সর্বশেষ সংবাদ-
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় সিএমএসআই ও নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ বিতরণের লক্ষ্যে ব্যাংকার-উদ্যোক্তা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্বিক তত্বাবধানে বুধবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরার তুফান কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনার নির্বাহী পরিচালক এস.এম হাসান রেজা।

সোনালী ব্যাংক লিমিটেড খুলনার জেনারেল ম্যানেজার মো: শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সোনালী ব্যাংক সাতক্ষীরা এরিয়া অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো: আব্দুস সালাম, বিসিক সাতক্ষীরার উপ-ব্যবস্থাপক গোলাম সাকলাইন, সোনালী ব্যাংক সাতক্ষীরা প্রিন্সিপাল অফিসের ডিজিএম মো: শাহ আলম প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সোনালী ব্যাংক সাতক্ষীরা অফিসের এজিএম মো: মশিয়ার রহমান। পরে নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকের ঋণের চেক বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ।

সমাবেশে প্রধান অতিথি বলেন, নারী উদ্যোক্তা তৈরি করতে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা হবে। তবে ব্যাংকের নিয়মনীতিগুলোও মানতে হবে। নারী উদ্যোক্তারা যাতে সহজ শর্তে ঋণ পেতে পারে তার সকল ব্যবস্থা করা হবে। তবে কেউ খেলাপী করবেন না। ব্যাংক অব্যশই আপনাদের পাশে থাকবে। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা আশাশুনির কাকড়াবুনীয়া গ্রামের বাসিন্দাদের উপর অন্যায় অবিচার ও জমি দখল এবং হামলা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১০ মে) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা শহরের শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক সম্মুখ সড়কে কাকড়াবুনীয়া গ্রামবাসী এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

গ্রামবাসীর পক্ষে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে মাসুম বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন খলিলুর রহমান, শাহানারা বেগম, বাবুল আক্তার, মোস্তাক আহমেদ, হাসানুর রহমান, রমজান হোসেন, সাইফুল ইসলাম, রাজ্জাক তরফদার, গোলাম বারী সরদার, বাবর আলী সরদার প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ আব্দুস সবুর ও একই এলাকার রাজাকার পুত্র মোঃ মিজানুর রহমানের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। উপ-সচিব আব্দুস সবুরের যোগসাজশে রাজাকার পুত্র মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি ইউপি নির্বাচনে নৌকায় যারা ভোট দেয় তাদের বাড়ি নির্বাচনের পরের দিন ঘেরাও করে হামলা করা হয়। ওইসময় প্রাণ বাঁচাতে অনেক মানুষ এলাকা ত্যাগ করে।

বক্তারা আরও বলেন, এলাকার মৃত মোঃ আঃ আজিজ সরদারকে রাজাকার পুত্র মিজানুর রহমান গুন্ডাপান্ডা দিয়ে অপমানিত করলে সেই শোকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন, এছাড়াও ২২ সালের ১৮ জুন খলিলুর রহমানের ৫ বিঘা ঘেরের মাছসহ জোর করে জবরদখল করে। আব্দুস সবুর ও রাজ্জাক তরফদার এর একটি ৫ শতকের পুকুরও জবরদখল করে। রাজ্জাক তরফদার সাতক্ষীরা এডিএম কোর্টে ১৪৫ ধারায় অভিযোগ করেন। এতে আব্দুস সবুর মন্ত্রণালয়ের প্রভাব খাটিয়ে একদিনের মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে রিপোর্টটি তার পক্ষে নেয়। রাজ্জাক তরফদারের সহধর্মিণীকে মারধর করে থানায় মামলা না নেওয়ার জন্য আব্দুস সবুর প্রভাব খাটায়।

পরে আদালতে মামলা করলে এফআইআর এর নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে এতিমখানার ১১ লাখ ২০ হাজার ৮৪৭টাকা আত্মসাৎ ও নিয়োগ বাণিজ্য করে ব্যাপক টাকা আত্বসাৎ করারও অভিযোগ তোলেন এলাকাবাসী। এর আগেও এলাকাবাসী বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর মোঃ আব্দুস সবুরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং ১০ থেকে ১৫ জন গ্রামবাসী স্বশরীরে ঢাকায় যেয়ে তার অপকর্মের সাক্ষ্য দেন। এসময় তাদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে প্রশাসনের কাছে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন গ্রামবাসী।
এবিষয়ে উপ-সচিব আব্দুস সবুরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি কিছুটা জানি প্রকৃতপক্ষে আকরাম হোসেন মাছুম ছেলেটি উগ্র। অন্যদিকে মিজানুর সহজ সরল প্রকৃতির। একটি ঘেরের জমির বিরোধ নিয়ে এবং গ্রাম্য রাজনীতি নিয়ে ছোট বিষয় কে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বড় করছে। আমি কোন অন্যায়কে সমর্থন দেই না দেবোও না। আমার জানামতে মিজানুর সঠিক আছে। কেউ যদি অবৈধভাবে আমার নাম ব্যবহার করে আমি তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরার কলারোয়ায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল মালেককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল সদর উপজেলার কুশখালী সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন। বুধবার দুপুরে র‌্যাব সাতক্ষীরা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর জেএম গালিব হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল মালেক ওরফে মালেকুজ্জামান (৪৭) সাতক্ষীরার কলারোয়ার বাসিন্দা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৮ এপ্রিল তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলায় বিএনপি দলীয় সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ চারজনকে যাবজ্জীবন ও এ মামলার অপর ৪৪ জনকে ৭ বছরের কারাদ্বন্ড প্রদান করে সাতক্ষীরার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক বিশ্বনাথ ম-ল। এর মধ্যে আব্দুল মালেকও ৭ বছরের কারাদ্বন্ড প্রাপ্ত আসামী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সদর উপজেলার কুশখালী সীমান্ত এলাকায় আব্দুল মালেক তার এক আতœীয়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সাতক্ষীরা ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল বুধবার রাতে সেখানে অভিযান চালান। এ সময় সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামী আব্দুল মালেককে কলারোয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য ঃ ২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট সকাল ১০টায় তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে যশোরে ফিরে যাওয়ার পথে বেলা ১১টায় বিএনপির নেতাকর্মীরা কলারোয়ার দলীয় অফিসের সামনে তার গাড়ি বহরে হামলা চালায়। হামলায় আওয়ামী লীগের ১ ডজন নেতা-কর্মী আহত হন।

এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তালা-কলারোয়ার বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জন নেতাকর্মীকে চার থেকে ১০ বছর মেয়াদে সাজা প্রদান করেন সাতক্ষীরার মূখ্য বিচারিক হাকিম হুমায়ুন কবির। গতবছরের ১৪ জুন অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের দুটি মামলায় চার্জ গঠন করা হয়। এ মামলায় সাক্ষ্য ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত ১৮ এপ্রিল বিএনপি দলীয় সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ চারজনকে যাবজ্জীবন এবং অপর ৪৪জনকে ৭ বছরের কারাদ্বন্ড প্রদান করেন সাতক্ষীরার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক বিশ্বনাথ ম-ল।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা :  সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় শুরু হয়েছে বোরো ধান কাটার উৎসব। কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কায় দ্রুত ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন  দেবহাটা উপজেলার  চাষিরা। কেউ ধান কাটছেন আবার কেউ ধান নিয়ে ফিরছেন বাড়ি।
অন্যদিকে, ফসলের মাঠে ও বাড়ির উঠানে চলছে ধান মাড়াই। দম ফেলার যেন ফুসরত নেই। তবে এ বছর বোরো ধানের ভালো ফলন পেয়ে খুশি কৃষক। ঝড়-বৃষ্টির আগেই ধান কাটা শেষ করতে না পারলে ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।  দেবহাটা উপজেলার মাঠের পর মাঠ সোনালী ধানের সমারোহ দোলা দিচ্ছে কৃষকের মনে। কিন্তু আকাশের কালো মেঘ, যেকোনো সময় কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে তাদের কপালে।
এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত ধান কেটে বাড়ি নেয়া ও মাড়াই করে ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন  দেবহাটা  উপজেলার চাষিরা। দম ফেলার যেন সময় নেই কারো। অনেকে মাঠেই করছেন ধান মাড়াই।
উপজেলার বিভিন্ন মাঠে এভাবেই চলছে বোরো ধান কাটার উৎসব। বুধবার (১০ মে)  দেবহাটা উপজেলার বিভিন্ন মাঠে গিয়ে দেখা যায়, শ্রমিকদের একদল ধান কাটায় ব্যস্ত। আরেকদল ব্যস্ত সেই ধান মাথায় বা ঘাড়ে করে বাড়ি নেওয়ার জন্য। আবার অনেক কৃষক মাঠের পাশেই ধান মাড়াই করে বস্তায় ভরতে ব্যস্ত।
দেবহাটা  উপজেলার কৃষকরা সাংবাদিক কে এম রেজাউল করিম এর নিকট  বলেন, শুনতে পাচ্ছি আগামী সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড়সহ শিলাবৃষ্টি হতে পারে। প্রায় প্রতিদিনই আকাশে মেঘের ঘনঘটা দেখা যাচ্ছে। অকাল বন্যা বা কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির হাত থেকে ধান রক্ষায় আগেভাগেই এবার ধান কাটা শুরু করেছি। কৃষকরা আরও জানান, এবার ধানের ফলন বাম্পার হয়েছে। বিঘায় ২৫-৩০ মণ হারে ধান হয়েছে। বাজারে দামও মোটামুটি ভালো আছে। খরচ বাদ দিয়ে লাভ ভালোই হবে। এবার ধান কাটায় শ্রমিক সংকট নেই বলেও জানান তারা।
 দেবহাটা উপজেলা বরাবরই শস্য ভান্ডার হিসেবে পরিচিত গত কয়েকবছর যাবৎ এই পরিধি ব্যাপক ভাবে বিস্তৃত ঘটেছে। এই উপজেলার উল্লেখযোগ্য জমি লবনাক্ত পানি বেষ্টিত চিংড়ী চাষ হয় সেই চিংড়ী ঘেরে লবনাক্ত সহনীয় ইরি বরো ধান চাষ হওয়ায়  দেবহাটা উপজেলায়  অতীতের যে কোন সময় অপেক্ষা অধিকতর ইরি বরো ধান উৎপাদন হচ্ছে।
গত কয়েক দিন যাবৎ দেবহাটা  উপজেলার ধান ক্ষেত পরিদর্শন করে দেখা গেছে কোন কোন ধানক্ষেত সংলগ্ন এলাকাতে কাটা ধান মাড়াই চলছে। ধানের বিচুলীরও অর্থনৈতিক গুরুত্ব কম নয়, গো খাদ্য হিসেবে এই বিচুলী ব্যবহৃত হওয়ায় ধান মাড়াই এর পর পরই তা বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। পুরুষ শ্রমিকদের পাশাপাশি মহিলা শ্রমিকরাও ধানকাটা কাজ করছে।
এক্ষেত্রে পুরুষের অপেক্ষা মহিলা শ্রমিক মূল্য অপেক্ষাকৃত কম। বিঘা প্রতি ধান কাটতে শ্রমিক মুল্য দিতে হচ্ছে তিন হাজার টাকার কাছাকাছি। বর্তমান সময়ে ধানমূল্য অন্যান্য বছর অপেক্ষা বেশী হওয়ায় সঙ্গত কারনে কৃষকরা খুশি, কেউ কেউ ধান মাড়াই করার পর পরই তা পাইকার ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রি করছে আবার অনেকে গোলায় ভরে রাখছে আগামীর জন্য আবার সেদ্ধ শুকানো ও চাল তৈরীর কাজে ব্যস্ত।
দেবহাটা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর সাংবাদিক কে এম রেজাউল করিম এর নিকট জানান এবার দেবহাটা উপজেলায় ৬১০০ হেক্টর  জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। ফলনও হয়েছে বেশ ভালো।  ধান কাটা প্রায় শেষের দিকে  ইতোমধ্যে ৯৫%  ধান কর্তন হয়েছে। ঝড়, শিলাবৃষ্টির হাত থেকে রক্ষায় শতকরা আশি ভাগ ধান পাকলেই দ্রুত কেটে ঘরে তোলার পরামর্শ দেয়া  হয়েছিল  কৃষকদের। দেবহাটা কৃষি অফিস সবসময় কৃষকদের পাশে আছেন এবং থাকবেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে হিমসাগর আম গাছ থেকে পাড়া শুরু হয়েছে।
বুধবার সকালে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নে শুইলপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলী গাজীর ৫০ বিঘা জমিতে দুই হাজারের অধিক হিমসাগর আমগাছের বাগানে জেলা প্রশাসক মোঃ হুমায়ুন কবির আনুষ্ঠানিকভাবে বিষমুক্ত নিরাপদ আম আহরণের শুভ উদ্বোধন করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রহিমা সুলতানা বুশরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ হুমায়ুন কবির বলেন, সাতক্ষীরার খ্যাতি ধরে রাখার জন্য এবারও বিষমুক্ত নিরাপদ আম বাজারজাতকরন করা হচ্ছে। সম্পূর্ন পুষ্ট, মিষ্টি এই আমের কদর রয়েছে সারা বিশ্বে। আমরা এই সুনাম ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদ মেহেদী, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আজহার আলী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসিম উদ্দিন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান নাইমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, সাতক্ষীরার সুস্বাদু আম হিমসাগর বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশেও খ্যাতি ছড়িয়েছে ।   ২০১৫ সালে সাতক্ষীরাকে ম্যাংগো ক্যাপিটাল হিসাবে ঘোষনা দিয়ে শুরু হয় এই আম রফতানি।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯ মে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ডিজিটাল কর্ণারে সদর উপজেলা পরিষদের আয়োজনে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা, ভাইস-চেয়ারম্যান তানভীর হুসাইন সুজন, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ইয়ারুল হক, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র প্রমুখ।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড় মোখা এটাকে সামনে রেখে সদর উপজেলা প্রশাসন,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির পূর্ব প্রস্তুতিমূলক কর্মপরিকল্পনা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে করে মানুষের কোন ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির মতো ঘটনা না ঘটে সেজন্য আগাম প্রস্তুতি হিসাবে বিপদ সংকেত ৪ হলে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় জুম মিটিং করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। সদর উপজেলায় আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ২৮১ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা নিয়মিত মনিটরিংয়ের কাজ করবে এবং গ্রাম পুলিশ তাদেরকে সহযোগিতা করবে।

এছাড়া রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি উদ্ধার কর্মী, ফায়ার সার্ভিস, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান,পল্লী বিদ্যুৎ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিভিন্ন এনজিও কর্মীরা নিজ দায়িত্ব পালন করবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান এ এস এম আবুল কালাম আজাদ, বৈকার ইউপি চেয়ারম্যান আবু মো মোস্তফা কামাল, বাঁশদহা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মফিজুর রহমান, ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফর রহমান, ধুলিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী, ব্রক্ষরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আলাউদ্দিন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল গনি, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহিদুর রহমান, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মনির হোসেন,

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান,সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী, জেলা মহিলা অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরা, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার মোঃ শিমুল রানা, বন বিভাগ সাতক্ষীরা জেলা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিএম মারুফ বিল্লাহ,

ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স অফিসার ইনচার্জ মোঃ শরিফুল ইসলাম,রেড ক্রিসেন্ট সাতক্ষীরা ইউনিটের যুব প্রধান মোঃ ইলিয়াস হোসেন, লাবসা ইউ পি সদস্য বিশ্বনাথ মন্ডল, সুশীলন এর মনিটরিং রিপোর্টিং অফিসার প্রশান্ত কুমার মিস্ত্রি,এজি এম পল্লী বিদ্যুৎ সেবা সদস্য সাইফুল ইসলাম সহ সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে হরিণের মাংস সহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে পুলিশ।

৮ মে সোমবার সকাল সাড়ে ৯ টায় শ্যামনগর থানা পুলিশের অভিযানে উপজেলা সদরের বাদঘাটার গ্রামের খৈতলা থেকে ১২ কেজি হরিণের মাংস সহ তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, বাদঘাটা গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে রবিউল ইসলাম (২৮) ও একই গ্রামের আমাজাদ হোসেন ছেলে আজাদ হোসেন (৩০)।

অভিযানে থাকা শ্যামনগর থানার এস আই মোঃ সাখায়েতুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রবিউল ইসলাম ও তার মামা আজাদ হোসেনকে হরিণের মাংস সহ আটক করে থানা হেফাজতে আনা হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও শ্যামনগরের ভেটেনারি সার্জন ডাঃ সুব্রত কুমার বিশ্বাস জানান, প্রাথমিকভাবে জব্দকৃত হরিনের মাংস ও চামড়া পাওয়া গিয়েছে।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নুরুল ইসলাম বাদল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন এস আই মোঃ সাখায়েতুল ইসলাম বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে বন আইনের মামলা দায়ের করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট শাখার কর্মকর্তা শাহীন গাজী (৩০) হত্যা মামলার আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

রোববার দিবাগত গভীর রাতে ঢাকা থেকে রংপুরে পালানোর সময় টাঙ্গাইল জেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া আমিনুর সরদার (৬০) কলারোয়া উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের বজলে সরদারের ছেলে।

সোমবার(৮মে) বেলা ১২টার দিকে র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরার ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে কোম্পানী কমান্ডার মেজর গালিব জানান, চলতি বছরের ৪ এপ্রিল তুচ্ছ ঘটনায় আমিনুর সরদারের সাথে শাহীন গাজীর চাচী শাহানা খাতুন(৪৭) এর সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় আমিনুর সরদার শাহানা খাতুনের উপর হামলা করলে শাহীন গাজী ঠেকাতে যান। একপর্যায়ে আমিনুর সরদার ধারালো হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে শাহীন গাজীকে। ঘটনার ৯দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহীন গাজীর মৃত্যু হয়। শাহীন গাজী উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের একোব্বার গাজীর পুত্র।

এ ব্যাপারে নিহতের বড় ভাই আফসার আলী গাজী বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-৬)। ঘটনার পর থেকে আমিনুর সরদার পলাতক ছিলেন।

র‌্যার-৬ সাতক্ষীরার কোম্পানি কমান্ডার মেজর গালিব আরো জানান, গ্রেফতারকৃত আমিনুর সরদার হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাকে কলারোয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest