সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

রাজনীতিতে নাম লেখাচ্ছেন ঋতুপর্ণা!

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ আছে ঋতুপর্ণার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে রচিত বই প্রকাশ অনুষ্ঠানেও গুরুত্বপূর্ণ অতিথি তিনি।
তার নাম জড়িয়েছেন রোজভ্যালিকাণ্ডেও। কিন্তু, চলচ্চিত্রের পাট চুকিয়ে এবার তবে কী এবার প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে? নাম লেখাবেন কি গেরুয়া শিবিরে? জল্পনা চলছিলই অনেক দিনের কিন্তু জল্পনার অবসান হল না, বরং আরও বেড়ে গেল।

শুক্রবার কলকাতার মহাজাতি সদনের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে লেখা বই প্রকাশ অনুষ্ঠান হাজির হয়ে রহস্য বজায় রাখলেন ঋতুপর্ণা। অনুষ্ঠান মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজেই মন্তব্য করলেন, ‘‘এখনই প্রস্তাব নিয়ে কিছু ভাবছি না। মতামত পরিবর্তন করলে অবশ্যই জানাব। ’’

রোজভ্যালি কাণ্ড সামনে আসার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ছিল বিজেপি-র সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় রাখছেন ঋতুপর্ণা। তবে কোন দিন প্রকাশ্যে সেকথা স্বীকার করেননি বিজেপি নেতৃত্ব। এমনকি শুক্রবারই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জল্পনায় আমল দেননি তিনি।

এই বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে ঋতুপর্ণা জানিয়েছেন, ‘‘একজন শিল্পী হিসেবে সবার সঙ্গে সখ্যতা রাখা আমার কাজ। আমি তাই করছি। আমি একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি। যদি পরবর্তী সময়ে রাজনীতিতে আসি আমি আগে আপনাদের আগে জানাবো’। তার উত্তরের পিছনের যুক্তিও নিজেই দিয়েছেন অভিনেত্রী। কেবলমাত্র বিজেপি নয়, রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা ব্যানার্জির সঙ্গেও যে সু-সম্পর্ক বজায় রয়েছে তার তা বোঝাতে ভুললেন না ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তিনি জানিয়েছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে যদি কোন বই প্রকাশিত হয় সেখানেও আমি যাবো’।

শুক্রবার মহাজাতি সদনে প্রকাশিত হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে লিখিত সাংবাদিক উদয় মহুরকারের বই ‘মার্চিং উইথ আ বিলিয়ান’। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী, বিজেপি কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা, অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুবলীর রাজসিক প্রত্যাবর্তন

ফিরছেন, তিনি ফিরছেন। তাও কী না আট হাজার ৭৬০ ঘণ্টা পর।
অর্থাৎ প্রায় এক বছর পর। গত ঈদুল আজহায় মুক্তি পেয়েছিল তার জোড়া ছবি। এবারের ঈদেও তিনি পেতে যাচ্ছেন জোড়া আনন্দ। বলছি, বুবলীর কথা। বুবলী নামটার মধ্যেই কেমন যেন ‘আদুরে আদুরে’ ভাব রয়েছে। কিন্তু তার অভিনীত ছবির নাম শুনে কে মানবে সে কথা? সিনেমায় নাম লেখানোর আগেই ‘বসগিরি’ দেখাতে শুরু করেন। এ ধারাবাহিকতায় নিজেকে জাহির করেন ‘শুটার’ হিসেবে। এর পরপরই অনেকটা ‘অহংকারী’ হয়ে উঠেন। আর এখন তো পুরোদস্তুর ‘রংবাজ’। ‘বসগিরি’ ও ‘শুটার’ গত ঈদুল আজহায় মুক্তি পায়। আর এই ঈদে মুক্তি পাচ্ছে তার ‘অহংকার’ ও ‘রংবাজ’।

এবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে তার নিজের সঙ্গেই। কারণ তার দুটি ছবিই বিগ বাজেটের এবং দর্শকদের প্রত্যাশাও রয়েছে তাকে ঘিরে। বিশেষ করে ছবি তৈরির আগেই আলোচনায় চলে আসে ‘রংবাজ’ ছবিটি। এ ছবিকে ঘিরে ইতিমধ্যে বেশ কিছু আলোচনা ও সমালোচনা উচ্চারিত হয়েছে। ছবি নির্মাণের প্রথম দিকে পরিচালক ছিলেন শামীম আহামেদ রনী। এরপর নানা জটিলতায় পড়ে পরিচালক পরিবর্তন হয়। বর্তমান পরিচালক আবদুল মান্নান। আলোচনা এখানেই শেষ নয়— ‘রংবাজ’ ছবির গানগুলোও ইতিমধ্যে বেশ শ্রুতিমধুর হয়েছে ও দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। বিশেষ করে সুইজারল্যান্ডে চিত্রায়িত গানগুলো বেশি নজর কাড়ছে বোদ্ধাদের। অন্যদিকে বুবলীর ‘অহংকার’ ছবিটিও অনেকটা ব্যতিক্রম বলে জানা গেছে। শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত এ ছবিতে বুবলীকে হুট করে চিনতে কষ্ট হবে। কারণ আর কিছুই নয়, এত অহংকারী বুবলী। তাকে ভেঙে, গুঁড়ো করে নতুন করে উপস্থাপন করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা দুটি ছবিতেই রয়েছেন হালের অন্যতম ক্রেজ শাকিব খান। ঈদের ছবি মানেই শাকিব খান- গত কয়েক বছর যাবৎ বাংলা সিনেমায় এ ধারাটাই পরিলক্ষিত হচ্ছে। সুতরাং ‘অহংকার’ এবং ‘রংবাজ’ ছবিই একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠবে।

বলতে গেলে দর্শকরা বিচার করবেন কোন বুবলীকে বেশি ভালো লাগছে।

যে-যাই বলুক না কেন, বুবলীর মনে কিন্তু এখন ‘ডাবল লাড্ডু’ ফুটছে। কারণ প্রত্যাবর্তনটা অনেকটা রাজসিক হচ্ছে তার। ঈদের আনন্দ ও ছবির মুক্তি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বুবলী বলেন, এবারের ঈদটি আমার জন্য অনেক বেশি স্পেশাল। কারণ এ ঈদে আমার ‘রংবাজ’ ও ‘অহংকার’ ছবি দুটি মুক্তি পাচ্ছে। তাই প্রচারণার কাজেই বেশি ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। তবে মনটা একটু খারাপ বন্যাদুর্গতদের জন্য। আমরা যতই ঈদে আনন্দ-ফুর্তি করি না কেন, তাদের কথা মাথায় রাখতে হবে। তাদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে বন্যার্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসি তাহলে অনেক কষ্ট লাগব হবে তাদের।

বুবলী আরও বলেন, আমি এমনিতে একটু ঘরকুনো মানুষ। কাজ বাদে তেমন বাইরে থাকা হয় না। পরিবার-পরিজনকে ঈদের দিন সময় দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। এদিকে খাবার-দাবার হিসেবে প্রতি ঈদেই আমার হাতে করা একটি স্পেশাল আইটেম থাকে। ঈদ যেহেতু কোরবানির, তাই ইচ্ছা আছে মাংসের কোনো স্পেশাল আইটেম রাখার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যৌন নির্যাতনে নাম জড়িয়েছে ভারতের যেসব ধর্মগুরুদের

১. বাবা পরমানন্দ: যৌন নির্যাতনের দায়ে গত ২৪ মে ভারতের উত্তরপ্রদেশের বারাবাঁকির পুলিশ গ্রেফতার করে রাম শঙ্কর তিওয়ারি ওরফে বাবা পরমানন্দকে।

অভিযোগে বলা হয়, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসার নামে নারীদের উপর যৌন নিপীড়ন চালাতেন তিনি।
বেশ কয়েক জন নারী পরমানন্দের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর বারাবাঁকির আশ্রমে তল্লাসি চালিয়ে পর্ন মুভির সিডি, নারীদের অশ্লীল ভিডিও এবং অশ্লীল পত্রপত্রিকা উদ্ধার করে পুলিশ।

২. আশারাম বাপু: মাকে ঘরের বাইরে বসিয়ে রেখে ১৬ বছরের মেয়েকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল স্বঘোষিত গুরু আশারাম বাপুকে।
২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের ইনদওরের আশ্রম থেকে ধরা পড়েন বাপু। ধর্ষণ, শ্লীলতাহানিতেও অভিযুক্ত তিনি। দোষী সাব্যস্ত হয়ে এখনও যোধপুরের জেলেই আছেন।

৩. সন্ত রামপাল: ধর্ষণ এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে ২০১৪ সালের নভেম্বরে হরিয়ানার সন্ত রামপালকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নিয়মিতই তিনি শয্যাসঙ্গিনী বদল করতেন বলে পুলিশি তদন্তে উঠে আসে।

৪. নিত্যানন্দ: একাধিক ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে ২০১২ সালের জুনে বেঙ্গালুরুর আশ্রম থেকে ধর্মগুরু নিত্যানন্দকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এক তামিল নায়িকার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ভিডিও সামনে আসায় তাকে নিয়ে প্রবল বিতর্ক হয়।

৫. সন্ত স্বামী ভীমানন্দজী মহারাজ: দেহব্যবসা চালানোর অভিযোগে উত্তরপ্রদেশের চিত্রকূটের শিব মুরাত দ্বিবেদী ওরফে স্বামী ভীমানন্দজি মহারাজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ১৯৯৭ সালে লাজপত নগর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

৬. স্বামী গঙ্গেশানন্দ: ধর্ষণের চেষ্টা করায় কেরালার তিরু অনন্তপুরমে স্বামী গঙ্গেশানন্দ ওরফে হরি স্বামীর যৌনাঙ্গ কেটে নিয়েছিলেন এক তরুণী। ওই তরুণীর অভিযোগ ছিল, সাত বছর ধরে লাগাতার ওই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছিল তাকে। হরি স্বামী নিজেকে কোল্লমের চাত্তাম্বি স্বামী আশ্রমের আবাসিক বলে দাবি করেছিলেন, যদিও পরে পুলিশ জানিয়েছে ওই আশ্রমের সঙ্গে তার কোন সম্পর্কই ছিল না।

৭. গুরমিত রাম রহিম: ২০০২ সালে এক শিষ্যা রাম রহিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীকে চিঠি লেখেন। চিঠিতে ওই শিষ্যা অভিযোগ করেন, অন্য শিষ্যাদেরও হরিয়ানার সিরসায় ডেরা চত্বরে একাধিক বার ধর্ষণ করেন। পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট সিবিআইকে রাম রহিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা রুজু করতে নির্দেশ দেয়। শুক্রবার তাকে ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়। সূত্র : আনন্দবাজার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের গাবুরায় ১৫ দিন ব্যপী বৃক্ষ মেলা উদ্বোধন

শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগরের গাবুরায় আইলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় অঞ্চলে সামাজিক বনায়ন সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৫ দিন ব্যপী বৃক্ষ মেলা শুরু হয়েছে। গত ২৫ আগষ্ট শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে চৌদ্দরশি বাজারে প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে বৃক্ষ মেলার উদ্ধোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান জি এম শফিউল আযম লেনিন। গাবুরা ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়রম্যান জি এম আব্দুর রহিম এর সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ডালিম কুমার ঘরামী, সদস্য এস এম গোলাম মোস্তফা মুকুল প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গাবুরার প্রয়াত চেয়ারম্যান জি এম আলী আজম টিটো এ মেলার উদ্যোক্তা ছিলেন। মেলায় বিভিন্ন ধরনের ফলজ, বনজ গাছের চারাসহ নানা ধরনের জিনিসপত্রের ক্রয় বিক্রয়ের জন্য শোভা বর্ধন করেছে। এ দিকে আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে অস্থায়ীভাবে চৌদ্দরশি বাজারে গরু ছাগলসহ অন্যান্য পশুর হাটেরও উদ্বোধন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে এসি ল্যান্ড মাছুম এর নেতৃত্বে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নাজিমগঞ্জ বাজার সংলগ্ম কাঁকশিয়ালী নদীর খেয়াঘাটের পাশে অবৈধভাবে নির্মিত ৫ টি পাঁকা দোকান ঘর ভেঙে উচ্ছেদ করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় দিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নূর আহমেদ মাছুম এর নেতৃত্বে অবৈধ দোকানঘর ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার শফিকুল ইসলাম ও কালিগঞ্জ থানা পুলিশের সদস্যবৃন্দ। উল্লেখ্য নাজিগঞ্জ বাজারের খেয়াঘাটের পাশে খাস জমিতে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি অবৈধ ভাবে পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করলে উপজেলা ভূমি অফিসের তরফ থেকে সরকারি জায়গায় ঘর তৈরী করতে নিষেধ করা হয়।

এদিকে ভূমি অফিসের নির্দেশ অমান্য করে গোপনে শীতলপুর গ্রামের মৃত আহম্মাদ মোড়লের ছেলে আমজেদ আলী, মৃত কিনু মোড়লের ছেলে ইশার আলী ও একই গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে শাহাজন আলী, গনপতি গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে নূর আলম, বসন্তপুর গ্রামের রহমাতুল্লার ছেলে আব্দুর রহমান ও বসন্তপুর ভূমি অফিসের সহকারী নায়েব ফয়েজ ও তার শ্যালক শারাফাতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় নাজিমগঞ্জ বাজারের খোয়াঘাটের পাশে অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণের জন্য পাঁকা পিলার স্থাপনের কার্যক্রম চালাতে থাকে। সংবাদ পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নূর আহম্মেদ মাছুম থানা পুলিশের সহযোগিতায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন নাজিমগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি ফিরোজ কবির কাজল ও স্থানীয় ব্যবসায়িবৃন্দ। এদিকে দীর্ঘদিন যাবৎ নাজিমগঞ্জ বাজারে পেরিফেরী ও সরকারের খাস জমিতে অবৈধ ভাবে বিভিন্ন ব্যাক্তি দোকান ঘর নির্মাণ করে ব্যবসা করে আসছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়িরা সহকারী কমিশনার কে বিষয়টি অবগত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পারুলিয়ায় আঞ্চলিক ফুটবল লীগ উদ্বোধন ও জেলা পরিষদ সদস্য এবং ইউপি চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা

আরাফাত হোসেন লিটন : দেবহাটার পারুলিয়ায় ১০ দলীয় আঞ্চলিক ফুটবল লীগের উদ্বোধন ও জেলা পরিষদের সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে দক্ষিণ পারুলিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় স্পোর্টিং ক্লাব (জেলিয়াপাড়া) মাঠে ৭ বার্ষিকীর ১০দলীয় আঞ্চলিক ফুটবল লীগ-২০১৭ এর উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী খেলায় স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে খেলা উদ্বোধন করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি। সংবর্ধিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব আল ফেরদৌস আলফা, পারুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন ম্পাদক ও পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব নুর আমিন গাজী। উদ্বোধনীয় খেলায় সখিপুর মিতালী সংঘ ও দক্ষিণ পারুলিয়া মোল্যাপাড়া ফুটবল একাদশের নিকট ২-০ গোলে জয়লাভ করে। খেলাটি পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের রেফারী বাবু বরুন ঘোষ দিলীপ, লাইস ম্যান ছিলেন রামু রায় ও টুটুল দাস এবং ধারাভাষ্য প্রদান করেন সিরাজুল ইসলাম ও শেখ মাসুদ রানা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘তারা মনে করে কোমরটাই সবচেয়ে আকর্ষণীয় অঙ্গ’

নায়িকাদের উপস্থাপন করা হয় যেভাবে, তা কি ঠিক? এ বিতর্কই এখন চলছে। দক্ষিণ ভারতের ছবিগুলোতে নারীদের উপস্থাপন করার চল নিয়ে কিছুদিন আগে সোচ্চার হয়েছিলেন অভিনেত্রী তাপসী পান্নু। এবার তাঁর সঙ্গে সুর মেলালেন ‘বরফি’ তারকা ইলিয়েনা ডি ক্রুজ। বলিউডের এ অভিনেত্রীর মতে, পর্দায় মেয়েদের অশালীনভাবে উপস্থাপনের প্রথাটা শুধু ভারতের দক্ষিণী ছবিতে নয়, সব জায়গাতেই এমন হচ্ছে।

দক্ষিণ ভারতের ছবি ‘ঝুমান্ডি নদম’ দিয়ে চিত্রজগতে অভিষেক তাপসীর। এ ছবির একটি শটে তাঁর নাভিতে নারকেল ছুড়ে মারার শট নেওয়া হয়েছিল। উঠতি ক্যারিয়ারের স্বার্থে তখন মুখ বুজে সহ্য করলেও পরে তা নিয়ে পরিচালক রাঘবেন্দ্র রাওয়ের সমালোচনা করেছিলেন। দক্ষিণী ছবিতে প্রচুর কাজ করা ইলিয়েনার মতে, সমস্যা আসলে সবখানেই, ‘শুধু দক্ষিণ ভারতের সিনেমার দিকে আঙুল তুলে বলতে চাই না যে এটা শুধু ওখানেই হচ্ছে। বলিউডেও অনেক ছবিতে মেয়েদের পণ্য হিসেবে দেখানো হয়। তবে আপনি তা হতে চান কি না, সে সিদ্ধান্তটা দিন শেষে আপনার।’
২০০৬ সালে ‘দেভাদাসু’ দিয়ে দক্ষিণী সিনেমায় অভিষেক ইলিয়েনার। তাপসীর মতো ক্যারিয়ারের শুরুতে ইলিয়েনারও সমস্যা হয়েছে। ২০০৬ সালে দক্ষিণী সিনেমায় অভিষেক ইলিয়েনার।‘দেভদাসু’ নামের সেই প্রথম ছবির একটি শুটিং দৃশ্য প্রসঙ্গে তাঁর ভাষ্য, ‘তাঁরা বেশ বড় একটা শামুক ছুড়ে মেরেছিল আমার পেটে। ব্যাপারটা আমি বুঝতে পারিনি। পরিচালককে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আমাকে এটা ছুড়ে মারলেন কেন? তিনি বলেছিলেন, দেখতে ভালো লাগে। শামুকটার ওজনও ছিল বেশ।’
আরেকটি অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন ইলিয়েনা, ‘আরও একটা শট ছিল, আমার কোমরের চারদিকে ফুল রেখে। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, কেন আমরা কোমরের শট নেওয়া হলো। পরিচালক বললেন, এটা দেখতে ভালো দেখায়। নারীদের সৌন্দর্যের ব্যাপারে এটাই হলো সেখানকার দৃষ্টিভঙ্গি। তারা মনে করে, কোমরটাই সবচেয়ে আকর্ষণীয় অঙ্গ।’ সূত্র: ডেকান ক্রনিকল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কে এই বাবা রাম রহিম?

