আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইটালিতে বুধবারের ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪৭ জনে। এতে আহত হয়েছে ৪০০এরও বেশি মানুষ।দেশটির মধ্যাঞ্চলের আমব্রিয়া, লাৎজিও এবং মার্কে প্রদেশে রাতভর জীবিতদের খোঁজে কাজ করে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ভারী কাজে সহায়তা করার জন্য ইটালির সেনাবাহিনীকেও সেখানে নিয়োগ করা হয়েছে। রাতভর উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে উদ্ধারকর্মীরা।
৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পটি যে অঞ্চলে আঘাত হেনেছে সেটি রাজধানী রোম থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি পার্বত্য অঞ্চল।
ঐতিহাসিক আমাত্রিচে শহরের মেয়র বলেছেন, ভূমিকম্পে শহরটির তিন-চতুর্থাংশই ধ্বংস হয়ে গেছে। এখনো অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
“যে মাত্রার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা ভয়াবহ। শহরের কিছু অংশ মাটির সাথে প্রায় মিশে গেছে। এই অবস্থার মধ্যে আমরা রাতের খাবার তৈরি করার জন্য কিছু রান্নার ব্যবস্থা করছি। সেটি যদি সম্ভব না হয় তাহলে আগামীকাল আমরা খাবার তৈরি করব। দিনভর সবচেয়ে বড় সমস্যাটি ছিল ট্রাক এবং অ্যাম্বুলেন্সগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাগুলোতে নিয়ে যাওয়া”। বিবিসির সাথে আলাপকালে আমাত্রিচে থেকে ইটালির রেড ক্রসের মুখপাত্র টমাসো ডেলা লংগা সেখানকার পরিস্থিতি বর্ণনা করেন।
এর আগে ঐ এলাকা পরিদর্শন করে প্রধানমন্ত্রী মাটিও রেনজি সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন যে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। ভূমিকম্পের পরপরই রাতেরবেলা সেখানে উপস্থিত হয়ে খালি হাতে জীবিতদের উদ্ধার করার জন্য তিনি স্বেচ্ছা সেবক এবং সিভিল ডিফেন্স কর্মীদের প্রতিও তিনি সম্মান জানান।
ভূমিকম্পের ফলে প্রায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া আরেকটি শহর আক্কুমোলির মেয়র স্টেফানো পেত্রুচ্চিস বলেন, তিনি আর জীবিত কাউকে উদ্ধারের আশা করছেন না। এখন তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আক্রান্ত মানুষদের জন্য রাত কাটানোর সুব্যবস্থা করা।
মধ্য ইটালিতে ক্ষয়ক্ষতি হলেও পুরো ইটালিজুড়েই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। দিনভর আরো কিছু ভূকম্পন অনুভূত হয় ঐ এলাকায়।
সাম্প্রতিক সময়ে ইটালিতে বড় ভূমিকম্প হয়েছিল ২০০৯ সালে, যাতে তিন শতাধিক মানুষ মারা যায়। এছাড়াও ২০১২ সালে নয় দিনের ব্যবধানে দুটি ভূমিকম্পে ২০ জনের বেশি নিহত হয়।বিবিসি

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে জামায়াত-শিবিরের ৫ নেতা-কর্মীসহ ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আমিনুর, চাম্পাফুল প্রতিনিধি: ২৪ অগাস্ট বিকাল ৩টার সময় চাম্পাফুল ও তারালী ইউনিয়নের ৫ম শ্রেণির বৃত্তি প্রাপ্তদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান হয়। রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রহিম মোড়লের সভাপতিত্বে রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার এবং চাম্পাফুল-তারালী ইউনিয়নের ক্লাস্টারের দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার শেখ ফারুখ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আশিকুজ্জামান। প্রধান অতিথি উপস্থিত কৃতি ছাত্রছাত্রীদের পরবর্তীতে এই কৃতিত্ব ধরে রাখার জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি সহশিক্ষার উপর জোর দেওয়ার জন্য আহবান জানান। তিনি আরো বলেন তোমরা বাল্যবিবাহকে না বলবে এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ করে ভবিষ্যতে এদেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে দেশকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করবে এ অঙ্গীকার জননেত্রী শেখ হাসিনার। উক্ত অনুষ্ঠানে আরো আলোচনা রাখেন বরেয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালরেয়র প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান, বাথুয়াডাঙ্গা স.প্রাবির প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম, ঘুশুড়ী স.প্রাবির প্রধান শিক্ষক নিবেদীতা সাধু, রাজাপুর স.প্রাবির প্রধান শিক্ষক এম. মনছুর আলী, তেতুলীয়া স.প্রাবির প্রধান শিক্ষক আবুজর গিফারী. পূর্ব-চাম্পাফুল স.প্রাবির প্রধান শিক্ষক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, চাম্পাফুল স.প্রাবির প্রধান শিক্ষক শেখ শাহেদ নওয়াজ, কৃতি অভিভাবক প্রভাষক দীলিপ কুমার সরকার, থালনা স.প্রাবির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আদিত্য কুমার সরকার, অভিভাবক সতীশ কুমার, অভিভাবক বিমল কর্মকার, কল্পনা সরকার প্রমুখ। সার্বিক অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন চাঁদখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মধুসূদন মূখার্জী।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে পারুলিয়া বাসস্টান্ডে উক্ত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুস সাহাদাত নফর বিশ্বাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা ৩ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক আ ফ ম রুহুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মুনছুর আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক হারুন অর রশীদ, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি নজরুল ইসলাম, বাবু শরৎ চন্দ্র, যুগ্ন সম্পাদক আনারুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন, কুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রুহুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক বিধান চন্দ্র বর্মন, পারুলিয়া সভাপতি সাহাবুদ্দিন বিশ্বাস আবারা, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সখিপুর সভাপতি সরদার আমজাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদকআব্দুল হান্নান, নওয়াপাড়া সভাপতি মাহমুদুল হক লাভলু, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, দেবহাটা ইউপি সভাপতি আবুল কাশেম, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান মিন্নুর, শ্রমিকলীগের সভাপতি ইয়ামিন মোড়ল, সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান কেল্টু, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবু রহমান সবুজ, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুজ্জামান ছাদ্দামসহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংঠনের নের্তৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি।