সর্বশেষ সংবাদ-
দ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন

দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার মতই অবস্থা। ৪৩৯ রানে পিছিয়ে থেকে ফলোঅনে পড়ে আবারও ব্যাট করতে নামতে হয়েছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বেশ ভালোই লড়াই করছে লঙ্কানরা। বিশেষ করে দিমুথ করুনারত্নে এবং কুশল মেন্ডিসের ব্যাটে দারুণ লড়াই দেখিয়েছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।

টেস্টের মাত্র তৃতীয় দিন পার হয়েছে। দিনের শুরুতে লঙ্কানদের জন্য পরিস্থিতি বেশ খারাপ হলেও দ্বিতীয়াংশে ভালোই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পেরেছে ভারতীয় বোলারদের সামনে। যদিও শেষ বিকালটা তাদের জন্য কিছুটা বিষাদময়। কারণ, লঙ্কানদের ঘুরে দাঁড়ানোর মূল কারিগর কুশল মেন্ডিস শেষ বিকেলে আউট হয়ে ফিরে গেছেন ১১০ রান করে।

টেস্টে এটি ছিল কুশল মেন্ডিসের তৃতীয় সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরির চেয়েও এটার মাহাত্ম্য অনেক বড়। কারণ, এমন এক মুহূর্তে তিনি সেঞ্চুরি করেছেন, যেটার গুরুত্ব বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। আউটটা না হলেও শ্রীলঙ্কা মানসিকভাবেও অনেক এগিয়ে থাকতে পারতো।

মেন্ডিস যখন আউট হন তখন দলীয় রান ১৯৮। এরপর দিনের বাকি সময়টা ভালোই কাটিয়েছেন দিমুথ করুনারত্নে এবং মালিন্দা পুষ্পকুমারা। ৯২ রানে অপরাজিত রয়েছেন করুনারত্নে। আর পুষ্পকুমারা রয়েছেন ২ রানে অপরাজিত। তৃতীয় দিন শেষে শ্রীলঙ্কার রান ২ উইকেট হারিয়ে ২০৯। এখনও ভারতের প্রথম ইনিংসের চেয়ে ২৩০ রান পিছিয়ে লঙ্কানরা। হাতে আছে এখনও ৮ উইকেট।

এর আগে ফলোঅনে পড়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ওপেনার নিরোশান ডিকভেলার উইকেট হারায় লঙ্কানরা। দলীয় ৭ রানে এবং ব্যক্তিগত ২ রানে আউট হন তিনি। ভারতের হয়ে ১টি করে উইকেট নেন উমেষ যাদব এবং হার্দিক পান্ডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শেষের শুরু আগেই হয়ে গেছে উসাইন বোল্টের। শুক্রবারই বিশ্ব অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম দিন ১০০ মিটার হিটে বিদ্যুৎ বোল্ট সময় নিয়েছেন ১০.০৭ সেকেন্ড। নিজের হিটে হয়েছেন প্রথম।

হিটে অংশ নিয়েছেন মোট ৪৮ জন। প্রতি হিটে ছিলেন ৮ জন করে। বোল্ট ছিলেন ৬ নম্বর হিটে। তার সঙ্গে সোনার লড়াইয়ে থাকা বাকি তারকাদের মধ্যে একমাত্র তার স্বদেশি জুলিয়ান ফোর্ট ছাড়া আর কেউই ১০ সেকেন্ডের কম সময় করতে পারেননি। জাস্টিন গ্যাটলিন, ইয়োহান ব্লেকের সময়ও ভালো বোল্টের চেয়ে। তবে বোল্ট তার আসল লড়াই তুলে রাখলেন ফাইনালের জন্যই।

এই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের পরই অবসর নেবেন জ্যামাইকান এই স্প্রিন্টার। তাই বিদায়বেলাকে স্মরণীয় করে রাখতেই তিনি ১০০ মিটারে সোনা ধরে রাখতে চান। হিটেই যার প্রমাণ পাওয়া গেল।