তার বিরুদ্ধে খুন, ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির মতো গুরুতর অভিযোগ। কিন্তু ভক্ত হৃদয়ে তিনি বিশ্বপ্রেমের প্রতীক।
‘তোমার প্রেমই পৃথিবীতে বসন্তের সমাগম করে। ‘ ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া গানের অ্যালবাম ‘হাইওয়ে লাভ চার্জার’-এ গেয়েছিলেন গুরমিত রাম রহিম সিং ইনসান, যাকে দুনিয়া চেনে ‘রকস্টার বাবা’ হিসেবে। এর এক বছরের কম সময়ের মধ্যে তার প্রথম সিনেমা MSG: The Messenger of God ডেরা সাচা প্রধানের রকস্টার বাবা ভাবমূর্তি পোক্ত করে। হাই ভোল্টেজ এই গুরুর জীবন কিন্তু শুরু হয়েছিল যথেষ্ট সাদামাটা ভাবে।

রাজস্থানের শ্রী গঙ্গানগর জেলার অখ্যাত গ্রাম গুরুসর মোদিয়ায় জন্ম গুরমিত রাম রহিম সিং ইনসানের। শৈশবে অবশ্য তাকে মিতা নামে চিনতেন পড়শিরা। ১৯৯০ সালে হরিয়ানার সিরসা শহরের ডেরা সাচা সওদার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মিতা। সেই সময় সাধারণ সফেদ কুর্তা-পাজামাই তার পোশাক ছিল। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যে নিজের পোশাক ও জীবনযাত্রায় নজরকাড়া পরিবর্তন আনেন ডেরা প্রধান। নিজের নতুন নামকরণের মাধ্যমে সর্বধর্ম সমন্বয়ের প্রয়াস ছাড়াও তার বেশভূষা দেখে তাক লেগে যায় সকলের।

নিন্দুকরা অবশ্য বলেন, তার ওয়ার্ড্রোব আসলে বি আর চোপড়ার জনপ্রিয় টিভি সিরিয়াল ‘মহাভারত’ এবং মার্কিন রক শিল্পীর স্টাইলের মিশেল। কিন্তু লাখ লাখ ভক্তের দৃষ্টিতে তিনি একাধারে সন্ত, দার্শনিক, ধর্ম প্রচারক, সঙ্গীতশিল্পী, বহুমুখী ক্রীড়াবিদ, বাস্তুকার, অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ার, সিনেমা পরিচালক, অভিনেতা, শিল্প নির্দেশক, সঙ্গীত পরিচালক, লেখক, গীতিকার এবং আরও অনেক কিছু।

পঞ্চাশের এই গুরুর মূল শক্তি আসলে বিশ্বজোড়া কয়েক লাখ ভক্ত। সারা দুনিয়ায় তার কোটি কোটি ডলার মূল্যের সম্পত্তি ছড়িয়ে রয়েছে। আদালতে যতই তার বিরুদ্ধে বিবিধ অপরাধের অভিযোগ উঠুক না কেন, বিশ্বাসীদের চোখে তিনি একই অঙ্গে একজন সমাজ সংস্কারক, আধ্যাত্মিক শিক্ষক, কৃষি বিজ্ঞানী এবং চিন্তাবিদ।

মুখে না বললেও বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ভক্তজনের জবানে নিজেকে ‘পরম পবিত্রময়’ এবং নিজ পরিবারকে ‘রাজ পরিবার’ হিসেবে শুনতে পছন্দ করেন গুরমিত রাম রহিম সিং ইনসান।

গত কয়েক দশক ধরে বিলাসবহুল জীবনে তিনি অভ্যস্ত। তার গ্যারাজে রয়েছে বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের কয়েকশো গাড়ি ও মোটরবাইক। এছাড়া নিজস্ব জেটও রয়েছে। আর সে সবই তার নিজস্ব নকশায় সাজানো হয়েছে বলে ভক্তদের দাবি।

এ পর্যন্ত MSG-সহ মোট ৫টি সিনেমা তিনি তৈরি করেছেন। দেশের হাতেগোনা ভিভিআইপিদের অন্যতম এই ধর্মগুরু সরকারি জেড-প্লাস নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন।

সূত্র: এই সময়

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest