পাইকগাছা ব্যুরো : পাইকগাছা-কয়রা সড়কে সংস্কার কাজে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সড়কের দু’ধারে গাইড হ্যাজিংয়ে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার উপজেলা আইনশৃংখলা কমিটির সভায় বিষয়টি উত্থাপন হলে সংশ্লিষ্টরা ঐ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন। জানাগেছে, পাইকগাছা-খুলনা ও পাইকগাছা-কয়রা অভিমুখী সড়কে আলমতলা কালভার্ট পর্যন্ত সংস্কার কাজে নির্ধারিত কৃষি কলেজের স্থানে সড়কের দু’ধারে গাইড হ্যাজিংয়ে খুবই নিম্নমানের ইট বসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে লস্কর ইউপি চেয়ারম্যান কে,এম, আরিফুজ্জামান তুহিন সরেজমিনে গিয়ে গাইড হ্যাজিংয়ের কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন বলে জানান। এ বিষয়ে তিনি মঙ্গলবারে অনুষ্ঠেয় আইনশৃংখলা কমিটির সভায় বিষয়টি উত্থাপন করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন বলে মতামত ব্যক্ত করেছেন। এ বিষয়ে ঐ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লাইন সুপারভাইজার লুৎফর রহমান বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান নিম্নমানের ইটের অভিযোগ করায় কাজ বন্ধ করে দিয়েছি এবং ভালো ইট এনে কাজ করা হবে বলে জানান।

শুক্রবার রাতে ছোঁয়া পরিবহনের যে বাস বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ গিয়েছিল, সেই একই বাস সোমবার মধুপুর অতিক্রম করার সময় পুলিশ আটকায়। এরপর ওই বাসের চালক হাবিব (৪৫), সুপারভাইজার সফেদ আলি (৫৫) এবং বাসের সহকারী শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (১৯) আটক করে পুলিশ। থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসের তিন সহকারী রূপাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছে, ওই দিন বাসে রূপাসহ ছয় থেকে সাতজন যাত্রী ছিলেন। অন্য যাত্রীরা সিরাজগঞ্জ মোড় এবং বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্রান্তে নেমে যান। বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার সময় রূপা একাই বাসে ছিলেন। বাসটি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কাছাকাছি এলে বাসের সহকারী শামীম জোর করে রূপাকে বাসের পেছনের আসনে নিয়ে যায়। এ সময় রূপা তাঁর কাছে থাকা পাঁচ হাজার টাকা ও মুঠোফোন শামীমকে দিয়ে দেন এবং ক্ষতি না করতে অনুরোধ করেন। সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীর তাঁকে ধর্ষণ করে। রূপা চিৎকার শুরু করলে ধর্ষকেরা তাঁর মুখ চেপে ধরে। একপর্যায়ে ঘাড় মটকে রূপাকে হত্যা করা হয়। পরে মধুপুর উপজেলা সদর পেরিয়ে বন এলাকা শুরু হলে পঁচিশ মাইল এলাকার রাস্তার পাশে লাশটি ফেলে দেওয়া হয়।
