কালিগঞ্জ প্রতিনিধি :
প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবন মিলনায়তনে প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু’র পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কালিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আমিনুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ আজাহার আলী, থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ মামুন রহমান, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এবাদ আলী,
দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জী, উপজেলা জাতীয় পাটির সভাপতি মাহবুবর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট, জেলা পরিষদের সদস্য শেখ ফিরোজ কবীর কাজল,হিলা ভাইস চেয়ারম্যান দীপালী রানী ঘোষ, সোহরাওয়ার্দী পার্ক কমিটির সদস্য সচিব এ্যাডঃ জাফরুল্লাহ ইব্রাহিম, ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক শেখ ইকবাল আলম বাবলু, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গাজী শওকত হোসেন,
ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন, ইউপি চেয়ারম্যান গোবিন্দ মন্ডল, ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদাউস মোড়ল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ডাঃ শফিকুল ইসলাম বাবু, উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোস্তফা আক্তারুজ্জামান পল্টু, সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শেখ নাজমুল ইসলাম, জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল করিম মামুন হাসান, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি শেখ শাহাজালাল প্রমুখ। ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যাবস্থাপকবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীবৃন্দ, প্রেসক্লাবসহ সাংবাদিকবৃন্দ, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিলন কুমার ঘোষ, হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অসিত সেন প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন থানা জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওঃ আশরাফুল ইসলাম আজিজী।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের বালাপোতা বাবার ধাম থেকে দুটি স্বর্ণের চেইন ছিনতাই করে পালানোর সময় দুই মহিলা আটক হয়েছে স্থানীয়রা। পরে ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে আটক দুই মহিলাকে থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
সোমবার সকাল ১০টার দিকে কালিগঞ্জের বালাপোতা বাবার ধামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক জানান, সোমবার সকাল ১০ টায় শ্যামনগরের কলবাড়ি গ্রামের স্কুল শিক্ষিকা কল্পনারানী গাইন (৩৮) এর নিকট থেকে ১৪ আনা ও ৯ আনা ৩ রতি ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনতাই হয়ে যায়। পরে উপজেলার বাঁশদহা গ্রামের বৃন্দাবন মজুমদারের ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়ে জিতা মজুমদার (২২) এর চেইন কেটে পালানোর সময় ছিনতাইকারী চক্রের দুই মহিলা সদস্যকে আটক করে স্থানীয়রা।
তবে তাদের নিকট থেকে ছিনতাই হওয়া স্বর্ণের চেইন উদ্ধার হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে চোর চক্রের সদস্য একাধিক হওয়ায় চেইন অন্য কারো হাতে দিয়ে দেয়। আটক সাজিদা ওরফে স্বপ্না (২৩) ও পারভীন (২৫)। তাদের দুজনের বাড়ি সিলেট জেলায় কিন্তু তারা রংপুর বস্তিতে থাকে। তারা দুজনেই স্বামী পরিত্যক্তা এবং দুইজনের একটি করে মেয়ে আছে বলে তারা জানিয়েছে।
বাবার ধাম কর্তৃপক্ষ ছিনতাই চক্রের সদস্যদের আটক করে চাম্পাফুল ইউনিয়ন পরিষদে আনলে তাদের কালিগঞ্জ থানায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ মামুন রহমান দুই মহিলা আটকের ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
কলারোয়ার চন্দনপুর ইউপি চেয়ারম্যান ডালিমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইউপি মেম্বর হুমায়ূন কবির। এসময় উপস্থিত ছিলেন, চন্দনপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গাজী রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলামসহ মোট পাঁচজন ইউপি সদস্য।
সোমবার কলারোয়া উপজেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তারা।
লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন,বর্তমান চেয়ারম্যান ডালিম হোসেন হতদরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা। মাত্র তার বাবার নামে ১০ টাকা কেজি দরের চাউল কার্ড আছে। তার পিতা আব্দুল হামিদ, কার্ড নং-৮৬৯, মোঃ আব্দুল রফিক গাজী, কার্ড নং-৯০৫, আরেক ভাই মোঃ মাসুদ রানা, কার্ড নং-৮৩০ এমনকি তার মায়ের নামেও ২ বৎসরের ভিজিডি কার্ডও ছিলো। চেয়ারম্যান হওয়ার মাত্র ৬ মাসের মধ্যে ১টি ৩ তলা বাড়ী, ১টি ২য় তলা বাড়ী, বাড়ীর সীমানা প্রাচীর, ১টি ১তলা বিশিষ্ট রান্নাঘর ও গোয়াল ঘর এবং আর একটি বাড়ী উত্তর পাশে^র্র গভীর পুকুরের মধ্য হইতে কলম পিলার দ্বারা বাড়ী নির্মাণ কাজ চলমান। যার আনুমানিক ব্যয় ২কোটি টাকা। ইউপি সদস্যদের সহি জাল করে ইউপি সচিব, চেয়ারম্যান, প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মোছাঃ গফুরোন নেছা(৭,৮,৯), প্যানেল চেয়ারম্যান-২ মোঃ আবু জাফর ০৮ নং ওয়ার্ডদের সমন্বয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের সরকারি অর্থের তছরুপ করে চেয়ারম্যান।
হিজলদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্বঘোষিত সভাপতি মোঃ নূরুল ইসলাম কে চেয়ারম্যান সভাপতি বানিয়ে ৩ জন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে জন প্রতি ১০ লক্ষ টাকা সর্বমোট ৩০ লক্ষ টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে। চন্দনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি চেয়ারম্যান ও প্রধান শিক্ষকসহ ৩ জন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীর নিকট হতে ৩০ লক্ষ টাকা নিয়ে দুর্নীতির মাধ্যমে নামহস্তে নিয়োগ বোর্ড দেখিয়ে ৩০ লক্ষ টাকা দুর্নীতি করেছে। চন্দনপুর দাখিল মাদ্রাসার চেয়ারম্যান ও সুপার মাসুম বিল্লাহ যোগসাজসে সভাপতি বানিয়ে ২টি ৪র্থ শ্রেণি কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ১২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। চেয়ারম্যান চন্দনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি গয়ড়া জিআর দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি,গয়ড়া বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি, চন্দনপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি, রামভদ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক ও মাদরাসা নিয়োগ আছে সেখানেই তিনি ক্ষমতাবলে সভাপতি হচ্ছেন।
কাবিখা, কাবিটা, খাবিখা, টিআর,এডিবি রাজস্ব উদ্বৃত্ত এমপির বিশেষ বরাদ্দ উপজেলা পরিষদের বিশেষ বরাদ্দের দুর্নীতি অনিয়ম ও সরকারী অর্থ তছরুপ করেছে চেয়ারম্যান। গয়ড়া কলেজ মোড় হতে হিজলদী বাজার অভিমুখে রাস্তার দুইধারের আমগাছের দুই মৌসুমে আনুমানিক ১০ লক্ষ টাকা আম গাছের ফল বিক্রয়ের টাকা চেয়ারম্যান একক ভাবে আত্মসাৎ করিয়াছে দুর্নীতির মাধ্যমে। অথচ দুই মৌসুমের আমগাছের আম বিক্রির ১০ লক্ষ টাকা চন্দনপুর ইউনিয়নের অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের সেবা করার জন্য একটি এ্যাম্বুলেন্স ক্রয় করার কথা বলেছিলো চেয়ারম্যান। সেই এ্যাম্বুলেন্স ক্রয়ের নামে দুর্নীতির মাধ্যমে ১০ লক্ষ টাকা একক আত্মসাৎ করেন তিনি। আমরা নির্বাচিত হওয়ার পর দুই অর্থ বছরের ট্যাক্সের টাকা যা গ্রাম পুলিশ দ্বারা ওয়ার্ড পর্যায়ের আদায়কৃত আনুমানিক ১১ লক্ষ টাকা চেয়ারম্যান সাহেব এককভাবে আত্মসাৎ করেছে। মাতৃত্বকালিন ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, জেলে ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতার বরাদ্দ আমাদেরকে না জানিয়ে রেজুলেশনে জ¦াল স্বাক্ষর করে ইউপি সচিব এবং চেয়ারম্যান ইচ্ছামত স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে প্রকল্প অনুমোদন করিয়াছে। ইউনিয়ন পরিষদের দুই অর্থ বছরের ট্রেড লাইসেন্স এর টাকা আনুমানিক ৫ লক্ষাধিক টাকা চেয়ারম্যান সাহেব এককভাবে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে আত্মসাৎ করেছে। (২০২২-২০২৩) অর্থ বছরে ভিজিডি কার্ডের যথেষ্ট পরিমানে অনিয়ম আছে, অনেক কার্ডধারী ব্যক্তির নাম থাকলেও অন্যরা মাল উত্তোলন করে নিচ্ছে চেয়ারম্যান এর স্বজন প্রীতির কারণে। এলজিএসপি প্রকল্পের আমরা ইউপি সদস্যরা সভাপতি হইলেও আমরা কাজ করতে পারি না জবাবদিহিতা করতে পারি না বরাদ্দকৃত টাকার পরিমাণও জানতে পারি না। ১২ ইউপি সদস্যের নিকট হইতে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা এককালিন গ্রহণ করেন। ইউনিয়ন পরিষদের শপথ অনুষ্ঠানের পরে চেয়ারম্যান সাহেব প্রকল্প দিবে বলে ২য় দফায় আবারও ৭ হাজার টাকা গ্রহণ করে মোট ৮৪ হাজার টাকা গ্রহণ করে। এসব অনিয়ম এর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান ডালিম হোসেন ক্ষমতাধর হওয়ায় কোন দরখাস্তের তদন্ত না করতে দিয়ে তদন্তের মোড় অন্য দিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। আমরা সকলেই আশংখায় আছি। যে কোন সময় চেয়ারম্যান তাদের ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে সে কারনে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের রায়পুর বাসস্ট্যান্ডে ট্রাকের ধাক্কায় কলেজ পড়ুয়া অলিউর রহমান সজিব (২১) নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (৯ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টায় শ্যামনগর কালিগঞ্জ মহাসড়কের রায়পুর বাসস্ট্যান্ডের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত সজিব ভুরুলিয়া ইউনিয়নের মাজাট গ্রামের বাবর আলী গাজীর পুত্র।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, অলিউল রহমান রায়পুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে শ্যামনগর থেকে আম বোঝায় একটি ট্রাক (যশোর ড ১১-১৩১২) বেপরোয়া গতিতে এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে অলিউল রহমান গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ তৈয়েবুর রহমান তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুন রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘাতক ট্রাকটিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ট্রাক ড্রাইভারকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত নিহতের পরিবার থেকে কোন প্রকার অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
আশাশুনি প্রতিনিধি :
আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের টেকা রামচন্দ্রপুর গ্রামের মরিচ্চাপ নদী সংলগ্ন ইটের সোলিংয়ের ইট ছড়িয়ে ছিটিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় পথচারীদের ভোগান্তির শেষ নেই। জনগুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তাটির দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা আসিফ ইকবাল রিপন জানান- টেকারামচন্দ্রপুর আব্দুল্লাদের বাড়ি থেকে টেকাকাশিপুর একরামুল এর মুূদি দোকান পর্যন্ত ইটের ও সিদ্দিক সানার বাড়ি পর্যন্ত পিচের রাস্তা ডি আকারে ওয়াপদা রাস্তার সঙ্গে মিশে গেছে। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত ও মালামাল বহন করে থাকে।
কয়েকদিন আগে চলমান রাস্তার কর্মসূচির কাজ করানোর সময়, দায়সারা গোছের এক চাপ করে মাটি দেওয়া হয়। এ বিষয়ে কাদাকাটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান দীপঙ্কর কুমার দীপ কে অবহিত করলে তিনি বলেন- সরকারি বরাদ্দ না থাকলেও আমার নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তার সংস্কার কাজ করেছি।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, ইট উঠে রাস্তার অবস্থা এমনই হয়ে গেছে যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এত ছোট রাস্তা যে দুটো ভ্যান ক্রস করতে পারে না। রাস্তার সাইডে মাটি না থাকায় এজিং এর ইটগুলো খুলে পড়ে যাচ্ছে। এলোমেলোভাবে অনেক জায়গায় ইট গুলো পড়ে আছে। মরিচ্চাপ নদীর জোয়ারের উপচে পড়া পানি এবং ইটের ট্রলী, ইঞ্জিন ভ্যান চলার কারণে রাস্তার এ বেহাল দশা।
রাস্তা প্রশস্তকরন ও নদীর সাইট দিয়ে ন্যূনতম তিন ফুট হাইট ও তিন ফুট চওড়া মাটি দিয়ে নদীর পানি বৃদ্ধি ঠেকানোর জন্য টেঁকসই কাজের পাশাপাশি পাকা ইটের রাস্তাটি সংস্কার করে এলাকায় পানি বৃদ্ধি রোধ ও দুর্ঘটনার হাত থেকে পথচারীদের রক্ষা করতে স্থানীয় এলাকাবাসীর পক্ষে তিনি ঊর্ধ্বতন ও কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
আসাদুজ্জামান : সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬। তাদেরকে পাটকেলঘাটা থানায় হস্তান্তরের পর রবিবার বিকালে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার রাত ৮টায় তালার ধানদিয়া ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামে পলাতক আসামী সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তাদেরকে বাঁধা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা কোম্পানি কমান্ডার মেজর গালিব।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন, তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও পাঁচপাড়া গ্রামের মৃত সামাদ সরদারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম সরদার, তার ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আমিনুল ইসলাম ওরফে সুমন সরদার, একই গ্রামের জামাল সরদারের ছেলে কবিরুল সরদার, মৃত আফতাব সরদারের ছেলে বহি®কৃত পুলিশ সদস্য রফিকুল ইসলাম ওরফে শওকত সরদার, এরশাদ সরদারের ছেলে সোহাগ সরদার ও সোহান সরদার, কাশেম খাঁ’র ছেলে আফজাল খাঁ ও সেনেরগাতি গ্রামের আব্দুল মান্নান খানের ছেলে আজগার আলী।
র্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা কোম্পানি কমান্ডার মেজর গালিব জানান, পাঁচপাড়া গ্রামের আলম সরদারের নামে বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগ রয়েছে জানতে পেরে র্যাবের কয়েকজন সদস্য সাদা পোশাকে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তাদেরকে বাঁধা দেন জাহাঙ্গীর আলমসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজন। এ সময় র্যাব সদস্যদের হালকা ও গুরুতর জখম, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া ও তিন হাজার ৫১০ টাকা চুরির অভিযোগে ধানদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমসহ উক্ত নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর রাত ১১টায় তাদের বিরুদ্ধে র্যাবের ডিএডি বাবুল মিয়া পাটকেলঘাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় গ্রেপ্তারকৃত নয়জনসহ ৩৪ জনকে আসামী করা হয়েছে।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায় জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের আদালতের মাধ্যমে বিকালে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরায় অজ্ঞান পার্টির সর্দার আবুল খায়ের মিস্ত্রী ওরফে বাবুসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। সাতক্ষীরা, যশোর ও খুলনা জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে শনিবার রাতে তাদের আটক করা হয়। আজ রবিবার বিকাল সাড়ে ৩ টায় সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন ড্রীল সেডে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান।
আটককৃতরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার ফকিরান গৌরিপুর গ্রামের জবেদ আলীর পুত্র বর্তমানে কালিগঞ্জের চৌবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা অজ্ঞান পার্টির মূল হোতা আবুল খায়ের মিস্ত্রি, সাতক্ষীরা শহরের খানপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের পুত্র সাগর হোসেন এবং আবুল খায়ের মিস্ত্রির স্ত্রী নব মুসলীম ঊষা রাণী দাস বর্তমান নাম আয়েশা খাতুন।
এসময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজিব খান, সদর সার্কেল মীর আসাদুজ্জামান, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান, ডিআইও-১ ইয়াছিন আলম চৌধুরিসহ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ সুপার জানান, গত ৩১ মার্চ রাত সাড়ে তিনটার দিকে সদর উপজেলার নেবাখালী গ্রামের শারমিন খাতুনের ঘরের দরজা ভেঙে অজ্ঞাত চোরেরা চেতনানাশক ছিটিয়ে বাড়ির লোকজনদের অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট করে নিয়ে যায়। এ অভিযোগে শারমিন খাতুন সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। এছাড়া ১৩ মার্চ সদর উপজেলার আলীপুর কুলপোতা এলাকার হারান চন্দ্র সরকারের বাড়ীতে একই ধরনের ঘটনা ঘটে। এর প্রেক্ষিতে জেলা পুলিশ অজ্ঞান পার্টির রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। একপর্যায়ে ৮ মার্চ রাতে অজ্ঞান পার্টির মূল হোতাসহ উক্ত তিনজনকে আটক করা হয়।
আবুল খায়ের মিস্ত্রির তথ্যের ভিত্তিতে কালিগঞ্জ থানাধীন তার বাড়ি থেকে ১টি স্বর্ণের আংটি, নগদ ৯ হাজার টাকা, ১ বোতল চেতনা নাশক তরল পদার্থ, ১ কৌটা চেতনানাশক গুড়া পাউডার, ২ বোতল পোর্টেবল গ্যাস রেন্স (গ্রীল ভাঙ্গার কাজে ব্যবহৃত হয়) উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করে, বাড়িতে কৌশলে প্রবেশ করে তারা স্প্রে ছিটিয়ে বাড়ির লোকজনদের অজ্ঞান করতো। এরপর গ্যাস রেন্স ব্যবহার করে গ্রীল কেটে বাড়ির সর্বস্ব লুট করতো তারা। তিনি আরো জানান, ওই চক্রটির নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল আবুল খায়ের মিস্ত্রি। আটককৃত আবুল খায়ের ও সাগর হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।##
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার আশাশুনিতে উপজেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে অগ্রগতি সাধনের লক্ষ্যে ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে ত্রৈমাসিক…
অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে দেওয়া হতে পারে…
অনলাইন ডেস্ক : পেরুর বিখ্যাত ‘নাজকা লাইন’ দেখার সময় একটি ছোট পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে বিমানে থাকা ১১…