আজ রাত ১২.৫ টায় বোল্টের সেমিফাইনাল। এরপর রাত ২টা ৪৫ মিনিটে ক্যারিয়ারের শেষ দৌড়টা দিয়ে দেবেন সর্বকালের সেরা এই অ্যাথলেট। বোল্টের বজ্র দৌড় সরাসরি দেখাবে স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২, সিলেক্ট এইচডি ২।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আরাফাত হোসেন লিটন : দেবহাটার পারুলিয়া ইউনিয়নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২ তম শাহাদত বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকাল ৫টায় পারুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আয়োজনে পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহাবুদ্দীন বিশ্বাস আবারা’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোসলেহ উদ্দীন মুকুল, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহমুদুল হক লাভলু, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর, সাধারণ সম্পাদক বাবু বিজয় ঘোষ, পারুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন হিরা, সাধারণ সম্পাদক রাসেল আহম্মেদ সহ সকল ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। এসময় ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২ তম শাহাদত বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সিন্ধান্ত গ্রহন করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পারুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় পর্যালোচনা করছে দেশের প্রধান রাজনৈতিক বিরোধী দল বিএনপি। আজ শনিবার দুপুরে এ নিয়ে দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, রায়ে বর্তমান সংসদকে ‘অকার্যকর’ বলে মন্তব্য করায় সংসদ ভেঙে দেয়ার দাবি তুলতে পারে বিএনপি। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে রিট করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বৈঠকে এ বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্তও হয়েছে বলে জানা গেছে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জমির উদ্দিন সরকার, জয়নুল আবেদিন, মীর নাসির উদ্দিন, নিতাই রায় চৌধুরী, এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও মাসুদ আহমেদ তালুকদার প্রমুখ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক শীর্ষনেতা জানান, ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় ঐতিহাসিক। পূর্ণাঙ্গ রায় আমরা স্টাডি করছি। রায়ে বর্তমান সংসদকে ‘ডিসফাংশনাল’ (অকার্যকর) বলা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আইনি কী কী পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সংসদে ১৫৩/১৫৪ জন সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সংবিধানের ৬৫/২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন সংসদ সদস্য। সেক্ষেত্রে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ওই নির্বাচনে এর সম্পূর্ণ ব্যত্যয় ঘটেছে।’

‘এখন যেহেতু দেশের সর্বোচ্চ আদালত সংসদকে অকার্যকর বলেছে, সেহেতু আইনি পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে তারা চিন্তাভাবনা করছেন। সংসদ ভেঙে দেয়ার বিষয়ে রিট করার বিষয়ে চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ওই নেতা।

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে সরকারের পদত্যাগ দাবি করেছে বিএনপি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সরকার অবৈধভাবে অনৈতিকভাবে ক্ষমতায় আছে। আপিল বিভাগের যে পূর্ণাঙ্গ রায় বেরিয়েছে, যেকোনো সভ্য দেশ হলে, গণতান্ত্রিক দেশ হলে সরকার পদত্যাগ করতো।

রায়ে বিচার বিভাগ বলেছে, দেশে গণতন্ত্র নেই, মানবাধিকার নেই। এদেশে পার্লামেন্টে নন ফাংশনাল হয়ে গেছে। এদেশে আইনের শাসন নেই এবং বিচার বিভাগকে তারা (সরকার) নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। পর্যবেক্ষণে এও বলা হয়েছে যে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন ছাড়া এখানে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া সম্ভব নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষ্যে ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় ওয়ার্ডের পলাশপোলস্থ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল আনিস খান চৌধুরী বকুলের সভাপতিত্বে ও ওয়ার্ড সিনিয়র সহ-সভাপতি আমির হোসেন খান খোকনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সৈনিক লীগের আহবায়ক মাহমুদ আলী সুমন, জেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এড. আল মাহমুদ পলাশ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ফারুক আহম্মদ খান টগর, যুগ্ম সম্পাদক মশিউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম নাসির, ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি এস এম ইউসুফ সুলতান মিলন, সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা, পৌর আওয়ামীলীগের সদস্য মোঃ আমজাদ হোসেন লাভলু, পৌর তাতীলীগের সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক শেখ ফিরোজ, সাংবাদিক মাসুদ আলী, খায়রুল, বাবর আলী, মাসুদ, কবিরুল ইসলাম কবু, আনারুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, আরাফাত হোসেন সুজন প্রমুখ। অত্র সভায় ১৫ আগষ্টে কালো ব্যাচ ধারন, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, পলাশপোল ও কামালনগরে গণভোজের আয়োজনসহ সন্ধ্যা ৭টায় পলাশপোল প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শোক সভার সিন্ধান্ত গৃহিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খন্দকার আনিসুর রহমান : ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে পৌর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উদ্যেগে ওয়ার্ড কার্যালয়ে গত কাল সন্ধ্যায় এক প্রস্তুতি সভা পৌর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি কাউন্সিলর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি আব্দুল হান্নান, উপদেষ্টা মুনসুর আলী, সহ-সভাপতি মোঃ রুহুল কুদ্দুস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, সংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আছাদুজ্জামান, রুহুল আমিন, আকছেদ সরদার, লব কুমার বাঘ, মোহাম্মাদ আলী, হাফিজুল ইসলাম, মোশারফ হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, তপন কুমার, মনিরুল, ফজলু ঢালী, মিলন, আব্দুস সালাম, আজমির হোসেন, হাফিজুল-২, সেলিম চৌধুরীসহ ওয়ার্ড আ’লীগের নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন। এসময় বক্তারা বলেন, পৌর আ’লীগের নির্দেশ ক্রমে এবার ওয়ার্ডের ইটাগাছা পূর্ব পাড়া, পশ্চিম পাড়া, পুলিশ ফাঁড়ি মোড়, ইটাগাছা বৌবাজার সংলগ্ন, ওয়ার্ড আ’লীগ কার্যালয়, খড়িবিলা প্রাইমারি স্কুল, মোজাফ্ফার গার্ডেন সংলগ্ন, রইচপুর উত্তর পাড়া, রইচপুর মধ্য পাড়া, রইচপুর দক্ষিণ পাড়া, বাগবাটি বেড়িবাধ, বাগবাটি মন্দির সংলগ্নসহ মোট ১২ টি স্থানে মাইক ও ডেকের ব্যাবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠান চলাকালিন সময়ে পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রস্তুতি সভায় যোগদান করে তিনি বলেন, পৌর আ’লীগের সভাপতি সাথে আলোচনা করে এবার নির্ধারিত সব স্থানে অনুষ্ঠান সফল করতে হবে। পরে ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ আজিজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে এস সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালোজাম গ্রীষ্মকালের একটি জনপ্রিয় ফল। বাংলাদেশ ছাড়াও প্রতিবেশী দেশগুলিতেও জামের কদর কম নয়। লবন মাখানো পাকা জাম জিভে পানি এনে দেয়। শুধু স্বাদে বলে নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর।

খাদ্যোগত উপাদান: প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা জামে রয়েছে কার্বোহাইড্রেটস ১৫.৬ গ্রাম, ফ্যাট .২৩ গ্রাম, প্রোটিন .৭২ গ্রাম, জলীয় অংশ ৮৩.১৩ গ্রাম, ভিটামিন এ ৩ আইইউ, ভিটামিন সি ১৪.৩ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৯ মিলিগ্রাম, আয়রন .১৯ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ১৫ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৭ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৭৯ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ১৪ মিলিগ্রাম।

১। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়: জামের গ্লিসামিক ইনডেক্স কম হওয়ায় এটি ডায়াবেটিসের জন্য ভালো বলে বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, জামের দানাও রক্তের সুগার লেভেল ৩০% পর্যন্ত কমাতে সাহায্য করে। যে কারণে ডায়াবেটিসের রোগীকে জামের সঙ্গেই জামের বীজ খাওয়ার পরামর্শ দেন ডাক্তাররা। জামের দানা ভালো করে শুকিয়ে নিয়ে গুঁড়ো করে রোজ এক চামচ করে খেলে উপকার মেলে।

২। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: জামে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম এবং ভিটামিন সি রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়ক। ক্যালসিয়াম থাকার কারণে শরীরের হাড় মজবুত হয়।

৩। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: জামে এলাজিক অ্যাসিড বা এলাজিটেনিন্স, অ্যান্থোসায়ানিন এবং অ্যান্থোসায়ানিডিন্স থাকে যা প্রদাহরোধী হিসেবে কাজ করে। এই উপাদানগুলো শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে বলেই কোলেস্টেরলের জারণ রোধ করে এবং হৃদরোগ সৃষ্টিকারী প্লাক গঠনে বাধা দেয়। এ ছাড়াও হাইপারটেনশন প্রতিরোধেও সাহায্য করে জাম। কারণ এতে প্রচুর পটাসিয়াম থাকে। ১০০ গ্রাম জামে ৫৫ গ্রাম পটাসিয়াম থাকে।

৪। সংক্রমণ ঠেকায়: জাম গাছের বাকল, পাতা ও বীজ ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে।

৫। পরিপাকে সাহায্য করে: আয়ুর্বেদশাস্ত্রে ডায়েরিয়া ও আলসার নিরাময়ে জাম পাতা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জাম খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। দাঁত ও মাড়ি শক্ত ও মজবুত করে। দাঁতের মাড়ির ক্ষয় রোধে সাহায্য করে।

৬। ক্যানসার প্রতিরোধীও: বিভিন্ন গবেষণায় জামের কেমোপ্রোটেক্টিভ বৈশিষ্ট্য প্রমাণিত হয়েছে। জামে পর্যাপ্ত পরিমাণে বেগুনি রঞ্জকের উপস্থিতি থাকায় মানবদেহে ক্যানসার প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জাগেতিয়া জিসি অ্যান্ড কলিগস-এর এক গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, জামের নির্যাসে রেডিওপ্রোটেক্টিভ উপাদান আছে। জামের নির্যাস ক্যানসার সৃষ্টিকারী ফ্রি-র‍্যাডিকেলের কাজে এবং বিকিরণে বাধা দেয়।

৭। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে: বয়সের সঙ্গে মানুষের স্মৃতিশক্তিও হারাতে থাকে। জাম স্মৃতিশক্তি প্রখর করে। এ ছাড়াও জাম ব্রেইন অ্যালার্ট হিসেবে কাজ করে।

৮। কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে: দীর্ঘ দিন ধরে যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্য ভুগছেন, তাঁদের মলদ্বারে টিউমার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। জামের বাইরের আবরণে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ। আঁশজাতীয় খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। জাম মলদ্বার বা কোলনের ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শরীর যদি ভিতর থেকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারি না হয়, তাহলে চেহারাতেও তার ছাপ পরে। যতই রূপচর্চা করুন না কেন শরীর যদি ভিতর থেকে সুস্থ না থাকে তাহলে কখনও আপনার ত্বক উজ্জ্বল এবং নিখুঁত লাগতে পারে না। তাই বাইরে থেকে সুন্দর লাগতে চাইলে সবার আগে প্রয়োজন শরীরকে ভিতর থেকে সুস্থ করা। শরীর সুস্থ রাখতে গেলে ঠিকঠাক খাওয়া দাওয়া করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

সবসময় সিদ্ধ খেলেই কাজ হয় না। কিছু সময় ত্বককে আকর্ষণীয় করার জন্য কিছু খাবার ‘কাঁচা’ উপায়ে খাওয়া খুবই উপকার। কাঁচা খেলে সিদ্ধ বা কম তেলওয়ালা খাবার খাওয়ার চেয়েও বেশি উপকার পাওয়া যায়।

চলুন দেখি সেসব কাঁচা খাবার গুলোর তালিকাঃ

১। পালং শাকঃ পালং শাকে সাইট্রোনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে, যা সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে। এতে বেটা-ক্যারোটিন এবং লিউটেইন প্রচুর পরিমাণে থাকে। যা ত্বকের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে।

২। আখরোটঃ আখরোটে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি থাকে। এর ফলে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকলে, তার প্রভাব ত্বকে পরে। এতে ভিটামিন ই-ও থাকে। যার ফলে চেহারায় পিগমেন্টেশন বা বয়সের ছাপ পড়ে না। আখরোটে থাকা ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়।

৩। আমঃ আম হল অ্যান্টিএজিং ফল। আমে রয়েছে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। আম ত্বকের যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে ত্বকে বলিরেখা পরে না। ত্বকও মোলায়েম থাকে।

৪। স্ট্রবেরিঃ স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, রাস্পবেরি এই ধরণের যে কোনও বেরি জাতীয় ফল ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। শরীর থেকে সমস্ত দুষিত পদার্থ টেনে বের করে দিতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক উজ্জ্বল থাকে সারাক্ষন।

৫। সিট্রাস ফলঃ কমলালেবু, পাতিলেবু, আঙুর এই ধরণের ফলে ভিটামিন সি-এর পরিমান বেশি থাকে। ফলে ত্বক তুলতুলে হয়। পাশাপাশি ত্বককে উজ্জ্বল করতেও সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest