাজার মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেনীর ছাত্রী ইরিনা সুলতানা ইতি, রায়হানা ইসলাম, প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন জেন্ডার অর্গানাইজার আল-আমিন। অপর দিকে মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদে সকাল ১১টায় বাল্য বিবাহ নির্মূলে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষ ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এমএ নাহার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান, মুন্সী মশিউর রহমান পলাশ, রাজিয়া সুলতানা, হামিদা খাতুন, মাহফুজা খাতুন, কাজী হাফিজ উদ্দিন বাবু, নজরুল ইসলাম, ফেরদাউস মোড়ল, রবিউল আলম, মির্জা ছাদেক আলী, স্বর্ণ কিশোরী ক্লাবের সভানেত্রী নাজনীন মেহেদী দোলা, নবযাত্রা প্রকল্পের জেন্ডার অর্গানাইজার মুন্সী হারুনার রশীদ, নার্গিস সুলতানা প্রমুখ। এসময় বক্তারা বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরে বলেন, বাল্য বিয়ের কারণে পারিবারিক জীবনে অশান্তি সৃষ্টি হয়, পুষ্টিহীনতার শিকার হয় মা ও শিশু। বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে হবে। শুধু সচেতন হলে চলবে না, আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমেই দেশ থেকে বাল্য বিবাহ মুক্ত করা সম্ভব। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নোয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবরের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেবহাটা উপজেলার নোয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনেছেন একই উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের ইসমাইল গাজি। তিনি বলেন মুিজবর রহমান আমার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছেন। আমার জমিতে আমার ছেলের জন্য ঘর তৈরি করে দেওয়ারও চেষ্টা করছেন। এমনকি তিনি আমার পুত্রবধূর সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে থেকে আমাকে নাজেহাল করার চেষ্টা করছেন।
রোববার সাতক্ষীরায় এক সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন ইসমাইল গাজি। তিনি বলেন সেই স্বাধীনতা পূর্বকাল থেকে আমার পুরো পরিবার আওয়ামী লীগ সমর্থক। ২০১৩ সালে জামায়াতের সহিংসতার সময় ইসমাইলের ছেলে মনিরুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে আলমগীর হত্যা মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করেও পরে তাকে রায়হান হত্যার সাথে জড়িয়ে দেয় পুলিশ। তাকে ছাড়াতে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুজিবর রহমানের কাছে গেলে তিনি আশ্বাস দিয়েও তা রক্ষা করেননি। পরে এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে মুজিবর রহমান জেলে আটক থাকা ছেলে মনিরুলের স্ত্রী রাবেয়া খাতুনের সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় অনেক হইচই হলেও তিনি এর থেকে ফেরেন নি। বরং তিনি ইসমাইলের সম্পত্তি ভাগ করে ছেলে মনিরুলের জন্য বসত ভিটার সামনে ঘর তৈরি শুরু করতে সাহায্য করেন। এতে বাধা দিলে ইসমাইলের ১০৮ বছর বয়সী মা কাঙ্গালি বিবিকে চেয়ারম্যান মুজিবরের উসকানিতে ছেলে মনিরুল ও তার স্ত্রী রাবেয়া মারধর করে। এ ব্যাপারে মীমাংসার জন্য ফের চেয়ারম্যানের কাছে গেলে তিনি মীমাংসার আশ্বাস দিয়েও ছেলে মনিরুলকে ঘর তৈরির টিন দেন। এতে বাধা দিতে গেলে আবারও মারপিটের শিকার হতে হয়। ইসমাইল আরও জানান এ ঘটনায় আহত হওয়ায় তারা সখিপুর হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি বলেন এ ব্যাপারে দেবহাটা থানা কোনো মামলা নিতে চায়নি। পরে মামলাটি আদালতে করা হয়। এদিকে এই মামলা করায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন চেয়ারম্যান ও তার ছেলে মোমিন। ইসমাইল গাজি আরও জানান চেয়ারম্যানপুত্র মোমিন তাকে গাজিরহাট বাজারে মারপিট করে। শুধু তাই নয় ছেলে মনিরুলের স্ত্রী রাবেয়াকে দিয়ে শ্বশুর ইসমাইলের বিরুদ্ধে একটি কল্পিত ধর্ষণ মামলা করান চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান। এ মামলায় ইসমাইলকে কয়েকদিন ধরে জেলও খাটতে হয়। পরে তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন। ইসমাইল গাজি বলেন মুজিবর রহমান অনৈতিকতার চরমসীমায় পৌছে গেছেন। তিনি এখনও ইসমাইলের পাশের বাড়িতে রাতে এসে ছেলে মনিরুলের স্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়ে পৃথকঘরে বসে ফিস ফিস করেন।
বৃদ্ধ ইসমাইল গাজি চেয়ারম্যান মুজিবর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও এর প্রতিকার দাবি করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জ ভূমি অফিসের পরিবেশ বদলে দিয়েছেন নুর আহম্মেদ মাছুম

মো. আরাফাত আলী : কালিগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসের হয়রানি বন্ধ করতে ডিজিটালাইজ করণের মাধ্যমে সকল কাজ সম্পূর্ণ করার উদ্যোগ নিয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহম্মেদ মাসুম। তিনি কালিগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদান করেন ২২ শে ফ্রেব্রয়ারি ২০১৭ ইং তারিখে। যোগদানের পর থেকেই ভূমি অফিসের সেবার মান বাড়িয়ে অনলাইনের মাধ্যমে গ্রাহককে সকল সেবা প্রদান করা এবং ভূমি অফিসকে আধুনিকভাবে রূপায়িত করেন। এজন্য তিনি গ্রাহক সেবা নিশ্চিতকরণ এবং ভূমি অফিসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের অফিসের সব কয়টি রুমে এবং গুরত্বপূর্ণ স্থানে ৮ টি আইপি ক্যামেরা স্থাপন করেছেন। এছাড়া গ্রাহক সেবা সহজ করার জন্য ভূমি অফিসে বসিয়েছেন তথ্যসেবা কেন্দ্র কাম হেল্পডেস্ক। অফিসে ফ্রি ইন্টারনেট সেবার জন্য বসিয়েছেন ওয়াইফাই জোন। নিলাম জারি সেবা এখন সহজে পাচ্ছেন উপজেলার সর্ব সাধারণ। প্রতিটি নামকরণ জারী ও মিস কেসের বাদী ও বিবাদীর শুনানী গ্রহণের মাধ্যমে সকল কেসের নিষ্পত্তি করছেন। অফিসে সেবা গ্রহণকারীদের বসার জন্য অরণী স্থাপন করেছেন। অফিস ক্যাম্পাস পাকা করেছেন। ভূমি অফিসে এই সকল উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য কালিগঞ্জ উপজেলাবাসীর কাছে তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন এই কর্মকর্তা।
নুর আহমেদ মাছুম বলেন, “প্রশাসনে সরকার আমাদেরকে নিয়োগ দিয়েছে জনগণের সেবার জন্য। আমাদের কাছে সরকারে সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দেয়া। জনগণের হয়রানি বা প্রতিবন্ধকতা যেন না হয় সেজন্য আমরা সকল আধুনিক সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করার চেষ্টা করেছি।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুসুম সিকদারের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা

মিউজিক ভিডিওর আড়ালে পর্নোগ্রাফির অভিযোগ এনে অভিনেত্রী কুসুম সিকদারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। একই সঙ্গে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে রমনা থানাকে এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে, রবিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুরুন্নাহার ইয়াসমিনের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন খন্দকার নাজমুল আহসান নামের সুপ্রিমকোর্টের এক আইনজীবী।

প্রসঙ্গত, গত ৩ আগস্ট অভিনেত্রী কুসুম সিকদারের ‘নেশা’ শিরোনামে একটি মিউজিক ভিডিও ইউটিউবে মুক্তি পায়। এতে কুসুম সিকদারের খোলামেলা ও আবেদনময়ী উপস্থিতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর সমালোচনা শুরু হয়।

এরপর গত ১৩ আগস্ট গানটির সব বৈধ-অবৈধ ভিডিও ও টিজার ইউটিউব থেকে সরানোর জন্য বাদীর পক্ষে আইনজীবী আফতাব উদ্দিন ছিদ্দিকী রাগিব আইনি নোটিশ দেন। তারপরও কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় রবিবার পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের কার হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঁধ চালু

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশটির গুজরাট রাজ্যের নর্মদা জেলায় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঁধ সর্দার সরোবর ড্যামের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। আদালতের মামলা এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীদের প্রতিবাদের মুখে অবশেষে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের প্রায় ৫৬ বছর পর এ বাঁধটি উদ্বোধন করা হল।

আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৬৭তম জন্মদিন। নিজের জন্মদিনে তিনি এ প্রকল্পটি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। নর্মদা নদীর ওপর ওই বাঁধের উচ্চতা বাড়িয়ে ১৩৮ মিটার করার ফলে ওই জলাধারের ধারণ ক্ষমতা ১২.৭ লাখ কিউবিক মিটার থেকে বেড়ে হবে ৪৭.৩ লাখ কিউবিক মিটার। ১৯৬১ সালে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এই বাঁধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তখন থেকেই এটি ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। বিতর্কের কারণেই ১৯৮৭ সালের আগে এর নির্মাণ কাজ শুরু করা যায়নি।

এদিন প্রকল্পের চূড়ান্ত পর্যায়টির উদ্বোধন করার পর প্রধানমন্ত্রী মোদি দাবি করেছেন, এই বাঁধের বিরুদ্ধে বিপুল অপপ্রচার ও মিথ্যা প্রচারণা চালানো চেয়েছে। কিন্তু আসলে এটি হল প্রযুক্তিগত একটি বিস্ময়! বিশ্বব্যাংক এই প্রকল্পে অর্থায়ন করতে রাজি হয়নি, কিন্তু তারপরও ভারত নিজেদের শক্তি ও সামর্থ্যে এই বাঁধ নির্মাণ করেছে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষায় ‘মা নর্মদার জল দেশের লাখ লাখ নাগরিকের জীবনকে চিরদিনের জন্য পাল্টে দেবে। ‘ এই উদ্বোধনের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও নর্মদা নদীর জলসীমা বৃদ্ধি পেয়ে মধ্যপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা ও বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের নেত্রী মেধা পাটেকর পরিবেশগত ঝুঁকি আর মানুষের জীবন-জীবিকা বিপন্ন হওয়ার যুক্তিতে আগাগোড়াই এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছেন। তিনি এদিন মধ্যপ্রদেশের বারওয়ানি জেলাতে এই বাঁধের বিরুদ্ধে ‘জল সত্যাগ্রহ’ আন্দোলন করেছেন।

সরকার দাবি করছে, এই জল একটি ক্যানাল নেটওয়ার্কের মধ্যে দিয়ে গুজরাটের প্রায় নয় হাজার গ্রামে পৌঁছে দেয়া হবে, আর তাতে ১৮ লাখ হেক্টরেরও বেশি কৃষিজমি সেচের পানি পাবে। সর্দার সরোবর ড্যামে উৎপাদিত বিদ্যুৎ মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রও গুজরাট, এই তিন রাজ্য নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেবে।

ভারতের পরিবেশ আন্দোলনের যে কর্মীরা বহু বছর ধরে এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন তারা এ কথার সঙ্গে একমত নন। বরং এই সর্দার সরোবর ড্যাম লাখ লাখ গ্রামবাসীকে আশ্রয়হীন করেছে বলে দাবি করছেন তারা।

‘নর্মদা বাঁচাও’ আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ বলছেন, এই প্রকল্পের ফলে বাস্তুচ্যুত মধ্যপ্রদেশের ১৯০টি গ্রামের চল্লিশ হাজার পরিবারকে পুনর্বাসনের আওতাতেই আনা হয়নি। যে আশ্রয় কেন্দ্রগুলো গড়া হয়েছে সেগুলোও বসবাসের অযোগ্য।

শুক্রবার যখন ড্যামের উচ্চতা বাড়িয়ে ১২৮.৩ মিটার করা হয়, তখনই মধ্যপ্রদেশের নিসারপুর শহর ও আশেপাশের বহু গ্রাম জলমগ্ন হয়ে পড়ে। রবিবারের মধ্যে ওই রাজ্যের বারওয়ানি জেলার রাজঘাটে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুও পানির নীচে তলিয়ে যায়। ওই সেতুটি পার্শ্ববর্তী ধার জেলার সঙ্গে রাজঘাটের সংযোগ রক্ষা করত। সর্দার সরোবর ড্যাম এভাবে বহু গ্রাম-শহর-জনপদকেই চিরতরে দেশের মানচিত্র থেকে মুছে দিয়েছে বলে জানাচ্ছেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের কর্মীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এথনিক ক্লিনজিং: শিশুটি আর কতদিন বাঁচবে?

ডেস্ক রিপোর্ট : নির্মমতার বলির পথে যখন শিশু। তখন মানবতা আটকা পরে বর্বরতার জালে। ঠিক এমনটিই হচ্ছে মিয়ানমারে নিরীহ রোহিঙ্গাদের সাথে। যেখানে প্রতিনিয়তই প্রতিহিংসার আগুনে জ্বলছে রোহিঙ্গা ও তাদের বাড়ি ঘর। নির্মম অত্যাচার ও নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেনা শিশু –নারীসহ কেউই।

এমনই এক দৃষ্টান্তের জ্বলন্ত সাক্ষী দেড় বছর বয়সের রোহিঙ্গা শিশু হারেজ। নিজ দেশের সেনাদের দেওয়া হিংসার আগুনে জ্বলসে গেছে তার শরীর। মায়ের কোলে চড়ে বাংলাদেশে এসে জীবন মৃত্যুর দোলাচলে শেষ আশাটুকু বেঁচে থাকলেও আর কত দিন বেঁচে থাকবে শিশুটি? আগুনে পুড়ে গেছে শিশু হারেজের অর্ধেক দেহ।

রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার সদর জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, কাতর দৃষ্টিতে চেয়ে আছে শিশুহারেজ। মায়ের সাথে কথা বলে জানা গেল, কারো সাথে আর কথা বলে না সে, আগে যেটুকু শব্দ করতো সেটিও কেঁড়ে নিল হিংসার আগুন। এখন জীবন প্রদীপও নেভার পথে। দেখা যায় মায়ের কোলে কাত হয়ে শুয়ে আছে নিশ্চুপ শিশু হারেজ।

তার মায়ের কাছে নির্মতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বার্মিজ আর্মিরা গত ১০ দিন আগে তাদের বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দেয়। তার স্বামীকে পুড়িয়ে মারে। কোন রকম জীবন বাঁচিয়ে শিশু পুত্রকে নিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন তিনি। শিশু হারেজের চিকিৎসা সপ্তাহ পার হলেও ক্রমেই নিভে আসছে তার জীবন প্রদীপ। তবুও শেষ সম্বল শিশুকে নিয়ে অনিশ্চিত জীবনে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখছেন শিশু হারেজের মা।

এদিকে হাসপাতালের দায়িত্বরত ডাক্তারের সাথে কথা বললে, তিনি বলেন, হাসপাতালে ভর্তি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে বেশি আশঙ্কাজনক শিশু ও নারীরা। শিশুদের অনেকেই পুষ্টিহীনতার শিকার।

তিনি বলেন, এখানে আমাদের সাধ্যের চেয়ে দ্বিগুণ রোগী আসছে প্রতিদিন। তবুও আমরা সর্বাত্মক আন্তরিকতার সাথে সেবা দিয়ে যাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমারে গত ২৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে এই পর্যন্ত ৬ লাখেরও অধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। তাদের অধিকাংশই কক্সবাজারের উখিয়া ঘুমধুম সীমান্ত ও টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ দিয়ে অনুপ্রবেশ করছে। মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিচ্ছে বাংলাদেশ। প্রতিদিনই মারাত্মক আহত অবস্থায় অনেক শরণার্থী ভর্তি হচ্ছেন আশপাশের হাসপাতাল গুলোতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ট্রেলিয়াকে ২৬ রানে হারাল ভারত

বৃষ্টি-বিঘ্নিত ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২৬ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ভারতের এ জয়।
রবিবার চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথম ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে সাত উইকেটের বিনিময়ে ২৮১ রান তোলে ভারত।

অস্ট্রেলিয়া ইনিংসে বাধ সাধে বৃষ্টি। বৃষ্টি থামলে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে টার্গেট কমে হয় ২১ ওভারে ১৬৪। ভারতের মতো শুরুতেই বিপদে পড়ে যায় অজিরাও। ৩৫ রানে চলে যায় ৪ উইকেট। এর পরই হঠাৎ চালিয়ে খেলতে থাকেন ম্যাক্সওয়েল। ঝোড়ে ব্যাটিংয়ে করে যান ১৮ বলে ৩৯। কিন্তু তিনি আউট হতেই কার্যত ম্যাচটা চলে যায় ভারতের পকেটে। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া করে ১৩৭/৯। চাপের জয় করা দূরে থাক, নিজেদের স্বভাবজাত টি-টুয়েন্টি খেলাটাও এদিন ভুলে বসল অস্ট্রেলিয়া। অবধারিত ফল, ২১ ওভারেও স্মিথরা ১৬৪ রান করতে পারলেন না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটি কোটি অবৈধ টাকা! সাতক্ষীরার সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা আল আমীনের বিরুদ্ধে মামলা করছে দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে গেছেন ভোমরার সাবেক সহকারী কাস্টমস কমিশনার শরিফ মো. আল আমীন। বর্তমানে সুনামগঞ্জের বিভাগীয় ভ্যাট কার্যালয়ে কর্মরত এ কর্মকর্তার বিভিন্ন নামে-বেনামে ব্যাংক হিসাবে মাত্র ১৯ দিনে ৬ কোটি ২৬ লাখ ১১ হাজার ২২২ টাকা জমা হয়েছে। এসব টাকার বৈধ কোনো উৎস খুঁজে না পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার কমিশনের নিয়মিত বৈঠকে এ মামলার অনুমোদন দেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। শিগগিরই শরিফ মো. আল আমীনের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, আসামি কাস্টমসের সহকারী কমিশনার শরীফ মোঃ আল আমীন ৩১তম বিসিএস (কাস্টমস) এর একজন কর্মকর্তা। তিনি ৩১তম বিসিএস (কাস্টমস) ক্যাডারে সহকারী কমিশনার পদে গত ২০১৩ সালের ১৫ জানুয়ারি যোগদান করেন। তিনি দীর্ঘদিন সাতক্ষীরার ভোমরা শুল্ক স্টেশনে চাকরি করে গেছেন। সেসময় তার বিরুদ্ধে অসংখ্য দুর্নীতির অভিযোগ উঠিছিল।
একজন নবীন কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও সোনালী ব্যাংক লিঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় ২০১৫ সালের ২৭ অক্টোবর নিজ নামে একটি ৮০ লাখ টাকার এফডিআর করেন তিনি। এরপর একই বছরের নভেম্বর মাসের ৪ তারিখ ও ১৬ তারিখে তার মা শরীফ হাসিনা আজিম ও তার বোন শরীফা খানমের নামে ৭৫ লাখ টাকা করে ২টি এফডিআর করেন। এসব এফডিআরে শতভাগ নমিনি কাস্টমসের সহকারী কমিশনার নিজেকে রেখেছেন।
দুদক সূত্রে আরো জানা গেছে, শরীফ মোঃ আল-আমীন অবৈধ উপায়ে দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে অর্জিত মোট ৬ কোটি ২৬ লাখ ১১ হাজার ২২২ টাকা তার নিজের ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবে জমা করেন। জমা করা অর্থের মধ্যে তিনি ৪ কোটি ১২ লাখ ৫১ হাজার টাকা নগদ তুলে নেন।
এরপর বিষয়টি দুদকের অনুসন্ধানে চলে এলে বাকি ১ কোটি ৭৪ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৭ টাকা আর তুলতে পারেননি। দুদকের নির্দেশে এ টাকা ফ্রিজ করে রেখেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
দুদকের অনুসন্ধানে আরো বেরিয়ে আসে, শরীফ মোঃ আল-আমীন পরিবারের জন্য ৩৭ লাখ ৩৩ হাজার টাকায় গাড়ি কেনেন। এ অপকর্মে শরীফ মোঃ আল-আমীনকে সহযোগিতা করায় তার মা, বোনসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়।
দুদকের সহকারী পরিচালক একেএম ইসমাইল আহম্মেদ এ ঘটনা অনুসন্ধান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest