নিজস্ব প্রতিবেদক: কলারোয়ায় আয়কর ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকালে কলারোয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবুল কাশেম মো.মহিউদ্দীন।
‘জনকল্যাণে রাজস্ব, উন্নয়নের অক্সিজেন রাজস্ব’ স্লোগানে দেশের সর্বক্ষেত্রে রাজস্ব বান্ধব সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা ও করদাতা সেবার মানবৃদ্ধির চলমান প্রয়াসের ধারাবাহিকতায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়কর অনুবিভাগ কর্তৃক গৃহীত কর্মসূচি হিসাবে এই আয়কর ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসু দেব বসু, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন ও নবাগত কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কর অঞ্চল খুলনার কর কমিশনার মো. ইকবাল হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কর অঞ্চল খুলনার যুগ্ম কর কমিশনার মো. মঞ্জুর আলম।
এসময় স্থানীয় ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুধিজনেরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে বেলনু উড়িয়ে তিন দিন ব্যাপী এ আয়কর ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে করদাতাদের ই-টিআইএন রেজিস্ট্রেশন/ রি-রেজিস্ট্রেশন, স্পট এসেসমেন্ট এর মাধ্যমে কর নির্ধারণ, দাবি সৃষ্টি ও আদায় এবং আয়কর প্রত্যয়নপত্র প্রদান করা হয়।

বই বিতরণের পূর্বে শিক্ষা দিবস সম্পর্কিত অালোচনা ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে অদিতি অাদৃতা সৃষ্টি বলেন, ”সংগ্রাম ও ঐতিহ্যের মহান শিক্ষা দিবস অাজ। এই দিনে পাকিস্তানি শাসন, শোষণ ও শিক্ষা সংকোচন নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অনেকে শহিদ হন। তাঁদের স্মরণে পালিত হয় শিক্ষা দিবস। অাইয়ুব খান ক্ষমতা দখলের পর একটি শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়। ২৭ টি অধ্যায়ের এ কমিশনে ধর্মান্ধ, পুঁজিবাদ, রক্ষণশীল, সাম্রাজ্যবাদী ও শিক্ষা সংকোচন নীতির পূর্ণ প্রতিফলন ঘটে। শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম করানোর জন্য ১৫ ঘণ্টা কাজের বিধান করা হয়েছিলো। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-ছাত্রসহ বহু মানুষ এর বিরুদ্ধে অান্দোলন করে। অান্দোলনে পুলিশ মিছিলের পেছন থেকে লাঠিচার্জ,কাঁদানে গ্যাস ও গুলি করে।
