চোখ ও হার্টের জন্য গাজর খুবই উপকারী। গাজরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ আছে। হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে গাজর সাহায্য করে। হার্ট ভালো রাখতে গাজর খান। গাজরের সলিউবল ফাইবার হাই কলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। ব্লাড সুগার লেভেল ঠিক রাখে, ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ গাজর ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স প্রতিরোধ করে। হাই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে।
যেসব অসুখ সারাতে সাহায্য করে গাজর: ১. ওবেসিটি ২. অ্যালজাইমার ৩. অ্যাজমা ৪. মাড়ির সমস্যা ৫. রোখের সমস্যা ৬. কোলাইটিস ৭. ইনসমনিয়া ৮. কিডনি, লিভার ও গলব্লাডারের সমস্যা।
আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। যাদের বলিরেখা রয়েছে, রোদে পুড়ে গেছে এরকম ত্বকের যত্নে গাজর ব্যবহার করুন। গাজরের ক্যারোটিনয়েড এরকম ত্বকের উপশমে সাহায্য করে। আলট্রা-ভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে স্কিন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ত্বকের ন্যাচারাল ট্যান ভাবকে ধরে রাখে। গাজর খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে যাবে। কাঁচা গাজরের তুলনায় সেদ্ধ গাজরে পুষ্টিগুণ বেশি। গাজরের জুসও বেশ স্বাস্থ্যকর। কারণ গাজরের জুসে সহজপাচ্য ফাইবার থাকে। কাঁচা গাজরের চেয়ে গাজরের জুস খেলে সহজে শরীরের মধ্যে প্রয়োজনীয় উপাদান পৌঁছায়।

দালালের মাধ্যমে বিদেশে গিয়ে অবৈধভাবে বসবাসের দিন শেষ হয়ে আসছে বাংলাদেশিদের। কারণ ইতিমধ্যেই বিদেশে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের নিয়ে রীতিমতো চাপের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। ইউরোপের দেশগুলো থেকে ৯৩ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর কঠিন শর্ত দেওয়া হয়েছে। এখন নতুন করে ইউরোপের দেশগুলোতে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া নিয়েও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হচ্ছে।
গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবার রমরমা বাণিজ্যের পাশাপাশি নেশার বাজারে নতুন আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে ‘সিসা’। রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, উত্তরা, ধানমন্ডিসহ অভিজাত এলাকাসমূহে রীতিমতো ‘সিসা বার’ পর্যন্ত গড়ে উঠেছে। বিত্তবান ঘরের ছেলেমেয়েরা দল বেঁধে সেসব বারে গিয়ে হাজির হচ্ছে, সিসার ধোঁয়ার নেশায় থাকছে বুঁদ হয়ে। রাজধানীতে গজিয়ে ওঠা শতাধিক সিসা বার নিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তারাও বিপাকে পড়েছেন। এটি মাদকের তালিকায় না থাকায় সিসার নেশায় আসক্ত কিংবা তা বেচাকেনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া সিসার বার নিয়ে হাই কোর্টে রিট আছে। সেখানে বলা আছে, ‘সিসার ওপর অভিযান চলতে পারে, যদি এতে মাদকদ্রব্যজাতীয় কিছু মিশ্রিত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। কিন্তু এতে যদি কোনো মাদকের অস্তিত্ব না থাকে সে ক্ষেত্রে আমরা আইন প্রয়োগ করতে পারি না। ’ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পরীক্ষায় দেখা গেছে, সিসায় মাদকের উপাদান না পাওয়া গেলেও এটি স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর মধ্যে উচ্চমাত্রার টক্সি, কার্বন মনো-অক্সাইড হেভি মেটালসহ ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান থাকে। টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল হাসিসের নির্যাসের সঙ্গে রাসায়নিক মিশ্রণে সিসা তৈরি হয়। এতে নিকোটিনের পরিমাণও থাকে মাত্রাতিরিক্ত। প্রাচীনকালের হুঁকার ‘নগর সংস্করণ’ই হচ্ছে সিসা। এখন তামাক ও আফিমের সঙ্গে কথিত ফলের নির্যাস মিলিয়ে হুঁকা টানা হয়। অল্প দিনেই সিসা সেবন তরুণ-যুবাদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় নেশা হয়ে উঠেছে। গুলশান-বনানীতে মাত্র এক হাজার টাকাতেই যে পরিমাণ সিসা কেনা যায়, তা চার-পাঁচজন মিলে সেবন করতে পারে। ঢাকায় লিমোরা ডিলাইট, পান সালসা, অরেঞ্জ কাউন্টি, ওয়াইল্ড মিন্ট, কিউইসহ বিভিন্ন ফ্লেভারের সিসা পাওয়া যায়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (গোয়েন্দা) নজরুল ইসলাম সিকদার সাংবাদিকদের বলেন, সিসার বারের জন্য মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কোনো লাইসেন্স লাগে না। সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স থাকলেই সিসার বার গড়ে তোলা যায়। ফলে যে কেউ যেখানে-সেখানে সিসার বার স্থাপনের মাধ্যমে নেশার বিস্তার ঘটিয়ে চলেছে। তবে সিসার বারগুলো কেবলই ‘নেশার ধোঁয়া’ সেবনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না, সেগুলো হয়ে উঠছে তরুণ-তরুণীদের অবাধ মেলামেশাসহ অসামাজিক কার্যকলাপের আখড়াস্থল। পাশাপাশি সিসার হুঁকায় ইয়াবা ও গাঁজার সংমিশ্রণ ঘটিয়েও নেশাকে তীব্র রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে অহরহ। এসব সিসার বারে কিশোর-কিশোরীদের উদ্বেগজনক ভিড়ও লক্ষ করা গেছে। এ ধরনের সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন সময় ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট সিসার বারগুলোতে অভিযান চালিয়েছে। সেখানে সপ্তম-অষ্টম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের সিসার ধোঁয়ায় বুঁদ হয়ে থাকতে দেখে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেটও অবাক হয়ে যান। সেসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কিশোর-কিশোরীদের অভিভাবকদের ডেকে নিয়ে ‘সন্তান ভবিষ্যতে আর সিসার বারে যাবে না’ মর্মে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। গুলশানে ‘…ফুড অ্যান্ড লাউঞ্জ’ নামের সিসার বারের নিচতলা পর্যন্ত পৌঁছেও উপরের তলায় কী হচ্ছে তার কিছুই বোঝার উপায় নেই। ওই সিসা বারের নিচতলায় জুস বার। দ্বিতীয় তলায় ফাস্টফুডের ব্যবস্থা। দোতলা থেকে ছোট ছোট সিঁড়ি দিয়ে উপরে গেলেই আলো-আঁধারির পরিবেশ। চারপাশ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন। চোখ জ্বালাপোড়া করে। মাঝেমধ্যে লাল-নীল আলোর ঝলকানি। টেলিভিশনের বড় পর্দায় হিন্দি চ্যানেলে যৌন-উদ্দীপক গান বাজছে। ছোট ছোট টেবিলে চার, পাঁচ বা ছয়জন করে বসা। বসার জায়গা এত কম যে, একজন বসলে অন্যজনের সঙ্গে গা ঘেঁষে চাপাচাপি করে বসতে হয়। সবার টেবিলে সিসা। সঙ্গে নানা ধরনের কোমল পানীয় রয়েছে। ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ওয়াই-ফাই ফ্রি। আরও ‘অন্তরঙ্গভাবে’ বসার জন্য পৃথক পৃথক কক্ষও আছে। প্রায় অভিন্ন স্টাইলে উত্তরার গলিতে গলিতেও গড়ে উঠেছে সিসার বার। রাত-দিন সেসব আখড়া তরুণ-তরুণীদের অন্য রকম মেলামেশার নিরাপদ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সিসার নামে নেশার জাল বিস্তৃত হচ্ছে রাজধানীজুড়ে। এ জালে আটকা পড়ছে অভিজাত ঘরের সন্তানরা। তরুণ-তরুণীরা সিসা গ্রহণে ঝুঁকে পড়ায় তাদের টার্গেট করে বারগুলোতে সিসার সঙ্গে নানা রকম মাদক মেশানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। বেশ কিছু দিন সিসার বারে যাতায়াতকারী একাধিক যুবক জানিয়েছেন, টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হলেই সিসার সঙ্গে হেরোইন, ইয়াবা, গাঁজা, আইস ও যৌন-উত্তেজক ট্যাবলেটের গুঁড়ো মিশিয়ে দেওয়া হয়। সিসার বারগুলোকে আকর্ষণীয় করার জন্য পরিবেশক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে স্বল্পবসনা মেয়েদের। তারা একাকী যাওয়া যুবক-তরুণদের বন্ধুর মতোই সঙ্গ দিয়ে থাকে। বনানীর কামাল আতাতুর্ক সরণি, ১১ নম্বর খেলার মাঠের পাশে, ইউনাইটেড হাসপাতালের পেছনে প্রকাশ্যে ও গোপনে চলছে বেশ কয়েকটি সিসা লাউঞ্জ। ধানমন্ডি ২৭ নম্বর, সাতমসজিদ রোড ও রাইফেলস স্কয়ার-সংলগ্ন অভিজাত রেস্টুরেন্টগুলোতে গড়ে উঠেছে সিসা লাউঞ্জ। অন্যদিকে খিলক্ষেত ও উত্তরার নামিদামি হোটেল, রেস্টহাউসের সঙ্গেও সিসার বারের সংযুক্তি রয়েছে। সব মিলিয়ে রাজধানীতে নামে-বেনামে শতাধিক সিসা লাউঞ্জ রয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। সিসা সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানীর বাইরেও। সিসা লাউঞ্জে যাতায়াতকে আধুনিকতার অংশ হিসেবে মনে করে আসক্তরা। রাজধানীর বিভিন্ন সিসা লাউঞ্জ ঘুরে দেখা গেছে, সিসা গ্রহণকারীর মধ্যে বেশির ভাগই স্কুল-কলেজ কিংবা ভার্সিটি পড়ুয়া। তারা কয়েক বন্ধু একত্র হয়ে ডিজে পার্টি বা সিসা পার্টির নামে সিসা উৎসবের আয়োজন করে থাকে।
সম্প্রতি ফোর্বস ম্যাগাজিনের তালিকায় প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয়ের ১০ সুন্দরী অভিনেত্রীর নাম। এবারের অ্যালবাম সাজানো হয়েছে তাদের ছবি নিয়ে।
সুইজারল্যান্ডে উদ্বোধন করা হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ ঝুলন্ত সেতু। সেতুটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০০ মিটার বা আধা কিলোমিটার। এটি দেশটির জেরমাট শহরে পায়ে হেঁটে চলাচলের জন্যে নির্মাণ করা হয়েছে।
ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপের ওজামিজ শহরের মেয়র রেনালদো পারোজিনগ ও তার স্ত্রীসহ ১৫ জন প্রেসিডেন্ট রদ্রিগোর মাদক বিরোধী অভিযানে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন।
ভারতের গুজরাটে একটি জাহাজ থেকে ১৫০০ কেজি হিরোইন আটক করেছে দেশটির কোস্টগার্ড। এনডিটিভি জানিয়েছে, আটক হওয়া হিরোইনের বাজারমূল্য সাড়ে তিন হাজার কোটি রূপি যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার সমতুল্য।
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪৯২ রানের টার্গেট দিয়েছে ইংল্যান্ড। চতুর্থ দিন চা পান বিরতির আগে আট উইকেট হারিয়ে ৩১৮ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ডিক্লেয়ার্ড করে রুট অ্যান্ড কোং। ইংল্যান্ডের লিড ৪৯১।